আজ শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 246

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, থানায় জি ডি

রহমান উজ্জল:
সামাজিক যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে অপপ্রচার এবং কুৎসা রটানোর বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বিএনপি নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ২৬ অক্টোবর রবিবার রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় তিনি এ জিডি করেন।
জিডি সূত্র মারফত জানা যায়, তিনি শহরের আকুর টাকুর পাড়ার নিজ বাসায় অবস্থানকালে হোয়াটস অ্যাপে একটি অডিও বার্তা আসে। দৈনিক ‘বাংলা সময়’  এর সাংবাদিক পরিচয়ধারী জসিম হত্যার কথিত বাদিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্যের একটি অডিও রেকর্ড করা হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
শহরের বাসিন্দারা এবং  সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র ঘনিষ্ঠরা বলেন, টাঙ্গাইল সদর আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। তাই একটি স্বার্থান্বেষী মহল বারবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এ ঘৃণিত কাজ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা করা হবে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানভীর আহাম্মেদ  বলেন, জিডির বিষয়ে তদন্ত চলছে। ওই ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। আর টাঙ্গাইলে জসিম নামের কোনো ব্যক্তি হত্যার শিকার হয়নি।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ অক্টোবর ২০২৫/মওম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর

আলোকিত ডেস্ক:
জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।২৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুপারিশমালা হস্তান্তর করেন। 
ঐকমত্য কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা পবন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

dhakapostসুপারিশ হস্তান্তরের সময় উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের সাথে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ইফতেখারুজ্জামান, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

২৭ অক্টোবর সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে কমিশনের সমাপনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ অক্টোবর ২০২৫/মওম

আওয়ামী লীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার-ডিবি

এমএইচ চৌধুরীঃ
গত২৪ ঘন্টায় রাজধানীতে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ৮ (আট) নেতাকর্মী গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেফতারকৃতরা হলো-১) ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া থানার আলিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একরাম হোসেন (২৫) ২) ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া থানা ছাত্রলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আদনান পিপুল (২৫) ৩) তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য মোঃ আসিবুল হক অর্নব (২৫) ৪) ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া থানার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজিব রহিম পলক (২৫) ৫) ফেনী জেলার ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য সাকের আলম (২৪)। ৬) চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সদস্য মো: জহুরুল ইসলাম (৪৩) ৭) যাত্রাবাড়ী ইউনিট ৬৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোকাররম হোসেন (৪৮) ও ৮) ওয়ারী থানা ৩৯ নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইয়াসমিন রহমান (৪৮)।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২৬ অক্টোবর ২০২৫ সন্ধ্যা আনুমানিক ০৫.২০ ঘটিকায় ডিবি উত্তরা বিভাগের একটি আভিযানিক দল রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন কাদেরাবাদ হাউজিং এলাকা থেকে একরাম হোসেন, আদনান পিপুল, মোঃ আসিবুল হক অর্নব, সজিব রহিম পলক ও সাকের আলম গ্রেফতার করে । একই দিন ডিবি- রমনা বিভাগের একটি টিম বিকাল আনুমানিক ০৫ ঘটিকায় রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে মো: জহুরুল ইসলামকে ও রাত আনুমানিক ১১ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে মোকাররম হোসেনকে গ্রেফতার করে  ডিবি-মতিঝিল বিভাগ। ইয়াসমিন রহমানকে বিকাল ০৩:১৫ ঘটিকায় টিকাটুলি কে এম দাস লেন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ডিবি লালবাগ বিভাগের কোতয়ালী জোনাল টিম।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার মিছিল ও সংগঠিত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান,ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান পিপিএম।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ অক্টোবর ২০২৫/মওম

ঘাটাইলে স্কুল ছাত্র রুহুল আমীন হত্যাকান্ড,হত্যাকারী ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার

রাহাত সরকার:
স্কুলছাত্র রুহুল আমীন হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। ঘটনার রাতেই তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘাটাইল সদর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল আলীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুসারে ওই রাতেই মধুপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা ও ব্যাটারি উদ্ধার করে পুলিশ।
আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল রুহুল আমীনের। অভাবের সংসারে অর্থের জোগান দিতে লেখাপড়ার পাশাপাশি মাঝে মাঝে কোমল হাতে ধরত অটোরিকশার হ্যান্ডল। সেই হ্যান্ডল ধরাই কাল হয় তাঁর। ছিনতাইকারীরা অটোরিকশার সঙ্গে তার প্রাণটাও ছিনিয়ে নেয়। শ্বাসরোধে হত্যা করে তাকে। বৃহস্পতিবার রাতে সন্ধানপুর ইউনিয়নের ছাগলেরটিকি এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সে ঘাটাইল সদর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, নিহত রুহুল আমীন ও আসামি আব্দুল আলীমের বাড়ি পাশাপশি। ২১ অক্টোবর
নিখোঁজ হয় রুহুল। ওই দিন দুপুরে রুহুল আমীন অটোরিকশা নিয়ে বের হলে সঙ্গে আসে আলীম। রুহুলকে হত্যা ও অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পা আগে থেকেই করে রাখে আলীম। পরিকল্পনা অনুসারে রাস্তা থেকে আপন মিয়া নামে এক যুবককে তুলে নেয় আলীম। মাকড়াই-কুড়িপাড়া সড়কের ছাগলেরটিকি এলাকায় নিয়ে গিয়ে প্রথমে কহুল আমীনের গলা চেপে ধরে আলীম। এর পর রুহুলের শার্ট খুলে আলীম ও আপন মিয়া মিলে শ্বাসরোধে হত্যা করে বনের পাশে ফেলে দিয়ে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়। সঙ্গে নিয়ে যায় রুহুল আমীনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন। এই ফোনের সূত্র ধরেই আলীমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্য অনুসারে মধুপুর উপজেলা থেকে অটোরিকশা ও ব্যাটারি উদ্ধার করে পুলিশ। এখনও পলাতক আসামি আপন মিয়া। আলীমকে শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ঘাটাইল থানার ওসি মীর মোশাররফ বলেন, মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যারহস্য উদঘাটন ও দুই আসামির একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ অক্টোবর ২০২৫/মওম

ধামরাইয়ে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কর্মসূচি: সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত

মামুন আহমেদ জয় :

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে “নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)” ধামরাই উপজেলা শাখার উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এবারের কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে — “নো হেলমেট, নো ফুয়েল” অর্থাৎ হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেল চালক বা আরোহীকে জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকালে ধামরাইয়ের কে এন্ড কিউ সিএনজি পাম্পে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মামনুন হক অনিক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালেহ আহমেদ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নিরাপদ সড়ক চাই ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি এম এ নাহিদ, এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সাংবাদিক, পরিবহন শ্রমিক প্রতিনিধি, চালক ও এলাকাবাসীসহ অনেকে।
সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালক, যাত্রী ও পথচারী— সকলেরই সচেতনতা জরুরি। যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, মাদকমুক্তভাবে গাড়ি চালানো এবং হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহারে সবাইকে বাধ্য করতে হবে। “নো হেলমেট, নো ফুয়েল” কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে বক্তারা মত দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামনুন হক অনিক বলেন, “প্রত্যেক নাগরিকের জীবন সবচেয়ে মূল্যবান। শুধুমাত্র অসচেতনতার কারণে অনেক প্রাণ ঝরে যায়। তাই সড়ক নিরাপত্তায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”
সভা শেষে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করা হয়। আগামী এক মাস ধরে ধামরাইয়ের বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করবে “নিরাপদ সড়ক চাই” ধামরাই উপজেলা শাখা।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ অক্টোবর ২০২৫/মওম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ৩০০ আসনে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৬১

সচিব বলেন, আমরা আজ চূড়ান্তভাবে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করেছি। মোট ৬৪টি জেলার ৩০০টি সংসদীয় আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। পুরুষদের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি এবং মহিলাদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ মোট কক্ষের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি।

আখতার আহমেদ আরও জানান, অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ১৪টি, যেখানে প্রায় ১২ হাজার ভোটকক্ষ থাকবে। একটি ভোটকক্ষে গড়ে ৩ হাজার ভোটার থাকবে। এটি ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ হিসেবে ধরা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনে এই সংখ্যা সামঞ্জস্য করা হবে।

ইসির খসড়া অনুযায়ী, খসড়া ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৬১৮টি, যা দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ছিল ৪২ হাজার ১৪৮টি। সেই সাথে আসন্ন নির্বাচনে এই ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে মোট ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬টি, যা গত নির্বাচনে ছিলন ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪টি। অর্থাৎ আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র বাড়লেও কমেছে ভোটকক্ষ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ অক্টোবর ২০২৫/মওম

নেত্রকোনা পৌর কৃষকদলের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত 

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল নেত্রকোনা পৌরশাখার ২নং ওয়ার্ড কৃষকদলের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৬ অক্টোবর রবিবার সাতপাই গাড়া রোডস্থ লালু কালুর মাঠে প্রাণবন্ত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল নেত্রকোনা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড শাখা।  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল নেত্রকোনা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতি মোঃ অনু মিয়ার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু শ্যামল ভৌমিকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী কৃষক দল,নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি সালাহউদ্দিন খান মিলকি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল নেত্রকোনা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক এডভোকেট এম.এ রফিক বাবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল,নেত্রকোনা পৌর শাখার সভাপতি আবু সাদেক খান,সাধারণ সম্পাদক গুলজার হোসেন,অন্যান্যদের মধ্যে অবস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা পৌর শাখার ২ নং ওয়ার্ড শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ হাফিজ মিয়া, প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল দেশের মাটি ও মানুষের সংগঠন। কৃষক দলের প্রতিটি কর্মী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর বাংলাদেশে নেতৃত্বদানকারী তারেক রহমানের নির্দেশে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে।বক্তারা আরও বলেন, এই দেশের মেরুদণ্ড কৃষক। কৃষকের ন্যায্য অধিকার আদায় ও গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কৃষক দলের প্রতিটি ইউনিটকে মাঠে থাকতে হবে।সভায় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে ঐক্য বৃদ্ধি এবং সাধারণ কৃষকের পাশে থেকে দলীয় আদর্শ প্রচারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ অক্টোবর ২০২৫/মওম

আসিয়ানের ১১তম সদস্যদেশ হলো পূর্ব তিমুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ–পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট, আসিয়ানের ১১তম সদস্যদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এশিয়ার সবচেয়ে নতুন দেশ হিসেবে পরিচিত পূর্ব তিমুর। ২৬ অক্টোবর রবিবার আসিয়ান সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে দেশটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ দেওয়া হয়। অর্ধশতাব্দী আগে থেকেই পূর্ব তিমুরকে আসিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার স্বপ্ন দেখে আসছিলেন দেশটির অধিবাসীরা।

তিমুর–লেস্তে নামে পরিচিত এই দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। এটি এশিয়ার সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি। দেশটির আশা, আসিয়ানের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে তার ক্ষুদ্র অর্থনীতি উন্নয়নের সুযোগ পাবে। ১৪ বছর অপেক্ষার পর পূর্ব তিমুর আসিয়ানের সদস্যপদ পেয়েছে। যদিও এ সদস্যপদ দেশটির জন্য বিশাল কোনো পরিবর্তন আনবে বলে মনে হয় না। তবে এ স্বীকৃতিকে দেশটির স্বাধীনতাসংগ্রামের নায়ক প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা এবং প্রধানমন্ত্রী জানানা গুসমাওর জন্য প্রতীকী জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পর্তুগিজ শাসনের সময় দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হর্তা এই লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হলো। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক প্রেসিডেন্ট রামোস-হর্তা।

শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনে পূর্ব তিমুরের পতাকা মঞ্চে রাখা হলে আসিয়ান নেতারা করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান, যা পুরো অনুষ্ঠানটিকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। আবেগঘন এক ভাষণে গুসমাও বলেন, এটি তার দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং নতুন শুরু যা বাণিজ্য এবং বিনিয়োগে ‘বিশাল সুযোগ’ নিয়ে আসবে।

তিনি বলেন,‘তিমুর-লেস্তের মানুষের জন্য এটি শুধু একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন নয়। এটি আমাদের যাত্রার একটি শক্তিশালী স্বীকৃতি।’ পূর্ব তিমুর তিন শতাব্দী ধরে পর্তুগিজ শাসনের অধীনে ছিল। ১৯৭৫ সালে পর্তুগিজরা হঠাৎ তাদের উপনিবেশ ছেড়ে চলে যায়। এতে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার জন্য এর দখল নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং সে সময় অনেক রক্তপাতও ঘটে। শেষ পর্যন্ত ২০০২ সালে পূর্ব তিমুর স্বাধীনতা লাভ করে।

৭৫ বছর বয়সি রামোস-হোর্তা ১৯৭০-এর দশকে পূর্ব তিমুরের আসিয়ান সদস্যপদ পাওয়ার ধারণা তুলে ধরেছিলেন। আঞ্চলিক সংহতির মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার চেষ্টায় এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান হোর্তা।

সেপ্টেম্বরে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রামোস-হর্তা বলেন, পূর্ব তিমুরকেও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। আমরাও সীমান্ত এবং দক্ষিণ চীন সাগরসহ সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে অবদান রাখতে পারি।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম

মেসিয়ার থেকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কোটিপতি উমেদার রানা

এমএইচ চৌধুরী

তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সী মোখলেছুর রহমান’কে ম্যানেজ করতে পারলেই সবকিছু জায়েজ হয় দূর্নীতিবাজদের এমন ঘটনা এখন নামের চেয়েও বাস্তবতায়। এমনই একজন দুর্নীতির বরপুত্র ওমেদার রানা। কত শত দূর্নীতি করলে তাকে দূর্নীতিবাজ বলতে হয় তা বাংলাদেশের কোন পুস্তকে উল্লেখ না থাকলেও দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও তাকে কর্মস্থলে জামাই আদরে বহাল রাখা হয় এটায় প্রমাণ করলো রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ঢাকা। গত ১লা আগষ্ট ২০২৫ ইং ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (তালাশ টিম) কর্তৃক প্রকাশিত ঢাকায় টাকা উড়ে, ঝাড়ুদার থেকে পিয়ন, ওমেদার থেকে নকল নবিশ নিউজে হাতেনাতে অভিযোগ প্রমানিত হলে ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মুসবিহা’কে পাবনা এবং পল্লবী অফিসের পিয়ন পারভীন’কে আইজিআর অফিসে বদলি করা হয়। কিন্তু দূর্নীতির বরপুত্র ওমেদার “রানা, সাদ্দাম এবং আশিক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’কে ম্যানেজ করে রয়েছেন বহাল তবিয়তে। রেজিস্ট্রি অফিসে ওমেদার পদবি মানে ৬০/- টাকার দৈনিক কামলা মাসে ১৩২০/-টাকা কিন্তু সেই দৈনিক কামলায় রাখেন সাপ্তাহিক দুই হাজার টাকা মাসে ৮ হাজার টাকা বেতনের আরেক কামলা। আচার্য্যজনক হলেও সত্যি তেজগাঁও রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্সের ১১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রয়েছে এমন এগারো জন সহকারী কামলা। ওমেদার রানা’র গাড়ি,বাড়ি সান শওকতের পরে রয়েছে অত্র অফিসে নিজস্ব রক্ষিতা। নামে যাই হোক আষার শ্রাবণ ভাদ্র আশ্বিন তবে তার একাউন্টে রয়েছে ওমেদার রানা’র অবৈধ আয়ের বেশকিছু টাকা। ২০১৬ সালে সাবেক আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের নির্দেশে সাবেক ডিআর আব্দুল জলিল ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ওমেদার রানা’কে নিয়োগ দেন। ওমেদার রানা খান পিতা মৃতঃ সামছুল হক খান, সাং নন্দিরগাঁও, পোষ্ট রাজাপুর, থানা দাগনভূঁইয়া,জেলা ফেনী। বংশগত ভাবে পৈতৃক নামের পিছনে খান থাকলেও তার পড়াশোনা ২য় শ্রেণী পর্যন্ত হওয়ার কারণে অন্যের রানা চৌধুরী সার্টিফিকেট ব্যবহার করে এখন তিনি বনে গেছেন চৌধুরী।
অর্থ বিপত্তি সম্পত্তি কি নেই এই রানা’র অবৈধ আয়ে গড়ে তুলেছেন ডেভলপার কোম্পানি ভাইকে দিয়ে কিনেছেন জমি,প্লট, ফ্ল্যাট, গাড়ি গড়েছেন নতুন বাড়ি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধানমন্ডি সাবরেজিস্টার অফিসের সিনিয়রকর্তা বলেন, একই অফিসের তিন বন্ধু সরকারি বন্ধ পেলেই উড়াল দিয়ে চলে যান মালোশিয়া, নেপান,থাইল্যান্ড, হংকং,ব্যাংকক,পাতাইয়া বীচে। ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে রয়েছে দূর্নীতির একটি সুবিশাল নেটওয়ার্ক, তাদের কাজ ঘুষ ও জালিয়াতির মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের পাতা ছেড়া,জমির শ্রেণী পরিবর্তন,জমির পরিমাণে কমবেশি করা সহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি। যা উমেদার, দলিল লেখক, নকলনবিশ এবং কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে গড়ে উঠা বিশাল সিন্ডিকেট। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের উমেদার রানা, সাদ্দাম এবং আশিক এর হাত ধরে। তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে জেলা ধানমন্ডি রেজিস্ট্রার অফিস, রেকর্ডরুম ছাড়াও রয়েছে ১১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। এসব অফিসে রয়েছে বিশাল দালাল চক্রের নেটওয়ার্ক। অসাধু কর্মকতা-কর্মচারীদেরও একাধিক শক্তিশালী চক্র প্রতিনিয়ত কাজ করে এই অফিস গুলোতে। ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদার রানা’র নেতৃত্বাধীন দালাল সিন্ডিকেট এবং অফিসের অসাধু কর্মকতা-কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি ও নাজেহাল হতে হয় সেবা প্রার্থীদের। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং প্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেনের বিভিন্ন অভিযোগ আসলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি বলে অভিযোগ রয়েছে জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সী মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে। বিশ্বস্ত সূত্রে ভিডিও রেকর্ড অনুসারে জানা যায়, তালাশ টিম নিউজ প্রকাশের পর মুষ্টিমেয় ২জন’কে বদলি ও অপর দু’জনকে সাসপেন্ড করে বাকি দূর্নীতিবাজদের থেকে ৩ লাখ টাকা করে উৎকোচ নিয়ে এখনো বহাল রেখেছেন জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সী মোখলেছুর রহমান। সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার কথা বলে টাকা নেওয়ার সময় তিনি অতি গোপনীয়তা বজায় রেখে লেনদেন করেন। ডিআর এর বক্তব্য নেওয়ার জন্য সরকারি নাম্বারে একাধিক বার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেনি। দীর্ঘ ১ মাসের মধ্যে ভুলবশত ফোন রিসিভ করলেও সাংবাদিক বা পত্রিকা অফিস থেকে বললেই তিনি ফোন রেখে দেন। একাধিক বার অফিসে গিয়েও সাক্ষাৎকার নিতে চাইলে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম

সীমাহীন পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বুরেভেস্তনিকের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্বের যেকোনও ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। দেশটি এখন এই অস্ত্র মোতায়েনের দিকে অগ্রসর হবে বলে রবিবার জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।

রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমভ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বলেছেন, গত ২১ অক্টোবর পরীক্ষার সময় বুরেভেস্তনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ হাজার কিলোমিটার (৮ হাজার ৭০০ মাইল) উড়েছিল এবং প্রায় ১৫ ঘণ্টা আকাশে ছিল।

মস্কো বলেছে, ৯এম৭৩০ বুরেভেস্তনিক (স্টর্ম পেট্রেল) ক্ষেপণাস্ত্রকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো ‘এসএসসি-এক্স-৯ স্কাইফল’ নামে ডাকে। রাশিয়ার দাবি, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অপ্রতিরোধ্য তাদের এই পারমাণব্কি শক্তিসম্পন্ন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সীমাহীন এবং চলার পথ পরিবর্তন করে লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে।

রবিবার ইউক্রেন যুদ্ধে নিয়োজিত জেনারেলদের সঙ্গে এক কমান্ড পয়েন্ট বৈঠকে সামরিক পোশাকে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। বৈঠকে তিনি বলেন, এটি এমন এক অনন্য অস্ত্র, যা বিশ্বের অন্য কোনও দেশের নেই। পুতিনের এই বক্তব্য ক্রেমলিন থেকে প্রকাশ করা হয়।

পুতিন বলেন, একসময় কিছু রুশ বিশেষজ্ঞ তাকে জানিয়েছিলেন, এই অস্ত্র বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। কিন্তু এখন এই ক্ষেপণাস্ত্রের ‘‘গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা’’ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি গেরাসিমভকে বলেন, রাশিয়াকে এই অস্ত্রটি কীভাবে ব্যবহার এবং মোতায়েনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত করা যায়, সেই বিষয়ে ভাবতে হবে। গেরাসিমভ বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক শক্তিতে উড়েছিল এবং এই পরীক্ষা ভিন্ন ধাঁচের ছিল। কারণ এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করেছে। যদিও এর পাল্লা কার্যত সীমাহীন। তিনি বলেন, এটি যেকোনও ক্ষেপণাস্ত্রবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।

এর আগে, গত বুধবার পুতিন স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক বাহিনীর প্রস্তুতি এবং কমান্ড কাঠামোর মহড়া তত্ত্বাবধান করেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, আমাদের পারমাণবিক প্রতিরোধ শক্তির আধুনিকায়ন এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। যা অন্য যেকোনও পারমাণবিক শক্তিধর দেশের চেয়েও উন্নত।

বর্তমানে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের প্রায় ৮৭ শতাংশের মালিকানা রয়েছে। দুই দেশের হাতে থাকা এই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার পৃথিবীকে কয়েক বার ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ঠ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের সংগঠন ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টের (এফএএস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাশিয়ার কাছে ৫ হাজার ৪৫৯টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে ৫ হাজার ১৭৭টি।

সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০২৫/মওম