আজ সোমবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 149

দুই ঘণ্টা পরপর ভোটের তথ্য জানাবে ইসি

আলোকিত প্রতিবেদক:

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ চলাকালে রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে দুই ঘণ্টা পরপর ভোট প্রদানের হার, নির্বাচনি পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিবেদন সংগ্রহ করবে ইসি।

৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পরিপত্র-১৭ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনার পর প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ভোট গণনার বিবরণীর ভিত্তিতে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহ এবং পরিবেশন কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা হবে। এই কার্যক্রম ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বেসরকারি ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রতিবেদন ও প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের নাম, পদবি, মোবাইল নম্বর, দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকা এবং নির্ধারিত ইন্টারনাল অ্যাকাউন্ট বা টেলিফোন নম্বর আলাদাভাবে জানানো হবে। এসব তথ্য পাওয়ার পর রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে স্থাপিত ‘প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র’ থেকে কোন কর্মকর্তা ফলাফল প্রেরণ করবেন, তা ভোটগ্রহণের দিনের আগেই জানিয়ে দিতে হবে।

ভোটগ্রহণের দিন আইনশৃঙ্খলা এবং ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি প্রতিবেদন প্রেরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকাও পূর্বাহ্নে নির্ধারণ করতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ইন্টারনাল অ্যাকাউন্ট, টেলিফোন ও মোবাইল নম্বর সচল আছে কিনা এবং ইন্টারনাল সাইট বা নেটওয়ার্ক কার্যকর রয়েছে কিনা, তা আগেই যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে।

ভোটগ্রহণ শেষে নির্ধারিত নমুনা অনুযায়ী ‘বার্তা প্রেরণ শিট’-এর মাধ্যমে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ইন্টারনাল সাইটে প্রেরণ করতে হবে। ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে বার্তা প্রেরণে সমস্যা হলে বা বিলম্বের সম্ভাবনা থাকলে ই-মেইলের মাধ্যমে তা পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বার্তা শিটে রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়িত্বশীল অন্য কোনও কর্মকর্তার স্বাক্ষরেও আংশিক ফলাফল পাঠানো যাবে। তবে চূড়ান্ত বার্তা অবশ্যই রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরে প্রেরণ করতে হবে।

এছাড়া প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের বেসরকারি ফলাফল যথাযথভাবে সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ইন্টারনাল সাইটে ইএমএস সফটওয়্যারের ফলাফল ব্যবস্থাপনা মডিউল ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। ফলাফল এন্ট্রির জন্য প্রয়োজনীয় জনবলকে আগেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

নির্বাচনী প্রচারণা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন: তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে রাতে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণে আটটি জায়গায় জনসভা করেন তারেক রহমান। লালবাগ কেল্লা জনসভা শেষ করে রাত ১১টার দিকে তিনি কবর জিয়ারত করেন।

এ সময় তারেক রহমান শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফাতেহা পাঠ করেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি দীর্ঘক্ষণ মোনাজাত করেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সোমবার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারেক রহমান ঢাকা মহানগরীর আটটি জনসভায় বক্তব্য দেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ (বনানী) ছাড়াও ঢাকা-১০ (কলাবাগান), ঢাকা-৮ (পীরজঙ্গী মাজার), ঢাকা-৯ (মান্ডা), ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী), ঢাকা-৪ (জুরাইন), ঢাকা-৬ (ধূপখোলা) এবং ঢাকা-৭ (লালবাগ) আসনের জনসভাগুলোতে অংশ নেন। এসব জনসভায় তিনি দলের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের সমর্থন কামনা করেন।

ভাষণে তিনি ক্ষমতায় গেলে পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকার গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বিশেষ ভাতা প্রদান এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

মানিকগঞ্জের উন্নয়নে ধানের শীষের বিজয়ের আহ্বান বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা

মো: মহিদ

মানিকগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মানিকগঞ্জ শহরের বিজয় মেলা মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আফরোজা খানম রিতা বলেন, “রাজপথে যেমন আমরা বিজয় অর্জন করেছি, তেমনি ভোটযুদ্ধেও আমরা বিজয়ী হব—ইনশাল্লাহ। স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করেই আমরা রাজনীতি করি। মানিকগঞ্জকে একটি উন্নত, মানবিক ও সমৃদ্ধ জেলায় রূপান্তর করাই আমাদের লক্ষ্য।” ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের পাশে থাকুন, আমাদের শক্তি দিন। ধানের শীষে ভোট দিয়ে এই বিজয় নিশ্চিত করুন।” তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে দেশ ফ্যাসিবাদী শাসনের শিকার হয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ সেই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে।”এই অর্জনকে চূড়ান্ত রূপ দিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বিএনপি বিজয়ী হলেই মানিকগঞ্জে সত্যিকারের উন্নয়ন, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”
নির্বাচিত হলে মানিকগঞ্জের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এডভোকেট নূরতাজ আলম বাহার, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোতালেব হোসেন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম আবেদীন কায়ছার, ডা. জিয়াউর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সজীবসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করে বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে : ডিএমপি

এমএইচ চৌধুরীঃ

ডিএমপি কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী, এনডিসি বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কেউ আইনশৃঙ্খলা অবনতি করার সুযোগ নিলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১.৪৫ মিনিটে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা সংক্রান্তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশিনার।

নির্বাচন উপলক্ষে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এ বছর ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ২১৩১টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। অবস্থান, ভোটারের সংখ্যা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভোটকেন্দ্রগুলোকে দুইটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ (১৬১৪টি) ভোটকেন্দ্রগুলো ন্যুনতম ৪ জন করে এবং সাধারণ (৫১৭টি) কেন্দ্রগুলোতে তিনজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি কন্ট্রোলরুমের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণের জন্য থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা। ভোটকেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তার জন্য থাকবে ১৮০টি স্ট্রাইকিং টিম ও ৫১০টি মোবাইল টিম। এছাড়া ঢাকা মহানগরীর আটটি ডিভিশনে আটটি পৃথক কন্ট্রোল রুম এবং চারটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। সুবিধাজনক স্থানে মোতায়েন থাকবে স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্স। ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের সরাসরি নেতৃত্বে থাকা এসব ফোর্স প্রয়োজনে দ্রুত যেকোন স্থানে মোতায়েন করা যাবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সোয়াট, বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াড, ক্রাইমসিন ভ্যান ও অশ্বারোহী পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

তিনি আরও বলেন, নানা কারণে এবারের নির্বাচন আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে নির্বাচনে পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে সে কালিমামুক্ত হয়ে জাতিকে একটি অর্থবহ ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যে ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশ একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হয়েছে তা এগিয়ে নিতে আমরা ইস্পাত কঠিন মনোবল নিয়ে প্রস্তুত রয়েছি। আপনাদের মাধ্যমে সর্বসাধারণের নিকট স্পষ্টভাবে বলতে চাই এই নির্বাচনে আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও প্রশ্নাতীত নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে এমন একটি মানদণ্ড স্থাপন করবো যা ভবিষ্যতের জন্য অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

সম্মানিত নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে সুশৃঙ্খলভাবে গিয়ে আপনাদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করুন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্ব থেকেই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে কাজ আরম্ভ করে। এর অংশ হিসেবে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ডিএমপির প্রায় ২৫ হাজার সদস্যকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। আমরা আশা করি পুলিশের এই প্রশিক্ষণ আসন্ন নির্বাচনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য পুলিশ সদস্যদেরকে স্বীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষভাবে পালনের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আমাদের সীমিত সম্পদ ও জনবলের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে ত্রুটিহীন ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো: সাজ্জাত আলী, এনডিসি বলেন, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কেন্দ্র করে কোন নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। যেকোনো সময়ের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা, (অতিরিক্ত আইজি); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মোঃ নজরুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা; মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান পিপিএম; মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আখতার প্রীতিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

টাঙ্গাইলে টুকুর আখেরি মিছিলে ধানের শীষের গণজোয়ার

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিশাল ‘আখেরি মিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। মিছিলটির নেতৃত্ব দেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এর আগে বেলা সাড়ে ৩টা থেকেই পৌর উদ্যানে নেতাকর্মীদের জমায়েত শুরু হয়। পরে টুকুর নেতৃত্বে মিছিলটি নিরালা মোড়, মেইন রোড, থানার সামনে, বড় কালিবাড়ি, পুরান বাসস্ট্যান্ড ও রেজিস্ট্রিপাড়া ঘুরে পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়।
মিছিলে জেলা বিএনপি, মহিলা দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও তাঁতী দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের প্রধান সড়কগুলো। পুরো আয়োজনকে ঘিরে পুরো শহর উৎসবের নগরে পরিণত হয়।
মিছিলের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সারা টাঙ্গাইলের মানুষ আমাকে যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন, তাতে আমি সবার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আজ থেকে আমি আমার এই জীবন টাঙ্গাইল সদরবাসীর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম।
তিনি বলেন, আজকের উপস্থিতি প্রমাণ করে টাঙ্গাইলে ধানের শীষের বিকল্প কেউ নেই। টাঙ্গাইলের উন্নয়নের জন্য তিনি যে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছেন, জনগণের ভোটে বিএনপি নির্বাচিত হলে সেগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
টুকু বলেন, ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াসহ অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমি নিজেও পাঁচ বছরের বেশি সময় কারাগারে থেকেছি, রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এত শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আজ একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।
দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, তিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন না এবং নিজেও কোনো অন্যায় করবেন না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, ধানের শীষ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতীকই নয়, এটি দেশের মানুষের প্রতীক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের বিজয় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ সুশৃঙ্খল বাহিনী: কমান্ডার কামরুন্নাহার 

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ মহা পরিচালক ও ময়মনসিংহ রেঞ্জ এর রেঞ্জ কমান্ডার কামরুন্নাহার বিভিএম, বিএএমএস, পিভিএম বলেছেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী হচ্ছে এদেশের সর্ববৃহৎ সুশৃঙ্খল বাহিনী। এ বাহিনী সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় পেশাদারিত্বের সহিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতীয় দূর্যোগ ও দেশের ক্রান্তিকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও উৎসব মূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে তার জন্য আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে হবে। তিনি আর ও জানান, নেত্রকোনায় ৮হাজার ৭শত ৮৮জন আনসার ভিডিপি মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আজ ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী নেত্রকোনা জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতি মূলক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষ*করা মোবাইল নিতে পারবে : ইসি সানাউল্লাহ!

বিশেষ প্রতিনিধি: আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ফলাফল বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করলে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়বেন না। এর আগে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি নির্দেশনা জারি করেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরে রোববার এ সংক্রান্ত চিঠি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠির মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রার্থী ও সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ায় সাংবাদিক সমাজে উদ্বেগ তৈরি হয়। আরএফইডি সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, “এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করবে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে মোবাইল ফোন একটি অপরিহার্য উপকরণ।”

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের আশ্বাস দিয়েছে এবং সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষয়টি শিগগিরই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হবে বলেও কমিশন আশ্বস্ত করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

ফ্রান্সের কাছ থেকে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ফ্রান্সের কাছ থেকে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত। এ জন্য প্রাথমিক বাজেট ধরা হয়েছে ৩ দশমিক ২৫ লক্ষ কোটি রুপি।

আগামী ১৮ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন হবে ভারতে। সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

ম্যাক্রোঁ আসার আগেই এ সংক্রান্ত যাবতীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র। আগামী সপ্তাহে এ ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমরাস্ত্র ক্রয় বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (ডিএকে)। সে বৈঠকে চেয়ারম্যান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাতে জানা গেছে, যে ১১৪টি রাফাল ফ্রান্সের কাছ থেকে কেনা হবে—সেসবের মধ্যে ১৮টি তৈরি অবস্থায় (ফ্লাইং কন্ডিশনে) পাবে ভারত। বাকিগুলোও তৈরি হবে ভারতেই এবং তাতে ভারতীয় প্রযুক্তিরও ব্যবহার করা হবে সেই বিমানগুলোতে।

এই যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে ৮৮টিতে এক জন পাইলটের বসার জায়গা থাকবে। বাকি ২৬টিতে বসতে পারবেন দু’জন পাইলট।ৎ

প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের তৈরি রাফাল বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে একটি। পঞ্চম প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমান সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩ হাজার ৭০০ কিলোমিটার এবং এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ফুট ওপরে উঠতে সক্ষম। রাফাল একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং একাধিক ভারী মেশিনগান বহন এবং অপারেশনে সক্ষম।

২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে এ পর্যন্ত ফ্রান্স থেকে পর্যায়ক্রমে ৩৬টি রাফাল এসেছে ভারতে। এসবের মধ্যে  ৮টি দু’আসনবিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমানও রয়েছে।

ফ্রান্স থেকে কেনা রাফালগুলোর কার্যকারিতা পরীক্ষা করে ভারতের সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা সন্তোষ প্রকাশ করায় ২০২৫ সালে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ‘নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিগোষ্ঠী’ (সিসিএস)-র আরও রাফায়েল কেনার এবং যৌথ উদ্যোগে নির্মাণের বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছিল। তার ধারাবাকিতাতেই ভারতীয় বিমানবাহিনীকে ১১৪টি রাফায়েল মাল্টিরোল এয়ারক্র্যাফ্‌ট দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু হয়।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

কেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মফস্বল সাংবাদিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে সীমানা নির্ধারণ করে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মফস্বল সাংবাদিকরা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা তারা।

প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা ফিতা হাতে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের চারপাশে ৪০০ গজ এলাকা মেপে দেখান তারা। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত সাংবাদিক তানভীর বলেন, মফস্বল এলাকার সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, তথ্য যাচাই, লাইভ আপডেট দেওয়া এবং দ্রুত অফিসে সংবাদ পাঠানোর জন্য পুরোপুরি মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভরশীল। মোবাইল ছাড়া সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না এখন। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের সঠিক তথ্য জানার অধিকার হরন হবে। সাংবাদিকরা জানান, নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিপন্থি। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

কর্মসূচি চলাকালে সাংবাদিকরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি উপস্থাপন করেন এবং ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

জেলেনস্কিকে নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র চাপ দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেনকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের দু’জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার মার্কিন প্রতিনিধিদলে ছিলেন।

গতকাল রোববার ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আবুধাবির সেই বৈঠকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়েও কথা হয়েছে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ইউক্রেনকে দ্রুত নির্বাচনের ব্যাপারে তাগাদা দিয়েছেন।

“আমরা ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের বলেছি যে আমরা দ্রুত এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাই। আমাদের হাতে বেশি সময় নেই,” রয়টার্সকে বলেছেন ট্রাম্প প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের মে মাসের নির্বাচনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন জেলেনস্কি। তার সাংবিধানিক মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৪ সালের মে মাসে।

তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও একের পর এক ডিক্রি জারি করে সামরিক শাসনের মেয়াদ বাড়িয়ে এখনও ক্ষমতায় আছেন তিনি।

এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিন একাধিকবার জানিয়েছে যে, ইউক্রেনের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে যাবে না মস্কো। প্রেসিডেন্ট পুতিন নিজে বলেছেন— ইউক্রেনের নির্বাচিত সরকারের সরকারের সঙ্গেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি করবে মস্কো। তিনি আরও বলেছেন, জেলেনস্কি যদি নির্বাচন দেন এবং সেই নির্বাচনে পুনরায় জয়ী হয়ে ফের ক্ষমতায় আসেন— তাহলেও কোনো সমস্যা নেই।

এদিকে আবুধাবিতে বৈঠকের পর জেলেনস্কি বলেছেন, আগামী জুনের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধাবসান চুক্তি হবে।

সূত্র : আরটি, রয়টার্স

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম