আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2499

রত্নগর্ভা আলহাজ্ব জাহানারা বেগমের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী

শেখ মইনুল হাসান : আগামীকাল ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার লালমনিরহাটের সাহেবপাড়া নিবাসী রত্নগর্ভা আলহাজ্ব জাহানারা বেগমের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার বাসভবনে (জাহানারা মঞ্জিল) সাহেবপাড়ায় শুক্রবার বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিল এবং এলাকার দুস্থদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মরহুমার নিকটাত্মিয়দের স্বাস্থ্য বিধি মেনে উপস্থিত থাকতে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

পরিবারের পুত্র-কন্যাগণের পক্ষে এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ধীন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম-সচিব জনাব এ.এইচ.এম হাবিবুর রহমান ভুঁইয়া (জিন্না)।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ নভেম্বর ২০২০/জেডএন

কালিহাতীতে প্রধান শিক্ষকের সেচ্ছাচারিতায় বিদ্যালয়ের অচলাবস্থা : অভিভাবকদের শঙ্কা

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাংড়া শহীদ আবুল কালাম আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রেমে স্থানীয় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে গত মার্চ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারাদেশে শিক্ষা কার্যক্রম যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তদুপরি বাংড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদ ও প্রধান শিক্ষকের মধ্যে চলমান বিভিন্ন অসঙ্গতি স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান কামনা করেছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সত্য নয়। স্থানীয় একটি মহল তাকে হেয় করতেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিযোগ করছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ সাইফুল কবীর বলেন, বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আত্মসাৎ, রেজুলেশন, খাতায় অনিয়মসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি সমাধান করে আমরা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই, তাই এমন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের অপসারন দরকার।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসা: রোকেয়া খাতুন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা পরিষদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানকল্পে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ নভেম্বর ২০২০/জেডএন

ইরানের জাতীয় সংসদের ফ্রান্সকে মুসলিম বিশ্বের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদকঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের কারণে মুসলিম বিশ্বের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের জাতীয় সংসদ। সংসদ বলেছে, বিশ্ব ইহুদিবাদী চক্রের সদূরপ্রসারি পরিকল্পনার আওতায় একের পর এক বিশ্বনবী (সা.)-এর অবমাননা করে যাচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো। এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান ইরানের সংসদ সদস্যরা। বিবৃতিতে তারা বলেছেন, মুসলিম বিশ্ব আরেকবার মানুষরূপী শয়তানদের নোংরা ও কুরুচিপূর্ণ চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পেয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলো কথিত মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে তাদের শয়তানি মতাদর্শের দুর্গন্ধ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে আরও বলা হয়, শুধু মুসলমানরা নয় বরং সকল ঐশী ধর্মের প্রকৃত অনুসারীরা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর অবমাননার নিন্দা জানিয়েছে। এ অবস্থায় যদি এখনই এই অবমাননাকে রুখে দেয়া না হয় তাহলে এরপর এসব নিকৃষ্ট লোক হযরত ঈসা মাসিহ (আ.) ও হযরত মূসা কালিমুল্লাহর (আ.) অবমাননা করতেও পিছপা হবে না। বিবৃতিতে ইসলাম অবমাননার এই শয়তানি ও নিকৃষ্ট কাজকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যায়িত করে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ করে ইরানের সংসদ সদস্যরা বলেছেন, ফরাসি সরকারকে এই জঘন্য কাজ করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এই ন্যাক্কারজনক কাজ করার জন্য গোটা মুসলিম উম্মাহর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। এদিকে ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবির প্রধান আব্দুলআলী আলী আসকারি ফ্রান্সে মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে বিশ্বনবী (সা.)-এর অবমাননার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি এক বার্তায় ফ্রান্স সরকারের জঘন্য চরিত্র উন্মোচন করে দেয়ার জন্য গোটা মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্বের সকল স্বাধীনচেতা মানুষের প্রতি আহ্বান জানান। স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাক-স্বাধীনতার ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়ে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠের একটি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর কার্টুন প্রদর্শন করেন। এ ঘটনার পর গত ১৬ অক্টোবর ১৮ বছর বয়সী এক চেচেন কিশোর স্যামুয়েলকে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেন। স্যামুয়েল হত্যাকাণ্ডের পর ফরাসী প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর কার্টুন প্রদর্শনী অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। এ নিয়ে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফ্রান্সের সম্পর্কের টানাপড়েন তৈরি হয়েছে।

সূত্র : পার্সটুডে

আলোকিত প্রতিদন/২ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

আসমানি কিতাব তাওরাত এর আলোকে আস্তিক্যবাদ : পর্ব-৮/ সৈয়দ রনো

পর্ব : ৮

সৈয়দ রনো

তাওরাত (তোরাহ) হচ্ছে হিব্রু ভাষায় রচিত ইহুদীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। হিব্রু ভাষায় এর নাম তোরাহ্‌ । তোরাহ্‌ শব্দের অর্থ “আইন”, “নিয়ম”, বা “শিক্ষণীয় উপদেশ”। তাওরাত ৫ টি পুস্তকের সমন্বয়ে গঠিত। তাই তাওরাতকে অনেকে মুসা নবীর “পঞ্চ পুস্তক” বলে থাকেন। ইসলাম ধর্মের বিশ্বাসীরা মনে করেন তাওরাত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পূর্ববর্তী নবী মুসা (আঃ) উপর অবতীর্ণ একটি আসমানি কিতাব। ইসলাম ধর্মের আলোকে কোরআন নাযিল হওয়ার মধ্যে দিয়ে এ কিতাবকে রদ রহিত করা হয়েছে। তাওরাত ইহুদীদের ধর্মীয় রীতি-নীতির মূল ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তাওরাত একটি হিব্রু শব্দ, যার অর্থ “শিক্ষা”। তাওরাত মূলত তাদের ধর্মগ্রন্থ তানাখের প্রথম অংশকে বোঝালেও, সার্বিকভাবে তোরাহ বলতে ইহুদিদের লিখিত ও মৌখিক শিক্ষা, যেমন – মিশনাহ, তালমুদ, মিদ্রাশ, ইত্যাদি ধর্মীয় অনুশাসনমূলক গ্রন্থকে একসাথে ইঙ্গিত করে। ইহুদীরা মনে করেন তাওরাত(তোরাহ) হলো মুসা নবীর নিকট ঈশ্বরের সরাসরি প্রদত্ত বাণী। এ রূপ নিদর্শন হচ্ছে আস্তিক্যবাদের মুল বক্তব্য।

পন্ডিত জনেরা অন্যভাবে বিশ্লেষণ করে বলেছেন- হিব্রু শব্দ “তোরাহ” মূল শব্দ (ইউরহা) থেকে এসেছে, যার অর্থ দাড়ায় “নির্দেশনা/শিক্ষার জন্য”। এছাড়াও বিভিন্ন অনুবাদে তোরাহ শব্দের অর্থ হচ্ছে শিক্ষা, উপদেশমালা, নির্দেশাবলী, সর্বজন গ্রাহ্য নিয়মনীতি, ব্যাবস্থাপনা ইত্যাদি। রাব্বাইয়ানিক ইহুদীবাদের লিখিত নিয়মনীতি ও মৌখিক নিয়মনীতি বোঝানোর জন্য “তোরাহ” শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ইহুদী ধর্ম পালন এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রচার ও প্রসার ঘটাতে “তোরাহ” মূলগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

বিকল্প নামসমূহ সম্পাদনা-

খ্রিস্টান পন্ডিতরা “তোরাহ” কে হিব্রু বাইবেলের প্রথম পাচ গ্রন্থ পুরাতন বাইবেল হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। ইসলাম ধর্মেও “তোরাহ”র অস্তিত্বকে স্বীকার করা হয় মূসা (আঃ) এর উপর অবতীর্ণ আসমানী কিতাব “তাওরাত” হিসেবে।তাওরাত এ এক ঈশ্বরের বিশ্বাস বর্ণিত হয়েছে বলে, দর্শন তত্ত্বের আলোকে আস্তিকবাদী গ্রন্থ বলে পন্ডিত জনেরা মনে করেন।

মহান সৃষ্টিকর্তা প্রভুর দ্বারা এই মহাবিশ্বের সৃষ্টির বিবরণ দিয়ে তোরাহ শুরু হযেছে। সৃষ্টিকর্তা আছেন এ ধারণাই হচ্ছে আস্তিক্যবাদ। আদম (আঃ) থেকে নূহ নবী পর্যন্ত বংশ-তালিকা ও মহা প্লাবনের ঘটনাক্রম বর্ণীত হয়েছে এ আসমানী কিতাবে। আরো যুক্ত করা হয়েছে ইব্রাহিম বা আব্রাহাম নবীর বংশের বিবরণ এবং ইসরাইল জাতির সুচনালগ্ন। প্রাচীন মিশর দেশে পুনর্বাসনের কাহিনী এবং সিনাই উপত্যকায় তোরাহ নাযিলের কাহিনী। মিশর দেশ থেকে মুক্ত হয়ে কানান দেশে ইসরাইল জাতির ফিরে আসা এবং মুসা নবীর মৃত্যুর ঘটনার বিবরণ দিয়ে তোরাহ গ্রন্থটির উপসংহার টানা হয়। হিব্রু ভাষায় তোরাহ’র পাঁচটি বইয়ের নিজস্ব নাম দিয়ে শুরু হয়েছে- ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত প্রত্যেকটি নাম প্রাচীন গ্রিসের ভাষা থেকে এসেছে বলে অনেক গবেষক মনে করেন। তাওরাত-এর মধ্যে হিব্রু বাইবেলের প্রথম পাঁচটি বই পড়ে। এই পঞ্চ পুস্তকের নাম নিম্নরূপঃ যথা –

১। বেরেসিট,অর্থ (“সব কিছুর শুরুতে”)- আদি পুস্তক।

২। শিমট (অর্থ “নামসমূহ”)- যাত্রাপুস্তক।

৩। ভাইকরা অর্থ “তিনি ডেকেছেন”)- লেবীয় পুস্তক।

৪। বেমিদবার (অর্থ “মরুভুমির মাঝে”)- গণনাপুস্তক।

৫। ডেভারিম (অর্থ “বাণী বা আদেশনামা)-

বিবরণঃ

১।আদি পুস্তক :

মৌলিক সৃষ্টির ইতিহাস বর্ণনা করার মধ্য দিয়ে আদিগ্রন্থের শুরু হয়। প্রথম মানব আদম থেকে শুরু করে নুহ নবী পর্যন্ত বংশতালিকা ও ঘটনার বিবরণ এখানে উল্লেখ করা হয় (অধ্যায় ১-১১)। এছাড়াও এক-ইশ্বরবাদের তিন পিতৃপ্রজন্ম যথাক্রমে ইব্রাহিম, ইসহাক এবং ইয়াকুব (ইসরাইল), এবং চার মাতৃপ্রজন্ম যথাক্রমে ঃ সারাহ, রেবেকা এবং লেহ ও রাখেল এর সময়কার ঘটনাবলি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে । এখানে সৃষ্টিকর্তা প্রভু এই প্রজন্মকে কানান দেশের অধিকারী করার জন্য প্রতিজ্ঞা করেন। জেনেসিসের শেষের দিকে ইয়াকুব পুত্র ইউসুফ মিশর দেশে বসবাস করতে থাকেন এবং মিশরীয় জাতিকে মহা দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা করেন। তিনি সেখানকার রাজ সভায় গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্ব পালন ও করেন। (অধ্যায় ১২-৫০)।

২। যাত্রাপুস্তক :

মুসা নবী কর্তৃক ইসরাইলী জাতিকে মিশর দেশের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে সিনাই উপত্যকা পর্যন্ত নিয়ে আসার ঘটনা দিয়ে যাত্রাগ্রন্থের শুরু হয়। (অধ্যায় ১-১৮)। কিভাবে ইসরাইলের লোকেরা ইশ্বরের আদেশ মেনে নেয়। নিজেদেরকে শত্রু থেকে রক্ষা করে। মুসা নবী সরাসরি প্রভুর কাছ থেকে তোরাহ লাভ করেন ( আস্তিক্যবাদের নিদর্শন হিসেবে) এবং নিজ জাতিকে এর নিয়মনীতি শিক্ষা দেন এ বিষয়ে বিষদ বর্ণনা করা হয় (অধ্যায় ১৯-২৪)। এছাড়াও ইসরাইলের জাতি স্বর্ণ দিয়ে গোবাছুর তৈরি করে সর্বপ্রথম তোরাহ-র নিয়ম ভঙ্গ করে এ বিষয়ে এখানে উল্লেখ আছে (অধ্যায় ৩২-৩৪)। ইহুদী ধর্মের জন্য কিভাবে পবিত্র উপাসনার স্থান নির্মাণ করতে হবে এ বিষয়ে ভালোভাবে বর্ণনা করার মধ্য দিয়ে এক্সোডাস বা যাত্রাগ্রন্থ শেষ হয় (অধ্যায় ২৫-৩১;৩৫-৪০)

৩।লেবীয় পুস্তক :

ইসরাইলের জাতি কিভাবে পবিত্র উপাসনার স্থান ব্যবহার করবে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার মধ্য দিয়ে লেবীয়-গ্রন্থ শুরু হয় (অধ্যায় ১-১০)। পবিত্র-অপবিত্র বস্তু সম্পর্কে ধারণা প্রদান (অধ্যায় ১১-১৫), যার মধ্যে আছে কিভাবে পশু উতসর্গ করতে হবে। প্রায়শ্চিত্ত করার নিয়মাবলি (অধ্যায় ১৬), এবং বিভিন্ন মানবিক নৈতিকতা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করার নিয়মনীতি বর্ণনা করা হয় (অধ্যায় ১৭-২৬)।

৪। গণনাপুস্তক :

ইসরাইলের জাতি সিনাই উপত্যকায় নিজেদেরকে জাতি হিসেবে দৃঢ় ও সংঘবধ্য করার কাহিনী (অধ্যায় ১-৯)। সিনাই উপত্যকা থেকে কেনান দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার কাহিনী গণনাগ্রন্থে উল্লেখ করা হয় (অধ্যায় ১০-১৩)। মিশর দেশ থেকে মুক্ত হয়ে প্রায় ৪০ বছর মরু প্রান্তরে ঘুরে বেড়ানোর জন্য ইসরাইল জাতির নিজেদের মধ্যে নানারকম অবিশ্বাস জন্ম নেয়। কারণ তারা তখন পর্যন্ত কেনান দেশে প্রবেশ করতে পারেনি। মুসা নবীর জীবদ্দশায় তারা কানান দেশ লাভ করতে পারেন না। পরবর্তীকালে তারা কেনান দেশে প্রবেশ করার সুযোগ লাভ করে (অধ্যায় ১৪-৩৫)।

৫। দ্বিতীয় বিবরণ :

দ্বিতীয় বিবরণ গ্রন্থ হচ্ছে মুসা নবী কর্তৃক বর্ণীত নির্দেশনা সমূহ। এখানে বলা হয়-ইসরাইলের জাতি যেন কখনো মূর্তি পূজা না করেন। কানান দেশের রাস্তা যেন অনুসরণ না করে এবং ইশ্বরের নাম যেন উতখাত না করে। অর্থাৎ আস্তিক্যবাদের মুল দর্শন হলো এক ঈশ্বরে বিশ্বাস স্হাপন করা। মুসা নবী ইসরাইলের জাতিকে সৎ পথে পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন আদেশ ও নিয়মনীতি প্রণয়ন করে (অধায় ১-২৮)। ড্যুটারনমি বা নির্দেশনা-গ্রন্থ এর শেষভাগে মুসা নবী পর্বত থেকে প্রতিশ্রুত ভুমি দেখতে পান ও ইন্তেকাল করেন । জীবনের শেষ ভাগে এসে মুসা নবী জশুয়া কে ইসরাইলের নেতৃত্ব প্রদান করেন, যাতে তারা কানান দেশের অধিকারী হতে পারে (অধায় ২৯-৩৪)।

ইসলামের ইতিহাস এখানে বিবর্তন ঘটে, সঠিক সত্য উদঘাটিতি হয়নি । প্রকৃত সত্য হলো আসমানি কিতাব তাওরাত বর্তমানে প্রচলিত বাইবেলের পুরনো নিয়মের প্রথম পাঁচ পুস্তক (আদিপুস্তক, যাত্রাপুস্তক, গণনাপুস্তক, লেবীয় পুস্তক ও দ্বিতীয় বিবরণ অথবা অন্য শব্দে পয়দায়েশ, হিজরত, লেবীয়, শুমারী ও দ্বিতীয় বিবরণ) নয়; বরং তাওরাত হচ্ছে সেই কিতাব, যা ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে দান করেছিলেন।

বসবাস শুরু :

বর্তমানে বেশিরভাগ ইহুদিরা ইসরাইল রাষ্ট্রে( অবৈধ ভাবে দখলকৃত) বসবাস করছে। জাতিসংঘের বেশিরভাগ রাষ্ট্র এই দেশকে দখলদার রাষ্ট্র হিসেবে জানে। মুসলিম দেশ হিশাবে মিশর প্রথম এই রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। তবে বেশিরভাগ মুসলিম দেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় নাই। ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের দেশ দখল করে আজ তাদেরই উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে।

বাহাই লিপির আলোকে আস্তিক্যবাদ :

বাহাই লিপি একজন একেশ্বরবাদী, অগম্য, সর্বজ্ঞ, সর্বব্যাপী, অক্ষয়, এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বর্ণনা দেয় যিনি মহাবিশ্বের সকল কিছুর স্রষ্টা। ঈশ্বর এবং মহাবিশ্বের অস্তিত্বকে শাশ্বত বলে মনে করা হয়, যার কোন শুরু বা শেষ নেই। এর তাত্বিক বিশ্লেষণই হচ্ছে আস্তিক্যবাদ।

সৃষ্টি প্রার্থনা, প্রতিফলন, এবং মানবজাতির সেবায় নিয়োজিত হয়ে, তাঁর স্রষ্টা সম্পর্কে জানার এবং তাকে ভালোবাসার ক্ষমতা অর্জন করবে। ঈশ্বর মানবজাতির প্রতি তার ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য প্রকাশ করেন। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে, যারা ঈশ্বরের প্রকাশ হিসেবে পরিচিত, প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে ধর্মের বর্তমান কাল পর্যন্ত ধর্ম প্রতিষ্ঠিত করা নবী ও রাসূলগণ।

নবীগণের চরিত্রে ঐশ্বরিক বৈশিষ্ট্যাবলীর প্রতিফলন হয়। যাদেরকে স্রষ্টা সৃষ্টি করেছেন মানবকূলের উদ্দেশ্যে আধ্যাত্মিক জ্ঞানদানের জন্য।বাহাই মতে, সমস্ত জীবিত স্বত্তা এই বৈশিষ্ট্যাবলীর অন্তত একটি এবং মানুষের আত্মা সম্ভাব্য তাদের সবকয়টি প্রতিফলিত করতে পারে।বাহাই মতবাদ সর্বেশ্বরবাদ, নরত্বারোপ, এবং পুনর্বিভাব বিশ্বাস অস্বীকার করে। কাজে কাজেই বাহাই লিপি হলো আস্তিক্যবাদের ধারক বাহক।

আলোকিত প্রতিদিন/২ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

নোয়াখালীর চৌমুহনীতে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফখর উদ্দিন, নোয়াখালী: নোয়াখালীর বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনীর হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১ নবেম্বর) সন্ধ্যা পৌঁনে ৭টার দিকে চৌমুহনীর করিমপুর রোডের সমবায় মার্কেটের ঢাকা (আবাসিক) হোটেল থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে সুইসাইড নোটে লিখে যায়, শহীদ নামে এক ব্যক্তির কাছে সে টাকা পাওনা ছিল। আবাসিক হোটেল ম্যানেজার সুমন জানান, আল আমিন (৩৭) নামের এ ব্যক্তি ৩০ অক্টোবর ঢাকা হোটেল (আবাসিক)এর ৫ম তলায় ৫৩৫ নং কক্ষ ভাড়া নেয়। প্রতিদিনের মত ম্যানেজার সুমন সন্ধ্যা পৌঁনে ৭টার দিকে ভাড়ার জন্য ঐ ব্যক্তির কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখে সে হোটেলের ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রয়েছে।তাৎক্ষণিক সে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তার সাথে পাওয়া আইডি অনুযায়ী তার গ্রামের বাড়ী নরসিংদী জেলার নরসিংদী পৌরসভার পলাশ গ্রামের কো-অপরেটিভ জুট মিলস এলাকায়। নিহত মো. আলামিন (৩৮) নরসিংদী পৌরসভার কো-অপারেটিভ জুট মিলস এলাকার হাজারী পদ মন্ডলের ছেলে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান শিকদার পিপিএম বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল হতে লাশ উদ্ধার করেছি। মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

আলোকিত প্রতিদিন/২ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

ফুলবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব দিবস’২০ অনুষ্ঠিত

মোস্তাফিজার রহমান, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম): মুজিববর্ষের আহ্বান, যুব কর্মসংস্থান এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব দিবস ২০২০ পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে রবিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে আলোচনা সভা, যুব ঋণের চেক বিতরণ ও সনদ পত্র বিতরণ এবং অপ্রতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনু্ষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সরকার। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও বিআর ডিবি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান, সারওয়ার পারভেজ(ওসি তদন্ত), উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতি বেগম,ফুলবাড়ী প্রেস ক্লাব সভাপতি এমদাদুল হক মিলন প্রমুখ। সভাটি সঞ্চালনা করেন সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান। আলোচনা সভা শেষে যুব ঋণের চেক ও প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ এবং অপ্রতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

কক্সবাজারে শতভাগ রাজস্ব আদায় নিশ্চিতকরণে ব্যবসায়ীদের মাঝে ইএফডি মেশিন বিতরণ 

আবু সায়েম, কক্সবাজার: শতভাগ রাজস্ব আদায় নিশ্চিতকরণে স্বচ্ছ ভ্যাট প্রদানের প্রত্যয়ে কক্সবাজারে হোটেল ব্যবসায়ী এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের মাঝে এনবিআর কর্তৃক ইএফডি (EFD) মেশিন বিতরণ ও স্থাপন করা হয়েছে। এনবিআর কর্তৃক সরকারী রাজস্ব বিভাগে স্বচ্ছতা ফেরাতে  নিজস্ব অর্থায়নে সারা বাংলাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও ইএফডি ( EFD)মেশিন বিতরণ ও স্থাপন করা হচ্ছে। কক্সবাজার রাজস্ব বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা (সুপার)রনজিত কুমার নাথ জানান, সারা বাংলাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও এনবিআর কর্তৃক মনোনীত ১৩ টি ইএফডি মেশিন বিতরণ ও স্থাপন করা হয়েছে। এনবিআর যে সকল প্রতিষ্ঠানে ইএফডি মেশিন স্থাপন করতে বলবেন সেখানে আমরা বাস্তবায়নে  কাজ করবো। তিনি আরো জানান, আমরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। ইএফডি মেশিন স্থাপনে রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা আসবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাঠ পর্যায়ের এক রাজস্ব  কর্মকর্তা জানান, এনবিআর কর্তৃক  নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপনকৃত যে সকল মেশিন বিতরণ করা হচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও   কুচক্রী মহল এ কাজে বাঁধা সৃষ্টি করছে। এ মেশিন স্থাপন না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি রাজস্ব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এনবিআর এ বেনামি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কক্সবাজার সার্কেল অফিস থেকে বদলী করার ও রীতিমতো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। কাস্টমস, এক্সাইজ  ভ্যাট কক্সবাজার সার্কেলের বিভাগীয় কর্মকর্তা সুশান্ত পাল জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর কর্তৃক ইএফডি মেশিন বিতরণ ও স্থাপন করা হচ্ছে। সারা বাংলাদেশের ন্যায় কক্সবাজারে ও এ মেশিন বিতরণ ও স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ মেশিন স্থাপনের ফলে ভ্যাট কারচুপি হ্রাস পাবে। ভ্যাট আদায়ে স্বচ্ছতা ফিরে আসবে। শতভাগ ভ্যাট আদায় নিশ্চিত হবে। তিনি আরো জানান, যে সকল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ইএফডি(EFD) মেশিন স্থাপন করা হয়েছে সে সকল প্রতিষ্ঠানে ভ্যাট আগের চেয়ে বৃদ্ধি পাবে, এতে কারচুপি করার কোন সুযোগ নেই। এনবিআর কর্তৃক মনোনীত যে সকল প্রতিষ্ঠানে ইএফডি (EFD) মেশিন বিতরণ ও স্থাপন করা হবে কক্সবাজার  সার্কেলের রাজস্ব কর্মকর্তারা তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

আলোকিত প্রতিদিন/২ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

দেশে অপরাধীদের বিএনপি উস্কে দিয়ে গেইম খেলছে- ভূমি মন্ত্রী

আলী হোসেন, সাভার: দেশে অপরাধীদের বিএনপি উস্কে দিয়ে গেইম খেলছে বলে অভিযোগ করেছেন ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে সাভারের সিএনবি এলাকায় অফিসার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ওটিআইএ) বিসিএস ক্যাডারভুক্ত (প্রশাসন, পুলিশ, বন ও রেলওয়ে) এবং বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কর্মকর্তাদের ১২ তম সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। এসময় ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ আরও বলেন, দেশে নারী নির্যাতন বেড়ে গেছে এটা একটা দুঃখ জনক বিএনপি অপরাধীদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে সহযোগীতা না করে তাদেরকে উস্কে দিচ্ছে তারা অপরাধীদের নিয়ে গেইম খেলছেন। বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ তার পরেও বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার কোন অপরাধীকে ছাড় দেয় না সবাইকে আইনের আওতায় আসতে হবে অন্যায় করে কেউ পার পাবে না উলে­খ করে তিনি আরও বলেন, দেশে কেউ সরকারী জমি দখল করতে পারবে না কেউ দখল করলে বা দখল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বর্তমানে ভ‚মি ব্যবস্থাপনায় কোন দুর্নীতি নেই বর্তমানে দেশে আটটি জেলায় নয়টি উপজেলায় অনলাইনে মানুষ খাজনা দিচ্ছে স্বাচ্ছন্দ মত আগামী ২০২১ সালের জুলাই থেকে সারা দেশে অনলাইনে খাজনা নেওয়া প‚নরায় শুরু হবে। ক্ষমতা যার কাছেই থাকুক মানুষ যেন ঠিকমত সেবা পায় বলেও বলেন তিনি। ৪২ দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষণে বিসিএস এর চারটি ক্যাটাগরির ৪৭ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক এ টি এম নাসির মিয়া, ভ‚মি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক তসলীমুল ইসলাম, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম আরা নীপাসহ আরো অনেকে।

আলোকিত প্রতিদিন/১ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

টাঙ্গাইল মির্জাপুরের পাইকপাড়া গ্রামে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টায় ৫ নারী ও ২ শিশু আহত : গ্রেফতার ২

বিশেষ প্রতিনিধি : দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন ২৯ অক্টোবর ২০২০ তারিখের প্রকাশিত পত্রিকায় পাইক পাড়া গ্রামে ২৮ তারিখে ঘটে যাওয়া এই আলোচিত ঘটনা নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত হয়ে স্হানিয় পুলিশ প্রশাসন খানিকটা নড়েচড়ে বসেন। ভিকটিমদের পক্ষে মো: রিপন মিয়া বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায়- ১৯/২০২০, তারিখ ২৯/১০/২০২০ নং মামলা দায়ের করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেক্স, জামুর্কি, মির্জাপুরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি থাকা চার বোন, বড় বোনের দুই শিশু ও মা এদের বর্ননা ও মামলায় অভিযোগের বিষয়ে স্বরোজমিনে ঘুরে এ চাঞ্চল্যকর তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

মামলার বাদী পক্ষের সাথে আসামি পক্ষের দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে ইতোপূর্বে একাধিক মামলা কোর্টে চলমান রয়েছে বলে জানা যায় । হাসপাতালে ভর্তি থাকা পিয়ারা বেগম (৫২) জানান – আসামিগন জোর পূর্বক আমার মৃত স্বামীর বসত বাড়ী ও সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার গ্রামিন শালিশী বৈঠক ডেকেছি, তারা গ্রামের গন্যমান্যদের রায় মানেন না। এর আগেও অনেকবার আমাদের মারপিট করেছে। আমাদের বাড়ীর কিয়দংশ এখনো তারা দখলে রেখেছে। তাদের লাঠির জোর আছে আর আমারতো এক ছেলে তাও নিরীহ। ন্যায় বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পরেন তিনি।

১ নং আসামি কিরন ও ২ নং আসামি অপুকে গ্রেফতার করে পুলিশ কোর্টে প্রেরণ করেছেন। মামলার আইও এস.আই মো: সজল হকের  নিকট মামলার  বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে আলোকিত প্রতিদিনকে অবগত করেন।

বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন সহকারী পুলিশ সুপার বাবু দিপংকর ঘোষ। আসামি পক্ষের   সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। মামলার বাদী মো: রিপন মিয়ার নিকট মামলার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন- ১ ও ২ আসামি রোড ডাকাত দলের নেতা। ছিনতাইকৃত মটর সাইকেল সহ হাতে নাতে ধরা পরে অনেক দিন জেলে ছিলো। মির্জাপুর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও ছিনতাই, ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। ডাকাতি মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে এসে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আমাদের পরিবারের সম্পত্তি আত্মসাতের লক্ষ্যে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য কতক আসমী হুমকি দিচ্ছে।  আমরা অসহায়, তাই আমরা ন্যায় বিচার চাই।

আলোকিত প্রতিদিন/১ নভেম্বর ২০২০/জেডএন

সাভারে এক প্রবাসীর ৫ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই

সাভার প্রতিনিধি : সাভারে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর বাড়ি ফেরার পথে প্রবাসী আমানুল্লাহকে গুলি করে ৫ লক্ষাধিক বেশি টাকা ছিনতাই করেছে ছিনতাইকারীরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে আমিনবাজার এলাকার তুরাগ ব্রিজের (লোহার ব্রীজ) কাছে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

গুলিবিদ্ধ প্রবাসী মোহাম্মদ আমানুল্লাহ (৪০) ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার সিরাজনগর বটতলী এলাকার সিদ্দিক আলীর ছেলে। ভুক্তভোগীর স্ত্রী সুমা আক্তার বলেন, আমিনবাজার শাখার ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা বাড়ি নির্মানের জন্য আমরা উত্তোলন করি। পরে ট্যাক্সিযোগে বাড়ি ফেরার সময় ভাকুর্তা ব্রিজ (লোহার ব্রিজ) পরে ৫ টি মোটরসাইকেলে ১০ জন গতিরোধ করে। পরে ৫ টি গুলি ছুড়ে টাকা গুলো ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ৫ টি গুলির একটি আমার স্বামীর বা পায়ে লাগে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমার স্বামীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। ছিনতাইকারীরা ব্যাংকের মধ্যে বসে ছিল এবং আমাদের নজরদারিতে রেখে পিছু নিয়েছে।

এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ অক্টোবর ২০২০/জেডএন