আজ মঙ্গলবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 187

জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে দা*ফনের পরিকল্পনা!

বিশেষ প্রতিনিধি: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তার স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফনের পরিকল্পনা রয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ একটি সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এর আগে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার সকাল ৬টায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ও মা তৈয়বা মজুমদার। শৈশবে তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং পরবর্তীতে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন তিনি ফার্স্ট লেডি হিসেবে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন।

 ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবরণের পর দলের সংকটময় মুহূর্তে তিনি রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৮৩ সালে তিনি দলের ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

আশির দশকে তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। আপসহীন সংগ্রামের কারণে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এই দীর্ঘ আন্দোলনে তিনি সাত দলীয় জোট গঠন করেন এবং স্বৈরাচারের পতন না হওয়া পর্যন্ত কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার দৃঢ় ঘোষণা দেন। এই দীর্ঘ লড়াইয়ে তাকে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার আটক ও গৃহবন্দী করা হয়েছিল।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তার সময়েই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি শিক্ষা খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন; যার মধ্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং উপবৃত্তি কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া তিনি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ থেকে ৩০ বছরে উন্নীত করেন।

১৯৯৬ সালের জুন মাসের নির্বাচনে বিএনপি পরাজিত হলেও তিনি ১১৬টি আসন নিয়ে সংসদে বৃহত্তম বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি চারদলীয় জোট গঠন করেন এবং ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায় ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে কোনো আসনেই পরাজিত না হওয়ার অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে যে কয়টি আসনে দাঁড়িয়েছেন, তার সবকটিতেই জয়লাভ করেছেন। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেট সিনেট গণতন্ত্রের প্রতি তার অবদানের জন্য তাঁকে ‘গণতন্ত্রের যোদ্ধা’ উপাধিতে ভূষিত করে।

২০১৮ সালে একটি বিতর্কিত মামলার রায়ে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। যদিও আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। পরে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে একে একে সব মামলায় খালাস পান বিএনপি চেয়ারপারসন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই!

বিশেষ প্রতিনিধি: বিএনপি চেয়ারপারসন ওতিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

বেগম খালেদা জিয়ার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং বিএনপির অফিসিয়াল ও দলের মিডিয়া সেলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টেলেখা হয়, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। আমরা তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।’

বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টেও একই কথা লেখা হয়। অন্যদিকে, মিডিয়া সেলের অফিসিয়াল পেজে লেখা হয়, ‘আমাদের সকলের প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। আজ সকাল ৬টায় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’

বেগম খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতালটির আইসিইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং তিনি সংকটময় মুহূর্ত পার করছিলেন বলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন।

বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ও মা তৈয়বা মজুমদার। শৈশবে তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং পরবর্তীতে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন তিনি ফার্স্ট লেডি হিসেবে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন।

১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবরণের পর দলের সংকটময় মুহূর্তে তিনি রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৮৩ সালে তিনি দলের ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

আশির দশকে তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। আপসহীন সংগ্রামের কারণে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এই দীর্ঘ আন্দোলনে তিনি সাত দলীয় জোট গঠন করেন এবং স্বৈরাচারের পতন না হওয়া পর্যন্ত কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার দৃঢ় ঘোষণা দেন। এই দীর্ঘ লড়াইয়ে তাকে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার আটক ও গৃহবন্দী করা হয়েছিল।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তার সময়েই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি শিক্ষা খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন; যার মধ্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং উপবৃত্তি কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া তিনি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ থেকে ৩০ বছরে উন্নীত করেন।

১৯৯৬ সালের জুন মাসের নির্বাচনে বিএনপি পরাজিত হলেও তিনি ১১৬টি আসন নিয়ে সংসদে বৃহত্তম বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি চারদলীয় জোট গঠন করেন এবং ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায় ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে কোনো আসনেই পরাজিত না হওয়ার অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে যে কয়টি আসনে দাঁড়িয়েছেন, তার সবকটিতেই জয়লাভ করেছেন। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেট সিনেট গণতন্ত্রের প্রতি তার অবদানের জন্য তাঁকে ‘গণতন্ত্রের যোদ্ধা’ উপাধিতে সম্মান ভূষিত করে।

২০১৮ সালে একটি বিতর্কিত মামলার রায়ে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। যদিও আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। পরে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে একে একে সব মামলায় খালাস পান খালেদা জিয়া।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আমি এখন এফডিসির দিকে তাকাই না, এফডিসি এখন ভূতুড়ে বাড়ি: ডলি জহুর

বিনোদন ডেস্ক: দেশি চলচ্চিত্রের আতুরঘর হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। একসময় শুটিং, ডাবিং, সম্পাদনা, প্রিন্ট-সবকিছু মিলিয়ে সেখানে ছিল কর্মচাঞ্চল্যে ভরা পরিবেশ। এখন সেটি অনেকটাই জৌলুশহীন, প্রাণহীন ও কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এই এফডিসি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন নন্দিত অভিনেত্রী ডলি জহুর। তিনি বলেন, ‘আমি এখন এফডিসির দিকে তাকাই না। ভাঙাচোরা এফডিসি দেখতে আমার আর ইচ্ছে করে না।’

কয়েক দশক ধরে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন ডলি জহুর। এখনো তিনি নিয়মিত অভিনয় করছেন। সিনেমার চেয়ে বর্তমানে তাঁকে নাটকে বেশি দেখা যায়। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে প্রচারে আসছে তাঁর নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘পরম্পরা’। সোমবার দুপুরে নাটকটি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এই গুণী অভিনেত্রী।

সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে ডলি জহুর বলেন, ‘একসময় মনে হতো এফডিসিই আমার প্রাণকেন্দ্র, সেখানে অনেক কাজ করেছি। এখন সেখানে আগের মতো কাজ নেই। কেন জানি জায়গাটাকে নিস্তেজ মনে হয়, দেখতে ভালো লাগে না। সে জন্যই আর এফডিসির দিকে তাকাই না।’

তবে তিনি আশাবাদী, আবারও এফডিসি তার আগের অবস্থানে ফিরে আসবে। ডলি জহুর বলেন, ‘যেদিন এফডিসি আবার সুন্দর হবে, গোছানো হবে, সেদিন সেখানে যাব। তখন হয়তো কাজ করব না, কিন্তু দেখার জন্য হলেও সেখানে যাব।’

পারিবারিক মূল্যবোধ, প্রজন্মগত দ্বন্দ্ব ও ভালোবাসার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘পরম্পরা’। তার কথায়, ‘নির্মাতা আশিস রায় যখন আমাকে কাজের প্রস্তাব দেন, তখন আর কিছু না ভেবেই রাজি হয়ে যাই। এবারও তাই হয়েছে। এখানে আমি পরিবারের সবচেয়ে প্রবীণ সদস্যের চরিত্রে অভিনয় করেছি। আসলে এটা আমাদের জীবনেরই গল্প। আমরা আমাদের জীবনের গল্পই বারবার দেখতে চাই, সামাজিক গল্পগুলো দেখতে চাই।’

নাটকটি নিয়ে বেশ আশাবাদী ডলি জহুর। তার ভাষ্য বলেন, “একসময় ‘এসব দিনরাত্রি’, ‘সকাল-সন্ধ্যা’সহ বেশকিছু ধারাবাহিক নাটক ছিল, যা দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। শুধু দেশের দর্শকই নয়, বাইরের দেশের দর্শকেরাও সেগুলো দেখেছেন। আমার বিশ্বাস, ‘পরম্পরা’ দর্শক ভালোভাবে গ্রহণ করবে। কারণ, টিভি নাটক থেকে দর্শক কখনো মুখ ফিরিয়ে নেয়নি।”

সমালোচনা প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। আমরা অনেক কাজ করি, সব কাজ যে ভালো হবে তা নয়। কাজ ভালো হলে দর্শক প্রশংসা করবেন, খারাপ হলে সমালোচনা করবেন। তাই আমরা বারবার বলি, আপনারা আমাদের সমালোচনা করুন। সমালোচনা না হলে ভালো–খারাপের পার্থক্য তো বুঝতেই পারব না।’

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসে সিনেমার পারিশ্রমিক নিয়ে আক্ষেপের কথা বলেন ডলি জহুর। সেসময় তিনি বলেন, ‘মায়ের অভিনয় করতাম, টাকা কম পেতাম। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে চলে আসি ২০১১ সালে, এরপর আর কাজ করিনি। তখনও আমি ৩৪ লাখ পারিশ্রমিকের টাকা রেখে এসেছি।’

ডলি জহুর বলেন, ‘সেই সময় আমি অনেক সিনেমা করি, অনেকের কাছে টাকা পাইতাম। এমনও হয়েছে সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তারপরও পুরো টাকাই পেতাম। ওই সময় আমি কেঁদে কেঁদে বলছি- ‘কিছু টাকা আমার তুলে দেন আমার স্বামীকে নিয়ে ব্যাংককে যাব। কষ্টের বিষয় হল- আমার পাওনা টাকা তোলার জন্য, যাকে দ্বায়িত্ব দিলাম তার কাছেও টাকা পাইতাম। এরপর তো আর ওই লোক যোগাযোগ করেই নাই নিজেও কোন টাকা দেয় নাই। এমন সময়ে এক পাইও ইন্ডাস্ট্রি থেকে পাইনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রূপগঞ্জে বিএনপি জামায়াতসহ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল

রিপন পাল: 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১(রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গতকাল ২৯ডিসেম্বর সোমবার সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের কাছে তিনি এ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম ফারুক খোকন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক হাজী বাছির উদ্দিন বাচ্চু, সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ, আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপন, নূরুন্নবী ভুঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান শুক্কুর মাহমুদ, কাঞ্চন পৌরসভার সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুর রহমান, তারাবো পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আমিনুল ইসলাম প্রিন্স, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মজিদ ভুঁইয়া ও মুড়াপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-১(রূপগঞ্জ) আসনে সহকারী রিটানিং অফিসারের কাছে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী রেহান আফজাল মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এছাড়া রূপগঞ্জ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা(দাঁড়িপাল্লা) রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ আসনে এবার ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪ হাজার ৪১৫ জন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

নয়াপল্টনে তারেক রহমান, সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে

আলোকিত প্রতিবেদক:

দেশের নতুন রূপরেখা ও জাতি গঠনে প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তাকে সে অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে। এমনকি রাস্তায় একটি ময়লা কাগজ পড়ে থাকলেও তা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।”

২৯ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে পৌঁছালে বারান্দায় দাঁড়িয়ে নিচে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের ভিড়ের কারণে রাস্তায় সৃষ্টি হওয়া যানজটের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারেক রহমান বলেন, “যেহেতু আজকে আমাদের কোনো কর্মসূচি নেই, তাই জনদুর্ভোগ এড়াতে আমি আপনাদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনাদের অবস্থানের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।”

বিকাল সাড়ে ৩টায় গুলশানের বাসভবন থেকে তারেক রহমানের গাড়িবহর নয়াপল্টনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় ঠেলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করতে তার প্রায় আধাঘণ্টা সময় লাগে। বিকাল ৪টার দিকে তিনি কার্যালয়ের মূল ফটকে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ শীর্ষ নেতারা। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারাসহ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানের আগমনের খবরে দুপুর থেকেই নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। তারা জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শোডাউন করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিএনপিসহ অন্যাণ্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল

মো: মহিদ:

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ২৯ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১০টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার কাছে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা থাকায় শেষ পর্যন্ত কতজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হচ্ছে এবং নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

স্বায়ত্বশাসিত তাইওয়ানকে ‘ভয় দেখাতে’ সামরিক মহড়া চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপভূখণ্ড তাইওয়ানকে ঘিরে বিশাল সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে চীন। আজ সোমবার থেকে শুরু হয়েছে সেই মহড়া।

তাইওয়ান প্রণালীর জলসীমা এবং আকাশপথে পরিচালনা করা হবে এই মহড়া। দ্বীপটিকে ঘিরে মোট ৫টি ‘মেরিটাইম অ্যান্ড এয়ারস্পেস জোন’ আছে চীনা সেনাবাহিনীর। প্রতিটি জোন সক্রিয়ভাবে এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে।

মহড়ার আয়োজক চীনের সেনবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড। মহড়া উপলক্ষে ইতোমধ্যে তাইওয়ানের চারপাশে ব্যাপক আকারে নিয়মিত সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং রকেট ইউনিটের সেনাসদস্যদের সমাবেশ ঘটিয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড।

মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাস্টিস মিশন-২০২৫’। চীনের সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে অস্ত্র ক্রয় চুক্তি করেছে তাইওয়ান, সেটির প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সরকার ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোকে ‘ভয় দেখাতে’ এই মহড়ার আয়োজন করেছে চীন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন একটি সমরাস্ত্র ক্রয়চুক্তি করেছে তাইওয়ান। এ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১ হাজার ১১০ কোটি ডলারের সমরাস্ত্র কিনবে এই দ্বীপভূখণ্ড। এসব সমরাস্ত্রের মধ্যে আছে হিমার্স রকেট সিস্টেম, ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, লয়টারিং ড্রোন হাউইৎজার কামান এবং সামরিক সফটওয়্যার। এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যত অস্ত্র-ক্রয় চুক্তি করেছে তাইওয়ান, সেসবের মধ্যে অর্থের অঙ্কে এটি সবচেয়ে বড় চুক্তি।

যেহেতু তাইওয়ানের মধ্যে চীন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার প্রবণতা এখনও ভালোভাবেই বিদ্যমান, তাই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এই অস্ত্রক্রয় চুক্তিটি গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছে চীন। চীনের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের মুখপাত্র জেনারেল শি ই সিএনএনকে বলেছেন, “তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সরকার ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোকে কড়া সতর্কবার্তা দিতেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। আমরা তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে চীনের সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় ঐক্যেকে সংকটে ফেলতে পারে— এমন কোনো কিছু আমরা সহ্য করব না।”

এদিকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র কারেন কুও বলেছেন, “এই সামরিক মহড়া আয়োজনের মাধ্যমে ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে তাইওয়ানের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা সংক্রান্ত স্ট্যাটাস কিউকে অবমূল্যায়ন করেছে চীন, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।”

সূত্র : সিএনএন

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

শহীদ হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চতুর্থ দিনেও শাহবাগ অবরোধ

আলোকিত ডেস্ক:

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ইনকিলাব মঞ্চ।

২৯ ডিসেম্বর সোমবার দুপুর ২টা থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। অবরোধ শুরুর পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একে একে কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শাহবাগ চত্বরকে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তোলেন। আন্দোলনকারীরা হাদি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা ‘আপস না বিপ্লব, বিপ্লব বিপ্লব’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘শাহবাগ না ইনসাফ, ইনসাফ ইনসাফ’, ‘এই দেশ আমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’, ‘বিচার বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ – এমন নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

এর আগে টানা তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচি শেষে রবিবার ২৮ ডিসেম্বর রাত ১০টায় কর্মসূচি সাময়িক প্রত্যাহার করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। এ সময় তিনি চার দফা দাবি উত্থাপন করে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনি-চক্রের আগামী ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।

২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।

৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, এই চারটি দাবি আমাদের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের মধ্যেই এসব দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

এদিকে, রবিবার ডিএমপি কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন পর্যালোচনার পর ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, রবিবার দুপুর ২টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। পরে ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়, ঢাকা বাদে বিভাগীয় শহরগুলোতে রাত ৮টা পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি চলবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

শীতের দাপটে জবুথবু ঢাকা, আরও কমতে পারে তাপমাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সারা দেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

২৯ ডিসেম্বর সোমবার  সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানান, আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। ঢাকায় মাঝারি কুয়াশাসহ ঠান্ডা অব্যাহত থাকার আভাস ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়নি। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নিকলিতে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়া আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম

ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আব্দুস সালামসহ নেতাকর্মীরা

আলোকিত প্রতিবেদক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামসহ নেতাকর্মীরা।

২৯ ডিসেম্বর সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের সিডিউল অনুযায়ী আজই শেষ হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ এবং জমা দেওয়ার সময়। উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল।

সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে আব্দুস সালাম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান ফিরে আসার দিন নগরবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তারেক রহমানকে বরণ করে নিয়েছেন। এ জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। একইভাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও ঢাকা-১৭ এলাকার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে ভোট ভোট দেবেন বলে আমরা আশা করি।

ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পাঁচ জনের বেশি ব্যক্তি উপস্থিত হলে বা মিছিল এবং শোডাউন করলে দেড় লাখ টাকা জরিমানাসহ মনোনয়নপত্র বাতিল করার বিধান রয়েছে। তাই বেশি নেতাকর্মী উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর ২০২৫/মওম