সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, থানায় জি ডি
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর
আলোকিত ডেস্ক:
জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।২৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুপারিশমালা হস্তান্তর করেন।
ঐকমত্য কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা পবন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সুপারিশ হস্তান্তরের সময় উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের সাথে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ইফতেখারুজ্জামান, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
২৭ অক্টোবর সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে কমিশনের সমাপনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ অক্টোবর ২০২৫/মওম
আওয়ামী লীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার-ডিবি
ঘাটাইলে স্কুল ছাত্র রুহুল আমীন হত্যাকান্ড,হত্যাকারী ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার
ধামরাইয়ে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কর্মসূচি: সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত
মামুন আহমেদ জয় :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে “নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)” ধামরাই উপজেলা শাখার উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এবারের কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে — “নো হেলমেট, নো ফুয়েল” অর্থাৎ হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেল চালক বা আরোহীকে জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকালে ধামরাইয়ের কে এন্ড কিউ সিএনজি পাম্পে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মামনুন হক অনিক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালেহ আহমেদ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নিরাপদ সড়ক চাই ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি এম এ নাহিদ, এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সাংবাদিক, পরিবহন শ্রমিক প্রতিনিধি, চালক ও এলাকাবাসীসহ অনেকে।
সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালক, যাত্রী ও পথচারী— সকলেরই সচেতনতা জরুরি। যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, মাদকমুক্তভাবে গাড়ি চালানো এবং হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহারে সবাইকে বাধ্য করতে হবে। “নো হেলমেট, নো ফুয়েল” কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে বক্তারা মত দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামনুন হক অনিক বলেন, “প্রত্যেক নাগরিকের জীবন সবচেয়ে মূল্যবান। শুধুমাত্র অসচেতনতার কারণে অনেক প্রাণ ঝরে যায়। তাই সড়ক নিরাপত্তায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”
সভা শেষে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করা হয়। আগামী এক মাস ধরে ধামরাইয়ের বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করবে “নিরাপদ সড়ক চাই” ধামরাই উপজেলা শাখা।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ অক্টোবর ২০২৫/মওম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ৩০০ আসনে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৬১
আলোকিত প্রতিবেদক:
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সারা দেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
২৭ অক্টোবর সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
সচিব বলেন, আমরা আজ চূড়ান্তভাবে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করেছি। মোট ৬৪টি জেলার ৩০০টি সংসদীয় আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। পুরুষদের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি এবং মহিলাদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ মোট কক্ষের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি।
আখতার আহমেদ আরও জানান, অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ১৪টি, যেখানে প্রায় ১২ হাজার ভোটকক্ষ থাকবে। একটি ভোটকক্ষে গড়ে ৩ হাজার ভোটার থাকবে। এটি ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ হিসেবে ধরা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনে এই সংখ্যা সামঞ্জস্য করা হবে।
ইসির খসড়া অনুযায়ী, খসড়া ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৬১৮টি, যা দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ছিল ৪২ হাজার ১৪৮টি। সেই সাথে আসন্ন নির্বাচনে এই ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে মোট ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬টি, যা গত নির্বাচনে ছিলন ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪টি। অর্থাৎ আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র বাড়লেও কমেছে ভোটকক্ষ।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ অক্টোবর ২০২৫/মওম
নেত্রকোনা পৌর কৃষকদলের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
আসিয়ানের ১১তম সদস্যদেশ হলো পূর্ব তিমুর
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
দক্ষিণ–পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট, আসিয়ানের ১১তম সদস্যদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এশিয়ার সবচেয়ে নতুন দেশ হিসেবে পরিচিত পূর্ব তিমুর। ২৬ অক্টোবর রবিবার আসিয়ান সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে দেশটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ দেওয়া হয়। অর্ধশতাব্দী আগে থেকেই পূর্ব তিমুরকে আসিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার স্বপ্ন দেখে আসছিলেন দেশটির অধিবাসীরা।
তিমুর–লেস্তে নামে পরিচিত এই দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। এটি এশিয়ার সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি। দেশটির আশা, আসিয়ানের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে তার ক্ষুদ্র অর্থনীতি উন্নয়নের সুযোগ পাবে। ১৪ বছর অপেক্ষার পর পূর্ব তিমুর আসিয়ানের সদস্যপদ পেয়েছে। যদিও এ সদস্যপদ দেশটির জন্য বিশাল কোনো পরিবর্তন আনবে বলে মনে হয় না। তবে এ স্বীকৃতিকে দেশটির স্বাধীনতাসংগ্রামের নায়ক প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা এবং প্রধানমন্ত্রী জানানা গুসমাওর জন্য প্রতীকী জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পর্তুগিজ শাসনের সময় দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হর্তা এই লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হলো। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক প্রেসিডেন্ট রামোস-হর্তা।
শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনে পূর্ব তিমুরের পতাকা মঞ্চে রাখা হলে আসিয়ান নেতারা করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান, যা পুরো অনুষ্ঠানটিকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। আবেগঘন এক ভাষণে গুসমাও বলেন, এটি তার দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং নতুন শুরু যা বাণিজ্য এবং বিনিয়োগে ‘বিশাল সুযোগ’ নিয়ে আসবে।
তিনি বলেন,‘তিমুর-লেস্তের মানুষের জন্য এটি শুধু একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন নয়। এটি আমাদের যাত্রার একটি শক্তিশালী স্বীকৃতি।’ পূর্ব তিমুর তিন শতাব্দী ধরে পর্তুগিজ শাসনের অধীনে ছিল। ১৯৭৫ সালে পর্তুগিজরা হঠাৎ তাদের উপনিবেশ ছেড়ে চলে যায়। এতে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার জন্য এর দখল নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং সে সময় অনেক রক্তপাতও ঘটে। শেষ পর্যন্ত ২০০২ সালে পূর্ব তিমুর স্বাধীনতা লাভ করে।
৭৫ বছর বয়সি রামোস-হোর্তা ১৯৭০-এর দশকে পূর্ব তিমুরের আসিয়ান সদস্যপদ পাওয়ার ধারণা তুলে ধরেছিলেন। আঞ্চলিক সংহতির মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার চেষ্টায় এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান হোর্তা।
সেপ্টেম্বরে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রামোস-হর্তা বলেন, পূর্ব তিমুরকেও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। আমরাও সীমান্ত এবং দক্ষিণ চীন সাগরসহ সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে অবদান রাখতে পারি।
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম
মেসিয়ার থেকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কোটিপতি উমেদার রানা
এমএইচ চৌধুরী
তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সী মোখলেছুর রহমান’কে ম্যানেজ করতে পারলেই সবকিছু জায়েজ হয় দূর্নীতিবাজদের এমন ঘটনা এখন নামের চেয়েও বাস্তবতায়। এমনই একজন দুর্নীতির বরপুত্র ওমেদার রানা। কত শত দূর্নীতি করলে তাকে দূর্নীতিবাজ বলতে হয় তা বাংলাদেশের কোন পুস্তকে উল্লেখ না থাকলেও দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও তাকে কর্মস্থলে জামাই আদরে বহাল রাখা হয় এটায় প্রমাণ করলো রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ঢাকা। গত ১লা আগষ্ট ২০২৫ ইং ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (তালাশ টিম) কর্তৃক প্রকাশিত ঢাকায় টাকা উড়ে, ঝাড়ুদার থেকে পিয়ন, ওমেদার থেকে নকল নবিশ নিউজে হাতেনাতে অভিযোগ প্রমানিত হলে ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মুসবিহা’কে পাবনা এবং পল্লবী অফিসের পিয়ন পারভীন’কে আইজিআর অফিসে বদলি করা হয়। কিন্তু দূর্নীতির বরপুত্র ওমেদার “রানা, সাদ্দাম এবং আশিক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’কে ম্যানেজ করে রয়েছেন বহাল তবিয়তে। রেজিস্ট্রি অফিসে ওমেদার পদবি মানে ৬০/- টাকার দৈনিক কামলা মাসে ১৩২০/-টাকা কিন্তু সেই দৈনিক কামলায় রাখেন সাপ্তাহিক দুই হাজার টাকা মাসে ৮ হাজার টাকা বেতনের আরেক কামলা। আচার্য্যজনক হলেও সত্যি তেজগাঁও রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্সের ১১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রয়েছে এমন এগারো জন সহকারী কামলা। ওমেদার রানা’র গাড়ি,বাড়ি সান শওকতের পরে রয়েছে অত্র অফিসে নিজস্ব রক্ষিতা। নামে যাই হোক আষার শ্রাবণ ভাদ্র আশ্বিন তবে তার একাউন্টে রয়েছে ওমেদার রানা’র অবৈধ আয়ের বেশকিছু টাকা। ২০১৬ সালে সাবেক আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের নির্দেশে সাবেক ডিআর আব্দুল জলিল ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ওমেদার রানা’কে নিয়োগ দেন। ওমেদার রানা খান পিতা মৃতঃ সামছুল হক খান, সাং নন্দিরগাঁও, পোষ্ট রাজাপুর, থানা দাগনভূঁইয়া,জেলা ফেনী। বংশগত ভাবে পৈতৃক নামের পিছনে খান থাকলেও তার পড়াশোনা ২য় শ্রেণী পর্যন্ত হওয়ার কারণে অন্যের রানা চৌধুরী সার্টিফিকেট ব্যবহার করে এখন তিনি বনে গেছেন চৌধুরী।
অর্থ বিপত্তি সম্পত্তি কি নেই এই রানা’র অবৈধ আয়ে গড়ে তুলেছেন ডেভলপার কোম্পানি ভাইকে দিয়ে কিনেছেন জমি,প্লট, ফ্ল্যাট, গাড়ি গড়েছেন নতুন বাড়ি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধানমন্ডি সাবরেজিস্টার অফিসের সিনিয়রকর্তা বলেন, একই অফিসের তিন বন্ধু সরকারি বন্ধ পেলেই উড়াল দিয়ে চলে যান মালোশিয়া, নেপান,থাইল্যান্ড, হংকং,ব্যাংকক,পাতাইয়া বীচে। ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে রয়েছে দূর্নীতির একটি সুবিশাল নেটওয়ার্ক, তাদের কাজ ঘুষ ও জালিয়াতির মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের পাতা ছেড়া,জমির শ্রেণী পরিবর্তন,জমির পরিমাণে কমবেশি করা সহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি। যা উমেদার, দলিল লেখক, নকলনবিশ এবং কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে উঠা বিশাল সিন্ডিকেট। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের উমেদার রানা, সাদ্দাম এবং আশিক এর হাত ধরে। তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে জেলা ধানমন্ডি রেজিস্ট্রার অফিস, রেকর্ডরুম ছাড়াও রয়েছে ১১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। এসব অফিসে রয়েছে বিশাল দালাল চক্রের নেটওয়ার্ক। অসাধু কর্মকতা-কর্মচারীদেরও একাধিক শক্তিশালী চক্র প্রতিনিয়ত কাজ করে এই অফিস গুলোতে। ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদার রানা’র নেতৃত্বাধীন দালাল সিন্ডিকেট এবং অফিসের অসাধু কর্মকতা-কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি ও নাজেহাল হতে হয় সেবা প্রার্থীদের। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং প্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেনের বিভিন্ন অভিযোগ আসলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি বলে অভিযোগ রয়েছে জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সী মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে। বিশ্বস্ত সূত্রে ভিডিও রেকর্ড অনুসারে জানা যায়, তালাশ টিম নিউজ প্রকাশের পর মুষ্টিমেয় ২জন’কে বদলি ও অপর দু’জনকে সাসপেন্ড করে বাকি দূর্নীতিবাজদের থেকে ৩ লাখ টাকা করে উৎকোচ নিয়ে এখনো বহাল রেখেছেন জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সী মোখলেছুর রহমান। সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার কথা বলে টাকা নেওয়ার সময় তিনি অতি গোপনীয়তা বজায় রেখে লেনদেন করেন। ডিআর এর বক্তব্য নেওয়ার জন্য সরকারি নাম্বারে একাধিক বার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেনি। দীর্ঘ ১ মাসের মধ্যে ভুলবশত ফোন রিসিভ করলেও সাংবাদিক বা পত্রিকা অফিস থেকে বললেই তিনি ফোন রেখে দেন। একাধিক বার অফিসে গিয়েও সাক্ষাৎকার নিতে চাইলে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম
সীমাহীন পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বুরেভেস্তনিকের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্বের যেকোনও ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। দেশটি এখন এই অস্ত্র মোতায়েনের দিকে অগ্রসর হবে বলে রবিবার জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।
রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমভ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বলেছেন, গত ২১ অক্টোবর পরীক্ষার সময় বুরেভেস্তনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ হাজার কিলোমিটার (৮ হাজার ৭০০ মাইল) উড়েছিল এবং প্রায় ১৫ ঘণ্টা আকাশে ছিল।
মস্কো বলেছে, ৯এম৭৩০ বুরেভেস্তনিক (স্টর্ম পেট্রেল) ক্ষেপণাস্ত্রকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো ‘এসএসসি-এক্স-৯ স্কাইফল’ নামে ডাকে। রাশিয়ার দাবি, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অপ্রতিরোধ্য তাদের এই পারমাণব্কি শক্তিসম্পন্ন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সীমাহীন এবং চলার পথ পরিবর্তন করে লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে।
রবিবার ইউক্রেন যুদ্ধে নিয়োজিত জেনারেলদের সঙ্গে এক কমান্ড পয়েন্ট বৈঠকে সামরিক পোশাকে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। বৈঠকে তিনি বলেন, এটি এমন এক অনন্য অস্ত্র, যা বিশ্বের অন্য কোনও দেশের নেই। পুতিনের এই বক্তব্য ক্রেমলিন থেকে প্রকাশ করা হয়।
পুতিন বলেন, একসময় কিছু রুশ বিশেষজ্ঞ তাকে জানিয়েছিলেন, এই অস্ত্র বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। কিন্তু এখন এই ক্ষেপণাস্ত্রের ‘‘গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা’’ সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি গেরাসিমভকে বলেন, রাশিয়াকে এই অস্ত্রটি কীভাবে ব্যবহার এবং মোতায়েনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত করা যায়, সেই বিষয়ে ভাবতে হবে। গেরাসিমভ বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক শক্তিতে উড়েছিল এবং এই পরীক্ষা ভিন্ন ধাঁচের ছিল। কারণ এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করেছে। যদিও এর পাল্লা কার্যত সীমাহীন। তিনি বলেন, এটি যেকোনও ক্ষেপণাস্ত্রবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।
এর আগে, গত বুধবার পুতিন স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক বাহিনীর প্রস্তুতি এবং কমান্ড কাঠামোর মহড়া তত্ত্বাবধান করেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, আমাদের পারমাণবিক প্রতিরোধ শক্তির আধুনিকায়ন এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। যা অন্য যেকোনও পারমাণবিক শক্তিধর দেশের চেয়েও উন্নত।
বর্তমানে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের প্রায় ৮৭ শতাংশের মালিকানা রয়েছে। দুই দেশের হাতে থাকা এই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার পৃথিবীকে কয়েক বার ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ঠ।
যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের সংগঠন ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের (এফএএস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাশিয়ার কাছে ৫ হাজার ৪৫৯টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে ৫ হাজার ১৭৭টি।
সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম

