আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2503

আশুলিয়ায় শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত

আলী হোসেন, সাভারঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী মোশারফ খাঁনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। এসময় হাজী মোশারফ খাঁন বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন আজ।১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট একদল বিপদগামী সেনা সদস্য বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে।হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলকেও।আমি বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকল শহিদী সদস্যের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। অনুষ্ঠানে আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক হাজী মোশারফ খাঁনের পিতা হাজী সিদ্দিকুর রহমান খাঁন,হাজী বেলায়াত খাঁন বিপ্লব,দোসাইদ স্কুল এন্ড কলেজ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ হাসানসহ এলাকায় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

নাস্তিক্যবাদ উস্কে দেবার ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের দায় ও দায়িত্ব/ সৈয়দ রনো

পর্ব -৫ :

গণতন্ত্র কুক্ষিগত করে পুঁজিবাদ (ক্যাপিটালিজম) বিশ্বময় ভয়ানক ভোগবাদী জীবনধারা ও জীবনবোধ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব৷ পশ্চিমা প্রজন্মের বিশাল অংশ এখন বিশ্বাস করে ‘নগদ যা পাও হাত পেতে নাও, বাকির খাতায় শূন্য থাক, দূরের বাদ্য লাভ কী শুনে, মধ্যখানে বেজায় ফাঁক’। এ উক্তির পর ধর্ম, মহাপুরুষ ও ধর্মগ্রন্থের জায়গাও নেই, দরকারও নেই– স্রেফ আনন্দ করে গেলেই জীবন সার্থক৷ পশ্চিমা দেশগুলোর আইনও এ বিষয়কে সমর্থন করে– তারা ভাবে ‘একটাই জীবন তোমার, নিজ কর্মের দায়িত্ব নিয়ে অন্যের অধিকার খর্ব না করে বা অন্যকে কষ্ট না দিয়ে জীবন উপভোগ করে যাও’৷ এ ধারণাই হচ্ছে নাস্তিক্যবাদ।
এর মধ্যে নারী-পুরুষের অবাধ সংসর্গও অন্তর্ভুক্ত৷ যৌবন এক পরাক্রান্ত শক্তি৷ জীবনের ষড়রিপু – কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য্য– তার প্রথমটাই হল কাম যা মানুষকে প্রবলভাবে তাড়িত করে৷ পরস্পরের সম্মতি থাকলে সাবালক নরনারীর মিলন অবৈধ নয়, পশ্চিমা দেশগুলোর এ আইনের পূর্ণ সুযোগ নিয়েছে প্রজন্ম৷ ধর্মীয় মুল্যবোধ বিয়ের বাইরে দৈহিক সংসর্গের বিরোধী এবং পশ্চিমা প্রজন্মের অবাধ যৌনতায় বড় বাধা৷ এই আইনি অধিকার পশ্চিমা প্রজন্ম পেয়েছে সেটা আঁকড়ে ধরে আছে। দরকার হলে ধৰ্মই ছেড়ে দিয়ে নাস্তিক্যবাদের আশ্রয় নিচ্ছে , এ প্রবণতাও লক্ষনীয় ৷ পশ্চিমা প্রজন্মের এ প্রবণতা আমাদের দেশগুলোতেও বাড়ছে৷
‘ম্যান ডাজ নট লিভ বাই ব্রেড অ্যালোন’। জীবনের স্রোত প্রয়োজনের তাড়নায় প্রবাহিত হয়৷ খাদ্যের পাশাপাশি মানুষের আধ্যাত্মিক প্রয়োজন আছে, যেখানে ধর্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই৷ এই আধ্যাত্মিক প্রয়োজনটাই হারিয়েছে এ প্রজন্মের বিশাল অংশ৷ এখন তাদের প্রয়োজন প্রধানত পার্থিব, অর্থাৎ দুনিয়াদারি৷ তাদের চাই টেকনোলজির সর্বশেষ সংস্করণ, চাই পার্টি, নূতন মডেলের গাড়ি, বাড়ি, আরও ভালো চাকরি বা নিজের ব্যবসা– তারা চায় দেশে দেশে ভ্রমণ করতে, ইত্যাদি৷
ধর্মই নৈতিকতার ভিত্তি, এ দাবিও অসার প্রমাণিত করার জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে। কারণ ধর্মহীন বা ধর্মে উদাসীন অথচ প্রবলভাবে আধ্যাত্মিক, উদার ও মানবিক গুণাবলীতে আলোকিত মানুষের অজস্র উদাহরণ চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে৷ তারা কারও ক্ষতি করেন না ও বিপদে-আপদে সর্বশক্তি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান৷ হিন্দু সমাজে বিধবা-বিবাহ প্রতিষ্ঠার নায়ক পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র কিংবা আফ্রিকাতে প্রধানত মুসলিম সমাজে ইসলামের নামে ভয়ংকর বর্বর প্রথা নারীর খৎনা উচ্ছেদে সর্বাত্মক চেষ্টাকারী রুডিজার নেহবার্গ দুজনেই ধৰ্মহীন৷ দুর্ভাগ্যক্রমে, গির্জা, মন্দির ও মসজিদ-মাদ্রাসা ইত্যাদির অনেক ধর্মগুরুর ব্যক্তিগত হিংস্রতা, হানাহানি ও অশ্লীলতার খবরও প্রজন্ম জানতে পেরেছে। যেহেতু ধর্মগুরুদের ভাবমূর্তির উপর ধর্মের ভাবমূর্তি অনেকটাই নির্ভর করে, তাই এটাও ধর্মের প্রতি প্রজন্মের বিতৃষ্ণার বড় কারণ। এসব যৌবিক চাহিদা মেটাতে ধর্মের সায় পাচ্ছে না বলেই নাস্তিকতার উদ্ভব ঘটেছে বলে পশ্চিমা বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ মনে করে। বুঝতে চায় না ওটা ধর্মের কাজই নয়৷ ধর্মের কাজ হেদায়েত করা এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা। যার ধারও ধারছে না এ প্রজন্মের বিশাল অংশ৷ যা প্রয়োজন মেটাতে পারে না তা প্রাকৃতিক নিয়মেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে ও শেষ পর্য্যন্ত পরিত্যক্ত হয়৷ প্রজন্মের বিশাল অংশ ধর্মের মাধুর্য কী জানে না, ধর্মের আবেদন তাদের কাছে নেই৷
অভিজ্ঞতা কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করে না৷ পশ্চিমা প্রজন্ম সম্প্রতি দেখছে ধর্মের উৎস থেকে উঠে এসেছে ভয়াবহ গণহত্যা, গণধর্ষণ, ব্যাপক হিংস্রতা ও ধ্বংসযজ্ঞ৷ ইতিহাস ঘেঁটে তারা দেখেছে অন্য ধর্মের উৎস থেকেও অতীতে প্রবাহিত হয়েছে অগণিত নিরপরাধীর রক্ত ও অশ্রুস্রোত৷ হিংস্রতা, যুদ্ধ, রক্তক্ষয় অন্যান্য কারণেও হয় এবং তার ব্যাখ্যা সম্ভব৷ কিন্তু সেটা যখন স্রষ্টার নামে হয় তখন তা ব্যাখ্যার অতীত হয়ে দাঁড়ায়৷ প্রজন্ম জানে না কোনো ধর্মই হিংস্রতা শেখায় না৷ জানে না যে ওগুলো ধর্মের অপব্যবহার মাত্র– কতিপয় শক্তিশালী ধর্মগুরুর হিংস্রতা মাত্র৷ তাদের অপকর্মের দায় গিয়ে পড়ে ধর্মের উপর। ইসলামের কথাই যদি বলি, কোরানে আছে ব্যভিচার বর্জন করার নির্দেশ, ব্যাভিচারের শাস্তি আজীবন ঘরবন্দি অথবা আল্লাহ অন্য কোনো পথ নির্দেশ না করা পর্যন্ত, আছে ব্যভিচারী নারী-পুরুষকে একশ করে চাবুক (সুরা বনি ইসরাইল ৩২, মুমতাহানা ১২, নিসা ১৫, নূর ২ ইত্যাদি)। কিন্তু শরিয়া আইনে ব্যাভিচারের শাস্তি বিবাহিতদের মৃত্যুদণ্ড ও অবিবাহিতদের চাবুক (হানাফি আইন হেদায়া পৃষ্ঠা ১৭৮, বিধিবদ্ধ ইসলামি আইন ১ম খণ্ড, ধারা ১২৯, পাকিস্তানের হুদুদ আইন ৭-১৯৭৯, অর্ডিন্যান্স ২০-১৯৮০ দ্বারা পরিবর্তিত, আইন নম্বর ৫ (২)-এর ‘অ’ ইত্যাদি)। বর্তমান সময়ে ধর্মীয় অনুশাসনকে নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করার মানুষিকতা থেকেও নাস্তিক বাদ বিস্তার লাভ করেছে পশ্চিমা বিশ্বে।

উপসংহার :
পরিশেষে বলা যায় পশ্চিমা বিশ্বের দিকে না তাকিয়ে নিজস্ব মুল্যবোধে বিশ্বাসী হওয়া উচিত। কারণ পশ্চিমা বিশ্ব সন্তান জন্ম দেবার পর পিতার পরিচয় নিয়ে বিব্রত বোধ করায় অনেক নারীই মাতৃত্ব হারাচ্ছেন। বৈবাহিক বন্ধনে আবব্ধ হতে পারছেন না। যুবক যুবতীরা আনন্দে দিন অতিবাহীত করলেও বৃদ্ধ বয়সে এসে অসহায়ত্ব বোধ করছেন। পারিবারিক মায়া মমতা নেই বললেই চলে।
তাহলে প্রশ্ন জাগতে পারে মানব জীবনে ধর্ম প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ?সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণভাবে জীবন পরিচালনার জন্য অবশ্যই ধর্মের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ধর্মের প্রধান প্রয়োজনীয়তার প্রমাণ হল পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ চিরকাল ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন এবং এখনও ধর্মে বিশ্বাসী আছেন। ধর্ম ছাড়া মানুষ চলতে পারে না৷ এটা খুবই সত্য যে: বিভিন্ন ধর্মের
ধর্মগুরুগন ধর্ম প্রচার করেছেন। পাশাপাশা ধর্মীয় নীতিবাক্য প্রচার করেছেন অজস্র। আর তাতে কাজও হয়েছে যথেষ্ট। অসংখ্য নরনারী অসৎকাজ ত্যাগ করে সৎকাজে ব্রতী হয়েছেন এবং হচ্ছেনও।মূলত পশুবৃত্তি বা স্বেচ্ছাচারিতা ত্যাগ করে মানুষকে সুসভ্য, সৎ, ন্যায় নিষ্ঠাবান করে গড়ে তুলবার ব্যাপারে ধর্মীয় বিধান পালন করা অপরিহার্য। সুন্দর সমাও ও জীবন গঠনের জন্য ধর্মগুরু বনাম ধর্মের আদেশ নিষেধ এর গুরুত্ব অপরিসীম।

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ অক্টোবর ‘২০/এসএএইচ

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদন্ড

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর উপজেলার ছাব্বিসা গ্রামের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ মামলার রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনের পর ধর্ষণ মামলার প্রথম রায় এটি। সোমবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে দুইজন আসামী উপস্থিত ছিলো। বাকি তিনজন আসামী পলাতক রয়েছে। আদালতে উপস্থিত দন্ডিত দুইজন আসামী হলেন, মধুপুর উপজেলার চারালজানী গ্রামের রাজন চন্দ্র মণি ঋষির ছেলে সঞ্জিত (২৮),  উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের শ্রি দিগেন চন্দ্র শীলের ছেলে গোপি চন্দ্র শীল (৩০)। পলাতক আসামীরা হলো, একই এলাকার সুনীল চন্দ্র শীলের ছেলে সাগর চন্দ্র শীল (৩৩), সুনিল মণি ঋষির ছেলে সুজন মণি ঋষি (২৮) ও মণিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে রাজন চন্দ্র (২৬)। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নাছিমুল আকতার জানান, ২০১২ সনে দন্ডিত আসামীদের মধ্যে মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সাগর চন্দ্র্র শীলের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে ভূঞাপুর উপজেলার মাদ্রাসা ছাত্রী ওই ভিকটিমের পরিচয় হয়। একই বছরের ১৫ জানুয়ারি ওই ছাত্রী বাড়ী থেকে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে সকালে ভুয়াপুর উপজেলার সালদাইর ব্রীজের কাছে পৌছলে সাগর কৌশলে একটি সিএনজিতে এলেঙ্গা নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে মধুপুরে চারাল জানী গ্রামে তার বন্ধু রাজনের বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে তার চার বন্ধু তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সাগর হিন্দু বলে তার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। পরে ঐ রাতে সাগর রাজনের বাড়ীতে আটক রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ১৭ জানুয়ারি রাতে তাকে বংশাই নদীর তীরে নিয়ে যায়। সেখানে তারা পাঁচজনে মিলে পালাক্রমে জোরপূর্বক ধর্ষন করে ফেলে রেখে চলে যায়। পরদিন ভোরবেলা স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিমের বাড়ীতে মোবাইলের মাধ্যমে খবর পাঠানো হলে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে ভিকটিম বাদী হয়ে ভুয়াপুর থানায় ১৮ জানুয়ারি দন্ডিতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ সুজন মণি ঋষিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করে। ১৯ জানুয়ারি আসামী সুজন স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে। সুজন তার জবানবন্দিতে সাগর, রাজন, সনজিত ও গবি চন্দ্র্র জরিত থাকার কথা উল্লেখ করে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরিক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। পুলিশ তদন্ত শেষে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করে। পরে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর আসামীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠণের মধ্যদিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া সন্তান প্রসব হয় না

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া সন্তান প্রসব হয় না। সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে ভূক্তভোগীদের সাথে কথা বলে এমনই সব তথ্য পাওয়া গেছে। ভূক্তভোগী ১- বাসাইল থেকে আসা গর্ভবতী মহিলা। টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তির ২৪ ঘন্টা পার হলেও কোন ডাক্তার তাকে দেখতে আসেনি। সেসময় এক বয়স্ক আয়া এসে তাদের সাথে কথা বলেন। তিনি তাদের বলেন, ডেলিভারি করতে পাঁচ হাজার টাকা লাগবে। আপনার বাড়িতে খাওয়ার ওষুধসহ দিয়ে দেয়া হবে। পরে তিন হাজার টাকায় রফা হয়। এসময় তিনি ওই প্রসুতি মহিলার স্বামীকে একজন সিনিয়র নার্সের কাছে নিয়ে যান। সিনিয়র নার্স বলেন, আর কারো সাথে কোন কথা বলার প্রয়োজন নাই। কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে বলবেন আমার লোক আছে। ভূক্তভোগী ২- ঘাটাইল থেকে আসা আরেক গর্ভবতী মহিলার সাথে ঘটেছে একটু ভিন্ন ঘটনা। তিনিও চুক্তিতে উনার স্ত্রীর সন্তান প্রসব করিয়েছেন। কিন্তু অপারেশন থিয়েটার থেকে বের করে আয়া বাচ্চাটিকে তার বাবার কোলে দেয়ার সময় বকশিস দাবি করে বসলেন। সেসময় ওই বাবা ২০০ টাকা বের করে দিলেন। তখন আয়া উনার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করে বলেন, আমরা এক হাজার টাকার নিচে বকশিস নেই না। সেখানে কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটির করে ৫০০ টাকা নিয়ে তবেই সন্তানকে তার বাবার কোলে দেয়া হয়। এরপর গত ১২ অক্টোবর রাতে প্রতিবেদক নিজেই রোগীর অভিভাবক সেজে হাসপাতালে যান। সেসময় তিনি তার বোন গর্ভবতী তাকে ভর্তি করতে হবে ২/১ দিনের মধ্যে। এজন্য পরিবারের চাপে তিনি বিস্তারিত জানতে এসেছেন। প্রতিবেদক ওই আয়ার কাছে তার গল্পটি বলেন। আয়া বিশ্বাস করে তার ফাঁদে পা দিয়ে বলেন, আপনার তিন হাজার টাকা লাগবে। এক টাকাও কম হবে না। কিন্তু অন্য কাউকে এই কথা বলতে পারবেন না। পরে তিনি সিনিয়র স্টাফ নার্স রাশেদার কাছে নিয়ে যান। নার্স রাশেদাও একই ভাবে বলতে থাকেন। সেসময় নার্স রাশেদ নিজের মোবাইল নম্বর লিখে দিয়ে বলেন, কেউ জিজ্ঞেস করলে বলবেন হাসপাতালে আপনার লোক আছে। পরের দিন ১৩ অক্টোবরের ঘটনাঃ ভূক্তভোগী ৩- টাঙ্গাইল সদর উপজেলা হুগড়া গ্রামের এক রোগীর অভিভাবক চাকরী করেন চৌধুরী মালঞ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ে। তিনি বলেন, আমার এক আত্মীয় অন্য ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স। তিনি বলে দিয়েছেন, তাই আমার টাকা লাগে নাই। কিন্তু আমার এক হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়েছে। আর বাচ্চা প্রসব হওয়ার পর আমার কোলে দেয়ার সময় আয়া পাঁচশ’ টাকার কম নিবে না। অনেক কথা বলে তিনশ’ টাকা দিয়েছি। ভূক্তভোগী ৪- হুগড়া গ্রামের ওই স্কুল মাস্টারের বাড়ির কয়েক ঘর পশ্চিমের আরো এক ব্যক্তির স্ত্রীরও বাচ্চা হওয়ার তারিখ তার পরের দিনই। আনতে একটু দেরি হওয়ায় প্রসব ব্যথা শুরু হয়ে যায়। আনার ৪০ মিনিটের মধ্যেই স্বাভাবিকভাবেই বাচ্চা জন্মনেয়। তারপরও তাকে এক হাজার টাকা বকশিস দিতে হয়েছে আয়াদের। অনেকটা জোর করেই নিয়েছে। আর ওয়ার্ডের নার্সরা নিয়েছে ১৫শ’ টাকা। ভূক্তভোগী ৫- গালা থেকে এক বড় ভাই তার গর্ভবতী ছোট বোনকে বেলা ১১টায় ভর্তি করেছেন। পরের দিন সকালে নরমাল ডেলেভারি হয়েছে। এর মধ্যে এক লিটার করে ৭টি স্যালাইন নিয়েছেন দায়িত্বে থাকা নার্স বা ডাক্তাররা। উনার বিষ্ময়কর প্রশ্ন, একজন গর্ভবতী মহিলাকে ২৪ ঘন্টায় কয়টা স্যালাইন দেয়া যায় ভাই? তারপরে ডেলেভারি হওয়ার পর আয়াদের বকশিস পাঁচশ’ আর সিস্টারদের দিতে হয়েছে সাতশ’ টাকা। অন্যদিকে যে ওষুধ হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য ব্যবহার করা কথা সেই ওষুধ চলে যাচ্ছে রোগীদের বাড়িতে। বিনা পয়সার চিকিৎসা হচ্ছে চুক্তিভিত্তিক হাসপাতালের ওষুধ দেয়ার শর্তে। এছাড়া ভূক্তভোগীদের আরো অভিযোগ, ডাক্তাররা হাসপাতালের আসেন ২/১টা সিজার করেন, আর কোনরকমভাবে ওয়ার্ডে একটু ঘুরে যান। রোগীদের সাথে ভালোভাবে কথাও বলেন না কোন ডাক্তার। টানা তিন দিন হাসপাতালে গিয়ে কোন ডাক্তারের সাথে কথা বলা যায়নি। এরকম কাহিনীর শেষ নাই হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে। সবকিছু জেনেও না জানার বাহানা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের না কি অন্যকিছু? এমন প্রশ্ন তুলেছেন সতেচন নাগরিক ফোরাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার চেয়ারম্যান বিপ্লব দত্ত পল্টন। আর এটাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের নিরব চাঁদাবাজি বলে অভিহিত করেছেন সতেচন নাগরিক ফোরাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার এই চেয়ারম্যান। তিনি আরো বলেন, টাঙ্গাইলের গরীব রোগীদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই, তাই তারা বাধ্য হয়ে সদর হাসপাতালে যায়। হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে বাচ্চা প্রসব করাতে কত টাকা লাগে? এমন প্রশ্নের জবাবে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সদর উদ্দিন বলেন, হাসপাতালের গাইনি বিভাগ কেন, সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে কোন টাকা লাগে না। আর যারা টাকা নিচ্ছে তাদের বিরূদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে? প্রশ্নের জবারে টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) শফিকুল ইসলাম সজিব ও তত্ত্বাবধায়ক মো. সদর উদ্দিন একই সুরে কথা বললেন। তারা বলেন, ভ‚ক্তভোগীরা আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করব। অভিযোগ না করলে তো আর কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায় না। অন্যান্য অভিযোগের বিষয় আমলেই নেননি এই তত্ত্বাবধায়ক হাসপাতালের মতো সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লিখিত অভিযোগ লাগে এরকম কথার প্রেক্ষিতে টাঙ্গাইলের নাগরিক কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক কর্মী মীর মেহেদী বলেন, যিনি সকল কিছু তত্ত¡াবধান করবেন, তিনিই তত্ত্বাবধায়ক। হাসপাতালের এই অনিয়ম বা দূর্নীতিগুলো দেখার দায়িত্ব যাদের, তাদের আমি দেখাব কেন? আমি তাদের অবগত করেছি, তারা তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমি নিজেও কয়েকবার এইসব বিষয়ে অভিযোগ করেছি। কোন পরিবর্তন হয় নাই। তিনি আরো বলেন, টাঙ্গাইল হাসপাতালের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তারা কোন প্রকার দায়িত্ব পালন করেন না বা দায়িত্ব পালন করার যোগ্যতা নাই। আমি টাঙ্গাইলের সাধারণ ভূক্তভোগী মানুষের পক্ষে তাদের অপসারণ চাই। সেই সাথে বিভাগীয় তদন্ত করে শাস্তির আওতায় আনা হোক।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

সাভারে শফিক ফুটবল একাডেমির জার্সি উন্মোচন’২০ অনুষ্ঠিত   

আলী হোসেন, সাভারঃ “চলো সবাই খেলার মাঠে যাই,সুষ্ঠু সুন্দর জীবন গড়ে, মাদককে দূরে তাড়াই” এ স্লোগানকে সামনে রেখে সাভারে শফিক ফুটবল একাডেমির জার্সি উন্মোচন-২০২০ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে সাভার পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড রাজাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে জার্সি উন্মোচন  করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, প্রতিষ্ঠাতা, ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমি, (ব্যারিস্টার এ্যাটি’ল’, অ্যাডভোকেট সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশ)।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল গনি। এসময় বক্তারা বলেন, শফিক ফুটবল একাডেমির সাভারে ফুটবল খেলোয়ার সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। তাই আমাদের যার যার জায়গা থেকে খেলাধুলার প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিৎ যাতে নতুন প্রজন্ম কোনো ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে না পড়ে। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন খাঁন,আমন্ত্রিত অতিথি ব্যারিস্টার এম.কে.এস মুরাদ'(ব্যারিস্টার এ্যাটি’ল’, অ্যাডভোকেট সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশ)।সভাপতিত্ব করেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী সেলিম মিয়া।সাভার পৌর ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মারফত আলী মাসুদ,শফিক ফুটবল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি শফিউল বাশার শফিকসহ এলাকায় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করায় মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ র‌্যালী

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ মানিকগঞ্জে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান করে মন্ত্রীসভায় সংশোধন ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’ এর খসড়া চুড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ও উক্ত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দিক নির্দেশনায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী রাজু আহমেদ বুলবুলের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জ সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ থেকে শুরু হয়ে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে এই আনন্দ র‍্যালী শেষ হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল রহমান, কাজী সজিব হোসেন জয়, দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নাদিম হোসেন, সদর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুজ্জামান অমিত, পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক অভিজিত সরকার। এসময় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী রাজু আহমেদ বুলবুল বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় যে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে তার বিরুদ্ধে সারাদেশের ছাত্রসমাজ বিষেশ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিট সোচ্ছার হয়েছে যেন ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করে আইন করা হয়। এরই ফলশ্রুতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছিলেন যেন ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করা হয়। ফলে মন্ত্রীসভা সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর চুড়ান্ত অনুমোদন দেয়। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। দেশ যখনই কোনো সমস্যার সম্মুখিন হয় তখনই তিনি একটি সুন্দর সমাধান দিয়ে থাকেন। এদেশের সকল গণতান্তিক আন্দোলনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।’’ সর্বশেষ তিনি ধর্ষকের কোনো ঠাই হবেনা শেখ হাসিনার বাংলায় এ কথা বলে আনন্দ র‍্যালীর সমাপ্তী করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

সেভ বশেমুরবিপ্রবি চ্যাপ্টারে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: নেতৃত্বে তরী-হৃদয়

যুথি সাহা, বশেমুরবিপ্রবি: ‘স্টুডেন্ট এগেইনিস্ট ভায়োলেন্স এভরিহোয়্যার’ (সেইভ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) চ্যাপ্টারে ১২ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে কো-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী শামীমা ইয়াসমিন তরী এবং জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শফিকুল মোহাম্মদ হৃদয়। এ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা আগামী এক বছর পর্যন্ত সেভ বশেমুরবিপ্রবি চ্যাপ্টারের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪ টায় সেইভ-এর উদ্যোগে ‘সেইভ ইয়ুথ প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটি’ শীর্ষক শিরোনামে আয়োজিত এক অনলাইন মিটিংয়ে এ কমিটি ঘোষণা করেন সেইভ বশেমুরবিপ্রবি চ্যাপ্টার মডারেটর ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া আফরিন এবং একই বিভাগের প্রভাষক মোহম্মদ এমদাদুল হক । একই সময় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সেভ চ্যাপ্টারের স্ব স্ব মডারেটরগণ তাদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষনা করেন। সেভ বশেমুরবিপ্রবি চ্যাপ্টারে ২০২০-২০২১ সেশনের জন্য ১২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির কো-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী শামীমা ইয়াসমিন তরী এবং জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শফিকুল মোহাম্মদ হৃদয়। কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- টিম লিড ইয়ুথ ডিজএবিলিটি এন্ড ইনক্লুশন আসিফ ইকবাল লিওন , টিম লিড ইয়ুথ ভয়েস দিশা হালদার পূজা , টিম লিড ইয়ুথ এম্পলইএবিলিটি মোঃ তামিম খান পাঠান , টিম লিড কানেক্টিং ডট’স কাজী ইমতিয়াজ , টিম লিড ইভেন্ট এন্ড আউটরিচ সাফায়েত হোসেন তোহান, টিম লিড ইয়ুথ মিডিয়া যুথি সাহা , টিম লিড শি লিড’স সুমাইয়া আফনান নাহিন , টিম লিড ক্যাম্পাস রেসিলিয়েন্স কামাল হোসেন, টিম লিড ইয়ং মাইন্ড’স আয়েশা আমিন এবং টিম লিড ইয়ুথ ডেমোক্রাসি দায়িত্বে ফারজানা আক্তার তন্দ্রা। কমিটি ঘোষণা শেষে মনোনীত সকল কো-প্রেসিডেন্টরা আগামী একবছর তারা তাদের সেভ চ্যাপ্টারের কার্যক্রম কিভাবে পরিচালনা করবেন এ সম্পর্কে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সেইভ ইয়ুথ বাংলাদেশ-এর ‘কান্ট্রি ডিরেক্টর’ সিলিয়া প্যাসিলিনা এবং সেভ ইয়ুথের ন্যাশনাল মডারেটর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আইনুল ইসলাম। উক্ত কমিটির বশেমুরবিপ্রবির সেভ চ্যাপ্টারের কো-প্রেসিডেন্ট শামীমা ইয়াসমিন তরী শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘সেভ ইয়ুথ হলো তরুণদের দ্বারা পরিচালিত এমন সংগঠন যা সমাজে শান্তি, সাম্য, বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে কাজ করে।সেভ বশেমুরবিপ্রবি চ্যাপ্টার ২০১৯ সালের ২৪ মার্চ থেকে তাদের কার্যক্রম স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্পন্ন করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে সেভের সকল কার্যক্রম স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্পন্ন করবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনকে প্রত্যাহার

সংবাদদাতা, নোয়াখালীঃ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে তা জানা যায়নি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন। এসপি বলেন, ওসি হারুনকে বেগমগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অফিসে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে। প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের খালপাড় এলাকায় এক নারীর (৩৬) সঙ্গে তার আগের স্বামী দেখা করতে তার বাবার বাড়িতে এসে ঘরে ঢুকেন।বিষয়টি দেখেন স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার।রাত ১০টার দিকে দেলোয়ার তার লোকজন নিয়ে ওই নারীর ঘরে ঢুকে পরপুরুষের সঙ্গে অনৈতিক কাজ ও তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে পিটিয়ে নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করেন। ৪ অক্টোবর দুপুরে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলায় তথা দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে বেগমগঞ্জ থানা প্রশাসন ও ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ওসির অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন মহল থেকে জোর দাবি জানানো হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ অক্টোবর’২০/এসএএইচ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের অভিযানঃ ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জামাদি জব্দ 

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ, চকরিয়ার বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার মধুশিয়া খুটাখালী ও ফুলছড়িখাল ও মেধাকচ্ছপিয়া এলাকা হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ২০টি ড্রেজার মেশিন ও ১০০০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়েছে। বন বিভাগ সূত্রমতে, সহকারী কমিশনার ভূমি ও উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাঃ সোহেল রানার যৌথ নেতৃত্বে পুলিশ ও বন বিভাগের সদস্যরা ১৩ ই অক্টোবর ( মঙ্গলবার)  সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩ টা  পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ও মেধাকচ্ছপিয়া এলাকা থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ২০টি ড্রেজার মেশিন  ও ১০০০ ফুট পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিশেষ টহল দলের অফিসার ইনচার্জ এমদাদুুল  হক ড্রেজার মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দের  সত্যতা স্বীকার করেন এবং অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের  বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিশেষ টহলদলের অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক বলেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী বন সংরক্ষক মোহাঃ সোহেল রানা ও তাঁর টিমের যৌথ নেতৃত্বে বিশেষ টহল দলের সার্বিক সহযোগিতায় চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ও মেধাকচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ টি ড্রেজার মেশিন ও ১০০০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়েছে।  বন বিভাগ সর্বদা সজাগ রয়েছেন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধ  ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষায়। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক স্যারদের নির্দেশে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাঃ সোহেল রানা বলেন, অবৈধ দখলবাজদের বিরুদ্ধে  ও সরকারি বন ভূমি রক্ষার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে । কোনভাবেই আমরা অবৈধ বালু উত্তোলন, সরকারী বন ভূমি দখল, অবৈধভাবে কাঠ পাচার সহ্য করবো না। সরকারি বন ভূমি রক্ষা, এবং বন বিভাগের সম্পদ রক্ষার্থে আমরা সচেষ্ট ও সজাগ রয়েছি।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ অক্টোবর’২০/এসএএইচ  

গাইবান্ধায় জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে পথসভা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা পৌরসভার স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সরকারি মহিলা কলেজ শহরের বাহিরে স্থানান্তরের প্রতিবাদ, মাতৃসদনের অনিয়ম-দূর্নীতি-অব্যবস্থাপনা বন্ধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানোর দাবিতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার(১৩ অক্টোবর) দুপুরে বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন জায়গায় এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের জেলা কমিটির সদস্য কাজী আবু রাহেন শফিউল্যা, নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, পরমানন্দ দাস প্রমুখ। বক্তারা পৌরসভার স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মহিলা কলেজ শহরের বাহিরে স্থানান্তরের প্রতিবাদ ও মাতৃসদনের অনিয়ম-দূর্নীতি-অব্যবস্থাপনা বন্ধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানোর দাবি জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ অক্টোবর’২০/এসএএইচ