আজ শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 250

তুমি না মরলে আমি মাহীরের হতে পারব না, জোবায়েদকে-বর্ষা

আলোকিত ডেস্ক, জোবায়েদ তখনো মারা যায়নি। বাঁচার জন্য দুই তলা থেকে উপরে ওঠে। তিন তলায় দাঁড়িয়ে ছিল বর্ষা। তখন বর্ষাকে দেখে জোবায়েদ বলে, আমাকে বাঁচাও, কিন্তু বর্ষা বলে, তুমি না মরলে আমি মাহীরের হতে পারব না। বর্ষা তার মৃত্যু কনফার্ম করে যায়। তখন জোবায়েদ বাঁচার জন্য দরজায় নক করেও পায়নি’—জবি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইনের হত্যার ঘটনায় এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন ডিএমপির লালবাগ জোনের ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপির) মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ডিসি মল্লিক। তিনি বলেন, মেয়েটা (বর্ষা) অনেক চালু। দুইদিকেই সম্পর্ক বজায় রাখে। পুলিশ বলছে—হত্যার জন্য তারা নতুন দুইটা সুইচ গিয়ার কেনেন। ঘটনার সময় এলোপাতাড়ি ছুরি চালান মাহির। তাকে হত্যার জন্য প্রেমিককে বলেন মেয়েটি। এটি তাদের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

ওসি বলেন, মেয়েটির সঙ্গে মাহিরের ৯ বছরের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু মাঝে তিনি জোবায়েদের ওপর দুর্বল হয়ে পড়েন। এ সময় মাহিরকে না বলে দেন এবং জোবায়েদেকে পছন্দ করে বলে জানায়। কিছুদিন পরই তার বয়ফ্রেন্ডকে জানান যে, জোবায়েদকে আর ভালো লাগে না। তখন তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন দুজন।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এটা বর্ষা ও মাহীরের পরিকল্পিত হত্যা। বর্ষার সঙ্গে মাহীরের ৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝে আবার বর্ষা জোবায়েদের ওপর দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় বর্ষা মাহীরকে না করে দেয়। এবং সে জোবায়েদেকে পছন্দ করে বলে জানায়। কিন্তু কিছুদিন পরেই তার বয়ফ্রেন্ড মাহীরকে জানায় যে জোবায়েদকে আর ভালো লাগে না। তখন জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বর্ষা ও মাহীর।

পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা স্বীকার করেনি ছাত্রী। পরবর্তীতে মাহির ও তাকে মুখোমুখি করলে সত্য ঘটনা জানায়। জোবায়েদকে কীভাবে সরিয়ে দেয়া যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই পরিকল্পনা করেন তারা। এক বছর ধরে তিনি পুরান ঢাকার আরমানীটোলায় নুরবক্স লেনে রৌশান ভিলা নামের বাসায় ছাত্রীটিকে ফিজিক্স, কেমেস্ট্রি ও বায়োলজি পড়াতেন।রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টার ৪৫ মিনিটের দিকে ছাত্রীর বাসার তিন তলায় ওঠার সময় সিঁড়িতে তিনি খুন হন। নিচ তলার সিঁড়ি থেকে তিনতলা পর্যন্ত রক্ত ছড়িয়ে ছিল।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বর্ষার ঘটনা অনেকটা মিন্নির কাছাকাছি: ডিএমপি!

বিশেষ প্রতিনিধি, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নজরুল ইসলাম বলেছেন, এটি একটি ত্রিভুজ প্রেম। বর্ষা মেয়েটি খুব চালু। দু’দিকেই সম্পর্ক বজায় রাখে সে। মিন্নির ঘটনার প্রায় কাছাকাছি। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান তিনি।

নজরুল ইসলাম বলেন, বর্ষা মাহীরকে জানায়, জুবায়েদকে না সরালে তোমার কাছে ফিরতে পারব না। বর্ষার পরিকল্পনা অনুসারে জুবায়েরকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় মাহীর ও তার বন্ধু আয়লানসহ তিনজন। ঘটনার দিন মাহীর জুবায়েদকে বর্ষার থেকে সরে আসতে বলে। জোবায়েদ জানায়, আমি সরে আসব কেন? তখন তাদের মাঝে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এরপর এ হত্যাকাণ্ড।

এ ছাড়া ডিএমপির প্রেস ব্রিফিংয়ে লালবাগ জোনের ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, জুবায়েদ তখন মারা যায়নি। বাঁচার জন্য দোতলা থেকে ওপরে ওঠে। তিন তালায় দাঁড়িয়ে ছিল বর্ষা। তখন বর্ষাকে দেখে জুবায়েদ বলে, আমাকে বাঁচাও। কিন্তু তখন বর্ষা বলে, তুমি না মরলে আমি মাহীরের হবো না। বর্ষা তার মৃত্যু কনফার্ম করে যায়। তখন জোবায়েদ বাঁচার আকুতি করলেও কারও সাহায্য পায়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শিক্ষকদের বাড়িভা*ড়া হচ্ছে ১৫ শতাংশ, দেওয়া হবে দুই ধাপে!

আলোকিত প্রতিবেদক, আন্দোলনের মুখে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ করতে যাচ্ছে সরকার। তবে এ অর্থ দুই ধাপে পাবেন তারা। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের সাড়ে ৭ শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন। বাকি সাড়ে ৭ শতাংশ আগামী অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে। শিগগির বিষয়টি নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এর আগে শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে এবং সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। তবে ওই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায়ে শিক্ষকরা আন্দোলন চালিয়ে যান। মঙ্গলবার মুখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। সেই সঙ্গে চলে আমরণ অনশনও। এদিকে, সরকারের নতুন এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জবির জুবায়েদ হত্যার পরি*কল্পনা একমাস আগের, ছাত্রীর নির্দেশে: পুলিশ!

 বিশেষ প্রতিনিধি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসাইনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল আরও এক মাস আগে। এবং হত্যার ওই ছক আঁটেন জুবায়েদের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী এবং তার প্রেমিক দুজনে মিলে। জুবায়েদ হত্যা নিয়ে মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, হত্যার দিন গত রোববার মেয়েটির প্রেমিকের সঙ্গে তার দুইজন বন্ধুও ছিলেন।

 

জুবায়েদকে তার ছাত্রী ‘পছন্দ করতেন’ জানিয়ে পুলিশ আগেই বলেছিল, সেই ক্ষোভে ওই ছাত্রীর ‘প্রেমিক’ (আটক কলেজছাত্র) তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে জুবায়েদকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এবার আর ধারণার কথা নয়, ওসি রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা জুবায়েদের ছাত্রী ও তার বয়ফ্রেন্ডের পরিকল্পিত হত্যা’।

তিনি বলেন, “ওই কলেজছাত্র সঙ্গে মেয়েটির ৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝে আবার মেয়েটি জুবায়েদের উপর দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় মেয়েটি তার প্রেমিককে না করে দেয় এবং সে জুবায়েদকে পছন্দ করে বলে জানায়। কিন্তু কিছুদিন পরেই তার বয়ফ্রেন্ডকে জানায় যে, জুবায়েদকে আর ভালো লাগে না। তখন জুবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করে দুজনে মিলে। প্রাথমিকভাবে জুবায়েদকে হত্যার এই পরিকল্পনা মেয়েটি স্বীকার করছিল না জানিয়ে ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, “পরে মেয়েটি ও কলেজছাত্রকে মুখোমুখি করলে সত্য জানায় সে। জুবায়েদকে কীভাবে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া যায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই পরিকল্পনা করে তারা।

জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়া কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণ সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। গেল রোববার জুবায়েদকে ছুরিকাঘাতের পর সিঁড়ির নিচতলা থেকে তিনতলা পর্যন্ত রক্ত পড়েছিল।

এরপর পুলিশ ওই বাসায় ওই ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তারপর রাত ১১টায় ওই ছাত্রীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাত পৌনে ১১টার দিকে তাঁতীবাজার এলাকায় প্রধান সড়ক অবরোধ করে। প্রায় এক ঘণ্টা রাস্তা আটকে রাখার পর রাত পৌনে ১২টার দিকে তারা মিছিল নিয়ে বংশাল থানার দিকে রওনা হয়। পরে সেখানে অবস্থান করে টায়ার পুড়িয়ে তারা বিক্ষোভ দেখান।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে রোববার সন্ধ্যা থেকেই ওই কলেজছাত্রের নাম এবং ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর সোমবার সকালে ওই কলেজছাত্রের মা রেখা আহমেদ ছেলেকে নিয়ে গিয়ে বংশাল থানায় হস্তান্তর করে বলে তার স্বজনেরা জানিয়েছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে রাশিয়া-ইরান, বাড়ছে সহযোগিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। সোমবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেছেন বলে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মস্কোর সঙ্গে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র এবং  ইসরায়েলের চালানো হামলার নিন্দা জানায় ক্রেমলিন। কিছু দিন আগে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে ওই হামলা চালানো হয়। তবে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রাশিয়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান পরিস্থিতি কীভাবে দেখছে এবং মস্কো কি তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করবে; সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়া অবশ্যই ইরানের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ইরান আমাদের অংশীদার এবং আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গতিশীলভাবে গড়ে উঠছে।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় তেহরানের ওপর ‌অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করছে; যা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে।

এদিকে, সোমবার ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক বিশেষ দূতের। এর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে লারিজানি ক্রেমলিনে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির একটি বার্তা তার হাতে তুলে দেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান গত জানুয়ারিতে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেন। যদিও ওই চুক্তিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা বিষয়ে কোনও শর্ত নেই। মস্কো বলছে, তারা আইনগতভাবে তেহরানকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে। অন্যদিকে ইরান ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে আসছে।

গত মাসে রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক জ্বালানি সংস্থা রোসাটম ইরানের সঙ্গে ২৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে; যার আওতায় দেশটিতে চারটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। ইরান বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে এবং বর্তমানে দেশটির একমাত্র কার্যকর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহর শহরে অবস্থিত, যা রাশিয়া নির্মাণ করেছিল।

সূত্র: রয়টার্স।

আলোকিত প্রতিদিন/২০অক্টোবর ২০২৫/মওম

‎অলৌকিকত্বের নিদর্শন ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান,নান্দাইলে জাহাঙ্গীর শাহ (রহঃ)’র মাজার মসজিদ!

তৌহিদুল ইসলাম সরকার,-নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের বাতুয়াদী গ্রামে ‎দেশ বরেণ্য ৩৬০ জন আওলিয়ার  মধ্য একজন হযরত জাহাঙ্গীর শাহ ( রঃ) উনার নাম অনুসারেই এই জাহাঙ্গীর শাহ (রঃ) আলাইহি’র মাজার ও মসজিদ অবস্থিত।‌ কালের স্বাক্ষী হয়ে প্রায় ৭০০ বছর ধরে অনেক অলৌকিকত্বের নিদর্শন বহন করে চলা এ স্থানটি। এটি নান্দাইল উপজেলা থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণ দিকে পাকা রাস্তার পশ্চিম পাশে একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান। এটি উপজেলার উল্লেখযুগ্য দর্শনীয় স্থানও বটে। শুক্রবার জুম্মার মসজিদে নামাজ পড়তে আসা স্থানীয় ‎অনেকেই বলেন-এই আওলিয়ার নামানোসারেই উক্ত জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়।

 সরেজমিনে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন গম্বুজ খচিত মাজার শরিফ তার সংলগ্ন উত্তর পাশে দ্বিতল নান্দনিক মসজিদ, দ্বিতল মাদ্রাসা, মাজারের দক্ষিণ পূর্ব পাশে মহিলাদের এবাদতের জন্য ঘর, পিছনে অলৌকিকত্বের নিদর্শন বিশাল ভর পুকুর,সামনে বিস্তৃত মাঠ। এলাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য মানুষ নামাজ পড়তে আসেন এ মসজিদে এবং রওজা শরিফ জিয়ারত করতে,বিশেষ করে শুক্রবারে দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য ভক্তবৃন্দ নারী পুরুষ আসেন, কেউ আসেন মসজিদে নামাজ পড়তে, কেউবা আসেন মান্নত পূরণ করতে এবং মাজার জিয়ারত করতে। আবার কেউ কেউ আসেন ঐতিহাসিক স্থানটি ভ্রমন করতে। ‎রওজা শরিফের একপাশে দেখা যায়, একটি বৃহত কালো পাথরের গায়ে অনেকে দুধ ঢালছেন,পরে জানতে চাইলে স্থানীয়রা জানান- মনোবাঞ্ছা পূরণের জন্য মানুষ পাথরের গায়ে দুধ ঢালে এ থেকে তারা কৃতকার্যও হচ্ছে। যে গাভীর দুধ পাথরে ঢালা হয় সে গাভী দুধই দেয় বেশি।

অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়,একসময় পুকুর থেকে উঠে আসা তিনটি কালো পাথর রওজার পাশে এসে স্থান নেয় পাথর তিনটি জীবিত ছিলো কিন্তু কোনোএক মহিলার নাপাক শরিলের কাপড়ের ছুঁয়াতে দুটি পাথর স্থান ত্যাগ করে, একটি চলে যায় পিছনের পুকুরে আরেকটি কাছাকাছি থাকা মোড়াল বিলে আর একটি মৃত হয়ে দাড়িয়ে থাকে। ‎এ ছাড়াও কথিত আছে, এলাকায় সামাজিক অনুষ্ঠান হলে, দিন কন ঠিক করে ঐ পুকুর পাড়ে গিয়ে-‎আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে পুকুর থেকে ‎উঠে আসতো হাঁড়ি পাতিল,থালা-বাটিসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং অনুষ্ঠান শেষে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পুকুর ঘাটে দিয়ে আসলে আবার পুকুরের পানিতে নেমে যেতো কিন্তু জৈনেক ব্যক্তি একদিন একটা নেমকদানী লুকিয়ে রাখায়- ঘটতে থাকে ভয়ংকর কার্যকলাপ এবং পুকুরের পানিতে আর ফেরত যায়না-বাকী জিনিসপত্র পরে এটা ফেরত দিলে শেষবারের মতো চলে যায় ।

‎‎জানা যায়,৩৬০ জন আউলিয়া হযরত শাহ জালাল (রহঃ) এবং তার সফর সঙ্গীরা প্রায় ৭০০ বছর আগে অর্থাৎ ১৩০৩ খ্রিষ্টাব্দে সিলেটে আসেন। তারা রাজা গৌর-গোবিন্দের অত্যাচারের প্রেক্ষিতে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সিলেট অঞ্চলে আসেন বলে মনে করা হয়। সিলেট বিজয়ের পর শাহজালাল (রহ.)-এর অনেক সঙ্গী আউলিয়া ইসলাম প্রচারের জন্য সিলেটের আশেপাশে, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েন। কেউ কেউ সিলেটে থেকে যান এবং ইসলাম প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, আবার কেউ কেউ তাদের অনুসারীদের সাথে অন্যান্য অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের জন্য চলে যান। হযরত জাহাঙ্গীর শাহ (রঃ)-‎তাদের মধ্যে একজন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ‎‎তৎকালীন সময়ে শান্তির বার্তা নিয়ে ইসলাম প্রচার করতে এবং নিপিড়ীত নির্যাতিত মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এখানে আসেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

এক কাঁধে ব্যাকপ্যাক ঝুলিয়ে নিলেই ক্ষতি

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

আজকাল অফিস, স্কুল, কিংবা ক্যাম্পাসে প্রায় সবাই ব্যাকপ্যাক নিয়ে বের হয়। অনেকেই এক কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে নেওয়াকে স্টাইল হিসেবে দেখেন। দেখতে যতটা স্মার্ট লাগে, তবে শরীরের জন্য কিন্তু মোটেও ভালো নয়। নিয়মিত এক কাঁধে ব্যাকপ্যাক বহন করলে শরীরের গঠন থেকে শুরু করে হাড়-মাংসপেশি পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

আমেরিকান ফিজিক্যাল থেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণা অনুযায়ী, এক কাঁধে ব্যাগ নেওয়ার অভ্যাস শরীরের প্রাকৃতিক অ্যালাইনমেন্ট নষ্ট করে এবং সময়ের সঙ্গে পেশি ভারসাম্যহীনতা এবং পিঠের ব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিদিন এক কাঁধে ব্যাকপ্যাক ঝুলিয়ে নিলেই ক্ষতিসমস্যা হতে পারে যেভাবে

মানবদেহের গঠন এমনভাবে তৈরি যে মেরুদণ্ড শরীরকে সমভাবে দুই ভাগে ভাগ করে রেখেছে। এই ভারসাম্যের কারণেই দুটি কাঁধ একসঙ্গে ওজন বহন করতে পারে। কিন্তু যখন নিয়মিত এক কাঁধেই ব্যাগ ঝুলিয়ে হাঁটা হয়, তখন সেই ভারসাম্য ভেঙে যায়। এক পাশের পেশি ও হাড়কে বাড়তি চাপ নিতে হয়, ফলে সেখানে অতিরিক্ত টান ও প্রদাহ তৈরি হয়। দীর্ঘদিন এই চাপ চলতে থাকলে কাঁধে আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি বাড়ে। অনেকে আবার টান বা জ্বালাপোড়া ধরনের স্থায়ী ব্যথা অনুভব করেন, যা সময়ের সঙ্গে আরও বাড়তে পারে।

১. কোনোভাবেই ব্যাকপ্যাক এক কাঁধে নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে কাঁধ পরিবর্তন করতে হবে। অনেকক্ষণ এক কাঁধে রাখলে ঘাড় ও কাঁধে টান পড়ে।

২. সব সময়ে পিঠে হালকা ওজনের ব্যাকপ্যাক ব্যবহার করা উচিত।

৪. ব্যাকপ্যাকের দুটি হাতলের ভেতরে নরম প্যাডিং থাকে সেটি কেনার আগে দেখে কেনা উচিত।

৫. ব্যাগে যদি একাধিক ভাগ বা পকেট থাকে, তাহলে ওজন সমানভাবে ভাগ করতে হবে।

৬. ব্যাকপ্যাকের আকার যেন পিঠের আকৃতিকে ছাড়িয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এক কাঁধে ব্যাকপ্যাক নেওয়া যতই সহজ মনে হোক, এর প্রভাব শরীরে গভীর ক্ষতি ডেকে আনে। তাই এ অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।

 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, মায়ো ক্লিনিক, আমেরিকান ফিজিক্যাল থেরাপি অ্যাসোসিয়েশন

আলোকিত প্রতিদিন/২০অক্টোবর ২০২৫/মওম

বিএনপির কেন জানি মনে হচ্ছে, আমরা তাদের পক্ষে লিখছি না : মাহমুদুর রহমান!

আলোকিত ডেস্ক, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে আমার এক সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। বিএনপির কেন জানি মনে হচ্ছে আমরা তাদের পক্ষে লিখছি না মনে হয়। আমার সহকর্মীর ওপর যে আঘাত হয়েছে, আমি মনে করি সে আঘাত আমাকে করা হয়েছে। আমার সহকর্মীর ওপর আঘাত আর আমার ওপর আঘাতের কোনো পার্থক্য আমি দেখি না।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মাহমুদুর রহমান বলেন, আমাদের এডিটোরিয়াল প্রসেস খুব সহজ ছিল। আমরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লিখতাম। এখন যাদের সম্পর্কে লিখতে হবে তারা সবাই জুলাইযোদ্ধা। বিএনপি জুলাইযোদ্ধা, জামায়াত জুলাইযোদ্ধা, এনসিপি তো জুলাইয়ের মহানায়ক। এনসিপি তো জুলাইয়ের নেতৃত্বই দিয়েছে।

এই যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যখন আমি লিখব, তখন পেশাদারিত্বের সঙ্গে লিখতে গেলে তাদের কারও না কারও সমালোচনা তো করতে হবে। কারণ সবাই তো আর সঠিক কাজ করে না। আমি নিজেও তো সঠিক কাজ করি না। সংবাদপত্রের কাজটা এমনই, লিখতে হয়। লিখতে গিয়ে আমরা অনেক শত্রু বানিয়েছি। যেহেতু এখন সরকারে যাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, এনসিপিও সরকারে যেতে চায়, জামায়াতও সরকারে যেতে চায়, বিএনপিও সরকারে যেতে চায়।

তিনি আরও বলেন, দৈনিক আমার দেশ বাংলাদেশের পক্ষে, কোনো দলের পক্ষে নয়। এটা যদি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বুঝতে পারতেন তাহলে আমাদের কাজটা অনেক সহজ হয়ে যেত। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এত বড় বিপ্লবের পরেও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই বিষয়টি বুঝতে পারেননি এখনও।

মাহমুদুর রহমান বলেন, কুষ্টিয়াতে ২০১৮ সালে আমাকে যেভাবে রক্তাক্ত করা হয়েছিল এবং গতকাল চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে যেটা করা হয়েছে দুইটার মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই। দুইটা ঘটনা একই। তাহলে আমরা এত বড় বিপ্লব থেকে কী শিখতে পেলাম?

এদিন জুলাই-আগস্টে শহীদ ও আহতদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনা করা হয়। অনুষ্ঠানে কুমিল্লার শহীদ ও আহতদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আমার দেশ পাঠক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পত্রিকার কুমিল্লা প্রতিনিধি এম হাসানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন আমার দেশ পাঠক ফোরামের সভাপতি ডা. আরিফ মোর্শেদ। এ সময় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলী, জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, এবি পার্টি, হেফাজতে ইসলামসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বর্তমান অবস্থা মেনে নিয়ে ইউক্রেনকে যুদ্ধ থামাতে আহ্বান জানালেন ট্রাম্প

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করে ইউক্রেনকে বর্তমান যুদ্ধরেখা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো যুদ্ধ থামানো, আলোচনায় যাওয়া যাবে পরে।

রবিবার ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গত শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে তার “সৌহার্দ্যপূর্ণ” বৈঠক হয়েছে।

তবে তিনি জেলেনস্কিকে ডনবাস অঞ্চল সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে যে খবর বের হয়েছে সেটি অস্বীকার করেন।

ট্রাম্প বলেন, “না, আমরা সেটা নিয়ে কথা বলিনি”। তিনি আরও বলেন, “তাদের (ইউক্রেনের) উচিত যুদ্ধরেখার যেখানে এখন তারা আছে, সেখানেই থেমে যাওয়া।”

ট্রাম্পের ভাষায়, “ডনবাস অঞ্চলের প্রায় ৭৮ শতাংশ এলাকা ইতোমধ্যেই রাশিয়া নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ইউক্রেন চাইলে পরে কোনো সময় এ বিষয়ে আলোচনায় যেতে পারে, কিন্তু এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় হচ্ছে যুদ্ধ থামানো।”

ডনবাস অঞ্চলের মধ্যে দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত এবং ২০১৪ সাল থেকেই এই অঞ্চল সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। সেই সময় রাশিয়ার সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ক্রিমিয়া দখলের পর নিজেদের স্বাধীন প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে তথাকথিত “বিশেষ সামরিক অভিযান” শুরু করার পর থেকে ওই এলাকার বেশিরভাগ অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে রাশিয়া।

আলোকিত প্রতিদিন/২০অক্টোবর ২০২৫/মওম

বিএনপি ক্ষমতায় এলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জাতীয়করণ করা হবে : এ্যানি!

বিশেষ প্রতিনিধি, বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি অবিলম্বে সরকারকে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আয়োজিত মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাদের দাবি ও আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। ওই সমাবেশে এ্যানি বলেন, ‘ইতিমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে। কিন্তু ২০ শতাংশ হয়তো পাননি। ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া পর্যাপ্ত নয়, বিশেষ বিবেচনা করতে হবে। তবে এখন এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যেখানে মানুষের যেন ক্ষতি না হয়। এসময় শিক্ষকদের সুশৃঙ্খলভাবে ৯ দিন ধরে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিমধ্যে শিক্ষকদের এসব দাবির প্রতি নীতিগতভাবে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির এই নেতা।

 বিএনপির এ নেতা আরো বলেন, ‘শিক্ষকদের বার বার রাস্তায় নামতে হয়। আগামীদিন যেন আন্দোলন করতে না হয়, সে জন্য পূর্ণ জাতীয়করণ করার কথাই পুনর্ব্যক্ত করছি। মর্যাদার জায়গায় আপনাদেরকে আসীন করতে হবে। আপনারা জাতিকে আলোর পথে নিয়ে যাচ্ছেন, কষ্ট করছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি