আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2505

মানিকগঞ্জে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ছাত্রলীগের আলোক প্রজ্জ্বালন

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ মানিকগঞ্জে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে নগ্ন করে নির্যাতন এবং সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ঘটনার প্রতিবাদ, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ও এর স্থায়ী অবসানের দাবিতে এবং এ সকল ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবীতে “আলোক প্রজ্জ্বালন” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দিক নির্দেশনায় মানিকগঞ্জ শহরের শহীদ রফিক চত্বরে এ  “আলোক প্রজ্জ্বালন” কর্মসূচির আয়োজন করেন মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী রাজু আহমেদ বুলবুল এবং সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন হোসেন, কাজী শিহাব হোসেন আলিফ, সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আসিফ হোসেন শিশির, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি পিয়াস, সাধারন সম্পাদক অভিজিত। এছাড়াও ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী রাজু আহমেদ বুলবুল বলেন, দেশের সকল ধর্ষককে দ্রুত আইনের আওতায় এনে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। এমনকি যারা ধর্ষক বা এর সাথে সংশ্লিষ্ট তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা হয়। আর এটি করলেই যারা এই ধরনের মনমানসিকতা লালন করে তারা ভয় পাবে। সর্বশেষ তিনি সকলকে ধর্ষকদেরকে সমাজের নিকৃষ্ট প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করার এবং পারিবারিকভাবে হোক বা সামাজিকভাবে হোক তাদেরকে বয়কট করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/৭ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবনির্বাচিত কমিটির বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ

সংবাদদাতা, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকর্তারা বুধবার গাইবান্ধা পৌর পার্কে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি আব্দুর রশীদ সরকার, রাগিব হাসান চৌধুরী হাবুল, মোঃ আব্দুল লতিফ হক্কানী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ রকিবুল ইসলাম রিটন, যুগ্ম-সম্পাদক ফিরোজ খান, শেখ সর্দার আসাদুজ্জামান হাসু, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ওয়াহিদ মুরাদ লিমন, নির্বাহী সদস্য রকিবুল হক চৌধুরী, রেজাউন্নবী রাজু, বেনজীর আহম্মেদ, অমিতাভ দাশ হিমুন, গোলাম মারুফ মনা, মোঃ মাসুদুল হক, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, শাহদৎ হোসেন খন্দকার, মোঃ রমজান আলী, শংকর দাস রাহুল, এস টি এম রুহুল আলম, নির্বাহী সদস্য সংরক্ষিত মোঃ মোকাররম হোসেন রানা, মোঃ মজিবর রহমান, মহিলা সদস্য সংরক্ষিত জেসমিন মাসুদ রানী। গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া সংস্থার ২০২০-২০২৪ মেয়াদের ২৬ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/৭ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

কলাপাড়ায় ধর্ষকদের শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

সংবাদদাতা, কলাপাড়া(পটুয়াখালী): কলাপাড়ায় ধর্ষকদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার “ধর্ষকদের উল্লাস, ধর্ষিতার কান্না আর না, আর না” এ শ্লোগানে প্রকম্পিত সারা শহর। বুধবার সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা, কলাপাড়া বাসী ও গ্রাজুয়েট ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বর্বরোচিত ও সিলেটে গনধর্ষনের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌর শহরে ধর্ষনবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল শেষে কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা। ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচীতে সামাজিক সংগঠনসহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন। এ সময় কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি মো.হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক এস এম মোশারেফ হোসেন মিন্টু,  সিনিয়র সাংবাদিক মেজবাহ উদ্দিন মাননু, গ্রেজুয়েট ক্লাবের সদস্য গাজী রাইসুল ইসলাম রাজিব ও ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে মো: আল ইমরান বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, এ পর্যন্ত যত ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে তার কোন সঠিক বিচার হয়নি। তাই ধর্ষন বন্ধে আইনের সংশোধন ও বিশেষ ট্যাইবুনালে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তারা। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ক্ষুদে শিক্ষার্থী ও ছাত্র সমাজের উদ্যোগে হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও মোমবাতি জ্বালিয়ে পৌর শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে সুরেন্দ্র মোহন সড়কে মনেহরী পট্টিতে ধর্ষনকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে তারা মানববন্ধন করে।

আলোকিত প্রতিদিন/৭ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

নোয়াখালীতে গৃহবধূকে ৪ টুকরো করে হত্যা, মরদেহ উদ্ধার

প্রতিনিধি, নোয়াখালীঃ নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক বধূকে ৪ টুকরো করে কেটে হত্যা করেছে দৃর্বৃত্তরা।বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর জাহাজ মারা গ্রামের প্রভিডা ফিডে পিছনের একটি ধান ক্ষেত থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত গৃহবধূ নুর জাহান বেগম (৪৩) উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল বারেকের স্ত্রী। চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত গৃহবধূর মরদেহের দুই টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের উদ্ধারকৃত টুকরো অংশের মধ্যে রয়েছে, মাথা আর কোমরের অংশ।প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, ওই গৃহবধূকে কেটে কেটে ৪ টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে। তবে শরীরের টুকরো অংশের মধ্যে বুক আর পায়ের  অংশ এখনো নিখোঁজ রয়েছে।নিহতের ছেলে হুমায়ন কবির (২৮) জানান, বুধবার ভোর থেকে তার মা ঘর থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে স্থানীয় এক মহিলা বিকেলের দিকে ধান ক্ষেতের আইলে শামুক খুঁজতে এসে একটি টুকরো টুকরো মরদেহ দেখতে পায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আমি মরদেহের পাশে শামুকের ব্যাগ দেখে, আমি শনাক্ত করি এটি আমার মায়ের মরদেহ। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরুধের জেরে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে জানান, নিহতের ছেলে হুমায়ন কবির এবং এবিষয়ে চরজব্বার থানায় মামলা ছিল। ওসি সাহেদ উদ্দিন চৌধুরী আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/৭ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে প্রতিবাদ মানববন্ধন

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইলঃ ‘নিরবতা ভাঙ্গ, ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা ও বর্বরতা বন্ধ কর’ এই শ্লোগানে টাঙ্গাইলে প্রতিবাদ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে নারী সংগঠন সমুহের জাতীয় নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন ও টাঙ্গাইল দুর্বারের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তারা। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক এমপি মনোয়ারা বেগম, মানব প্রগতির নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা বেগম শেলী, সেবকের নির্বাহী পরিচালক নাজমুল সালেহীন, আরপিডিওর নির্বাহী পরিচালক রওশন আরা লিলি, উষার সমন্বয়কারী আফরোজা খান, এ এম কে এস এর নির্বাহী পরিচালক নাজমা বেগম প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/৭ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

আশুলিয়ায় দুই বান্ধুবীকে গণধর্ষণের অভিযোগে প্রিন্স কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য আটক

আলী হোসেন, সাভারঃ সাভারের আশুলিয়ায় দুই বান্ধুবীকে গণধর্ষণের অভিযোগে প্রিন্স কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আরও ৯ কিশোর পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার ভোর রাতে আশুলিয়ার ভাদাইল ও নয়ারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বুধবার সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক আসওয়াদুর রহমান। প্রায় ১ মাস আগে একই বাসার ভাড়াটিয়া দুই কিশোরের সাথে পবনারটেক এলাকার একটি হাউজিং এলাকায় বেড়াতে গিয়ে ওই গ্যাংয়ের হাতে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন তারা। আটকরা হলো ডায়মন আলামিন, জাকির ও পান রাকিব। পান রাকিব ভাদাইল এলাকায় মাঝে মধ্যে শাক বিক্রি করে বলে জানা গেছে। বাকি দুই জন শিক্ষার্থী।  তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। গ্যাংয়ের অন্যান্য সদস্যরা হলো- দলনেতা সারুফ, তার সহযোগি আলমিন, জিদান, রেদওয়ানসহ আরও কয়েকজন। ভুক্তভোগীদের সাথে বেড়াতে যাওয়া কিশোর ইসরাফিল জানায়, আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় ভাড়া থেকে চুল কারখানায় কাজ করতো ভুক্তভোগীরা। প্রায় ৩৫ দিন আগে একই বাসার ভাড়াটিয়া দুই কিশোরের সাথে দুই বান্ধুবী ভাদাইলের গুলিয়ারচক এলাকায় বেড়াতে যায়। এসময় তাদের চারপাশ দিয়ে ঘিরে ফেলে প্রিন্স কিশোর গ্যাঙ্গের ১২ থেকে ১৪ জন সদস্য। পরে ভুক্তভোগীর সাথে বেড়াতে যাওয়া দুই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এক পর্যায়ে তাদের মারধর করে এক জায়গায় বসিয়ে রাখে। পরে ভুক্তভোগীদের একটু আড়ালে নিয়ে ১২ জন কিশোর ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে। ভিডিও ফাঁস হলে ভুক্তভোগী দুই বান্ধুবী গ্রামে চলে যেতে বাধ্য হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার প্রায় ১ মাস পর কিশোর গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীন দ্বন্দের ধারণ করা ভিডিও ফাঁস হয়ে যায়। ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর গ্যাংয়ের প্রধান সারুফের বাবা আকবর আলী প্রিন্স কিশোর গ্যাঙ্গের অন্যান্য সদস্যসহ অভিযুক্তদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে স্থানীয় মাদবরদের নিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নি। পরে ধারণকৃত  ভিডিওর মাধ্যমে শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে ৩ ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক আসওয়াদুর রহমান জানান, ভিডিও ফাঁস হওয়ার পরপরই কোন অভিযোগ না পেলেও তদন্তে নামে আশুলিয়া থানা পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে তিন গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এঘটনায় আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৭ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

আশুলিয়ায় এক হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

আলী হোসেন, সাভারঃ সাভারের আশুলিয়ায় বিভিন্ন বাসাবাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন করণ করেছে তিতাস গ্যাস কতৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জিরাবো নামাপাড়া ও ঋষিপাড়া এলাকায় প্রায় এক হাজার বাসাবাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন করণ করেন সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড। এলাকাবাসী জানায়,জিরাবোর ওই দুই এলাকায় বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে প্রতিটি বাড়ির মালিকদের কাজ থেকে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার করে টাকা নিয়ে নিম্নমানের পাইপ দিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। এতে করে বৈধ গ্রাহকরা গ্যাসের প্রেসার না পাওয়ায় বাড়িওয়ালা সাভার তিতাস গ্যাস অফিসে অভিযোগ জানালে আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ওই দুই এলাকায় সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোঃ সায়েম এর নেতৃত্বে এক হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন করণ করেন তিতাস গ্যাস কতৃপক্ষ। এদিকে নিম্নমানের পাইপ দিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ায় যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছিলো এলাকাবাসী। অভিযানে এসময় যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে  ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো।

আলোকিত প্রতিদিন/৬ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাঘখালী রেঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদঃ বনভূমি উদ্ধার   

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাঘখালী রেঞ্জের রামু কচ্ছপিয়া বনবিটের নতুন তিতারপাড়ায় ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে ২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন বনকর্মীরা। এসময় এক একর বনভুমি জবরদখল মুক্ত করা হয়। বনবিভাগ সুত্রে জানা গেছে, বনভুমি দখলমুক্ত করতে বনবিভাগ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। এর ধারাবাহিকতায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তহিদুল ইসলামের নির্দেশে বাঘখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম আতা এলাহির নেতৃত্বে রামু কচ্ছপিয়া বিটের নতুন তিতার পাড়া এলাকায় মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় বনভুমিতে অবৈধভাবে নির্মানাধীন ২ টি স্থাপনা উচ্ছেদ ও আনুমানিক ১ একর বনভুমি জবরদখল মুক্ত করা হয়। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তহিদুল ইসলাম বলেন, জবর দখলকারীদের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরো  বলেন, বনভুমি জবরদখল করে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করে বনভুমি দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোন জবর দখলকারীকে বিন্দু মাত্র ছাড় দেয়া হবে না। সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষার্থে জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৬ অক্টোবর’২০/এসএএইচ 

দেলোয়ার কর্তৃক এক বছর আগেও দুইবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ওই গৃহবধূ

সংবাদদাতা, নোয়াখালীঃ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূ এক বছর আগে দুইবার ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। দেলোয়ার বাহিনীর দেলোয়ার তাকে ধর্ষণ করে। মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত দলের কাছে এই কথা জানান ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ। আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মানবাধিকার কমিশন তদন্ত দলের কাছে এক জবানবন্দিতে তিনি এ কথা জানান। ওই গৃহবধূ তদন্ত দলকে আরও জানায়, দেলোয়ারের ভয়ে তিনি এ কথা এর আগে এতদিন কাউকে বলেন নাই।এরআগে গত রোববার ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পেলে তা ভাইরাল হয়ে যায়।গৃহবধূর স্বজনরা জানায়, স্বামী অন্যত্র বিয়ে করায় বেগমগঞ্জে বাবার বাড়িতেই থাকতেন নির্যাতনের শিকার নারী। দীর্ঘদিন পর গত ২ সেপ্টেম্বর স্ত্রী’র সাথে দেখা করতে আসেন স্বামী।এ সময় অনৈতিক কাজের অভিযোগ এনে গৃহবধূকে মারধর করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক। বিবস্ত্র করে ধারণ করে ভিডিও।এমনকি এ সময় ওই গৃহবধূর স্বামীকে বেঁধে রেখে আসামিরা তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি বাদল ও দেলোয়ারসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জানা যায়, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় নাম আসা দেলোয়ার ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলো এলাকাবাসী। হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই ছিলো বাহিনী প্রধান দেলোয়ার।স্থানীয়দের অভিযোগ রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াতো তারা। হত্যাসহ ৪টি মামলা থাকারও পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো দেলোয়ার।স্থানীয়রা জানায়, রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় দাপটের সাথে চলাফেরা ছিলো দেলোয়ার,বাদল, রহিমদের।ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পেতো না কেউ।

আলোকিত প্রতিদিন/৬ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

টাঙ্গাইলে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগঃ অনুসন্ধানে দুদক

প্রতিনিধি, টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামীলীগের বহিস্কৃত সভাপতি এডভোকেট খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অনুসন্ধানে নেমেছে টাঙ্গাইল জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-সহকারী পরিচালক রাজু মো. সারওয়ার হোসেন। তিনি পৌরসভার বেড়াডোমা এলাকার মৃত ইব্রাহিম তালুকদারের ছেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ ও দূর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ২০ মতে দূর্নীতি দমন কমিশনের ঢাকা কার্য্যালয়ের স্মারক নং ০০.০১.৯৩০০.৬১৫.২৬.০০৩.১৮-১০২৬৬, তারিখঃ ১৮/০৩/২০১৯ ও দুর্নীতি দমন কমিশন টাঙ্গাইল জেলা সমন্বিত কার্য্যালয় স্মারক নং ০০.০১.৯৩০০.৬১৫.০১.০৫.১৯./৪২৪ তারিখঃ ০৭/০৪/২০১৯ এবং টাঙ্গাইল জেলা সমন্বিত কার্য্যালয় ই/আর নং ০৫/২০১৯, তারিখঃ ০৪/০৪/২০১৯ইং অভিযোগে অনুসন্ধানে নামে দূদক। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট খোরশেদ আলম টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত প্রকল্পের ৫ কোটি টাকা প্রদান না করে তা আত্মসাৎ করে পৌরসভার বেড়াডোমা (পুরাতন পানির ট্যাঙ্কি সংলগ্ন) এলাকায় ৫ তলা বিশিষ্ট একটি ইমারত নির্মান করেন। অথচ খোরশেদ আলম উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন বিগত ৫ বছরে মাসিক সম্মানি, বাড়ী ভাড়া ও ভ্রমন ভাতা সহ মোট ২৭ লাখ ১৪ হাজার ৬’শ ৪০ টাকা পান। প্রশ্ন ওঠেছে বিগত ৫ বৎসরে তার আয়ের সাথে অর্জিত সম্পদের ৫ তলা বিলাস বহুল ভবন তৈরীর কোন মিল না থাকায় দূদক এ অনুসন্ধানে মাঠে কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। বিষয়টি নিয়ে টাঙ্গাইল জেলা দূদক সমন্বিত কার্য্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা রাজু মো. সারওয়ার হোসেন গত সেপ্টেম্বরে ৬ তারিখে স্বাক্ষরিত স্মারক নং ০০.০১.৯৩০০.৬১৫.০১.০৫.১৯/৯১১ এ বর্তমান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের বিগত ৫ বছরের যাবতীয় ভাতার টাকার হিসাব চেয়ে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তথ্য চেয়ে একটি চিঠি প্রেরন করলে উপজেলা পরিষদ যাবতীয় তথ্য তাদের নিকট প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।

আলোকিত প্রতিদিন/৬ অক্টোবর’২০/এসএএইচ