টাঙ্গাইলে নির্বাচন অফিসে হামলা-ভাঙচুর,কর্মকর্তাসহ আহত ৪
নেত্রকোনার পূর্বধলায় মুস্তাক আহামেদের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বেগম খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিলেন টুকু
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
রবিবার রাতে দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু আমন্ত্রণপত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। আগামী ১২ নভেম্বর বুধবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দলের চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় দেখা করে এ আমন্ত্রণপত্র দিয়ে এসেছি।
আলোকিত প্রতিদিন/১০নভেম্বর ২০২৫/মওম
টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দফায় দফায় গোলাগু*লি!
টাঙ্গাইল সদরে তৃণমূলের প্রত্যাশা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
বিশেষ প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনে এখনো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থিতা ঘোষণা করেনি । যে কারণে আসনটি ঘিরে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন । বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা যার যার মত করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিদিন।
টাঙ্গাইল হচ্ছে ঢাকা বিভাগের বৃহত্তম জেলা। জনসংখ্যার দিক থেকেও দ্বিতীয় । পুরো উত্তরবঙ্গের সাথে রাজধানী ঢাকার সংযোগ স্থল হলো টাঙ্গাইল হয়ে যমুনা সেতু। ঢাকার আশেপাশের জেলাগুলো সিটি কর্পোরেশন হওয়াসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিল্প- কারখানা স্থাপন হলেও টাঙ্গাইল সেদিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। ঢাকার সন্নিকটে একটি ভাইটাল জেলা হয়েও টাঙ্গাইলের যথাযথ উন্নয়ন হয়নি বলে মনে করে টাঙ্গাইলের মানুষ। বিশেষ করে উপযুক্ত জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের অভাবে দীর্ঘদিন যাবত টাঙ্গাইল সদর কোন মন্ত্রী পায়নি। ফলে ফাঁপা কিছু উন্নয়ন হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
দীর্ঘদিন মন্ত্রিত্ব বঞ্চিত টাঙ্গাইল সদরবাসী এবার একজন মন্ত্রী প্রত্যাশা করে। একজন জাতীয় পর্যায়ের আইকনিক নেতাকে তারা সদর আসন থেকে জাতীয় সংসদে দেখতে চায়। সেক্ষেত্রে বিএনপির দলীয় এবং সুইং ভোটারদের অনেকেরই প্রত্যাশা, টাঙ্গাইল সদর আসনের উন্নয়নে এবার সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে কাছে পাবেন তারা ।
জাতীয় পর্যায়ে ছাত্রদল, যুবদলকে নেতৃত্ব দিয়ে বর্তমানে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিমধ্যেই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল পৌরসভা ও বারটি ইউনিয়নে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও গণ সংযোগ চালিয়েছেন । পাশাপাশি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক, কিশোর গ্যাং, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ,দুর্নীতিসহ ইত্যাদি বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোর হস্তে দমন ও সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ভোটারদের।
রাজনীতির বাইরেও বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ডাঃ মহিউদ্দিন মিয়া চ্যারিটিবল ট্রাস্ট এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবত জন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। পরিবেশ রক্ষায় ইতিমধ্যেই তিনি লক্ষাধিক বৃক্ষরোপণ করেছেন এবং প্রাথমিক পর্যায়ে তিন বছরে এক কোটি বৃক্ষ (গাছ ) রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। নদী- নালা ,খাল -বিল , খেলার মাঠকে দখল ও দূষণমুক্ত রাখা তার অন্যতম লক্ষ্য।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের ভোটারদের সাথে কথা বললে তারা অনেকেই অকপটে বলেন- এবার আমরা সদরে একজন ডাকসাইটে নেতা চাই। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু হতে পারে সেই প্রত্যাশিত একজন । যার মাধ্যমে আমরা টাঙ্গাইল সদর একজন আইকনিক নেতাকে পেতে পারি। যিনি সংসদ সদস্য হতে পারলে পরবর্তীতে মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। টাঙ্গাইলকে আবার রাজনীতির জাতীয় স্তরে প্রতিষ্ঠা করতে হলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কোন বিকল্প নাই ।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক শানু বলেন ,আমরা টুকু ভাইয়ের সাথে রাজনীতি করেছি । তিনি দলের একজন ত্যাগী নেতা। সেই সাথে তিনি সাহসী ও জনবান্ধব একজন মানুষ । তাই তৃণমূল বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে চায় ধানের শীষের প্রার্থী হোক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী বলেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন । তার কর্ম এবং আচরণের জন্য পশ্চিম টাঙ্গাইলের মানুষ তাকে সাদরে গ্রহণ করেছে। টাঙ্গাইল সদর তথা পশ্চিম টাঙ্গাইলবাসির পক্ষ থেকে আমি চাই -সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র মত একজন জাতীয় নেতা টাঙ্গাইল সদরে এমপি হিসেবে আসুক।
টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী বলেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু একজন দায়িত্বশীল লিডার । সে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, যুবদলকে নেতৃত্ব দিয়ে এখন বিএনপিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে । বিগত ১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট আমলের আন্দোলন- সংগ্রামে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য । সুলতান সালাউদ্দিন সমগ্র দেশের একজন প্রিয় মুখ । এজন্য আমি অবশ্যই চাই -সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে টাঙ্গাইল সদর আসন থেকে নমিনেশন দেয়া হোক।
টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল হক রাশেদ বলেন , টাঙ্গাইল সদরের তৃণমূলের চাওয়া হচ্ছে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। যিনি টাঙ্গাইল সদরে বিগত ৩০ বছর যাবত কাজ করে যাচ্ছেন । সমগ্র বাংলাদেশ এবং টাঙ্গাইলে অসংখ্য নেতা-কর্মী তৈরি করেছেন যিনি। টাঙ্গাইলের যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সহযোগিতা পায়নি-তেমন কোন অঞ্চল খুঁজে পাওয়া যাবে না । শিক্ষা ,সংস্কৃতি বা যেকোন প্রয়োজনে টাঙ্গাইলের মানুষ সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সহযোগিতা বা সাহায্য পায়নি- তেমন কেউ বলতে পারবে না। টাঙ্গাইলকে ঘিরে যারা স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথিকৃৎ হিসেবে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকেই তারা ভেবে থাকেন। তাই তৃণমূলের চাওয়া হচ্ছে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল সদরের এমপি হোক ।
টাঙ্গাইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফি ইথেন বলেন , সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জিয়া পরিবারের একজন বিশ্বস্ত সৈনিক । যা তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন দেখে বোঝা যায়। তিনি একজন নির্যাতিত ,ত্যাগী ও দক্ষ সংগঠক। একজন কর্মবীর ও কর্মীবান্ধব জাতীয় নেতা । টাঙ্গাইল পাঁচ সদর আসনকে উন্নয়নের মডেল আসন হিসেবে দেখতে চাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কোন বিকল্প নাই । যিনি ইতিমধ্যেই তার বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছেন।
টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ বলেন, টাঙ্গাইলের উন্নয়নের জন্য, জনগণের উন্নয়নের জন্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে প্রয়োজন। আমরা দেখেছি, বিগত দিনে বন্যা , করোনা বা যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে এবং মানুষের বিপদ -আপদে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জনগণের পাশে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করেছেন । টাঙ্গাইলেরতরুণদের মেধা বিকাশে খেলাধুলাসহ সাহিত্য -সংস্কৃতির প্রসারে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন তিনি। সুতরাং টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু অপরিহার্য ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন – আমি কথা নয়, কাজে বিশ্বাসী। আল্লাহ যদি রহমত করেন ,আমি আমার ওয়াদাগুলো অবশ্যই রক্ষা করব , ইনশাআল্লাহ। আমি জমিদার হতে আসিনি । জনগণের সেবক হতে এসেছি । আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন । যেন সারা জীবন আপনাদের পাশে থাকতে পারি। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যেতে পারি।
আলোকিত প্রতিদিন/১০নভেম্বর ২০২৫/মওম
পবিত্র কোরআনের কসম, বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করিনি: ওমর আবদুল্লাহ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ লিখেছেন, “আমি পবিত্র কোরআনের শপথ করে বলছি, ২০২৪ সালে রাজ্যের স্বায়ত্তশাসন ফেরানোর জন্য কিংবা অন্য কোনো কারণে আমি বিজেপির সঙ্গে জোট করতে চাইনি। জীবিকা নির্বাহের জন্য (বিজেপি নেতা) সুনীল শর্মার মতো আমি মিথ্যা বলি না।”
এই মন্তব্যের মাধ্যমে রাজ্যের বিধানসভায় বিরোধী দলীয় নেতা সুনীল শর্মার বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন ওমর আবদুল্লাহ। সুনীল শর্মা দাবি করেছিলেন, ওমর আবদুল্লাহ দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সঙ্গে জোট করার প্রস্তাব দেন। তার শর্ত ছিল, রাজ্যের স্বায়ত্তশাসন ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরও আবদুল্লাহ নাকি বিজেপির সঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করেছিলেন। শর্মা সাংবাদিকদের বলেন, “২০২৪ সালে তিনি আবার দিল্লিতে গিয়ে প্রস্তাব দেন— যদি রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা ফেরানো হয়, তাহলে বিজেপির সঙ্গে সরকার গঠনে রাজি আছেন। কিন্তু তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়। আমরা তাকে বলেছিলাম, জনগণ আমাদের বিরোধী দলে থাকার ম্যান্ডেট দিয়েছে। এখন তিনি যদি সত্যবাদী হন, তাহলে মসজিদে গিয়ে পবিত্র কোরআন হাতে নিয়ে শপথ করে বলুন— তিনি দিল্লিতে সরকার গঠনের আলোচনায় যাননি। তিনি সেটা করবেন না. তবে আমরা প্রস্তুত, যেখানেই বলেন, আমরা শপথ নিতে রাজি।”
সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সমালোচনা করেছেন ওমর আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, জম্মু এবং কাশ্মিরে বিজেপির বিরুদ্ধে একমাত্র তার দল ন্যাশনাল কনফারেন্সই লড়াই করছে।
এর আগে একইদিনে বুদগামে বিজেপির প্রার্থী সৈয়দ মোহসিনের সমর্থনে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শর্মা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, “ওমর আবদুল্লাহ যদি সত্যিই সৎ হন, তাহলে প্রকাশ্যে বলুন— দিল্লির সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি হয়নি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরও আবদুল্লাহ বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ‘নীতিগত এব্ং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে’ তা প্রত্যাখ্যান করে দলীয় নেতৃত্ব।
শর্মা অভিযোগ করে বলেন, ন্যাশনাল কনফারেন্স এখন প্রতারণা ও দ্বিচারিতার আশ্রয় নিচ্ছে, যাতে বিজেপির উত্থান রুখে দেওয়া যায়। কিন্তু জনগণ এখন তাদের ভণ্ডামির রাজনীতি চিনে ফেলেছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১০নভেম্বর ২০২৫/মওম
দেশের ক্ষতি করে এমন কোনো সিদ্ধান্ত হবে না : চট্টগ্রামে এম সাখাওয়াত হোসেন
আলোকিত প্রতিবেদক:
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলবে। কিন্তু উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, অর্থ এবং দক্ষতা প্রয়োজন। বন্দর ঘিরে চার–পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে বেশিরভাগ বন্দর বেসরকারি অপারেটররা পরিচালনা করে– আমরা কেন পিছিয়ে থাকব? তাই আমরাও এগিয়ে যেতে চাই।’
তিনি বলেন, আমি এখানে আছি, মরব এখানেই। দেশের ক্ষতি করে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না। ব্যবসায়ীরা যেন সুযোগ পায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। ১০ নভেম্বর সোমবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়ার চর কন্টেইনার ইয়ার্ড উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার রাখার সক্ষমতা ৫৬ হাজার টিইইউএস থেকে ১০ হাজার বেড়ে ৬৬ হাজারে উন্নীত হবে। যারা বিজনেস করে তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। ১০ হাজার কনটেইনার রাখার ধারণ ক্ষমতা বাড়বে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪ একর জমিতে নির্মিত লালদিয়ার চর টার্মিনালে রয়েছে ১০ হাজার কনটেইনার ধারণক্ষমতা এবং ১ হাজার ৫০০ ট্রাক রাখার ব্যবস্থা। এছাড়া ৮ একর জায়গায় হেভি লিফট কার্গো জেটির ব্যাকআপ ও ১০ একর জায়গায় এপিএম টার্মিনাল এলাকা তৈরি করা হয়েছে।
উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন সেদিন বে-টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন টার্মিনাল, তালতলা কনটেইনার ইয়ার্ড (ইস্ট কলোনি সংলগ্ন) উদ্বোধন করেন এবং এক্সওয়াই শেড ও কাস্টমস অকশন শেড পরিদর্শন করেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরাই ব্যবসা করবে। ১৯৮৪ সালে ট্যারিফ নির্ধারিত হয়েছিল– এখন সময় এসেছে তা হালনাগাদ করার। ব্যবসায়ীরা আয় করছেন ১ হাজার টাকা, বন্দর পাচ্ছে ৫০০ টাকা। আমরা জনবল দিয়ে বন্দর চালাচ্ছি, তাই ট্যারিফ সংস্কার প্রয়োজন।’
আলোকিত প্রতিদিন/১০নভেম্বর ২০২৫/মওম
নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনগুলো বিক্ষোভের চেষ্টা করলে আইনের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ হবে: প্রেস সচিব
আলোকিত ডেস্ক:
নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ বা তাদের সহযোগী সমর্থকরা যদি কোনো ধরনের বিক্ষোভের চেষ্টা করে, তাহলে আইন তার সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।১০ নভেম্বর সোমবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা লেখেন।
প্রেস সচিব লেখেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সমর্থকরা এবং গণহত্যাকারী নেত্রী সম্ভবত ভাবছেন– এটি আবারও ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের মতো সময়।’ ‘তারা মনে করছেন, দুপুরবেলা ডজনখানেক মানুষকে হত্যা করে হাজার হাজার সন্ত্রাসীকে ঢাকার কেন্দ্রে পাঠিয়ে রাস্তাগুলো দখল করবে। দুঃখিত, এখন এটি নতুন বাংলাদেশ।’ 
তিনি আরও লেখেন, ‘জুলাই বিপ্লবীদের ধৈর্য পরীক্ষা করবেন না এবং মনে রাখবেন– এটি ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর নয়। এটি জুলাই, চিরদিনের জুলাই।’
আলোকিত প্রতিদিন/১০নভেম্বর ২০২৫/মওম
ধামরাইয়ে ইলেকট্রনিকসের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
মামুন আহমেদ জয়, ঢাকা জেলা প্রতিনিধি। ঢাকার ধামরাইয়ে একটি ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দোকানের সব মালামাল পুড়ে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে ধামরাই উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়িয়া এলাকায় ‘মেসার্স আফিফা এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ’ নামের দোকানটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দোকানটির মালিক আবু সাঈদ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৭টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান ব্যবসায়ী আবু সাঈদ। কিছুক্ষণ পর পথচারীরা দোকানের নিচ দিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে আগুনের ভয়াবহতা চোখে পড়ে। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন বালু ও পানি ব্যবহার করে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে দোকানের ভেতরে থাকা ইলেকট্রনিকস পণ্য, নগদ টাকা, আসবাবপত্রসহ সবকিছু পুড়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোকানটি পুরোপুরি ভস্মীভূত অবস্থায় পড়ে আছে। পুড়ে যাওয়া তার, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সরঞ্জামের ধোঁয়া তখনও বের হচ্ছিল। ব্যবসায়ী আবু সাঈদের বাবা সোনা মিয়া বলেন, “রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি গিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর আগুনের খবর পাই। এসে দেখি লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। প্রায় ৩০ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।” স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

