আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 230

কুমিল্লা কুরিয়ার সার্ভিসে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক

এম কে নুর আলম:

কুমিল্লায় সেনা ক্যাম্পের অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানকৃত মালামাল জব্দ যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কুমিল্লায় সদর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথবাহিনীর অভিযানে এসএ পরিবহন, কুমিল্লা হতে বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানকৃত মালামাল জব্দ করা হয়।

১১ নভেম্বর মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদর্শ সদর সেনা ক্যাম্প রাত আনুমানিক ০৩০০ ঘটিকার সময় অসকতলা, কোতয়ালী, কুমিল্লায় এসএ পরিবহনে অভিযান চালায়। এ সময় এসএ পরিবহন, কুমিল্লায় মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ আতশবাজি, মোবাইল ডিসপ্লে, ভারতীয় শাড়ি এবং কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়।

উদ্ধারকৃত এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ৪০০ টাকা বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। জব্দ করা পণ্যসমূহ পরবর্তী সময়ে বিধি মোতাবেক কোতয়ালী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/১২নভেম্বর ২০২৫/মওম 

ধামরাইয়ে র‌্যাবের অভিযানে আড়াই কোটি টাকার হেরোইনসহ আট*ক ১

মামুন আহমেদ জয়, ঢাকার ধামরাইয়ে র‌্যাব-৪ এর অভিযানে ২ কেজি ৬০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কেতাবুল ইসলাম (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব।

বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের গোয়ালদী এলাকায় নজরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়। আটক কেতাবুল ইসলাম ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেতাবুলের গতিবিধি নজরদারিতে রেখে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ২ কেজি ৬০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা। র‌্যাব-৪ এর সিপিসি-২ কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. নাজমুল ইসলাম বলেন,

আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, উদ্ধার করা হেরোইন সাভার, আশুলিয়া, ধামরাই ও মানিকগঞ্জ এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

উল্লাপাড়ায় পৃথক দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার 

মোঃ রাকিব হোসেন:
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া শ্রীকোলা চালা গ্রামের মাঝামাঝি অবস্থিত চৌকিদোহ ব্রীজের নিচে  ১২ নভেম্বর বুধবার আনুমানিক সকাল সাড়ে দশ ঘটিকার সময় এক ব্যক্তির লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন উল্লাপাড়া মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তি হলেন সিরাজগঞ্জের রায়পুর গ্রামের মোঃ আয়নুল সেখের ছেলে ভ্যান( মিশুক) চালক মোঃ আমিনুল শেখ (৩৬) কে হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি মোঃ এনামুল হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আমিনুল শেখ অটোভান চালক ছিলেন, তাকে হত্যা করে ব্রীজের উপর থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিবার আসলে মামলা দায়ের করা হবে।
একই দিনে উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা রায়গঞ্জ ফুলঝোর নদী থেকে হাত পা বাধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি সলঙ্গা থানার চর ফরিদপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে মোঃ আব্দুল লতিফ (৪৫) গরু ব্যবসায়ী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল লতিফ দীর্ঘদিন ধরে গরু কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, গত রবিবার রাতে তিনি নিখোঁজ হন অনেক খোঁজা খুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সলঙ্গা থানার তদন্ত ওসি মনোজিত কুমার নন্দী বলেন, ১২ নভেম্বর বুধবার ভোরে স্থানীয়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে সলঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করে নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১২নভেম্বর ২০২৫/মওম 

ক্যারিবীয় সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড ও ফোর্ডকে মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে কেন্দ্র করে গঠিত মার্কিন নৌবহর ক্যারিবীয় সাগরে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে যুদ্ধজাহাজের এই বিশাল বহর মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এটিকে কেন্দ্র করে ভেনেজুয়েলা এবং কলম্বিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ১২ নভেম্বর বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই স্ট্রাইক গ্রুপ অঞ্চলটিতে পাঠানো হয়। এ সময় ক্যারিবীয় ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে কথিত মাদকবাহী নৌযানের ওপর অন্তত ১৯টি হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এসব হামলায় নিহত হয়েছেন ৭৬ জন।

অবশ্য এই হামলাগুলোর প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সংকট তৈরি’ এবং তার বামপন্থি সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করার অভিযোগ এনেছেন।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর সরকারের সম্পর্কও ক্রমেই তিক্ত হচ্ছে। ট্রাম্প পেত্রোকে “দুষ্কৃতকারী ও খারাপ লোক” বলে উল্লেখ করেছেন। এর জবাবে মঙ্গলবার পেত্রো তার দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময় বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবশ্যই ক্যারিবীয় অঞ্চলের মানুষের মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

মার্কিন নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১১ নভেম্বর স্ট্রাইক গ্রুপটি যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন কমান্ডের দায়িত্বাধীন এলাকায় প্রবেশ করেছে। এই কমান্ড লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা তদারকি করে।

নৌবহরটিতে ৪ হাজারেরও বেশি নাবিক ও ডজনখানেক বিমানসহ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড, বেশ কয়েকটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং অন্যান্য সহায়ক জাহাজ রয়েছে।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানান, এই শক্তিবৃদ্ধির ফলে “অবৈধ কর্মকাণ্ড শনাক্ত, যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও প্রতিরোধের সক্ষমতা বাড়াবে” এবং “মাদক পাচার ও আঞ্চলিক অপরাধী নেটওয়ার্ক” দমন করবে।

এর আগে নভেম্বরের শুরুতে এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ভেনেজুয়েলা সরকারকে উৎখাত বা যুদ্ধ শুরু করতে চান না। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, ধ্বংস করা প্রতিটি নৌযান “২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু ঠেকায়”।

এছাড়া ভেনেজুয়েলায় স্থল হামলার পরিকল্পনা রয়েছে কি না— এমন প্রশ্নে ট্রাম্প সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, “আমি এখনই বলব না আমি কী করতে যাচ্ছি বা করতে যাচ্ছি না।”

আলোকিত প্রতিদিন/১২নভেম্বর ২০২৫/মওম    

 

রাজধানীর রমনা থানার সামনে পুলিশের গাড়িতে হঠাৎ আগুন

আলোকিত ডেস্ক:

রাজধানীর রমনা থানার সামনে রমনা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন লেগেছে। তবে এ আগুন কোনও দুর্বৃত্ত দেয়নি। গাড়ির কাজ করার সময় হঠাৎ আগুন লেগে যায়।

 ১২ নভেম্বর বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানান রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক।

তিনি বলেন, গাড়ির কাজ করার সময় হঠাৎ ব্যাটারি সংযোগ এক হয়ে আগুন লেগে যায়। পরে অবশ্য আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটে নাই।

গাড়ির মিস্ত্রির ভুলে এ আগুনের ঘটনা ঘটে বলে জানান রমনার ওসি। 

আলোকিত প্রতিদিন/১২নভেম্বর ২০২৫/মওম    

ড. ইউনূসের দ্বৈত ভূমিকায় ‘স্বার্থের সংঘাত’ হচ্ছে বলে মনে করছেন সালাহউদ্দিন

আলোকিত প্রতিবেদক:

সরকারের প্রধান ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দ্বৈত ভূমিকায় ‘স্বার্থের সংঘাত’ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেন,এখানে ক্ল্যাশ অব ইন্টারেস্ট আছে। এ সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। আমরা রাজনৈতিক দল হিসেবে সহযোগিতায় থাকব, ভোটে অংশগ্রহণ করব, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করব। কিন্তু সেই সরকারের প্রধান হিসেবে এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি হিসেবে যে সুপারিশগুলো সরকারের কাছে দেওয়া হলো, সেখানে অনেকটা আমি বলব যে জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার থেকে বহুদূরে সরে গিয়েছেন।

১২ নভেম্বর বুধবার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে এসব কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য। এসময় জুলাই জাতীয় সনদ,সেই সনদ বাস্তবায়নের উপায়, গণভোট নিয়ে সৃষ্ট জটিলতাসহ বিরাজমান পরিস্থিতি,নির্বাচন,বিএনপির জোটের হিসাব-নিকাশসহ সমসাময়িক রাজনীতির বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

নোট অব ডিসেন্ট ছাড়া গণভোট আয়োজন করার কোনো বিষয়ই ঐকমত্য কমিশনে আলোচনা হয়নি দাবি করে সালাহউদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যেসব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাবে তা নিয়ে জাতীয় সনদ হবে এবং পরবর্তী নির্বাচিত সংসদ সনদ বাস্তবায়ন করবে–এই বক্তব্য থেকে প্রধান উপদেষ্টা সরে যেতে পারেন না।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি ‘নিরপেক্ষ’ আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা আশা করি এমন কোনো পদক্ষেপ সরকার নেবে না, যার মধ্য দিয়ে জাতিতে বিভক্তি সৃষ্টি হবে, অনৈক্য সৃষ্টি হবে।

সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে তিন দফা আলোচনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আলোচনার শেষ পর্যায়ে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হওয়ার দু’একদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বসলেন। আমরা সেখানে প্রস্তাব করেছি যে একটা ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেই জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হোক এবং সেই সনদের বাস্তবায়নের জন্য সবাই আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হব।

সালাহউদ্দিন বলেন, সেই হিসেবে সনদ প্রণীত হয়েছে এবং সেই সনদে প্রায় ৮৪টি দফা ছিল। সেই ৮৪টি দফার বিভিন্ন দফায়, সব দফায় নয়, আমাদের এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট ছিল। এই নোট অব ডিসেন্ট প্রথাগত নোট অব ডিসেন্ট নয়। সেই নোট অব ডিসেন্টে লেখা আছে যে, এই দফাগুলো যে রাজনৈতিক দল অথবা জোট যে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, সেটা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকাশ করে যদি জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত হয়, তাহলে তারা সেই মতে বাস্তবায়ন করতে পারবে।

গণভোট কবে হবে, সেই প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মতপার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, (গণভোট) আগে হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা এখন নেই, সময় নেই। তাছাড়া প্রয়োজনও নেই। কারণ একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে যদি আমরা একটা ছোট্ট ব্যালটে এই গণসম্মতিটা নিতে পারি, সেটাই হবে সবচাইতে যৌক্তিক, প্রাসঙ্গিক, গ্রহণযোগ্য এবং অতিরিক্ত ব্যয় হবে না।

বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে নির্বাচনী সমঝোতা হচ্ছে কি না– জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনীতিতে এ সমস্ত বিষয়ে শেষ কথা তো বলা যায় না। তবে এখনো পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দল, যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিল, এর বাইরে যারা গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ছিল, কিছু ইসলামিক দলসহ আমরা আরও কিছু দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে চাই।

এনসিপির সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার করলেও সমঝোতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে চান না সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এনসিপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হব কি হব না বা তারা আমাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ইলেকশন করবে কি করবে না, সেটার কোনো প্রস্তাব তাদের পক্ষ থেকেও আসেনি আর আমাদের পক্ষ থেকেও যায়নি। তবে একদম সেই সমঝোতা বা সেই জোট হবে না–এটাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেজন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

দশম ও দ্বাদশ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি বলে আসছে, সে দুটি নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়নি। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, তখন যারা ভোট বর্জন করেছিল, তারা নিষিদ্ধ দল ছিল না, তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও ছিল না।

তিনি বলেন, সুতরাং আওয়ামী লীগ নির্বাচনে থাকবে না, ওই কারণে আগামী নির্বাচন অবৈধ হবে বা অংশগ্রহণমূলক হবে না– এ ধারণার সঙ্গে আমরা একমত নই।

আলোকিত প্রতিদিন/১২নভেম্বর ২০২৫/মওম    

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে অভিযান, ২০ রাউন্ড গুলিসহ ২টি শটগান জ*ব্দ

আসাদ ফকির, মাদারীপুর  শিবচরের ঢাকা ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে পাঁচ্চর গোল চত্তরে  একটি ভ্রাম্যমান আদালতের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে শিবচর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাইখা সুলতানা।
মঙ্গলবার- ১১ নভেম্বর সন্ধায়  এ অভিযান চালিয়ে দুটি ট্রাক, ও ১৫ টি  মোটরসাইকেল  হতে মোট ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা জরিমানা করেন এবং দুটি নোহা গাড়িতে অভিযান চালিয়ে  ২০ রাউন্ড গুলিসহ ২টি শটগান জব্দ করেন। অভিযানের সময় সড়ক ও জনপথে শৃঙ্খলা রক্ষা, যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করেই যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়।
শিবচর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাইখা সুলতানা বলেন, “সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয় এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় থাকে, সেজন্যই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  এ অভিযানে আইনের সীমা   লঙ্ঘনের কারনে একটি নোহা গাড়ি হতে ২টি শুর্টগান ও ২০রাউন্ড গুলি জব্দ করে শিবচর থানায় পাঠানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।”
শিবচর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত দুটি শটগান ও ২০রাউন্ড  গুলি থানায় পাঠানো হয়। আমরা এর লাইসেন্স যাচাই বাছাই করার পরে আইনের ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তবে নিয়ম লঙ্ঘন করার কারনে শটগান দুটি ও ২০ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়, যাচাই বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইসলামাবাদে হামলার দায় স্বীকার পাকিস্তান তালেবানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে দেশটির জঙ্গিগোষ্ঠী পাকিস্তান তালেবান। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইসলামাবাদের জেলা এবং দায়রা আদালত চত্বরে হামলার দায় স্বীকার করেছে গোষ্ঠীটি। ইসলামাবাদে তালেবান সদস্যের আত্মঘাতী এই হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন।

যদিও ওই হামলায় চিরবৈরী প্রতিবেশী ভারত-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বোমা হামলার ঘটনার পরপরই এক বিবৃতিতে এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা ১২টা ৩৯ মিনিটের দিকে ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে তালেবান বলেছে, পাকিস্তানের বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে মঙ্গলবার ওই হামলা চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘আমাদের যোদ্ধা ইসলামাবাদের বিচার বিভাগীয় কমিশনে হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের অনৈসলামিক আইনের অধীনে যারা রায় প্রদান করেছেন; সেই বিচারক, আইনজীবী এবং কর্মকর্তারাই আমাদের লক্ষ্য ছিলেন।’’

দেশটিতে আরও হামলা চালানোর হুমকি দিয়ে তালেবান বলেছে, মুসলিমপ্রধান পাকিস্তানে ‘‘ইসলামী শরিয়া আইন কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত’’ এই ধরনের আরও হামলা চালানো হবে।

এর আগে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বিবৃতিতে বলেছেন, ‌‌ভারতের সন্ত্রাসী বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে পাকিস্তানের নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‌‌‘‘ভারতকে এই অঞ্চলে প্রক্সির গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে সন্ত্রাস ছড়ানোর মতো জঘন্য কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।’’

এছাড়া বিস্ফোরণের পরপরই দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আফগানিস্তানের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, কাবুলের শাসকরা পাকিস্তানে সন্ত্রাস বন্ধ করতে পারে, কিন্তু ইসলামাবাদে এই যুদ্ধ নিয়ে আসা কাবুলের একটি বার্তা; যার জবাব পাকিস্তান পুরোপুরি দিতে সক্ষম।

বিস্ফোরণের এই ঘটনাকে দেশের জন্য ‘‘এক সতর্কবার্তা’’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। খাজা আসিফ বলেছেন, আমরা যুদ্ধাবস্থায় রয়েছি। কেউ যদি মনে করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী কেবল আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত এলাকা কিংবা বেলুচিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যুদ্ধ করছে, তাহলে আজ ইসলামাবাদের জেলা আদালতে আত্মঘাতী হামলাটি তাদের জন্য সতর্কবার্তা।

সূত্র: ডন, এএফপি।

আলোকিত প্রতিদিন/১১নভেম্বর ২০২৫/মওম    

 

সাংবাদিক পরিচয়ে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ঢুকে তত্ত্বাবধায়কের ব্যাগ চুরি, নারীসহ গ্রেফতার ৫

মো: মহিদ:
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিনের অফিসকক্ষ থেকে টাকাসহ ব্যাগ চুরির অভিযোগে পাঁচ কথিত সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে শহরের সদর থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- খন্দকার জিন্নাতুন নেছা মৌসুমী, হারুন অর রশিদ, বজলুর রহমান, শামীম হোসেন এবং সাইফুল ইসলাম। পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনসহ মোট নয়জন তত্ত্বাবধায়কের অফিসকক্ষে প্রবেশ করেন। এসময় তারা ডা. বাহাউদ্দিনের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন। পরে বের হওয়ার সময় তাদের একজন তত্ত্বাবধায়কের ব্যবহৃত ব্যাগটি চুরি করে নিয়ে যায়। ব্যাগের ভিতরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা, বাসা ও অফিসের চাবি, এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল। অভিযোগে বলা হয়, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সাদা শার্ট পরিহিত আসামি শামীম হোসেন কাঁধে ব্যাগটি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। তত্ত্বাবধায়ক বাহাউদ্দিন জানান, কথোপকথনের একপর্যায়ে মৌসুমী ও হারুন নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাকে ভিজিটিং কার্ড দেন। পরে তাদের দেওয়া ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, বিষয়টি দেখা হচ্ছে। পরবর্তীতে আবার ফোন করলে তারা দাবি করেন, ব্যাগটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদে রাখা আছে, লোক পাঠিয়ে নিয়ে আসতে পারেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন, এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১১নভেম্বর ২০২৫/মওম    

দিল্লির বিস্ফোরণের ঘটনায় যারা জড়িত, তারা কেউ রেহাই পাবে না : মোদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের দিল্লি শহরের ঐতিহাসিক লাল কেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের কেউেই রেহাই পাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার ভুটানের থিম্পুতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই বার্তা দেন।

এর আগে,১০ নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে ধীরগতিতে চলা একটি গাড়িতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এতে নয়জন নিহত হন ও অন্তত ২০ জন আহত হয়ন। পরে মৃত্যু রেড়ে দাড়ায় ১৩ জনে। ঘটনাস্থলটি ভারতের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র লাল কেল্লার ঠিক পাশে হওয়ায় মুহূর্তেই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার পর তদন্তে নেমেছে দেশটির একাধিক সংস্থা। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আমাদের তদন্ত সংস্থাগুলো এই ষড়যন্ত্রের মূল পর্যন্ত পৌঁছাবে। যারা এই ঘটনার পেছনে আছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে দুই দিনের সফরে গিয়ে মোদী বলেন, আজ আমি এখানে এসেছি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে। গতকাল সন্ধ্যায় দিল্লিতে যে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে, তা গোটা দেশকে স্তম্ভিত করেছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, সোমবার রাতজুড়ে আমি ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। তদন্তের প্রতিটি দিক আমি খতিয়ে দেখছি।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, দিল্লির বিস্ফোরণকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে ও অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

সূত্র: এনডিটিভি

আলোকিত প্রতিদিন/১১নভেম্বর ২০২৫/মওম