আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2495

ফুলবাড়ীর এক জয়িতার গল্প: জীবন যুদ্ধে সফল দুলালী

পি,সি দাস, দিনাজপুর: জন্মদাতা পিতার ঘরে বেশ আদর-স্নেহে বড় হন দুলালী আরা। সংসারে অভাব ছিলনা তাই পিতার ঘরে সুখেই ছিলেন দুলালী। অন্যান্য সন্তানদের চেয়ে তাকে একটু বেশি আদর করতেন বলেই সেজন্য হয়তো বাবা-মা আদর করে নামটিও রেখেছিলেন দুলালী। বিয়ের পর দুলালীকে কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করতে হবে সেটা কি কেউ জানতো। জানলে হয়তো তার পিতা-মাতা ও সেখানে বিয়ে দিতেন না। খুব অল্প বয়সে ফুলবাড়ীর খয়েরবাড়ীর বালুপাড়ায় মোখলেসুর রহমান নামে এক বেকার ছেলের সাথে তার বিয়ে হয়। দুলালী বা তার পরিবার বিয়ের পূর্বে জানতো না! মোখলেছুর রহমান অসুস্থ। বিয়ের কয়েক মাসের মাথায় বোঝা গেল সে শারিরিক ভাবে ভিষণ অসুস্থ। সংসার চলবে কি করে এই চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে পড়েন দুলালী। এদিকে শত প্রতিকূলতার পরও সে পড়ালেখা চালিয়ে যায়। যার ফলস্বরূপ সে বিয়ের পর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। একটা মানুষের মনোবল কতটা শক্ত ও দৃড় হলে সেটা সম্ভব!  মানুষের জীবনের চলার পথে আসে নানা ধরনের বাধা। তাই বলে কি জীবন থেমে থাকে?বা থেমে থাকতে পারে? কিছু সংখ্যক মানুষ আছেন যারা সব বাধার মুখোমুখি হয়ে এগিয়ে যান সামনের দিকে। অর্জন করেন একাধিক সফলতা। সমাজে হয়ে ওঠেন একজন সংগ্রামী জয়ীতা। নিজের অদম্য মনোবল কে সম্বল করে চরম প্রতিকূলতাকে জয় করে জয়িতারা তৃণমূল থেকে সবার অলক্ষ্যে সমাজে নিজের জন্য স্থান তৈরি করে নেন। দুলালীরা থেমে  থাকবার পাত্র নন। সংসারের করুন পরিস্থিতিতে সে ব্রাক ও সিঙ্গার কোম্পানির যৌথ প্রযোজনায় একটি প্রজেক্টে দুইবছর প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সেখান থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে পরিবার চালিয়েছেন। পাশাপাশি স্বামীর ভিটেয় তিন রুমের একটি পাকা বাড়িও নির্মাণ করেছেন। নিজের বড় ছেলেকে রংপুরের মত একটি বড় জায়গায় প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলেম বানানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ছোট ছেলেকে ফুলবাড়ীর প্রথম সারির একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছেন। ছেলে দুটিকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন তিনি।  যেন তারা বড় হয়ে দেশ ও দশের উপকারে আসতে পারে। এছাড়াও গ্রামে নিজের জায়গায় একটি পাকা ঘর করে সেখানে একটি মুদি দোকান খুলে বসেছেন। চাকুরী হবার পর সেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এখন দুলালী তার ছোট ভাইকে বসিয়েছেন। ইতোমধ্যে দুলালী অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে অবশেষে খয়েরবাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় অফিস সহকারি হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেছেন। ব্রাক ও সিঙ্গারের যৌথ প্রযোজনায় ২ বছর মেয়াদী প্রজেক্টটি বন্ধ হবার পর নিজ বাড়িতে পাঁচটি সেলাই মেশিন নিয়ে গত দুই বছরে পাঁচশত গ্রামীণ অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী হতে সেলাই প্রশিক্ষণ ও বুটিকের কাজ শিখিয়েছেন। এরপর তাদের সনদেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সংগ্রামী নারী দুলালী। তাদের বেশিরভাগই নারী এখন নিজেরাই জীবিকা নির্বাহ করছেন। সংগ্রামী নারী দুলালীর কিবা এমন বয়স হয়েছে। ৩২ বছর বয়সে বিধবা হলেও বিয়ের বিষয়টি তার মাথায় নেই। তার স্বপ্ন! সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের প্রশিক্ষিত করে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করা ও সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করা। সম্প্রতি বেসরকারি সংস্থা গ্রাম বিকাশের “আলো প্রকল্প”থেকে প্রশিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে তাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এজন্য সে ওই সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।  প্রশিক্ষিতদের মধ্যে সায়মা আক্তার নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী নারীও ছিল। সেও এখন এখান থেকে কাজ শিখে উপার্জন করে পরিবারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখছে। প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর দাবির মুখে দুলালী ইতিমধ্যে পবিত্র কোরআন শিক্ষা কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। এলাকায় যেসব মা-বোনেরা পবিত্র কোরআন শরীফ পড়তে জানেন না, তাদেরকে নিয়মিত নিজ বাড়িতে পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষা দান করছেন।  উল্লেখ্য, এলাকার বেলি বেগম নামের এক বৃদ্ধা শ্রবণ প্রতিবন্ধী।তার ভিশন শখ,সে পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষা গ্রহণ করে পৃথিবী থেকে বিদায় নিবে। দুলালী চিন্তায় পড়ে যায়। সে ভাবে, এই বৃদ্ধাকে পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষা গ্রহণ করতে হলে তার কানের মেশিনের প্রয়োজন। আশ্চর্য হলেও সত্য!দুলালী থেমে থাকেনি। সে ওই বৃদ্ধাকে জেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করে সরকারি ভাবে তাকে একটি কানের মেশিন পাইয়ে দিয়েছেন। এখন ওই বৃদ্ধা মা মেশিনের সাহায্যে দুলালীর কাছে পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষা গ্রহণ করছেন। অবশ্য এই ঘটনাটি ইতিপূর্বে অনেক গণমাধ্যমে এসেছে। আমাদের পিছিয়ে পড়া সমাজ টাকে এগিয়ে নিতে দুলালীদের মত সংগ্রামী নারীদের উৎসাহ দিয়ে পাশে থাকতে হবে। তবেই দুলালীদের মত  জয়িতাদের সংখ্যা দিন-দিন বৃদ্ধি পাবে। তখন হয়তো আমাদের এই পিছিয়ে পড়া সমাজটাও দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।জয়তু দুলালী।

আলোকিত প্রতিদিন/২১ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

আলী হোসেন, সাভার: সাভারের অজ্ঞাত পরিবহনের চাপায় সোহেল রানা (৩৮) নামের মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে হেমায়েতপুরের সুগন্ধা হাউজিং সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে সাভার হাইওয়ে পুলিশ। নিহত সোহেল রানা গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বাদশাহী মোটরসাইকেলযোগে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন সোহেল রানা। সাভারের আলমনগর হাউসিং এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত পরিবহনের চাপায় তিনি মারা যান। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয় পুলিশ। সাভার হাইওয়ে থানার পরিদর্শক জানান নিহতের মরদেহ হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২১ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

পটুয়াখালীর দশমিনায় বস্তাবন্দি পিতার গলাকাটা লাশ উদ্ধার: ছেলে পলাতক

প্রতিনিধি, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় নাসরুল হাওলাদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির গলাকাটা বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে দশমিনা থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) সকালে নিজ বসতঘরের রান্নাঘর থেকে গলাকাটা  লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। থানা পুলিশ ও পরিবারসুত্রে জানাযায়, দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে পিতার সাথে পুত্রের জমি বিক্রি নিয়ে কয়েক দিন যাবৎ বিবাদ চলে চলছিল। বুধবার রাতের কোন এক মুহূর্তে এঘটনাটি ঘটতে পারে থানা পুলিশ খবর পেয়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওই লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এদিকে নিহতের ছেলে ইমরান পলাতক রয়েছে বলে জানাগেছে। এবিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) গলাচিপা মোঃ ফারুক হোসেন ও সহকারী পুলিশ সুপার পটুয়াখালী সদর শেখ বেল্লাল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এবিষয়ে দশমিনা থানার ওসি জসীম উদ্দীন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমি বিক্রি নিয়ে ছেলের সাথে বিবাদ ছিল। তবে এ কারণেই যে খুন হয়েছে সেটি নিশ্চিত নয় । এদিকে ছেলে ইমরান পলাতক রয়েছেন আর নিহতের স্ত্রী রিনা বেগমকে জিঞ্জাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানাযায়। এ নিউজ লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: ২ একর বনভূমি উদ্ধার     

আবু সায়েম, কক্সবাজার: কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বাঘখালী রে‌ঞ্জের অভিযানে বাঘখা‌লি বি‌টের আদর্শগ্রাম এলাকায় দক্ষিণ কচ্ছপিয়া মৌজায় ৩০ হেক্টর আগর বাগানে ১টি মাটির তৈরী ঘর এবং ২০১৫-২০১৬ সালের ১০ হেক্টর ২য় আবর্ত বাগানে অবৈধভা‌বে গ‌ড়ে উঠা ১টি মাটির তৈরী ঘর ও ১টি বাঁশের ঘরসহ স্থাপনা ভেঙ্গে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে করে সরকারী সম্পদ ভূমিদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ২ একর জমি। তবে ভূমিদস্যুদের কাউকে আটক করতে পারেনি। বুধবার (১৮ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাঘখালী বিটের অধীনে থাকা এলাকায় অবৈধ ভাবে নির্মিত এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।বিষয়টি অবগত করেছেন বাঘখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ সরওয়ার জাহান। তিনি বলেন ভূমিদস্যুদের জায়গা হবেনা। যারা বন বিভাগের জমি দখলে জবরদখল করছে তাদের আমরা কঠোর হাতে প্রতিরোধ করবো। বনবিভাগের জমিতে স্থাপনা নির্মানের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ৩টি ঘর উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে বাঘখালী ও রে‌ঞ্জের স্টাফগণ অংশগ্রহণ ক‌রে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ সরওয়ার জাহান। কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক সোহেল রানা বলেন, সরকারি বনভূমি উদ্ধারে বনবিভাগ সচেষ্ট রয়েছে। সরকারি জমিতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলে উচ্ছেদ করা হবে এবং জবরদখল কারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বনভূমি রক্ষার্থে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবো। অভিযান চালিয়ে ভূমি জবরদখল এবং পাহাড়খেকোদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

সাভারে বেঁদে সম্প্রদায়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার 

আলী হোসেন, সাভার: সাভারের আড়াপাড়া থেকে বেঁদে সম্প্রদায়ের ময়ুরী (৩৬) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক সাফায়েত হোসেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) ভোরে সাভার পৌর এলাকার আড়াপাড়ার জমিদার বাড়ি মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ময়ুরী সাভারের বেঁদেপাড়া এলাকার তাহের মিয়ার মেয়ে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সাভারের বাজার রোড এলাকায় ভাড়া থাকতেন। স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে ওই এলাকার জমিদার বাড়ি মন্দিরে নাচ-গান করার জন্য আসেন ময়ুরী। রাত ১০টা পর্যন্ত তিনি নাচ-গান করে বাসার উদ্দেশ্যে চলে যান। পরে ভোরে  মন্দির সংলগ্ন এলাকার একটি গলিতে নিহতের মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক সাফায়েত বলেন, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। পুলিশ আরও জানান  মুঠোফোন  বা কোন টাকা পয়সা পাওয়া যায়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

ফুলবাড়ীতে করোনা প্রতিরোধে প্রচারণামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত 

মোস্তাফিজার রহমান, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের ঝুঁকি কমাতে প্রচারণা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় ফুলবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রচারণামূলক কার্যক্রমে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সরকার, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা, তৌহিদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,ডাক্তার শামসুন্নাহার বেগম। আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ,উপজেলা প্রকৌশলী, আসিফ ইকবাল রাজিব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মিয়া, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক মিলন ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহাবুব সরকার লিটু।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ নভেম্বর’২০/এসএএইচ 

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের অভিযানে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার      

আবু সায়েম, কক্সবাজার: কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের রামুর জোয়ারিয়ানালা রে‌ঞ্জের অভিযানে ঝুমছড়ি নামক এলাকায় মাছ চাষের জন্য অবৈধভাবে প্রাকৃতিক ছড়ায় বাঁধ কেটে দেওয়া ঘের নির্মাণসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে করে প্রায় ৫ একর সরকারী জমি ভূমিদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ভূমিদস্যুদের কাউকে আটক করতে পারেনি। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জোয়ারিয়ানালার অধীনে থাকা ঝুমছড়ি এলাকায় অবৈধ ভাবে প্রাকৃতিক বাঁধ  কেটে মাছের ঘের তৈরী এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।বিষয়টি অবগত  করেছেন  রামুর জেয়ারিয়ানালা রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ হাওলাদার। তিনি বলেন ভূমিদস্যুদের জায়গা হবে না। যারা বন বিভাগের জমি দখলে জবরদখল  করছে তাদের আমরা কঠোর হাতে প্রতিরোধ করবো। বনবিভাগের জমিতে  স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে  অভিযান চালিয়ে অবৈধ মাছের ঘের নির্মাণ এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ  করা  হয়েছে। অভিযানে  রামুর জেয়ারিয়ানালা ও রে‌ঞ্জের স্টাফগণ  অংশগ্রহণ ক‌রে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ হাওলাদার। অভিযানে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ( ডিএফও) তহিদুল ইসলাম এবং সহকারী বন সংরক্ষক  সোহেল রানা উপস্থিত  ছিলেন । কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক সোহেল রানা বলেন, সরকারি বনভূমি উদ্ধারে বনবিভাগ সচেষ্ট রয়েছে। সরকারি জমিতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলে উচ্ছেদ করা হবে এবং জবরদখল কারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বনভূমি রক্ষার্থে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবো। অভিযান চালিয়ে ভূমি জবরদখল এবং পাহাড়খেকোদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ নভেম্বর’২০/এসএএইচ  

সাভার পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে ৮নং ওয়ার্ডে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আলী হোসেন, সাভার: আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে সাভার পৌর সভার ৮নং ওয়ার্ডের যুব সমাজের সাথে বর্তমান কাউন্সিল ও পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী সেলিম মিয়া তার নিজ বাস ভবনের পাশে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ১৪ই নভেম্বর এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে মত বিনিময় সভ সম্পূর্ণ হয়েছে। এসময় এলাকার প্রায় ২ সহস্রাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় হাজী সেলিম মিয়া বলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনা মেনে সাভার পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গনির নেতৃত্বে এবং আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে বিগত দিনে সাভার পৌর সভার প্রতিটি ওয়ার্ডের ন্যায় ৮নং ওয়ার্ডেও ব্যাপক উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। তিনি আরো বলেন আমি আপনাদের পাশে বিগত দিনে যেভাবে ছিলাম ঠিক সেভাবেই ভবিষ্যতে পাশে থাকবো। ৮নং ওয়ার্ড রাজাশন এলাকাকে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত এলাকা গড়তে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।আমার যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা বিবেচনা করে বিগত দিনের ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে ৮নং ওয়ার্ডকে মডেল ওয়ার্ড হিসেবে রুপান্তরতি করার প্রত্যয়ে আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতার কামনা করছি। এসময় জাতীয় জনক বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।দোয়া শেষ মর্ধাহ্ন ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ হয়। অনুষ্ঠানে সাভার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আতাউর রহমান অভির সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন খাঁন।আরো উপস্থিত ছিলেন, সাভার পৌর আওয়ামী লীগের আইন বিষক সম্পাদক মইনুল হক মইন, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সাভার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব খাঁন সজিব, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ মিয়া, পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল হোসেন জয়, ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ওয়ার্ড যুবলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শাহিন মোল্লা, ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক নুরুল ইসলাম নুরু ও হাজী সেলিম মিয়া,আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন,আনোয়ার হোসেন,উজ্জ্বল গমেজ, দিগন্ত কস্তাসহ এলাকার ৩ সহস্রাধিক যুবসমাজ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ নভেম্বর’২০/এসএএইচ  

সিলেট-মাস্কাট রুটে ইউএস বাংলার ফ্লাইট চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট-মাস্কাট রুটে ইউএস বাংলার ফ্লাইট চালু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) থেকে সিলেট-মাস্কাট রুটে প্রথমবারের মতো এ ফ্লাইট শুরু করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে বিএস-৩২৭ ফ্লাইটে সিলেট থেকে ৮০ জন যাত্রী নিয়ে মাস্কাটের উদ্দেশে যাত্রা করে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স জানায়, যাত্রা শুরু করার পূর্বে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমেদ ফিতা কেটে প্রথম সিলেট-মাস্কাট ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন। জানা গেছে, সিলেট-মাস্কাট রুটে প্রতি সপ্তাহে দু’টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। সপ্তাহে প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার রাত ৭টা ৩০ মিনিটে সিলেটের এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে উড্ডয়ন করবে এবং স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩০ মিনিটে মাস্কাটে অবতরণ করবে। প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার মাস্কাট থেকে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে উড্ডয়ন করে পরদিন সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে সিলেটে অবতরণ করবে। বর্তমানে ইউএস-বাংলা প্রতি সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে মাস্কাট ও বুধ ও রোববার চট্টগ্রাম থেকে মাস্কাট রুটে দু’টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউএস-বাংলা সোম ও বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাস্কাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং পরের দিন মঙ্গল ও শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১টায় মাস্কাটে অবতরণ করে। অপর দিকে মাস্কাট থেকে মঙ্গল ও শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে এবং সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। আবার বুধ ও রোববার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাস্কাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে মাস্কাটে অবতরণ করে। মাস্কাট থেকে বৃহস্পতি ও সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে এবং সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামে অবতরণ করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট আটাবের সিলেট জোনের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন, সেক্রেটারি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, হাব-এর সিলেট জোনের সেক্রেটারি জহিরুল কবির চৌধুরী শিরু, সিলেট এফবিসিসিআই-এর পরিচালক খন্দকার শিপার আহমেদ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ নভেম্বর’২০/এসএএইচ

সংসদে ধর্ষণে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে বিল পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ‘ধর্ষিতা’ শব্দটির পরিবর্তে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দবন্ধ বসিয়ে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে আনা বিল পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল- ২০০০’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করে বিলটি গত ৮ নভেম্বর সংসদে উত্থাপনের পর তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। গত সোমবার সেই প্রতিবেদন সংসদে উত্থাপন করেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। ‘ধর্ষিতা’ শব্দটি লিঙ্গ বৈষম্যের পরিচায়ক বলে বিভিন্ন সময় মত আসার প্রেক্ষাপটে বিলে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দবন্ধ দিয়ে শব্দটি প্রতিস্থাপনের সুপারিশ করে সংসদীয় কমিটি। মূল আইনের ৯ (২) ধারাসহ কয়েক জায়গায় ‘ধর্ষিতা’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দটি বসছে। দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন এবং ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবির মধ্যে সরকার আইনটি সংশোধনের পদক্ষেপ নেয়। সংসদ অধিবেশন না থাকায় সংশোধিত আইন কার্যকর করতে গত ১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০০০’ জারি করেন। পরে ৮ নভেম্বর নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাদেশটি সংসদে তোলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। একই দিন সেটি বিল আকারে সংসদে তোলা হয়। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপধারায় বলা ছিল, যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। বিলে মূল আইনের খসড়ায় ৯(১) উপধারায় ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। আইনের ৯(৪) (ক) উপধারায় ছিল, ‘যদি কোনো ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।’ এই উপধারা সংশোধন করে পাস হওয়া বিলে ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’- এর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলো যোগ করা হয়েছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ধর্ষণ ছাড়া সাধারণ জখমের ক্ষেত্রে অপরাধ আপসযোগ্য হবে। এছাড়া আগের আইনে ১৯৭৪ সালের শিশু আইনের রেফারেন্স ছিল। এখন সেখানে হবে ‘শিশু আইন- ২০১৩’।

২০০০ সালের আইনের ৩২ ধারায় বলা ছিল, ‘এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া মেডিকেল পরীক্ষা সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোনো বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে।’

বিলে অপরাধের শিকার ব্যক্তির পাশাপাশি ‘অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির’ মেডিকেল পরীক্ষা করার বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ৩২ ধারার সঙ্গে ৩২(ক) শিরোনামে নতুন একটি ধারা যুক্ত করা হয়েছে বিলে। সেখানে বলা হয়, ‘এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা ৩২ এর অধীন মেডিকেল পরীক্ষা ছাড়াও, উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ২০১৪ সালের ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইনের বিধান অনুযায়ী তার ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।’

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রসরমান ধারা আজ বিশ্বব্যাপাী নন্দিত ও প্রশংসিত। বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের ঊর্ধ্বগামী পরিক্রমণের মধ্যে দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধ সংঘটন, সামাজিক গতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব রাখাসহ সার্বিক সামাজিক উন্নয়নের ধারাকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি বলেন, এ ধরনের হীন অপরাধ দমনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণার্থে দণ্ডারোপের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শাস্তি বিধানের ব্যবস্থা গ্রহণ-সময় ও পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় অত্যাবশ্যক।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ নভেম্বর’২০/এসএএইচ