আজ বুধবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 197

মানিকগঞ্জে চাকরিমেলায় একদিনেই ৭০০ জনের কর্মসংস্থান 

মো: মহিদ:
বেকারত্বের অচলাবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা শত শত তরুণ-তরুণীর জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে মানিকগঞ্জের ব্যতিক্রমধর্মী চাকরিমেলা। ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই চাকরিমেলা থেকে প্রাথমিকভাবে ৭০০ জন কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। বেকার যুবক ও যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ মেলাটি মূলত মানিকগঞ্জের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় পরিচালিত ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ও ওয়্যারবী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। প্রথমদিকে মানব পাচারের শিকার সারভাইভারদের জন্য চাকরিমেলার পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। মেলায় অংশ নেওয়া ৮০ জন মানব পাচার সারভাইভারের মধ্যে ৫০ জন চাকরির সুযোগ পেয়েছেন, যা এ আয়োজনকে দিয়েছে মানবিক ও সামাজিক গুরুত্বের নতুন মাত্রা।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় চাকরিমেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক  নাজমুন আরা সুলতানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের  অধ্যক্ষ প্রকৌ. নূর অতএব আহম্মদ। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মোহাম্মাদ আলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী নাসরিন, উইনরক ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার মায়াজ কাবির, এবং মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস।
নির্ধারিত সময়ের আগেই চাকরিপ্রত্যাশীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে টিটিসি চত্বর। হাতে জীবনবৃত্তান্ত, চোখে স্বপ্ন—নিয়োগকর্তাদের টেবিলে টেবিলে ঘুরে বেড়ান তরুণ-তরুণীরা। কারও কাছে এটি ছিল প্রথম চাকরির সুযোগ, আবার কারও কাছে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা।
কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌ. নূর অতএব আহম্মদ জানান, “চাকরিমেলায় প্রায় ৪ হাজার ৪৩০ জন সিভি জমা দেন। অংশগ্রহণকারী ১৬টি প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে ৭০০ জনকে মনোনীত করেছে, যার মধ্যে ৩১৫ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রত্যাশার চেয়েও মেলাটি অনেক বেশি জমজমাট হয়েছে। ঢাকা আহছানিয়া মিশনের মানিকগঞ্জ জেলার কেস কো-অর্ডিনেটর মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের সংস্থা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। এই চাকরিমেলা সেই কার্যক্রমেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
মেলায় অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল মুন্নু ফ্যাব্রিক্স লি., আকিজ টেক্সটাইল মিলস, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, সিঙ্গার বাংলাদেশ, স্বপ্ন, বিডিজবস, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন, সুপারসাইন ক্যাবল, রাইজিং গ্রুপসহ দেশি-বিদেশি মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠান। নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা জানান, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই শেষে আরও নিয়োগ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের চাকরিমেলা শুধু কর্মসংস্থানই নয় বেকারত্ব কমানো, মানব পাচার প্রতিরোধ এবং তরুণ সমাজকে মূলধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মানিকগঞ্জের এই চাকরিমেলা তাই অনেকের কাছে শুধু একটি আয়োজন নয়, বরং স্বপ্নপূরণের এক নতুন অভিযাত্রা।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

হোমনা থানার হেফাজতে নারী আ*সামির আ*ত্ম*হ*ত্যা

নাজমুল হাসান:
কুমিল্লার হোমনা থানার হেফাজতে হামিদা ওরফে ববিতা (৩২) নামে এক নারী আসামির আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে থানার ‘নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্ক’ কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হামিদা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সকালে পারিবারিক বিরোধের জেরে হামিদা তার সতীনের ছেলে সায়মন (১১)–কে ছুরিকাঘাত করেন। এতে শিশুটির পেটের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনার পরপরই উত্তেজিত স্থানীয় জনতা হামিদাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ওই রাতেই আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে হামিদাকে আসামি করে হোমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
হোমনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জানান, বৃহস্পতিবার সকালে হামিদাকে আদালতে সোপর্দ করার কথা ছিল। তার সঙ্গে চার বছরের একটি শিশু থাকায় তাকে হাজতখানায় না রেখে থানার ‘নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্ক’ কক্ষে রাখা হয়। ওই কক্ষে আরেক নারী আসামি ও একজন নারী গ্রাম পুলিশ পাহারায় ছিলেন।
তিনি আরও জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সবার অগোচরে নিজের ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হামিদা আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়।
থানা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করবেন। পরে ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

ইউক্রেন চলতি বছরে ৫ লাখ সেনা হারিয়েছে : রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রুশ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে প্রায় ৫ লাখ সেনা হারিয়েছে ইউক্রেন। এই ক্ষতি ইউক্রেন নিকট ভবিষ্যতে পূরণ করতে পারবে— এমন সম্ভাবনাও আপাতত নেই।

রাশিয়ার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিয়ে বেলৌসোভ গতকাল এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম রাশিয়ান টেলিভিশনের (আরটি) জানিয়েছে, গতকাল বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বোর্ড মিটিং ছিল। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বেলৌসোভ বলেন, “২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রুশ বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে প্রায় ৫ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে এই ক্ষতি কাটিয়ে বাহিনীকে আবার সংগঠিত করা কিয়েভের জন্য কঠিন। এই প্রাণহানির কারণে দেশটির বেসামরিক জনগণ সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগদানের ব্যাপারে আর উৎসাহী হচ্ছে না।”

বৈঠকে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জানান, বিপুলসংখ্যক সেনা হারানোর পাশাপাশি চলতি বছর ১ লাখ ৩হাজারেরও বেশি সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৫০০ ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যান রয়েছে— যেগুলো সহায়তা হিসেবে ইউক্রেনকে দিয়েছিল পশ্চিমা বিশ্ব।

ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা না করা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তদবিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। এই যুদ্ধ বাঁধার অল্প কিছুদিনের মধ্যে ডিক্রি জারি করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। এতে ইউক্রেনের ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

যুদ্ধের শুরুর দিকে বেসামরিকদের জন্য ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে যোগদানের বয়স ছিল ২৭ বছর। গত বছর তা ২৫ করা হয়েছে। এদিকে সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগদানের জন্য জোর-জবরদস্তির অভিযোগে গত এক বছরে ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে সাধারণ জনগণ এবং সেনা সমাবেশ কর্মকতাদের মধ্যে কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলেও জানা গেছে।

তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এ বক্তব্যের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও জানায়নি ইউক্রেন।

সূত্র : আরটি 

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

 

নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮৩ জন

আলোকিত ডেস্ক:

গত নভেম্বর মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫৩৪টি। এসব দুর্ঘটনায় ৪৮৩ জন নিহত এবং ১৩১৭ আহত জন হয়েছেন। নিহতের মধ্যে ৬৪ জন নারী ও ৭১ জন শিশু রয়েছে। এরমধ্যে ২২৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৯৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় ১০৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন। এই সময়ে ৬টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত এবং ৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। ৪৭টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

গত অক্টোবরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ১৪.২২ জন। নভেম্বর মাসে নিহত হয়েছেন ১৬.১ জন। সেই হিসেবে নভেম্বর মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ১৩.২২ শতাংশ।

১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো নভেম্বর মাসের সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৯৪ জন, বাসের যাত্রী ২৪ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-মিকচার মেশিন গাড়ি আরোহী ২২ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস আরোহী ১৪ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৮৩ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-টমটম-মাহিন্দ্র) ৩১ জন এবং রিকশা-বাইসাইকেল আরোহী ৯ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৩১টি জাতীয় মহাসড়কে, ২৪৫টি আঞ্চলিক সড়কে, ৮২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৭১টি শহরের সড়কে এবং ৫টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

আরও জানানো হয়েছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৪১টি দুর্ঘটনায় ১১৯ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৩০টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি ৪১টি দুর্ঘটনায় ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম শেরপুর ও পঞ্চগড় জেলায়। সেখানে ৯টি দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়েছে- ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; ত্রুটিপূর্ণ সড়ক; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো; জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা; বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে।

সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে- দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে; চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে; পরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে; পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে; গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে; রেল ও নৌ-পথ সংস্কার করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে; টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। সর্বোপরি সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ডা. শফিকুর রহমান

আলোকিত প্রতিবেদক:

যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ১৭ ডিসেম্বর বুধবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের পথে রওনা হন।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাজ্য সরকারের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক এবং কর্মসূচিতে অংশ নিতেই ডা. শফিকুর রহমানের এ সফর।

দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকের কারণেই বুধবার লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন জামায়াত আমির।

লন্ডনে কর্মসূচি শেষ করে ডা. শফিকুর রহমান সৌদি আরবে গিয়ে পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন বলেও জানানো হয়েছে। সব কিছু স্বাভাবিক থাকলে আগামী ২১ ডিসেম্বর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

অমর একুশে বইমেলা শু*রু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি!

বিশেষ প্রতিনিধি: আগামী ২০শে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বইমেলার তারিখ নির্ধারণ নিয়ে বিকেল ৫টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানানো হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আইপিএল নিলামে সর্বোচ্চ দাম পাওয়া ১০ ক্রিকেটারের মধ্যে আছেন মুস্তাফিজও

ক্রীড়া ডেস্ক:

গতকাল ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আবুধাবির এতিহাদ অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আইপিএল মিনি-নিলাম। যেখানে মোট ৩৬৯ জন ক্রিকেটারের নাম ছিল। সেখান থেকে দল পেয়েছেন মাত্র ৭৭ জন ক্রিকেটার

প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ ৮ জন বিদেশি এবং সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ২৫ জন ক্রিকেটার দলে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। দশটি দলই সর্বোচ্চ কোটা স্পর্শ করেছে, অর্থাৎ সবাই ২৫ জনের স্কোয়াড সাজিয়েছে।

সবাই ২৫ জনের কোটা পূরণ করলেও দুটি দল বিদেশির সর্বোচ্চ কোটা ৮ স্পর্শ করেনি। গুজরাট টাইটান্স ও লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ৭জন করে বিদেশি দলে নিয়েছে। আর বাকি একজন দেশি বেশি নিয়ে ২৫ জনের কোটা পূরণ করেছে তারা।

নিলাম থেকে ৭৭ জন ক্রিকেটার নিতে দলগুলো খরচ করেছে মোট ২১৫ কোটি ৪৫ লাখ রুপি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছে কলকাতা। আর নিলামে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন ক্যামেরুন গ্রিন। তার জন্য ২৫ কোটি ২০ লাখ রুপি খরচ করেছে কলকাতা। সেরা ছয়ে আছেন বাংলাদেশ থেকে দল পাওয়া একমাত্র ক্রিকেটার মুস্তাফিজ।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

রাশিয়ার ফ্রিজড সম্পদে ‘হাত না দিতে’ ইউরোপকে সতর্ক করলো যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউরোপের বিভিন্ন ব্যাংকে রাশিয়ার ফ্রিজড অবস্থায় থাকা ২ হাজার ৪৬০ কোটি ডলারে হাত না দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক এ তথ্য জানিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার বার্লিনে ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন টাস্ক।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনকে পুনর্গঠন সংক্রান্ত ঋণ বাবদ ইউরোপের বিভিন্ন ব্যাংকে রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফ্রিজড অবস্থায় থাকা অর্থ প্রদানের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাতে আপত্তি জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, বর্তমানে রাশিয়ার অর্থ ব্যাংকগুলোতে যে অবস্থায় আছে, সে অবস্থাতেই যেন থাকে।” “এর কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, যদি এই অর্থে হাত দেওয়া হয়— তাহলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধাবসানের ব্যাপরটি ফের ঝুলে যাবে।”

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে অভিযান শুরুর করার পর রাশিয়ার প্রতি শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইউরোপের বিভিন্ন ব্যাংকে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ ও সম্পদ ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইইউ। এই ফ্রিজ ডলার ও সম্পদের সম্মিলিত পরিমাণ ২ হাজার ৪৬০ কোটি ডলার।

সম্প্রতি ইইউ’র প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেন প্রস্তাব দেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির পর এই অর্থ-সম্পদ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনকে পুনর্গঠন ও জাতীয় বাজেটের জন্য কিয়েভকে ঋণ হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। গত ১২ ডিসেম্বর ব্রাসেলসে ইইউ’র বৈঠকে এই প্রস্তাব পাস হয়।

আগামীকাল ১৮ ডিসেম্বর এ ব্যাপারে ব্রাসেলসের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল ইইউ’র। কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তার পর আগামীকালের বৈঠক অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

সূত্র : আরটি

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

অবশ্যই বাংলাদেশকে শিক্ষা দিতে হবে, আসামের মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে (নর্থ-ইস্ট) বিচ্ছিন্ন করার হুমকি অব্যাহত থাকলে নয়াদিল্লি বেশিদিন চুপ থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা।

তিনি বলেন, গত এক বছর ধরে ওই দেশ (বাংলাদেশ) থেকে বারবার বক্তব্য আসছে যে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোকে আলাদা করে বাংলাদেশের অংশ করা উচিত। তবে ভুলে গেলে চলবে না, ভারত একটি বিশাল দেশ, পারমাণবিক শক্তিধর এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। বাংলাদেশ কীভাবে এমনটা ভাবতে পারে? এটা নিয়ে ভাবাও ভুল, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের চিন্তাভাবনায় সমস্যা আছে।’

 ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি। খবর– হিন্দুস্তান টাইমস।

হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, বাংলাদেশের এই মানসিকতাকে উৎসাহিত করা উচিত নয় এবং কোনোভাবেই বাংলাদেশকে খুব বেশি সহায়তা দেওয়া ঠিক নয়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই বাংলাদেশকে শিক্ষা দিতে হবে। তারা যদি এমন আচরণ করতে থাকে, তবে আমরা চুপ করে বসে থাকব না।’

এদিকে শুধু হাসনাত আবদুল্লাহ নন, এসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও ভারতকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বও বাংলাদেশের ওপর নির্ভরশীল। ফলে তাদের সাবধান থাকতে হবে।’

হাসনাত আব্দুল্লাহর এসব মন্তব্যকে ভারতীয় কর্মকর্তারা ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপজ্জনক’ বলে নিন্দা করেছেন। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একীভূত করা বা আলাদা করার ধারণা সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপজ্জনক।’

অন্যদিকে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, ‘ভারত যদি মনে করে হাসিনা ও ওসমান হাদির ঘাতকদের আশ্রয় দিয়ে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, তা কোনো দিন হবে না।’

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

নবীনগরে অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা 

মোঃ আনোয়ার হোসেন: 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় অফ সিজন তরমুজ আবাদে সফল হয়েছেন অসংখ্য কৃষক। গ্রীষ্মের তাপদাহে মানুষের ক্লান্তি দূর করতে তরমুজের জুড়ি নেই।  ভোজন রসিক মানুষের জন্য দারুণ সুখবর নিয়ে এলো অসময়ে তরমুজ।
তরমুজের বাহ্যিক রং যেমন হলুদ, সবুজ, ডোরাকাটা সবুজসহ বাহারি রঙের হয় তেমনি এর ভিতরের রঙেও রয়েছে বৈচিত্র্যতা। কোনটি ভিতরের অংশ লাল, কোনটি হলুদ। উচ্চ ফলনশীল তরমুজ চাষ করে কম সময়ে এবং কম খরচে দ্বিগুণ-তিনগুণ লাভ করার সুযোগ রয়েছে। স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা রাজিব জানান- কম খরচে বেশি ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় সন্তুষ্ট তিনি।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী জাত নির্বাচন, জমি তৈরি, পরিচর্যা করে অসময়ে তরমুজ চাষ করে উপজেলার নাটঘর, শিবপুর, সাতমোড়া, নবীনগর পূর্ব, বীরগাঁও ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন কৃষক সাড়া ফেলেছেন। পরিত্যক্ত পুকুর পাড়, পতিত জমিতে মাচা কিংবা মালচিং পদ্ধতিতে অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে এই ফসলের। বীরগাঁও ইউনিয়নের কৃষক জাকির হোসেন জানান-“মালচিং পদ্ধতিতে ২০ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষে ১৫ হাজার টাকা খরচে ৫৫/ ৬০ দিনের মধ্যে ৫০ হাজার টাকার অধিক তরমুজ বিক্রি করেন”।
উপসহকারী কৃষি অফিসার আবু নোমান জানান-“অসময়ের তরমুজ চাষ দেখে সফল কৃষকদের পাশাপাশি অন্যরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ফলে অসময়ে তরমুজ চাষ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা। আগামীতে আরও বড় পরিসরে তরমুজ চাষের স্বপ্ন বুনছেন অনেক কৃষক”।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান-“তরমুজ এখন সব সময় হয়, গ্রীষ্মে সারাদেশে তরমুজের আবাদ হয় তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় অসময়ের তরমুজে ভোক্তাদের আগ্রহ থাকে বেশি। ভোক্তাদের চাহিদায় লাভ বেশি হওয়ায় অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। অসময়ের তরমুজ চাষের সঠিক সময় ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি। দুই মাসের মধ্যে ফলন দিতে সক্ষম। ভালো ভালো জাত ইতিমধ্যে দেশে পাওয়া যাচ্ছে। কৃষি বিভাগ বিভিন্ন প্রকল্প এবং কর্মসূচির আওতায় মালচিং পেপার, সার ও বীজসহ প্রশিক্ষণ সেবা দিচ্ছে। স্থানীয় বাজারে তরমুজ গড়ে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একেকটা তরমুজ গড়ে ২ থেকে ৩ কেজি ওজনের হচ্ছে। ফ্ল্যাড রিকনস্ট্রাকশন ইমারজেন্সি এসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট এবং কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং উপকরণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে”। চলতি মৌসুমে নবীনগর উপজেলা জুড়ে আবাদ হয়েছে প্রায় ৫ হেক্টর জমিতে আগাম তরমুজ। অক্টোবরের শেষ দিক থেকে নবীনগরের স্থানীয় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে কৃষকদের উৎপাদিত এ তরমুজ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৭ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম