আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2473

পরীক্ষণ বিদ্যালয় পিটিআই কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা

জিএম রাশেদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম : ২০২০ শিক্ষাবর্ষে ৫ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত শিক্ষাথীদেও শিখন মূল্যেয়ন সন্তোষজনক হওয়ায় এবং পরবর্তী শ্রেণীতে উন্নীত হওয়ায় যোগ্য শিক্ষার্থীদের সর্বঙ্গীণ সাফল্যে কামনা করে বিদায়ী সংবর্ধনা আয়োজন করেন পরীক্ষণ বিদ্যালয় পিটিআই কুড়িগ্রাম। গতকাল স্কুল প্রঙ্গণে সকাল ১০টায় উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপারিনটেনডেন্ট পিটিআই কুড়িগ্রাম মো: এনামুল হক। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ সুপার পিটিআই কুড়িগ্রাম মো: আলতাফ হোসেন। এবং প্রধনা শিক্ষক লায়লা আর্জুমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উক্ত বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বৃন্দ।

এ সময আলোচনা শেষে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আফসানা আক্তার জিনিয়া (রোল-০২) পিতা : সিনিয়র সাংবাদিক ডা: জি এম ক্যাপ্টেন এর মেধাবীকন্যা জিনিয়াকে প্রত্যয়ন পত্র সহ সেবা পুরুষ্কার প্রদান করা হয়। এবং ২০২০ সালে জাতীয় শিশু পুরুষ্কার প্রতিযোগিতায় খ বিভাগ থেকে তৃতীয় স্থান অধিকার করে পুরুষ্কারসহ সনদপত্র অর্জন করে। এছাড়াও উক্ত বিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন ধরনের চারুকলা ও খেলাধুলায় পুরুষ্কার পেয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

আশুলিয়ায় ফার্মেসীতে চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক :  আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর (কুরগাঁও সোসাইটির মোড়ে) গতকাল রোববার রাত আনুমানিক ৩-৪ টায় লাবণী ফার্মেসী নামে এক ওষুধের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। দোকান মালিক মো: রফিকুল ইসলাম হাওলাদার জানান রাত আনুমানিক ১ টার সময় তিনি দোকান বন্ধ করে বাসায় যান। যাওয়ার সময় তিনি একটি হোটেল খোলা দেখতে পান যা রাত ৩টা প্রর্যন্ত খোলা ছিলো। তিনি বলেন খাবার হোটেল রাত ৩টার সময় বন্ধ করা হয়েছে। সেই অনুপাতে আমার দোকান (লাবণী ফার্মেসি) তে রাত ৩টার পর চুরির ঘটনাটি ঘটে।
রফিকুল ইসলাম হাওলাদার আরো জানান, দোকানে থাকা নগদ ক্যাশ এক লক্ষ তিরাশি হাজার তিনশত টাকা সহ নামি দামি সব ওষুধ নিয়ে যায়। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় বার লক্ষ টাকা।
এ বিষয়ে, আশুলিয়া থানায় একটি চুরির অভিযোগ করা হয়েছে। বর্তমান অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তাধীন আছে।

মুজিববর্ষে জামালপুরে জমিসহ ঘর পাচ্ছেন ১৪৭৮টি ভূমিহীন পরিবার 

প্রতিনিধি, জামালপুর :  মুজিববর্ষ উপলক্ষে জামালপুরে ভূমিহীন পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে তৈরি হচ্ছে সারি সারি লাল-সবুজ টিনের ছাওনিতে গড়া একতলা সেমি পাকা ঘর। অসহায়, ঘর ও জমিহীন মানুষের জন্য সরকারের মুজিববর্ষের অঙ্গিকার এর বাস্তবায়নে এখানেও গড়ে উঠছে স্বপ্নের রঙে আঁকা ঘরগুলো।
জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায় সরকারের খাস জমিতে জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনায় গড়ে উঠছে ১৪৭৮ টি বসতঘর। এই ঘরগুলো ভূমিহীন মানুষের জন্য একেকটি স্থায়ী ঠিকানা। আর ক’দিন পরেই শিশুদের কোলাহলে মুখরিত থাকবে লাল এবং সবুজ টিনের সারি সারি ঘর।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় সারাদেশের মতো জামালপুর জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পূনর্বাসনের জন্য নির্মিত হচ্ছে ১৪ শত ৭৮ টি বসতঘর। জানুয়ারি মাসের মধ্যেই এই কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে জেলাব্যাপী শুরু হয়েছে এই মহাকর্মযজ্ঞ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে “ক” শ্রেণি তালিকাভূক্ত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের হাতে এ সব ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৪শত ৭৮ টি বসতঘরের নির্মাণ ব্যয় হবে ২৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
জামালপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: নায়েব আলী জানান, জেলার ইসলামপুর উপজেলায় ৮৮ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন, সদর উপজেলায় ৪শ’ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার, মেলান্দহ উপজেলায় ২৬০ জন, মাদারগঞ্জ উপজেলায় ১২১ জন, বকশীগঞ্জ উপজেলায় ১৪২ জন, সরিষাবাড়ি উপজেলায় ২৯৫ জন ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১৭২ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার শীঘ্রই জমিসহ এসব ঘর পাবে।
জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামূল হক বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না। আর তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের নিবিড় তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠছে আশ্রয়হীন মানুষের এসব স্বপ্নের ঠিকানা। স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের সহযোগিতায় দ্রুত নিমার্ণ কাজ চলছে। এরই মধ্যে ঘরের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বাকিগুলো নির্মাণাধীন আছে। চলতি মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর উপকারভোগীদের জমিসহ এসব ঘর হস্থান্তর করা হব’। মাঠ পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এই টাকায় তাদের জন্য ২০ ফুট বাই ২২ ফুট প্রস্থের ঘরে রয়েছে দু’টি কক্ষ, একটি রান্নাঘর, টয়লেট ও সামনে খোলা বারান্দা।
সরকারের মুজিববর্ষের অঙ্গিকার ‘আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ স্লোগানে সাড়া দিয়ে জেলার প্রতিটি ভূমিহীন ও ঘরহীন পরিবারের জন্য থাকছে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এসব বসতঘর।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

খিচুড়ি খেয়ে ২১ জন সংজ্ঞাহীন হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

সাদ্দাম সোহান, ফরিদপুর : ফরিদপুরে এক পরিবারের ছয় সদস্যসহ ২১ জন সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছেন খিচুড়ি খেয়ে । রবিবার বিকেল ৩ টার দিকে ফরিদপুর সদরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ডের বারোভাগিয়া গ্রামের মো. সিরাজ মাতুব্বরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। সংজ্ঞাহীন ওই ২১জন বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, রবিবার দুপুরে সিরাজ মাতুব্বরের বাড়িতে খাবারের জন্য পোল্টি মুরগী দিয়ে খিচুড়ি রান্না হয় পারিবারিকভাবে। এই খিচুড়ি খেয়ে সিরাজ মাতুব্বরের পরিবারের ছয়জনসহ জমিতে পিয়াজ রোপণের কাজে নিয়োজিত নয়জন শ্রমিক এক ঘণ্টার মধ্যে একে একে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। পরে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সংজ্ঞাহীনদের মধ্যে সিরাজ মাতুব্বর নিজেও রয়েছেন। এছাড়া তার পরিবারের তিন নারী ও এক শিশু রয়েছে।
প্রতিবেশী রুমী মাতুব্বর জানান, পোল্টি মুরগী দিয়ে রান্না করা খিচুড়ি খেয়ে খাদ্যে বিষক্রীয়া হয়ে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক সাইফুর ইসলাম বলেন, খাদ্য খেয়ে সংজ্ঞা হারিয়ে ২১ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।
ফরিদপুর সদর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার জানান, এ ব্যাপারে পুলিশের একটি দলকে ঘটনাস্থল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, শত্রুতাবশত কেউ ওই খাদ্যে কিছু মিশিয়ে দিতে পারে কিংবা চুরির মানসিকতা থেকেও এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

টাঙ্গাইলে গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল। গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল, ফুটছে ফুল আর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। সেই ঘ্রাণ বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। এ যেন আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত টাঙ্গাইল।

জাতীয় সঙ্গীতে- ‘ওমা ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে, মরি হায়, হায় রে, ও মা অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে কী দেখেছি মধুর হাসি’।

পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের ‘মামার বাড়ি’ কবিতার পঙক্তিতে – ‘আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা / ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে / মামার বাড়ে যাই। ঝড়ের দিনে মামার দেশে / আম কুড়াতে সুখ, পাকা জামের মধুর রসে / রঙিন করি মুখ।’

কথাগুলো বাস্তব রূপ পেতে বাকি রয়েছে আর মাত্র কয়েক মাস। তবে ইতোমধ্যেই সুখের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে।

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলায় রয়েছে প্রচুর আম বাগান। এছাড়াও ইদানিং ছাদ বাগানে সৌখিন চাষীরা বিভিন্ন প্রজাতির উচ্চফলনশীল আমের চাষ করে থাকেন।

ছাদ বাগানের মালিক সদর উপজেলার করটিয়ার রাসেল আনছারী জানান, তাদের ছাদ বাগানে লাগানো আম গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। মুকুল আসার আগে থেকেই গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছি। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করার কথা বলেন তারা।

শহরের বৈল্ল্যা এলাকার আলী হোসেন নামের এক বাগান মালিক আরও জানান, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।

ছাদে বাগান করে আম চাষ করা ও তার ভবিষ্যত নিয়ে বাংলাদেশ প্ল্যান্ট নার্সারিম্যান সোসাইটির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রবিন বলেন, কৃষিতে ছাদ বাগান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে ছাদে আম চাষ করা গেলে পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার বলেন, গাছে গাছে আমের মুকুল আসতে শুরু করেছে। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। এছাড়া আম গাছ সবসময় “অলটারনেট বিয়ারিং হেবিট” বা “এ বছর ফলন বেশি হলে পরের বছর ফলন কম হবে” পদ্ধতিতে ফল দেয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছি।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে এ বছর ৫ হাজার ৭২৯ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। এ বছর ৬৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের আশা করছি। পাশাপাশি ছাদ বাগান তো রয়েছেই। টাঙ্গাইলের সখিপুর, মির্জাপুর, মধুপুর, সদর ও ভূঞাপুরে সবচেয়ে বেশি আমের চাষ হয়। আর এসব জায়গায় আম্রপালী জাতের আমের চাষই সবচেয়ে বেশি হয়। এছাড়া বারি-৪, ল্যাংড়া জাতের আমের চাষও হয় টাঙ্গাইলে।

তিনি আরও বলেন, এ সময় বাগানে বসবাস করা হপার বা ফুদকী পোকা মুকুলের ক্ষতি করে। এ পোকা দমনে বালইনাশক স্প্রে করতে হবে। সেই সঙ্গে নিয়ে সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

রাঙ্গামাটিতে প্রিজমের পুতুল তৈরি প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রিজম প্রকল্প এবং হ্যান্ডিক্রাফটস্ শ্রমিক কল্যাণ সমিতির যৌথ আয়োজনে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে শুরু হলো পুতুল তৈরি বিষয়ক ৫ দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। আজ রোববার সকালে রাঙ্গামাটির সদর উপজেলার বাঘাইছড়িতে এ প্রশিক্ষণ কোর্সটি শুরু হয়। এতে ১৫ জন নারীকে বিনামূল্যে কাপড়ের পুতুল তৈরির উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। পুতুল তৈরিতে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রিজম প্রকল্প।

অন্য দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্লক ডিজাইনের উপর আরেকটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে প্রিজম প্রকল্প এবং ওমেন এন্টারপ্রেনার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ওয়েব। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ফুড অফিস মোড়ে আদিবা বুটিক হাউজ এবং টেইলরে ৫ দিনব্যাপী এ কর্মশালায় ১৫ জন নারীকে বিনামূল্যে ব্লক ডিজাইনের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

কর্মশালা দু’টি আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানা যায়।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের অভিযানে অবৈধ কাঠভর্তি ডাম্পার আটক   

প্রতিনিধি, কক্সবাজার : কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিশেষ টহল দলের অভিযানে অবৈধ কাঠভর্তি ডাম্পার গাড়ি আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ১২ টায় বিশেষ টহলদলের ওসি একেএম আতা এলাহীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে  বিভিন্ন জাতের প্রায় ১০০ ঘনফুট গামার  গোল কাঠ জব্দ করা হয়।  বিশেষ টহলকালে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে প্রায় ১০০  ঘনফুট গামার গোলকাঠ  উদ্ধারপূর্বক ব্যবহৃত ডাম্পার গাড়িসহ রেঞ্জ হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে।
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের শহর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিশেষ  টহল দলের ওসি একেএম আতা এলাহী  বলেন, সরকারি  বনভূমি উদ্ধার, বনজসম্পদ রক্ষার্থে বনবিভাগ সজাগ রয়েছে। নিয়মিত টহলকালে বনবিভাগের বিশেষ অভিযানে চোরাই গামার  কাঠ উদ্ধার করা হয়েছে ।
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক সোহেল রানা বলেন, বিশেষ টহল দলের অভিযানে ১০০ ঘনফুট গামার কাঠসহ ডাম্পার রেঞ্জ হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। ডাম্পার গাড়ি সহ জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সরকারি বনভূমি  উদ্ধার, বনজসম্পদ সুরক্ষাসহ সংরক্ষণে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

ঘোড়াশালে নারী শ্রমিকের আত্মহত্যার রহস্য উদঘাটন

প্রতিনিধি, নরসিংদী :  নরসিংদীর পলাশ ঘোড়াশালে নারী শ্রমিকের আত্মহত্যার রহস্য উদ্গাঠিত হয়েছে। বিয়ের দাবী মেনে না নেয়ায় প্রেমিকের বাড়িতে বিষপান করে জনি বেগম (২১) নামের এই তরুণী। বিষপানের পর মূমুর্ষু অবস্তায় প্রেমিকা জনিকে চিকিৎসার কথা বলে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় কথিত প্রেমিক মুঞ্জুর হোসেন (২৩)। হাসপালে নেয়ার পথেই জনি মারা যায়।
এই ঘঠনা ঘটে বৃহস্পতিবার সকালে। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে পলাশ থানায় নিহতেরর বাবা বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে কথিত প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
নিহত জনি বেগম গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নারগানা গ্রামের করিম মোড়লের মেয়ে। অপর দিকে কথিত প্রেমিক মুঞ্জুর হোসেন ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ধারারটেক গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, জনি ও মুঞ্জুর পলাশের স্যামরি ডাইং কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতো। কাজের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে তাদের সম্পর্কটি গভীরে পৌঁছালে জনি মুঞ্জুরকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে।
এক পর্যায়ে বিয়ে না করলে গেল বুধবার জনি বিয়ের দাবিতে প্রেমিক মুঞ্জুরের বাড়িতে গিয়ে উঠে। সেখানে মুঞ্জুর হোসেন বিয়ের দাবি প্রত্যাখ্যান করলে জনি বেগম বিষপানে আত্মহত্যা করে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো: নাসিরউদ্দিন জানান, ঘঠনার দিন কথিত প্রেমিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃতদেহ রেখে পালিয়ে যায়। পরে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে মামলা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মুঞ্জুর হোসেন পলাতক রয়েছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

নোয়াখালীতে গৃহবধূকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বিবস্ত্র করে নির্যাতন

প্রতিনিধি, নোয়াখালী : নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা ঘরে ঢুকে এক নারীকে (৩৪) ধর্ষণের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ, ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ছেলে মেয়েদের সামনে ওই নারীর ওপর বিবস্ত্র করে মধ্যযগেীয় কায়দায় নির্যাতন চালানো হয়।
গত ১ জানুয়ারি রাতে ২ নং চানন্দী ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মামলার পর তা প্রকাশ্যে আসে। সন্ত্রাসীরা মুঠোফোনে ওই নারীর বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করে করে যা গত শনিবার সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আদালতের নির্দেশে বিষয়টি তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।এর আগে গত ৫ জানুয়ারি ওই নারী জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -২ এ একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিচারক বাদির অভিযোগ আমলে নিয়ে হাতিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আদেশ দেন।মামলার এজাহারে ওই নারী উল্লেখ করেন, গত ১ জানুয়ারি স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্থানীয় জিয়া ওরফে জিহাদ, ফারুক, এনায়েত, ভুট্টু মাঝি ও ফারুক বাহিনী ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে সন্ত্রাসীরা তাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালায় এবং মুঠোফোনে সেই ভিডিও ধারণ করে।সেসময় তিনি তার ছেলে মেয়েদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হতে থাকলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
পরে স্বামী এসে তাকে উদ্ধার করে শনিবার ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতারে দুইদিন চিকিৎসা নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন ওই নারী।
এ ব্যপারে হাতিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম ফারুক জানান, আদালতের নির্দেশনা হাতে পাওয়ার পর গতকাল শনিবার তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যান। আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। অভিযুক্তদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

কুড়িগ্রামে নিম্নগামী তাপমাত্রায় দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের

প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে গত কয়েকদিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নীচে অবস্থান করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষজন। ঘন-কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় ব্যহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা। এ অবস্থায় সময় মতো কাজে যেতে পরছেন না শ্রমজীবীরা। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষি শ্রমিকরা।

গরম কাপড়ের অভাবে তীব্র শীত কষ্টে ভুগছে হতদরিদ্র পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধরা। অব্যাহত ঠান্ডায় বেড়েছে শিশু ডায়রিয়া। স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন