আজ সোমবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 150

সন্ধ্যায় তারেক রহমান এবং শফিকুর রহমানের বক্তব্য সম্প্রচার করবে বিটিভি

আলোকিত ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সন্ধ্যায় বক্তব্য দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে তাদের ভাষণ একযোগে সম্প্রচার করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। তার ভাষণও বিটিভিতে সম্প্রচারের কথা রয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষণ সন্ধ্যা ৭টায় প্রচার হবে।

অপরদিকে জামায়াতে প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান দলটির আমির আমিরের ভাষণ প্রচার হবে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায়।

এর আগে গতকাল গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ভোটকেন্দ্রে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিলেন আনসার মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আনসার এবং গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ এবং সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত আনসার এবং গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশে এ নির্দেশনা দেন তিনি। বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন,আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষ ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের চাপ বা হুমকিতে ভয় পাওয়া যাবে না। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও কোনোভাবেই ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করা যাবে না। সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আনসার মহাপরিচালক জানান, এবারের নির্বাচনে সারাদেশে মোট ৫ লাখ ৫৬ হাজার ১২৭ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে ঢাকায়, যেখানে ঢাকা মহানগরের ৪টি জোনের ৩৬ থানায় ২১৩১টি ভোটকেন্দ্রে ২৭ হাজার ৭০৩ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ জন করে প্রশিক্ষিত আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের মূল দায়িত্ব হবে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যেকোনো ধরনের উসকানি বা বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করা এবং নির্বাচন কমিশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর রিপোর্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি হলে সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে হবে। কোনো জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ না পেলে এই সুরক্ষা অ্যাপ ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই কাজ করবে।

আনসার ও ব‍্যাটেলিয়নের এই মহাপরিচালক বাহিনীটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, এই নির্বাচন এখন আগের নির্বাচনের মতো নয় আপনারা দাঁড়িয়ে থাকবেন অন্যরা ব্যালটে সিল মারবে। আপনাকে যদি কেউ কেনার চেষ্টা করে সেটা করা যাবে না। কারণ এটা এই দেশের ১৮ কোটি মানুষের আমানত। আমানতের খেয়ানত করলে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাও তাকে ছাড় দেবে না। আগামীর নতুন বাংলাদেশের এই আনসার ভিডিপির এখান থেকেই শুরু হবে।

সমাবেশে আনসার মহাপরিচালক বলেন, দেশের মানুষ যেন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপভোগ করতে পারে সে লক্ষ্যেই আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ভোটকেন্দ্র ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে প্রবেশে ইসির নিষেধা*জ্ঞা

বিশেষ প্রতিনিধি: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্র ঘিরে কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কেন্দ্রের ৪০০ গজের ভেতরে সাধারণ ভোটার, প্রার্থী কিংবা সংশ্লিষ্ট নন এমন কেউ মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে মাত্র তিন শ্রেণির কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন রাখতে পারবেন কেবল তিন শ্রেণির ব্যক্তি। তারা হলেন ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ইনচার্জ এবং নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুই জন আনসার সদস্য (অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার, ভিডিপি)।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন কেন্দ্রের ৪০০ গজ এলাকার মধ্যে সাধারণ ভোটার, প্রার্থী কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তি মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করতে পারবেন না। এই আদেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা জানিয়েছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র থেকে তাৎক্ষণিক তথ্য বা ছবি আদান প্রদান বন্ধ করতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য আনসার সদস্যদের নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এদিকে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

টেকনাফের হ্নীলায় বাস–টমটম সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

হেলাল উদ্দিন, টেকনাফ: কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক সড়কের টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় যাত্রীবাহী ব্যাটারি চালিত টমটম ও একটি পালকি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুড়া পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদা এলাকার বাসিন্দা লোকমান হাকিমের ছেলে মো. লালু (৪৫) এবং পশ্চিম ফুলের ডেইল এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেনের দুই বছর বয়সী কন্যা মুনতাহা। নিহত মো. লালু টমটমের চালক ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারগামী একটি পালকি বাসের সঙ্গে লেদাগামী যাত্রীবাহী টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। টমটমটিতে চালকসহ মোট ছয়জন যাত্রী ছিলেন। সংঘর্ষের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই টমটম চালক ও এক শিশু মারা যান। দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে লেদা আইএমও হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতরা হলেন— হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমুড়া পাড়া এলাকার মো. আবদুল্লাহ (৩০), মো. বদিউজ্জামান (৪০), মোসা. ফাতেমা (২০) ও ইসমত আরা (৪০)।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক সড়কে বাস ও যাত্রীবাহী টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। নিহতদের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি   

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও উৎসব মুখর করতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে: তরিকুল ইসলাম

শহীদুল ইসলাম রুবেল:

নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্র জনতা ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশের মানুষ উৎসব মুখর ও শান্তি পূর্ণ পরিবেশে একটি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানে জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসব মূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা জনগনকে আহবান জানাই, আপনারা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে আসবেন, উৎসব মুখর পরিবেশে আপনারা সারিবদ্ধ ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে আপনাদের পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়িতে ফিরে যাবেন। ভোট কেন্দ্রে আসা যাওয়ার পথে অথবা কেন্দ্রের ভেতর কেউ কোন ধরনের অপকর্মের চেষ্টা করলে তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। তিনি বলেন, নেত্রকোণা জেলায় ৫টি সংসদীয় আসনে মোট ৬৭৬টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১১০ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের বডিওর্ণ ক্যামেরা থাকবে। কেন্দ্রে কেউ অপকর্ম করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আজ ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার বিকালে নেত্রকোণা পুলিশ লাইনস মাঠে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে গৃহীত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড শেষে উপস্থিত সাংবাদিক এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নেত্রকোণা জেলায় নির্বাচন উপলক্ষে ১৮৯০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও আনসার, বিজিবি, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জন্য ম্যাজিষ্ট্রেট মাঠে থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরপুর ইন-সার্ভিসিং ট্রেনিং সেন্টার এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রেজওয়ান আহমেদ, মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্বজল কুমার সরকার সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের সামনে ব্রিজের নিচে কাগজের স্তুপে অগ্নিকাণ্ড

প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ:
মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের সামনের ব্রিজের নিচে জমানো ময়লা-আবর্জনার কাগজের স্তুপে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আজ রবিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্রিজের নিচে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখা গেলে স্থানীয়রা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, ব্রিজের নিচে নবু নামের এক বৃদ্ধ মহিলা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে কাগজ সংগ্রহ করে সেখানে জমিয়ে রাখতেন এবং সেখানেই বসবাস করতেন। আগুনে তার জমানো কাগজ পুড়ে যায়।
মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. মিয়ারাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, “স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। আমাদের ধারণা, ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলের সময় কেউ হয়তো বিড়ি বা সিগারেটের আগুন ফেলে দেওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কাগজ ছাড়া তেমন কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এবং এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। “
আলোকিত প্রতিদিন/০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ময়লার ভাগাড়ের পাশে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা এনসিপি প্রার্থীর!

আমিনুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ব্যতিক্রমী এক কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশ। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের কলেজ রোড এলাকায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থিত পৌরসভার ময়লার ভাগাড়ে দাঁড়িয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি এ ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।

ইশতেহার ঘোষণার আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রীতম দাশ বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলবাসীর সবচেয়ে বড় দুর্ভোগের নাম এই ময়লার ভাগাড়। তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, একটি মসজিদ ও আশপাশের এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তীব্র দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভুগছেন। জনগণের এই কষ্টকে সামনে রেখেই আমি ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে ইশতেহার ঘোষণা করছি। নির্বাচিত হলে দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাজ করব।’

তিনি আরো বলেন, ‘চা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও আদিবাসীদের ভূমির অধিকারের আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে আমাকে ১৩১ দিন কারাবরণ করতে হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই চা শ্রমিক, আদিবাসী, কৃষক, যুবক ও নারীদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আমি সক্রিয় রয়েছি।’

ইশতেহারে চা শ্রমিক ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার নিশ্চিত করা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের মাধ্যমে আদিবাসী ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

এছাড়াও তিনি হাওর দখলমুক্ত করে সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া, নির্দিষ্ট ফি দিয়ে সবার জন্য মাছ ধরার অধিকার নিশ্চিত করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থাকা ময়লার ভাগাড় অপসারণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট স্থাপনের ঘোষণা দেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ সুরক্ষার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

ইশতেহারে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা, চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা বাড়ানো, পৌরসভা সম্প্রসারণ, শমসেরনগরকে পূর্ণাঙ্গ পৌরসভায় রূপান্তর, যানজট নিরসনে আধুনিক বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি স্টেশন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।তরুণদের জন্য ওয়ান স্টপ ইয়ুথ সেন্টার, ডিজিটাল হাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থান, হোমস্টে ও ইকো-কালচারাল ট্যুরিজম উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রীতম দাশ।

এনসিপি প্রার্থী বলেন, ‘ইমাম, পুরোহিতসহ সকল ধর্মীয় নেতাদের রাষ্ট্রীয় বেতন-ভাতা নিশ্চিত করা হবে এবং মসজিদ-মন্দিরসহ সকল উপাসনালয়ের বেদখলকৃত জমি উদ্ধার করা হবে।’

আলোকিত প্রতিদিন/এপি   

বাবার জন্য ভোট চাইলেন: জাইমা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই প্রার্থীর গণসংযোগে অংশ নিয়েছেন তারই মেয়ে জাইমা রহমান, চেয়েছেন ভোটও। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে গুলশানের পুলিশ প্লাজা এলাকা থেকে এই গণসংযোগ শুরু করেন জাইমা। সেখান থেকে গুলশান-১ সার্কেল পর্যন্ত বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান জাইমা রহমান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি   

বাংলাদেশের নির্বাচনে সম্পর্কের পরীক্ষায় ভারত, কৌশলী চীন: এএফপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্যকে নতুন করে রূপ দিতে পারে। এই নির্বাচন ঘিরে বেইজিং প্রভাব সুসংহত করতে চাইছে আর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক টালমাটাল হয়ে উঠছে বলছেন বিশ্লেষকরা।

এবারের এই ভোট ২০২৪ সালের আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর দেশের প্রথম নির্বাচন। প্রত্যর্পণের অনুরোধ সত্ত্বেও শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় ভারতকে নিয়ে ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যে কারণে চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সরকারের সম্পৃক্ততা জোরদার করা হয়েছে।

১৭ কোটি জনসংখ্যার মুসলিমপ্রধান এই দেশ শেখ হাসিনার শাসনামলে চীনের সঙ্গে শক্তিশালী বাণিজ্য এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বজায় রেখেছিল। তবে বিশ্লেষকদের মতে, দিল্লিই ছিল ঢাকার প্রধান অংশীদার, যে সমীকরণ এখন বদলাচ্ছে।

# বেইজিংয়ে ঝুঁকছে ঢাকা?
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের জ্যেষ্ঠ ফেলো জশুয়া কার্লান্টজিক বলেন, ‌‌‘‘বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এবং ভবিষ্যৎ সরকার প্রকৃত অর্থেই চীনের দিকে ঝুঁকছে।

তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ এখন বঙ্গোপসাগর সম্পর্কিত চীনের কৌশলগত চিন্তাভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এবং বাংলাদেশ এই কৌশলে চীনপন্থী ভূমিকা পালন করবে—এ ব্যাপারে চীন ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাসী।’’

ইউনূসের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল চীনে; যা কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। গত জানুয়ারিতে দুই দেশ ভারতের কাছে প্রস্তাবিত একটি উত্তরাঞ্চলীয় বিমানঘাঁটির কাছে ড্রোন কারখানা স্থাপনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘‘নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার একটি অপরিবর্তনীয় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’’

#লাগামহীন বৈরিতা
এর বিপরীতে, শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে নিয়মিত টানাপোড়েন চলছে। গত ডিসেম্বরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে ‘‘সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অবিরাম বৈরিতা’’ চলছে অভিহিত করে এর নিন্দা জানায়।

পুলিশ বলেছে, বাংলাদেশে ২০২৫ সালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৭০ জন সদস্য নিহত হন। ঢাকা এই সহিংসতার মাত্রা অতিরঞ্জিত করার অভিযোগে ভারতকে দোষারোপ করেছে। তবে সম্পর্ক মেরামতের বিচ্ছিন্ন কিছু প্রচেষ্টাও হয়েছে।

জানুয়ারিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য ঢাকায় আসেন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে এগিয়ে আছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বিএনপি জিতলে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত খালেদা জিয়ার ৬০ বছর বয়সী ছেলে তারেক রহমানের প্রতিও সমবেদনা জানিয়ে বার্তা পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

কিন্তু ভারতের হিন্দুত্ববাদী ডানপন্থীদের বিক্ষোভের পর এক বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এর জেরে ভারতে চলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।

# স্থিতিশীলতায় প্রাধান্য
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রবীণ দোন্থি বলেন, উভয় পক্ষেরই বাস্তববাদী অবস্থানের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। তিনি বলেন, নয়াদিল্লি ও ঢাকা—দু’পক্ষই সম্পর্কের অবনতির সমাধান না করার মূল্য সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত।

ভারতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়িয়েছে ঢাকা। এক দশকের বেশি সময় পর জানুয়ারিতে দুই দেশের মাঝে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চালু করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সরকার নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের আর অবনতি না ঘটিয়েই ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ধারা অব্যাহত রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দোন্থি বলেন, নতুন প্রশাসন সম্ভবত অস্থিতিশীলতার চেয়ে স্থিতিশীলতাকেই অগ্রাধিকার দেবে। তবে নির্বাচিত সরকারের অধীনে—বিশেষ করে বিএনপি জিতলে, ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল হতে পারে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, একসময় ভারতের সঙ্গে তীব্র বিরোধে থাকা ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামীও তাদের প্রচারে ‘‘এক ধরনের বাস্তববাদী বাস্তবতা’’ তুলে ধরেছে।

তীব্র বাগাড়ম্বরের পরও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বাস্তব ভি অটুট রয়েছে। বাণিজ্য স্থিতিশীল আছে এবং শেখ হাসিনা আমলের কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি—ভারতীয় টাগবোট সংক্রান্ত; বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ভারতের সাবেক উপ-হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভারতীয় কূটনীতিক দিলীপ সিনহা বলেন, চীন এমনভাবে অবকাঠামো সরবরাহ করছে; যা ভারত পারে না।

তিনি বলেন, কিন্তু ভারত এমন কিছু জিনিস সরবরাহ করে; যা বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রয়োজন। যেমন, বিদ্যুৎ এবং পোশাকশিল্পের জন্য সুতা।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী হওয়া মানেই ভারতের সঙ্গে বৈরিতা; বিষয়টি এমন নয়। হুমায়ুন কবির বলেন, ‘‘এটি ‘একটি না হলে আরেকটি’ ধরনের পরিস্থিতি নয়। দুই সম্পর্কই একই সঙ্গে বিকশিত হতে পারে।’’

সূত্র: এএফপি।ৎ

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

নবীনগরের ফতেহপুরে এখনো যোগাযোগের মাধ্যম বাঁশের সাঁকো

মোঃ আনোয়ার হোসেন:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রাম যেন আজ ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের মানচিত্রের বাইরে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এ গ্রামের মানুষের ভাগ্যে জোটেনি একটি ব্রিজ। উন্নয়নের জোয়ার, স্মার্ট বাংলাদেশ ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রচারের আড়ালে চাপা পড়ে আছে বাস্তবতার এ নির্মম চিত্র। প্রায় সাত থেকে আট হাজার মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রা নির্ভর করছে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোর ওপর। স্কুলগামী শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী, কৃষক, শ্রমজীবী এমনকি গুরুতর অসুস্থ রোগীদেরও এই সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের এ সাঁকোটিতে উঠা আরও ভয়ংকর। পা পিছলে আহত হওয়ার ঘটনা নিত্য দিনের। অনেক সময় রোগীকে হাসপাতালে নিতে চরম দূর্ভোগে পড়তে হয়। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান-“তাদের জন্মের আগেও এই বাঁশের সাঁকো ছিল, আজও তাই রয়েছে। সময় বদলেছে, সরকার ও জনপ্রতিনিধি বদলেছে কিন্তু বদলায়নি ফতেহপুরবাসীর দুর্ভোগ।” এক শতবর্ষী বৃদ্ধ আক্ষেপ করে বলেন-“তিনি জীবদ্দশায় একটি পাকা ব্রিজ দেখার আশা ছেড়েই দিয়েছেন।”

গ্রামবাসীর অভিযোগ-“নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা গ্রামে এসে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেয়। ভোট শেষ হলেই সেই প্রতিশ্রুতি হারিয়ে যায় নীরবতার অন্ধকারে।” তাদের প্রশ্ন- ভোট কি শুধু নেওয়ার জন্য, আর উন্নয়ন কি শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ?
ফতেহপুর গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন- তারা আর প্রতিশ্রুতি চাই না, তারা চাই তাদের চলাচলের জন্য ব্রিজের বাস্তবায়ন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম