আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2469

অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে ১ একর বনভূমি জবরদখল মুক্ত

কক্সবাজার, প্রতিনিধিঃ  কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের নাপিতখালী বনবিটের আওতাধীন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ১ একর বনভূমি জবরদখল মুক্ত করা হয়েছে । কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তহিদুল ইসলামের নির্দেশে সহকারী বনসংরক্ষক সোহেল রানার সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান চালানো হয়। এসময় বনবিভাগের জায়গায় সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধভাবে নির্মিত ঘর উচ্ছেদ করে অন্তত ১ একর বনভূমির জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে জবর দখলমুক্ত করা হয়।
শনিবার (২৩ জানুয়ারী) সকালে কক্সবাজার বনবিভাগে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করেন। ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের নাপিতখালী বনবিটের বনায়নের জায়গায় বনভূমি দখল করে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করেন কতিপয় ভূমিদস্যু চক্র। বনবিভাগের জায়গায় অবৈধ বসতি স্থাপনা তৈরির সংবাদ পেয়ে অভিযান চালিয়ে বনায়ন এলাকা থেকে গড়ে তোলা টিনের ঘর উচ্ছেদ করে গুড়িয়ে দেয়া হয়। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অন্তত ১ একর বনভূমির জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করে দখলমুক্ত করা হয়। নাপিতখালী বনবিট কর্মকর্তা মো.আলা উদ্দিন, ডুলাহাজারা বনবিট কর্মকর্তা ইলিয়াস হোছাইন, ফাঁসিয়াখালী বনবিট কর্মকর্তা আবুল হোসেন, রেঞ্জের স্টাফবৃন্দ, ভিলেজার ও সিপিজি সদস্যবৃন্দরা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক সোহেল রানা বলেন,, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের নাপিতখালী বিটের বনভূমির জায়গায় অবৈধ দখলদার ঘর নির্মাণ করে বসতি গড়ে তুলেন। সকালে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্দেশনায় বনবিভাগের কর্মীদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে দখল উচ্ছেদ করা হয়। অবৈধ দখলদারকে বনবিভাগের জায়গা থেকে উচ্ছেদ করে অন্তত বনবিভাগের ১ একর জায়গা অবৈধ জবরদখলমুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি বনভূমি উদ্ধারে বনবিভাগ সচেষ্ট রয়েছে। সরকারি জমিতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলে উচ্ছেদ করা হবে এবং জবরদখল কারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বনভূমি রক্ষার্থে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবো। অভিযান চালিয়ে ভূমি জবরদখল এবং পাহাড়খেকোদের আইনের আওতায় আনা হবে। বন অপরাধ দমনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

কুড়িগ্রামে বঙ্গবন্ধু ফুটবল লীগ এর উদ্বোধন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায়, কুড়িগ্রাম জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের আয়োজনে ও কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় ‘বঙ্গবন্ধু কুড়িগ্রাম জেলা ফুটবল লীগ ২০২০-২১’ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার বিকেল ৩টায় ‘বঙ্গবন্ধু কুড়িগ্রাম জেলা ফুটবল লীগ ২০২০-২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ আমান উদ্দিন আহমেদ মন্জু, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম টুকু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু মোঃ সাঈদ হাসান লোবান। সভাপতিত্ব করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন সভাপতি মানস দাস ধলু। অন্যান্নদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি এ্যাড আহসান হাবীব নীলু, ক্রীড়া সংগঠক জালাল হোসেন লাইজু, রেজাউল করিম রাজু, মামুনুর রশীদ সহ অনেকে। উদ্বোধনী ম্যাচে নাইন স্টার বনাম ইএসএস দুটি দল অংশগ্রহণ করে

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

আ.লীগ বিএনপির পাল্টাপাল্টি ইশতেহা

রেজাউল করিমের ৩৭ প্রতিশ্রুতি, শাহাদাতের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ

প্রতিনিধি, চট্টগ্রামঃ ৩৭টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে তিনি এ ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইশতেহারে রেজাউল করিম চৌধুরী নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, নালা-খাল-নদী থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ মোট ৩৭টি প্রতিশ্রুতি দেন। নির্বাচনী ইশতেহারে ‘রূপসী চট্টগ্রাম আমার আপনার অহংকার, অঙ্গীকার-সবার যোগে সাজবে নগর’ শ্লোগানে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। ঘন সবুজের দেয়াল ঘেরা পাহাড়-নদী-হ্রদ ঝিলের সমন্বয়ে প্রকৃতি নিজের হাতে সাজিয়েছে চট্টগ্রামে বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক বন্দর চট্টগ্রাম। দক্ষিণ এশিয়ার প্রবেশদ্বার এই বন্দর। জাতীয় আমদানী-রফতানির ৮৫ শতাংশ চট্টগ্রাম দিয়ে পরিচালিত হয়। স্বাভাবিক কারণে চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা। রেজাউল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১২ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক বন্দরে পরিণত হয়েছে। তাই চট্টগ্রাম অনেক দূর এগিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের ভূমিবেষ্টিত সেভেন সিস্টার, চিনের কুনমিং শহর, নেপাল ও ভূটানের আমদানী-রফতানির ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার হবে চট্টগ্রাম। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম পর্যটন তীর্থ হিসেবে গড়ে উঠবে বৃহত্তর চট্টগ্রাম। রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমরা পরম সৌভাগ্যবান হয়েও প্রকৃতির চমৎকার উপহার চট্টগ্রামকে ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারছি না। এর জন্য শুধু দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ নয়, চট্টগ্রামের নাগরিক হিসেবে সকলেই সমান দায়ী। কারণ আমাদের মধ্যে নাগরিক দায়িত্ব পালনে যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আমি নিজেও এই দায় এড়াতে পারি না। আপনাদের সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় অতীতের সকল ভুল বিচ্যুতি পরিহার করে চট্টগ্রামকে সর্বাধুনিক বাসোপযোগী বিশ্বমানের উন্নত ও নান্দনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ, আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান।ডা.শাহাদাতের জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার অঙ্গিকার: অপরদিকে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়াসহ ৯টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। গতকাল শনিবার দুপুর একটায় নগরের জামালখানে একটি রেস্টুরেন্টে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি। তার প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে, জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম, স্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম, শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম, গৃহ কর ও আবাসন সুবিধা, পরিুছন্ন চট্টগ্রাম, নিরাপদ চট্টগ্রাম, সাম্য-সম্প্রীতির চট্টগ্রাম, নান্দনিক পর্যটন নগর এবং তথ্য প্রযুক্তি সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম গড়া।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর একটি পাহাড়, সাগর ও নদী পরিবেষ্টিত শহর। পাহাড় হতে বৃষ্টির পানি বিভিন্ন খাল হয়ে শহরের মধ্য দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়। অবৈধভাবে পাহাড় কাটার কারণে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি মাটি পড়ে খাল ও নালা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে তা খালে গিয়ে পড়ে। যা নিরসনে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করবো। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা মুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে শহরের মধ্যে প্রবাহিত খাল উদ্ধার করে তা পানি চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং খালের উভয় পাশ রক্ষায় বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রতি বছর বর্ষার আগে শহরের সমস্ত খাল, নালা-নর্দমা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কারসহ পানি চলাচলের উপযুক্ত করে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন করবো।
ডা. শাহাদাত বলেন, নগরবাসীর নাগরিক অধিকার আমাদের সংবিধান নির্দিষ্ট করেছে-কিন্তু সে অধিকার দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। সংবিধানের মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র তার বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ কাজ করে থাকে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যদি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনই পারে বিদ্যমান উন্নয়ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে নগরবাসীর দোরগোড়ায় উন্নয়ন পৌঁছে দিতে। নির্বাচিত হলে আমি আপনাদের সাথে নিয়ে এ প্রচেষ্টায় সফল হবো ইনশাআল্লাহ। সাম্য সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, চট্টগ্রামের হাজার বছরের ঐতিহ্যের আলোকে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে আবদ্ধ করার প্রয়াস থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে মাদকাসক্তির ঝুঁকি কমাতে সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গীর্জা, কবরস্থান, শ্মশান ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।
নান্দনিক পর্যটন নগর গড়তে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নগরীকে অল্প সময়ে বিশ্বের অন্যতম নগরীতে পরিণত করার জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পাহাড়, নদী, সমুদ্র, বিরল প্রকৃতির সৌন্দর্য্যের আলোকে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সাধন করে আধুনিক আকর্ষণীয় পর্যটন নগর গড়ে তোলা হবে। নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করে পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি পর্যটন আকর্ষণের নিমিত্তে দেশি-বিদেশি সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ, বিনোদন কেন্দ্র ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, নাগরিকদের যাতায়াত সুবিধার জন্য পরিকল্পিত স্মার্ট নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা করে আয়বর্ধক প্রকল্প বৃদ্ধিসহ বাস স্টপ নির্মাণ করা হবে। বন্ধ প্রতিষ্ঠানসমূহ চালু ও লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বায়ু দূষণ রোধে ইলেকট্রিক বাস সার্ভিস চালু করা হবে। নগরীতে অবস্থিত দিঘি ও লেক সমূহকে পর্যটন স্পটে পরিণত করা হবে। এছাড়া নগরবাসীর জন্য নানা সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন বাস্তবভিত্তিক দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত পার্ক নির্মাণ করা হবে।
স্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, করপোরেশন এলাকায় অবহেলিত বিভাগগুলোর মধ্যে অন্যতম স্বাস্থ্য বিভাগ। নগরের জনসংখ্যা গত ৫০ বৎসরে প্রায় ২০ গুণ বৃদ্ধি পেলেও নতুন কোনও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় শয্যা সংখ্যার অপ্রতুলতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানী ঢাকায় ১০টি বিশেষায়িত হাসপাতাল থাকলেও চট্টগ্রামে পর্যাপ্ত নেই। চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত বন্দরনগরীর স্বাস্থ্য সেবার পরিধি বৃদ্ধিকল্পে অন্তত আরও ২ হাজার শয্যার পর্যাপ্ত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। সাথে সাথে শিশু হাসপাতাল, মাতৃসদন ও ট্রমা সেন্টারসহ বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে অনুমোদিত ১৩১৩ শয্যার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫০০-৩০০০ রোগী ভর্তি থাকে। অন্যদিকে প্রশাসনিক আদেশে ২৫০ শয্যার ঘোষণা দেওয়া হলেও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালটি এখনও ১৫০ শয্যার জনবল নিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে। শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম গড়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অটোমেশনের আওতায় এনে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়ন, স্কুলে প্রবেশ, প্রস্থান, ক্লাস কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও পরীক্ষার ফলাফল সবকিছু যাতে অভিভাবকরা ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে মনিটরিং করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। করপোরেশন পরিচালিত প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সরকারি নির্দেশনার আলোকে পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত জীবনে নেতৃত্ব ও গুণাবলী অর্জনের নিমিত্তে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
গৃহকর ও আবাসন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, চসিক একটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। সেবা প্রদানে কর প্রয়োজনীয় সহায়ক শক্তি। জনগণের উন্নত সেবা নিশ্চিতকরণে বর্তমান গৃহকরের প্রয়োজনীয় বিন্যাস ও সরলীকরণ করাসহ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিম্ন আয়ের নগরবাসী, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের আবাসন গৃহ করমুক্ত করা হবে। হিজরা, ভবঘুরে ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করা হবে। শ্রমজীবীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কিস্তিতে দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

ফুলবাড়ীতে সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম

ফুলবাড়ী, (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে জমিজমা সংক্রান্ত কলহের জেরে এক সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনা ঘটেছে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। আহত ওই সাংবাদিক হলেন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও বাংলাদেশ টুডে পত্রিকার ফুলবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি এবং ফুলবাড়ী জছিমিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আমিনুল ইসলাম (৫৫)। জানা যায়, পানিমাছকুটি গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে মোখলেছুর রহমান ক্লের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ চলে আসছিলো। গত শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) থানায় অভিযোগ দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ। এরই জের ধরে শনিবার সকালে মোখলেছুর তার ভাই মিজানুর রহমান, মানিক মিয়া সহ কয়েকজন লোক দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওত পেতে থাকে। আমিনুল ইসলাম স্কুলে যাওয়ার সময় পানিমাছকুটি গ্রামের আবুল মিস্ত্রির বাড়ির সামনে আকষ্মিকভাবে পথ আটকিয়ে তার উপর হামলা চালায়। এতে রক্তাক্ত জখম হয়ে গুরুতর আহত হলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত আমিনুল ইসলাম জানান, থানায় অভিযোগ করার কারনে তারা আমার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সারওয়ার পারভেজ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আহত ওই সাংবাদিকের খোঁজখবর নিয়েছি। অভিযোগ পেলেই আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

শ্রীপুরে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কতৃক মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের বিজয় সভা কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী গনভবন থেকে ভিডিও কসফারেন্সের মাধ্যমে সরকারিভাবে নির্মিত ঘর হস্তান্তরের উদ্বোধন ঘোষনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনার পর স্থানীয় প্রশাসন উপজেলার ২০ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে নতুন ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর করেন।
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যন এড: শামসুল আলম প্রধান,শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিসুর রহমান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমা মোস্তারী,সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা নাসরীন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিনাত শারমিন, শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ কে এম মোহিতুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা মুনজুরুল ইসলাম প্রমূখ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

পলাশে প্রধানমন্ত্রী ঘর পেলেন গৃহহীন ২৫ পরিবার

নরসিংদী প্রতিনিধি : ২৩ জানুয়ারী শনিবার ২০২১। সকাল ১১.২০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘর ও জমি বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন মধ্য দিয়ে পলাশে প্রধানমন্ত্রী ঘর পেলেন ভূমি ও গৃহহীন ২৫ পরিবার। এসময় পলাশ উপজেলা টেলি কনফারেন্স রুমে উপস্হিত ছিলেন পলাশ উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানাইন ইয়াসমিন, পলাশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় নরসিংদী জেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ২২১টি পরিবারকে দুই শতক জমি ও সেমি পাকা ঘর এর মধ্যে পলাশ উপজেলার জিনারদী গজারিয়া ও চরসিন্দুর ইউনিয়নের ২৫টি পরিবার পেলেন এই জমি ও ঘর। এসময় ২৫ টি পরিবারের প্রত্যেককে তাদের ঘর ও জমির দলিল হাতে তুলে দেন নির্বাহি কর্মকর্তা রুমানা ইয়াসমিন এবং উপজেলা চেযারম্যান সৈয়দ জাবেদ হোসেন। এসময় আরো উপস্হিত ছিলেন পলাশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম। পলাশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পলাশ উপজেলার সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিতকল্পে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় গৃহনির্মাণের কাজ দ্রুততার সাথে শুরু হয় এবং পলাশে প্রথম পর্যায়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে ২৫টি ঘর। তিনি আরও জানান, ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল মানুষের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জমি ও গৃহ প্রদানের পাশাপাশি নরসিংদী জেলা প্রশাসনের নিজস্ব উদ্যোগে নির্মিত গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগ ও সুপেয় পানির জন্য নলকূপ স্থাপন করে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও এসকল গৃহহীন পরিবারের জীবনমান সমৃদ্ধি করার জন্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নিকটতম দূরত্বে বাজার, শিশুপার্ক, বিদ্যালয় ও মসজিদ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ছিন্নমূল এসব পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বেগবান করতে এ সকল পরিবারের মাঝে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে জেলা প্রশাসন, নরসিংদী।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

বকশীগঞ্জে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে ঘরের দলিল হস্তান্তর

বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত ঘর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে ঘর গুলো উদ্বোধন করেন।ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর ও ঘরের জমির কাগজপত্রাদি হস্তান্তর করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ও দলিল হস্তান্তর কার্যক্রমে উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রউফ তালুকদার, ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা, বকশীগঞ্জ পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্নিগ্ধা দাস, বকশীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম সম্রাট, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়, সহসভাপতি নুরুল আমিন ফোরকান, উপজেলা পিআইও হাসান মাহবুব খান, মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন সহ সাংবাদিক, সুধীমহল সহ স্থানীয় গৃহহীন পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বকশীগঞ্জ উপজেলায় খাস জমিতে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের সাবিক তত্ত্বাবধানে ১৪২ টি ঘর নির্মাণ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

ওবায়দুল কাদেরকে কটুক্তি প্রতিবাদে কোম্পানিগঞ্জে হরতাল

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে হরতালের ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ।রোববার
সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ট পর্যন্ত এ হরতাল পালন করবে।

জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশ আ’লীগের
সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে রাজাকার পরিবারের সদস্য বলার প্রতিবাদে এই হরতাল
পালন করবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ।
শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় অবস্থান ধর্মঘট থেকে হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা দেন
বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। যা আগামীকাল রোববার সকাল ৬টা থেকে
দুপুর ২টা পর্যন্ত  চলবে। হরতাল চলাকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বন্ধ থাকবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও
যানবাহন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ তাদের দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে এই হরতাল পালন
করবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত
খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল
প্রমূখ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেলেন ভূমি ও গৃহহীন ৬০৭ পরিবার

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল: মুজিব বর্ষে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার ৬০৭টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় কবুলিয়ত দলিলসহ নব-নির্মিত বাসগৃহ পেয়েছেন।শনিবার(২৩ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৬ হাজারের বেশি পরিবারের মাঝে বাসগৃহ হস্থান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এরমধ্যে টাঙ্গাইলের ৬০৭টি পরিবারও রয়েছে।টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে উপকারভোগীদের হাতে বাসগৃহের কবুলিয়ত দলিল তুলে দেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গণি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।

এ সময় জেলার বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা, জেলা-উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলার ১২টি উপজেলায় স্ব স্ব আসনের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা বাসগৃহের কবুলিয়ত দলিল উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে

সারদেশের ন্যায় নোয়াখালীতে ১৮৯ টি গৃহহীনদের ঘর প্রদান

নোয়াখালী প্রতিনিধি: গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর অধীন সারাদেশে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ঘর (২ শতাংশ) জমির খতিয়ান ও চাবি প্রদান ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ধোধন করেন । এদিকে নোয়াখালীতে ১ম দফায় ১৮৯টি পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা জাহান উপমার সভাপতিত্বে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান একেএম সামছুদ্দিন জেহান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রেভিন্যূউ) মোঃ আবু ইউসুফ, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জাকারিয়া, জেলা দূর্নীতি দমন কমিটির সাধারন সম্পাদক একেএম তায়েফ উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক বৃন্দ।
এ সময়, বক্তারা বঙ্গবন্ধুর কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সি প্রশংসা করে বলেন তার ঐকান্তি প্রচেষ্টায় গৃহহীনদের মঝে ঘর প্রদান করে ইতিহাসে নজির স্থাপন করেন। উল্লেখ্য আশ্রায়ন-২ প্রকল্পে প্রতিটি ঘর নির্মাণে ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৫০০টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। আর এটা বাস্তবায়ন করেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অত্যান্ত মানসম্মত ও টেকসই ঘর নির্মান করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি’২১/এম.জে