আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2478

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা কাদের মির্জার

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজ বক্তব্য দিয়ে দেশব্যাপী সাড়া জাগানো আলোচিত কোম্পানীগঞ্জ পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা করছেন।
গতকাল রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে তার অফিস কক্ষে আসন্ন ১৬ জানুয়ারির পৌর নির্বাচনে সুষ্ঠ ভোট হওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নির্বাচন কমিশন নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার হেভীওয়েট দুই সংসদ সদস্য অর্থ ছড়িয়ে নির্বাচনে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তাই তিনি ১৬ তারিখ নির্বাচনের দিন

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আলাউদ্দিন রবিবার সকালে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।
পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময় রিজেন্ট বোর্ড সদস্য, ডিন, হল প্রভোষ্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, প্রক্টর, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

কুড়িগ্রাম ষ্টেশন ক্লাবে বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট উদ্ধোধন

প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম ষ্টেশন ক্লাবে শনিবার সন্ধ্যায় বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২০ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম। টুর্নামেন্টে ৪০ জন প্রতিযোগী তিন ক্যাটাগরীতে অংশ গ্রহন করে। এক আনন্দ ঘন পরিবেশে উদ্ধোধনী খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্ধোধনী খেলায় অংশগ্রহন করে মো: আজিজুর রহমান দুলু সাবেক সিনিয়র সহকারী জজ ও আইজীবি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, মোঃ শাহজাহান আলী জেলা তথ্য কর্মকর্তা। অপর পক্ষে প্রভাষক মোঃ জহুরুল ইসলাম ও জনকন্ঠের সাংবাদিক রাজু মোস্তাফিজ। খেলা পরিচালনা করেন মোঃ সাইদুর রহমান গ্রন্থাগারিক কুড়িগ্রাম সরকারী কলেহ। নক আউট পদ্ধতির এই খেলায় জয়লাভ করে জহুরুল ইলমাম ও রাজু মোস্তাফিজ। আগামী ২০ তারিখের মধ্যে তিন গ্রুপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

মাদারীপুরে প্রেমিকের সেপটিক ট্যাংকে মিলল কিশোরীর মরদেহ

প্রতিনিধি, মাদারীপুর : মাদারীপুরে নিখোঁজের ১১ মাস পর প্রেমিকের সেপটিক ট্যাংকে মিলল কিশোরীর মরদেহ নিখোঁজের ১১ মাস পর প্রেমিকের সেপটিক ট্যাংক থেকে মুর্শিদা আক্তার নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাদারীপুরে ডাসার থানার পূর্ব বোতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর জেলার ডাসার থানার পূর্ব বোতলা গ্রামের চাঁনমিয়া হাওলাদারের দশম শ্রেণির ছাত্রী মুর্শিদা আক্তারের সাথে একই গ্রামের মজিদ আকনের ছেলে সাহাবুদ্দিন আকনের প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সম্পর্কের সূত্র ধরেই গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মুর্শিদাকে বাড়ি থেকে চিকিৎসা করানো কথা বলে নিয়ে যায়।এরপর নিখোঁজ থাকায় গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদার পরিবার ডাসার থানায় একটি জিডি করে। এতে কোন প্রতিকার না হওয়ায় গত বছরের ৪ মার্চ সাহাবুদ্দিনসহ ৫ জনকে আসামি করে ডাসার থানায় একটি মামলা করেন মুর্শিদার মা মাহিনুর বেগম। দীর্ঘদিন মামলার কোন অগ্রগতি না হওয়া মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের আবেদন করে বাদী পক্ষ।পরে মামলাটি মাদারীপুর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তভার গ্রহণ করে। এরপর গত বৃহস্পতিবার মামলার আসামি সাহাবুদ্দিন আকন আদালতে আত্মসমর্পণ করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই তারিকুল ইসলাম আসামি সাহাবুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে। আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।আজ বিকেলে সাহাবুদ্দিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকা ও মরদেহ গুম করার বিষয়টিও গোয়েন্দা পুলিশের কাছে স্বীকার করে। পরে তার দেয়া তথ্যমতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাহাবুদ্দিনের বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে মুর্শিদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহতের মামা টিপু সুলতান বলেন, ‘আমার ভাগ্নিকে গত বছরের ফ্রেবুয়ারি মাসে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকায় পর আমরা থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ অসহযোগিতা করে। পরে এক পর্যায়ে মামলা হলেও পুলিশ আসামি গ্রেফতার করেনি। আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর আসামির দেয়া স্বীকারোক্তি মোতাবেক আসামির বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে মুর্শিদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।’মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান মিয়া জানান, ‘সাহাবুদ্দিনের দেয়া তথ্য মোতাবেক আসামির বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা : স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রোববার গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, সমাবেশ, র‌্যালি ও আলোচনা সভা। দিবসটি উপলক্ষে সকালে একটি র‌্যালী দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে দলীয় কার্যালয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম আবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: আবু বক্কর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক পিয়ারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম সাকা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর জামান রিংকু, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো: মাসুদ রানা, উপ-প্রচার সম্পাদক তানজিমুল ইসলাম জামিল, জেলা যুবলীগের আহসান হাবিব রাজিব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন দুলাল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল লতিফ, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ও জেলা পরিষদের সদস্য শিমুল বেগম, জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহসান হাবিব প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা বিদ্যুৎ বিভাগের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি, গ্রাহকদের নামে অতিরিক্ত বিল বাতিলের দাবি ও অতিরিক্ত বিল সংশোধন না করে গ্রাহকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে রোববার শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যুৎ গ্রাহক সেচপাম্প মালিক সমিতি জেলা শাখা এই বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশের আয়োজন করে। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসাদুল ইসলাম শাহীনের সভাপতিত্বে গোরস্থান মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশে ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপ, মাসুদুর রহমান মাসুদ, বিদ্যুৎ গ্রাহক সেচপাম্প মালিক সমিতির জেলা সহ-সভাপতি দেবল কুমার, সাধারণ সম্পাদক আনাউর রহমান, মটর ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ময়নুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, মাহবুবর রহমান, আওলাদ হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, মিলন কুমার, মকসুদুর রহমান, সুমন মিয়া প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, ২০০৮ সাল থেকে অদ্যাবধি গ্রাহকদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বিল করা হয়েছে। অথচ এরমধ্যে পিডিবির তদন্তে শুধুমাত্র ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালে ৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিল তদন্তে ধরা পড়েছে। তা সঠিক নয়। বিদ্যুৎ বিভাগ অতিরিক্ত বিল সংশোধনের তালবাহানা করে বিল সংশোধন না করে গ্রাহকদের বিরুদ্ধে যেসমস্ত মামলা দেয়া হয়েছে সেসব মামলা প্রত্যাহার এবং যে সমস্ত বন্ধ সেচপাম্পের বিল সংশোধনের জন্য আবেদন করা রয়েছে তা সংশোধন করার দাবি জানান। শুধু তাই নয়, গ্রাহকদের বিরুদ্ধে যেসব মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে তা প্রত্যাহার, টেম্পারিংয়ের নামে কোনো অতিরিক্ত বিল না করা, প্রকৃত টেম্পারিংকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে সমস্ত সকল লাইন স্ট্যান্ডার্ড করে সকল সেচপাম্পে মিটার স্থাপন করারও দাবি জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

সুনামগঞ্জে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচারণা প্রার্থীদের লড়াই হাড্ডা হাড্ডি

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শেষ মূহুর্তে ব্যাপক ভাবে চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা। কারণ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। হাতে গুনা আর কয়েকদিন বাকি আছে মাত্র। তাই জেলার ছাতক ও জগন্নাথপুর পৌরসভার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীরা তাদের বিজয় সুনিশ্চিত করতে খাওয়া ও ঘুম বাদ দিয়ে দিনরাত ছুটছেন ভোটারদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। দিচ্ছেন নানান প্রকারের আশ^াস ও পরামর্শ এবং নিচ্ছেন দোয়া। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৬ই জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহন। তাই প্রার্থীদের মাঝে চরম অস্তিরতা বিরাজ করছে। কিন্তু ভোটাররা পড়েছেন মহা চিন্তায়। কারণ নির্বাচনের সময় হলেই নেতাদের দেখা মিলি আর অন্য সময় কাউকে খোঁজে পাওয়া যায় না। এছাড়া তো আরো অনেক সমস্যা রয়েছেই। এসব বিষয় নিয়ে রাস্তাঘাট ও হাট-বাজারসহ বাসা-বাড়িতে ভোটারদের মাঝে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা । প্রাথীদেরকে নিয়ে করছেন চুলছেড়া বিশ্লেষন।
নির্বাচনী এলাকার ঘুরে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়- জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছাতক উপজেলা। এখানে ১৯৯৭সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পৌরসভা। এরপর থেকে এই পর্যন্ত ৪বার পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে প্রতিবারেই আওয়ামীলীগ সমর্র্থিত প্রার্থীরা এখানে জয় লাভ করেছেন। তাই এই পৌরসভাকে আওয়ামীলীগের দূর্গ বলা হয়।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে এবার মেয়র পদে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন-বর্তমান মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী। আর বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন-সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশিদা আহমদ ন্যান্সি। তারা দুজন ছাড়া তৃতীয় কোন মেয়র প্রার্থী না থাকার কারণে আগামী ১৬ই জানুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য ছাতক পৌরসভা নির্বাচনে ওই দুইপ্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে জানাগেছে। তবে দলীয় মতবিরোধ না থাকার কারণে সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী। আর দলীয় কোন্দলের কারণে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী কিছুটা দূর্বল অবস্থানে রয়েছেন। কিন্তু দুই দলের দুই প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে নেমে জোড়ালো ভূমিকা পালন করছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তবে ছাতক পৌরসভার সবশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫সালের ৩০শে ডিসেম্ভর। এসময় নৌকা প্রতীক নিয়ে ১০,৮২৬ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করে হ্যাট্টিক করেন আবুল কালাম চৌধুরী। আর বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল ওয়াহিদ ৪,৬৫১ভোট ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে শামছুর রহমান ৩,৩৫০ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
অন্যদিকে জেলার প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত জগন্নাথপুর পৌরসভা। তাই এখানকার নির্বাচন হয় বেশ জোড়ালো ভাবে ডাক-ঢোল বাজিয়ে। কারণ এখানে যে কোন ধরনের নির্বাচন হলেই শুরু হয় টাকার খেলা। কিন্তু ভোটাররা এবার খুবই সচেতন। তারা সবকিছু তুচ্ছ করে ভাল ভাবে জেনে বুঝে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করবেন বলে জানান। তবে এবারের আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীরা ইতিমধ্যে চালিছে নানান তৎপরতা। প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের কর্মী-সমর্থকরাও ভোটারদের বাড়িবাড়ি যাচ্ছেন। তারা সবাই এলাকার নানান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট ও দোয়া চাইছেন। তাদের সাথে সাথে দেশের বাহিরে থাকা কর্মী-সমর্থকরাও বিভিন্ন ভাবে নিজনিজ প্রার্থীদেরকে নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো জগন্নাথপুর পৌরশহর।
এব্যাপারে ভোটাররা জানান- জেলার প্রবাসী অধ্যুষিত ৪নং জগন্নাথপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ ১৯৯৯সালে পৌরসভায় উন্নীত হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয় জগন্নাথপুর পৌরসভা। তখন পৌরসভার প্রশাসক ছিলেন-ইউপি চেয়ারম্যান মুকিত মিয়া। এরপর পৌর চেয়ারম্যান হন-মরহুম হারুনুর রশিদ হিরণ। সবশের্ষ পৌর মেয়র হন-মরহুম আব্দুল মনাফ। তবে এবারের পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করবেন-আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মিজানুর রশিদ ভূঁইয়া। আর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন-হারুনুজ্জামান। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন-আক্তারুজ্জামান আক্তার,বিসনু চন্দ্র রায় ও আমজাদ আলী শফিক। এবারের নির্বাচনে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকার কারণে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বেকায়দায় পড়েছেন। তবে সব শেষে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কবে বলে জানাগেছে। এখন শুধু অপেক্ষার পালা।
এব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়- জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনে এবার মেয়র পদে ৫জন ও কাউন্সিলর পদে ৩৯জন প্রার্থী লড়াই করবেন। তার মধ্যে নারী কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছে ৯জন। অন্যদিকে ছাতক পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী ২জন ও কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৩৩জন। তার মধ্যে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ১৪জন। বর্তমানে জগন্নাথপুর পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা হল-২৮হাজার ৬০১জন। আর মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১১টি। আর ছাতক পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা হল-৩০হাজার ২৭৮জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯টি।
জেলার নির্বাচন অফিসার মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন- নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা প্রতি পালনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করাসহ ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আইন-শৃংখলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচন কোমর বেঁধে নেমেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভাটি গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভা হিসেবে জেলা জুড়েই প্রচার রয়েছে। শিল্প অধ্যুষিত প্রথম শ্রেণীর এ পৌরসভায় মেয়র পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তারা পৌরসভার উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত এবং পৌরবাসীর দু:খ-দুর্দশায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ভোট গ্রহণ। এখানকার ভোটাররা প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট দেয়ার স্বাদ গ্রহণ করবেন। তারাও অপেক্ষায় আছেন। বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে সব বয়সী ভোটারদের মধ্যে। তবে, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রদান কতটুকু নিরপেক্ষ হবে তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে তাদের মধ্যে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। প্রচার-প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র, কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা। সব মিলিয়ে সরগরম শ্রীপুরের তৃণমূলের রাজনীতি।

শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এম শামসুজ্জামান জানান, পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৯ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্ধ›িদ্ধতা করছেন। মোট ভোটর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৩ হাজার ৮৩২ জন এবং মহিলা ভোটার ৩৪ হাজার ১০৩ জন।

সরেজমিনে শ্রীপুর পৌর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পৌর এলাকায় এখন নির্বাচনী হওয়া বাইছে। প্রার্থীরা লিফলেট বিতরণ, পোস্টার সাঁটিয়ে, ব্যানার টাঙিয়ে ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে নিজেদের প্রার্থী হওয়ার খবর জানাচ্ছে পৌরবাসীদের। শক্তভাবে মাঠে নেমে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছে প্রার্থীরা। প্রার্থী ও তাদের কর্মীসমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও চলাচ্ছে জোর প্রচার-প্রচারনা। পাড়া-মহল্লায় জনসাধারণের মধ্যেও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। চা’য়ের দোকানেও চলছে জোর আলোচনা-সমালোচনা।

পৌরসভায় নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মেয়র পদে চারজন হলেন, আওয়ামীলীগ মনোনীত দলের জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র আনিছুর রহমান (নৌকা), বিএনপি মনোনীত শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী খান (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দেলনের প্রার্থী শামীম আহমেদ মোমতাজী (হাত পাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম (জগ) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের ছোট ভাই শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ শহীদ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। পরে তফসীল ঘোষনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে তার বড় ভাই বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়ে ব্যার্থ হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

শ্রীপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকলেও পৌরসভার নির্বাচন কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের সেই মতবিরোধ এখন আর চোখে পড়ছে না। দলের হাই কমান্ড এবং কেন্দ্রের নির্দেশনা মোতাবেক দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন বলে দাবি নেতাকর্মীদের। ফলে অনেকটাই ফুরফুরে মেজাজে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নৌকা মার্কার প্রার্থী বর্তমান মেয়র আনিছুর রহমান ও তার সমর্থকেরা। করছেন সভা সমাবেশ, দিচ্ছেন আধুনিক পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি। দিন রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন।

এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আনিছুর রহমান বলেন, টানা তিনবার জনগনের ভালবাসা ও ভোটে আমি শ্রীপুর পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করছি। এই দায়িত্বে থাকাকালীন সময় আমি সাধারণ মানুষের আশার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। গরীব এবং মেহনতি মানুষের পাশে সবসময় থাকার চেষ্টা করেছি। তাই এখানকার ভোটাররা নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে।

এদিকে, বিএনপি’র স্থানীয় রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকলেও এবারের পৌর নির্বাচনে সকল মতবিরোধ ভুলে দলের নেকাকর্মী সমর্থকেরা কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন। তারা তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৌরসভার প্রতিটি ঘরে দলীয় প্রতীক ধানের শীষের ছালাম পৌছে দিচ্ছেন। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়েছেন। তারা দেশে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীশ মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য ভোটার;ের আহবান জানান।

বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী খান বলেন, ২০ বছরের ঐতিহ্যবাহী প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা শ্রীপুর। বর্তমান মেয়র ৩ বার নির্বাচিত হওয়ার পরও শ্রীপুর পৌরসভায় উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন করতে পারেননি। তিনি শুধু সাধারণ মানুষকে আশার কথা শুনিয়েছেন। আমি নির্বাচিত হলে, শ্রীপুর পৌরসভা হবে দেশে অন্যতম একটি মডেল পৌরসভা। যদি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট হয় তাহলে ধানের শীষের জয় নিশ্চিত।

জগ প্রতীকের স্বতন্ত্র¿ মেয়র প্রার্থী শাহ আলম বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ এখনো ভালো আছে। তবে, শ্রীপুর পৌর শহরে আমার কর্মী-সমর্থকেরা পোষ্টার লাগিয়ে আসলে পরদিন সকালে আর দেখা যায় না। কে বা কাহারা রাতের কোনো এক সময় আমার ‘জগ’ মার্কার পোষ্টার ছিড়ে ফেলছে। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছি। যদি সুষ্ঠ ও নিরোপেক্ষ ভোট হয় তবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকতা মোহাম্মদ ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বলেন, আগামী ১৬ তারিখের নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু এবং প্রভাবমুক্ত করার জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। এরই মধ্যে ইভিএম-এ যেন সাধারণ মানুষ ভোট প্রদান করতে পারে সেই লক্ষ্যে এলাকায় লিফলেট বিতরণ, গত শুক্রবার (৮ জানুয়ারী) পৌরসভা এলাকার সকল মসজিদে, প্রতিদিন বিকেল থেকে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে ইভিএম প্রদর্শনী হচ্ছে।

আগামী ১৪ জানুয়ারী ২৬টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টপ পর্যন্ত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ওয়ার্ডে ড্যামি ভোটিং এর ব্যাবস্থা করা হয়েছে। ১২ এবং ১৩ জানুয়ারী মাইকিং করে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

জেলা নির্বাচন অফিসের দেয়া তথ্যমতে, শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ২৬টি। এর মধ্যে পুরুষ ভোট কেন্দ্র ১০টি, মহিলা ভোট কেন্দ্র ১০ এবং উভয় ভোট কেন্দ্র ৬াট। ভোট কক্ষ ১৯০টি এবং অস্থায়ী ভোট কক্ষ ২৬টি।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

ফুলবাড়ীতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: স্বাধীনতার মহান স্থপতি, বাংলার অবিসংবাদিত নেতা, রাজনীতির মহাকবি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখা।
রবিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার পোদ্দার মার্কেট সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে কর্মসূচীর শুরুতেই জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলণ করা হয়।এর পরে বিনম্র শ্রদ্ধায় ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপজেলা আঃ লীগ নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে জয়বাংলা, জয়বঙ্গবন্ধু, হাসিনা, নৌকা স্লোগানে গোটা ফুলবাড়ী শহরকে প্রকম্পিত করে তোলে। মিছিলটি ফুলবাড়ী সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। সেখানেই উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আতাউর রহমান শেখ এর সভাপতিত্বে অনু্ষ্িঠত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক তুখোর ছাত্র নেতা আহাম্মদ আলী পোদ্দার রতন, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ মিয়া, উপজেলা আ.লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নুরল হুদা দুলাল, উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হারুন-অর রশিদ হারুন প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ

পুলিশের প্রচেষ্টায় বাক প্রতিবন্ধী কিশোরী উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পুলিশের কঠোর প্রচেষ্টায় পটুয়াখালীতে এক কিশোরীকে উদ্ধার পূর্বক পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, মির্জাগঞ্জ থানাধীন ছৈলাবুনিয়া গ্রামের জনৈক নুরুজ্জামান শিকদার এর বাড়ীতে গত বৃহস্পতিবার রাত অনুমানিক ৮ টার সময় একজন বাকপ্রতিবন্ধী মেয়ে এসে উপস্থিত হন। উপায়ান্তর না পেয়ে জনাব নুরুজ্জামান শিকদার পরেরদিন ভোরবেলা অফিসার ইনচার্জ মির্জাগঞ্জ থানাকে অবহিত করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গঠিত নারী,শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্কের ইনচার্জ এসআই রিমা আক্তার কে তৎক্ষণাৎ অফিসার ইনচার্জ মির্জাগঞ্জ থানা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাসহ ছৈলাবুনিয়া গ্রামে প্রেরন করেন। কাল বিলম্ব না করে মির্জাগঞ্জ থানার এসআই রিমা আক্তার সরকারি গাড়িযোগে প্রতিবন্ধী মেয়েকে থানায় নিয়ে আসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একদিকে প্রতিবন্ধী মেয়েটির সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচর্যা অন্যদিকে শুরু হয় তার প্রকৃত ঠিকানার খোঁজে দিনরাত অহর্নিশ পরিশ্রম। অতি সযত্নে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় নাম,ঠিকানা ইত্যাদি। বার বার তিনি মুর্ছা যান। কোন কিছুই বলতে পারছিলেন না। শুধুমাত্র আলতো আলতো করে একটি অস্পষ্ট উচ্চারণ করেছিলেন। আর সেটি হল ‘ওপাড়’। এই ‘ওপাড়’ শব্দটি ছাড়া নিষ্পাপ মেয়েটি আর কিছুই বলতে পারছিলেন না। শুরু হলো এই ‘ওপাড়’ শব্দ থেকেই তার নিরুদ্দেশ ঠিকানার অজানা আবিষ্কারের প্রকৃত উন্মোচন। মির্জাগঞ্জ থানা থেকে পায়রা নদী পার হয়ে পটুয়াখালীর সদর থানা ‘ওপাড়ে’ যাওয়া যায় বিধায় সদর থানার মাধ্যমে বিস্তারিত খোঁজ নেয়া হলো। কিন্তু বিধি বাম। প্রচেষ্টা হলো নিষ্ফল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানার সীমান্তবর্তী বরগুনা জেলার বেতাগী নদী পার হয়ে ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার অবস্থান। সেই ‘ওপাড়’ কথাটি চিন্তা করেই এবার শুরু হলো কাঠালিয়া থানা এলাকায় অবিরাম গোয়েন্দাবৃত্তি। অবশেষে জানা গেল যে, উক্ত থানা এলাকায় ঝুমুর আক্তার (১৭) নামক এক প্রতিবন্ধী মেয়ের (পিতা-আব্দুল জলিল হাওলাদার গ্রাম-কচুয়া,থানা-কাঠালিয়া,জেলা- ঝালকাঠি) হারানো সংবাদে এলাকায় মাইকিং হয়েছে। কাল বিলম্ব না করে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের সদস্য এবং কাঠালিয়ার কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব এস এম আমিনুল ইসলাম লিটন শিকদারের মাধ্যমে উক্ত প্রতিবন্ধী মেয়েটির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়।
অবশেষে গতকাল ৯ জানুয়ারি অফিসার ইনচার্জ মির্জাগঞ্জ থানার আহ্বানে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের সদস্য জনাব এস এম আমিরুল ইসলাম লিটন শিকদার এবং বাক প্রতিবন্ধী মেয়ের মামা জনাব মোঃ কামাল হোসেন (পিতা- হাবিবুর রহমান, গ্রাম- কচুয়া, থানা-কাঠালিয়া,জেলা- ঝালকাঠি) দ্বয় মির্জাগঞ্জ থানায় উপস্থিত হন।অতি আদরের প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে পেয়ে মামা কামাল হোসেনের চোখে মুখে আনন্দের অশ্রু ধারা বয়ে আসে। নারী,শিশু,বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্কের মাধ্যমে অফিসার ইনচার্জ ও ডেস্ক ইনচার্জ মেয়েটিকে প্রকৃত অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করেন। থানায় অনাবিল আনন্দের এক ফল্গুধারা প্রবাহিত হয়। আনন্দে আত্মহারা হয়ে তারা বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জেলা পুলিশ পটুয়াখালীর প্রতি তাদের শ্রদ্ধা, আস্থা,বিশ্বাস ও ভালোবাসা শতগুনে বেড়ে যায়।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জানুয়ারি’২১/এমজ