আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2517

ঢাকায় স্মৃতিকথন অনলাইন গ্রুপের আত্মপ্রকাশ

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক : গত সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস -এ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিকথন অনলাইন গ্রুপের মিলনমেলা। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মৃতিকথন গ্রুপ সাংগঠনিকভাবে আত্মপ্রকাশ করলো। উক্ত অনুষ্ঠানে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা পথিক মুসাফিরের ৪৫তম জন্মদিন উৎযাপন করা হয়। সংঠনের উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক সৈয়দ আশরাফ মহি-উদ্-দ্বীন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপনণ অধিদপ্তরের উপ-সচিব জনাব একেএম তারেক এবং কণ্ঠশিল্পী কাজি আরিফ।

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সবাই যখন ঘরে বসে অবসর সময় কাটাচ্ছিলেন ঠিক তখনি অন্যান্য অনলাইন গ্রুপের মতো স্মৃতিকথনের যাত্রা শুরু হয় এ বছরের মে মাসের ১৭ তারিখ। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে বিপুল সংখ্যক সাহিত্যানুরাগী এবং সংস্কৃতিকর্মী এ গ্রুপে যুক্ত হোন। অন্যান্য গ্রুপের সাথে স্মৃতিকথন গ্রুপের পার্থক্য হলো– গ্রুপে বা পেইজে পোস্ট করা লেখা নিয়ে আগামী বছর অমর একুশে বইমেলায় গল্প ও কবিতা সংকলন ছাপার অক্ষরে প্রকাশ করা হবে।

গ্রুপের কর্ণধার পথিক মুসাফির স্মৃতিকথনের কার্যক্রমকে সর্বত্র পৌঁছে দেবার ইচ্ছে ব্যক্ত করেন। করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দাতা সংস্থার মাধ্যমে দেশের দুস্থ শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাবার আগ্রহ প্রকাশ করেন। শুধু অনলাইন কেন্দ্রিক আড্ডা বা বিনোদনে স্মৃতিকথনকে আবদ্ধ না রেখে মাঠ পর্যায়ে সমাজ সেবামূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে চান তারা।

লেখক সৈয়দ আশরাফ মহি-উদ্-দ্বীন বলেন, স্মৃতি কথনের সাথে যুক্ত হয়েছি মাস তিনেক হলো। স্মৃতিকথনের উদ্দেশ্য অনেক মহৎ এবং সুদূর প্রসারী। এরা মানুষের কল্যাণে, সমাজের উন্নতিতে আর নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশে কাজ করে যাবেন বলে সবাই এক হয়েছেন। প্রবাসে বসে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব এই মহতী উদ্যোগে একজন সহযাত্রী হয়ে থাকবো ইনশা-আল্লাহ। আমি আশাকরি স্মৃতিকথন নিয়মিত মানুষের পাশে থেকে মেধা এবং ভবিষ্যৎ বিনির্মানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কণ্ঠশিল্পী কাজি আরিফ ‘স্মৃতিকথন’ সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্যান্য সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে স্বতস্ফুর্ত  অংশগ্রহণ করবার প্রত্যাশা রেখে বলেন, দেশের শিক্ষা, দারিদ্রতা দূরীকরণ, পরিবেশ রক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালনের পরিকল্পনা আছে স্মৃতিকথন পরিবারের। তিনি আরো বলেন, ছোট্ট একটা বীজ থেকেই একদিন বিশাল মহীরুহ তৈরি হয়। আমি আশাকরি তারুণ্যের শক্তি নিয়ে ‘স্মৃতিকথন’ একদিন এই দেশে এই সমাজে বিশাল মহীরুহ হয়ে একটা ইতিবাচক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

জনাব একেএম তারেক স্মৃতিকথনের সফলতা কামনা করে বলেন, ‘স্মৃতিকথন’ একটি সাংস্কৃতিক পরিবার। লেখালেখি এবং ভার্চুয়াল আড্ডার মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে প্রতিনিয়ত। তরুণ লেখকদের একটি একক প্লাটফর্মে এনে তাদের প্রতিভাকে ছড়িয়ে দেওয়া, আবার ভার্চুয়াল জগতে সঙ্গীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তিকে আড্ডার ছলে বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষীদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। এ পরিবারটি বর্তমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও নতুন নতুন সৃষ্টিশিলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।

গ্রুপের এডমিনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কথা সাহিত্যিক তাহমিনা খলিল, ভিকারুননিসা নুন  স্কুল ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক (অবঃ) জনাব মুক্তাদিরুল আলম ডলার, কবি-লেখক ও আবৃত্তিকার শাইনি শিফা এবং গল্পকার ও নাগরিক সাংবাদিক রোদেলা নীলা। এডমিন প্যানেল থেকে তাহমিনা খলিল বলেন, সমাজের ক্ষয়িষ্ণু নৈতিক মুল্যবোধের উন্নতিতে স্মৃতিকথন পরিবার কাজ করছে, কর্মদ্যম মানুষের পাশে থেকে এই পরিবার অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ।

মডারেটরদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সঙ্গীত শিল্পী আব্দুর রহিম রুবেল, সুজিত রঞ্জন সরকার এবং রজনী মিম। সংগীতশিল্পী সাহিদা স্মিতা’র আধুনিক গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

পটুয়াখালীতে র‍্যাবের অভিযানে ১ হাজার কেজি পলিথিন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

মু. হেলাল আহম্মেদ (রিপন), পটুয়াখালী : র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ডাকাত, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, জঙ্গি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী, সাইবার অপরাধী, ভুয়া ডাক্তার ও প্রতারকচক্রসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করাসহ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৮ সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প -এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল আজ (০২ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ১১ টা থেকে সাড়ে ১৩ টা পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার বটতলা বাজার এলাকায় অভিয়ান পরিচালনা করে এক হাজার কেজি সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করে যার আনুমানিক মূল্য ২,৪৯,২৫০/- টাকা। এ সময় পলিথিন ব্যবসার সাথে জড়িত মো: নুরুজ্জামান (৩৮), পিতা- মৃত রুস্তম আলী, সাং- কলাগাছিয়া, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালীকে আটক করা হয়। এবং স্থানীয় বাজারের লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক ১। কাজল দেবনাথ, পিতা- হরেকৃষ্ণ দেবনাথ, সাং- পাতাবুনিয়া, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালী এবং ২। শংকর দেবনাথ, পিতা-মনোরঞ্জন দেবনাথ, সাং- সৈয়দকাঠি, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালী দ্বয়ের দোকান হতেও বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উদ্ধার করা হয়। অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী বায়োকেমিস্ট মো: মুনতাছির রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং অভিযানে এক্সপার্ট মতামত প্রদান করেন। এ সময় ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ রাখার জন্য র‍্যাব সহযোগিতায় গলাচিপা থানায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ সংশোধিত ২০১০ এর ৬ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: ইফতেখারুজ্জামান জানান- ‘প্রতি দিনই আমাদের এ অভিযান অব্যহত থাকবে’।
আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

সন্তানদের সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরেও চিকিৎসা হচ্ছে না বাবার

নাবিলা ওয়ালিজা, মাদারীপুর : মাদারীপুরে এক সময়ের তাজ বিড়ি ফ্যাক্টরীর মালিক ও কোটিপতি ব্যবসায়ী নুরু মাতুব্বর ৪ সন্তানকে বিঘার পর বিঘা সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরেও পরিবারের জ্বালাতনে গত ১৫ বছর ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দু’বেলা খাবার খেতেন। সেই ব্যক্তি চিকিৎসার অভাবে মুমূর্ষু অবস্থায় সদর হাসপাতালের ফ্লোরে পড়ে আছেন। অথচ, ৪ দিনেও খোঁজ নিতে আসেননি কেউ। চিকিৎসকরা বলছেন, উন্নত চিকিৎসা ছাড়া স্বাভাবিক জীবনে আর ফিরতে পারবেন না নুর হোসেন। এদিকে সন্তানদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি বৃদ্ধ ওই বাবার চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ফ্লোরে গত রোববার থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে আছেন সদর উপজেলার ঝিকরহাটি গ্রামের নুরু মাতুব্বর। অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা চললেও খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে তার। অথচ, ৪ দিনেও পরিবার থেকে ৬০ বছর বয়সী বাবার কোনো খোঁজ নিতে আসেননি কেউ। দ্রুত তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক মেডিকেল অফিসার ইমরানুর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, বেশ কয়েক বছর আগে বন্ধ হয়ে যায় চরমুগরিয়া এলাকার ‘তাজ বিড়ি ফ্যাক্টরী’। পরে ফ্যাক্টরীর মালিক নরু মাতুব্বর বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে লন্ডন পাঠান পড়াশোনা করাতে। লন্ডন থেকে ফিরে এসে ছেলে বিয়ে করে ঢাকায় ব্যবসা করছেন। পরে নুরু মাতুব্বরের বিঘার পর বিঘা জমি তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে লিখে দেয়ার পাশাপাশি তাদের সভ্রান্ত পরিবারে বিয়েও দেন। অথচ, গত ১৫ বছর ধরে বাড়ি ছাড়া ওই বাবা। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে খাবার সংগ্রহ করলেও আজ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুশয্যা। এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন এলাকাবাসী। অসুস্থ্ হওয়ার পূর্বে তিনি চরমুগুরিয়া বাজার এলাকায় একটি দোকানে রাতে পাহাদার হিসেবে কাজ করতেন। হাসপাতালের অন্যান্য রোগীরা বৃদ্ধাকে খাবার দিচ্ছে ও আদর আপ্যায়ন করছে।
নুরু মাতুব্বরের মেয়ে শামসুর নাহার চৈতী বলেন, পারিবারিক ঝামেলার কারণে বাবার সাথে যোগাযোগ অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। বাবা তার মতো করে থাকে, আমারা মাকে নিয়ে আমাদের মতো করে থাকি।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, এক বৃদ্ধ কয়েক দিন ধরে সদর হাসপাতালে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছে। তার খোঁজ-খবর নিতে কেউ আসে না শুনে আমি সকালে হাসাপাতালে তাকে দেখতে যাই। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিয়ে আসি। তার ভরণ-পোষণ ও খোঁজ না নেওয়ায় সন্তানদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

টাঙ্গাইলে শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, শিক্ষক আটক

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নূরানি মাদরাসায় পড়ুয়া ৭ বছরের এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. আব্দুর রাজ্জাক (৩২) নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে গোপালপুর থানা পুলিশ।

শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল হাই’র ছেলে। তিনি স্থানীয় আল হেরা নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ওই মাদরাসা শিক্ষককে বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করেন পুলিশ। গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই শিশু ছাত্রী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকের কাছে মাদরাসায় প্রাইভেট পরানোর সময় একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটি ডাক-চিৎকার করলে ভয়ে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়। ঘটনার ওই দিনই শিশুর মা বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মূল্যতালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের সকল বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণের নতুন তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২ অনুসারে নীতিমালা প্রনয়ণের খসড়া চূড়ান্ত করার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারীর আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। আইনজীবী বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, আদালত নির্ধারিত দিনে শুনানি নিয়ে ডাক্তারদের প্রাক্টিস নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করার সর্বশেষ তথ্য জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণ করে রিভাইস করে নতুন যে তালিকা করা হয়েছে তাও দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর আগে ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই দেশের সকল বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মূল্য তালিকা আইন অনুসারে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলকে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২ অনুসারে নীতিমালা তৈরি এবং বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এই আদেশ ছাড়াও দেশের সকল জেলা সদরের হাসপাতালে ৩০টি আইসিইউ বা সিসিইউ বেড স্থাপন করার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। এছাড়াও অনুমোদিত এবং অনুমোদনহীন প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরীক্ষা ও ফি-র মূল্য তালিকা কেন প্রদর্শন করা হবে না এবং বেসরকারি ক্লিনিকগুলো যাচাই-বাছাই করে কেন লাইসেন্স দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছিলেন আদালত। আগে হিউম্যান রাইটস ল’ইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ মো. শাহ আলম রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনে দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২ এর ১৪ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়। এই ধারায় বলা আছে, ‘ডিজি হেলথ অথবা তার মনোনীত কোনো কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগ ছাড়া কোনো আদালত এ অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।’ রিট আবেদনে সব অনুমোদিত এবং অনুমোদনহীন প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের যন্ত্রপাতিসহ তালিকা দাখিল, সব জেলা সদরের হাসপাতালে ৩০ বেডের আইসিইউ/সিসিইউ স্থাপন, মেয়াদহীন ওষুধ ব্যবহারে প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিএসটিআই অনুমোদিত ওষুধ ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

মেসি ১০ কারণে বার্সা ছাড়ছেন

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ বার্সেলোনার কোভিড টেস্টে অংশ নেননি। নেননি প্রাক-মৌসুমের প্রথম অনুশীলনেও। লিওনেল মেসি নিজে থেকেই মনে করছেন, তিনি এখন আর বার্সেলোনা খেলোয়াড় নন। মূলতঃ বার্সার কাছে নিজের ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে দেয়ার পর মেসি যে আর ন্যু ক্যাম্পে থাকছেন না, এটা প্রায় নিশ্চিত। ২০০০ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে বার্সার ফুটবল একাডেমি লা মাসিয়ায় যোগ দেয়ার পর একে একে কেটে গেছে ২০টি বছর। এর মধ্যেই মেসি এবং বার্সেলোনা পরিণত হয়েছিলেন একে অপরের পরিপূরক হিসেবে। যেন মূদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। মেসিকে ছাড়া বার্সা, বার্সাকে ছাড়া মেসিকে চিন্তা করারও উপায় ছিল না। এখন সে সবই অতীত। মেসির পথ এখন বার্সা থেকে বেঁকে গেছে। বিচ্ছেদটা শারীরিকভাবে না হলেও মানসিকভাবে হয়ে গেছে। শারীরিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটার সময়টাও খুব অল্প। কয়েকদিনের মধ্যেই হয়তো ঘোষণাটা চলে আসবে। মূলতঃ কেন বার্সা ছাড়তে চাচ্ছেন মেসি? কিছু কারণ ফুটবল সমর্থক কিংবা মেসি ভক্ত- সবারই জানা আছে। তবে সঠিকভাবে কারণগুলো অনেকেরই জানা নেই। স্পেনের মাদ্রিদভিত্তিক ক্রীড়া দৈনিক মার্কা ১০টি কারণগুলো তুলে ধরেছে পাঠকদের জন্য। এর মধ্যে আবার কিছু আছে আইনগত কারণ, কিছু রয়েছে খেলাধুলা সম্পর্কিত কারণ।

আইনগত কারণ

১. মেসি বার্সেলোনা ছাড়ার ইচ্ছেটা ক্লাবের কাছে প্রকাশ করেছেন অনেক পরে, কিছুটা সময় নিয়ে। কারণটা হচ্ছে, মৌসুম শেষ করার ক্ষেত্রে বিলম্ব হওয়া। মূলতঃ তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রকাশ করার শেষ সময় ছিল ১০ জুন। যদিও এখন এই তারিখটা নিয়েই চলছে আইনী খেলা। এই তারিখটা নিয়ে বার্সা তার সঙ্গে যে আচরণ করছে, তাতে কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়েছেন মেসি।

২. সর্বশেষ মেসির সঙ্গে বার্সার যে চুক্তি হয়েছে, সেখানে কিন্তু ৭০০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজ নির্ধারিত ছিল না।

৩. বার্সা প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া বার্তেম্যু বেশ কয়েকবার কয়েকটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, মেসি যখনই চাইবেন, তখনই বার্সা ছেড়ে যেতে পারবেন।

খেলাধুলা সম্পর্কিত কারণ

৪. বার্সেলোনার সামনে যেসব প্রজেক্ট রয়েছে, সেগুলো খুব বেশি উচ্চাভিলাসি নয় এবং মেসিও বার্সার ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি শঙ্কিত। তিনি নিশ্চিত নন, কি হতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে। এমনকি প্রায় সময়ই পুরো দল একা তার ওপর নির্ভর করে দলের জয়-পরাজয়ের ব্যপারে। যেটা কোনোভাবেই মানতে রাজি নন মেসি।

৫. কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দেকে বরখাস্ত করার সময় এবং আচরণ- কোনোটাই পছন্দ ছিল না মেসির। মূলতঃ তখন থেকেই মেসি বার্সেলোনায় নিজেকে অনিরাপদ ভাবতে শুরু করেন।

৬. বার্সেলোনা বোর্ডের সঙ্গেই মূলতঃ মেসির সমস্যার শুরু। গত কয়েকমাসে বার্সেলোনা এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে মোটেও একমত ছিলেন না মেসি। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্যান্ডাল এবং ইআরটিই নিয়ে বার্সার অবস্থানকেও মেসি সমর্থন করেননি।

৭. বার্সার অন্য অনেক কর্মকর্তার সঙ্গেই মেসির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। যেমন স্পোর্টিং ডিরেক্টর এরিক আবিদাল। যাকে অনেক খেলোয়াড়ই দায়ী করে থাকেন আর্নেস্তো ভালভার্দেকে বরখাস্ত করার জন্য।

৮. মেসি মনে করেন, বিভিন্ন বিষিয়ে তিনি কোনো মতামত দিলে সেগুলো শোনা হয় না ক্লাবে। বিশেষ করে বার্সার একাডেমিকে কিভাবে আরও ব্যবহারযোগ্য করা যায়, কিভাবে সেখান থেকে প্রতিভা তুলে আনা যায়, কিংবা ক্লাবের বিভিন্ন বিষয়ে কোনো মতামত দিলে সেগুলো আগ্রাহ্য করা হয়।

৯. মেসি মনে করেন, বার্সায় একটি যুগের সমাপ্তি হতে চলেছে। তিনি জেরার্ড পিকের সঙ্গে একমত যে, সিনিয়র খেলোয়াড়দের এখনই জায়গা ছেড়ে সরে দাঁড়ানো প্রয়োজন এবং সে জায়গায় নতুন রক্তের সঞ্চার করা প্রয়োজন।

১০. বার্সেলোনার সোশ্যাল মিডিয়া কেলেঙ্কারিতে টার্গেট করা হয় মেসি এবং তার পরিবারকে। ক্লাবের পক্ষ থেকে এসব ঘটার কারণে তিনি মানসিকভাবেও বেশ আহত হয়েছিলেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

ডোমিঙ্গো-কুক বুধবার আসছেন, বাকিরা যোগ দেবেন শ্রীলঙ্কায় গিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগেই জানা, টাইগাররা শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে সেপ্টেম্বর মাসের ২৭-২৮ তারিখে। সেই সফরের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হবে চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। প্রশ্ন উঠেছিল, জাতীয় দল শ্রীলঙ্কা যাবার আগে দেশের মাটিতে যে অল্প কদিনের অনুশীলন করবে, তাতে কি হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো উপস্থিত থাকবেন? নাকি তিনি সরাসরি শ্রীলঙ্কা চলে যাবেন? তবে জাগো নিউজে আগেই সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, টাইগারদের প্রধান প্রশিক্ষক সেপ্টেম্বর মাসের একদম শুরুতে চলে আসবেন। সেটাই সত্য হতে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল ২ সেপ্টেম্বর বুধবার ঢাকায় আসবেন এ দক্ষিণ আফ্রিকান। আগামীকাল বুধবার হেড কোচের সাথে রাজধানীতে পা রাখবেন ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুকও। ২২ সেপ্টেম্বর প্র্যাকটিস শুরু, তাহলে হেড ও ফিল্ডিং কোচ এত আগে আসবেন কেন? এ কৌতুহলি প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। তাদের জন্য খবর, করোনাকালিন সময়ে দেশে পা রাখার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২ সপ্তাহ কোয়ারেনটাইনে থাকতে হবে ডোমিঙ্গোকে। অর্থাৎ ২ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনেই কাটবে ডোমিঙ্গো ও কুকের সময়। এদিকে হেড কোচের আগে আসার আরও একটি কারণ আছে। নির্বাচকরা তার সাথে দল নিয়ে কথা বলবেন। তিনি কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও মুঠোফোন ও ইন্টারনেটে তার সাথে যোগাযোগ করে দল নির্বাচনের কাজ সারবেন নির্বাচকরা। সেই আভাস পাওয়া গেছে প্রধান নির্বাচকের কথায়। আজ মঙ্গলবার মধাহ্নে জাগো নিউজের সাথে আলাপে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানালেন, ‘হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো আর ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক আসছেন কাল বুধবার।’ প্রধান নির্বাচক আরও একটি তথ্য জানিয়েছেন। তাহলো, নতুন ব্যাটিং কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলান এবং স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভোট্টোরি এখন আর আসবেন না। মানে জাতীয় দল শ্রীলঙ্কা সফরে যাবার আগে বাংলাদেশে যে অল্প কদিনের প্রস্তুতি ক্যাম্প করবে, তাতে অংশ নেবেন না ম্যাকমিলান ও ভেট্টোরি। এ দুই কিউই কোচের কেউই আপাততঃ বাংলাদেশে আসবেন না। নিউজিল্যান্ড থেকে সরাসরি শ্রীলঙ্কা চলে যাবেন। সেখানেই জাতীয় দলের সাথে মিলিত হবেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

সুন্দরবনে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

সংবাদদাতা, মোংলাঃ সুন্দরবনের বেতবুনিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের গোয়েন্দা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মাহমুদ সাব্বির। তিনি জানান, সোমবার দুপুরে সুন্দরবন সংলগ্ন পাইকগাছার বেতবুনিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে  ১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। গাঁজাসহ আটক ওই মাদক ব্যবসায়ীরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক দ্রব্য এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করতো।  আটক মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার মাগুরা গ্রামের পবিত্র দাসের স্ত্রী পারমিতা দাস (৩৬) ও যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কালিডাঙ্গা গ্রামের মৃত মধু রায়ের পুত্র বাবু তুষার রায় (৪২)। আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই গাঁজা ও ইয়াবার ব্যবসা করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড। তাদের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ থাকলেও এতদিন ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে । আটক দুই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানায়  মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে 3মামলা  হওয়ার পর তাদের জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মাহমুদ সাব্বির আরো বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে যেকোন ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতা, বনদস্যু জলদস্যুদের অপতৎপরতা, মাদক ব্যবসায়ীদের নির্মুল করা সহ ও বন্যপ্রাণী পাচারকারী এবং নিধনকারীদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ আগস্ট’২০/এসএএইচ

 

ফুলবাড়িতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সংবাদদাতা, ফুলবাড়ী(দিনাজপুর): দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ধান ক্ষেতের ডোবার পানিতে ডুবে ইমন (৮) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পৌরএলাকার উত্তর সুজাপুর রাজবংশিপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত ইমন ওই গ্রামের রিকশা চালক আনিছুর রহমানের ছেলে। পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টায় ইমন তার মায়ের সাথে বাড়ির পাশের কৃষিজমির মধ্যখানের বাগানে পাতা কুড়াতে যায়। তার মা পাতা কুড়ানোয় মগ্ন থাকায় মায়ের অদৃষ্টিতে দুই সঙ্গীর সাথে খেলতে যায়। খেলতে খেলতে গোসলের উদ্দেশ্যে ক্ষেতের ডোবায় নামে ইমনসহ তার দুই সঙ্গী। গোসলের একসময় ইমন ডুবে গেলে তার দুই সঙ্গী চিৎকার শুরু করে। চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে ইমনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করে। ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, শিশু ইমনের মৃত্যুর ঘটনা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ আগস্ট’২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় পৃথক ঘটনায় মহিলাসহ ২ জনের মৃত্যু

সংবাদদাতা, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রোববার পৃথক দুটি ঘটনায় এক মহিলাসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।  পুলিশ জানায়, উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের শহরগছি স্কুুল এন্ড কলেজের নির্মাণ কাজ করার সময় ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আমিনুল ইসলাম (২৬) নামের এক নির্মাণ শ্রমিক গুরুতর আহত স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত নির্মাণ শ্রমিক পাশর্^বর্তী জয়পুরহাট জেলার আমদই ইউনিয়নের সুন্দরপুর গ্রামের মোহফেল ইসলামের ছেলে। অপরদিকে পৌরশহরের কুঠিবাড়ী এলাকায় করতোয়া নদীর পাশ থেকে লিটন রাজভর (৩২) নামে এক সার ব্যবসায়ির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের পাশে পাওয়া একটি সুইসাইট নোট থেকে জানা গেছে, আর্থিক অনটন ও দেনাগ্রস্থ হওয়ায় সে আত্মহত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ আগস্ট’২০/এসএএইচ