আজ শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 236

আমতলীতে ১৫ শ কেজি জাটকা আটক, এতিম খানায় বিতরণের সময় থানা চত্বরে মাছ লুট

মানাফি ইসলাম নাজমুল বরগুনা প্রতিনিধি ,বরগুনা আমতলী তে এতিমদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫০০ কেজি জাটকা ইলিশ মাছ আমতলী থানা থেকে লুট হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশ্য দিবালোকে এমন ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ইলিশ মাছ লুট হওয়ার ঘটনা মুহুর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ও নিন্দার ঝড় উঠে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন নেটিজেনরা।

এমন আলোচিত ঘটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁন জানেন না বলে তিনি দাবি করেছেন। স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করেছেন। জানা যায়, গত ১ নভেম্বর থেকে সাগর ও নদীতে জাটকা ইলিশ শিকার করা নিষিদ্ধ। কিন্তু তালতলী, কলাপাড়া ও আমতলী উপজেলার অসাধু জেলেরা সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে অবাধে মাছ শিকার করছেন।

জেলেদের শিকার করা জাটকা ইলিশ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চারটি পরিবহন গাড়ীতে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাচার হচ্ছিল। ওই মাছ নৌ-বাহিনীর সদস্য ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ জব্দ করে। জব্দ মাছ তারা আমতলী থানায় মজুদ রাখেন। বিকেলে ওই মাছ স্থানীয় ৫০ টি এতিম খানায় বিতরণ করা হচ্ছিল।

ওই মুহুর্তে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ দুই শতাধিক মানুষ থানা কম্পাউন্ডের ভিতরে প্রবেশ করেন। তারা মাছগুলো লুট করে নিয়ে যায়। প্রকাশ্য দিবালোকে থানার মধ্যে এভাবে মাছ লুট হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন সাধারণ মানুষ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, ‘পুলিশের সামনে জাটকা ইলিশ লুট হলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। রাজনৈতিক দলের লোকজন মাছ লুট করছে। উপজেলা প্রশাসন সঠিকভাবে মাছ বিতরণ করলে এমন হতো না। তাদের গাফলতির কারনেই এমন ঘটনা ঘটেছে।’

তারা আরও বলেন, বুধবার রাতেও জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছিল। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন পরিবহন গাড়ী ও জব্দকৃত মাছের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি। ফলে থানায় এমন ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।’ প্রত্যক্ষদর্শী গাজী নাসির উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন বলেন, ‘পুলিশের সামনে থেকে জব্দকৃত জাটকা ইলিশ লুট হওয়া খুবই দুঃখজনক।

তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন যদি সঠিকমত বন্ঠন করলে এমন হতো না। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাই।’আমতলী উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার বলেন, ‘আমি প্রশিক্ষণে আছি। জব্দকৃত ১৫০০ কেজি মাছ ৫০ টি এতিম খানায় বিতরণকালে অপরিচিতি শতাধিক লোকজন এসে মাছ লুট করে নিয়ে গেছে।’

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ‘জব্দকৃত অর্ধেক মাছ সঠিকভাবে বন্ঠন করা হয়েছে। বাকী অর্ধেক মাছ মানুষ নিয়ে গেছে। আমি ঠেকানোর চেষ্টা করেও পারিনি।’

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। থানা একটি সুরক্ষিত জায়গা, সেখান থেকে মাছ লুট হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। তারপরও যদি লুট হয়ে থাকে, জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

টেকনাফে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার!

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি। কক্সবাজারের টেকনাফে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন সাবেক ইউপি সদস্য ও ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ ইউনুস সিকদার (৪৫)। বুধবার সকাল ৮টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকার একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ইউনুস সিকদার টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য এবং আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন।
দাওয়াতের নামে ফাঁদ,পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাতে একই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আলম শফুর মিয়ার বাড়িতে দাওয়াতের কথা বলে ডেকে নেওয়া হয় ইউনুসকে। পরে তাকে আটকে রেখে ৭০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। সকালে জীবিত ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, পরদিন সকালে তার লাশ পাওয়া যায় ব্রিজের নিচে।
ইউনুস সিকদারের স্ত্রী কহিনুর আক্তার বলেন, “আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে আলম শফুরের গ্রুপ। তাদের সঙ্গে কোনো টাকার লেনদেন ছিল না। তারা বলেছিল সকালে ফেরত দেবে, কিন্তু সকালে পেলাম শুধু লাশ। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।”
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে শফুর মিয়ার বাড়িতে গোলমালের শব্দ শোনা যায়। এরপর থেকে বাড়িটি বন্ধ অবস্থায় দেখা যায়। সকালে ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
পুলিশের বক্তব্য টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আর্থিক বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে।”
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মন্তব্য করেছেন টেকনাফ পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, কমিটির বিষয়ে আলোচনা করার কথা বলে ডেকে নিয়ে ইউনুস সিকদারকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে ছাড়ানোর জন্য ৭০ লাখ টাকা দাবি করেছিল বলেও আমরা জেনেছি।”
পরিবারের আর্তনাদ নিহতের ছেলে মোহাম্মদ ফারদিন বলেন, “আমরা পুলিশের সঙ্গে গিয়ে তাদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েছিলাম। তারা গুলি চালালে পুলিশ চলে আসে। পরে আমরা অনেক খুঁজেও বাবাকে পাইনি। সকালে জানলাম, তিনি আর বেঁচে নেই।”
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় ফররুখ-শামসুর স্মরণ

বিশেষ প্রতিবেদক: তুমুল বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে কবিতা এসে হাজির হয়েছিল পরীবাগের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের দোতলায়। কতিপয় ক্ষ্যাপাটে কবি কাব্য উন্মাদনায় জড় হয়েছিলেন ওয়াহিদুল হক সভাঘরে এবং তাদের স্মরণবীণায় বেজে ওঠেছিলেন চল্লিশের ফররুখ আহমদ আর পঞ্চাশের শামসুর রাহমান। শনিবার পহেলা নভেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের এই স্মরণ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন কবি শাহীন রেজা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সত্তরের আলোচিত কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ। কবি সৈয়দ রনোর সঞ্চালনায় প্রথমেই ফররুখকে নিয়ে লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও কথা সাহিত্যিক শাওন আসগর আর শামসুর রাহমানকে নিয়ে কবি ও সাংবাদিক জামাল উদ্দিন জামাল।
এরপর কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, কবি ড. শহিদ আজাদ, কবি মুস্তাফা হাবীব, কবি কামরুজ্জামান, কবি সাজেদা হেলেন, কবি হুমায়ুন কবির সিকদার, কবি মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন, কবি হাসান কামরুল, কবি ও ছড়াকার শাহেদ বিপ্লব, কবি ও সম্পাদক মাহমুদ নোমান, কবি লিলি শেঠ, আবৃত্তি শিল্পী রুপালী বড়ুয়া, কবি নোমান রহমান, মাহমুদুল হাসান বিশ্বাস, কবি শাহাব উদ্দীন শামীম, শাহীনা বেগম, নুরুল ইসলাম খান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ বলেন, ফররুখ আহমদ আর শামসুর রাহমান দুই ধারার কবি। জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম দুই মেরুর এই দুই প্রবল কবিকে একত্রে স্মরণ করার মাধ্যমে প্রমান করলেন কবিরা নিজেরাই একটি দল এবং তাদের মধ্যে একমাত্র সেতুবন্ধন কবিতা।
সভাপতির বক্তব্যে কবি শাহীন রেজা বলেন, এদেশে লেখক সম্প্রদায়কে কৌশলে বিভাজিত করার একটি অপচেষ্টা চলছে। জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম সে চেষ্টাকে প্রতিহত করবে এবং এক ও অভিন্ন জাতিসত্তার আলোকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। সাধারণ সম্পাদক ড. শহিদ আজাদ বলেন, আমরা ৫২, ৭১ ও ২৪ এর উত্তরাধিকার। বাংলাদেশ আমাদের শুরু এবং শেষ। এর বাইরে আমরা কিছু জানি না, মানি না।
বক্তারা বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন এদেশের লেখক সমাজ বাংলাদেশের কথাই বলে যাবে। তারা বলেন, একটি গোষ্ঠী ফররুখকে ইসলামের আর শামসুরকে নাগরিকের খোলসে বন্দি করতে চায়।আমরা এ খোলস মানি না। তারা দুজনেই সাম্য মানবতা আর সময়ের কবি। এভাবেই আমরা তাদেরকে চিহ্নিত করতে চাই এবং করে যাব।
বার্তা প্রেরক
কামরুজ্জামান
সহ সভাপতি
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় অটোরিকশার চালক ও যাত্রী নিহত

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অটোরিকশার চালক ও এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। ০৪ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দেওহাটা ওভারব্রিজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রানাশাল গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশাচালক রহিজ সিকদার (৪৬) এবং দেওহাটা গ্রামের আজগর আলীর ছেলে যাত্রী আব্দুল হামিদ (৬০)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলগামী একটি যাত্রীবাহী বাস দেওহাটা ওভারব্রিজ অতিক্রম করার সময় অটোরিকশাচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীসহ মহাসড়কে উঠে যায়। এ সময় দ্রুতগামী বাসটি অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে চালক ও যাত্রী দুজনেই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাপুর গোড়াইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সারোয়ার জানান, “অটোরিকশাচালক উল্টো পথে ওভারব্রিজে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ নভেম্বর ২০২৫/মওম

নোয়াখালীতে ট্রাক চাপায় নিহত-৬

প্রতিনিধি,নোয়াখালী:
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ট্রাক চাপায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা আরোহী ৬জন নিহত হয়েছেন।
৪ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার কবিরহাট টু বসুরহাট সড়কের আলিয়া মাদরাসার সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো, সিএনজি চালক খোকন (৪৬) সিএনজি আরোহী শিক্ষার্থী তানিম হাসান (২৬), মো.সুমন (৩৩) ও শাহাদাত হোসেন (৩৬)। তবে তাৎক্ষণিক এক নারীসহ দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে জেলা শহর মাইজদী থেকে ৫জন যাত্রী নিয়ে বসুরহাটের উদ্দেশ্যে একটি যাত্রীবাহী সিএনজি রওয়ানা দেয়। যাত্রা পথে সিএনজিটি উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কবিরহাট টু বসুরহাট সড়কের আলিয়া মাদরাসার সামনে পৌঁছলে সিএনজির সামনের এক্সেল ভেঙ্গে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের উল্টো পাশে চলে যায়। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাক যাত্রীবাহী সিএনজিকে চাপা দিয়ে অনেক দূর নিয়ে যায়। এতে সিএনজি চালকসহ ৪জন যাত্রী ঘটনাস্থলে মারা যায়। ২জনকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শাহীন মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দুর্ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসছে। এ দুর্ঘটনায় মোট ৬জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়।  পরে ঘটনাস্থল থেকে ট্রাক জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ নভেম্বর ২০২৫/মওম
 

একটা ভালো কাজ করতে যাচ্ছি, অনেক বেশি এক্সাইটেড: তানজিন তিশা

বিনোদন ডেস্ক:

নেত্রকোনায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১ কেজি গাঁজা সহ ২ জন গ্রেফতার

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। নেত্রকোনা ডিবি পুলিশ (পূর্ব) এর অফিসার ইনচার্জ মোঃ তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের এস আই ইকবাল হোসেন এর নেতৃত্বে একটি টিম গতকাল সোমবার দিবাগত রাত দেড় টার দিকে বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের ডেমুরা বড়গাও গ্রামের স্বপন মিয়ার বাড়িতে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে  ১ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন, বারহাট্টা উপজেলার ডেমুরা গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার পুত্র স্বপন মিয়া (৪৪) ও ঝিতন গ্রামের মৃত নেকবর আলীর পুত্র রুবেল মিয়া (৪৫)।আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করার পর আসামিদেরকে মঙ্গলবার বিকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ নভেম্বর ২০২৫/মওম

রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কোনো অবৈধ সুবিধা দিলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৪ নভেম্বর মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি। নির্বাচনে যদি পুলিশ কোনো দলকে বিশেষ সুবিধা দেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি করেছি আমরা। কারো কোনোরকম নেগলিজেন্স থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। আগে জিডি করে রাখা হতো, শুধু কিন্তু এবার সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে।

বলেন উপদেষ্টা, পুলিশের প্রতি আমার নির্দেশনা হচ্ছে, নির্বাচন হতে হবে, ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল এবং উৎসবমুখর। পুলিশের কেউ অনৈতিক কাজে জড়িত থাকলে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার থাকবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীতে এখন সেই পাওয়ার আছে। নির্বাচন এলে বন্ধ হবে কিনা সে প্রশ্ন তখন করতে বলা হয়।

নির্বাচনের আগে পুলিশ রদবদল হবে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের ম্যাক্সিমাম চেঞ্জ করার চেষ্টা করা হবে। প্রথমত, যারা তিনটি নির্বাচনের সঙ্গেই জড়িত ছিল, তাদের বাদ দেওয়া হবে। যেহেতু নতুন লোক রিক্রুট করে নতুন ওসি নিয়ে আসা সম্ভব নয়, তাই লোকবলের একটি লিমিটেশন আছে। যদি কেউ একটি নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত থাকে কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো রিপোর্ট না থাকে, তাকে হয়ত ব্যবহার করতে হবে।

বিগত সরকারের সময়ে লুট হওয়া অস্ত্র এখনও পুরোপুরি উদ্ধার হয়নি। কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ড এবং অস্ত্র চুরির অভিযোগ উঠেছে, এটা স্পর্শকাতর জায়গায় নিরাপত্তার দুর্বলতা প্রমাণ করে, এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার প্রধান হলেন একজন সিনিয়র সচিব। তিনি অলরেডি কয়েকটি (চার-পাঁচটি) দেশে চিঠি দিয়েছেন এবং দুই-একটি দেশ থেকে প্রতিনিধি চলে এসেছে। অস্ত্র চুরির বিষয়ে তদন্ত (ইনভেস্টিগেশন) চলছে এবং এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে কয়টি বা আদৌ কোনো হাতিয়ার চুরি হয়েছে কিনা। যদি চুরি হয়ে থাকে, তবে দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, চিটাগাংয়ের রাউজানে একটি অপারেশন চালিয়ে ১১টি হাতিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসীকে ধরা হয়েছে। রাউজান এবং ফটিকছড়িকে ডিফিকাল্ট এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ নভেম্বর ২০২৫/মওম

গুলশানে অনুমোদন পেল নতুন অভিজাত ‘গুলশান সাউথ ক্লাব’

আলোকিত প্রতিবেদক: রাজধানীর গুলশানে আরও একটি নতুন অভিজাত ক্লাবের যাত্রা শুরু হলো। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অ্যান্ড ফার্মস থেকে ‘গুলশান সাউথ ক্লাব’ নামে একটি নতুন ক্লাবের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেছে।

গতকাল (৩ নভেম্বর ) ক্লাবটির নিবন্ধন অনুমোদনের পর এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। গুলশান সাউথ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ড. সৈয়দ মো. শাহান শাহ শাহীন। উদ্যোক্তা পরিচালক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জনাব মোহাম্মদ খুরশিদ আলম। এছাড়া ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে রয়েছেন আরো সাতজন—খান মোহাম্মদ ইকবাল, কৃষিবিদ মো. ইউনুস আলী, মো. খালিদুজ্জামান, মোহাম্মদ নূর নবী, আব্দুল আউয়াল বিপ্লব, মো. এনামুল হক এবং জুবাইদা নাজনীন প্রমুখ।

নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে গুলশান এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইসরায়েলকে ছাড়লেই যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করবে ইরান: খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইসরায়েলকে ছাড়লেই কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করবে ইরান। এমন মন্তব্যই করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মধ্যপ্রাচ্যে হস্তক্ষেপ বন্ধ না করে এবং ইসরায়েলকে দেওয়া সমর্থন ত্যাগ না করে, তবে তেহরান তাদের সঙ্গে কোনো সহযোগিতা করবে না। ৩ নভেম্বর সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

সোমবার তেহরানে এক ছাত্রসমাবেশে খামেনি বলেন, “যদি তারা পুরোপুরি ইসরায়েলি শাসনকে সমর্থন করা বন্ধ করে, এখানকার সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নেয় এবং এ অঞ্চলে হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে সহযোগিতা নিয়ে ভাবা যেতে পারে।”  “যুক্তরাষ্ট্রের ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্বভাব আত্মসমর্পণ ছাড়া অন্য কিছুই মেনে নেয় না।”

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রের তেহরান দূতাবাস দখলের বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ওই বিপ্লবে পশ্চিমা সমর্থিত তৎকালীন শাসক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভিকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল। এ বছরের জুনে ইরানের ওপর নজিরবিহীন বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। আর এই হামলার জেরে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য অংশ নেয় এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে ইরানে ৯৩৫ জন এবং ইসরায়েলে ২৪ জন নিহত হন।

এই যুদ্ধের পর ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। আর এর ফলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান পারমাণবিক আলোচনাও ভেস্তে যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতায় ২৪ জুন থেকে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

খামেনি বলেন, “যদি একটি দেশ শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং শত্রুরা বুঝতে পারে যে এই শক্তিশালী জাতির মুখোমুখি হয়ে তাদের লাভ নয়, বরং ক্ষতিই হবে, তাহলে সেই দেশ নিরাপদ থাকবে।”

২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে গিয়ে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকে দেশটি কঠোর অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির উদ্যোগে ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে জাতিসংঘ।

গত রবিবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, তেহরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী, তবে তা শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে। ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে কোনো আলোচনায় তারা রাজি নয়।

তিনি আরও বলেন, “যখন যুক্তরাষ্ট্র সমমর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে আলোচনায় প্রস্তুত হবে, তখনই আমরা আলোচনায় ফিরব। আমাদেরও তাড়াহুড়ো নেই।”

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ নভেম্বর ২০২৫/মওম