আজ সোমবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 144

জনগণকে কনভিন্স করাই ছিলো আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিবেদক: নির্বাচনী প্রচারের সময় জনগণের দ্বারে দ্বারে যাওয়া, তাদের কনভিন্স করাই বিএনপির ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বলে জানালেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বিকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিনের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তারেক রহমানের উদ্দেশে খালেদের প্রশ্ন ছিল, ‘অভয় দিলে জানতে চাই, নির্বাচনে আপনার দল যে দুইশ’ এর বেশি (বিএনপি ২০৯ ও শরিকরা ৩টি আসন) আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে—এতগুলো আসন পেতে আপনাদের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হয়েছে কি না?’

জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। আমরা জনগণের কাছে বারবার গিয়েছি, কথা বলেছি। তাদের কনভিন্স করাই আমাদের সফলতার মূলমন্ত্র।’এর আগে সংবাদ সম্মেলনে শুরুতে ইংরেজিতে বক্তব্য পাঠ করেন তারেক রহমান। তারপর বক্তব্য দেন বাংলা ভাষায়। এরপর তিনি দেশি-বিদেশি অতিথিদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলনসহ যেসব দল অংশ নিয়েছিল, সব দলকে অভিনন্দন এবং সাধুবাদ জানান তারেক রহমান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বাংলাদেশের সঙ্গে যেভাবে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস জয়ের পর ভারত তার পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে ভাবছে। তবে তারা এ ব্যাপারে ‘সতর্ক আশাবাদী’ হিসেবে আগাচ্ছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, বিএনপির জয়ের মাধ্যমে ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটিকে ভারত সরকারের সূত্র জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বাস করে আসছিলেন শক্তিশালী ম্যান্ডেড নিয়ে নির্বাচিত সরকার আসলে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে স্থিতিশীলতা এবং নির্ভরশীলতা আসবে। বাংলাদেশের নির্বাচনে এমন ফলাফল হওয়ার পর তাদের সেই বিশ্বাস আরও জোরালো হয়েছে।

ভারতের কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, এ নির্বাচনের ফলাফল অন্তর্বর্তীকালন সরকারের স্পষ্ট সমাপ্তি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ভারত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে নিজেদের জন্য ঝামেলাপূর্ণ হিসেবে দেখত।

সরকারি সূত্রটি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন বিলম্বিত গণতান্ত্রিক পক্রিয়া এবং সম্পর্ক খারাপের জন্য ভারতীয় জনগণ এবং ভারতীয় মিডিয়াকে দোষারোপ করার জন্য।

দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বলেছেন, “আমাদের বিশ্বাস হলো গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত এবং শক্তিশালী ম্যান্ডেড পাওয়া সরকার বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

এ নির্বাচনের ফলাফল ‘১৯৭১ সালের চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাবোধকেও সম্মান করে’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকার সংখ্যালঘুদের কথিত হত্যা এবং নির্যাতনের ব্যাপারে পদক্ষেপ না নেওয়ায় এবং ইসলাম ও পাকিস্তানপন্থিদের সুযোগ দেওয়ার কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

এসবের বিপরীতে বাংলাদেশ নির্বাচিত সরকার ফেরায় এখন বাংলাদেশ-ভারতের ফাটল ধরা সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ দেখছে ভারত। এ মুহূর্তে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকে তাদের নজর। তারেক রহমানের ব্যাপারে ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছেন তারা তাকে নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’।

নয়াদিল্লি বিশ্বাস করে যে, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে তারেক রহমান হয়তো আরও বাস্তবসম্মত এবং বিচক্ষণ কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পন্থা অবলম্বন করবেন।

আর এই আশাবাদের প্রতিচ্ছবি দেখা গেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে। এক্সে করা এই শুভেচ্ছা বার্তায় মোদি বলেছেন তারেক রহমানের সঙ্গে ‘কথা বলে তিনি আনন্দিত’।

বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বাড়ানো উদ্যোগ আরও অব্যাহত থাকবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতীয় কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের একটি প্রতিনিধি দলকে পাঠানো হতে পারে। এরমাধ্যমে বার্তা দেওয়া হবে বাংলাদেশের সঙ্গে তীক্ত সম্পর্ক ভুলে নতুন সম্পর্ক গড়তে চায় নয়াদিল্লি। এরআগে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বাংলাদেশে এসেছিলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এ মুহূর্তে বাংলাদেশ নিয়ে কৌশল খুবই স্পষ্ট: তারা গণতন্ত্রকে সমর্থন করবে, বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে আবারও যুক্ত হবে এবং নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে সজাগ থেকে পারস্পরিক বিশ্বাস পুনর্গঠনের চেষ্টা করবে।

সূত্র: এনডিটিভি

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

লুৎফুজ্জামান বাবরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান নেত্রকোনাবাসী

শহীদুল ইসলাম রুবেল:

নেত্রকোনা-৪ (মদন,মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। এ আসন থেকে তিনি এর আগেও ৩বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। নিজ আসনের জনগণসহ জেলার সাধারণ মানুষের দাবি, অতীতে তিনি সফলভাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাই এবার তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্বে দেখতে চান তারা। দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী এ দাবি জানিয়েছেন।মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ বলেন,লুৎফুজ্জামান বাবর একজন সৎ ও নীতিবান মানুষ। অতীতে তিনি দক্ষতার সঙ্গে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের সংকটময় সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত রাখা ও জনকল্যাণের স্বার্থে তাকে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান নেত্রকোনা-৪ (মদন,মোহনগঞ্জ,খালিয়াজুরী) আসনের মানুষ। খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান কেস্টু বলেন,লুৎফুজ্জামান বাবর একজন ন্যায়পরায়ণ নেতা। দেশের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আমি কখনো কোনো পদ বা দায়িত্ব চাইনি। তবে দল যদি দায়িত্ব দেয়, সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। আমার নেতা যে ৩১ দফা কর্মসূচি দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ। আমাকে যারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তাদের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৩১২ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৩০৭টি এবং বাতিল হয়েছে ৬ হাজার ১০৬টি ভোট।ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আল হেলাল তালুকদার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৯ ভোট। ফলে লুৎফুজ্জামান বাবর ১ লাখ ২১ হাজার ৪২ ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

নির্বাচন গ্রহণ‌যোগ্যতা, প্রতি‌যোগীতামূলক ও আন্তর্জা‌তিক মা‌নের করা সম্ভব হ‌য়ে‌ছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণ‌যোগ‌্যতার স‌ঙ্গে প‌রিচালনা করা সম্ভব হ‌য়ে‌ছে। একইস‌ঙ্গে নির্বাচন প্রতি‌যোগীতামূলক ও আন্তর্জা‌তিক মা‌নের হ‌য়ে‌ছে। ত‌বে ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যা আশাব্যঞ্জক নয় ব‌লে হতাশা ব‌্যক্ত ক‌রে‌ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মূল‌্যায়ন‌ নি‌য়ে ১৪ ফেব্রুয়া‌রি শ‌নিবার রাজধানীর এক‌টি হো‌টে‌লে এ‌ক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এসব কথা ব‌লেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন প্রধান ইভার্স ইজাবস।

ইভার্স ইজাবস ব‌লেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশ্বাস‌যোগ‌্যতার স‌ঙ্গে প‌রিচালনা করা সম্ভব হ‌য়ে‌ছে। নির্বাচন প্রতি‌যোগীতামূলক হ‌য়ে‌ছে, আন্তর্জাতিক মা‌নের হ‌য়ে‌ছে। নির্বাচন ক‌মিশন স্বাধীন এবং বিশ্বাসযোগ‌্যতার স‌ঙ্গে কাজ কর‌তে পে‌রে‌ছে।

তি‌নি ব‌লেন, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য এবং দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক শাসন এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে। ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো, নির্বাচন সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক ছিল, একটি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়েছিল; যা মূলত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মৌলিক স্বাধীনতাকে ব্যাপকভাবে মর্যাদাপূর্ণ করে।

ইভার্স ইজাবস ব‌লেন, বিক্ষিপ্ত স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতা, যাইহোক না কেন, প্রায়শই ম্যানিপুলেটেড অনলাইন আখ্যান দ্বারা সৃষ্ট হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্থ করে।

ইইউর পর্য‌বেক্ষক প্রধান ব‌লেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে ও স্বচ্ছভাবে স্টেকহোল্ডারদের আস্থা বজায় রেখে এবং নির্বাচনের অখণ্ডতা সমুন্নত রেখে কাজ করেছে। মিশনটি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, নির্বাচনী আইনি কাঠামো গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য পরিচালিত হয় এবং ২০২৫ সালের সংশোধনী অন্তর্ভুক্তি এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকে শক্তিশালী করে।

তি‌নি ব‌লেন, আমরা দেখেছি, নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনের প্রতি জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের জন্য একটি সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, অন্তর্বর্তী সরকার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা কমিশনকে যে সমর্থন দিয়েছিলেন কমিশন স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছে, সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের দ্রুত জবাব দিয়েছে, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য ভাগ করে নিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে ইভার্স ইজাবস বলেন, এবারের নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা যেমন ছিল নগণ্য, তেমনি ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যাও মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়।

উল্লেখ‌্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, এর মধ্যে ৯০ জন সংক্ষিপ্তকালীন পর্যবেক্ষক। এটাই ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

আফরোজা খানম রিতাকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় মানিকগঞ্জবাসী

মো: মহিদ:

মানিকগঞ্জ-৩ আসন থেকে এক লাখ চার হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী সংসদ সদস্য প্রয়াত মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নু’র কণ্যা আফরোজা খানম রিতাকে আসন্ন মন্ত্রিপরিষদে দেখতে চায় জেলার সাধারণ মানুষ। নির্বাচনে তার এই ঐতিহাসিক বিজয়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে মন্ত্রী করার জোর দাবি উঠেছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৪৮টিতেই তিনি বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেন। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রে এগিয়ে থাকা তার জনপ্রিয়তারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এক লাখ চার হাজার ভোটের ব্যবধান মানিকগঞ্জ-৩ আসনের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় জয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আন্দোলন-সংগ্রামে একজন নারী নেত্রী হিসেবে তিনি মানিকগঞ্জ জেলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার নেতৃত্ব ছিল আপসহীন ও দৃঢ় অবস্থানের প্রতীক, যা তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের মধ্যে আস্থা ও সাহস জুগিয়েছে।
নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। জেলা শহর ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা মনে করেন—মন্ত্রীত্ব পেলে জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাক্ষেত্রে আরও গতি আসবে। বিশেষ করে শিল্পকারখানা স্থাপন, নদীভাঙন রোধ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তার কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন অনেকে। তবে এ বিষয়ে দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। মন্ত্রিপরিষদ গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নেতাকর্মীরা। মানিকগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা—এই বিপুল জনসমর্থনের প্রতিফলন ঘটিয়ে জেলার এই জনপ্রতিনিধিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা

অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি স্মরণ করছি আপনার বাবা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক  আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ—এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা এবং প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

‘পরিশেষে, দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সব উদ্যোগ সফল হোক—এই কামনা করি। মহান আল্লাহ আপনাকে দেশ এবং জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন’—বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে গণভোটের গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে।

১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাতে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং গণভোটের সরকারি ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব আখতার আহমেদ এই গেজেটে সই করেছেন।

এতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১৫৫) এর অনুচ্ছেদ ৩৯ এর দফা (৪) অনুসারে নির্বাচনি এলাকাগুলো থেকে জাতীয় সদস্য হিসেবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, মাতার নাম এবং ঠিকানা প্রকাশ করা হলো।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ভোট গ্রহণের পর বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে ইসি। সারা দেশ থেকে আসা বিজয়ীদের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা শুক্রবার দুপুরে শেষ হয়। ভোটের হার দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত সরকারের শপথ: প্রেস সচিব

আলোকিত প্রতিবেদক:

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, দ্রুতই নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এটি কোনোভাবেই ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির পর হবে না। শপথ কে পড়াবেন তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এবং মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ২০০ শতাংশ ভোট পড়েছে এমন সংবাদের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এটি মিথ্যা সাংবাদিকতা। এটি মূলত মুদ্রনজনিত ভুল। পরবর্তী সময়ে তা সংশোধন করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

মৌলভীবাজারের চার আসনে ধানের শীষের ঐতিহাসিক জয়

এস. এম. জালাল উদ্দীন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলা-এ এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা একযোগে বিজয়ী হয়ে গড়েছেন ইতিহাস। এক জেলায় সবকটি আসনে একই প্রতীকের প্রার্থীর এমন জয় স্থানীয় রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, চারটি আসনেই জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা। প্রতিটি আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা। একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর প্রার্থীও।
মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) মোট ১১৩টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দীন আহমেদ মিঠু ধানের শীষ প্রতীকে ৯৮ হাজার ২৮২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৮৩ হাজার ১৩ ভোট। শুরু থেকেই এই আসনে ছিল টানটান উত্তেজনা।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া)
১০৩টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. শওকতুল ইসলাম শকু ধানের শীষ প্রতীকে ৬৭ হাজার ৭২১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সায়েদ আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৫১ হাজার ১৫৩ ভোট। এই আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
মৌলভীবাজার-৩
১৭৫টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৭ ভোট পেয়ে বিজয় নিশ্চিত করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুল মন্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৭৭ হাজার ৬৩৬ ভোট। ভোটের ব্যবধান ছিল চোখে পড়ার মতো।
মৌলভীবাজার-৪
১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ নূরে আলম হামিদী রিকশা প্রতীকে পান ৫০ হাজার ২০৪ ভোট। এই আসনে বিজয়ের ব্যবধান ছিল সবচেয়ে বেশি।
চারটি আসনেই ধানের শীষের জয়কে দলটির নেতাকর্মীরা গণরায়ের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। ফলাফল ঘোষণার পর বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

টাঙ্গাইলের ৭টি আসনে বিএনপি প্রার্থীদের নিরঙ্কুশ জয়

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশ এবং কিছু বিচ্ছিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনার মিশ্র অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের ৮টি আসনের ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক শরীফা হক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল জেলার ৮টি সংসদয়ি আসনের ৭টিতে বিএনপি এবং ১টিতে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হয়েছে। নির্বাচিত ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল-১(মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপি প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৪৬২ ভোট। এ আসনের ১৪৯টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬৫.৬৭ শতাংশ।
টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. আবদুস সালাম পিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার সেক্রেটারী মো. হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট। এ আসনের ১৩৯টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬৪.৫৬ শতাংশ।
টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ১ লাখ ৭ হাজার ৯০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কার্য নির্বাহী সদস্য এসএম ওবায়দুল হক নাসির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮২ হাজার ৭৬৯ ভোট। এ আসনের ১২৩টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬১.৮৪ শতাংশ।
টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনে বিএনপির কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫০৯ ভোট। এ আসনের ১১৫টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬১.০২ শতাংশ।
টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর আহছান হাবিব মাসুদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ২৮৩ ভোট। এ আসনের ১৩১টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬৩.২৫ শতাংশ।
টাঙ্গাইল-৬(নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. রবিউল আওয়াল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী একেএম আব্দুল হামিদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯১৪ ভোট। এ আসনের ১৫৫টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬০.৫৬ শতাংশ।
টাঙ্গাইল-৭(মির্জাপুর) আসনে বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪১ হাজার ২৫৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪০ ভোট। এ আসনের ১২৭টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৫৮.১৩ শতাংশ।
টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩০ ভোট। এ আসনের ১৩২টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬০.৮১ শতাংশ।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম