আজ সোমবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 166

চট্টগ্রামকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

ক্রীড়া ডেস্ক:

শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালটি হলো অনেকটা ম্যাড়ম্যাড়ে টাইপের। সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম রয়্যালসকে পাত্তাই দিলো না রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে জিতে শিরোপা নিশ্চিত করলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। শুরুতে নেমে ২০ ওভারে ১৭৪ রান করে রাজশাহী। জবাবে ১১১ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস।

এটা রাজশাহীর দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা। এর আগে বিপিএলের ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এদিকে বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তিনবার শিরোপা জিতেছে ঢাকা। রাজশাহীর সমান দুবার করে চ্যাম্পিয়ন হয় বরিশাল। আর একবার শিরোপা জিতেছে রংপুর রাইডার্স।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী। তানজিদের ঝড় ও সাহিবজাদার ধৈর্য্যশীল ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন ফারহান।

দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে নামা কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫ বলে ২৪ রান করেন উইলিয়ামসন।

এদিকে আপনতালে খেলতে থাকেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপিএলের এবারের আসরে এটা চতুর্থ সেঞ্চুরি। আর বিপিএলের ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন তানজিদ। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।

শেষ পর্যন্ত তানজিদের ইনিংস থামে ১০০ রানে। মাত্র ৬২ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ছয়টি চার এবং সাতটি ছয়ে সাজানো। আর দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। এদিকে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের সফল বোলার শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম। দুজনই দুটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলীয় ১৮ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন দুই ব্যাটার। ১০ বলে ৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। আর ২ বল খেলে রানের খাতায় খুলতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়। এদিকে হাসান নেওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ৭ বলে ১১ রান।

চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে নামেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাহিদুজ্জামান তাদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে ম্যাচটি চট্টগ্রামের হাতের নাগালের বাইরে চলে যায়। ১৩ বলে ১১ রান করে আউট হন জাহিদুজ্জামান। আর আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৩৯ রান করেন মির্জা বেগ।

আসিফ আলী এবং আমির জামাল আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেছিলেন। কিন্তু ক্রি বেশিক্ষণ টিকতে পারননি আমির। একটি ছক্কা হাঁকানোর পর জিমি নিশামের বলে আউট হন ব্যক্তিগত ৮ রানে। অন্যদিকে ১৬ বলে ২১ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন আসিফ আলী। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ৪, শরিফুল ইসলাম ০, তানভীর ইসলাম ১ ও মুকিদুল ইসলাম ১ রান করেন।

রাজশাহীর পক্ষে ৩ ওভারে মাত্র ৯ রানের খরচায় সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। তিনটি উইকেট নেন হাসান মুরাদ। এছাড়া জিমি নিশাম দুটি ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি উইকেট পেয়েছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৪ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

কক্সবাজার পৌর শহরে (জবি) শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে অপহরণ, হামলায় বাবাসহ আহত-৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কক্সবাজার শহরে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলার সময় শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ এবং তার কাছ থেকে নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার ২১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ঘোনার পাড়া এলাকায় বিবেকানন্দ স্কুলসংলগ্ন পূর্ব মোহাজের পাড়া রাস্তার মাথায়।

আহত শিক্ষার্থী সাইমুন আমিন ইয়াছির (২১) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তার বাবা সাইমুন আমিন (৪৬) কক্সবাজার সদর থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইয়াছিরকে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী ঘিরে ফেলে। তারা দা, কিরিচ, ছোরা, বন্দুক, লোহার রড, হাতুড়ি ও লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত ছিল।

শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত আব্দুল হাকিম নিকেলের নেতৃত্বে হামলাকারীরা ইয়াছিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি মারধর করে। বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় আঘাতসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় তার পকেট থেকে নগদ ৮ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অপহরণ করে দ্বিতীয় দফা নির্যাতন :
হামলার একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ইয়াছিরকে টেনে-হেঁচড়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে পুনরায় মারধর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ইয়াছিরের বাবা সাইমুন আমিনকেও মারধর করা হয়। এতে তিনিসহ আরও কয়েকজন আহত হন।

ঘটনার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় প্রতিনিধিরা এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের দোসর এবং গত জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় কক্সবাজারে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় জড়িত ছিল। তারা বলেন, একই চক্র এখনো এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে এবং ভিন্নমত দমন করতে সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

বিবৃতিতে তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

পরবর্তীতে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, অভিযুক্তরা মামলা না করার জন্য বাদী ও তার ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখাচ্ছে।

কক্সবাজার সদর থানার এক কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

৭১-এর স্বাধীনতা ২৪-এ রক্ষা হয়েছে : তারেক রহমান

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ৭১-এর স্বাধীনতা ২৪ -এ রক্ষা হয়েছে। তিনি ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কুট্টাপাড়া খেলার মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, তিনি বলেন, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। আর ২৪ এ আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ ছিলোনা। সেখানে খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছে। ঠিক একইভাবে ২৪ এ এসেও রিকশাচালক, ভ্যান চালক থেকে শুরু করে শিশু-বৃদ্ধ সবাই আন্দোলন করেছে। তারেক রহমান সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ শেষ করে চতুর্থ জনসভা হিসেবে রাত ১০টার দিকে এসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মঞ্চে উঠেন। এসময় সামনে থাকা লোকজনের সঙ্গে তারেক রহমান মঞ্চে থেকে নেমে এসে সামনে যারা ছিলেন তাদের সঙ্গে সানন্দে হাত মেলান। পরবর্তীতে ১০টা ৩৪ মিনিট থেকে তিনি বক্তব্য শুরু করে প্রায় ১৯ মিনিট বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি সবাইকে মনে করিয়ে দিতে গিয়ে বলেন,নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। পত্রিকায় ও বিভিন্ন মিডুয়ায় খবর এসেছে কীভাবে বিদেশি ভাইদের ব্যালট পেপার একটি দল দখলে নিয়েছে। এমন ষড়যন্ত্র দেশেও হচ্ছে। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
আগে যে নিশিরাতের নির্বাচন হয়েছিল সেটা এখনও করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই আপনাদেরকে ফজরের আগেই ভোটকেন্দ্রে চলে যেতে হবে। প্রয়োজনে ভোট কেন্দ্রের কাছে গিয়ে নামাজ আদায় করে নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা কৃষি কার্ড করতে চাই। আমরা ফ্যামিলি কার্ড করতে চাই। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন দিতে চাই। আমরাসহ জোটের যে প্রার্থী আছে তাদেরকে নির্বাচিত করতে হলে আপনাদেরকে ভোট দিতে হবে।
বিএনপির মনোনীত জোট প্রার্থীদের নিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি হিসেবে ধানের শীষের যত ভাইয়েরা আছে এই মানুষগুলো আন্দোলনে ছিল, দেশের গণতান্ত্রিক রাজপথে ছিল। তাই তাদের জিতিয়ে আনতে হবে। তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাস্তা ঠিক হবে, স্কুল মেরামত হবে। তা ছাড়া তরুণ সমাজ যে বেকার রয়ে গেছে। ধানের শীষ সরকার গঠন করলে তাদের ট্রেনিং দেওয়া থেকে শুরু করে তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে।
এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
জনসভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন আসনের বিএনপি ও জোট মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান, জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, জুনায়েদ আল হাবিব, আব্দুল মান্নান, এম এ হান্নান বক্তব্য দেন। বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও জনসভায় বক্তব্য রাখেন।
এর আগে, সমাবেশ উপলক্ষে দুপুর থেকেই নেতাকর্মীরা জনসভার মাঠেন উপস্থিত হতে থাকেন। জেলার ৯ উপজেলা থেকেই নেতাকর্মীরা জনসভায় উপস্থিত হন। তারেক রহমানের বক্তব্য শোনার জন্য সবাই দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেন এবং তার বক্তব্য শুনে বাড়ি ফেরেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

নির্বাচন ও শবেবরাত ঘিরে ফেব্রুয়ারিতে মিলবে দুই দফায় ৮ দিনের ছুটি

আলোকিত ডেস্ক:

আসন্ন ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মিলছে দীর্ঘ ছুটির সুবর্ণ সুযোগ। পবিত্র শবেবরাত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাসের প্রথম ১৫ দিনের মধ্যেই দুই দফায় মোট ৮ দিনের ছুটি কাটানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ক্যালেন্ডারের হিসাব এবং সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, সামান্য কৌশলী হলে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই বড় দুটি ছুটি উপভোগ করতে পারবেন কর্মচারীরা।

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। সে উপলক্ষ্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার।

এ অবস্থায় কেবল এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি কাটানো যাবে। কেননা এর পরের দুদিন ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ও ৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সুতরাং মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।

এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরের দুদিন ১৩ এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। অর্থাৎ মিলছে চার দিনের ছুটি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আর ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়।’

অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবারে পড়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যাচ্ছে বাংলাদেশি জাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মুড়িগঙ্গা নদীতে ভয়াবহ নৌদুর্ঘটনায় বাংলাদেশি পণ্যবাহী একটি জাহাজ ডুবে গেছে। এ ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিমবঙ্গের সাগর এলাকায়। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান জাহাজের ১২ নাবিক।

জানা গেছে, জাহাজটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বজবজ থেকে ছাই বোঝাই করে বাংলাদেশে রওনা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে কাকদ্বীপ এবং লট নম্বর ৮-এর মধ্যবর্তী মুড়িগঙ্গা নদীর চরা অতিক্রম করার সময় ভাটার টানে নদীগর্ভে জেগে ওঠা একটি বিশাল চরায় জাহাজটি আচমকা সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার তীব্রতায় জাহাজের তলদেশ ফেটে যায়। মুহূর্তে জাহাজের ভিতরে দ্রুত জল ঢুকতে শুরু করে। জাহাজটি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং ডুবতে শুরু করে। বিপদের আঁচ পেয়ে নাবিকরা চিৎকার করে সাহায্য চাইতে থাকেন।

মুড়িগঙ্গায় চলাচলরত একাধিক ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। ট্রলারগুলির নাবিকরা তৎপরতার সঙ্গে জাহাজে থাকা প্রায় ১২ নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। আপাতত জাহাজটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এই বিষয়ে সুন্দরবন পুলিশ জেলার সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, “বুধবার বিকেলে কলকাতা বন্দর থেকে একটি পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশে যাওয়ার সময় ঘোড়ামারা দ্বীপ ও কচুবেড়িয়া মধ্যবর্তী স্থানে হঠাৎই যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ডুবে যায়। বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী থানার পুলিশ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ওই পণ্যবাহী জাহাজে থাকা ১২ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করে। বর্তমানে সকলেই সুস্থ রয়েছে।”

উদ্ধার হওয়া নাবিকদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়। এখন তারা গঙ্গাসাগর থানার অন্তর্গত বহুমুখী আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছেন৷ তাদের শুকনো খাবার এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে৷ খুব শীঘ্রই তাদের নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে৷ ডুবে যাওয়া জাহাজটিতে কী ধরনের পণ্য বহন করছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। নদীতে কোনও ধরনের তেল বা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে পড়েছে কি না, সেদিকেও নজর রাখছে প্রশাসন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

জনগণের মূল কাজ সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচন ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা: তারেক রহমান

আলোকিত প্রতিবেদক:

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে নিরাপদ করতে হলে, ভোটের অধিকার ও কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জনগণের মূল কাজ হচ্ছে সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচন করা।

২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোর রাতে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার রূপগঞ্জের গাউসিয়ায় প্রচারণার প্রথম দিনের শেষ নির্বাচনী সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৫ বছরে এমন কোনো নির্বাচনী জনসভা হয়নি। বিগত ১৫ বছরে মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে হলে, রাষ্ট্রকে মেরামত করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই দেশে মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করে আসছেন। আগামীতেও আমরা সবাই মিলে শান্তিতে থাকতে চাই।

তিনি বলেন, দেশকে নিরাপদ করতে হলে, ভোটের অধিকার ও কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে, মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে হলে এবং কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা কষ্ট করে কেন অপেক্ষা করছেন? ভোররাতে জেগে থাকা আপনাদের সবার মুখে একটি চাওয়া ফুটে উঠেছে। কী সেটা? বাংলাদেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়। তারা চায় একটি নিরাপদ দেশ, যেখানে সবাই নিরাপদে থাকতে পারবে, নিরাপদে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে, রাস্তাঘাটে নিরাপদে চলতে পারবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

বেপরোয়া ভাবে চালাচ্ছে সাভার আশুলিয়ার অটোরিক্সা

শহিদুল্লাহ সরকার:

সাভার আশুলিয়ার রাস্তা এখন অটোরিক্সার দখলে বর্তমানে হাজার হাজার অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা বেপরোয়া ভাবে রাস্তা দখল করে চালাচ্ছে। ইহাতে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে । পঙ্গু হাসপাতালে গেলে দেখা যাবে শত শত মানুষ হাত -পা ভেঙে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। অনেক আহত নিহত হচ্ছে। ডিএমপি কমিশনার বা যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের অটোরিক্সা বন্ধে নিদের্শ না থাকায় ট্রাফিক পুলিশ এখন অসহায়। যেহেতু প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব অবৈধ যানবাহনের দাপটে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। সাধারণ যানবাহন চলাচলে ট্রাফিক জ্যাম হচ্ছে। পথচারীরা ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে ভয় পায় কখন অটোরিক্সার ধাক্কা লাগে। সরেজমিনে দেখা যায়, অটোরিকশাগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করছে। এতে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচলের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট। ব্যস্ত এই রাস্তা গুলো প্রায়ই যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে দেখা যায়।
শুধু অটোরিকশাই নয়, সড়কের দুই পাশের ফুটপাতও দখল করে রেখেছে হকাররা। ফলে পথচারীদের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং অনেককে বাধ্য হয়ে মূল সড়কে নামতে হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা এখানে এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় যাত্রীরা জানান, একাধিকবার প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের মতে, অবৈধ অটোরিকশা ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

রপ্তানি বহুমুখীকরণ করতে হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

রিপন পাল:

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেছেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ করতে হবে। বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্রময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরণের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। গতকাল ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ (বিশ্বব্যাংক) হোসনে ফেরদৌস সুমি, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ড. এম. এ. রাজ্জাক, ইউএনডিপির ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মোঃ আব্দুর রহিম খান প্রমুখ।
শেখ বশির উদ্দিন আরো বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২ দশমিক ৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন।
এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রতি বছর ১হাজার দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে। যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২০ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ঘিওরে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়

আলোকিত প্রতিদিন/২২জানুয়ারি ২০২৬/মওম

বুবলী সাইবার ক্রাইম বিভাগের সহযোগিতা চাইলেন

বিনোদন ডেস্ক:

দেশের তারকাদের নিয়ে বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত ভিত্তিহীন খবর, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং মনগড়া তথ্য দিয়ে ভিডিও বানানো হচ্ছে; ছড়ানো হচ্ছে গুজব। এ প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী জানালেন, এসবের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ, চাইলেন সাইবার ক্রাইম বিভাগের সহযোগিতা।

সম্প্রতি একটি শোরুম উদ্বোধন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বুবলী এসব কথা বলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের শিকার হওয়া প্রসঙ্গে বুবলী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমার কাছে খুব দুঃখ লাগে যে, মেয়েরা ইদানিং মেয়েদেরকে আরও বেশি ট্রলিং করে। অনেক হিজাব পরা নারী আছেন, বলতে বাধ্য হচ্ছি- তারাও অন্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা ছড়িয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন।

বুবলী বলেন আমাদের ইসলামে গীবত করাকে সবচেয়ে বেশি জঘন্য কাজ বলে গণ্য করা হয়।

সাইবার ক্রাইম বিভাগের সহযোগিতা কামনা করে বুবলী বলেন, এছাড়াও, শিল্পীদের দেশের বাইরে ছোট করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি মনে করি, দেশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের দ্রুত এই বিষয়গুলোতে নজর দেওয়া এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে, বুবলী দ্বিতীয়বার মা হতে যাচ্ছেন, এমন একটি গুঞ্জন শোবিজ পাড়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সাংবাদিকরা সরাসরি এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে বুবলী কোনো পরিষ্কার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি রহস্যের আড়ালেই রাখেন। বলেন, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মানুষের কৌতূহল থাকতেই পারে, আমি তাকে সম্মান করি। তবে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য আলাদা সময় ও উপলক্ষ থাকা প্রয়োজন। তাই আলোচনাটি এখানেই থাক।

উল্লেখ্য, বুবলী বর্তমানে তার আসন্ন চলচ্চিত্র ‘পিনিক’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সিনেমাটির ‘আধাচাঁদ’ শিরোনামের একটি রোম্যান্টিক গান সম্প্রতি ‘ওয়ান টেক’-এ শুট করে বাংলা সিনেমার ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়েছে বলে দাবি করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

আলোকিত প্রতিদিন/২২জানুয়ারি ২০২৬/মওম