আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2484

ফুলবাড়ীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বসতবাড়ী পুড়ে ছাই

মোস্তাফিজার রহমান (জাহাঙ্গীর) : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে অগ্নিকান্ডে ৬টি বাড়ির ৮টি ঘর, নগদ টাকা, কৃষি পণ্যসহ সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে ফুলবাড়ী উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধর্মপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার ব্রিগেড সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলে স্থানীয় জনসাধারণ। ততক্ষণে ঘরসহ সবকিছু পুড়ে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সময় আহত হয়েছেন দুইজন।

স্থানীয় হাবিবুর রহমান হাবিব ও রমজান আলী জানান কাশিপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের সবুর আলীর ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন রমজান, হুজুর আলী, আ: রশিদ, জব্বার আলী ও তুষ্ট পাগলীর ঘরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হুজুর আলী ও জব্বার আহত হন। ঘটনার পরপরই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সরকার। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার এবং কম্বল বিতরণ করেন। পাশাপাশি সরকারি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

রোববার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় উপজেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ পরিবারের মাঝে নগদ ৬ হাজার করে টাকা ও ২ বান্ডিল করে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে। টাকা ও ঢেউ টিন বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত, কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হোসেন প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ জানুয়ারি’২১/এমজ

কক্সবাজার জেলা কারাগারকে মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত মডেল কারাগার হিসেবে উপহার দিয়ে যাবো : জেল সুপার নেছার আলম

আবু সায়েম, কক্সবাজার : কক্সবাজার জেলা কারাগারকে মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত মডেল কারাগার হিসেবে বাস্তবে রূপদানে বদ্ধপরিকর কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহা: নেছার আলম। জেল সুপার হিসেবে কারাগারে যোগদান করেছেন প্রায় ৩ মাস। এরইমধ্যে তিনি স্বপ্ন দেখেছেন ৬৪ জেলার মধ্যে কক্সবাজার জেলা কারাগার হবে বাংলাদেশের রুল মডেল। কক্সবাজার কারাগারকে বাংলাদেশের অন্যান্য কারাগার মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, মডেল কারাগারের প্রতীক মনে করবে।
সুত্র জানায়, কক্সবাজার কারাগারে বর্তমানে বন্দী রয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের উপর। গত ১৭ ডিসেম্বর কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুমিনুর রহমান মামুন কক্সবাজার কারাগারে বন্দীদের জন্য তৈরিকৃত ৬তলা ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন। এর ফলে বন্দীদের জন্য এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করেন কারা সংশ্লিষ্টরা। বন্দীদের থাকার যে সমস্যা পোহাতে হতো তা ওই ভবন উদ্বোধন হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে সামর্থ অনুযায়ী প্রায় ১০০০ বন্দী স্থানান্তর করা হয়েছে। সূত্র আরো জানায়, ৬তলা ভবনের নিচ তলায় বৃদ্ধ কয়েদিদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। আর অন্যান্য তলায় কারাবিধি অনুযায়ী স্থানান্তর করা হয়েছে। কারাগারে সিট ও ওয়ার্ড বাণিজ্য রোধে একজন ডেপুটি জেলারের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে বন্দীদের স্থানান্তর করা হয়। নবাগত বন্দী কারাগারে আগমন করলে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে তাদের ১৪দিন কোয়ারান্টাইনে রাখার পর স্বাভাবিক নিয়ম মোতাবেক ওয়ার্ডে পাঠানো হয়।
কারা সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দীদের খাবারের মান উন্নত করা হয়েছে। সরকারি বিধি মোতাবেক বন্দীদের প্রাপ্য অংশ যথাযথ প্রদান করা হচ্ছে। কারাগারে বিকাশ অথবা নগদ লেনদেনের ব্যাপারে জেল সুপার সজাগ রয়েছে। মাসিক তদারকি এবং দরবার অনুষ্ঠানে কারারক্ষী এবং কর্মচারীদের অবৈধ লেনদেনের ব্যাপারে হুশিয়ারী প্রদান করে যথাযথ সেবামূলক দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করেন জেল সুপার। কারা সূত্র আরো জানায়, অবৈধ লেনদেন এবং নানাধরণের দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকায় সর্বপ্রধান কারারক্ষী এবং সাহায্যকারী কিছু কারারক্ষীদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহত দিয়ে নতুন সর্বপ্রধান কারারক্ষী পদায়ন করা হয়েছে। দুর্নীতি এবং মাদকের বিরুদ্ধে সজাগ থেকে মডেল কারাগার রুপান্তরে অবিচল আছেন কারা কর্মকর্তারা। বিকাশ অথবা নগদে যাতে অবৈধ লেনদেন না হয় সেজন্য লেনদেন সনাক্তকরণে কর্মকর্তা এবং কর্মচারীর জাতীয় পরিচয়পত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস সংরক্ষণ করা হয়েছে। কারা ফটকের সামনে যে সকল বিকাশের দোকান রয়েছে কোনো কারা কর্মকর্তা অথবা কর্মচারী বন্দীর আত্মীয়স্বজন থেকে অবৈধ লেনদেন করলে জেল সুপার তাদেরকে মৌখিকভাবে ডেকে ওই ব্যাপারে অবহিত করার নির্দেশ প্রদান করেন।
সদ্য জামিনপ্রাপ্ত টেকনাফের আবদুল মোতালেব আলোকিত প্রতিদিন-কে জানান, কারাগারের পরিবেশ বেশ চমৎকার। কারাগারে নেই কোনো আর্থিক লেনদেন। ওয়ার্ড ও সিট বাণিজ্যের প্রচলন ও নেই। লটারির মাধ্যমে রোটেশন অনুযায়ী ডেপুটি জেলারের উপস্থিতিতে স্থানান্তর করা হয়। জামিনপ্রাপ্ত উখিয়ার নুরুল আমিন জানান, কারাগারে খাবারের মান উন্নত করা হয়েছে। ক্যান্টিনে ন্যায্য মূল্যে জীবনউপকরণের সবকিছু বিক্রি করা হচ্ছে। আর্থিক লেনদেন কারাগারে নেই বললেই চলে। সদ্য জামিনপ্রাপ্ত মহেশখালীর মোক্তার আহমেদ জানান, বিগত ২০১৫ সালেও কারাগারে ছিলাম। তখনকার পরিবেশ আর এখনকার পরিবেশ আকাশ পাতাল ব্যবধান। সময়ের পরিক্রমায় কারাগারে ‘সেবার মান উন্নত করে রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ’ এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে বাস্তবে রুপান্তর করা হয়েছে।
কারা কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং কারারক্ষীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে বন্দীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কারা কর্মকর্তা জানানÑ মাদক, ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবিচল আছেন বর্তমান জেল সুপার স্যার। তিনি মাসিক তদারকি এবং দরবার অনুষ্ঠানে প্রাত্যহিক পরিদর্শনে বন্দীদের নিরাপদ সহ সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে কারারক্ষীদের পরামর্শসহ কাজের প্রতি আন্তরিক, অনুপ্রেরণা, উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টিতে কারারক্ষীদের প্রেষণা দান করেন।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের চৌকস জেল সুপার মোহা: নেছার আলম জানানÑ মাদক, দুর্নীতি, ঘুষ ও অবৈধ লেনদেনের বিরুদ্ধে সজাগসহ সতর্ক রয়েছি। সামগ্রিক পরিবেশে শৃঙ্খলা ফেরাতে ন্যায় নীতিকথাকে সামনে রেখে যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ওয়ার্ড ও সিট বাণিজ্য রোধে ডেপুটি জেলারের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে বন্দীদের স্থানান্তর করা হয়। তিনি আরো জানান, বর্তমানে কারাগারের ক্যান্টিনে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিটি পণ্যের মধ্যে মূল্য নির্ধারণ করে সেগুলো বিক্রি করা হচ্ছে। খাবারের মান উন্নত করা হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ও মিশন বাস্তবায়নে কারাগারে বন্দীদের যেভাবে রাখার নির্দেশ প্রদান করেছেন আমরা সেভাবে রাখতে যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। গত ১৭ ডিভেম্বর কক্সবাজার কারাগারে ৬তলা ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কারা মহাপরিদর্শক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুমিনুর রহমান মামুন স্যার কারারক্ষী এবং কারাকর্মকর্তাদের দরবার হলে বন্দীদের সেবার মান বৃদ্ধির প্রয়াসে অনুপ্রেরণাএবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। আমরা তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। সুষ্ঠু ও সৃজনশীল পরিকল্পনার মাধ্যমে কক্সবাজার কারাগারকে মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত মডেল কারাগার উপহার দিয়ে যাবো। কক্সবাজার ছেড়ে অন্য স্টেশনে বদলী হলে সাধারণ মানুষ এবং বন্দীরা যাতে তা উপলব্ধি করতে পারেন।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ জানুয়ারি’২১/এমজ

নির্ধারিত সময়েই টিকা পাবে বাংলাদেশ: বেক্সিমকো

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভ্যাকসিন পেতে বাংলাদেশের সঙ্গে সেরাম ইনস্টিটিউটের চুক্তির কোন হেরফের হবে না বলে জানিয়েছেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। বেক্সিমকো জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টিকা পাওয়া যাবে।

এদিকে, ভারতের চাহিদা পূরণ না করে রপ্তানি বন্ধ, দেশটির এমন সিদ্ধান্তে দোষের কিছু দেখছেন না ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রধান। তিনি বলেন, ‘হার্ড ইমিউনিটির জন্য ভারতে কমপক্ষে ত্রিশ কোটি ভ্যাকসিন দরকার তাই এখনই রপ্তানি যৌক্তিক নয়।’

সোমবার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘টিকা পাওয়া নিয়ে ‘কোনো অনিশ্চয়তা নেই’। আমাদের সঙ্গে তাদের (সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইনডিয়া) নিয়মিত যোগাযোগ আছে। আজও বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আমরা নিশ্চিত আমাদের সঙ্গে যেভাবে চুক্তি হয়েছে সে অনুযায়ী, সে সময়েই আমরা ভারত থেকে টিকা পাব।’

চুক্তিতে কি আছে জানতে চাইলে রাব্বুর রেজা বলেন, ‘সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে আমাদের চুক্তি অনুযায়ী, টিকা বাংলাদেশে অনুমোদন পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে আমরা প্রথম লটের টিকা পাব।

তিনি জানান, ‘ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের অনুমোদনের জন্য গত বৃহস্পতিবারই তারা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার তারা টিকার অনুমোদনের জন্য আবেদন করবেন।’

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার তিন কোটি ডোজ কিনতে গত ৫ নভেম্বর সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে টিকার ৫০ লাখ ডোজ পাঠাবে সেরাম ইনস্টিটিউট। আর ভারত থেকে টিকা এনে বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য গত অগাস্টে সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় দেশের ওষুধ খাতের শীর্ষ কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।

সেই চুক্তি অনুযায়ী, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস বাংলাদেশে সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ভ্যাকসিনের ‘এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটর’।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ জানুয়ারি’২১/এমজ

কোন সন্দেহের অবকাশ নাই, বঙ্গবন্ধু ঢাকা ম্যারাথন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় হবে

বিশেষ প্রতিনিধি: মুজিববর্ষ উপলক্ষে আগামী ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১। ফুল ও হাফ দুই ক্যাটাগরিতে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয়ে হাতিরঝিল এসে শেষ হবে ম্যারাথন দৌঁড়টি। অনুষ্ঠিত ম্যারাথন দৌঁড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে সবধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণ করেন প্রভোস্ট মার্শাল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নাসের মো. ইলিয়াছ, এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।

সমন্বয় সভা থেকে জানা যায়, আর্মি স্টেডিয়াম থেকে ৪২.১৯৫ কিলোমিটার ফুল ম্যারাথন ও ২১.০৯৭ কিলোমিটার হাফ ম্যারাথন শুরু হয়ে হাতিরঝিল এসে শেষ হবে। রুট হিসেবে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম-কাকলী ক্রসিং-কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ-গুলশান ২- গুলশান ১- পুলিশ প্লাজা- হাতিরঝিল (সম্পূর্ণ হাতিরঝিল চার চক্কর দিয়ে শেষ হবে)। ফুল ম্যারাথনে অংশ নেবেন ১০০ জন যা শুরু হবে ১০ জানুয়ারি সকাল ৬টা ৩০মিনিটে।

অন্যদিকে ১০০ জনের অংশগ্রহণে হাফ ম্যারাথন শুরু হবে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে। ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী সকলকে করোনা টেস্ট করে নেগেটিভ হয়ে দৌড়ে অংশ নিতে হবে বলে সভা থেকে জানানো হয়।

উক্ত সভা থেকে আরো জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ এ অংশগ্রহণকারী বিদেশি এ্যাথলেটদের মধ্যে ফুল ম্যারাথনে ৩১ জন ও হাফ ম্যারাথনে ৬ জন অংশগ্রহণ করবেন।

ম্যারাথন উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থাকবে- ম্যারাথন রুটে পিকেট ব্যবস্থা, ফুট পেট্রোল, বেরিকেড চেকপোস্ট ব্যবস্থা, রুফটপ ডিউটি, মোবাইল পেট্রোলিং এবং স্টিল ও ভিডিও ক্যামেরা মোতায়েন।

এছাড়াও ম্যারাথন রুটে কোনো ভাসমান দোকান বসতে দেওয়া হবে না। থাকবে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড দিয়ে ম্যারাথন রুটে সুইপিং ব্যবস্থা এবং মোতায়েন থাকবে মেডিকেল টিম, ফায়ার টেন্ডার ও এ্যাম্বুলেন্স।

প্রভোস্ট মার্শাল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নাসের মো. ইলিয়াছ বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে মুজিববর্ষে অনেক ইভেন্ট থাকলেও অনুষ্ঠিত করা সম্ভব হয়নি। মুজিববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে এই ম্যারাথন ইভেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, সারা বছর ধরে আমরা জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকি পালন করতে চেয়েছিলাম। পুলিশের পক্ষ থেকে অনেক প্রোগ্রাম করার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ এর জন্য করা সম্ভব হয়নি। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ম্যারাথনে কোন ধরণের নিরাপত্তার ঘাটতি থাকবে না। আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিবো।

এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) ড. এ এফ কোন সন্দেহের অবকাশ নাই, বঙ্গবন্ধু ঢাকা ম্যারাথন এম মাসুম রব্বানী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তার ও লেঃ কর্নেল এ এস এম সেফাউল ইসলামসহ মিলিটারি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গোয়েন্দা সংস্থা, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ জানুয়ারি ‘২১/মশ

 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন

প্রকাশ পেল-সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ নুরুল হুদা রনো কথায় নতুন গান মেঘের মিনারে ভাসে

বিশেষ প্রতিনিধি: গানটি লেখার বিষয়ে সম্পাদক ও প্রকাশক: জনাব সৈয়দ নুরুল হুদা রনো  জানান আমার কথায় নতুন গান মেঘের মিনারে ভাসে  আমার খুব একটা প্রিয় গান। আসলে আমরা কাজ করি দেশ কে নিয়ে দেশের মানুষ কে নিয়ে। মা, মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি—এ তিনটি জিনিস মানুষের কাছে মহা মূল্যবান। মাতৃভূমির মাটি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা ধর্মপ্রাণ মানুষের স্বাভাবিক ও সহজাত প্রবৃত্তি। বড় হয়ে জীবন-জীবিকার প্রয়োজন ও কর্তব্যের টানে বিদেশে বসবাস করলেও মানুষ জন্মভূমির কথা, মাতৃভূমির মায়া ভুলতে পারে না। এসবের প্রভাব প্রত্যেক মানুষের দেহ, মন ও প্রাণে বিদ্যমান থাকে। মাতৃভূমি ও জন্মস্থানের প্রতি মানুষের এ দুর্নিবার আকর্ষণ বা ভালোবাসা, ভালো লাগা, গভীর আবেগ-অনুভূতি ও মমত্ববোধকে বলে দেশপ্রেম। ইসলামের দৃষ্টিতে দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে হলে স্বদেশপ্রেম অত্যাবশ্যক। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে নবী করিম (সা.) জনগণের উদ্দেশে বলেছেন, ‘প্রত্যেক মানুষের উচিত দেশকে ভালোবাসা। যে লোক দেশকে ভালোবাসে না, সে প্রকৃত ইমানদার নয়।’ ধন্যবাদ সবাইকে।

আলোকিত প্রতিদিন/ জানুয়ারি ‘২১/মশ

 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন

তিন কিংবদন্তী প্রথম বারের মত একসাথে প্রসেনজিৎ, দেবশ্রী ও ঋতুপর্ণা

বিশেষ প্রতিনিধি: বছরের শুরুতেই পাওয়া গেল এক চমকপ্রদ খবর। টলিউড পাড়ায় যেমনটি কেউ ভাবেনি, এবার তাই হতে চলেছে। এক সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিন তারকা। তার আর কেউ নন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং দেবশ্রী রায়। প্রথমবারের মতো এই ত্রয়ী একসঙ্গে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। যদিও এখন পর্যন্ত তাদের কেউই এই বিষয়ে মুখ খুলেননি। মুখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছেন। ছবিটি নির্মাণ করবেন শিবপ্রসাদ মুখার্জি ও নন্দিতা। সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই এই ছবির কাজে হাত দেবেন পরিচালকদ্বয়। শুধু তাই নয়। শোনা যাচ্ছে, দেবশ্রী, প্রসেনজিৎ এবং ঋতুপর্ণার সঙ্গে ছবির বিষয় নিয়ে দীর্ঘ কথা হয়েছে পরিচালকদের।

  • প্রসেনজিৎকে শেষ বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল অতনু ঘোষের ‘রবিবার’ ছবিতে। এরপর জুন মাসে তিনি চন্দ্রাশিস রায়ের ‘নিরন্তর’ ছবিতে অভিনয় করলেও করোনা অতিমারির কারণে হলের পরিবর্তে ওটিটিতে মুক্তি পায় সেই ছবি।
  • ঋতুপর্ণাও লকডাউনের শুরু থেকেই রয়েছেন সিঙ্গাপুরে।
  • দেবশ্রী রায়ও দীর্ঘ দিন অভিনয় জগৎ থেকে দূরে। এ বার শিবপ্রসাদ-নন্দিতা জুটির প্রচেষ্টায় একসঙ্গে কাজ করতে চলেছেন তারা। ২০২১-এ এই ত্রয়ীকে নিয়ে কি নতুন ইতিহাস লিখবে টলিউড?

আলোকিত প্রতিদিন/ জানুয়ারি ‘২১/মশ

 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন

আবারও তিশা পরিবহনের যাত্রিবাহী বাসে আগুনের হানা

বিশেষ প্রতিনিধি:  ঢাকাব্রাহ্মণবাড়িয়া রোডে চলাচলকারী তিশা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে

রোববার রাত ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাটিহাতা বিশ্বরোড মোড়ের বেতবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই সময় মহাসড়কে প্রায় ৪০ মিনিটি যান চলাচল বন্ধ ছিল। সরাইল ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার রিয়াজ মোহাম্মদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুন লাগার কারণে ৪০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইঞ্জিন ওভারহিট হওয়ার কারণে গাড়ির পেছনের অংশে আগুন লেগেছে। খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, বাসটি যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকে আসছিল। পথে মধ্যে বিশ্বরোড মোড় অতিক্রম হওয়ার পরই আগুনের সূত্রপাত্র ঘটে।

আলোকিত প্রতিদিন/ জানুয়ারি২১/মশ

 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন

মুখ খুললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, কথা বলছেন ভ্যাকসিন ইস্যুতে

বিশেষ প্রতিনিধি:  করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে বৈঠকে বসেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটকে আগামী কয়েক মাসের জন্য করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের রফতানি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। চুক্তির আওতায় ভারতের এই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বাংলাদেশের করোনার ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন। বৈঠকে যাওয়ার আগে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। সিদ্ধান্তের বিষয় আপনাদের জানানো হবে।’ গত ৫ নভেম্বর অক্সফোর্ড উৎপাদিত ‘কোভিডশিল্ড’ ভ্যাকসিনের তিন কোটি ডোজ পেতে সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। এই উদ্যোগের আওতায় প্রথম ধাপের ছয় মাসের প্রতি মাসে বাংলাদেশকে ৫০ লাখ করে ভ্যাকসিন দেয়ার কথা ছিল সিরামের। গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়াল্লা বলেন, গত রোববার ভারতীয় নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ ভ্যাকসিনের জরুরি অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু শর্ত হলো, ঝুঁকিতে থাকা ভারতীয় জনগণের জন্য ডোজ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য রফতানি করতে পারবে না সিরাম ইনস্টিটিউট। গত ১ জানুয়ারি দেশটিতে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন জরুরি প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিল ভারত। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বিবেচনায় ভারতের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। ভারতে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর বাংলাদেশেও এ ব্যাপারে আশা দেখা দিয়েছিল। চলতি জানুয়ারিতেই ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা জানিয়েছিল দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ জানুয়ারি ‘২১/মশ

 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন

আজকের সর্বশেষ অবস্থা সৌরভ গাঙ্গুলীর

বিশেষ প্রতিনিধি : ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক এবং বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত অধীর আগ্রহ নিয়ে বারবার খোঁজ নিচ্ছেন কেমন আছেন প্রিয় দাদা।

সোমবার সৌরভের সর্বশেষ শারিরীক অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বর্তমানে আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে আছেন সৌরভ। আপাতত ভাল আছেন তিনি। নিয়মিত খাবার খাচ্ছেন, ঘুমও ভালো হচ্ছে। হাসপতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রাক্তন অধিনায়ক এবং বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভকে সুস্থ করে তোলার জন্য নয় জন বিশেষজ্ঞ নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা সৌরভের চিকিৎসা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়গুলি দেখছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ জানুয়ারি ‘২১/মশ

 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন

আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়, সাধারণ সম্পাদক লিটন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট: ঢাকার অদূরে আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৭ম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সময় টেলিভিশনের ঢাকা জেলা প্রতিনিধি মোজাফফর হোসেন জয় সভাপতি ও এশিয়ান টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জহিরুল ইসলাম লিটন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
রোববার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উৎসবমুখর ও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে প্রেস ক্লাব নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের স্টাফ রিপোর্টার অপু ওহাব, নির্বাচন কমিশনার চ্যানেল আই’য়ের ঢাকা জেলা প্রতিনিধি জাকির হাসান ও দৈনিক আজকালের রিপোর্টার মনিরুজ্জামান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে সভাপতি পদে মোজাফফর হোসেন জয় ২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেফালী খাতুন মিতু পেয়েছেন ১৫ ভোট ও মাহফুজুর রহমান নিপু পেয়েছেন ১২ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে জহিরুল ইসলাম লিটন ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খোকা মোহাম্মদ চৌধুরী পেয়েছেন ২১ ভোট ও লাইজু আহম্মেদ চৌধুরী পেয়েছেন ০৩ ভোট।
এছাড়া দৈনিক যুগান্তরের আশুলিয়া প্রতিনিধি মেহেদী হাসান মিঠু ২২ ভোট পেয়ে ও আলোকিত কন্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মো. ওমর ফারুক ২০ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ডেইলি অবজারভারের আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক মুক্ত খবরের ওবায়দুর রহমান লিটন, দপ্তর সম্পাদক পদে সময়ের কন্ঠস্বরের মনির মন্ডল, অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক জাগরণের তুহিন আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে দৈনিক জাতীয় অর্থনীতির মেহেদী হাসান মুন্সি, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক পদে দৈনিক দিনকালের নজরুল ইসলাম মানিক, নির্বাহী সদস্য পদে আমাদের কন্ঠের জাহাঙ্গীর আলম রাজু, খবর বাংলাদেশের আজম সরকার ও এটিএন নিউজের জাহিদ হাসান শাকিল নির্বাচিত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে আশুলিয়া প্রেস ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫১ জন।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ জানুয়ারি ‘২১/মশ

 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুন