আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2516

মধুখালীতে মধুমতির করাল গ্রাসে গ্রাম বাড়ী সড়ক

সাগর চক্রবর্ত্তী, ফরিদপুর : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আ: রউফ এর বাড়ীসহ ওই এলাকার ১৫টি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়ক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ সড়কের গন্ধখালী এলাকার আলী মৃধা ও মো: মতিয়ার রহমান মোল্যার বাড়ীর সামনে একটি অংশ সম্পন্নভাবে মধুমতি নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে গেছে। সড়কটির রাজধরপুর দিলীপ ঘোষের বাড়ীর সামনেও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে মানুষের পায়ে হেটে চলাচল করা ছাড়া যানবাহনে করে চলাচল সম্পন্ন ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে সকল প্রকার পণ্য আনা-নেওয়া। রউফ নগরে (সালামতপুর) গ্রামে অবস্থিত ‘বীরশ্রেষ্ঠ ন্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘরটিতে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি নাই।

সড়ক ভাঙ্গনের ফলে সেখানে যানবাহনের মাধ্যমে কোন দুরের দর্শনার্থী আসা-যাওয়া করতে পারছেন না বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। ভাঙ্গন কবলীত এলাকা পার হয়ে গন্ধখালী, ফুলবাড়ী, দয়ারামপুর, সালামতপুর (রঊফনগর), চরসালামতপুর, চরকসুন্দী, কসুন্দী, গয়েশপুর, চরগয়েশপুর, জারজননগর, আড়পাড়া, বকসিপুর, সরবরাজ, চর পুকুরিয়া, শ্রীমন্তকান্দী। ফলে ওই এলাকার ১৫টি গ্রামের প্রায সাড়ে তিন হাজার লোকের দূর্ভোগের সীমা নেই। সড়কটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে এই রাস্তা দিয়ে মানুষ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে স্থানীয় কামারখালী বাজার, উপজেলা সদর এবং জেলা শহরে যাওয়া-আসা করে থাকেন। ওই এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়ত করে সড়কটি দিয়ে । ওই এলাকার চাকুরীজীবিরা এই সড়টি দিয়ে উপজেলা জেলা সদরে অফিস করে থাকেন তারাও পড়েছে মহা সংকটে। সবচেয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কৃষকদের তারা মাথায় করে ছাড়া কোনো প্রকার বাহন ব্যবহারে তাদের কৃষি পণ্য বাজারে নিতে পারছেন না ফলে তারা অর্থের যোগান করতে পারছেন না। এলাকার কোনো রোগী যদি ইমারজেন্সি হাসপাতালে নিতে হয় তাহলে ভ্যান কিংবা গাড়ীর ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

মানুষের দূর্ভোগ সরেজমিনে এসে দেখে অতি তাড়াতাড়ি পথ চলা এবং যানবাহনের মাধ্যমে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য কামারখালী ইউনিয়নবাসী উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। ভুক্তভোগী গ্রামগুলোর বাসিন্দা মো: মোশারফ মৃধা, মো: হিমায়েত মৃধা, মোঃ সিরাজ মৃধা, মো: সাহাদত মৃধা, মো: সাইদুর রহমান, মো: রউফ মৃধা, মো: দেলোয়ার সরদার, মো: কামরুল বিশ্বাস, মো: রজব, মো: কাইউম আলী, এস.এম.দাউদ সর্দার, মো: উজ্জ্বল, মো: আলম জানান রাস্তাটির ভাঙ্গার ফলে সদরে যেতে পারছি না আমাদের কৃষি পণ্য বাজারে বিক্রি করতে না পারায় আর্থিক কষ্টের মধ্যে বাস করছি। তারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানান।এ ব্যাপারে কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদুর রহমান বাবু জানান বিষয়টি নিয়ে আমি উপজেলা চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি তিনি দ্রুত সড়কটি মেরামতের ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন।নদী ভাঙ্গন সম্পর্কে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন আমরা মধুমতি নদীতে কামারখালী হতে ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত স্থায়ীভাবে নদীকে ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এটা বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

সাবেক এমপি খোন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুলের ইন্তেকাল : জাতীয় পার্টির শোকবার্তা

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক দাবানলের সম্পাদক ও প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুল আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপর পৌনে ১২টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত সোমবার (৩১ আগস্ট) শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টায় তিনি মারা যান। বাদ আসর নামাজের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তার মৃত্যুতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার ও মহাসচিব জাফরুল্লাহ খান চৌধুরী লাহোরি এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, খোন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুলের মৃত্যুতে এক দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদকে হারালাম আমরা। তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি । আল্লাহ তাদের পরিবারের সকলকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

পটুয়াখালীর গলাচিপায় পিস উইন্ডস -এর সেমিনার অনুষ্ঠিত

মু. হেলাল আহম্মেদ (রিপন), পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর গলাচিপায় পিস উইন্ডস জাপান (পিডব্লিউজে) এর উদ্যোগে উপজেলা অডিটরিয়ম হলরুমে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশীষ কুমার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু। আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মস্তফা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. অলিউল্লাহ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরএসএম সাইফুল্লাহ, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান শিবলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসাইন, ডাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বাদল খান, আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সভাপতি দিলীপ নারায়ন ভূঁইয়া, আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও গলাচিপা প্রেসক্লাবের সভাপতি সমিত কুমার দত্ত মলয়, সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ হোসেন মিল্টন, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সাদিয়া সামাদ মৌ, ডা. মো. নাজমুল হোসেন, গলাচিপা প্রকল্প অফিসার মো. হাসানুজ্জামান রতন, সুমাইয়া আক্তার, রিয়াদ আহম্মেদ, সেলিম হোসেন, মনোয়ার হোসেন সাইদুল প্রমূখ।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, পিস উইন্ডস জাপান (পিডব্লিউজে) বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) যা দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের সহায়তায় নিবেদিত এবং দারিদ্র্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ হত দরিদ্রদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে। তাদের এ ভূমিকা প্রশংসনীয় বলে জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

ফুলবাড়ীতে উন্নত বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মোস্তাফিজার রহমান (জাহাঙ্গীর), ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম, পাট বীজ উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ অনু্ষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ঘোগারকুটি গ্রামে বড়ভিটা ব্লকের কৃষকদের নিয়ে কৃষক পর্যায়ের এ প্রশিক্ষণ (কৃষক মাঠ স্কুল) অনু্ষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবাব ফারহান, বড়ভিটা ব্লকের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম সহ ওই ব্লকের কৃষাণ কৃষাণীগণ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবাব ফারহান জানান- উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বীজ উৎপাদনকারী কৃষক গ্রুপ তৈরী করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কৃষকরা যেন নিজের প্রয়োজনীয় বীজ নিজেরাই উৎপাদন ও সংরক্ষণ করে নিজেদের জমিতে ব্যবহার করতে পারে।এর ফলে কৃষকরা যেমন স্বাবলম্বী হবে পাশাপাশি আমদানিকৃত হাইব্রিড জাতের উপড় নির্ভরতাও কমে আসবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদ জানান – সরকারের সরাসরি কৃষকের মাধ্যমে আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের ধান, গম,পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় অত্র উপজেলার ছয়টি স্পটে আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের ধানের বীজ উৎপাদন প্রদর্শনী করা হয়েছে। এখান থেকে প্রান্তিক কৃষকেরা সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নতমানের বীজ পাবেন। পাশাপাশি নতুন এ জাতগুলো স্বল্প মেয়াদি হওয়ায় কৃষকেরা অনায়াসে তাদের জমিতে রবিশস্য চাষাবাদ করতে পারবেন। আধুনিক এ জাতগুলো ব্যবহারে জাতীয় খাদ্য ভান্ডার সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি কৃষকরাও একই জমিতে বারবার ফসল ফলিয়ে অধিক লাভবান হবেন বলেও জানান তিনি।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

শ্রীপুরে নিরাপত্তা চেয়ে দুই কন্যা সন্তানসহ শিক্ষিকার সংবাদ সম্মেলন

আলমগীর হোসেন, শ্রীপুর (গাজীপুর) : গাজীপুরের শ্রীপুরে ফারজানা ইয়াসমিন নামে এক শিক্ষিকা দুই শিশু সন্তান সাথে নিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ওই নারী উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। বৃহষ্পতিবার দুপুরে টেংরা এলাকায় তার বসত বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে নিরাপত্তার আকুতি জানান।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে চার যুবককে অভিযুক্ত করে নিরাপত্তার দাবী তোলেন। যুবকেরা হল শ্রীপুর পৌর শহর এলাকার কবির হোসেনের ছেলে হোসাইন আলী বাবু, ভাংনাহাটী গ্রামের মৃত শাহিদ আলীর ছেলে রাশেদুল হাছান, গোসিংগা গ্রামের রাজিব প্রধান ও বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত রাশেদুল হাছানের সাথে ওই শিক্ষিকার এক যুগ সংসার করার পর (বিবাহ বিচ্ছেদ) ডিভোর্স হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। ওই দুটি সন্তান নিয়ে তিনি পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। কন্যা সন্তান হওয়ায় এবং যৌতুকের দাবীতে তাকে ডিভোর্সের আগে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল রাশেদুল হাছান। এক পর্যায়ে ভিন্ন নারীর সাথে যোগাযোগ করে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এসব বিষয় নিয়ে ওই শিক্ষিকার বাবা শ্রীপুর থানায় গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, ওই মামলা প্রত্যাহারের জন্য অভিযুক্ত হোসাইন আলী বাবু নানা সময় নানা কায়দায় ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। শিক্ষিকার স্বামীকে সংসারে ফিরে পেতে সহায়তার কথা বলে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদাও দাবী করে। অন্যথায় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বদনাম রটিয়ে সংবাদ প্রচারের হুমকি দেয়। করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে সে স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানহানির উদ্দেশে তাঁর কর্মস্থল টেংরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ক্যামেরা তাক করে তাকে নানা উদ্ভট ও আপত্তিকর প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য করে। এতে বিদ্যালয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় অভিভাবকেরা এগিয়ে আসলে সে ক্যামেরাসহ পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি’র) কোতয়ালী থানা, গাজীপুরের শ্রীপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ও সাধারণ ডায়েরী রয়েছে। এতোকিছুর পরও গত ১৭ জুলাই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে টেংরা-মাওনা সড়কে শিাক্ষকার বাড়ির পাশে পথরোধ করে। এসময় অভিযুক্তরা তাকে টেনে হিঁচড়ে একটি প্রাইভেটকারে তোলে নিতে চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা শ্লীলতাহানির চেষ্টা, টানা হেঁচড়ার ছবি এবং ভিডিওচিত্র ধারণ করে। অভিযুক্তরা সঙ্ঘবদ্ধভাবে এসব অপকর্মে যুক্ত থাকে বলে তিনি অভিযোগ করেন। শিক্ষকের বড় ভাই আক্তার মাস্টারকে জড়িয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে এবং সাজানো মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হোসাইন আলী বাবু বলেন, তাকে হেনস্তা করা এবং ফাঁসানের চেষ্টা চলছে। কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর কোনো চেষ্টা তিনি করেননি।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় পরষ্পরবিরোধী মামলা, সাধারণ ডায়েরী (জিডি) ও অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষকের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাহীনতার কোনো ঘাটতি নেই। নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী নিরাপত্তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। শিক্ষকের দায়ের করা অভিযোগটির সত্যতা না পাওয়ায় মামলা রুজু হয়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডিএন

টাঙ্গাইলে দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো তিনজন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আনালিয়াবাড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে দুর্ঘটনার পরে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যানজট লাগে। নিহত চালকের নাম নয়ন মিয়া (২২) চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রশিদনগরের তরকিুল ইসলামের ছেলে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আয়বুর রহমান বলেন, সকাশ ১০ টার দিকে উত্তরবঙ্গগামী একটি ট্রাক ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী অপর ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই উত্তরবঙ্গগামী ট্রাকের চালক নিহত হন। আহত তিন জনকে আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রাক দু’টি থানা হেফাজতে আছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমকে কুপিয়ে জখম

পিসি দাস, দিনাজপুর : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টায় মধ্যে ইউএনও’র সরকারি বাস ভবনে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জানা যায় কাজের বুয়া ভোর ৫ টায় উপরে উঠে (২য় তলা) ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নূর নেওয়াজ আহম্মদকে সংবাদ দেওয়ার পর তিনি এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল ডক্টরস ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে ওয়াহিদা খানমকে আইসিউতে রাখা হয়েছে।

ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম বলেন, বাড়ির পেছনে ভাঙা ভেন্টিলেটর দিয়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে। এ কাজে তারা একটি মই ব্যবহার করে।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমের উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার এম্বুলেন্স যোগে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে শিবগঞ্জ জামে মসজিদ পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন

মো: সিফাতুল্লাহ, শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পুনঃনির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল।
মসজিদ কমিটির সভাপতি তোহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল-রাব্বি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা ড. কেরামত আলী, শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কারিবুল হক রাজিন, শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলী ছত্রাজিতপুর আলাবক্স মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সৈয়দ মনিরুল ইসলামসহ অন্যরা।
প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ তলা বিশিষ্ট শিবগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে। শেষে মসজিদটির পেশ ইমাম মাওলানা নবীবুর রহমান দোয়া করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ জুলাই-২০২০/জেডএন

ধামরাইয়ে বিজয় টিভির সাংবাদিককে প্রকাশ্যে খুন, গ্রেফতার ২

মাসুদ রানা, ধামরাই :  ঢাকার ধামরাই উপজেলায় কর্মরত বেসরকারি বিজয় টেলিভিশনের সাংবাদিক জুলহাস উদ্দিন (৩৫) কে প্রকাশ্যে গলা জবাই করে খুন করা হয়েছে। স্থানীয়রা শাহীন ও মোয়াজ্জেম নামের দুই খুনিকে আটকের পর পুলিশে সোর্পদ করে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুলহাস উদ্দিন উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতকোরা গ্রামের মৃত রইস উদ্দিনের ছেলে। তিনি ধামরাই প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বরত ছিলেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো- মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাহিরচর গ্রামের বিষু ব্যাপারীর ছেলে শাহীন ও ফাঁড়িরচর গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে মোয়াজ্জেম। গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রবিউল আওয়াল হাসু বলেন, আজ দুপুর আড়াইটার দিকে সাংবাদিক জুলহাস মানিকগঞ্জ থেকে বারোবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থেকে নামে। গাড়ি থেকে নামার পর শাহীন ও মোয়াজ্জেমসহ আরো কয়েকজন জুলহাসকে প্রকাশ্যে বুকের দুই পাশে ছুরি ঢ়ুকায় ও গলায় ছুরি দিয়ে জবাই করে। এ সময় জুলহাস মাটিতে লুটে পরে গেলে প্রচন্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় বাসস্ট্যান্ডের দোকানদার জুলহাসকে উদ্ধার করতে চাইলে খুনিরা বাঁধা দেয়। জুলহাস মৃত্যুর যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে এমন দৃশ্য দেখে স্থানীয়রা খুনি শাহীন ও মোয়াজ্জেমকে আটক করে। বাকি খুনরিা পালিয়ে যায়। আটকৃতদের পুলিশে সোর্পদ করে স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় জুলহাসকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্য ডাক্তার মো: আরিফুর রহমান তাকে মৃত ঘোষনা করে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাংবাদিকরা মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ছুটে যায়। সেখানে জুলহাসের রক্তমাখা মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে। পুরো হাসপাতালে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত সাংবাদিক জুলহাসের চাচা শাহিন জানান, স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালী নেতা তুলা মিয়ার মেয়ে সুমা আক্তারকে গত ১২ বছর পূর্বে ভালোবেসে বিয়ে করে জুলহাস। বিয়ের পর থেকে তুলা মিয়া জুলহাসের উপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করে। জুলহাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলও খাটিয়েছে। তারপরও সুমা জুলহাসকে ছেড়ে যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে জুলহাসকে হত্যা করেছে বলে ধারণা জুলহাসের পরিবারের। তুলা মিয়া এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

স্থানীয় সাংবাদিক জুলহাস হত্যাকারীদের অতি বিলম্ভবে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। ধামরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হাসান জানান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জুলহাসকে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ও দ্রুত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। তার এ মৃত্যুতে আমরা সত্যি মর্মাহত। জুলহাসের স্ত্রী কথা বলতে পারছেন না, তবে তার স্বামী হত্যার বিচার চেয়েছেন। বাকি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ধামরাই থানার অফিসার ইনর্চাজ দিপক চন্দ্র সাহা বলেন, সাংবাদিক জুলহাস হত্যার সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার করা হবে। যে ছরা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত করা হবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টায় টাঙ্গাইলে পুলিশসহ ২ জনের কারাদণ্ড

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলে এক ব্যক্তির পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে আটক করার চেষ্টায় এক পুলিশ কনস্টেবল ও পুলিশের এক সোর্সকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুপম কুমার দাস মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মোজাটি চরপাড়া গ্রামের মো. আক্তারুজ্জামানের ছেলে ও মির্জাপুরের বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্তকৃত কনস্টেবল রাসেলুজ্জামান ওরফে রাসেল এবং বাঁশতৈল নয়াপাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে ও পুলিশের সোর্স হাসান মিয়া।
তাদের মধ্যে রাসেলকে এক বছর ছয় মাস এবং হাসানকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্তকৃত এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রিয়াজুল ইসলাম, কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র সাহা, তোজাম্মেল হক ও আব্দুল হালিম এবং সোর্স আল আমিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, কনস্টেবল রাসেলসহ মির্জাপুর থানার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ছয় পুলিশ সদস্য এবং হাসানসহ দুই সোর্স ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর পাশের সখীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় যান। তারা ওই এলাকার বজলুর রহমান নামে এক দিনমজুরের পকেটে ইয়াবা দিয়ে তাকে জোর করে অটোরিকশায় তোলেন। এ সময় বজলুর রহমানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে অটোরিকশাটি আটক করেন। বজলুরের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে উপস্থিত লোকজন পুলিশ ও সোর্সদের দেহ তল্লাশি করে কিছু ইয়াবা পায়। এতে সাধারণ মানুষ বিক্ষুদ্ধ হয়ে পুলিশ ও সোর্সদের পিটুনি দিয়ে একটি দোকানে আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে তার আগেই তিনজন কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে বাকি চার জনকে পুলিশ সখীপুর থানায় নিয়ে যায়। সখীপুর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আয়নুল হক বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে সখীপুর থানার এসআই ওমর ফারুক গত ২ জানুয়ারি আদালতে পাঁচ পুলিশ সদস্য ও দুই সোর্সের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত মামলার আটজন সাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ ও নথিপত্র বিশ্লেষণ শেষে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় এ রায় দেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয়নি তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন