সাভারে ভবনে হঠাৎ বিস্ফোরণ
আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচন : ভোটারদের সাথে মতবিনিময় ও উঠান বৈঠক
ধামরাইয়ে এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা
ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার ধামরাইয়ে ইসমাইল হোসেন(২৪)নামে এক এনজিও কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপোরি কুপিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গোমগ্রাম বাজারের নিকটে এ নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। এনজিওর সদস্যদের কাছ থেকে কিস্তির টাকা আদায় শেষে অফিসে ফেরার পথিমধ্যে তাকে খুন করা হয়। খুন হওয়া ওই এনজিও কর্মী যাদবপুর ইউনিয়নের আমড়াইল গ্রামের মোঃ আব্দুল আলীমের ছেলে ও সন্ধিমানব এনজিওর মাঠকর্মী বলে জানা গেছে।
এসময় স্থানীয় জনতা রাজীব হোসেন (৩০) নামে এক খুনিকে হাতেনাতে আটক করলেও তার আরও দুই সহযোগি খুনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।জনতার হাতে আটক ওই খুনি একই এলাকার আব্দুস ছালামের ছেলে।
তাকে উপর্যুপোরি গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খুন হওয়া ওই এনজিও কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহের ছুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পুলিশ। এব্যাপারে ধামরাই থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে নিশ্চিত করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়,মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে খুন হওয়া এনজিও কর্মী মো: ইসমাইল হোসেন (২৪) দুপুরে বনেরচর এলাকায় সন্ধিমানব এনজিওর সদস্যদের কাছ থেকে কিস্তির টাকা আদায় শেষে অফিসে ফেরার পথিমধ্যে রাজীবসহ ৩ জন ইসমাইল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে ও উপর্যুপোরি কুপিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তবে কি কারণে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক দীপক চন্দ্র সাহা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে ৩ খুনি এক এনজিওকর্মীকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে। এসময় উপস্থিত জনতা এক খুনিকে হাতেনাতে আটক করে। জনতার হাতেনাতে আটক ওই খুনিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। আটক ওই খুনিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বাকী আসামীদের অতি দ্রæত গ্রেফতার করা হবে। খুনিরা পালিয়ে গিয়ে কোনমতেই শেষ রক্ষা পাবে না।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ ডিসেম্বর ২০২০/জেডএন
আমি মরি নাই, বেঁচে আছি স্যার
গাইবান্ধা প্রতিনিধি : তরতাজা একজন মানুষ পায়ে হেঁটে নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারলেন তিনি বেঁচে নেই। নিজ কানে নিজের মৃত্যুর সংবাদ শুনে হতভম্ব গাইবান্ধা সদরের বল্লমঝাড় ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের ব্যবসায়ী বাবুল চন্দ্র বর্মণ। জাতীয় পরিচয়পত্রে একজন জীবিত মানুষকে মৃত দেখানোর পর অভিযোগ করেও জাতীয় পরিচয়পত্রে তাকে জীবিত করার উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরিচয়পত্রে এমন ভুলের কারণে ব্যাংক ঋণ এমনকি ভিসা করতে না পারায় বাবুল চন্দ্র বর্মণের চিকিৎসা পর্যন্ত আটকে আছে। বাবুল চন্দ্র বর্মণের অভিযোগ, সম্প্রতি ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ব্যাংকে ঋণ নিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ত্রুটি আছে। যার কারণে তাকে ঋণ দেওয়া সম্ভব নয়।
এরপর পরিচয়পত্র নিয়ে বাবুল ছুটে যান গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। সেখানে সার্ভারে সার্চ করার পর সংশ্লিষ্ট জানান, পরিচয়পত্রে স্ট্যাটাস অপশনে তিনি মৃত। নিজের কানে নিজের মৃত্যুর সংবাদ শুনে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করে প্রতিকার চান বাবুল। এরপর সপ্তাহ পার হলেও জাতীয় পরিচয়পত্রে এখনও তিনি মৃত। বাবুলের অভিযোগ, গত ১৪ ডিসেম্বর সোমবার সকালে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফের কাছে গেলে সময় লাগবে জানিয়ে তিনি দুর্ব্যবহার করে বাবুলকে তাড়িয়ে দেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিবের কাছে গিয়ে বাবুল আক্ষেপ করে বলেন, আমি বেঁচে আছি স্যার মরি নাই।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে, তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রে ত্রুটির ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেন, কেন এই ত্রুটি হয়েছে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ ডিসেম্বর ২০২০/জেডএন
বিজয় দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীর অলিগলিতে পতাকা কেনার ধুম
পটুয়াখালী প্রতিনিধি : বিজয়ের মাস ডিসেম্বর, বিজয়ের মাস ডিসেম্বর এলেই বেড়ে যায় জাতীয় পতাকা বেচাকেনার ধুম। সারাদেশের মতো পটুয়াখালীতেও জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম লেগেছে। ডিসেম্বর মাসে মূলত বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করেই এ পতাকা বিক্রির হিড়িক লেগে যায়। অফিস-আদালত, দোকানপাট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ যানবাহনে বিজয় দিবসে উড়বে লাল-সবুজের পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, সব ধরনের ছোট বড় গনপরিবহন এমনকি ছোট ছোট শিশুদের হাতেও শোভা পাবে লাল সবুজের পতাকা। পটুয়াখালীর সড়কে সড়কে দেখা যায়, বাঁশের সাথে ছোট বড় জাতীয় পতাকা বেঁধে বিক্রি করছেন মৌসুমি বিক্রেতারা। বিজয় দিবসকে সামনে রেখে পতাকা কিনছেনও অনেকেই। সারা বছর অন্য পেশায় জীবিকা নির্বাহ করলেও ডিসেম্বর, ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে অনেকেই পতাকা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। সাধারনত এ মাস গুলোতে জাতীয় পতাকা বেশি বিক্রি হয়। পটুয়াখালীর চৌরাস্তায় কথা হয় পতাকা বিক্রেতা লতিফ মিয়ার (৫৫) সাথে। তিনি বলেন, করোনার জন্য এ বছর বিগত বছরের তুলনায় বিক্রি কম হচ্ছে। এসময় তিনি আরো জানান, ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫০ টাকা দামের পতাকা তার কাছে রয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি করতে পারেন। এর মধ্যে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা লাভ হয়। বিজয় দিবস যত ঘনিয়ে আসছে ততই পতাকা বিক্রি বাড়ছে বলে জানান এ বিক্রেতা।
পটুয়াখালীর নিউমার্কেটে এক পতাকা বিক্রেতা জানান, বিজয় দিবসকে সামনে রেখে ৬ ফুট থেকে শুরু করে বিভিন্ন মাপের কাপড়ের পতাকার পাশাপাশি কাগজ দিয়ে তৈরি পতাকাও বেচাকেনা হচ্ছে। এছাড়া পতাকার পাশাপাশি লাল সবুজ রঙের কাগজের ক্যাপ, রাবারের ব্যান্ড, ব্রেসলেট ও বুকে লাগানো ব্যাজ বিক্রি করছেন তারা। ৬ ফুট আকৃতির কাপড়ের পতাকা ২০০ টাকা, ৫ ফুটের পতাকা ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাগজের ১০০ পিস পতাকার বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়, ব্রেসলেট ২০ টাকা আর মাথা বন্ধনি ৩০ টাকা। ক্রেতা স্কুল ছাত্র ইশতিয়াক জানায়,কাগজের জাতীয় পতাকা কিনেছি। বন্ধুদের দেবো আর ঘর সাজাবো লাল সবুজের এ জাতীয় পতাকা দিয়ে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ ডিসেম্বর ২০২০/জেডএন
কলাপাড়ায় মুজিববর্ষে ভলিবল লীগের চুড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠান
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়ায় মুজিববর্ষে ক্রীড়া দপ্তরের আয়োজনে ভলিবল ২০২০ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরের পর ক্ষেপুপাড়া সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
পটুয়াখালী জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসানাত মোহাম্মদ শহীদুল হকের সভাপতিত্বে পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-৪, কলাপাড়া-১১৪ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মহিববুর রহমান মহিব, বিষেশ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো: সাইদুল ইসলাম, ক্ষেপুপাড়া সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ ডিসেম্বর ২০২০/জেডএন

