আজ সোমবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 162

ট্রাফিক বিভাগের নো হর্ন, নো ডাস্ট কর্মসূচি

এমএইচ চৌধুরীঃ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগের আয়োজনে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় নো হর্ন, নো ডাস্ট শীর্ষক এক মিনিটের প্রতীকী নিরবতা কর্মসূচি। মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে গুলশান–২ চত্বরে এই সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে গুলশান–২ ক্রসিং ট্রাফিক সিগন্যালে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—চারদিকে এক মিনিটের জন্য রেড সিগন্যাল রাখা হয়। এ সময় আগত যানবাহনের চালকদের অনুরোধ জানানো হয় গাড়ি থেকে নেমে এক মিনিট নিরবতা পালনের জন্য।চালকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন এবং পূর্বনির্ধারিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—নো হর্ন, নো ডাস্ট।

গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাসহ পুরো গুলশান এলাকায় অপ্রয়োজনে হর্ন না বাজানো এবং রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখার লক্ষ্যে ডিএনসিসি ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে। এই এক মিনিট নিরবতা কর্মসূচি ছিল একটি প্রতীকী আয়োজন, যার মাধ্যমে গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এ সময় গুলশান ডিভিশন- ট্রাফিকের ডিসি মিজানুর রহমান শেলীসহ সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ১৫০ জন ট্রাফিক সহায়তাকারী উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ধামরাইয়ে ইউপি সদস্য ও তার ছেলেসহ পাঁচজনকে কুপি*য়ে হ*ত্যার চেষ্টা!

মামুন আহমেদ জয়, ঢাকার ধামরাইয়ে এক ইউপি সদস্যের ছেলেকে চুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে জোরপূর্বক অপহরণ এবং সর্বশেষ ওই ইউপি সদস্যসহ তার পরিবারের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গত ২৬শে জানুয়ারি (সোমবার) দিবাগত রাত সাড়ে আট ঘটিকার সময় পৌরসভার হাজীপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, হাজীপুর পশ্চিমপাড়া নিবাসী আল-আমিন(৩০), সোহরাব(৩৫), কায়কোবাদ(২৮), আকলিমা (৫০) পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ইউপি সদস্য মুক্তিবর রহমানের(৫৫) ছেলেকে হাঁস চুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে দশ হাজার টাকা জরিমানা নেয়।
জরিমানা নেওয়ার পরও গত সোমবার রাতে আল-আমিন ও তার দলবল মিলে রফিকুলকে জোরপূর্বক অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে যায় এবং ১-১.৫ ঘন্টা শারীরিক নির্যাতন করে। পরবর্তীতে রফিকুলের পরিবার তার উপর শারীরিক নির্যাতনের কথা জানতে পারলে আলামিন, কায়কোবাদ ও সোহরাবকে তার দলবলকে নির্যাতনের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তারা রফিকুলের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে।
এই ঘটনার জের ধরেই ওইদিনই (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে আটটার দিকে  আলামিন,কায়কোবাদ, সোহরাব, আতিকুল ও মনিরসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজন মাদকাসক্ত অবস্থায় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে রফিকুলের বাড়িতে এসে রফিকুল ও তার পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় রফিকুল সহ তার পরিবারের মোট পাঁচজন সদস্য গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এ ব্যাপারে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ  মোঃ নাজমুল হুদা খান জানান আমরা উভয় পক্ষ থেকেই অভিযোগ গ্ৰহন করেছি এবং পুরো ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করার চেষ্টা করছি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কক্সবাজারে পুলিশের অভিযানে ৫ মা*দক কারবারিসহ প*লাতক ১০ আ*সামি গ্রে*ফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ ৫ জন মাদক কারবারি এবং বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক ১০ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমানের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আহমেদ পেয়ারের সার্বিক পরিকল্পনায় এবং সদর থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে যৌথ বাহিনী ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক উদ্ধার এবং অপরাধী গ্রেফতারে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ২টার সময় সদর থানার ঝিলংজা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব খরুলিয়া নয়াপাড়া এলাকায় মৃত রহিম উদ্দিন বাহাদুরের বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ৪ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—হালিমা আক্তার বাবুনী (২৭), মো. ফয়সাল (২৫), শামসুন্নাহার (৪০) ও আর্জিনা আক্তার (৩৫)।

এসময় তাদের হেফাজত থেকে ৫৫০ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রয়লব্ধ নগদ ১৪ লাখ ৩ হাজার ১২০ টাকা, ১৬ ভরি ২ আনা ২ রতি (১৮৮.৩০ গ্রাম) ওজনের স্বর্ণালংকার এবং বিভিন্ন কোম্পানির ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এছাড়া একই দিন রাত আনুমানিক ২টার সময় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের পঞ্চম তলার পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ড থেকে আব্দুল মান্নান (৪৩) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ২ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের করে তাকেও আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, একই দিনে সদর থানার ওসির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক ১০ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃতরা জিআর, সিআর, মিচ ও দ্রুত বিচার আইনের বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। গ্রেফতারকৃত সকল আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি আরও বলেন,আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে বিশৃঙ্খল পরিবেশের কোন সুযোগ নেই। মাদক ও অপরাধ দমনে কক্সবাজার সদর থানার এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

মাদারীপুরে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নি*হত ১, আ*হত ২

আমান উল্লাহ আমান :

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে রনি (২৫) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মেলকান পাথুরিয়া পাড় (কর্ণপাড়া) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রনি ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের কর্ণপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। আহতরা হলেন একই ইউনিয়নের পান্তাপাড়া গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের ছেলে মফিজুল ফকির (৩০) এবং মাদারীপুর সদরের ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকার এনামুল হকের ছেলে মাহফুজ (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমারা দৈনন্দিন কাজ শেষে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মেলকান পাথুরিয়া পাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সাথে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং আরোহীরা ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন তাদের দ্রুত উদ্ধার করে মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রনিকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মফিজুল ও মাহফুজকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে মস্তপাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মামুন জানান, “সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসকরা একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত বাকি দুজনের চিকিৎসা চলছে। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমানউল্লাহ আমান,মাদারীপুর।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা: নিন্মমানের খাবার বিক্রির অভিযোগ 

রিপন পাল:

বাণিজ্য মেলায় নিম্নমানের খাবার বিক্রির অভিযোগ। তবে ভিড় ও দাম বেশি। মেলায় খাবারের স্টলগুলোতে ভোজনরসিকদের এতটাই ভিড় যে খেতে বসার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়। কোনো কোনো স্টলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সরবরাহের পাশাপাশি দাম বেশি রাখার অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। ঘোরাঘুরি আর কেনাকাটার পাশাপাশি খাবারের দোকানে ভিড় করছে তারা। মেলায় এসে দর্শনার্থীরা পণ্য না কিনলেও খেতে কেউ ভুল করেন না।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিভিন্ন অনিয়ম রোধে তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখায় গত কয়েক দিনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কয়েকটি খাবারের দোকানকে জরিমানা করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দোকানে অনেক ভিড়। সন্ধ্যার পর আরো বেশি ভিড়। রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকে খাবারের স্টলগুলো। বসার স্থান না পেয়ে অনেকেই দাঁড়িয়ে সেরে নেন খাওয়ার কাজ। এবারের মেলায় পুরান ঢাকার শাহি বিরিয়ানি, হাজির বিরিয়ানি, পুরাতন ঢাকার চিংড়ি ঝালফ্রাই, কস্তুরি কাবাবসহ বেশ কিছু খাবারের স্টল রয়েছে। মেলায় বিভিন্ন খাবারের মধ্যে -কাবাব, চিকেন মাসালা, বিরিয়ানি, হাঁসের মাংস, কাচ্চি, তান্দুরি চায়ের চাহিদা বেশি। এছাড়া চিকেন বিরিয়ানি, মাটন কাচ্চি, বিফ কাচ্চি, ফ্রাইড চিকেন, চিকেন শাসলিক, চিকেন চাপ, চিকেন গ্রিল, বডি কাবাব, ফালুদা, জুস, কফি, ভাত, মাছ, ডাল, সবজি, মাংস, লাচ্ছি, নুডল্স, পানীয়, মাটন হালিম, ফুসকা, চটপটি, পরটা, কাবাব ও খিচুড়ি থেকে শুরু করে থাই স্যুপের বেশ চাহিদা রয়েছে। তবে লুচি আর চিকেন চাপের চাহিদা বেশি।
অনেকেই মাটির পাত্রে স্পেশাল চা, ও তান্দুরি চা খেতে স্টলগুলোতে ভিড় জমান। প্রত্যেকেই যেন কিছু না কিছু খেতেই মেলায় এসেছেন এমনটাই মনে হয়েছে। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত খাবার দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লেগেই থাকে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার বিকেলেই খাবার শেষ হয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যার মধ্যেই আবারো খাবার তৈরি করত হচ্ছে এমনটাই জানিয়েছেন খাবারের স্টল মালিকরা।
হাজী বিরিয়ারিন খাবার সরবরাহকারী হাজী আলী আকবর বলেন, মেলায় ঘোরাঘুরি আর ছবি তোলার সঙ্গে খাওয়া যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। সে কারণে খাবারের স্টলে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। অন্যান্য খাবারের চাহিদা থাকলেও পরিবেশসম্মত দেশীয় খাবারের চাহিদাই বেশি।
পুরান ঢাকার শাহি বিরিয়ানির বিক্রয় প্রতিনিধি রবিন মিয়া বলেন, দুপুর ও রাতের খাবার হিসেবেও মেলার দর্শনার্থীরা তার দোকানে ভিড় করছেন।
সেভয় আইসক্রিমের বিক্রয় প্রতিনিধি মাইশা ইসলাম বলেন, আইসক্রিম ও ফাস্টফুড-জাতীয় খাবার শিশুদের আকৃষ্ট করছে। বিক্রিও হচ্ছে প্রচুর।
পুরাতন ঢাকার চিংড়ি ঝালফ্রাই দোকানের খাবার সরবরাহকারী আকরাম হোসেন বলেন, দাম তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় চিকেন চাপ, লুচি, রুটির চাহিদা এখানে বেশি।
কস্তুরি কাবাব রেস্টুরেন্টের বিক্রয় প্রতিনিধি লোকমান হোসেন বলেন, ভোক্তার চাহিদার কথা বিবেচনা করেই এখানে বিভিন্ন ধরণের খাবার বিক্রি করা হচ্ছে। নির্ধারিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী প্রতিদিন তাদের খাবার রসনাবিলাসীদের মধ্যে সরবরাহ করা হয়।
রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে স্বপরিবারে মেলায় ঘুরতে আসা গৃহবধূ লামিয়া আক্তার বলেন, স্টলগুলোতে খাবারের দাম বেশি। খাবারের মান ও পরিমাণ অনুযায়ী দাম আরেকটু কম হওয়া উচিত।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ব্রাক্ষণগাঁও এলাকা থেকে মেলায় আসা গৃহবধূ লাকী আক্তার বলেন, স্টলগুলোতে খাবারের বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো স্টলে মূল্যতালিকা নেই। আবার কেউ কেউ তালিকায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও খাবারের দাম বেশি রাখছেন। কেউ কেউ খাবার খেয়ে বিল দিতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন। কেউবা খাবারের পর বিলের রসিদ দিচ্ছেন না।
বাণিজ্য মেলায় অভিযান পরিচালনাকারী জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোজিনা আক্তার বলেন, খাবারের মূল্যতালিকা প্রদর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা প্রদর্শন করা না হলে কিংবা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করা কিংবা খাবারের দাম বেশি রাখা হলে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

বৃদ্ধ দম্পতিকে শ্বাসরোধে হ*ত্যার পর নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লু*ট

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় এক বৃদ্ধ দম্পতিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধানের চারা রোপণের কাজে আনা দুই অজ্ঞাত শ্রমিককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— ঘোষাখালী গ্রামের মোতাহার সিকদার ওরফে ঠান্ডু (৭৫) এবং তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৬৫)।
নিহতের নাতি শাকিল সিকদার জানান, গত রোববার ধানের চারা রোপণের জন্য শরিফ ও সুমন নামে দুইজন শ্রমিককে আনা হয়। মোতাহার সিকদারের পায়ে তীব্র ব্যথা থাকায় তারা তাকে কবিরাজি ওষুধ খেতে দেন। সোমবার রাতে শ্রমিকদের ঘরের বারান্দায় ঘুমানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং দম্পতি ঘরের ভেতরে ঘুমান।
রাতের কোনো এক সময় শ্রমিকরা টিন কেটে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে। এরপর মোতাহার সিকদার ও তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সকালে স্বজনরা তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, দুই অজ্ঞাত শ্রমিকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) একে এম মামুনুর রশিদ জানান, ধানের চারা রোপণের কাজে দুইজন শ্রমিক আনা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় ঘর থেকে কী পরিমাণ মালামাল লুট হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

নির্বাচনকালীন সময়জুড়েও চলবে ভুয়া তথ্যবিরোধী অভিযান: আইসিটি সচিব

আলোকিত প্রতিবেদক:

তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেছেন, ভুয়া তথ্য ও ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং অপসারণে সরকারের একাধিক সংস্থা সমন্বিতভাবে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। নির্বাচনকালীন সময়েও ভুয়া তথ্যবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে।

২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আইসিটি সচিব বলেন, মিসইনফরমেশন এবং ক্ষতিকর ন্যারেটিভ মোকাবিলায় একাধিক বিভাগ ও সংস্থার সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কাজ করছে। ১৫ সদস্যের একটি টিম নিয়মিতভাবে অনলাইন কনটেন্ট মনিটরিং করছে। এ ছাড়া ২১ জন প্রকৌশলী ২৪ ঘণ্টা এ কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন।

তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো সন্দেহজনক পোস্ট বা কনটেন্ট শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বিশ্লেষণ ও ফ্যাক্টচেক করা হয়। যাচাই শেষে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি (এনসিএস) কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। এনসিএস সেখান থেকে কনটেন্টগুলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে পাঠায়।

শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, বর্তমান সাইবার সেফটি অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী এনসিএস দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। বিটিআরসি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে রিপোর্ট করলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কনটেন্ট পর্যালোচনা করে। অনেক সময় বানান বা উপস্থাপনার কৌশলে নিয়ম এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ইউটিউব, টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গতকাল যেসব কনটেন্ট শনাক্ত করা হয়েছে, সেগুলোও তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করা হয়েছে। আশা করছি আজ থেকেই সেগুলো আর দেখা যাবে না।

আইসিটি সচিব জানান, ডিজিএফআই, এনএসআই ও স্পেশাল ব্র্যাঞ্চের (এসবি)ও ডেডিকেটেড ২৪ ঘণ্টার টিম রয়েছে। এসব সংস্থা সরকারের রিপোর্টের বাইরেও অনেক কনটেন্ট শনাক্ত ও রিপোর্ট করে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে একই কনটেন্ট একাধিক সংস্থা থেকে রিপোর্ট হওয়ায় দ্রুত এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন, হেট স্পিচ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী কনটেন্ট যেন সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে না পারে—এটাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভুঞা, সদস্য (বিনিয়োগ ও পার্ক সমন্বয়) ও আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল হাসান এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মহাসচিব মনিরুল ইসলামসহ আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, আইডিয়া প্রকল্প এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএমসি) শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬’।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

যশোর সদরের ইউএনও’র বিরুদ্ধ অনিয়মের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদক ঃ

যশোর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার(ইউএনও)বিরুদ্ধে কেনাকাটায় অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাঈদকে অবিলম্বে অপসারণের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের। কর্মকর্তাকে সরিয়ে না নিলে মানববন্ধন ও আন্দোলন সংগ্রামের হুশিয়ারী। উপজেলাবাসীর পক্ষে পাঠানো ওই অভিযোগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্নীতি, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, যশোর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সরকারিভাবে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দেয়া হলেও ইউএনও নিম্নমানের ও নন-গ্যারান্টিযুক্ত ক্যামেরা স্থাপন করেছেন। যা নিয়ে ইতোমধ্যে হৈ চৈ শুরু হয়েছে। ইউএনও তার কার্যালয়ের পিএ সজিব খান ও হিসাব সহকারি আকরাম হোসেনের মাধ্যমে জনৈক সনেট নামে এক সরবরাহকারীর কাছ থেকে নিম্নমানের নন গ্যারান্টিযুক্ত চায়না কোম্পানীর সিসি ক্যামেরা ক্রয় করে ক্যাশ মেমোতে বেশি দাম দেখিয়ে এখাত থেকে একটি বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাত করেছেন। তাছাড়া তিনি প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের নির্বাচন সংক্রান্ত কোন কাজে সহযোগিতা না করে তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও জানা যায়, ইউএনও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সমর্থকদের সাথে গোপনে যোগাযোগ করে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। ফলে যশোর সদর আসনে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, ইউএনও সরকারি বাসভবনে ওঠার সময় বঙ্গবন্ধু টুর্নামেন্টের তহবিলসহ বিভিন্ন খাত থেকে প্রায় ১৪/১৫ লাখ টাকা জোগাড় করে আসবাবপত্র ও বাসভবনের সাজসরঞ্জাম ক্রয় করেছেন, যার অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসবের পাশাপাশি পিঠা উৎসবসহ বিভিন্ন কর্মসূচির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করা হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি সময়ে নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাদ দিয়ে তিনি অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগে ট্রাক্টর জব্দ করে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। দু’জন ট্রাক্টর মালিকের বরাতে অভিযোগে বলা হয়, ট্রাক্টর ছাড়াতে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হয়েছে। কিন্তু ট্রাক্টরের মালিকরা তাঁর দাবি মেটাতে না পারায় দুটি গাড়িই নিলামে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অভিযোগকারী আরও বলেছেন, সদর উপজেলার বিভিন্ন অফিসের ফাইলপত্র সই-স্বাক্ষর করার ক্ষেত্রেও নানা অজুহাত দেখিয়ে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত রয়েছেন তিনি। ফলে সদর উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রমের গতি থেমে গেছে। জন্মনিবন্ধন সংশোধনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবায়ও তিনি ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করছেন না বলেও উপজেলা জুড়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এতে করে সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র সচিব, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, যশোর জেলা প্রশাসক ও দুদকের উপ-পরিচালকের কাছেও পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, যশোর সদরের বর্তমান ইউএনও সাফফাত আরা সাঈদের পূর্ববর্তী কর্মস্থল ঢাকা ধামরাইয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালেও স্বেচ্ছাচারিতা, কর্মচারিদের মাধ্যমে নামপত্তনে ঘুষ আদায়, ্অভিযানের ভয় দেখিয়ে ইটভাটা মালিকদের জিম্মি করে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়, সরকারি জমি লীজ প্রদান, সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সরকারি বেতন স্কেলের সাথে সামসঞ্জস্যহীন দামি ব্যান্ডের ঘড়ি, ব্যাগ (হার্মিস ব্র্যান্ডের), বিলাস বহুল গাড়ি ব্যবহার, উচ্চাবিলাসী জীবন-যাপনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে তার নামে ও বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে বলে জানা গেছে। ধামরাই এলাকার একাধিক সূত্র এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে অপর একটি সূত্র দাবি করেছে, তিনি ধামরাইয়ে এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিলেও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ডিগবাজি দিয়ে তিনি বিএনপি বনে যান। প্রকৃতপক্ষে তিনি ভিকারুন্নেছা নুন স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রলীগের নারী নেত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। আসলে তিনি কোন দলের লোক- এ প্রশ্ন এখন সচেতন মহলের। এসব বিষয়ে যশোর সদরের ইউএনও সাফফাত আরা সাঈদের কাছ জানতে চাইলে তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন, এ বিষয়ে আমি আপনাদের কোনো বক্তব্য দিতে পারবো না। আপনারা এখন আসতে পারেন। যদি বক্তব্য দিতেই হয় তাহলে আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট যান। আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখবেন। অভিযোগের বিষয়ে যশোরের জেলা প্রশাসক আশেক হাসান’র মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কলটি গ্রহণ না করায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন যশোর সদরের ইউএনও সাফফাত আরা সাঈদকে অসারণ না করা হলে আন্দোলনে যাবে সুশীল সমাজের বাসিন্দারা।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ভয়াবহ হেনস্তার শিকার মিমি চক্রবর্তী

বিনোদন ডেস্ক:

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং ওপার বাংলার সাবেক সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী এবার এক অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন। পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়ে ভয়াবহ হেনস্তার শিকার হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সাথে ঘটে যাওয়া শ্লীলতাহানির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মিমির সাথে এমন আচরণে সরগরম টলিউড।

জানা গেছে, বনগাঁয় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েন মিমি। ভক্তদের অতি-উৎসাহ এবং আয়োজকদের অব্যবস্থাপনায় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, মিমিকে শারীরিক লাঞ্ছনার মতো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়।

এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মিমি চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই ধরনের ব্যবহারের মুখোমুখি আগে কখনো হইনি। এটি আমার তিক্ত একটি অভিজ্ঞতা।’

ক্ষুব্ধ মিমি আরও যোগ করেন, ‘বর্তমানে দর্শকরা মনে হয় ধরে নিয়েছেন যে, মঞ্চে পারফর্ম করতে আসা শিল্পীরা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি! এই ধরনের মানসিকতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শিল্পীদের সম্মান এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আয়োজকদের দায়িত্ব।’

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই পূর্ব মেদিনীপুরে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীও একই ধরনের আপত্তিকর আচরণের শিকার হয়েছিলেন। একের পর এক তারকা শিল্পী হেনস্তার পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এখন নিরাপত্তার প্রশ্নটি বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড় ও তীব্র শীতে ১১ জন নিহত 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে টানা তুষারঝড়, বরফ-শীতল বৃষ্টি ও তীব্র শীতে এ পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ৮ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি বাড়িঘর আছে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায়।

যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে সিএনএন, এনবিসিসহ বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে—ইলিনয়েস, ওহিও, ইন্ডিয়ানা, কানসাস, নিউজার্সি, নিউইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া, মিসৌরি, ওকলাহোমা, টেক্সাস, টেনেসিসহ ১৫টি অঙ্গরাজ্যের বেশিরভাগ অঞ্চল ঢেকে গেছে পুরু তুষারে। সেই সঙ্গে ক্যারোলাইনাসহ মধ্য আটলান্টিক রাজ্যগুলোতে তুষারপাতের পাশাপাশি শুরু হয়েছে বরফশীতল বৃষ্টি।

যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া দপ্তর ইতোমধ্যে শীতকালীন সতর্কতা জারি করেছে। এই সতর্কতার আওতায় পড়েছেন দেশটির ১৮ কোটি ৫০ লাখ মানুষ।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে স্কুল এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থতিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো খোলা হবে না। সেই সঙ্গে খুব জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত জনগণকে বাড়ির বাইরে বের নাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়াগত পরিস্থিতির কারনে বিমান চলাচলও স্থগিত আছে যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ বিমানবন্দরে। দেশটির বিমান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর বরাতে জানা গেছে, গতকাল রবিবার বিভিন্ন মার্কিন বিমান বন্দরে বাতিল করা হয়েছে ১৭ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট।

করোনা মহামারির পর এই প্রথম একদিনে এত বেশিসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

সূত্র : সিএনএন, এনবিসি

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি ২০২৬/মওম