আজ শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 247

জুলাই সনদ বাস্তবানে আমরা যেন আইনের বাইরে না যাই: সালাহউদ্দিন আহমেদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে আমরা যেন কোনোভাবে আইনের বাইরে না যাই, সংবিধানের বাইরে না যাই। এমন কিছু যেন না করি যার ফলে এসব বিষয় ভবিষ্যতে আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

২৬ অক্টোবর রবিবার দুপুরে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদ হবে জাতীয় জীবনে রাজনৈতিক সমঝোতার একটি ঐতিহাসিক দলিল, পূর্ণাঙ্গ দলিল। যা বাস্তবায়নের জন্য আমরা সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট ফোরাম হচ্ছে একটি নির্বাচিত জাতীয় সংসদ। এখানে কোনো দলের সেই বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু সেই জাতীয় সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যাতে জাতীয় সংসদ বাধ্য থাকে। এখন সেই প্রস্তাব জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছ থেকে অথবা সুপারিশ সরকারের কাছে দেওয়া হবে। সেই সুপারিশটা দেওয়ার পরেই আমরা জানতে পারবো। কি কি প্রক্রিয়ায় সেই আইনিভিত্তিটা রচনা করতে চাইছি।

তিনি আরও বলেন, আমি সবার অবগতির জন্য বলতে চাই, সব রাজনৈতিক দলের উদ্দেশে বলতে চাই, জনগণের উদ্দেশে আবেদন করতে চাই, আমরা যেন কোনোভাবেই আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে না যাই। সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বাইরে না যাই। আমরা যেন এই জাতিকে একটি সুষ্ঠু নিয়মতান্ত্রিক ধারার মধ্যে দিয়ে পরিচালিত করি। জনগণের অভিপ্রায়কে বাস্তবায়ন করার জন্যই আমরা সবাই সংবিধানের আশ্রয় নিয়েছি। এবং সাংবিধানিকভাবেই এই সরকার গঠিত হয়েছে। এখনো পর্যন্ত আইনানুকভাবে সাংবিধানিকভাবে আমরা এই রাষ্ট্রটা পরিচালনা করছি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে গণঅধিকার পরিষদ পর্যন্ত বাংলাদেশের জনগণের এবং এই দেশের স্বার্থ রক্ষায়, বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য যে ধারাবাহিক সংগ্রাম, সেই সংগ্রামের এই বিকল্প নাম হচ্ছে গণঅধিকার পরিষদ। রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাসে বিগত ১৬ বছর ১৭ বছরের যে ধারাবাহিক সংগ্রাম, সেই সংগ্রামে যতগুলো রক্তের সিঁড়ি নির্মিত হয়েছে তার মধ্যে গণঅধিকার পরিষদের নির্মিত সিঁড়ির সংখ্যা কম নয়। এখনো পর্যন্ত নুরুল হক নুরের কেন জানি আন্দোলন সংগ্রামে প্রহরিত হওয়ার একটা ইতিহাস, সেই ইতিহাসে দীর্ঘ অবদান আছে, এখনো পুলিশের লাঠি নুরের পিঠ; এটা যেন একটা বিশাল সম্পর্কের বিষয় রয়েছে। এটা আমাদের জন্য অতীতে গৌরবের ছিল। বর্তমানের জন্য গৌরবের নয়। এই সময়ে কেন সেটা হবে?

তিনি বলেন, আমরা রাজপথে কথা বলার জন্য, দাবির আদায়ের জন্য, সংগ্রামের জন্যই গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্যই রক্ত দিয়েছি। সুতরাং ভবিষ্যতে যাতে রাজপথে জনগণের কথা বলার অধিকার, সংগ্রামের অধিকারের উপর কোনো রকমের হামলা না হয়, সেই চেষ্টা আমাদেরকে করতে হবে। আমরা এই অধিকারগুলো এবং এই আইনগুলো বাস্তবায়নের জন্যই ভবিষ্যতে আমাদেরকে কাজ করতে হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আগামী দিনে নির্বাচনের কথা বলতে পারছি। আমরা জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি এবং মোটামুটি সবাই স্বাক্ষর করেছেন। এখনো এনসিপিসহ দুই একটি দল স্বাক্ষর করার সুযোগ পায়নি। কারণ, তাদের কিছু দাবি দাওয়া আছে সেই দাবি দাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আলাপ আলোচনা হচ্ছে, হয়ত আশা করা যায় তার একটা সুষ্ঠু ন্যায় সমাধান হবে। তারপরে তারাও স্বাক্ষর করতে পারবে।

গণধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে দলের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম

মেট্রো লাইনের বিয়ারিং প্যাড পড়ে পথচারীর মৃত্যু, চলাচল বন্ধ

dhakapost

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার ফার্মগেট এবং বিজয় সরণির একটি অংশে মেট্রো লাইনের ভায়াডাক্টের চারটি স্প্রিং থেকে একটি স্প্রিং সরে যায়।

উল্লেখ্য,মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেলের লাইনের নিচে পিলারের সঙ্গে রাবারের এসব বিয়ারিং প্যাড থাকে। এগুলোর প্রতিটির আনুমানিক ওজন ১৪০ থেকে ১৫০ কেজি।

এ ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ আছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম

নিজামী-মীর কাসেম-সালাউদ্দিন কাদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকামী শক্তিগুলোর ওপর ফ্যাসিবাদী সরকারের দমনপীড়নের কথা জাতি ভুলে যায়নি। ৬০ লাখ কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা, ২০ হাজারের বেশি নেতাকর্মী খুন এবং গুমের শিকার হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নয়া দিগন্তের মালিক মীর কাসেম আলী, সালাউদ্দিন কাদেরসহ অনেক আলেম-ওলামাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলায়। এগুলো এ জাতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়।

২৫ অক্টোবর শনিবার শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নয়া দিগন্ত আমাদের কাছে সংগ্রামের আরেক নাম। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে এই পত্রিকার সাংবাদিক, সম্পাদক, প্রকাশক ও কর্মীরা অকথ্য নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তবুও তারা ধৈর্য, সতর্কতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চালিয়ে গেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে এই পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর ছিল দমনপীড়নের ভয়াবহ ছায়া। তবুও তারা গণমানুষের চেতনা ও সত্যের সংবাদ প্রচারে অটল ছিলেন। বিএনপি মহাসচিব তাদের এ সাহসিকতা এবং পেশাদারিত্বের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, এই দেশবাসী একটি স্বাধীন এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চায়– এমন বাংলাদেশ, যা কোনো বিদেশি শক্তির নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের ইচ্ছায় পরিচালিত। এই পত্রিকা সে লক্ষ্যে গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছে।

বিএনপি মহাসচিব ১৯৭৫ সালের বাকশাল শাসনের সময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের দুঃসময়কে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, তখন সাংবাদিকরা বেকার হয়েছিলেন, অনেকে রাস্তায় হকারি করেছেন। পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৬’ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়েছে। সংস্কার সনদে স্বাক্ষরিত দলগুলোর ঐক্যের মাধ্যমে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে সবাইকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

বক্তব্য শেষে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নয়া দিগন্ত পরিবারকে শুভেচ্ছা জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

নবীনগরে বিএনপি নেতাকে গুলি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক, বিএনপি নেতা মফিজুর রহমান মুকুল (৫৭) দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন।  ২৪ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবীনগর পৌর সদর এলাকার পদ্মপাড়ায় তাঁর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। তাঁকে আহত অবস্থায় নবীনগর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
জানা যায়-মফিজুর রহমান মুকুল উপজেলার বিটঘর ও শিবপুর ইউনিয়নে দলীয় কর্মসূচি শেষে রাতে নবীনগর সদর পদ্মপাড়ায় নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ির নিকট আসলে পেছন থেকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে তিনটি গুলি করে পালিয়ে যায়।
নবীনগর সরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান জানান-“মফিজুর রহমান মুকুলের শরীরের পেছনে তিনটা গুলি লেগেছে। পিঠের মাঝ বরাবর দুটি এবং শরীরের নিচের অংশে একটি গুলি লেগেছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে”।
নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর  ইসলামকে বলেন-“খবর পেয়ে আমরা  দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আমাদের তদন্ত চলছে। অপরাধী যেই হোক আমরা খুঁজে বের করবই”।
এ ঘটনার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন। দুষ্কৃতিকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

চকরিয়ার সেই ওসি এবং চট্টগ্রামে এসেও জড়িয়েছেন বিতর্কে শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

বিজ্ঞপ্তিঃ  আমি পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) , মোঃ মনজুর কাদের ভূঁইয়া, ওসি হাটহাজারী থানা, চট্টগ্রাম দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার ২৫/১০/২০২৫ইং তারিখ শনিবার অনলাইনে প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতিবাদে জানাচ্ছি যে, উক্ত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

 

প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, অপপ্রচার, মানহানিকর এবং অতিরঞ্জিত। সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে যে, “এবার আসামীর ছবি তোলার কারণে কয়েকটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসালেন তিনি খুনের শিকার হওয়া স্কুল ছাত্রের ভাইকে” প্রকৃত তথ্য হচ্ছে স্কুল ছাত্র তানভির হত্যাকান্ডের ৬ ঘন্টার মধ্যে হাটহাজারী থানা পুলিশ ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ৩জন কিশোরকে আটক করে। তাদের প্রত্যেকের বয়স ১৬/১৭ বছর। শিশু আইন অনুযায়ী বয়স ১৮ বছরের নিচে প্রত্যেকেই শিশু। কোন অপরাধের সাথে শিশু জড়িত থাকলে তাদেরকে আসামী বলা যাবে না, তাদের নাম ঠিকানা, ছবি সর্বসাধারনের নিকট প্রকাশ করা যাবে না। তাদেরকে পৃথক শিশু আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ্য করতে হয়। অপরাধের সাথে জড়িত শিশুদেরকে হাতকড়া পরানো যায় না।

আটক শিশুদেরকে পরেদিন কোর্টে প্রেরনের সময় রায়হান নামের জনৈক যুবক থানার ভিতর ডুকে শিশুদের ছবি ও ভিডিও ধারন করতে থাকে। দায়িত্বরত পুলিশ তাকে নিষেধ করলে সে বেপরোয়ারা হয়ে পুলিশের উপর চড়াও হয়, কর্তব্যরত পুলিশের কলার ধরে টানাটানি করে, ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়, আসামীদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

উল্লেখ্য যে উক্ত যুবক আগের দিন রাতেও উপস্থিত অনেক সাধারন জনগনের সামনে হাটহাজারী থানায় প্রবেশ করে পুলিশের সাথে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হয়। হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযানে আমি সহ আভিযানিক দল ব্যস্ত থাকায় উক্ত যুবককে বুঝিয়ে থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। থানার অভ্যন্তরে পুলিশের কাজে বাধা ও আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে আহত করায় তাকে আইনানুগভাবে আটক করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। পরবর্তীতে জানা যায় যে, ১৫/১০/২০২৫ইং তারিখ চাকসু নিবার্চনের দিন রাতে বেলা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১নং গেইটে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী তারেক আজিজ মহোদয়কে ইট মেরে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা আছে। উক্ত যুবককে যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে প্রেরন করা হয়। অথচ প্রতিবেদনে এএসব উল্লেখ না করে মিথ্যা মামলায় উক্ত যুবককে ফাঁসানোর কথা বলা হয়েছে। যা পাঠকপ্রিয় জাতীয় দৈনিক মানবজমিনের সাংবাদিকের প্রতিবেদনের নিরপেক্ষতা ক্ষুন্ন হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মনজুর কাদের ভূঁইয়ার রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অথচ প্রকৃত তথ্য হচ্ছে হত্যাকান্ডের ৬ ঘন্টার মধ্যে জড়িত ৩জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হওয়ায় হাটহাজারী থানা পুলিশের প্রতি স্থানীয় মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছে।

 

 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে জনৈক রিপোর্টার মনসুর আলম মুন্নাকে ওসি মনজুরের ঘুষ বানিজ্য ও অনিয়মের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে অপহরণ করে চকরিয়া থানা হেফাজতে আটক করে নির্যাতন করে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। প্রকৃত তথ্য হচ্ছে উক্ত মনসুর আলম মুন্না একজন পেশাদার চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী। সে বহুবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে। যা জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় তার মাদক সহ ছবি ও আটকের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গত ৪/১০/২০২৫ইং তারিখ দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর নামক পত্রিকায় উক্ত মনসুর আলম মুন্নার বিষয়ে বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদের https://www.facebook.com/share/17GzvYG9wp/

 

সংবাদ অনুসারে উক্ত মনসুর আলম মুন্না বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ সহ অফিসারদেরকে টার্গেট করে মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ব্লাকমেইল করে। গত ২৪/০২/২০২২ইং তারিখ পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেফতার হয়। ২৩/০৪/২০২২ইং তারিখ চাঁদাবাজী অভিযোগে র‌্যার্ব কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়। এর আগে প্রথমবার কক্সবাজার মডেল থানায় ভূয়া সাংবাদিক ও চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার হয়। কিছুদিন পূর্বে সে কক্সবাজার আদালত ভবনে গণধোলাইয়ের শিকার হয়, তারপরে চট্টগ্রাম আদালত ভবনে গণধোলাইয়ের শিকার হয় মর্মে জানা যায়। চকরিয়া এলাকায় তার চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ হয়ে সাধারন মানুষ তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে। বর্তমানে সে গণপিটুনির ভয়ে এলাকায় প্রবেশ করতে পারে না। কিছুদিন পূর্বে চাঁদাবাজীর অভিযোগে তাকে কক্সবাজারের স্থানীয় গণসংযোগ পত্রিকা থেকে বহিষ্কার করেছে। আমি কক্সবাজার চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ থাকাকালীন সময় উক্ত মনসুর আলম মুন্না মিথ্যা মানহানিকর একটি সংবাদ প্রস্তুত করে প্রকাশের ভয় দেখিয়ে আমার নিকট টাকা দাবী করে। আমি একজন পেশাদার এবং সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় তার এই মিথ্যা সংবাদের বিষয়কে গুরুত্ব না দিয়ে তৎক্ষনিকভাবে আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তার প্রেরিত সংবাদের স্ক্রীনশট পাঠিয়ে অবহিত করি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি নিজে বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর মামলা দায়ের করি। মামলার প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে গ্রেফতার করে কোর্টে প্রেরন করে। মামলাটি বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে।

 

উক্ত মনসুর আলম মুন্না জামিনে এসে তার পূর্বের চরিত্রে আবার ফিরে যায়। সে বিভিন্ন লোকজনকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা কক্সবাজার আদালতে দায়ের করে। তাকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী কর্মকর্তা । গ্রেফতার অভিযানে আমি না থাকা সত্বেও আমাকে অভিযুক্ত করে অপহরণ সহ আরো অন্যান্য মামলা দায়ের করে। অথচ প্রতিবেদনে এই সমস্ত তথ্য উপস্থাপন না করে একপেশে রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে ১৭ইং ফেব্রুয়ারীতে তার দেবরকে আটক করে জামিনযোগ্য ধারায় চালান দেওয়ার কথা বলে ১০ লক্ষ টাকা দাবী করে। টাকা না দেওয়ায় গভীর রাতে বসত ঘরে ঢুকে যৌন হয়রানী ও শ্লীলতাহানী করেন ওসি। অথচ প্রকৃত তথ্য হচ্ছে দক্ষিন চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় গরু চোর সিন্ডিকেটের প্রধান ৩২ মামলার আসামী নবী হোসেনকে গ্রেফতার করে তার স্বীকারোক্তি মতে তার নিয়ন্ত্রনাধীন বাড়ি থেকে রাতের বেলায় বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। যমুনা টেলিভিশনের ক্যামেরা পার্সন আভিযানিক দলে থেকে সম্পূর্ন অভিযান ভিডিও ধারন করেন। অভিযানে আমি না থাকা সত্বেও উক্ত মনসুর আলম মুন্না আমাকে অভিযুক্ত করে জনৈক মহিলা দিয়ে আদালতে যৌন নির্যাতনের মামলা দায়ের করে যা বিচার বিভাগীয় তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

২০১৩ সালে আমি কক্সবাজারের ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ থাকাকালীন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার রায় ঘোষনার পরে সারা বাংলাদেশের পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে পড়ে। একই দিনে কক্সাবাজার সদর হাসেমীয়া মাদ্রাসার সামনে পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে ৭ জনের মতো মানুষ নিহত হয়। ইদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রে জেলা পুলিশ লাইন্স থেকে ওসি ডিবির নেতেৃত্বে একদল পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। মারমুখী একদল লোক ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রে আগুন ধরাতে আসলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত হয়। উক্ত ঘটনায় মামলা রুজু হয়ে বিচারকাজও শেষ হয়। বর্নিত মনসুর আলম মুন্না মৃতের আত্মীয়কে ভূলবুঝিয়ে জোর করে আমাকে সহ আসামী করে কোর্টে মামলা রুজু করে। সে বিভিন্ন জায়গায় এই মামলা সমূহের কথা উল্লেখ করে আমাকে আমার সম্মানহানী করে আসছে। অথচ প্রতিবেদনে এই ধরনের কোন তথ্য উল্লেখ না করে আমার কোন বক্তব্য না নিয়ে একতরফা ভাবে মনসুর আলম মুন্নার লিখিত কথা অনলাইনে প্রকাশ করেছে। হুবহু একইভাবে অন্যান্য পত্রিকায়ও পরিকল্পিতভাবে একই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

 

মানবজমিনের মতো পাঠক নন্দিত জাতীয় দৈনিকে এই ধরনের মিথ্যা অতিরঞ্জিত সংবাদ কপি করে প্রচার করা পত্রিকার নিয়মনীতিতে সমর্থন করা কথা নয়। সংবাদপত্র জাতির দর্পন, মানুষ পত্রিকায় যা পড়ে তা বিশ্বাস করে। ভূল ও মানহানিকর তথ্য প্রচার পেলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিদারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হল এবং প্রকৃত তথ্য যথাযথ প্রকাশ করবে এই প্রত্যশা করি।

ইতালিতে ক্যাথলিক পুরোহিতদের যৌন নির্যাতনের শিকার ৪৪০০ জন, অভিযোগ মানবাধিকার কর্মীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইতালিতে ক্যাথলিক পুরোহিতদের হাতে গত পাঁচ বছরে অন্তত চার হাজার ৪০০ জন যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০২০ সাল থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ অক্টোবর শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীদের সংগঠন রেতে এল আবুজো। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ফ্রান্সেস্কো জানার্দি জানান, ভুক্তভোগীদের বয়ান, বিচার বিভাগীয় সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ওই হিসাবটি তৈরি করা হয়েছে। তবে এসব নির্যাতনের ঘটনার সময়কাল স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। ইতালির বিশপ সম্মেলন (সিইআই) এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশন সিইআইয়ের ব্যাপক সমালোচনা করেছিল। ক্যাথলিক চার্চের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাপী শিশু নির্যাতনের কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবুও ইতালির স্থানীয় চার্চ নেতারা এ বিষয়ে তুলনামূলকভাবে কম উদ্যোগী ছিলেন।

চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো ধর্মযাজকদের হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পোপ লিও। নতুন বিশপদের উদ্দেশে অভিযোগ গোপন না করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

এর আগে, প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস ১২ বছর দায়িত্ব পালনকালে এই অপরাধ দমনকে তার অন্যতম অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছিলেন, যদিও ফলাফল ছিল মিশ্র।

গত ১৬ অক্টোবর ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইতালির ২২৬টি ডায়োসিসের মধ্যে মাত্র ৮১টি শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্নাবলির উত্তর দিয়েছে, যা চার্চের নিষ্ক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

রেতে এল আবুজোর তথ্য অনুযায়ী, তারা এক হাজার ২৫০টি সন্দেহভাজন নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে, যার এক হাজার ১০৬টিই পুরোহিতদের বিরুদ্ধে। বাকিগুলোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সন্ন্যাসিনী, ধর্মীয় শিক্ষক, সাধারণ স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষাবিদ এবং স্কাউট সদস্যরা।

মোট ভুক্তভোগীর সংখ্যা চার হাজার ৬২৫। তাদের মধ্যে চার হাজার ৩৯৫ জনের নির্যাতনকারী ক্যাথলিক পুরোহিত। সংগঠনটির তথ্যমতে, চার হাজার ৪৫১ জন ভুক্তভোগীর বয়স ছিল ১৮ বছরের নিচে এবং প্রায় সমসংখ্যক চার হাজার ১০৮ জন ভুক্তভোগী ছিলেন পুরুষ।

এক হাজার ১০৬ জন সন্দেহভাজন ক্যাথলিক পুরোহিতের মধ্যে মাত্র ৭৬ জনের বিরুদ্ধে চার্চ আদালতে বিচার হয়, ১৭ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়, সাতজনকে অন্য গির্জায় স্থানান্তর করা হয় এবং ১৮ জনকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বা তারা পদত্যাগ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

প্রথমবারের মতো আমেরিকা থেকে সরকারিভাবে গম আমদানি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আলোকে বাংলাদেশ সরকার প্রথমবারের মতো সরকার টু সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করছে।  খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, এই চুক্তির আওতায় মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করা হবে, যার প্রথম চালান হিসেবে ৫৬ হাজার ৯৫৯ মেট্রিক টন গমবাহী জাহাজ আজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে।জাহাজে রাখা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গমের নমুনা পরীক্ষা শেষে দ্রুত খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ৫৬ হাজার ৯৫৯ মেট্রিক টন গমের মধ্যে ৩৪ হাজার ১৭০ মেট্রিক টন চট্টগ্রামে এবং অবশিষ্ট ২২ হাজার ৭৮৯ মেট্রিক টন গম মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

দুর্নীতির অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান আমিনুল হক কে অপসরণের দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ রাশেদুল ইসলাম :
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল  চেয়ারম্যান আমিনুল হক কে অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন করেছে পরিষদের ১০ ইউপি সদস্য ও স্থানীয়রা। এসময়ে আমিনুল হকের বিরুদ্ধে ভিজিএফ’র চাউল গোডাউন থেকে বিক্রি করা সহ নানান অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন।
২৫ অক্টোবর শনিবার বেলা ১২ টায় ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মানববন্ধন করেন। এর আগে পরিষদের হল রুমে সংবাদ সম্মেলন ও করেন ইউপি সদস্যের।
সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন,’আমিনুল হক ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন গত আট মাস ধরে। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ভি.জিএফ এর চাউল গোডাউন থেকে উত্তোলনের সময়েই
ছয় টন চাউল বিক্রি করে দেন। পরে এবিষয়টি জানতে পারেন। পরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের চাউল বিক্রি করার মতো ঘটনা আর কখনো ঘটবে না। এরপরেও ঈদুল আযহার ভিজিএফ এর চাউল ৫০ কেজি ওজনের ২০ বস্তা চাউল বিক্রি করে দেন আবার। এছাড়াও পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পে তিনি টাকা ছাড়া ইউপি সদস্যদের প্রকল্প দিতে চান না। টাকা দিলে তিনি প্রকল্প দিয়ে থাকেন। ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্প নিজ ইচ্ছামত করেছেন। এবিষয়ে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা চাই যে এই প্যানেল  চেয়ারম্যান কে অপসারণ করে নতুন করে একজনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি করছি।
ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন লেবু বলেন,’আমিনুল হক  তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পরেই দুটি ঈদের চাউল খাদ্য গোডাউন থেকেই বিক্রি করে দিয়েছেন। পরে আমরা তাকে হাতেনাতে ধরে ছিলাম।ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা চারটি প্রকল্প তিনি নিজ ইচ্ছামতো করেছেন। আমরা প্রকল্পের কাজ করতে চাইলে তিনি বলেন আগে টাকা দিতে হবে পরে প্রকল্প নিতে হবে। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স আদায় তাঁর একক সিদ্ধান্তে বন্ধ করে দিয়েছেন। এছাড়াও আট মাস ধরে আমাদের সম্মানী ও বন্ধ করে দিয়েছেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,’ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদীন লেবু, মুসলিম উদ্দিন ও ফরহাদ হোসেন। এছাড়াও সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফজলুল হক, আব্দুল গফুর, আনোয়ার হোসেন, মাসুদ রানা, জুয়েল রানা, নুরেজা বেগম ও  শাহানাজ বেগম।
এ বিষয়ে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  এস.এম.আলমগীর হোসেন বলেন,’লিখিত অভিযোগ দিয়ে ছিলেন। আমরা সেটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। \
আলোকিত প্রতিদিন/২৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

চট্টগ্রাম করকর্মকর্তা সুমন মজুমদারের বিরুদ্ধে দুই অভিযোগ: কলকাতায় জমি-বাড়ি ক্রয় 

মুহাম্মদ জুবাইর:
চট্টগ্রামে কর দুর্নীতির ঝড়: দুই অভিযোগ সুমন মজুমদারের বিরুদ্ধে
সুমন মজুমদারের বিরুদ্ধে ঘুষ-জালিয়াতির দুই অভিযোগ তদন্তের দাবি
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ জমা দুটি অভিযোগপত্রে চট্টগ্রামের রাউজান সার্কেলের অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার মোঃ সুমন মজুমদারের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি নথি জালিয়াতি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের এই অভিযোগগুলো রাজস্ব বিভাগের স্বচ্ছতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন তুলেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ (সংশোধিত ২০১৬) এবং দুদক (অভিযোগ দাখিল ও তদন্ত) বিধি, ২০০৭ অনুসারে দুটি অভিযোগপত্র জমা পড়েছে—একটি ২১ অক্টোবর এবং অন্যটি ২২ অক্টোবর তারিখে। উভয় অভিযোগেই সুমন মজুমদারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেছেন এস.এম. আলা উদ্দিন (ঢাকার দক্ষিণ গোড়ান, খিলগাঁও) এবং আব্দুর রহিম (চট্টগ্রামের ডবলমুরিং)। অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, জনস্বার্থ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুসারে, সুমন মজুমদারের কার্যকলাপ রাষ্ট্রীয় রাজস্বের ক্ষতি করছে লক্ষাধিক টাকার এবং করদাতাদের হয়রানি সৃষ্টি করছে। তারা দুদকের কাছে প্রাথমিক অনুসন্ধান এবং বিস্তারিত তদন্তের দাবি করেছেন। ২১ অক্টোবরের প্রথম অভিযোগে এস.এম. আলা উদ্দিন ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন। অন্যদিকে, ২২ অক্টোবরের দ্বিতীয় অভিযোগে আব্দুর রহিম ঘুষ, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন, জনসেবায় গাফিলতি এবং অসদাচরণের অভিযোগ করেছেন।
সুমন মজুমদার সার্কেল-৬১ (রাউজান), কর অঞ্চল-০৩, চট্টগ্রামে কর্মরত। অভিযোগ অনুসারে, তিনি কর নির্ধারণ, ফাইল অনুমোদন, নিরীক্ষা এবং রিফান্ড প্রক্রিয়ায় নিয়মিত অনিয়মে লিপ্ত ছিলেন। দুটি অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে যেসব গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম তুলে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো:
প্রথমত, ঘুষ গ্রহণ ও অবৈধ আর্থিক লেনদেন। কর ফাইল নিষ্পত্তি, ছাড়পত্র প্রদান এবং নিরীক্ষার ক্ষেত্রে করদাতা ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে ঘুষ দাবি ও গ্রহণ করা হয়েছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এই লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ। এর বিনিময়ে কর ফাঁকিদার প্রতিষ্ঠানের কর নির্ধারণ কমানো এবং অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে রিফান্ড অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সরকারি দপ্তরের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এই কার্যকলাপ দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ধারা ২(ঘ) ও ১৯(১) অনুসারে ঘুষ গ্রহণের অপরাধের অন্তর্ভুক্ত এবং দণ্ডনীয়।
দ্বিতীয়ত, ক্ষমতার অপব্যবহার ও হয়রানি। অভিযুক্ত কর্মকর্তা তার পদমর্যাদার প্রভাব খাটিয়ে আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছেন। কর ফাঁকিদাতা প্রতিষ্ঠানের নথি বিলম্বিত করা, নিজের ইচ্ছানুসারে ছাড় প্রদান, তদন্তাধীন ফাইল গোপন বা স্থগিত রাখা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আছে। এছাড়া নিরীক্ষা প্রতিবেদনে মিথ্যা তথ্য সংযোজন, নোটিশ বিলম্বিতকরণ এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রদানের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। এতে করদাতারা প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হয়ে আর্থিক-মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এই কার্যকলাপ দুদক আইনের ধারা ২(ঘ) অনুসারে ক্ষমতার অপব্যবহারের অপরাধ হিসেবে গণ্য।
তৃতীয়ত, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও গোপনীয়তা। অভিযোগকারীদের দাবি, সুমন মজুমদার সরকারি বেতন ও বৈধ আয়ের সীমা অতিক্রম করে বিপুল পরিমাণ অঘোষিত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার নামে এবং স্ত্রী ও নিকট আত্মীয়দের নামে রাজধানী ও চট্টগ্রামে একাধিক ফ্ল্যাট, জমি, গাড়ি এবং ব্যাংক আমানত রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তিনি গোপনে ভারতের কলকাতায় একটি বাড়ি ও জমি ক্রয় করেছেন, যা তার বৈধ আয় দ্বারা সম্ভব নয়। এই সম্পদগুলো বার্ষিক সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ না করে মিথ্যা ও অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এটি দুদক আইনের ধারা ২৬(২) ও ২৭ অনুসারে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও গোপনের অপরাধ।
চতুর্থত, সরকারি নথি জালিয়াতি ও প্রতারণা। আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত নথিপত্র, কর ছাড়পত্র এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে। নথি বিকৃতি, রিপোর্টে পরিবর্তন, স্বাক্ষর জাল এবং অনুমোদনের সময় প্রতারণামূলক আচরণের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে। এই কার্যকলাপ দুদক আইনের ধারা ২(ঘ) এবং দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ অনুসারে প্রতারণা, জালিয়াতি ও সরকারি নথি বিকৃতির অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।
পঞ্চমত, জনস্বার্থবিরোধী আচরণ ও অবহেলা। অভিযোগকারীদের মতে, সুমন মজুমদার নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিত থাকেন, আবেদন নিষ্পত্তিতে অযথা বিলম্ব ঘটান এবং করদাতাদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এতে রাজস্ব বিভাগসহ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং রাষ্ট্রীয় নৈতিকতা ও জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি প্রশাসনিক আচরণবিধির লঙ্ঘন।
অভিযোগগুলো দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ধারা ২(ঘ) (দুর্নীতির সংজ্ঞা), ১৭(ঘ) (কমিশনের অনুসন্ধান ক্ষমতা), ১৯ (ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার) এবং ২৬ (অবৈধ সম্পদ অর্জন ও গোপন) এর আওতায় পড়ে। দুদক (অভিযোগ দাখিল ও তদন্ত) বিধি, ২০০৭-এর বিধি ৫ (অভিযোগ গ্রহণ) ও ৭ (প্রাথমিক অনুসন্ধান) অনুসারে তদন্তের বিধান রয়েছে।
অভিযোগকারীরা বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন, উল্লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সুমন মজুমদারের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক
আলোকিত প্রতিদিন/২৪ অক্টোবর ২০২৫/মওম

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক কে হতে পারেন

ক্রীড়া ডেস্ক:

বোর্ডের সঙ্গে একমত না হয়ে গত জুনে টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকেও সরে দাঁড়ান নাজমুল হোসেন শান্ত। যদিও এরপর টেস্টে আর কোনও ম্যাচ খেলা হয়নি বাংলাদেশ দলের। তবে এবার আগামী মাসের শুরুতেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই সংস্করণের অধিনায়ক কে হচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে জোর গুঞ্জন আবারও নাজমুলের হাতেই উঠতে পারে অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এ নিয়ে কাল মিরপুরের প্রেসবক্সে কথাও বলেছেন।নাজমুলের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে বুলবুল বলেন, ‘আমার সঙ্গে (নাজমুলের) এ বিষয়ে কথা হয়নি।’

তবে কীভাবে নতুন টেস্ট অধিনায়ক বেছে নেওয়া হবে সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি, ‘আমরা যেটা পলিসি নিয়েছি সেটা হচ্ছে, কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলবো। বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রিকেট অপারেশনস কথা বলবে, নির্বাচকেরা কথা বলবে, কোচিং স্টাফের শীর্ষ সদস্য যারা আছেন তারা কথা বলবে। কথা বলে যে অধিনায়ক তারা মনে করবে মানানসই, সেই অধিনায়কেরও তা (নেতৃত্ব) গ্রহণ করতে হবে। সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

ওয়ানডেতে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্ব নিয়েও কথা উঠেছে। শ্রীলঙ্কার পর আফগানিস্তানের বিপক্ষেও তার নেতৃত্বে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। যদিও রাতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে।

তবে মিরাজকে সময় দিয়ে তার ওপর আস্থা রাখতে চান বুলবুল। বলেন, ‘একেবারে নতুন অধিনায়ক। আমরা সবাই জানি মিরাজের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি আছে। ওকে একটু সময় দিতে হবে। আর খেলায় তো জয়–পরাজয় থাকবেই। অধিনায়কের যে ম্যাচুরিটি দেখা যায়, বোঝা যায়, তার মধ্যে সেই সম্ভাবনা আছে।’

বুলবুল বলেছেন, ‘আজকালের দুনিয়া ডেটা ড্রিবেন (সংখ্যানির্ভর), অবশ্যই সেটা দেখা উচিত। তবে উইকেট, পরিস্থিতি, দল, কম্বিনেশনের ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করে।’

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ অক্টোবর ২০২৫/মওম