আজ মঙ্গলবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 179

টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) মাহমুদুল হাসানের রুহের মাগফেরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খাস কাকুয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে স্থানীয় বিএনপি এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্মৃতিচারণ করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ সময় তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশের মানুষকে এতটা ভালোবাসেন যে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে এত নির্যাতনের পরেও তিনি জনগণের পক্ষে ও বাংলাদেশের পক্ষে অবিচল ছিলেন। তিনি দেশের মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অন্যায়-অপকর্মের নজির ছিল না।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়া লড়াই করেছেন। তার এই চলে যাওয়া শুন্যস্থান পূরণ হবার নয়। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব দান করেন এই কামনা করি।

এ সময জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক শাতিল, সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আজগর আলী, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জয়নুল আবেদীন সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মৃতিচারণ শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

শহীদ ওসমান হাদির খুনীর অভিনীত টিভিসি ভাইরাল

আলমগীর মতিন চৌধুরী:  

শহীদ ওসমান হাদির খুনের সাথে জড়িয়ে আছে সরকারের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সরিয়ে ফেলেছে খুনীর নির্মিত টিসিভি। বিজ্ঞাপনটি (টিভিসি)একটি মিডিয়া এজেন্সীর মাধ্যমে নির্মান করান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক হাসান মারুফ। মিডিয়া এজেন্সী ও আলোচিত ফয়সাল করিম মাসুদের সাথে সখ্যতা ছিলো মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক বদরুদ্দীন ও ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক শওকত আলীর সাথে। ফয়সাল করিম মাসুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মেহেদী হাসান। বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বদলী বানিজ্য করে কোটি কোটি টাকার মালিক মেহেদী হাসান। মেহেদী খুব একটা স্বচ্ছল পরিবারের ছেলে না হলেও এখন পরিবারটি কোটি কোটি টাকার সহায় সম্পদের মালিক। মেহেদী হাসানের বাবা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর ব্যবসায়িক পার্টনার। এরা সকলেই আওয়ামী লীগের পদধারী ও সুবিধাভোগী ছিলেন বিগত সময়ে। এছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সফটওয়্যার সংক্রান্ত সকল কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হতো ওসমান হাদির খুনী আলোচিত ফয়সাল করিম মাসুদকে। মহাপরিচালক হাসান মারুফকে ম্যানেজ করে কাজ পাইয়ে দিতো বদরুদ্দীন, শওকত ও মেহেদীর নেতৃত্বেধীন সিন্ডিকেট। সিস্টেম সফটওয়্যার, ডিভাইস, সিসি ক্যামেরা, ওয়েব ডেভলপমেন্ট কাজগুলো ফয়সাল করিম মাসুদ সাব কন্ট্রাক্টে করে দিতো খুনী ফয়সালের আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে। বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় উপপরিচালক মেহেদী ও অতিরিক্ত পরিচালক বদরুদ্দীন মহাপরিচালক হাসান মারুফের পরামর্শ অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইট থেকে সিস্টেম এনালিস্টের মাধ্যমে ভিডিওটি সরিয়ে নেয়। সিন্ডিকেটের এনটিএমসি সংক্রান্ত পাবলিক ফোনে আড়িপাতা ও তার অপব্যবহার, তথ্য পাচারের বিষয়ে বড় ধরনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়। যা মহাপরিচালক হাসান মারুফ নিজে নিয়ন্ত্রণ করতেন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই যোদ্ধা শহীদ ওসমান হাদির খুনী ফয়সাল করিম মাসুদের নাম ধাম কর্মকান্ড অদৃশ্য কারনে তা ধামাচাপা পড়ে যায়। আড়ালে চলে যাচ্ছে খুনীর প্রকৃত সহযোগিরা। সংসয় রয়েছে বিচার কার্যক্রম নিয়ে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

মার্কিন হুমকির জবাবে ইরানের সেনাপ্রধান যা বললেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আমির হাতামি সতর্ক করে বলেছেন, বাইরের শক্তির হুমকি ইরান মেনে নেবে না এবং প্রয়োজনে তার জবাব দেবে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সমর্থন দেওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জেনারেল হাতামি বলেন, ইরানি জাতির বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক বক্তব্যের তীব্রতা বৃদ্ধি ইরান হুমকি হিসেবে দেখছে এবং এর ধারাবাহিকতা কোনো জবাব ছাড়া সহ্য করা হবে না। শত্রু যদি কোনো ভুল করে, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের চেয়েও কঠোর হবে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে ব্যবসায়ীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রিয়ালের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন শহরে একই ধরনের প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে, যার কিছুতে প্রাণহানিও ঘটে। তবে এই বিক্ষোভ এখনো ২০২২–২৩ সালের আন্দোলন বা ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর হওয়া ব্যাপক গণআন্দোলনের মতো বড় আকার ধারণ করেনি।

তবুও এসব প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক মনোযোগ কেড়েছে, বিশেষ করে ইরানের বিরোধী অবস্থানে থাকা দেশগুলোর নেতাদের।

ট্রাম্প বলেন, আমরা বিষয়টি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। যদি তারা আগের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কঠোর জবাব আসতে পারে।

নেতানিয়াহু ইসরায়েলের মন্ত্রিসভায় বলেন, আমরা ইরানি জনগণের সংগ্রাম এবং তাদের স্বাধীনতা, মুক্তি এবং ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সংহতি জানাই।

গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুকে সহিংসতা উসকে দেওয়া এবং ইরানের জাতীয় ঐক্য দুর্বল করার অভিযোগ তোলে।

গত জুনে ইসরায়েল প্রথমবারের মতো ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালায়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রও সংক্ষিপ্তভাবে অভিযানে অংশ নিয়ে ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করে।

সূত্র: এএফপি

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

চার দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন তারেক রহমান, থাকছে নানা কর্মসূচি

আলোকিত প্রতিবেদক:

দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো চার দিনের সফরে ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে এ সফরে সাংগঠনিক কর্মসূচি, নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও জুলাই আন্দোলনের শহিদদের কবর জিয়ারত এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন।

এসব জেলার রয়েছে মধ্যে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী এবং লালমনিরহাট।

৭ জানুয়ারি বুধবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ‘আচরণ বিধি’ কোনোক্রমেই লঙ্ঘন করা হবে না বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর আবেদন করেছে দলটি।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সফরের প্রথম দিন ১১ জানুয়ারি ঢাকায় কর্মসূচি শেষে গাজীপুর, টাঙ্গাইল এবং সিরাজগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান। পরে তিনি বগুড়ায় যাবেন।

১২ জানুয়ারি বগুড়া থেকে সফর শুরু করে তিনি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

একইদিনে রংপুরে জুলাই আন্দোলনে শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

১৩ জানুয়ারি পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট এবং কুড়িগ্রাম জেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক ও মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান।
সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর এবং বগুড়ায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় ফিরবেন তিনি।

সফরকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান টাঙ্গাইলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, রংপুরে শহিদ আবু সাঈদ এবং দিনাজপুরে নানি সৈয়দা তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাই যোদ্ধা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত করবে। পরে পরিবারের সাথে দেখা করবেন বলে জানানো হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

দেশের ৩০টি অঞ্চলে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে, সর্বনিম্ন ৬.৭

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের ৩০টি আবহাওয়া স্টেশনে-অঞ্চলে ০৭ জানুয়ারি বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানায়, বর্তমানে ৪৪টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার পূর্বাভাসও দিয়েছে সংস্থাটি। নওগাঁয় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি

৪৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর এবং কুমিল্লা জেলাসহ রাজশাহী, রংপুর, খুলনা এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আগামী কয়েকদিন চলতে পারে।

সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আবহাওয়া পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, হাড় কাঁপানো এই শীত ও শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েকদিন দেশজুড়ে অনুভূত হবে।

যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আর  ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

টাঙ্গাইলে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও এক প্রভাষকের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন

প্রতিনিধি,টাঙ্গাইল:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গলবার(৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ
আশরাফুল আলম তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।
জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ভোট প্রার্থনা ও অনুদান ঘোষণা করছিলেন। এ অভিযোগ পেয়ে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নম্বর ০৫.৪১. ৯৩৮৫.০০০.০৪.০০৩.২৫.১১৬৪ মূলে গত ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠান।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সাথে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে আপনি অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বক্তব্যে বলেছেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন এবার ১৩ বার এর নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি
ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে আগামি নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দিবে।’ এছাড়া তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরে দুইটি রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অভিযোগের সাথে সংযুক্ত ভিডিও যাচাই করে সত্যতা পাওয়ায় আহমেদ আযম খানের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধান লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
অপরদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগের সাথে সংযুক্ত ছবি সমূহ পর্যালোচনায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। ফলে তাদের দুজনকে টাঙ্গাইলের চীফ জুডিসিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে স্থাপিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতের কাছে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

 

ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্পের নজরে আরও যেসব দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ গড়ে উঠছে তার পররাষ্ট্রনীতির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ঘিরে। একটি নাটকীয় রাতের অভিযানে কারাকাসের শক্তিশালী সুরক্ষিত কম্পাউন্ড থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে আটক করে তিনি ভেনেজুয়েলাকে নিয়ে হুমকি বাস্তবায়ন করেছেন।

অভিযানটি বর্ণনা করতে গিয়ে ট্রাম্প তুলে ধরেন ১৮২৩ সালের মনরো ডকট্রিন এবং পশ্চিম গোলার্ধে মার্কিন আধিপত্যের প্রতিশ্রুতি—যেটিকে তিনি নতুন করে নাম দেন ডনরো ডকট্রিন।

গত কয়েক দিনে ওয়াশিংটনের প্রভাব বলয়ের অন্যান্য দেশকে নিয়ে তিনি যে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, তার কিছু এখানে তুলে ধরা হলো।

• গ্রিনল্যান্ড
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে গ্রিনল্যান্ডে—পিটুফিক স্পেস বেস। কিন্তু ট্রাম্প চান পুরো দ্বীপটি। ‌‌‘‘জাতীয় নিরাপত্তার দিক থেকে আমাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার,’’ সাংবাদিকদের বলেন তিনি। ওই অঞ্চল ‘‘রুশ এবং চীনা জাহাজে ভরে গেছে’’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

ডেনমার্কের অংশ ও বিশালাকৃতির এই আর্কটিক দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি বিরল খনিজে সমৃদ্ধ; যা স্মার্টফোন, বৈদ্যুতিক যানবাহন ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিরল খনিজ উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রকে বহুলাংশে ছাড়িয়ে গেছে চীন।

গ্রিনল্যান্ড উত্তর আটলান্টিকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানও দখল করে আছে; যা ক্রমবর্ধমানভাবে আর্কটিক সার্কেলে প্রবেশাধিকার দেয়। আগামী বছরগুলোতে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে থাকায় নতুন নৌপথ খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডরিক নিলসেন ট্রাম্পের প্রস্তাবকে ‘কল্পনা’ বলে অভিহিত করেছেন।

‘‘আর কোনও চাপ নয়। আর কোনও ইঙ্গিত নয়। সংযুক্তির কল্পনা নয়। আমরা আলোচনায় উন্মুক্ত। আমরা সংলাপে উন্মুক্ত। তবে এটি সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান জানিয়ে হতে হবে,’’ বলেন তিনি।

সোমবার ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডরিকসেন বলেছেন, ট্রাম্প যখন বলেন তিনি গ্রিনল্যান্ড চান, তখন তাকে ‘‘গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।’’ ডেনমার্কের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ডিআরকে তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে জানিয়েছি ডেনমার্ক রাজ্যের অবস্থান কোথায় এবং গ্রিনল্যান্ড বারবার বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ন্যাটোর সমাপ্তি ঘটবে ফ্রেডরিকসেন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র আরেকটি ন্যাটো দেশকে সামরিক শক্তি দিয়ে আক্রমণ করে, তাহলে সবকিছু থেমে যাবে। তিনি বলেন, ডেনমার্কের বর্তমান অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় সমর্থন দ্বারা সমর্থিত।

• কলম্বিয়া
ভেনেজুয়েলায় অভিযান শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে সতর্ক করে দিয়ে ‘‘নিজের দিকে খেয়াল’’ রাখার পরামর্শ দেন ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার পশ্চিম প্রতিবেশী কলম্বিয়া উল্লেখযোগ্য তেল মজুদের পাশাপাশি সোনা, রূপা, পান্না, প্লাটিনাম ও কয়লার বড় উৎপাদক।

এটি ওই অঞ্চলের মাদক ব্যবসার একটি প্রধান কেন্দ্র—বিশেষত কোকেনের ক্ষেত্রে। গত সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে নৌকা লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে; যদিও প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছে যে সেগুলো মাদক বহন করছিল। এরপর থেকেই ট্রাম্প দেশটির বামপন্থি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তীব্র বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন।

গত অক্টোবরে পেত্রোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি কার্টেলগুলোকে বাড়তে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন। রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমানে ট্রাম্প বলেন, কলম্বিয়া এক অসুস্থ মানুষের হাতে চলছে, যে কোকেন বানাতে ও তা যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করতে পছন্দ করে।

তিনি বলেন, সে খুব বেশি দিন এটা করতে পারবে না। কলম্বিয়াকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র কোনও অভিযান চালাবে কি না—এ প্রশ্নে ট্রাম্পের জবাব ছিল, আমার কাছে ভালোই শোনাচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে কলম্বিয়া মাদকবিরোধী যুদ্ধে ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র, যা কার্টেল মোকাবিলায় প্রতি বছর শত শত মিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে।

• ইরান
ইরান বর্তমানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখোমুখি এবং ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, আরও বিক্ষোভকারী নিহত হলে দেশটির কর্তৃপক্ষকে কঠোরভাবে আঘাত করা হবে।

এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমরা খুব ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি। যদি তারা অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, আমি মনে করি যুক্তরাষ্ট্র তাদের কঠোরভাবে আঘাত করবে।

তাত্ত্বিকভাবে ইরান ডনরো ডকট্রিনের আওতার বাইরে পড়ে। তবে গত বছর এর পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার পর ট্রাম্প ইরানি শাসকদের বিরুদ্ধে আরও পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।

সেই হামলা হয়েছিল ইসরায়েলের বৃহৎ অভিযানের পর, যা ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংসের লক্ষ্যে চালানো হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত ১২ দিনের ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে গড়ায়।

গত সপ্তাহে মার-এ-লাগোতে ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকে ইরান ছিল আলোচনার শীর্ষে। মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, নেতানিয়াহু ২০২৬ সালে ইরানকে লক্ষ্য করে নতুন হামলার সম্ভাবনা উত্থাপন করেছেন।

• মেক্সিকো
২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার সময় ট্রাম্পের প্রচারণার মূল স্লোগান ছিল মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ। ২০২৫ সালে প্রেসিডেন্টের অফিসে ফেরার প্রথম দিনেই তিনি মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে আমেরিকা উপসাগর করার নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।

তিনি প্রায়ই দাবি করেন, মেক্সিকোর কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রে মাদক বা অবৈধ অভিবাসী প্রবাহ ঠেকাতে যথেষ্ট করছে না। রবিবার তিনি বলেন, মেক্সিকো দিয়ে মাদক উপচে পড়ছে এবং আমাদের কিছু করতে হবে। সেখানকার কার্টেলগুলো খুব শক্তিশালী।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাম প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন।

• কিউবা
ফ্লোরিডার মাত্র ৯০ মাইল (১৪৫ কিলোমিটার) দক্ষিণে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্রটি ১৯৬০-এর দশকের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এটি নিকোলাস মাদুরোর ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র।

রবিবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। কারণ কিউবা পতনের মুখে। তিনি বলেন, আমার মনে হয় আমাদের কোনও পদক্ষেপ নিতে হবে না। দেখে মনে হচ্ছে এটি ভেঙে পড়ছে।

‘‘আমি জানি না তারা টিকে থাকবে কি না, তবে এখন কিউবার কোনও আয় নেই। তারা সব আয় পেতো ভেনেজুয়েলা থেকে, ভেনেজুয়েলার তেল থেকে।’’

ভেনেজুয়েলা প্রায় ৩০ শতাংশ তেল কিউবায় সরবরাহ করে বলে জানা যায়, যা মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হলে হাভানাকে বিপদে ফেলতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও—যিনি কিউবান অভিবাসীদের সন্তান—দীর্ঘদিন ধরে কিউবায় শাসন পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

শনিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, যদি আমি হাভানায় থাকতাম এবং সরকারের অংশ হতাম, আমি অন্তত কিছুটা উদ্বিগ্ন হতাম। যখন প্রেসিডেন্ট কথা বলেন, আপনাকে তা গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।

বিবিসি বাংলা।

আলোকিত প্রতিদিন/০৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

অস্থির অর্থ শিল্প শ্রমবাজার. কমেছে বিনিয়োগ. উদাসীন সরকার সংকটে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য

আলমগীর মতিন চৌধুরী ঃ

সংকটের মুখে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিল্প-ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভালো কিছু আশা করা হলেও জনগণ ব্যবসায়ী শিল্পোদ্যোক্তারা হতাশ। বছর পেরিয়েও ব্যবসায়ে শান্তি, স্বস্তি, আস্থা গতি কিছু ফেরেনি। ক্রমেই বাড়ছে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। কমেছে বানিজ্য বিনিয়োগ। বানিজ্য প্রসারতায় নেই সরকারি উদ্যোগ। দেশি বিদেশি উদ্যোগে পড়ছে না সাড়া। এ জন্য বিদ্যুৎ-জ্বালানির সংকট, ঋণের উচ্চ সুদের হার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ অসংখ্য অভিযোগ আশঙ্কার কথা উঠে এসছে ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নীতি সহায়তার বদলে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চলছে মিডিয়া ট্রায়াল। নানা ধরনের হয়রানি ও মিথ্যা মামলার বিড়ম্বনা ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অনেক ব্যবসায়ীর বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞাসহ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে রাখা হয়েছে। বেশি দাম দিয়েও প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ গ্যাস না পাওয়া, মুদ্রার চরম অবমূল্যায়ন দেখা দিযেছে। মব সন্ত্রাস, আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি, ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজিসহ আরো বহু সমস্যায় ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা দিশাহারা। শুধু তা-ই নয়, এত সব সংকট সত্ত্বেও সমাধানের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেই বললেই চলে। সরকার পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা পর্যন্ত করা হচ্ছে না। তাঁদের সমস্যা দূর করা তো পরের কথা, সমস্যা কী বা সমস্যার গতি-প্রকৃতি নিয়ে কথা বলারও উদ্যোগ না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিনিয়োগে চলছে মন্দা, চৈতী খরা। বাড়ছে না কর্মসংস্থান, বিপরীতে প্রতিদিনই চাকরি হারাচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। একের পর এক বন্ধ হচ্ছে ব্যবসা ও শিল্প-কারখানা। চাপে তাপে ব্যবসায়ীরা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হয়ে পড়ছেন। তাঁদের পুনরুদ্ধারে প্রণোদনা দিতে কমিটি করা হলেও নাম মাত্র কিছু ব্যবসায়ীকে এই সুবিধা দিয়ে বেশির ভাগকেই বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ দেখা দিয়েছে। শিল্প-বাণিজ্যের দুরবস্থায় দেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌছিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ২০২৫ সালে নতুন করে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ কাজ হারিয়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। এই পরিস্থিতির মধ্যে দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ বেকার হয়েছে আরও বেকার হবে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল সম্প্রতি জানিয়েছেন, ‘২০২৫ সালে শুধু শিল্প নয়, শিল্পোদ্যোক্তাদের মেরে ফেলা হচ্ছে। এটাকে আমরা ষড়যন্ত্র মনেকরি। শিল্প বাঁচাতে না পারলে দেশে দুর্ভিক্ষ হবে। শিল্পবিরোধী কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিল্প-কারখানা গলাটিপে মেরে ফেলা হচ্ছে। গ্যাসসংকটে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকেগেছে। চলতি মূলধন সংকুচিত হয়েছে। প্রতিনিয়ত আমাদের কারখানা লে-অফ ঘোষণা আসছে। বাঁচার তাগিদে কিছুদিন পর মানুষ রাস্তায় নামবে। দেশের পরিস্থিতি হবে আরো ভয়াবহ। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক আবদুল আউয়াল মিন্টু যথার্থই বলেছেন, দেশে বর্তমানে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা, দুর্বল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা-সব মিলিয়ে একটি অনিরাপদ ও অনিশ্চিত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিবেশে দেশি-বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থিতিশীলতা না থাকলে ব্যবসা পরিচালনা করা শুধু কঠিনই নয়, অসম্ভব। বিনিয়োগের জন্য আস্থার পরিবেশ অত্যন্ত জরুরি। কারণ বিনিয়োগ দু-এক দিনের বিষয় নয়। একজন বিনিয়োগকারী দীর্ঘ মেয়াদে তাঁর বিনিয়োগের নিশ্চয়তা অবশ্য চাইবেন। দেশের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির স্বার্থে বিনিয়োগের জন্য উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আর এ জন্য সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত জরুরি। দেশের বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে আরো ব্যবসায়িক ভয়াবহতা। বাংলাদেশে অর্থনীতির বেশিরভাগ সূচক খারাপ হচ্ছে। দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে বহুমুখী সংকট সামনে আনছেন ব্যবসায়ীরা। অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও একটা নেতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতির জন্য এগুলোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী সবাই। ৫ আগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর একদিকে যেমন বেশকিছু শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে, আবার সম্ভাবনাময় অনেক শিল্প কারখানাও অর্থাভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আবার অর্থায়ন সংকট, ঋণ সহায়তা, সুদহার বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ জানাচ্ছেন নিয়মিত। সার্বিকভাবে ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়েও দুশ্চিন্তা ফুটে উঠছে ব্যবসায়ীদের কথায়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে চামড়া ও পাট শিল্পের একজন উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, পাটকলের মুনাফা এবং ব্যাংক ঋণের ভর করে খুলনায় দেশের বৃহত্তম চামড়া প্রক্রিয়া কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছেন। অতীত ও বর্তমান সংকট মিলিয়ে রপ্তানিমুখী দুটি শিল্প কারখানাই এখন রুগ্ন। পাটকলে সক্ষমতার ২৫ শতাংশ এবং চামড়া কারখানায় দশ ভাগের বেশি কাজে লাগাতে পারছেন না। তিনি আরো জানান, দুই কারখানার ৮০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ জমেছে। দৈনিক ব্যাংক সুদ হচ্ছে ৩০ লাখ টাকা। চামড়া ও পাটকল মিলে আড়াই হাজারের বেশি শ্রমিকের কাজ নেই। এশিয়ার মধ্যে বড় ফ্যাক্টরি তৈরি করেছি, যদি সরকার ব্যবসায়ীদের স্বার্থএগুলো না দেখে সেই অর্থে বাংলাদেশে নতুন করে কোনো লোক এই ধরনের রিস্ক নিয়ে নতুন করে আর ব্যবসা করবে না।” চামড়া কারখানায় বিনিয়োগ করে পাটকলের মূলধেনও ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ঋণখেলাপি হওয়ার আশঙ্কায় দিন পার করছে এই উদ্যোক্তা। প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে ব্যবসায়ীদের সমস্যা নিয়ে বলেন,“ব্যবসায়ীদের অবস্থা ভীষণ খারাপ। তাদের লোনের টাকা শোধ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ব্যয় নিয়ে কষ্টের মধ্যে আছে। বিদেশি ক্রেতারা আরো স্বল্পমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে চাচ্ছেন। ভারতীয় কম্পিটিশন আসতেছে গার্মেন্টস সেক্টরে। সো অভারঅল ব্যবসায়ীরা কিন্তু বিভিন্নমুখী চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন, এটা কিন্তু কেউ ডিনাই করতে পারবে না।” বর্তমানে বিনিয়োগে একটা ভাটা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্রে জানাগেছে অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে গত অর্থবছরের তুলনায় ৭১ শতাংশ কম। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, ঘুষ দুর্নীতি এগুলো কিন্তু কমে নাই। ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ জিডিপির ২৩.৫ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগ সেটা জিডিপির এক শতাংশের নিচে ছিল। সেটা কমে কমে ০.৩ এর কাছাকাছি রয়েছে। একটা বড় সময় ধরে বাংলাদেশে বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা কোনো সময়ই সারা পৃথিবীতেই কোনো জায়গায় বিনিয়োগ করতে চাইবে না যদি রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকে। প্রতিবেদনের স্বার্থে অনেকের সাথে কথা বলে জানাগেছে, ইলেকশনের আগে তারা নতুন বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে না। ঘুষ-দুর্নীতি এগুলো কিন্তু কমে নাই। ব্যবসার পরিবেশ নিয়ে সিপিডির জরিপে ১৭টি সমস্যা সামনে এসেছে, এর মধ্যে দুর্নীতি এক নম্বরে রয়েছে। ব্যবসায়ের নিরাপত্তা জনিত কারণে ব্যবসায়ীরা সত্যটা বলতে পারছেন না। তারা ভয়ের মধ্যে থাকেন যে কী বলতে কী বলে আবার ব্যবসার ক্ষতি হয়। মব জাস্টিসের মধ্যে পড়ে যায় অনেকে। ফলে ব্যবসায়ের পরিবেশ পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারে প্রয়োজন দুর্নীতিমুক্ত স্থিতিশীল পরিবেশ, আইন শৃঙ্খলার উন্নতি এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সফল গার্মেন্টস ক্রেতা, বিপনন ও সরবরাহকারী এবং সোর্সিং এক্সিবিশন খ্যাত ইনটেক্স বাংলাদেশের ১৬তম আসর আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল সোর্সিং শোতে ১০টিরও বেশি দেশের ১২৫টির অধিক কোম্পানি অংশ নিয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী ক্রেতা, সরবরাহকারী এবং উৎপাদনকারীদের জন্য একটি গতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করার কথা থাকলেও সেখানে তেমন সাড়া দেখাযায়নি। দেশে ২০২৪ সালে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ এফডিআই আগের বছরের চেয়ে ১৩ শতাংশ কমেছে। গত বছর প্রকৃত এফডিআই এসেছে ১২৭ কোটি ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় যা প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ। ২০২৩ সালে নিট এফডিআই ছিল ১৪৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ২০২৬ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প রপ্তানি ৫৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ইনটেক্স-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, সাপ্লাই চেইনে বৈচিত্র আনা এবং টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পে উদ্ভাবন প্রদর্শনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু এবারের আসরে তেমন উল্লেখযোগ্য সাড়া না মেলার কারণ হিসাবে দেশের অস্থির রাজনীতি, নিরাপত্তাহীনতাকে দায়ি করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ২০২৪ সাল শেষে বিদেশি বিনিয়োগের স্থিতি ১ হাজার ৮২৯ কোটি ডলার, যা দেশের জিডিপির মাত্র ৪ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ায় এ ক্ষেত্রে গড় হার ১৩ শতাংশ। ভারতের হার ১৪ শতাংশ। ভুটানের মতো দেশে এ হার ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশে ২০২৪ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগে অর্থের ঘোষণার পরিমাণও কমেছে। ঘোষিত অর্থের পরিমাণ ১৭৫ কোটি ডলার। গত বছরের তুলনায় যা ৩৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে বিদেশে মাত্র ৭০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ হয়েছে। স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৮৫ কোটি টাকা। গত পাঁচ বছরের মধ্যে ২০২১ সালে দেশের বাইরে সর্বাধিক ৮ কোটি ডলারের বিনিয়োগ করেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। ২০২৪ সালে বৈশ্বিকভাবে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ১১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় ধাক্কা। অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগে মন্দা, শিল্প খাতে চাপ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতি কম মনোযোগ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বাণিজ্য উত্তেজনা, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক বিভাজন বৈশ্বিক বিনিয়োগ পরিবেশকে আরো জটিল করে তুলছে। সরকারের সদিচ্ছার কারনে দেশের বাণিজ্যিক আশা ভরসা তলানীতে অবস্থান করছে। ব্যবসা বানিজ্য কর্মসংস্থান নিয়ে সরকার অনেকটাই উদাসীন। অন্ধকারে কখন কিছুটা আশার আলো ছড়াবে সেই নিরব অপেক্ষায় করা ছাড়া কি বা করার আছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

সম্পাদক পরিষদের অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

মো: মহিদ:

মানিকগঞ্জ সম্পাদক পরিষদের নতুন অফিসের উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের কালিবাড়ী রোডে অবস্থিত সম্পাদক পরিষদের কার্যালয়ে উদ্ধোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জ সম্পাদক পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আকরাম হোসেনের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এস এম সাইফুল্লাহ। এসময় বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, সাবেক সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু,সাধারণ সম্পাদক শাহানুর ইসলাম,মানিকগঞ্জ টেলিভিশন রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি বিএম খোরশেদ,সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন, মানিকগঞ্জ সম্পাদক পরিষদের সহ সভাপতি মাহবুব আলম জুয়েল, সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড: আমিনুল হক আকবর, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,আহম্মেদ সাব্বির সোহেল, কাবুল উদ্দিন খান সহ অন্যান্যরা। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অতিন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব,মানিকগঞ্জ সম্পাদক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড: খন্দকার সুজন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আকমল হোসেন,কোষাধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন বাবুল, দপ্তর সম্পাদক আক্তার হোসেন মিলন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এফ এম ফজলুল হক, প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হাকিম, মানিকগঞ্জ টেলিভিশন রিপোটার্স ইউনিটির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল আলীম, দপ্তর সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক রানা কাদের, ঢাকা পোষ্টের জেলা প্রতিনিধি সোহেল হোসাইন, দৈনিক আল আযান পত্রিকার বার্তা সম্পাদক শিপন আহম্মেদ, এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি অভি হাসান দেওয়ান, দৈনিক আমার নিউজ ও আলোকিত প্রতিদিন এর জেলা প্রতিনিধি মো: মহিদ, দৈনিক মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি শাহিদুজ্জামান শাহিদ, দৈনিক ভোরের ডাকের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম,আমার নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি ও দিশারীর সাবেক সভাপতি হাসান সিকদার, সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম তুষার সহ জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা বলেন, সম্পাদক পরিষদের এই অফিস সাংবাদিকদের পেশাগত কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং জেলার গণমাধ্যম চর্চাকে আরও সুসংহত করবে। দোয়া মাহফিলের আগে পরিষদের সকল সদস্যেদের মাঝে উন্নতমানের বেøজার উপহার দেয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

নির্বাচনী অভিযোগ গ্রহণে ১০ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিলেন ইসি

আলোকিত প্রতিবেদক:

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণের জন্য ১০ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক আজ দুপুরে এই তথ্যটি জানান।

ইসি জানায়, দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— খুলনা অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দীন আহমদ, (মোবাইল: ০১৭১২৫৯১১৪৪, ইমেইল: khulna.region.complain@ecs.gov.bd), ফরিদপুর অঞ্চলের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হাসান ভূঞা (মোবাইল: ০১৭১১৩৬৯৯৭৬, ইমেইল : faridpur.region.complain@ecs.gov.bd), ময়মনসিংহ অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার (মোবাইল ০১৭১২০৪৪১৮৮, ইমেইল: mymensingh.region.complain@ecs.gov.bd), বরিশাল অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ আল-মামুন (মোবাইল: ০১৯৩৭৬৩৮০৩৫, ইমেইল: barishal.region.complain@ecs.gov.bd), সিলেট অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মিসবাহ উদ্দীন আহমেদ (মোবাইল: ০১৭১৭২৪৪০৭৮, ইমেইল: sylhet.region.complain@ecs.gov.bd), ঢাকা অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির মাহমুদ (মোবাইল: ০১৭১৮৫৬৪৬৩৫, ইমেইল: dhaka.region.complain@ecs.gov.bd), রংপুর অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব সৈয়দ গোলাম রাশেদ (মোবাইল: ০১৮১৮২৬৮০৮২, ইমেইল: rangpur.region.complain@ecs.gov.bd), চট্টগ্রাম অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেন (মোবাইল: ০১৭১৭৪০৫৫৯৪, ইমেইল: chattogram.region.complain@ecs.gov.bd), রাজশাহী অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মো. মমতাজ-আল-শিবলী (মোবাইল: ০১৬৭৬৩২৪৬০৯, ইমেইল: rajshahi.region.complain@ecs.gov.bd), কুমিল্লা অঞ্চলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইকরামুল হাসান (মোবাইল: ০১৭৯৭১৮৫১২৩, ইমেইল: cumilla.region.complain@ecs.gov.bd)।

এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের দুটি ইমেইলে নির্বাচন-সংক্রান্ত তথ্য এবং অভিযোগ পাঠানো যাবে (centralcord.complain@ecs.gov.bd, mscentralcord.complain@ecs.gov.bd)।

ইসি জানায়, নির্বাচন কমিশন ১৪ ডিসেম্বর ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করেছে। এসকল কমিটির কাছেও সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম