আজ সোমবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 157

অনিয়ম দূর্নীতিতে চলছে বিটিসিএলের পদায়ন ও নিয়োগ বাণিজ্য 

এমএইচ চৌধুরীঃ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এ সিনিয়রিটির গ্রেডেশন উপেক্ষা করে ১৭
জন ব্যবস্থাপক’কে ৬ষ্ঠ থেকে ৫ম গ্রেডে বিশেষ বিবেচনায় পদোন্নতি দেওয়ার প্রচেষ্টায় একাধিকবার ব্যর্থ হলেও থেমে নেই দূর্নীতিবাজদের কার্যক্রম। কখনো অবৈধ পদায়ন বাণিজ্য, আবার কখনো পদ হীন নিয়োগ বাণিজ্য।
পর্ষদের সিদ্ধান্ত, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারির লিখিত নির্দেশনা এবং কর্মকর্তাদের প্রতিবাদ উপেক্ষা করেই একটি প্রভাবশালী মহল একই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত মে ২০২৫-এ অনুষ্ঠিত বিটিসিএলের ২৩৪ তম পর্ষদ সভায় ১৭ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ বিবেচনায় পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কর্মকর্তাদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে ২৩৫ তম পর্ষদ সভায় সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সভায় ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে পদোন্নতির তফসিলে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে সিনিয়রিটির গ্রেডেশন বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয় কর্মকর্তাদের। ২৩৫ তম পর্ষদ সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়ব উপস্থিত ছিলেন এবং উদ্ভুত পরিস্থিতির সুষ্ঠু সমাধানে তিনি লিখিতভাবে নির্দেশনা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এসব স্পষ্ট নির্দেশনার পরেও ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন মাসুদ (পরিচিতি-২২০০) এবং বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মামুনুর রশীদ’সহ একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী ফের ঐ ১৭ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ সুবিধা দিতে তৎপর হয়ে উঠেন।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারির দপ্তরে সংযুক্তিতে কর্মরত মোঃ আনোয়ার পারভেজ এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে দাবি করছেন একাধিক সূত্র। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারির নাম ব্যবহার করে বিটিসিএলের ওপর প্রভাব বিস্তার করে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে পদোন্নতি, শূন্যপদ তৈরি না-হওয়ার আগেই বিটিসিএল -এ অগ্রিম লোকবল নিয়োগ করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ প্রভাবসহ একাধিক দূর্নীতি রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ফ্যাসিস্ট আমলে বিসিএস টেলিকম সমিতির সভাপতি ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন মাসুদ’কে গুরুত্বপূর্ণ আইপি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) করার পেছনে এবং ফ্যাসিস্ট আমলে ডিএমডি (এমঅ্যান্ডও) পদ পাওয়া মোঃ মামুনুর রশীদ’কে পরবর্তীতে বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মোঃ আনোয়ার পারভেজ বিভিন্ন জায়গায় সুপারিশ ও প্রভাব খাটান, ফয়েজ তৈয়বের অগোচরে।
তথ্যসুত্রে জানা যায় আনোয়ার পারভেজের প্রভাব বিস্তারের এই বিষয়গুলো প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারির দৃষ্টিগোচর হলে তিনি ব্যবস্থা নেন এবং মোঃ আনোয়ার পারভেজকে বিশেষ সহকারির দপ্তর থেকে প্রত্যাহার করে পুনরায় বিটিসিএলে ফেরত পাঠানো হয়।
ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন মাসুদের বিরুদ্ধে নিজের ভাগ্নি জামাই সাদিকুর রহমান মাবুদ’কে সুবিধা দিতে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে। জনশ্রুতি অনুযায়ী,সাদিকুর রহমান মাবুদ রাজশাহীর প্রাক্তন মেয়র খাইরুজ্জামান লিটনের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি এবং সেই রাজনৈতিক পরিচয়ের সূত্রে রাজশাহী বিটিসিএলে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।
বর্তমানে ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন মাসুদ (পরিচিতি নং ২২০০) বিটিসিএলের আইপি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক,অতিরিক্ত দায়িত্বে সিজিএম (প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট), এবং সিজিএম (বৈদেশিক টেলিকম অঞ্চল) পদে রয়েছেন। একই ব্যক্তির হাতে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্ব কেন্দ্রীভূত হওয়া স্বার্থের দ্বন্দ্বের স্পষ্ট উদাহরণ।
পারিবারিক প্রভাব বিস্তারের ঘটনা ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন মাসুদ এর জন্য নতুন নয়। মাসুদের এমন একচ্ছত্র আধিপত্যের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবকে দায়ী করছেন অনেকেই। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে তাঁর আপন বড় ভাই মোঃ মনোয়ার হোসেন ২০০৮ সাল থেকে টানা ৯ বছর বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।

১৭ জন পদোন্নতি প্রত্যাশীদের অপর একজন জয়ীতা সেন রিম্পি’র, সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি মতে, তাঁর নামে রয়েছে একাধিক মামলা,। ২০২৫ সালের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) বিষয়গুলো যথাযথভাবে আমলে না নিয়েই তাকে পদোন্নতির তালিকায় রাখা হয়েছে।

২০২২ সালে পূর্ববর্তী সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের আস্থাভাজন তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড.রফিকুল মতিন তফসিল বহির্ভূত একটি পরীক্ষা আয়োজনের মাধ্যমে ১৭ জন কর্মকর্তাকে নিয়ম বহিঃর্ভূত পদোন্নতি দেন। অভিযোগ রয়েছে, এই নিয়োগে তখনকার কোম্পানি সচিব ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন মাসুদও জড়িত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতেই বর্তমান ১৭ জন কর্মকর্তাকে একই কূটকৌশলে পদোন্নতি দিতে মরিয়া হয়ে উঠেন এই চক্রটি।
পর্ষদের সিদ্ধান্ত, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারির লিখিত নির্দেশনা এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ-সবকিছু উপেক্ষা করে দূর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের ১৭ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলতে থাকে, তা হবে বিটিসিএলের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার অঙ্গীকারের সঙ্গে সম্সপূর্ণ বিরোধী কর্মকাণ্ড।
চলমান……..১ম পর্ব
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নান্দাইলে যুব সমাজের উদ্যোগে মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

তৌহিদুল ইসলাম সরকার, ময়মনসিংহের-নান্দাইল উপজেলা জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে- “দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর যুব সমাজের উদ্যোগে মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট” এর ফাইনাল খেলা-২০২৬ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০১ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) সকাল ১১টায় হাজী মো. জিন্নত আলী’র সভাপতিত্বে: দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর মাদ্রাসা বাজারের উত্তর পাশে মেগা ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিনি ফাইনাল টুর্নামেন্ট খেলায় অংশ নেন-নান্দাইলের দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর বিশ্ব একাদশ টুর্নামেন্ট বনাম-হোসেনপুরে’র কেচুরিয়া একাদশ টুর্নামেন্ট। দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর বিশ্ব একাদশ দলীয় ক্রোর-১২ ওভারে ৮ ইউকেট হারিয়ে ৮৯ রানে জয়লাভ করে এবং কেচুরিয়া একাদশ টুর্নামেন্ট-১২ ওভার খেলা শেষে ৬ ইউকেট হারিয়ে ৬৪ রান করে পরাজয় বরণ করে। খেলায় আম্পায়ার এর দায়িত্ব পালন করবেন- আজিজুল ইসলাম মন্ডল, জীবন আহম্মেদ, শেখর চক্রবর্তী। ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন-আরাবুল চৌধুরী, রাজু মাইকিং নিউজ, শহিদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জাহাঙ্গিরপুর ইউপি সদস্য মোস্তাক মেম্বার (৬নং ওয়ার্ড), সোহরাব মেম্বার (৫নং ওয়ার্ড), ডা. সাইফুল ইসলাম (লিটন), আলমগীর হোসেন। বিশ্ব একাদশ বনাম,কেচুরিয়া টাইগার ক্লাব, স্কোর বোর্ড-এর দায়িত্বে ছিলেন- মো. রুবেল হোসেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক- তৌহিদুল ইসলাম সরকার, পরিচালনায় ছিলেন- জহির রায়হান, শামিম হোসেন, শাহাদাত হোসেন সোহাগ, শাকিল আহমেদ, মিজানুর রহমান বিজয়, রফিকুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, মোস্তফা মিয়া, আহাদুল ইসলাম, রহমত উল্লাহ। এ সময় খেলার মাঠে স্থানীয় লোকজন ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত হাজারো দর্শক আনন্দ ঘন পরিবেশে চলমান-যুব উদ্যোগের মিনি টুর্নামেন্ট-২০২৬ ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করেন। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন-খেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি: হাজী জিন্নত আলী সহ কমিটির নেতৃবৃন্দ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে মানিকগঞ্জে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জ:

গণভোটের প্রচার জোরদার ও ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে মানিকগঞ্জে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি  শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব মোঃ মহসিন মৃধা। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রবিন শীষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মোফাখখারুল ইসলাম, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুর হোসেন। সম্মেলনে বক্তারা বলেন, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইমাম ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদের খুতবা ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে ভোটারদের সঠিক তথ্য জানানো এবং ভোট প্রদানে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান তারা। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দোয়া পরিচালনা করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম। সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইমাম, খতিব ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাব*ন্দি ম*রদেহ উদ্ধার:আ*টক ২

‎সাইফুল ইসলাম সবুজ:

‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নিখোঁজের সাত দিন পর মারিয়া মিম (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

০১ ফেব্রুয়াবি রবিবার সকালে যদুনাথপুর বারইপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিউল ইসলাম রাফি এবং সুমন নামে দুই তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত রাফি (২২) রহিম মিয়া পুত্র ও সুমন (৩০) ময়ান মিয়ার ছেলে। তাদের বাড়ী একই এলাকায়। আটকৃত সুমন (৩০) বিবাহিত ও কয়েক সন্তানের পিতা!
‎পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিন ধরে শিশু মারিয়া নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে নিখোঁজ শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ধনাবড়ী থানায় জিডি করেন।
‎আজ ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় কয়েকজন পথচারীরা নান্নু মিয়া দপ্তরীর একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পান। তারা পুলিশ কে খবর দেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
‎পরে নিহত শিশু মারিয়ার পিতা উজ্জল মিয়া ও মাতা জবেদা বেগম তার মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন।
‎যদিও নান্নু দপ্তরী বাড়ীটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন পরে আছে, তিনি অনেক আগেই মারা গেছেন। তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে থাকেন না বলে প্রতিবেশীরা জানান।
‎মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।
‎তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
‎‎নিহত মারিয়ার খালাত ভাই মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের সাথে আলাপ কালে তিনি অভিযোগ করেন, তার বোনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, এই ঘটনার সাথে শুধু আটক সুমন ও রাফি নয়, আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে? আমি আমার বোন হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই। নিহত শিশুর মা জবেদা বেগম মেয়ের লাশের পাশে বার-বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। তিনি সন্তান হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবী করেন।
‎ধনবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করছে পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত তা শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মারিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য থানা ভেতর ভ্যানে রাখা ছিল।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

পবিত্র রমজান মাস কবে শুরু হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চাঁদ দেখার মানদণ্ড এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ১৪৪৭ হিজরির রমজান মাস শুরুর চাঁদ ১৭ ফেব্রুয়ারি আরব কিংবা ইসলামি বিশ্বের কোনও স্থান থেকে দেখা যাবে না।

আবুধাবিভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের (আইএসি) পরিচালক প্রকৌশলী মুহাম্মদ শকত ওদেহ বলেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার আরব ও ইসলামি বিশ্বের সব অঞ্চল থেকেই—খালি চোখে, টেলিস্কোপে কিংবা উচ্চক্ষমতার জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করেও চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব কিংবা সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে যেসব দেশ নিশ্চিতভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে, সেসব দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারিকে (বুধবার) শাবান মাসের ৩০তম ও শেষ দিন হিসেবে ধরা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ এসব দেশে ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চাঁদ দেখার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে প্রকৌশলী ওদেহ বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইসলামি বিশ্বের পূর্বাঞ্চলে সূর্যের আগে অস্ত যাবে চাঁদ। এছাড়া মধ্যাঞ্চলে সূর্যের সঙ্গে একই সময়ে অস্ত যাবে এবং পশ্চিমাঞ্চলে সূর্যাস্তের কয়েক মিনিট পর অস্ত যাবে চাঁদ। এই স্বল্প সময় চাঁদের সংযোগ থেকে দৃশ্যমান অর্ধচন্দ্রে রূপান্তরের জন্য যথেষ্ট নয়।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাঁদের নিচের প্রান্ত সূর্যাস্তের এক মিনিট আগে অস্ত যাবে। আর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে চাঁদ সূর্যাস্তের ৪২ সেকেন্ড আগে অস্ত যাবে। আর সৌদি আরবের তাবুক অঞ্চলে—যেখানে মাসটিতে চাঁদের অবস্থান তুলনামূলক দীর্ঘ হবে; সেখানে সূর্যাস্তের ঠিক সময়ে অস্ত যাবে চাঁদ; তখন চাঁদের পৃষ্ঠের বয়স হবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট এবং সূর্যের সঙ্গে কৌণিক দূরত্ব হবে মাত্র এক ডিগ্রি।

কায়রোতে চাঁদ সূর্যাস্তের দুই মিনিট পর এবং আলজেরিয়ায় ছয় মিনিট পর অস্ত যাবে। এই সামান্য বিলম্ব সত্ত্বেও জ্যোতির্বিদরা নিশ্চিত করেছেন, ওই অঞ্চলের কোনও স্থান থেকেই অর্ধচন্দ্র দেখা যাবে না।

 সূর্যগ্রহণের কারণে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব:
জ্যোতিবিজ্ঞানিরা বলেছেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নেই। ওই দিন বিকেলে একটি বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে; যা দক্ষিণ আফ্রিকা ও অ্যান্টার্কটিকার কিছু অংশ থেকে দেখা যাবে। এই সূর্যগ্রহণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অংশে সূর্যাস্তের সময়ের সঙ্গে সমানুপাতিক হবে, যা একটি দৃশ্যমান সংযোগের ইঙ্গিত দেয়। এতে ওই সময়ে বা পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় চাঁদ অর্ধচন্দ্র হিসেবে দেখা সম্ভব নয়।

ভুল চাঁদ দেখার দাবির বিষয়ে সতর্কতা:
প্রকৌশলী ওদেহ সতর্ক করে দিয় বলেছেন, সেদিন চাঁদ দেখা সংক্রান্ত যে কোনও ভুল তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনও প্রতিবেদন এলে তা নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করবে যে, কিছু ব্যক্তি আকাশে অনুপস্থিত চাঁদকে ভুল করে দেখেছেন বলে মনে করতে পারেন।

অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, বহু ইসলামি আইনবিদ ও জ্যোতির্বিদ মনে করেন, যেসব অঞ্চলে চাঁদ সূর্যের আগে বা একই সময়ে অস্ত যায়, সেখানে ১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্তের পর চাঁদ খোঁজার কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ ওই সময়ে আকাশে চাঁদ দৃশ্যমান থাকে না। ফলে এসব অঞ্চল থেকে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব।

বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইরান, মরক্কো, মৌরিতানিয়া এবং আফ্রিকার কিছু দেশে শাবান মাসের ২৯তম দিন হিসেবে ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। এসব দেশে চাঁদ দেখা এবং সেদিনের আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে রমজানের প্রথম দিন ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার হতে পারে।

রমজান শুরু হবে কবে:
সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং অধিকাংশ আরব দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী ১৯ ফেব্রুয়ারি রমজানের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মরক্কো, মৌরিতানিয়া এবং আফ্রিকার কিছু অংশসহ কয়েকটি দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখা যেতে পারে। আবহাওয়া ও স্থানীয় মানদণ্ডের ওপর নির্ভর করে এসব দেশে রমজান শুরু হতে পারে ১৯ অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি।

সূত্র: খালিজ টাইমস।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

শেরপুরে নিহত রেজাউল করিমের সন্তানকে কোলে নিয়ে পরিবারকে সান্ত্বনা দিলেন ডা.শফিকুর রহমান

মামুনুর রহমান:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি শহীদ হাফেজ মাওলানা রেজাউল করিমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান। ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ১০টায় শহীদের বাসভবনে গিয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের ধৈর্য ধারণের পরামর্শ দেন।

সকাল ৯টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ব্যক্তিগত হেলিকপ্টারযোগে শেরপুর পৌঁছান আমীরে জামায়াত। সেখান থেকে সরাসরি তিনি শহীদ রেজাউল করিমের বাড়িতে যান।

সাক্ষাৎকালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। আমীরে জামায়াত শহীদের তিন বছর বয়সী শিশু কন্যাকে কোলে তুলে নিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এই ত্যাগ বৃথা যাবে না।

পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে ডা. শফিকুর রহমান স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ রেজাউল করিমের কবরের পাশে যান। সেখানে তিনি শহীদের শাহাদাত কবুলিয়াত এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

এসময় আমীরে জামায়াতের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক ড. ছামিউল হক ফারুকী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূইয়া।

এছাড়াও জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতা-কর্মী এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ঘাটাইলে ছোট ভাইয়ের লা*ঠির আ*ঘাতে বড় ভাইয়ের মৃ*ত্যু

রাহাত সরকার:

‎টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই আলমের লাঠির আঘাতে বড় ভাই শাহীনকে  খুনের অভিযোগ উঠেছে।

‎নিহত শাহীনের স্ত্রী তাসলিমা জানায়, গত ৩০ জানুযারি শুক্রবার সকাল ১১ টায় রান্না ঘরের টিন ভাগাভাগি নিয়ে পারিবারিক কলহ বাঁধে। কলহের এক পর্যায়ে দেবর আলম আমার স্বামী শাহীনকে লাঠি দিয়ে মাথায় জোরে আঘাত করে পরে তাকে ঘাটাইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসি। অবস্থার আরো অবনতি হলে ভোর সাড়ে ৪ টায় শাহীনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথেই শাহীনের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটে ঘাটাইল উপজেলার নাগবাড়ী গ্রামে।
‎ঘটনার পর হত্যাকারি আলম পলাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে শাহীনের স্ত্রী তাসলিমা বাদী হয়ে ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার, বেলা ১টায় ঘাটাইল থানায় এসে খোরশেদের পুত্র আলমের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার অভিযোগ দায়ের করেন।
‎‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব খান বলেন, নিহতের স্ত্রী তাসলিমা ঘাটাইল থানায় এসে একটি হত্যা মামলার অভিযোগ দায়ের করেন, আসামি ধরার জন্যে পুলিশ তৎপর রয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

তাড়াইলে মা*দকাসক্ত সন্তানের হাতে পিতা খু*ন

প্রতিনিধি,তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ):

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় মাদকাসক্ত ২২ বছর বয়সী সন্তানের হাতে পিতা খুনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

১ ফেব্রুয়ারি রবিবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার তাড়াইল–সাচাইল সদর ইউনিয়নের দড়িজাহাঙ্গীরপুর (মধ্যপাড়া) গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। নিহত রমজান আলী (৪৫), পিতা-মৃত জব্বার।

তাড়াইল থানা সূত্রে জানা যায়, নিহত রমজান আলীর দুই পরিবারের মধ্যে প্রথম পরিবারের বড় ছেলে জুয়েল মিয়া (২২) শনিবার দিবাগত রাতে একই ঘরে একই রুমে ঘুমিয়েছিল। ভোর রাতে মাদকাসক্ত জুয়েল মিয়া ধারালো দা দিয়ে তার পিতার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

তখন চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসা এলাকার লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে জুয়েল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে থানা হেফাজতে নেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা উদ্ধার করেছে। রমজান আলীকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তাড়াইল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া নেশাগ্রস্ত। নেশার টাকার জন্য পিতা-পুত্রের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে সে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিহত রমজান আলীর ঘরে রয়েছে দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তিন ছেলে ও একটি মেয়ে। স্বজনরা জানান, মাদকাসক্ত জুয়েল মিয়া ছোটবেলা থেকেই তার নিজ মায়ের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে বসবাস করত। তবে মাঝে মাঝে সে নিজ বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসত। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার দিন নেশার টাকার দাবিকে কেন্দ্র করে কলহের একপর্যায়ে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

নির্বাচিত হলে ঋণখেলাপিদের জন্য দেশকে জাহান্নাম বানিয়ে দেবো: হাসনাত আবদুল্লাহ

আলোকিত  প্রতিবেদক:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে ঋণ খেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেবেন বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রার্থিতা ফিরে পেতে লিভ টু আপিল খারিজের আদেশের পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

হাসনাত বলেন, “ব্যাংক ডাকাত, ঋণখেলাপীদের জন্য এটি একটি বার্তা। নির্বাচিত হলে ঋণ খেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেবো।”

সকালে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রার্থিতা ফিরে পেতে লিভ টু আপিল খারিজ করে দিল আপিল বিভাগ। এর ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না পারবেন না বলে জানান আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আপিলে অভিযোগ করেছিলেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে গত ১৭ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে ইসি। এতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ হয়।

মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন মঞ্জুরুল। রিটে ইসির ১৭ জানুয়ারির সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়। গত ২১ জানুয়ারি সেই রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ইরানের জন্য হয়ত ফাঁদ পাতছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গত বছরের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত যুদ্ধ শুরু করেছিল দখলদার ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় দীর্ঘ ১২দিন যুদ্ধ হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিয়োত আহারোনোত জানিয়েছে, আলোচনার নামে গত বছরের মতো এবারও হয়ত ইরানের জন্য ফাঁদ পাতছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, “অব্যাহতভাবে আলোচনার আহ্বান জানালেও, ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি-ধামকি বৃদ্ধি করেছেন ট্রাম্প। গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের মতো ইরানকে এবারও ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছেন তিনি।”

গত বুধবার ট্রাম্প জানান, ইরানের দিকে তাদের যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহর যাচ্ছে। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, আলোচনায় ইরানকে তাদের সহায়তা করতে হবে। নয়ত গতবারের চেয়ে আরও খারাপ হামলা চালানো হবে।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ইরান হয়ত তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে কিছু ছাড় দিতে পারে। কিন্তু ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে কোনো ছাড় দেবে না।

তারা আরও বলছে, গত বছর হামলার আগে ইরানকে ট্রাম্প একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। এরপর ওই সময় পার হওয়ার পর হামলা চালান। এবারও ট্রাম্প ইরানকে এমন সময়সীমা দেবেন, যেটি ইরান রক্ষা করতে পারবে না। এরপর তিনি হামলার নির্দেশ দেবেন।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা চলছিল। এরমধ্যে ১৩ জুন আকস্মিকভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে বসে দখলদার ইসরায়েল। এরপর এতে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তারা ইরানের চারটি পারমাণবিক অবকাঠামোতে বোমা ফেলে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে এক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম বলেছে, “ইরান নিয়ে কি অবস্থান নেবেন তা নিয়ে ট্রাম্প নিজে হয়ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। একই সময় তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরব, ওমান ও মিসর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে চুক্তির জন্য কিছু শর্ত দিচ্ছে। যারমধ্যে রয়েছে ইরানকে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিতে হবে। এর অংশ হিসেবে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশের হাতে তুলে দিতে হবে। ব্যালিস্টিক মিসাইল কার্যক্রম কমিয়ে ফেলতে হবে। এমনকি মিসাইলের দূরত্বও কমানোর শর্ত দেওয়া হচ্ছে। যেন এগুলো ইসরায়েলে পৌঁছাতে না পারে। এছাড়া হিজবুল্লাহ, হুতি এবং হামাসের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা বন্ধ করতে হবে।

ইসরায়েলি সূত্র ও কয়েকজন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হয়ত পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে কিছুটা নমনীয়তা দেখাতে পারেন। কিন্তু ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে দেওয়া শর্তে কোনো ছাড় দেবেন না।

ফলে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে পারমাণবিক কার্যক্রম বাদে অন্যান্য যেসব শর্ত দেওয়া হচ্ছে সেগুলো কি চাপ প্রয়োগের কোনো কৌশল কি না। ট্রাম্প কি শুধুমাত্র পারমাণবিক ইস্যু নিয়েই সন্তুষ্ট থাকবেন কি না।

এদিকে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার একটি শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু ওই সময় ইসরায়েল এর বিরোধীতা করে। দখলদাররা যুক্তরাষ্ট্রকে জানায়, যদি এখন ছোট হামলাও চালানো হয় তাহলে ইরান শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। এজন্য এখন সীমিত হামলা না চালিয়ে, প্রস্তুতি নিয়ে বড় হামলা চালানো ঠিক হবে।

সূত্র: দ্য নিউ আরব

আলোকিত প্রতিদিন/ ০১ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম