আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2472

আন্দরকিল্লা ৩২নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা

দিদারুল ইসলাম চৌধুরী : বুধবার (২০ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানাধীন ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ (ইউনিট-২) আমানত শাহ, বদর শাহ ও বদর পাতি অংশের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জহর লাল হাজারী।

বক্তব্য রাখেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. জাফর আহমেদ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, সহ সভাপতি এসএম আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন শাহ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা নওশেদ আলী খান, ওমর ফারুক বাদল, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জানে আলম, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আজম খান, নুর আলম নুরু সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২০ জনিুয়ারি-২০২১/জেডএন

সাভারে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার 

আলী হোসেন, সাভার : সাভারে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান (৪৫) নামের এক রাজমিস্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে মানিকগঞ্জের সিংগাইর থেকে সাভারে আসলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত (১৬ জানুয়ারি) সাভারের রাজাসন মন্ডলপাড়া এলাকায় বিকেল তিন টার দিকে নিজ ভাড়া বাসায় নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে হাবিবুর। হাবিবুর ওই এলাকার আফসার আলীর ছেলে। তিনি সাভারের রাজাশন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীর পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পৌর নির্বাচনের দিন খেলা করার সময় ডেকে নিয়ে নিজ ভাড়া বাসায় ধর্ষণ করে হাবিবুর। ঘটনার পর থেকে হাবিব গা ঢাকা দেয়। পরে তার আত্মীয়দের দিয়ে ফাঁদ পেতে সাভারের নিয়ে এসে তাকে গ্রেফতার করা হয়। স্বজনরা জানায়, ভুক্তভোগী ওই শিশু তার মামাতো বোনের সাথে বাড়ির পাশেই খেলা করছিলো। নির্বাচনের আমেজে সবাই ভোট কেন্দ্রে গেলে কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে হাবিবুর নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ওবায়দুল বলেন, কৌশলে হাবিবুর রহমানকে সাভারে নিয়ে এসে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আজ (২০ জানুয়ারি) আদালতে পাঠানো হবে। শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২০ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ

সফি সুুমন, আশুলিয়া : বুধবার (২০ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নবম পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও ৪৬ ডিভিশন লোকেটিং ব্যাটারি আর্টিলারি এর আয়োজনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রায় শতাধিক দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে ৯ আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম সাজেদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ক্যাপ্টেন জায়েদীদ হাসান আবীর ও ৪৬ ডিভিশন লোকেটিং ব্যাটারি আর্টিলারির সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

পরে স্বাগত বক্তব্যে ৯ আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম সাজেদুল ইসলাম বলেন, সম্মানিত সেনাপ্রধানের দিক নির্দেশনায় আমরা বর্তমানে দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের চলমান পরিস্থিতিতে অসহায়, দুস্থ এবং নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান কার্যক্রম সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। মাননীয় সেনাপ্রধানের দিক নির্দেশনায় আমরা এ শীতবস্ত্র ও ত্রাণ বিতরণ করছি।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২০ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

ব্যাংকের অলৌকিক টাকা পেয়েও নিলেন না মসজিদের ইমাম

প্রতিনিধি, (হাওরাঞ্চল) সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জে মসজিদের এক ইমাম অলৌকিকভাবে পেয়েছেন প্রায় পৌনে ৬লক্ষ টাকা। কিন্তু সেই টাকা তিনি নিজে খরছ না করে জমা দিয়ে দিয়েছেন ব্যাংকে। আর এই ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে উদার মনের সেই ইমামকে নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। সৌ-ভাগ্যবান সেই ইমামের নাম- মাওলানা হোসাইন আহমেদ। তিনি জেলার শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের শষারকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দিরাই উপজেলার শ্যামারচর বাজার জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরীতে অবস্থিত কৃষি ব্যাংকের শাখা কার্যালয়ে মাওলানা হোসাইন আহমেদের নামে একটি ব্যক্তিগত একাউন্ট রয়েছে। যার সঞ্চয়ী হিসাব নাম্বার হল-২৮৩৮। আর সেই একাউন্টে মাত্র ১০হাজার টাকা জমা রেখে ছিলেন ওই ইমাম। কিন্তু গত রবিবার ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে দেখা যায় তার একাউন্টে ৫লক্ষ ৯১হাজার ২৬৮টাকা রয়েছে। এরতা টাকা দেখে ইমাম হোসাইন আহমেদ অবাক হয়ে যান। তারপর সংশ্লিষ্ট কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজারকে এই বিষয়টি জানান। তিনি নিজের ১০হাজার টাকা একাউন্টে রেখে অলৌকিকভাবে পাওয়া ৫লক্ষ ৮১হাজার ২৬৮টাকা উত্তোলন করে ব্যাংকে ফেরত দেন। এই ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জে ইমাম হোসাইন আহমেদকে নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠে। আর সবার মাঝে একটাই প্রশ্ন উঠেছে- এই টাকার প্রকৃত মালিক তাহলে কে ?

আজ বুধবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় দিরাই উপজেলার শ্যামারচর বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হোসাইন আহমেদ আলোকিত প্রতিদিন-কে বলেন- টাকাগুলো মনে হয় ভুল বসত আমার একাউন্টে চলে এসেছে। এগুলোতো অন্যের টাকা, আমার উপার্জিত টাকা নয়। এই টাকায় আমার কোনো হক নেই। তাই টাকাগুলো আমি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়ে দিয়েছি। তারা যেন এই টাকার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করে টাকাগুলো ফেরত দিয়ে দেয়।

সংশ্লিষ্ট কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা তাপস মঞ্জুসা দেব আলোকিত প্রতিদিন-কে বলেন- ব্যাংকে ডিজিটাল একাউন্ট করার সময় হয়তো সংখ্যায় ভুল করে এই টাকাগুলো মাওলানা হোসাইন আহমেদের একাউন্টে চলে এসেছে। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে সঠিক মালিক না পাওয়ার কারণে ওই টাকাগুলো নিয়মানুযায়ী ব্যাংকের অতিরিক্ত হিসাবে জমা রাখা হয়েছে। তবে লোভকে ত্যাগ করে এতগুলো টাকা ফেরত দিয়ে মাওলানা হোসাইন আহমেদ উদারতার প্রমান দিয়েছেন।

আরোকিত প্রতিদিন/২০ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

শত বছরেও সরকারী অনুদান জোটেনি ছলেমান বিবির কপালে

প্রতিনিধি, পটুয়াখালী : গলাচিপার গজলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের উত্তর হরিদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছলেমান বিবি। বয়স ১০৫ বছর, তার কপালে জোটেনী সরকারী কোনো অনুদান। তিনি একবেলা ভালো খাবার ও চিকিৎসার জন্য সরকারি অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন।

ছলেমান বিবির বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে তার স্বামী প্রায় ৩৫ বছর আগে মারা গেছেন। এক ছেলে মারা গিয়েছেন। খুব কষ্ট করে লালন-পালন করে মেয়ে দু’জনকে বিয়ে দিয়েছেন। দুই ছেলে তার মায়ের কোনো খোঁজ খবর নেয় না। শেষ পর্যন্ত তার ঠাই হয় বড় মেয়ে কহিনুরের বাড়িতে। কহিনুরের স্বামী একজন দিন মজুর। মাঠে কাজ করে তার সংসার চলে। ছেলে মেয়ে নিয়ে তার সংসারেই অভাব লেগে থাকে। এর মধ্যে তাকে শ্বাশুরিকে বইতে হচ্ছে।

কহিনুরের স্বামী ফোরকান মিয়া জানান, আমার শ্বাশুরি বর্তমানে অচল, চলাফেরা করতে পারে না, হামাগুরি দিয়ে চলাফেরা করে, টাকার অভাবে তাকে পারিনি একটি হুইল চেয়ার কিনে দিতে। নেই কোনো চিকিৎসা। অভাবের সংসারে আমারাই চলতে হিমশিম খাচ্ছি। মৃত্যু পথযাত্রী আমার শাশুরী যদি একটু সরকারি কোনো ভাতা অথবা কোনো সরকারি অনুদান পেত তা হলে হয়তো উনার চিকিৎসা করাতে পারতাম। মানবতার মাতা, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী সেখ হাসিনার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনি এই অসহায় ছলেমান বিবির প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২০ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

দল সমর্থিত প্রার্থী তালিকায় নাম বাদ হওয়ায় সংক্ষুব্ধ দুই সংরক্ষিত (নারী) কাউন্সিলর প্রার্থী

প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম : দল সমর্থিত প্রার্থী তালিকায় নাম বাদ হওয়ায় সংক্ষুব্ধ দুই সংরক্ষিত (নারী) কাউন্সিলর প্রার্থী। চট্টগ্রামে নির্বাচনের ৭ দিন আগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী তালিকার বিজ্ঞাপনে নাম না দেখে সংক্ষুব্ধ হয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) দুই সংরক্ষিত (নারী) কাউন্সিলর প্রার্থী। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান ২৮, ২৯ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী জিন্নাত আরা বেগম (লিপি) এবং ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী জহুরা বেগম। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, ইতোপূর্বে চূড়ান্তভাবে আমাদের নাম ঘোষিত হলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন কমিটি-২০২১ প্রদত্ত বিজ্ঞাপনে এ দুইটি সংরক্ষিত আসনে বিদ্রোহী দুজনকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাম প্রকাশ করা হয়। এতে আমরা সংক্ষুব্ধ এবং মর্মাহত।

চসিকের ১৪টি সংরক্ষিত আসনে ঘোষিত নামের তালিকা থেকে একটি আসনে একজন প্রার্থীর বয়স কম হওয়ায় প্রার্থী বদল এবং আরেকটি আসনে প্রয়াত জননেতা মরহুম ইছহাক মিয়ার কন্যাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করাটা যৌক্তিক ছিলো। কিন্তু নির্বাচনের মাত্র ৭ দিন আগে দুইটি সংরক্ষিত আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষনা আত্মঘাতী ও ষড়যন্ত্রমূলক। তারা বলেন, আমরা দলের নিবেদিতপ্রাণ আদর্শিক কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হতে আপ্রাণ প্রয়াস চালিয়ে আসছি এবং ভোটারদের মনজয় করতে সমর্থ হয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তা আরজু। আওয়ামী লীগের সর্বশেষ প্রার্থী তালিকায় ২৮, ২৯ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে জিন্নাত আরা বেগম এবং ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হিসেবে জোহরা বেগমের নাম রয়েছে।

 

আরোকিত প্রতিদিন/২০ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

ফরিদপুরে পাচঁশত বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ২

প্রতিনিধি, ফরিদপুর : ফরিদপুর বর্ধিত পৌরসভা এলাকার গোয়ালকান্দি গ্রামের ইমন পাট্টাদারের বাড়ি থেকে দু’টি বস্তায় থাকা পাচঁশত ফেন্সিডিলসহ দু’জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন ওই এলাকার আছমত পাট্টাদার এর পুত্র ইমন পাট্টাদার ও শেখ আমির হোসেন এর পুত্র ইমরান শেখ।
এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনর্চাজ সুনীল কুমার কর্মকার জানান, জেলা শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এস আই শাহীনুর রহমান ডিউটি পালন কালে গোপন খবর পায় সদর উপজেলার গোয়ালকান্দি গ্রামের ইমন পাট্টাদারের বাড়িতে মাদক বিক্রির জন্য মাদক ব্যাবসায়ীরা অবস্থান করছে।
এরপর সেখানে গিয়ে ইমন পাট্টাদারকে আটক করলে তার কথা মতো তার বাড়ির পাশ থেকে দুটি বস্তায় থাকা পাচঁশত বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। এই কাজে এসময় তার সহযোগি ইমরান শেখকে আটক করা হয় বলেও তিনি জানান। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

কুড়িগ্রামের রৌমারী নব-নির্বাচিত ইউনিয়ন চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহণ

প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানগণ গত রবিবার (১৭ জানুয়ারি ) শপথ গ্রহন করেছেন। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের স্বপ্নকুঁড়ি হলরুমে শপথ বাক্য পাঠ করান কুড়িগ্রাম জেলা প্রশসক জনাব রেজাউল করিম।

নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হলেন চর শৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাইদুর রহমান দুলাল, দঁতভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব এস এম রেজাউল করিম ও বন্দরের ইউপি চেয়ারম্যান জনাব যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল কাদের সরকার।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: হাফিজুর রহমান ও এনডিসি হাসিবুল হাসান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান জলিল

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল: মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালি জাতীয় জীবনে একটি চেতনা ও অর্জনের নাম। স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা জীবন বাজি রেখে সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বলে আখ্যায়িত করা হয়। যা মুক্তিযোদ্ধাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের এই বীরত্বগাঁথা সংগ্রামে ইতিহাস যেমন জাতিকে গর্বিত করে তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বঞ্চনা আর যথাযথ সম্মান না পাওয়ার বিষয়টিও ব্যথিত করে।এমনি এক ৭১’র রঙ্গাণে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া আব্দুল জলিল মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি। তিনি টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার হেড়ন্ড পাড়া গ্রামের মৃত মানিক মিয়ার ছেলে।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হতে শুনা যায় ৯ মাস যুদ্ধ করেও স্বীকৃতি না পাওয়ার আক্ষেপ। সুযোগ সন্ধানি কিছু স্বার্থপর মানুষ যুদ্ধ না করেও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অর্šÍভূক্তি হয়েছেন। তাই ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার হালনাগাদ হলেও মামু, দুলালাভাই, তদবীর না থাকায় তালিকায় আসেনা না অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার নাম। অবহেলা অযত্নে পরে থাকে সত্যিকার মুক্তিযোদ্ধার গল্প।

তেমনি ৭১’র এক সম্মুখ যোদ্ধা আব্দুল জলিল। তার বাড়ি দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নের হেড়ন্ড পাড়া গ্রামে।আব্দুল জলিল স্বাধীনতা যুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরের বাতেন বাহিনীতে কোম্পানি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্বা একে এম শাজাহান এর অধীনে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সনদপত্র লাভ করেন। তিনি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ও টাঙ্গাইলের নাগপুরের সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকায় নাম উঠে আসে তার। কিন্তু পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাইয়ে সাক্ষাতকার না দেয়ায় জলিল তালিকা থেকে বাদ পড়ে । দীর্ঘদিন যাবৎ অনেক চেষ্টা তদবীর করার পরও মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকায় তার নাম লিপিবদ্ধ হয় ‘খ’শ্রেনির তালিকায়। প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েও ক এর স্থলে খ তালিকায় নাম থাকায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিতে পারছেন না তিনি। গায়ের মানুষ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে জানলেও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃতি পাননি তিনি। যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে জলিল এ প্রতিবেদক কে বলেন, আমি দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করেছি। পাক হানাদারের বুলেটের ভয় করিনি। ৫০ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি পাইনি। অনেক চেষ্টা তদবির করে আজ আমি ক্লান্ত। ভুগছি নানা রোগে। কবে অপারে চলে যাব তার ঠিক নেই। মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাই এটাই আমি চাই।

জীবতাবস্থায় বাতেন বাহিনীর প্রধান খন্দকার আব্দুল বাতেন ,জলিলকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রত্যয়ন প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে, দেলদুয়ার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবলু বলেন, আব্দুল জলিল বৈধ মুক্তিযোদ্ধা।উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল কর্তৃক যাচাই-বাচাই পুর্বক তার নাম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন

দেশি পেঁয়াজের দামে খুশি ক্রেতা, হতাশ কৃষক

প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ে দেশি পেঁয়াজের দামে ক্রেতারা খুশি হলেও, হতাশ এ জেলার কৃষকরা। আর আমদানি করা পেঁয়াজের কারণে বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কম বলছেন চাষীরা। কৃষি বিভাগ বলছে, উন্নত বীজ সরবরাহ ও ন্যায্য দামের নিশ্চয়তা থাকলে বাড়বে পেঁয়াজের আবাদ, আমদানি নির্ভরতা কমে বাজারও হবে স্থিতিশীল।
সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। যা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার টন। প্রতি বছরেই পেঁয়াজ চাষ করে প্রায় মৌসুমে লোকসান গুণতে হয় চাষীদের। যে সময়ে ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ ওঠানো শুরু হয় তখনও আমদানি হয়। ফলে পড়ে যায় বাজার দর। এ অবস্থায় অনেকেই পেঁয়াজ চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। কিন্তু গত বছরের লাগামহীন বাজার তাদের আবারও উদ্বুদ্ধ করে পেঁয়াজ চাষে। আমদানি করা পেঁয়াজের সাথে দামে টিকতে না পেরে এবারও লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাষীরা।
চাষীরা জানান, আমাদের পোষাবে কীভাবে- যখন আমাদের পেঁয়াজ ওঠে, তখন বিদেশ থেকেও নিয়ে আসা হয়। আবাদ করতে অনেক টাকা-পয়সা লাগে। যখন পেঁয়াজ ওঠানো হয় তখন দাম যায় কমে। কৃষকদের দাবি, দামের নিশ্চয়তা আর আবাদে প্রণোদনার দেওয়ার। পেঁয়াজ চাষীরা বলেন, পেঁয়াজ রাখার জন্য যদি সরকার ব্যবস্থা করতো তাহলে আমাদের উপকার হতো। কৃষকদের দাবির সাথে একমত কৃষি বিভাগও।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আফতাফ হোসেন বলেন, পেঁয়াজের সংরক্ষণ এবং বীজের সহজ লভ্যতা, বিভিন্ন দিক যদি আলোকপাত করতে পারি তাহলে আমরা আরও সুফল পাবো বলে আশা করি।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮ জানুয়ারি-২০২১/জেডএন