আজ সোমবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 161

ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে বিএনপির জনসমুদ্র,ঐক্যের ডাক তারেক রহমানের

সাবরিনা জাহান:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাজীপুরের ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, রাত ১১:৪৫ মিনিটে তিনি উপস্থিত হন, যদিও তার আসার কথা ছিল সন্ধ্যা ৭টায়। পথে যানজট এবং নেতাকর্মীদের ভিড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ে তিনি পৌঁছাতে পারেননি।
দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর গাজীপুরে তার এই জনসভা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। জনসমুদ্রের কারণে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
জনসভায় তারেক রহমান কর্মসংস্থান সৃষ্টির, শিল্পায়নের এবং জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হবে।
গাজীপুরকে দেশের “গার্মেন্টসের রাজধানী” উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানকার শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির মূল শক্তি। গার্মেন্টস শিল্পের পাশাপাশি নতুন রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
তিনি আরও বলেন,
“আমাদের লক্ষ্য শুধু ক্ষমতায় যাওয়া নয়, মানুষের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করা। কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ছাড়া গণতন্ত্র টেকসই হয় না।”
তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে জনগণের হারানো ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে আখ্যায়িত করে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে জনসভায় গাজীপুর জেলার পাঁচটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরাও বক্তব্য রাখেন:
গাজীপুর-১: মো. মজিবুর রহমান
গাজীপুর-২: এম. মঞ্জুরুল করিম রনি
গাজীপুর-৩: অধ্যাপক ড. এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান
গাজীপুর-৫: একেএম ফজলুল হক মিলন
জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজীপুরে এই জনসভা বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন গতি আনতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

দৃষ্টিনন্দন ও বাহারি পাটজাত পণ্য ক্রেতাদের চাহিদা

রিপন পাল:

বাণিজ্য মেলায় কম দামে দৃষ্টিনন্দন পাটজাত পণ্যের বাহারি সমাহার ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। চাহিদাও প্রচুর। দৃষ্টিনন্দন বুনন শৈলীতে নগর জীবনে জায়গা করে নিচ্ছে পাট পণ্য। কার্পেট, ব্যাগ, শতরঞ্জি, পর্দা, গয়নার বাক্স, শোপিসের পাশাপাশি পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পর্দা, ফুলদানি, চেয়ার, কুশন কাভারসহ ঘর সাজানোর নানা উপকরণও। আবহমান বাংলা ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে তৈরি সোনালি আঁশ পাটের এসব পণ্য দর্শকের দৃষ্টি কাড়ছে।
ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাটের তৈরি এসব পণ্য। যেমন পছন্দ তেমন বিক্রিও হচ্ছে প্রচুর। পাটের তৈরি এসব পণ্যের চাহিদা বেশি। দামও কম। ক্রেতারাও ভালো মানের ও টেকসই পাটের তৈরি সামগ্রী ক্রয়ে ঝুঁকছেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসির) প্যাভিলিয়নে ২০টি স্টল রয়েছে। টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও সবুজ উন্নয়নের লক্ষ্যে পাটের পণ্য ব্যবহারে ঝুঁকছে মানুষ। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পাট শিল্পের এসব স্টলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় জমে। তবে বিকাল থেকে জমজমাট হয়ে উঠে এসব স্টল।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাণিজ্য মেলার পিছনের দিকের জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসির) প্যাভিলিয়নে পাটজাত পণ্যের স্টলগুলোতে জুট পর্দা, লেডিস পার্স, ল্যাপটপ ব্যাগ, টিফিন ব্যাগ, টিস্যুবক্স, বাঁশের তৈরি টুথব্রাশ, শো-পিস, নার্সারি পট, অফিস ব্যাগ, রাইস ম্যাট, টেবিল কভার, টেবিল ম্যাট, ক্যাপ, ফ্লোর ম্যাট, লেডিস ব্যাগ, জুট অর্নামেন্ট, রুম ম্যাট, ফ্রুট বক্স, ট্রাভেল ব্যাগ, ওয়াল ম্যাট, অফিস ব্যাগ, রিং প্লান্টার, বেডশিট, স্কুল-কলেজ ব্যাগ, স্যান্ডেল, অফিস ফোল্ডার, কলমদানি, ভ্যানিটি ব্যাগ, লেডিস বটুয়া, ফেব্রিক্স, ঢোল ব্যাগ, টি ম্যাটসহ ৬০ থেকে ৭৫ ধরণের পাটের তৈরি পণ্য স্থান পেয়েছে।
১২০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা মূল্যের পাটের তৈরি পণ্যের চাহিদা বেশি। তবে বেশি দামের পণ্যের চাহিদা কম। নারকেলের ছোবা, পাখির বাসা, বাঁশের আসবাবপত্রসহ পাটের সুতা, ব্যাগ, হোগলা পাতার সংমিশ্রণে তৈরি করা পণ্যও স্টলে স্থান পেয়েছে। প্রক্রিয়াজাতকরণে পাট পণ্য তৈরি করা হয়। তাতে পাটের তৈরি পণ্যেরও ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসির) প্যাভিলিয়নে জুট ব্র্যান্ড, ক্রিয়েটিভ জুট টেক্সটাইল প্রোডাক্টস, রূপালী কুটির শিল্প, বেকি সেন্টার, ফাইন ফেয়ার ক্রাফটস, ব্যাগ বাজার, হ্যান্ডি ক্রাফটস অ্যান্ড ফ্যাশন, রুরাল উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট, বেঙ্গল ব্রেইডেড রাগস লিমিটেড, হেরিটেজ ইকো প্রোডাক্টসহ ২০টি স্টল রয়েছে।
মেশিন আর হস্তচালিত তাঁতে এসব পণ্য তৈরি হয়। পাটজাত পণ্যকে দেশে জনপ্রিয় করতে সরকার দেশের কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধ করেছে বলেও স্টলের মালিকরা জানিয়েছেন। পাট থেকে বস্তা, শাড়ি, ফ্রেব্রিক, সোফা, হ্যান্ডব্যাগ, কার্পেট, পর্দা, জুতা, শো-পিসসহ শত শত রকমের পণ্য তৈরি করা হয়। মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ, আমেরিকায়ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বেড়েছে।
ঢাকার নতুন বাজার থেকে আসা গৃহবধূ অনামিকা দাস বলেন, দৃষ্টিনন্দন পাটজাত পণ্যের বাহারি সমাহারে তিনি মুগ্ধ। হাতের তৈরি পাটের পণ্য দাম কম হওয়ায় কিনেছেন স্কুল ব্যাগ, লেডিস সাইড ব্যাগ।
গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থেকে আসা গৃহবধূ নাসিমা সুলতানা বলেন, পাটের তৈরি ঘরের শোভাবর্ধন পণ্য দেখতে সুন্দর, মসৃণ। দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের অংশ হিসেবে পাটের কিছু পণ্য ক্রয় করেছি।
মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী সিনথিয়া জাহান বলেন, পাট দিয়ে যে এতো বৈচিত্রপণ্য জিনিস তৈরি হয় সেটি তার জানা ছিল না। একটা সময় মনে করা হতো পাট দিয়ে শুধু চটের ব্যাগ তৈরি করা হয়। কিন্তু সে ধারণা এখন আর নেই। পাট দিয়েই তৈরি হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার সামগ্রী।
হ্যান্ডি ক্রাফটস অ্যান্ড ফ্যাশনের ব্যবস্থাপক হৃদয় হোসেন বলেন, প্রচলিত বয়ন শিল্পে পাটের, সুতা, পাকানো সুতা, বস্তা, চট, কারপেট, ব্যাকিং, পর্দার কাপড়, কুসন কভার পাট থেকে পাটের মিশ্রণ করা হয়।
ময়মনসিংহ থেকে আসা রুরাল উইমেন এমপাওয়ারমেন্টের নারী উদ্যোক্তা আয়েশা হামিদা বলেন, এবারের মেলায় আমাদের তিনশোর কাছাকাছি পাটজাত পণ্যের সমাহার রয়েছে। গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় ও রুচিশীল সব কিচেন পণ্য, টেবিল মেট, ব্যাগ সবই মিলছে এখানে। হাউজ ডেকোর আইটেমগুলো ক্রেতাদের নজর কাড়ছে। ক্রেতা সাধারণের বেশ আগ্রহ রয়েছে পাটপণ্যে। আমরা বেশ সাড়া পাচ্ছি।
ব্যাগ বাজার স্টলের বিক্রয় প্রতিনিধি আকলিমা ইসলাম বলেন, পাট বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল। সোনালি আঁশের সমাদৃত বিশ্বব্যাপী। মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ু অনুকূলে থাকায় বাংলাদেশে উন্নতমানের পাট উৎপাদিত হচ্ছে। সেসব পাটেই পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। বিক্রিও হচ্ছে প্রচুর।
জুট ব্র্যান্ড স্টলের বিক্রয় প্রতিনিধি জাহানারা খাতুন বলেন, বৈশ্বিক বাজারের দখলে কৌশলগত ত্রুটি, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব, অদক্ষ ও বেশি সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগে দিন দিন এ শিল্পে ভাটা পড়েছে। কিন্তু গৃহস্থালির কাজে পাটের তৈরি পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে।
রূপালী কুটির শিল্পের বিক্রয় প্রতিনিধি মাছুম আহম্মেদ বলেন, পাট ও তুলার মিশ্রণে তৈরি ব্যাগ রপ্তানি করা হচ্ছে। পাট দিয়ে শাড়ি, লুঙ্গি, খেলনা, বাহারি ব্যাগ, শো-পিস, ওয়াল ম্যাট, পাপোস, জুতা, স্যান্ডেল, শিকা, দড়ি, সুতলি, দরজা-জানালার পর্দার কাপড়, গহনা ও টিস্যুবক্সসহ -২৮৫ ধরণের পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে। মেলায় পাটের তৈরি ৬০/৭৫ ধরণের পণ্য স্থান পেয়েছে।
জারিফ এন্টারপ্রাইজের বিক্রয় প্রতিনিধি কাউসার হোসেন বলেন, পাট ও পাটপণ্য সামগ্রী বহুমুখীকরণে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করছে জেডিপিসি। এখানে স্টল নেওয়া মূলত সে কারণেই। মেলায় বেশ সাড়া পাচ্ছি।
জেডিপিসির ম্যানেজার (অপারেশন) জাফর সাদেক বলেন, পলিথিনের ভয়াবহতায় আজ পরিবেশ বিপর্যস্ত। সরকার পলিথিন বন্ধে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। পাটপণ্য দেশসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হলে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি এগিয়ে আসতে হবে। এসব পণ্য ব্যবহারের পর তা ফেলে দিলে পচে যাবে। এটা পরিবেশবান্ধব। পরিবেশবান্ধব বহুমুখী পাটপণ্য ছড়িয়ে দিতে এক হাজার ১০০ তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক এখানে মেলায় অংশ নেওয়ার জন্য আনা হয়েছে। আমাদের ২৮৮টি পাটপণ্য মেলায় আনা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ভালুকার পথে আবেগের মুহূর্ত: এক তরুণীর ‘ব্যাকুলতায়‘ থামলো তারেক রহমানের গাড়িবহর

প্রতিনিধি,ভালুকা (ময়মনসিংহ) :

ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভা শেষে মঙ্গলবার গাজীপুরে ফেরার পথে এক ব্যতিক্রমধর্মী ও আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো রাজপথ। ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকায় হঠাৎ থেমে যায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গাড়িবহর কারণ, এক তরুণীর অদম্য আকুলতা।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দূর থেকে প্রিয় নেতার এক ঝলক দেখার অপূর্ণ বাসনা পূরণ করতে সাহসী পদক্ষেপ নেন ওই তরুণী। তিনি সরাসরি বাসের সামনে এসে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলার আকুতি জানান। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে স্বয়ং তারেক রহমান বাসের দরজা খুলে তরুণীর সঙ্গে কথা বলেন।

সেই মুহূর্তে তরুণীর কণ্ঠে শোনা যায় ভবিষ্যতের দৃঢ় প্রত্যয়ের ঘোষণা। তিনি বলেন, “মানুষের সেবা করে, রাজনীতি করে, নিজের ক্ষমতায় সংসদে গিয়ে আপনার সঙ্গে দেখা করে আসবো। আমার রক্তে রাজনীতি, আমি রাজনীতি ছাড়া থাকবো না। আমার জন্য দোয়া করবেন।”

তরুণীর আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ ও রাজনৈতিক দৃঢ়তা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে। এরপর আসে মুহূর্তটির সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায়। হাতে থাকা প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি ছবি বাড়িয়ে দিয়ে অত্যন্ত বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করেন, এটা কি নেবেন?

পরম মমতায় ছবিটি গ্রহণ করেন তারেক রহমান। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি তরুণীর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া ও ধন্যবাদ জানান।

নিজের স্বপ্নের কথা জানিয়ে ওই তরুণী আরও বলেন, “আমি সমাবেশে আপনাকে দেখেছি। কিন্তু দূর থেকে দেখে আমার মন ভরেনি। তাই আমি এখন সরাসরি দেখা করতে এসেছি। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল আপনার সঙ্গে দেখা করার।”

একদিকে তারুণ্যের চোখে আগামীর স্বপ্ন, অন্যদিকে প্রিয় নেতার প্রতি নিখাদ ভালোবাসা সব মিলিয়ে ভালুকার একটি সাধারণ বিকেল পরিণত হয় এক অসাধারণ রাজনৈতিক গল্পে। তৃণমূল পর্যায়ে নেতার প্রতি মানুষের এই প্রাণের টান রাজনীতির ইতিহাসে যোগ করলো এক নতুন মাত্রা।

উল্লেখ্য, তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলা ওই তরুণী হলেন সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। তিনি ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মরহুম আব্দুল হেলিম মন্ডল (হলু)-এর নাতনি। একই সঙ্গে তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসম্পাদক ও হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আলহাজ্ব আবু সাঈদ জুয়েলের ভাতিজি এবং হবিরবাড়ী জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এবি সিদ্দিক সোহেলের একমাত্র কন্যা। রেয়ান বর্তমানে স্থানীয় সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরী হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভালুকার রাজপথে ঘটে যাওয়া এই ক্ষণিকের ঘটনা শুধু একটি ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয় বরং তা আগামী প্রজন্মের রাজনৈতিক স্বপ্ন ও নেতৃত্বের প্রতি গভীর আস্থার এক শক্তিশালী প্রতিচ্ছবি।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

সাটুরিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধ*র্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মা*মলা

মো: মহিদ:
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ১০ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ থানায় মামলা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ওই ভুক্তভোগী ছাত্রীর  বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম।
ঘটনাটি ঘটেছে গত  মঙ্গলবার সকালে উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বেংরোয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষন চেষ্টাকারী ওই ৬৫ বছরের বৃদ্ধা আব্দুল হামিদ মোল্লা একই গ্রামের বাসিন্দা । তারা পাড়াপ্রতিবেশী হিসেবে দীর্ঘ দিন যাবত বসবাস করে আসছেন। অপর দিকে ভিকটিম ওই শিশু স্থানীয় একটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এ পৈচাশিক ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর দাদী জানান, পানি খাইতে চাইলে আমার নাতনি গ্লাসে করে ওই লম্পট  হামিদ মোল্লার কাছে পানি নিয়ে গেলে  হাত ধরে টান দিয়ে দরজা আটকিয়ে নাতিকে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। আমরা ওই লম্পট এর দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ চেষ্টা মামলা করেছেন।  ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে । আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

দেবিদ্বারে এনসিপির নির্বাচনী পথসভা: ‘হ্যাঁ’ ভোট সফল করার আহ্বান,সজীব ভুঁইয়ার  

নাজমুল হাসান:

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নির্বাচনী পদযাত্রার অংশ হিসেবে আজ সকাল ১১টায় কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাহমানিয়া সুপার মার্কেটের সামনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপদেষ্টা এবং এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
পথসভায় তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে দেবিদ্বারে প্রচারণায় বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোট দিতে হবে। ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িত রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠী আবার ক্ষমতায় গেলে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে এবং জনগণের অধিকার আবারও হরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী, ১১ দলীয় জোটের সমর্থিত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহকে বিজয়ী করে সংসদে পাঠালে তিনি দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলার সুযোগ পাবেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তারা মিথ্যাচার করছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। তিনি অভিযোগ করেন, তারা চারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এদেরকে ভোট দিলে আবারও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হবে এবং জনগণ অধিকার আদায় থেকে বঞ্চিত হবে।

‘হ্যাঁ’ ভোটের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে এই ঘোষণা—জুলাই আর গোপনে উল্টে দেওয়া যাবে না। ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে বাংলাদেশ আর কখনো স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে আপস করবে না—সে ঘরোয়া হোক বা বিদেশি সহায়তাপুষ্ট।

বক্তব্যে জামায়াত ও এনসিপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা বলেন, বাংলাদেশ আজ আবার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে। একটি ভুল সিদ্ধান্ত জাতিকে দশক পিছিয়ে দিতে পারে, আর একটি সঠিক সিদ্ধান্ত প্রজন্মের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। ১২ ফেব্রুয়ারি কোনো সাধারণ নির্বাচনের দিন নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের স্মৃতি ও বিস্মৃতির মধ্যে বেছে নেওয়ার দিন। ভোটের অধিকার হরণ, বিরোধী কণ্ঠ রুদ্ধ করা এবং রাষ্ট্রকে দলীয় সম্পত্তিতে পরিণত করার বিরুদ্ধে জনগণ আন্দোলনে নেমেছিল। সেই আন্দোলনের মূল্য ছিল রক্ত, জীবন ও ভবিষ্যৎ। এই আত্মত্যাগ শুধু স্মরণ করার জন্য নয়, রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য। গণভোট সেই নির্মাণেরই নাম।

পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সংসদে শোকপ্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সম্প্রতি লোকান্তরিত বিএনপির চেয়ারপারসন এবং বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মরনোত্তর শ্রদ্ধা জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের পার্লামেন্ট। আজ বুধবার বাজেট সেশনের প্রথম দিনে ভারতীয় পার্লামেন্টের উভয়কক্ষ লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।

গত ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রাহ্মনিয়াম জয়শঙ্কর। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত শোকবার্তা খালেদার সন্তান এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে হস্তান্তর করতেই ঢাকায় এসেছিলেন তিনি।

এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী বুধবার বাজেট সেশন শুরুর প্রথম দিন উভয় কক্ষের সদস্যদের একটি যৌথ অধিবেশন বসবে। সেখানে ভাষণ দেবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজকের অধিবেশনেই বিএনপি চেয়ার পারসন খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক এমপি এল গনেশন এবং এমপি সুরেশ কালমাদির প্রতি শোক ও শ্রদ্ধা জানানো হবে।

আগামী ৬৫ দিন ভারতের পার্লামেন্টের উভয়কক্ষে ৩০টি অধিবেশন হবে। তারপর ২ এপ্রিল শেষ হবে বাজেট অধিবেশন।

সূত্র : এএনআই

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

ইন্টারনেট বন্ধ করার কারণেই মহাশক্তিশালী সরকারের পতন ঘটেছে: প্রধান উপদেষ্টা

আলোকিত প্রতিবেদক:

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস। ২৮ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের রাজনীতিতে জুলাই আন্দোলন যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিল, তেমনই ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার উন্মোচন করবে। জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে। জুলাই অভুত্থ্যানে ইন্টারনেট বন্ধ করার পর যে বিক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তার কারণেই মহাশক্তিশালী এক সরকারের পতন ঘটেছিল।

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল খাতই বর্তমানে মূল খাত। কারণ এটি থেকেই পরিবর্তন আসবে। এ খাত থেকেই অন্যান্য সব খাত প্রভাবিত হবে।’

নাগরিক সেবার ডিজিটাইলেশন কাগজে কলমে হলেও আদতে বাস্তবায়ন হয়নি উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘সরকার শুধু এক ধরনের সিস্টেম তৈরি করে জনগণের হাতে ছেড়ে দেবে। জনগণ নিজেদের মতো করে তা ব্যবহার করবে। এটিই তথ্য প্রযুক্তির শক্তি।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে তিনি বলেন, ‘পাহাড়ের তিন জেলায় থাকা আড়াই হাজার স্কুলের মধ্যে মাত্র ১২টি স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হয়েছিল। যে স্কুলে শিক্ষক নেই, ইন্টারনেটই সে স্কুলের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে পারবে।’

সবার জন্য চাকরি নিশ্চিতের ধারণা একটি ভুল জিনিস উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এটি একটি দাস প্রথার শামিল। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সরকারকে সহায়তা করতে হবে।’

সরকারি কর্মকর্তাদের পাঁচ বছরের বেশি সরকারি চাকরি করা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘তাহলে তার মাইন্ড সেট হয়ে যায়। সৃজনশীলতা নষ্ট হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ বছর পর পর নতুন করে শুরু করা উচিত। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ্য পরিবর্তন হলেও মানুষরা সেই প্রতিষ্ঠানে পুরোনো ধ্যান ধারণা নিয়ে বসে রয়েছে।’

জালিয়াতি প্রথা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশ জালিয়াতিতে সেরা হয়েছে। এতে বিদেশে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমাদেরকে প্রযুক্তিতে ভালো করতে হলে এই জালিয়াতি বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশকে নিয়ে আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই।’

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

মানিকগঞ্জে ‘অনলাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি’র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি সাইফুল্লাহ, সম্পাদক শাহীন

মো: মহিদ:

মানিকগঞ্জে বস্তুনিষ্ঠ ও আধুনিক স্মার্ট সাংবাদিকতার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করলো ‘অনলাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি’। জেলায় কর্মরত মূলধারার গণমাধ্যমের অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের সমন্বয়ে এই নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা শহরের এনপিআই মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ এস এম সাইফুল্লাহ’কে (দেশের কণ্ঠ/কিউ টিভি) সভাপতি এবং শাহীন তারেক’কে (ইনকিলাব/দিগন্ত টিভি) সাধারণ সম্পাদক করে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন রিপন আনছারী (মানবজমিন/জিটিভি), জাহিদুল হক চন্দন (দিপ্তটিভি/রাইজিং বিডি), লুৎফর রহমান (দৈনিক সংবাদ), মোঃ শাহ আলম (আমার বার্তা) এবং সোহেল রানা খান (সিএনআই)। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আজিজুল হাকিম (মাইটিভি/দৈনিক বাংলা) ও জ ই আকাশ (কালবেলা) এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মোঃ হাসান শিকদার (গণকণ্ঠ/আজকের বাংলা) দায়িত্ব পালন করবেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আকমল হোসেন (অগ্নিবিন্দু), মোঃ সোহেল হোসেন (ঢাকা পোষ্ট) ও আমিনুর ইসলাম (দৈনিক তৃতীয় মাত্রা) এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাকিব হোসেন (দৈনিক বর্তমান) ও মোহসিন মোহাম্মদ মাতৃক(এশিয়ান মিরর) মনোনীত হয়েছেন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় পদগুলোতে রয়েছেন দপ্তর সম্পাদক খাব্বাব হোসেন ত্বহা (ইনকিলাব), কোষাধ্যক্ষ মোঃ সেলিম মিয়া (কালবেলা), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আল আমিন রোহেল (রুপসী বাংলা টিভি), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোমিনুর রহমান সালেহী (অন্য দিগন্ত/নগর টিভি- মানিকগঞ্জ), সহ-প্রচার সম্পাদক দীপক সূত্রধর (এনপিবি নিউজ), ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আশিকুর রহমান (নয়া দিগন্ত) এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল হাসান জুবায়ের (সকালের শিরোনাম)। সংগঠনের নীতিনির্ধারণী সহায়তায় কার্যকরী সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন আমিনুর রহমান অঞ্জন (গণচেতনা), আব্দুর রাজ্জাক (আজকের পত্রিকা/স্বদেশের কণ্ঠ), খন্দকার সুজন হোসেন (তারুণ্যের কথা), মাসউদুর রহমান (দৈনিক সংগ্রাম/জবাবদিহি), সায়েম খান (বার্তা ২৪/একুশে সংবাদ), মোঃ সেলিম মোল্লা (সত্যের কণ্ঠ/আলোকিত দৈনিক) এবং মোঃ মহিদ (আলোকিত প্রতিদিন)। নবনিযুক্ত নেতৃবৃন্দ জানান, বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন সাংবাদিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মানিকগঞ্জের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অপসাংবাদিকতা রোধে এই ইউনিটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। নবগঠিত এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো মানিকগঞ্জে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কর্মরত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করা, পেশাগত মান উন্নয়ন এবং তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা। এসময়, অতি দ্রুতই এই সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

টঙ্গীতে খাস পুকুর ভরাটে অভিযান: ১ লাখ টাকা জরিমানা

জাহিদুর রহমান বকুল:

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন আউচপাড়া এলাকার মোল্লার বাড়ি নামক স্থানে খাস পুকুর ভরাটের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। ২৬ জানুয়ারি সোমবার টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোজাহেরুল হক এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে পাইলিংয়ের কাদা-মাটি ও নির্মাণ বর্জ্য ফেলে পার্শ্ববর্তী খাস পুকুর ভরাটের মাধ্যমে জলাধার বিলুপ্ত এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে একজন ব্যক্তিকে ১ (এক) লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকা দিয়ে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করার অঙ্গীকার করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জলাধার রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া একই অভিযানে বেকারি পণ্যের সঠিক মান নিয়ন্ত্রণ ও ওজন পরিমাপের সঠিকতা না থাকায় একটি বেকারির ম্যানেজারকে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করে আদায় করা হয়। এসময় বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, গাজীপুর এর পরিদর্শক (মেট্রোলজি)
আফসানা ইসলাম কেয়া উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জানুয়ারি ২০২৬/মওম

টাঙ্গাইল সদর আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু অনেক এগিয়ে

 রহমান উজ্জল:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের মতো টাঙ্গাইল সদর আসনেও চলছে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। ঢাকার সন্নিকটে ইতিহাস- ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ একটি জেলা হলেও টাঙ্গাইলের সব কিছু মূলত মুখ থুবড়ে পড়ে একজন উপযুক্ত নেতার অভাবে। টাঙ্গাইলে উন্নয়নের নামে যা হয়েছে, তা মূলত ফাঁপা গল্প ছাড়া আর কিছু নয়। ফ্যাসিস্ট আমলে রাজনৈতিকভাবে ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপিকে অন্য একটি আসনের এমপির হাতে চড় খেতেও দেখা যায়।

টাঙ্গাইল সদরের পশ্চাৎপদ চরাঞ্চলসহ টাংগাইল সদরের ব্যাপক উন্নয়নের সূচনা হয় মূলত বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ( অবঃ) মাহমুদুল হাসানের হাত ধরে। টাঙ্গাইলের অসংখ্য রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ এই কর্মবীরের অমর কীর্তি। শেষ জীবনে বার্ধক্যের কারণে মাহমুদ নগর ব্রিজ এবং যমুনার ভাঙ্গন থেকে চরবাসীকে রক্ষা করতে একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ না করতে পারার আফসোস ছিল তার সব সময়।

ত্রয়োদশ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল সদর আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে নমিনেশন প্রার্থী ছিলো অন্তত ৫-৬ জন । এর মধ্যে সক্রিয় ছিলেন বিএনপি নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ,টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল , জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইদুল হক ছাদু , জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল , বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন মন্ত্রী আব্দুর রহমানের নাতি প্লেটো প্রমূখ । এরমধ্যে বিএনপি হাই কমান্ড সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিলে জেলা বিএনপির সেক্রেটারি এডঃ ফরহাদ ইকবাল ব্যতীত অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা দলীয় নির্দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে কাজ শুরু করেন। অন্যদিকে দলীয় নির্দেশনা অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল ।

দীর্ঘদিন যাবত টাঙ্গাইলবাসী ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলাবাসী একজন বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রয়োজন অনুভব করছিল। বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যেন সেই অভাব পূরণ করেন। প্রথম দিকে বিদ্রোহী প্রার্থীর দিকে দুই একজন থাকলেও মার্কা ঘোষণার পর এখন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি ও সদর উপজেলা বিএনপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সাথে একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে। দীর্ঘদিন পর টাঙ্গাইল সদর আসনে জয় পেতে বিএনপি এখন মরিয়া । জামায়াতে ইসলাম কখনোই টাঙ্গাইল সদর আসনে জয় পাওয়ার মত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি । এছাড়া ইসলামী আন্দোলনসহ অন্যান্য প্রার্থীরা মাঠে থাকলেও তাদের ভোটার সংখ্যা সীমিত ।

মূলত সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর আইকনিক নেতৃত্ব, কর্মদক্ষতা এবং জনগণের সঙ্গে বিনয়ী সদাচরণ তাকে ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। খুনি হাসিনার বিগত ১৭ বছরের আমলে সালাম পিন্টু- টুকু পরিবারের উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে- ভোটারদের অনেকেই এখন বিষয়টিকে মূল্যায়ন করছেন। তাছাড়া ভোটারদের বড় একটা অংশ মনে করেন, যমুনার বেড়িবাঁধসহ টাঙ্গাইলের বড় বড় কাজগুলো একমাত্র সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষেই করা সম্ভব।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের ভোটারদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে যমুনার ভাঙ্গন কবলিত কাকুয়া ইউনিয়নের মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, চরের মানুষ এখন আর চাইল- ডাইল চায়না । বর্ষাকালে আমরা নদীর ভাঙ্গনের ডরে রাইতে ঘুমাইতে পারি না । এবার ধানের শীষরে বিজয়ী কইরা এলাকার জন্য একটা বাঁধ চামু ।

সিলিমপুর ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কৃষক বলেন, আগে ফরহাদ ইকবালের সাথে আছিলাম। চিন্তা কইরা দেখলাম, সারা জীবন ধানের শীষ করছি ।এখন আর তাই বেইমানি করতে পারুম না । ভোটটা ধানের শীষেই দিমু ।

করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া বাজারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী বলেন, বিগত ১৭ বছর মনে হতো নরকে বাস করছি। সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ভোট দিয়ে এবার একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল চাই।

টাঙ্গাইল পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু একজন শিক্ষিত ও চৌকস মানুষ । এবার মানুষ সঠিক জায়গাতেই সিল মারবে ।

তরুণ প্রজন্মের একজন নতুন ভোটার তাসনিম বলেন , টুকু ভাই আমাদের ক্রীড়া অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করেছিলেন। হাসিখুশি একজন মানুষ। উনাকে ভালো লেগেছে। আমার প্রথম ভোটটা উনাকেই দিতে চাই ।

টাঙ্গাইল সদর আসনে নির্বাচন ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সম্পর্কে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী বলেন, যোগ্যতার মাপকাঠিতে সে অনেক বড় নেতা। তার ধারে কাছে কেউ নেই। টাঙ্গাইল সদর আসনে উন্নয়ন করতে চাইলে, বিশেষ করে যমুনা নদীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হলে দেশনায়কের সাথে সম্পর্ক আছে- এমন একজন মানুষের প্রয়োজন। তাই টাংগাইল সদর উপজেলাবাসী এখন ঐক্যবদ্ধ। ঐক্যবদ্ধ সদরবাসী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু তথা ধানের শীষকে বিজয়ী করতে বদ্ধপরিকর।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বলেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ধানের শীষের প্রার্থী ।একজন জাতীয় নেতা হলেও নির্বাচন উপলক্ষে উনি অস্বাভাবিক পরিশ্রম করেছেন ।ভোটাররাও উনার ডাকে সাড়া দিচ্ছেন। টাঙ্গাইলের সব বয়সী ভোটারদের মধ্যে ইতিমধ্যেই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সম্পর্কে ব্যাপক ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে । আশা করি , উনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং টাঙ্গাইল সদর আসনে দল থেকে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, আসন্ন নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর আসনে আমিও একজন দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু দল মূলত সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে অধিকতর যোগ্য মনে করে তাকে ধানের শীষের প্রতীক দিয়েছেন। আমি দলীয় আনুগত্য মেনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে নির্বাচন করছি। টাঙ্গাইলের প্রতিটি আসনে আমি ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছি । জেলা বিএনপির আহবায়ক হিসেবে প্রতিটি জাতীয়তাবাদী ভাই- বোনকে বলবো, আমরা বহুদিন পর একটি নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছি। তাই প্রার্থী নয় -দলের পক্ষে কাজ করুন । ধানের শীষে ভোট দিয়ে দলকে বিজয়ী করুন ।

আসন্ন নির্বাচন এবং নিজস্ব ভাবনা সম্পর্কে জানতে চেয়ে বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র মুখোমুখি হলে তিনি বলেন , আসলে আমি চাইলে হয়তো অন্য কোথায়ও প্রার্থী হতে পারতাম। কিন্তু আমি আমার সক্ষমতাটুকু টাংগাইলবাসীকে দিতে চেয়েছি । আমি নিজে ঘুরে ঘুরে টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকাগুলি দেখেছি। সেখানে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দেখে মনে হয়, আমরা যেন আফ্রিকার কোন দরিদ্র দেশে বাস করছি । রাস্তাঘাট নাই, খাবার নাই ,এক কাপড় পরেই পার করছে দিনের পর দিন। এক কথায় বলতে গেলে, হতদরিদ্র মানুষগুলো ন্যূনতম নাগরিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত । চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কার্যকরী অর্থনৈতিক পদক্ষেপ এবং চরবাসীর প্রাণের দাবি একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ অতীব জরুরী । এক সময়ের শিক্ষা নগরী ,সংস্কৃতি নগরী টাঙ্গাইল শহরের অবস্থা এখন যাচ্ছেতাই। রাস্তাঘাট, খেলার মাঠ, খাল, ডোবা-নালা সবকিছুই দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে শুধু মার্কেট আর দোকানপাট। যানজট, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ,মাদক, কিশোর গ্যাং – এর মত সমস্যায় শহরবাসীর একেবারেই নাকাল অবস্থা। ইনশাআল্লাহ ,আমি যদি সফল হতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইল হবে একটি আদর্শ ও নিরাপদ নগরী। আমার এই চলার পথে হয়তো মানুষ হিসাবে আমারও কখনো ভুল হতে পারে । তখন আপনারা তা অবশ্যই শুধরে দিবেন। আর আমার জন্য আপনারা দোয়া করবেন সবাই।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জানুয়ারি ২০২৬/মওম