আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2514

কলাপাড়ায় সম্পত্তি দখলের অভিযোগে মসজিদের মুয়াজ্জিমের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা, কলাপাড়া(পটুয়াখালী): কলাপাড়ায় ৩০ বছরের সম্পত্তি দখল করে নেয়ার অভিযোগে মসজিজের মুয়াজ্জিম সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। স্থানীয় চিহিৃত ভূমি দস্যুদের অব্যাহত হুমকি-হামলার প্রানলাশের শংঙ্কায় আইনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে পরিজন নিয়ে। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পৌর শহরের বড় সিকদার বাড়ি মসজিদের মুয়াজ্জিম সাইফুদ্দিন সিকদার। এসময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ৩০ বছর পর্বে ৩টি দলিলমূলে বর্তমান পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের এস এ ২০ ও ২১ নং খতিয়ানে ৬২১ ও ৬২২ নং দাগে প্রকৃত মালিক আলতাফ হোসেন গংদের নিকট ০.৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে কাঁচা ঘর নির্মন করে বসবাস করছি। সেখানে পৌরসভা থেকে পানির লাইন, বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে।  এমনকি  ১৭ বছর আগে গাছে বাগান ও পুকুর খনন করা হয়েছে। ২০১৬ সালে নজরুল ইসলাম হাওলাদার গং হঠাৎ করে আমার  বসতবাড়ির অংশ দখল করার পায়তারায় লিপ্ত হয়ে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। এ ব্যাপারে ১১/১২/২০১৬ ইং তারিক স্মারক নং ৮৭ কলাপাড়া পৌরসভায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। পৌরমেয়র বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর হাফজ মো: আল আমিন সিরদারের উপর দ্বায়িত্ব অর্পন করেন। ২৪/১২/২০১৬ ইং তারিখ কাউন্সিলর ও স্থানীয় সালিশ উভয় পক্ষের দলিলপত্র পর্যলোচনা করে আমার দলিল, দখল আইন-কানুন ন্যায়সংগত বিধায় নজরুল হাওলাদার গং ভবিষ্যতে কোন দাবী করবেনা এবং শান্তিপূর্ন ভোগ দখলে যাতে থাকতে পারে এ মর্মে আপোষচুক্তি পত্র সম্পন্ন করে উভয় পক্ষের সম্মিলিত স্বাক্ষর রাখা হয়। তিনি আরো বলেন, নজরুল ইসলাম ও তার দোসররা  ভ‚মি দস্যু ও জবরদখলকারী। মানুষের জমি-জমা দখল করা তাদের নেশা ও পেশা স্থানীয় সালিশ ব্যবস্থা না মেমে গায়ের জোরে ত্রাস সৃষ্টি করে থাকে। দেশের প্রচলিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে  ০৯/০৯/ ২০২০ ইং তারিখ হঠাৎ কওে রাতের আধারে দলবদ্ধভাবে দেশীয় অ¯্রে সজ্জিত হয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে রোপনকৃত মেহগনি গাছের বাগনে  একাধিক গাছে কেটে নিয়ে গেছে। অস্ত্রের ঝন-ঝনাতিতে এলাকার লোকজন টু-শব্দ করেতে পারেনি। এ সময় তার ছেলে ঘর থেকে বের হলে তাকে বেধরক মারধর করে গুরুতর আহত করলে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেশিয় অ¯্রসহ হাতেনাতে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় একটি মামলা করেছি। যার নং ২৭৫/২০২০। এছাড়া কলাপাড়া বিজ্ঞ সিনিয়র জজ আদালতে আরো একটি মামলা করেছি। যার নং ৩২২/২০২০। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক.ছাত্রলীগ কর্মী, কলাপাড়ার চাঞ্চল্যকর অভি হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামীরা জামিনে এসে এমন ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড চালাচ্ছে বলে পৌর শহরের বড় সিকদার বাড়ি মসজিদের মুয়াজ্জিম সাইফুদ্দিন সিকদার তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন। অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে আভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো নাটক। প্রকৃতপক্ষে জমির মালিক আলতাফ হোসেন। সে আমাকে ২৮/১১/২০১২ ইং তারিখ পাওয়ার অফ এ্যাটনি রেজিস্ট্রিকৃত দলিল করে দেয়। দলিল নং ৬১৯৫/ ২০১২ ইং। আমি পাওয়ার অফ এ্যাটনি রেজিস্ট্রিকৃত দলিলমূলে এই সম্পতির প্রকৃত মালিক। আমার জমি আমিই ভোগ করছি। তারা অসৎ উদ্দিশ্যে অন্যায়ভাবে অত্মাসাৎ করার জন্য আলতাফ হোসেনের নাম ব্যাবহার করে জাল দলিল সৃষ্টি করেছে যার নং-৪০১১ এবং উল্টো আমাকেই তারা বেআইনীভাবে হয়রানী করছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ  

সুন্দরগঞ্জে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সংবাদদাতা, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ছাপড়হাটী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে উক্ত বিদ্যালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত স্লিপের ৭০ হাজার, রুটিন মেইনটেন্স ৪০ হাজার ও প্রাক-প্রাথমিক মেইনটেন্স এর জন্য ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা উত্তোলণ করে আত্মসাৎ করেছে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম। বিদ্যালয়টি জাতীয় করণের আগে থেকেই সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন খাইরুল ইসলাম। প্রধান শিক্ষক অবসরে গেলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খাইরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গোলজার হোসেনের স্বাক্ষর গ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এ বিষয়ে গত ২৩ আগস্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গোলজার হোসেন, দাতা সদস্য হযরত আলীসহ অন্যান্য সদস্যগণ উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম বলেন, স্লিপের ২৪ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের একাউন্টে জমা করা হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর-রশিদ বলেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আশিকুর রহমানকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শহিদুল্লাহ্ সরকার ও সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রিপন আলী।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

সেনবাগে দুই সন্তানের জননীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ আটক ৫

সংবাদদাতা, নোয়াখালীঃ নোয়াখালীর সেনবাগে দুই সন্তানের জননী (৩৮) কে গণধর্ষণের ঘটনায় এক ইউপি সদস্যসহ ৫ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে সেনবাগ থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে সেনবাগ উপজেলার ৮নং বীজবাগ ইউনিয়নের কাজিরখিল গ্রামে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে সেনবাগ থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে বীজবাগ ইউনিয়নের স্থানীয় ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার আবু বক্কর ছিদ্দিক,প্রধান আসামি দিদার,মাসুদ,ইয়াছিন, মাষ্টার আবদুল হক ও ওবায়দুল হক। গ্রেপ্তারকৃতদের নোয়াখালীর বিচারিক আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার দুপুরে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

পিরোজপুরে মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা

সংবাদদাতা,পিরোজপুরঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ১৩ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করা হয়। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরে ও ধানিসাফা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রানী মিত্র ও পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহ্ শোয়াইব মিয়া। এ সময় শান্ত মেডিকেলকে ৪ হাজার টাকা, শারমিন মেডিকেল হলকে ৮ হাজার টাকা, আসিফ মেডিকেল হলকে ৪ হাজার টাকা, আল্লাহর দান ফার্মেসীকে ৪ হাজার টাকা ও আশীর্বাদ মটর অয়েলকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও মঠবাড়িয়া ধানিসাফা বাজারে ৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহ শোয়াইব মিয়া জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় বা বিক্রয়ের প্রস্তাব করা, মুদি দোকানে পন্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, মোড়কজাত পন্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করার অপরাধে এ জরিমানা করা হয়েছে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

নোয়াখালীতে বাসচাপায় সিএনজি অটোচালক নিহত

প্রতিনিধি, নোয়াখালীঃ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে বাসচাপায় এক সিএনজি অটোরিকশা চালক (৩২) নিহত হয়েছেন। ঘটনায় সিএনজিতে থাকা আরও দুই যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনায় গাড়ি দুটি আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মাইজদী-চৌমুহনী সড়কের নোয়াখালী পৌরসভা গেইট সংলগ্ন অনন্তপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে জেলা শহর মাইজদী থেকে ‘সুগন্ধা দ্রুতযান সার্ভিস’ একটি যাত্রীবাহী বাস চৌমুহনী চৌরাস্তার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পথে রাত ৯টার দিকে বাসটি মাইজদী-চৌমুহনী সড়কের নোয়াখালী পৌরসভা গেইট এলাকায় পৌঁছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশাকে সামনে থেকে চাপা দেয়। এতে সিএনজিটি বাসের নিছে ডুকে ধুমড়েমুছড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে সিএনজি চালক (৩২) নিহত ও দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার ও গাড়ি দুটি আটক করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আলী হোসেন, সাভার: সাভারে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু ও তার সহধর্মিণী করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় রোজ গার্ডেন রেস্টুরেন্টের উপরে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক সায়েম মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়আমী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আশীষ কুমার মজুমদার। অনুষ্ঠানে বক্তারা করোনায় আক্রান্ত বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু ও তার সহধর্মিণী’র রোগ মুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক সায়েম মোল্লা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য এবং করোনা ভাইরাসের সংকটকালীন সময়ে অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা থেকে শুরু করে তাদের সর্ব প্রকার সহযোগীতা করে আসছেন কেন্দ্রীয় নের্তৃবৃন্দ। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু ও তার সহধর্মিণী করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা দ্রুত তাদের রোগ মুক্তি ও সুস্থ্যতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেছি। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বাবু রতন সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ মিয়া, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক রাশেদ মোল্লা প্রমুখ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

নোয়াখালীতে শিশুকে ভুল চিকিৎসার প্রতিবাদে মানববন্ধন

সংবাদদাতা, নোয়াখালীঃ নোয়াখালীতে বেসরকারি গুড হিল কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা এবং প্রাইম হাসপাতালের ভুল রিপোর্টে এক শিশুর জীবন হুমকির মুখে পড়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করেছে শিশুর স্বজন ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা রিয়াজ উদ্দিন মিনার প্রতিবাদ সমাবেশে অভিযোগ করে বলেন, পেটের ব্যথা নিয়ে তার চার বছরের শিশু মেহবাকে ডাক্তার দেখাতে গুডহিল হাসপাতলে নিয়ে যান। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর পেটে অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেন। ৩০ জুলাই তারা অপারেশন করে পেটের ৯ ইঞ্চি কেটে ফেলে এবং অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় ডা. ইয়াকুব আলী মুন্সী, ডা. সাইফুদ্দিন, ডা. মুশফিকুর রহমান, ডা. মাহবুবুর রহমানের শাস্তি দাবি করেন।চিকিৎসকদের এমন ভুল চিকিৎসাসেবায় বিচারের জন্য তিনি সরকারের নিকট জোর দাবি জানান। এ সময় মানববন্ধনে শিশুটির স্বজন ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রায় শতাধিক মানুষ ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। এ ঘটনায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে জানান, মেহবার বাবা রিজায় উদ্দিন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

পি,সি দাস, দিনাজপুরঃ দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বাংলা ১৪২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর এবং বাংলা ১৪২৭ সালের নব-নির্বাচিত কার্য নির্বাহী কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আইনজীবী সমিতির ১নং ভবনের দ্বিতীয় তলা হলরুমে আয়োজিত নব-নির্বাচিত পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট মাজহারুল ইসলাম সরকার ও সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ সাইফুল ইসলাম এ্যাডভোকেট-১সহ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দদের শপথ বাক্য পাঠ করান সাবেক এমপি ও বিজ্ঞ আইনজীবী এ্যাডঃ মোঃ আব্দুল লতিফ। জেলা আইনজীবী সমিতির সদ্য বিদায়ী সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ নুরুজ্জামান জাহানীর সভাপতিত্বে ও বিদায়ী সহ-সাধারন সম্পাদক মোঃ খাদেমুল ইসলাম এবং এ্যাডঃ সারওয়ার আহমেদ বাবুর প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রথমে বিগত পরিষদের সকল নেতৃবৃন্দ এবং দ্বিতীয় পর্বে নব-নির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে সমিতির পক্ষ থেকে বরণ করা হয়। এছাড়াও জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ আইনজীবী ও জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ জাকিয়া তাবাসসুম জুঁইকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি ও বিজ্ঞ আইনজীবী এ্যাডঃ মোঃ আব্দুল লতিফ, নব-নির্বাচিত সভাপতি এ্যাডঃ মাজহারুল ইসলাম সরকার, সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ সাইফুল ইসলাম এ্যাডভোকেট-১ (জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও দিনাজপুর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি)। এসময় নব-নির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি এ্যাডঃ মোঃ মজিবর রহমান-৫, এ্যাডঃ মোঃ মেহেবুব হাসান চৌধুরী লিটন, সহ-সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ অপূর্ব রায়, এ্যাডঃ মোঃ শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ এ্যাডঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম-২, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এ্যাডঃ খুরশিদা পারভীন জলি, সমাজ কল্যাণ ও ধর্মীয় সম্পাদক এ্যাডঃ মোঃ মাইনুল আলম, পাঠাগার সম্পাদক এ্যাডঃ মোঃ কামরুল হাসান-১, সদস্য এ্যাডঃ রিচার্ড মুর্মু, এ্যাডঃ মোঃ মিজানুর রহমান শাহ, এ্যাডঃ শুভ বিশ্বাস, এ্যাডঃ দিলারা ইয়ামিন ইতি, এ্যাডঃ মাসুদা বেগম। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ আইনজীবীগণ ও সাধারন সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, নব-নির্বাচিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দদের নিয়ে আগামীতে একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর দুর্নীতিমুক্ত বার গড়ে তুলতে চাই। বারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলে মিলে একসাথে কাজ করতে চাই এবং আমরা ভালো কিছু করে সুনাম অর্জন করতে চাই।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

 

 

 

 

 

টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতা শফি সিদ্দিকীর মৃত্যুবার্ষিকী পালনঃ ২৫ বছরেও হয়নি হত্যার বিচার

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক শহীদ শফি সিদ্দিকীর ২৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কালিহাতীর পাথালিয়ায় শফি সিদ্দিকী কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল, স্বরণসভা ও তবারক বিতরণ হয়। পরে স্থানীয় মাদ্রাসা মাঠে শহীদ শফি সিদ্দিকী স্মৃতি সংসদের আয়োজনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। তুখোড় বক্তা শফি সিদ্দিকীকে ১৯৯৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের পাথালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভায় সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে হত্যা করে। ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও হয় নি হত্যার বিচর। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিবারের সদস্যরা বলেন এখন আর বিচারের আশা করি না। মৃত্যুবার্ষিকীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার নেতৃত্বে শফি সিদ্দিকী কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল, স্বরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শরীফ আহামেদ রাজু, উপজেলা ছাত্রলীগের আহŸায়ক মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আব্দুল লতিফ মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য হুমায়ুন খালিদ, জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরন্নবী সিদ্দিকী প্রমুখ। অন্যদিকে পৃথকভাবে মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসুচিতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের চেয়রারম্যান আনসার আলী বিকম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আসলাম সিদ্দিকী ভুট্টো, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরন্নবী সরকার প্রমুখ। সরকারের কাছে দ্রুত বিচার দাবি করে শফি সিদ্দিকীর পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেন হত্যার সুষ্ঠু বিচার হলেই শফি সিদ্দিকীর আত্মা শান্তি পাবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

 

কক্সবাজার গণপূর্তের উন্নয়ন কাজে নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন মামলার বাদী গিয়াস

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোন কলাতলীতে খোলামাঠের আদলে তিনটি দৃষ্টিনন্দন পার্ক তৈরী করছে গণপূর্ত বিভাগ। শহরের বাহারছড়া গোলচত্ত্বর  মাঠ, কলাতলীর সী-প্যালেসের পূর্ব মাঠ ও লংবিচ হোটেল সংলগ্ন প্রধানসড়ক লাগোয়া গণপূর্তের নিজস্ব জমিতে এসব প্রকল্প চলমান রয়েছে। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পে গোল চত্বর ও সী-প্যালেস অংশের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এলেও লংবিচ সংলগ্ন প্রকল্পটি কোন মতেই এগুতে পারছে না। ১৯৬৩-৬৪ সালে অধিগ্রহণ করা সরকারি জমি ব্যক্তি মালিকানা দাবি করে একটি চক্র আদালতে একেক সময় একেক ধরণের অভিযোগ করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগ। কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগ সূত্র মতে, নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতের কোথাও তাদের মালিকানার পক্ষে যথাযথ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি চক্রটি। ফলে প্রতিটি স্থানে আদালত তাদের দাবি নাকচ করে দেয়। এরপরও উচ্চ আদালতকে সঠিক তথ্য সম্পর্কে অন্ধকারে রেখে প্রকল্পে ‘স্থিতাবস্থা বজায়’ রাখার নির্দেশনা এনে উন্নয়ন কাজ স্থিমিত করছে তারা। গণপূর্ত বিভাগ আদালতের নির্দেশনাকে সম্মান জানালেও ‘স্থিতাবস্থা’ আনা বাদি পক্ষ প্রকল্পের চারপাশে দোকানঘর তৈরী করে নিয়মিত ভাড়া দিচ্ছে। এসব রদ করতে গেলে গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের নামে গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালায় ভূমি খেকো চক্রটি। এতে পিছিয়ে পড়ছে সরকারি পর্যটন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। গণপূর্তের কক্সবাজারস্থ নির্বাহী প্রকৌশলী জহির উদ্দিন আহমদ জানান, কলাতলী সড়কের লাগোয়া লং বীচ হোটেলের বিপরীতে আর এস-১৭/৯১২৪ নং দাগের ৫ দশমিক ৪০ একর জমি ১৯৫৭ সালে সরকার কক্সবাজার স্বাস্থ্য নিবাসরূপে উন্নয়নকল্পে মহাপরিকল্পনার আওতায় এল এ মামলা নং-৩৯/৬৩-৬৪ মূলে পুরো জমি অধিগ্রহনকরা। অধিগ্রহনের পর ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসের ৬ তারিখে চুড়ান্ত গ্যাজেট আকারেও প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ জরীপেও জমিটি গণপূর্ত বিভাগ, কক্সবাজারের নামে রেকর্ডীয়। অধিগ্রহনকৃত জমিতে মাষ্টার প্ল্যান অনুযায়ী আবাসিক প্লট বরাদ্দের পর ব্যবহারকারিদের সুবিধার্থে ১ দশমিক ৫০ একর জমি খেলার মাঠ হিসাবে রাখা হয়। বর্তমানে পর্যটন জেলায় খেলার মাঠের স্বল্পতা এবং পর্যটকদের সন্ধ্যার পর হাটা-বসার সুযোগ না থাকায় উক্ত জমিতে একটি আধুনিক খেলার মাঠ কাম পার্ক নির্মাণে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের নভেম্বরে একটি প্রকল্প অনুমোদন করে। প্রকল্পের আওতায় গণপূর্ত বিভাগ ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে মাঠ উন্নয়নের কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন সেই উন্নয়ন প্রকল্পের ১ দশমিক ৫০ একর জমি দখলের পায়তারা করছে একটি চক্র। তিনি জানায়, শহরের বাহারছরার অছিয়র রহমানের ছেলে গিয়াস উদ্দিন ঘোষনামূলক ডিক্রি পেতে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত কক্সবাজারে অপর মামলা- ১৪৭/২০১১ দায়ের করেন। এটি চলাকালীন হাইকোর্টের দায়ের করেন সিভিল রিভিশন মামলা নং-১৬১৮/২০১৮। মহামান্য হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৩১ মে রুলনিশি জারী করে চলমান প্রকল্পে ৬ মাসের স্থিতাবস্থার আদেশ দিলে গণপূর্তের উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে গণপূর্ত বিভাগের আবেদনের প্রেক্ষিতে উক্ত স্থিতাবস্থার উপর ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি উচ্চ আদালত উভয় পক্ষের শুনানী শেষে ‘বিধি নিস্পত্তি’ করে কক্সবাজার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে চলমান অপর মামলাটি ৩০ দিনের মধ্যে শুনানী শেষে নিষ্পত্তির আদেশ দেন। সেই মতে ২০১৯ সালের ৮ আগস্ট কক্সবাজারের বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত দীর্ঘ শুনানীর পর বাদী গিয়াস উদ্দিন কর্তৃক চাওয়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর করেন। এতে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় বাঁধা উঠে যায়। কিন্তু যুগ্ম জেলা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন উচ্চ আদালতে সিভিল রুল-৫৯৭ (এফএম) ২০১৯ দায়ের করলে হাইকোর্ট ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট জমিতে চলমান কাজে ৬ মাসের ‘স্থিতাবস্থা’ দেন। সেই স্থিতাবস্থার মেয়াদ শেষ হবার আগে চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আরো ৬ মাস মেয়াদ বাড়িয়ে আনেন বাদি। নির্বাহী প্রকৌশলী আরো জানান, হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা উপেক্ষা করে মামলার বাদী গিয়াস উদ্দিন ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বর গণপূর্তের সেই জমিতে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। এতে সংশ্লিষ্ট উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী বাধা দিয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন (নং-৮০৮/২০১৯)। একই বছর (২০১৯) ২৬ ডিসেম্বর পর্যটন এলাকায় সরকারি জমিতে অবৈধ দখল বা স্থাপনা উচ্ছেদে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) কর্তৃক নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ও শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে চালানো অভিযানে অন্যান্য স্থানের মতো স্থিতাবস্থা আনা গিয়াস উদ্দিন কর্তৃক সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকাজও বন্ধ করে দেয়। কিন্তু নিজের আনা ‘স্থিতাবস্থা’ অমান্য করে মামলার বাদী গিয়াস উদ্দিন চলতি বছরের ১ আগস্ট সরকারি ছুটির দিনে বিরোধীয় জমিতে অবৈধ ভাবে দোকান ঘর নির্মাণ শুরু করে। গণপূর্ত বিভাগের বাধার পরও মাঠের চারপাশে অবৈধ দোকান নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি ২৩ আগস্ট জেলা প্রশাসকসহ শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা থাকা জমিতে নির্মিত সকল অবৈধ স্থাপনা অপসারনে প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেন তিনি। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আশরাফুল আফসার জানান, জেলা প্রশাসনের অধিগ্রহণ শাখার নথি মতে, ঝিলংজা মৌজার বন্দোবস্তী খতিয়ান ১২২৪/২৯২ এর আরএস-১৭/৯১২৪ দাগের ৫ এশর ৪০ শতক জমি ৩৯/১৯৬৩-৬৪ এলএ মামলা মূলে অধিগ্রহণ করা হয়েছে। জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৬ হাজার ৭৫০ টাকা সেই সময়ে কক্সবাজারের বাহারছরার আলী আহমদের ছেলে অছিয়র রহমান, মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে আশরফজামান ও মকবুল আলীর ছেলে ফরোখ আহমদ গ্রহণ করেন। কক্সবাজার যুগ্ন জেলা জজ ১ম আদালতের অপর মামলা-১৪৭/২০১১ এর প্রয়োজনে প্রতিবেদন চাওয়ায় ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই কক্সবাজার ভূমি অধিগ্রহণ শাখার ০৫.২০.২২০০.১১৮.০৩.০২.১৯-২১৬ স্বারকে আদালতকে তা অবহিত করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, যুগ যুগ ধরেই জমিটি গণপূর্তের দখলে রয়েছে। বিগত কয়েক বছর পূর্বে একটি চক্র মালিক হিসেবে জাহির করে সরকারের অগোচরে চারপাশে ঝুপড়ি দোকান করে দখল বোঝানোর চেষ্টা চালান। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম-ঢাকা কেন্দ্রিক একটি সিন্ডিকেট জমিটি হাতাতে অর্থ ঢালছে। তারা প্রয়োজনে সরকারের উচ্চ মহলকেও কৌশলে ব্যবহার করছেন। স্থিতাবস্থা থাকা বিরোধীয় জমিতে কাজ করা সম্পর্কে মামলার বাদি মৃত অছিয়র রহমানের ছেলে গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের জমিতে আমরা উন্নয়ন কাজ করি। উচ্চ আদালত স্থিতাবস্থা ‘অবস্থানে’ নয় ‘দখলে’ দিয়েছে। এখানে আইন অমান্য হলে তা আদালত বুঝবে। বন্দোবস্তি মতে আমরাই জমির মালিক। আমাদের তল্লাশী আবেদনে এ জমি অধিগ্রহণে কে টাকা তুলেছে সে তথ্য দিতে পারেনি ভূমি অধিগ্রহণ শাখা। আমরা সবাইকে আদালতে দাঁড় করাবো, কারাগারে নেব।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৯ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ