আজ মঙ্গলবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 183

বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন জাইমা রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি: সদ্যঃ প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সমাহিত দাদির কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান তারা। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাইমা রহমান জিয়া উদ্যানে পৌঁছান। তার সঙ্গে পরিবারের মোট ২০ জন।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন বিশাল এলাকায় খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া 

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে স্থলবন্দরের সকল ব্যবসায়ীদের আয়োজনে এই মিলাদ এবং দোয়া মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে আখাউড়া স্থলবন্দর সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ নেছার উদ্দিন ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন, স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী কবীর আহমেদ, স্বপন মিয়া, সজিব মিয়া, জীবন মিয়াসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আখাউড়া স্থলবন্দর মসজিদের ইমাম মাওলানা কামরুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ দোয়ায় বেগম খালেদা জিয়া একজন আপোষহীন নেত্রী হিসেবে তিনি দেশ ও যাত্রীর কল্যাণে এই দেশের মানুষের জন্য যে অবদান রেখে গেছেন তার অবদানের কথা স্বীকার করে পাশাপাশি মুসলিম উম্মার শান্তির কথা তুলে ধরে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০১ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

নিজের বিয়ের খবর জানালেন নিজেই!

বিনোদন ডেস্ক:

পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির বছরের শেষটা করলেন বিয়ের গুঞ্জন দিয়ে। অথবা নতুন বছরের শুরুটা করলেন সেই বিয়ের খবর দিয়েই। শোনা যাচ্ছে, চলতি বছর নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তিনি।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে হানিয়া আমিরের একটি পোস্টে এক ভক্ত মন্তব্য করেন, ‘তোমার বিয়ের গুঞ্জন শুনছি।’ সাধারণত, তারকারা এমন মন্তব্য বরাবরই এড়িয়ে যান। কিন্তু এ ক্ষেত্রে হানিয়া ব্যতিক্রম নজির সৃষ্টি করলেন। সেই মন্তব্যের জবাবে অভিনেত্রী জবাব দেন এভাবে, ‘বিয়ের গুঞ্জনটি আমিও শুনছি!’

হানিয়ার এমন মন্তব্যে নতুন যেন বিয়ের বাদ্য বেজে উঠলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যদিও এর কোনও তল এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। বলা দরকার, ২০১৮ সালের দিকে পাকিস্তানি গায়ক আসিম আজহারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন হানিয়া আমির। ২০১৯ সালে সেই সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসে। তবে ২০২০ সালে দু’জনের পথ আলাদা হয়। নতুন গুঞ্জন, সেই পুরনো প্রেম নাকি নতুন করে জোড়া লেগেছে। অনেকেই মনে করছেন, প্রাক্তন প্রেমিক আসিমকেই বিয়ে করতে যাচ্ছেন হানিয়া আমির।
গত বছর ‘সর্দার জি ৩’ নামের সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন হানিয়া। প্রথমবার ঢাকা সফরে এসেও ভালোই আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই লাস্যময়ী।

আলোকিত প্রতিদিন/০১ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

কক্সবাজারে বার্ষিক ভ্রমণে সরাইল সাংবাদিক পরিষদের নেতৃবৃন্দ!

শওকত আলী: সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন সরাইল সাংবাদিক পরিষদের এর বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ উদযাপন করা হয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫বিদায় উপলক্ষে সকলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত,কক্সবাজার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা হয়।
এই আনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা পেশাগত চাপ থেকে মুক্ত হয়ে সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে নির্মল বাতাসে নিজেদের একটুখানি প্রশান্তির সময় কাটানোর সুযোগ পান। বুধবার ৩১ ডিসেম্বর রাতে সরাইল সাংবাদিক পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে ভৈরবের সন্তান অ্যাডিশনাল  ডিআইজি জনাব আপেল মাহমুদ (পুলিশ সুপার টুরিস্ট পুলিশ দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্সবাজার) এর সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করি এবং তিনি আমাদেরকে এখানকার নিরাপত্তা ও ভ্রমণ বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেন এবং বলেন কক্সবাজারে আসা সকল টুরিস্টদের সকল প্রকার নিরাপত্তা দিতে মাঠে কাজ করছে টুরিস্ট পুলিশ,পরে তিনি সরাইল সাংবাদিক পরিষদের সকলকে চায়ের দাওয়াত করেন।এছাড়াও আমাদের খোঁজ নিতে মটোফোনে যোগাযোগ করেন সরাইল থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেকেন্ড অফিসার আব্দুর রহমান খান পাঠান,পরবর্তীতে কক্সবাজার লাবনী পয়েন্ট তাহার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করি তখন তিনি আমাদের সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং আমাদেরকে আশ্বস্ত করেন আমরা যতদিন কক্সবাজারে থাকবো, ততদিন আমাদের খোঁজ খবর রাখবেন। তিনি সরাইল যতদিন চাকরি করেছেন সুনামের সাথে দক্ষ অফিসার হিসেবে সরাইলের মানুষকে সেবা দিয়েছেন এখনো সরাইলের মানুষ তাকে স্মরণ করে।
কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থানসমূহ এবং সেখানকার আতিথেয়তা সাংবাদিক পরিষদের সবাইকে মুগ্ধ করেছে। আনন্দ ভ্রমণে সাংবাদিকরা সমুদ্র সৈকতে একত্রে সময় কাটিয়ে নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করেছেন। সরাইল সাংবাদিক পরিষদের সভাপতি বলেন, এ ধরনের ভ্রমণ পেশাগত সম্পর্ককে আরও উন্নত করতে সাহায্য করে এবং কাজের মাঝে একটি রিফ্রেশমেন্ট হিসেবে কাজ করে। সাধারণ সম্পাদক বলেল,ভ্রমণটি সবার জন্য শিক্ষণীয় ও আনন্দময় ছিল। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই ধরনের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান। সব কিছু ঠিক থাকলে ভ্রমণ শেষ করে আগামী ২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং, সকালে সবাইল সাংবাদিক পরিষদ বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

একে অন্যকে পারমাণবিক স্থাপনার তথ্য দিলো ভারত ও পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পারমাণবিক স্থাপনা কোথায় আছে এ ব্যাপারে একে অপরকে তথ্য দিয়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ায় এ দুটি দেশের কাছেই আছে পারমাণবিক অস্ত্র। এর পাশাপাশি জেলবন্দিদের তথ্যও বিনিময় করেছে দেশ দুটি।

১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা নিউজ। তারা বলেছে, ভারত-পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে আবারও বিশ্বাস স্থাপনের চেষ্টা করছে। এরমধ্যেই জেলবন্দি এবং পারমাণবিক অবকাঠামোর তথ্য বিনিময় করল তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, একই সময়ে এ তথ্য আদান-প্রদান করা হয়েছে। পারমাণবিক অবকাঠামোর তথ্য আদান-প্রদানের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি রয়েছে। ওই চুক্তি অনুযায়ীই কাজটি করা হয়েছে।

সামা নিউজ জানিয়েছে, চুক্তিটিতে পাকিস্তানের হয়ে স্বাক্ষর করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো। অপরদিকে ভারতের হয়ে স্বাক্ষর করেছিলেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী।

এ চুক্তির লক্ষ্য ছিল স্পর্শকাতরস্থানগুলোকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা। কোথায় কোথায় পারমাণবিক অবকাঠামো আছে সেটি জানিয়ে মূলত সতর্ক করে দেওয়া হয় যেন দ্বন্দ্ব শুরু হলে এসব জায়গায় হামলা না চালানো হয়।

এছাড়া ২০০৮ সালের একটি চুক্তি অনুযায়ী ভারত জানিয়েছে কতজন পাকিস্তানি তাদের কারাগারে বন্দি আছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানও জানিয়েছে তাদের কারাগারে কতজন ভারতীয় বন্দি আছেন।

পারমাণবিক অবকাঠামোর চুক্তি আদান-প্রদানের আগে ঢাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য তৈরি শোক বইতে স্বাক্ষর করতে এসে বৈঠক করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক। গত মে মাসে দুই দেশের মধ্যে চারদিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এটিই ছিল উচ্চপর্যায়ের কোনো বৈঠক।

সূত্র: সামা টিভি

আলোকিত প্রতিদিন/০১ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল,গভীর ভালোবাসার প্রতিফলন: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিএনপি চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ তার প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসারই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ মন্তব্য করেন তিনি।

খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষ বাড়ির ছাদ থেকেও অংশ নিয়েছে— এত বিপুল ভালোবাসার কারণ কী? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এই ভালোবাসার কারণ হলো, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এক বিরল ব্যক্তিত্ব। যিনি তার নীতির প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। দেশের স্বাধীনতাি এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। যিনি তার সমগ্র জীবন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে লড়াই করেছেন, কারাভোগ করেছেন। শেষদিন পর্যন্ত তিনি অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু কখনো দেশ ছেড়ে চলে যাননি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার দেশের প্রতি ভালোবাসা, মাটির প্রতি ভালোবাসা, মানুষের প্রতি ভালোবাসাই এই মানুষগুলোকে আলোড়িত করেছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যখন তার অভিভাবকত্ব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, ঠিক সেই সময় তার চলে যাওয়ায় মানুষ সবচেয়ে বেশি মর্মাহত হয়েছে। দেশনেত্রীর নামাজে জানাজায় তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মানুষ সমবেত হয়েছে এবং চোখের পানি ফেলেছে।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, মানুষ অন্তত এই আশাটুকু নিয়ে গেছে যে, খালেদা জিয়ার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে কর্তব্য রয়েছে, তা তারা পালন করবে। তারা আগামী নির্বাচনকে সুষ্ঠু এবং অবাধ করে দেশের পক্ষে যে শক্তি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—সেই শক্তিকে বিজয়ী করবে বলে আমি মনে করি।

বাবা, মা এবং ভাই হারানো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কেমন আছেন এবং খালেদা জিয়া যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন রেখে গেছেন, তাতে বিএনপির ওপর দায়িত্ব আরও বেড়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, নিঃসন্দেহে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে অবস্থান তৈরি করে গেছেন, তাতে তার পুত্র ও আমাদের নেতা তারেক রহমানের যেমন দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীরও দায়িত্ব রয়েছে । শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন দিয়ে গেছেন, খালেদা জিয়া সেই পতাকাকে উঁচু করে তুলে ধরেছিলেন। একই সঙ্গে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের পতাকাও তিনি তুলে ধরেছিলেন। একইভাবে তারেক রহমানও সেই পতাকা হাতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করবেন -এটাই মানুষের প্রত্যাশা।

আগামী নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, না। আমি তো মনে করি, ম্যাডামের চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের মধ্যে যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, মানুষের মধ্যে আবেগ কাজ করছে। এই আবেগ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০১ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

রাশিয়ায় বর্ষবরণ উদযাপনে ইউক্রেনের হামলায় নিহত-২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী রুশ গ্রাম খোরলিতে গতকাল রাতে নতুন বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি।

ইউক্রেনের খেরসন প্রদেশের রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ঘটেছে এই হামলা। খেরসনের রুশ নিয়ন্ত্রিত এলাকার গভর্নর ভ্লাদিমির স্যালদো আজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিবৃতিতে গভর্নর স্যালদো বলেন, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে খোরলির একটি হোটেলের লনে জড়ো হয়েছিলেন লোকজন। তারা জড়ো হওয়ার আগে, সন্ধ্যা রাতের দিকেই একটি গোয়েন্দা ড্রোন এলাকাটি জরিপ করে গিয়েছিল বলে জানা গেছে।

বুধবার ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টার ঘরে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে লনে সমবেত ভীড়ের ওপর আছড়ে পড়ে তিনটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন। এ সময় পুরো লনে এবং হোটেলে আগুন ধরে যায়। তিনটি ড্রোনের মধ্যে অন্তত একটিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ছিল বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন স্যালদো।

স্যালদো বলেন, “২০১৪ সালে ওডেসায় ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদীরা ২৪ জন সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের একটি ভবনে আটক করে তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। সেই ২৪ আন্দোলনকারী জীবন্ত পুড়ে মরেছিলেন। একমাত্র সেই ঘটনার সঙ্গে আজকের সহিংসতার তুলনা করা যায়। জেলেনস্কি যে শান্তি চাইছেন, তার প্রকৃত রূপ আসলে এটাই।”

এদিকে মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, নববর্ষ উদযাপনকে লক্ষ্য করে মস্কোর বিভিন্ন এলাকায় গত কাল বুধবার রাতে কমপক্ষে ৯টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ছুড়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। তবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সেগুলোকে ধ্বংস করে ফেলতে পেরেছে রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম।

এ ব্যাপারে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

সূত্র : আরটি

আলোকিত প্রতিদিন/০১ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমানের রেকর্ড মুনাফা ৭৮৫ কোটি টাকা

আলোকিত ডেস্ক:

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। ৩০ ডিসেম্বর সোমবার অনুষ্ঠিত বিমানের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, বিগত অর্থবছরে বিমানের মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বিমানের অপারেশনাল মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা, যার মধ্যে নিট মুনাফা ৭৮৫ দশমিক ২১ কোটি যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে বিমান টানা পঞ্চম বছরের মতো লাভের ধারা বজায় রাখলো। উল্লেখ্য, গত ১০টি অর্থবছরের মধ্যে ৯ বারই নিট মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছে সংস্থাটি।

বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এজিএমে অর্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি ও শেয়ারহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।

বিগত অর্থবছরে বিমান ২১টি নিজস্ব ও লিজিং উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে মোট ৩৩ দশমিক ৮৩ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ মেট্রিক টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে সংস্থাটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১,১১২টি ফ্লাইটের প্রায় ৬১ লাখ যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদান করেছে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ড তৈরি হয়েছে। লাগেজ সরবরাহ ত্বরান্বিত করা, উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা এবং ডিজিটাল আধুনিকায়ন যাত্রী সন্তুষ্টি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

বোসরা ইসলাম আরও জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এবং কার্যকর সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে।

ভবিষ্যতে নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং কার্গো সেবাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বিমানের। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০১ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি: তারেক রহমান

আলোকিত প্রতিবেদক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবু, এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।

১ জানুয়ারি ২৬ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, অগণিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। লক্ষ-লক্ষ মানুষ একসাথে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে; তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না; অনেক দিক থেকে, তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানান উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এবং আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যেসব দেশ সমবেদনা প্রকাশ করেছে, তাদের প্রতিও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে।

‘শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রাণপ্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে, পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।’

আমার মা সারাজীবন নিরলসভাবে মানুষের সেবা করেছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আজ তার সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার আমি গভীরভাবে অনুভব করছি। একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি; যেখানে আমার মা’র পথচলা থেমেছে, সেখানে আমি চেষ্টা করবো সেই পথযাত্রাকে এগিয়ে নিতে।

‘আল্লাহ যেন আমার মায়ের রুহুকে শান্তি দান করেন, আর তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার উদাহরণ আমাদের সবাইকে দিয়ে গেছেন, সেখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য এবং দেশপ্রেম খুঁজে পাই।’

আলোকিত প্রতিদিন/০১ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

জাতি হারিয়েছে একজন অভিভাবক: হানিফ সংকেত

বিনোদন ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত। তার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানিয়ে হানিফ সংকেত লেখেন, ‘সর্বজন শ্রদ্ধেয়, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ ৩০ ডিসেম্বর ভোর ছয়টায় আমাদের ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’

আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার অবদান তুলে ধরে হানিফ সংকেত লেখেন, ‘তার এই মৃত্যুতে জাতি হারিয়েছে একজন অভিভাবক। দেশ ও জাতির কল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে এই উপস্থাপক আরও লেখেন, ‘তার এই মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন। তার শোকাবহ পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।’

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে লিভার ও কিডনি জটিলতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, আথ্রাইটিস ও বিভিন্ন সংক্রমণজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

৮০ বছর বয়সি বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। এর মধ্যে রয়েছে লিভার সংক্রান্ত জটিলতা, কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, আথ্রাইটিস ও ইনফেকশনজনিত সমস্যা।

বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনী জেলার পরশুরামের শ্রীপুর গ্রামে। মা তৈয়বা বেগমের জন্ম পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার চন্দনবাড়ীতে। তাদের তিন মেয়ে ও দুই ছেলের মধ্যে খালেদা জিয়া তৃতীয়।

তিনি ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয় এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি