আজ রবিবার, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 132

টাঙ্গাইলে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির অভিযোগে ৪ জন গ্রে*প্তার

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ঘোড়া জবাইয়ের পর গরুর মাংস হিসেবে ভাগ করে বিক্রির প্রস্তুতির সময় স্থানীয়রা চার জনকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পূর্বরাত প্রায় দেড়টা থেকে পৌনে তিনটার মধ্যে গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চরের ভিটা গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ আলীর ছেলে হাফিজুর রহমানের বাড়িতে ১২টি ঘোড়া জবাইয়ের উদ্দেশ্যে একত্র করা হয়। এরমধ্যে ৮টি ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে ভাগ করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মাংস প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করার সময় হাতে-নাতে চারজনকে আটক করে।
আটক ব্যক্তিরা হচ্ছেন- ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার হাসান হাওলাদারের ছেলে হৃদয় (২৩), একই এলাকার তৈয়বপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলী ছেলে সুমন (২০), ধনিয়া গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে ফরহাদ (৩০), লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার মহিষখোঁচা এলাকার মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৪)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এলাকাবাসী তাদের আটক করে মারধর করে। পরে গোপালপুর থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আলোকিত প্রতিদিনকে বলেন, গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে ৮টি ঘোড়া জবাই করার সময় স্থানীয় জনতা চারজনকে আটক করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উপকমিটি ছিল। মন্ত্রিপরিষদের সেই উপকমিটির সুপারিশের আলোকে আজ ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা-বোন আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) কার্ড হবে এবং বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আশা করছি যে, আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। শুরুতে হয়ত পুরো উপজেলা একসঙ্গে কাভার করা সম্ভব হবে না; আমরা প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন—এভাবে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলা এবং সবশেষে সারা বাংলাদেশে এই সেবা পৌঁছে দেব।

তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই করা হচ্ছে না, বরং তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না; সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে এবং এতে কারো প্রতি বৈষম্য করা হবে না। এই সরকারি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি থাকবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ই*য়াবাসহ দুই মা*দক ব্যবসায়ী আ*টক

মো: মহিদ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ১৫পিছ ইয়াবাসহ দুই মা’দক ব্যবসায়ী আটক রয়েছে। আটককৃত হলেন, উপজেলার গালা ইউনিয়নের মহাপুরা গ্রামের মোঃ আইয়ুব আলীর ছেলে মেহেদী হাসান লাভলু (২৫) ও কালই গ্রামের মোঃ সাঈদ সরকারের ছেলে মোঃ লাইছ। ‎

২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মহাপুরা মেহেদী হাসান লাভলুর বাড়ি থেকে এ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হরিরামপুর থানার এসআই এমদাদুল হক।

এই বিষয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় রজু করা হয়েছে। মামলা নং- ০৯/১২।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

বিদ্যুৎ বন্ধ করে ইউক্রেনকে আল্টিমেটাম দিলো স্লোভাকিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে স্লোভাকিয়া। দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো গতকাল সোমবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন। কিয়েভ দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধ রাখায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ব্রাতিসলাভা এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন রবার্ট ফিকো। যদি শিগগিরই পাইপলাইন সচল না হয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ তিনি।

রুশ শব্দ দ্রুজবা-এর অর্থ মৈত্রী বা বন্ধুত্ব। ১৯৬৪ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলে রাশিয়া থেকে ইউক্রেন, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র এবং জার্মানিতে সরাসরি তেল সরবরাহের জন্য এ পাইপলাইন তৈরি করা হয়েছিল।

গত ২৭ জানুয়ারি রাশিয়াকে চাপে ফেলতে এই পাইপলাইন বন্ধ করে দেয় ইউক্রেন। এখনও ইউক্রেন অংশ এটি বন্ধ আছে। পাইপলাইন বন্ধ থাকায় হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রে রুশ তেল পৌঁছাতে পারছে না। কিয়েভের দাবি—দ্রুজবা পাইপলাইনের ইউক্রেন অংশে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এত পাইপলাইনটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং মেরামত না করা হলে— এই পাইপলাইন দিয়ে তেলের চলাচল সম্ভব নয়; তবে দ্রুজবা পাইপলাইনে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে মস্কো।

হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া উভয়েই পাইপলাইন বন্ধের জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে। দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধ করে ইউক্রেন স্লোভাকিয়ার সঙ্গে ‘ব্ল্যাকমেইলিং’ করার চেষ্টা করছে— অভিযোগ তুলে সোমবারের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ফিকো বলেন, “পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি বা মূলনীতি। (দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধের মাধ্যমে) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট যে নিষ্ঠুর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় আমরা ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছি এই পদক্ষেপ পুরোপুরি যথাযথ এবং যৌক্তিক।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে রুশ বাহিনী। অভিযানের শুরু থেকেই হিসেবে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা সংক্রান্ত স্থাপনাগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করছে রুশ সেনারা। যুদ্ধের শুরুর দিকে রাশিয়ার হামলায় বিধ্বস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো মেরামত করত কিয়েভ; কিন্তু দেখা গেছে মেরামত হওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকেও হামলা করে অকেজো করে দিচ্ছে রাশিয়া।

এ অবস্থায় বিদ্যুতের জন্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতা ক্রমশ বাড়ছে ইউক্রেনের। গত প্রায় ২ বছর ধরে স্লোভাকিয়ার কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনছে ইউক্রেন। ভাষণে রবার্ট ফিকো বলেছেন, ২০২৫ সালে ইউক্রেন স্লোভাকিয়া থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ কিনেছে, তার প্রায় দ্বিগুণ বিদ্যুৎ কিনেছে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে।

দ্রুজবা পাইপলাইন অকার্যকর হওয়ার জন্য কিয়েভকে সরাসরি দায়ী করেছে হাঙ্গেরিও। গত ২১ ফেব্রুয়ারি হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার শ্চিজার্তো এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইস্যু করা ১০ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের ঋণ আটকে দিয়েছে হাঙ্গেরি। ইউক্রেন যত দ্রুত দ্রুজবা পাইপলাইন মেরামত করবে, তত দ্রুত ঋণের অর্থ আসার পথ সুগম হবে বলেও উল্লেখ করেছেন হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সূত্র : আরটি

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

মেয়াদ অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল

আলোকিত প্রতিবেদক:

মেয়াদ অনুযায়ী ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে এবং সেই প্রস্তুতি সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে কী না, তা নির্ধারিত হবে জাতীয় সংসদে।

মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে ৬ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসকদের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি হবে না— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই সিদ্ধান্ত সংসদে হবে। আর সিটি করপোরেশনগুলোতে যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণের সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কী।

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া দরকার কি না, এ বিষয়ে মন্ত্রীর মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন, না, আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখানে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো।

দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কি আগামী ১২ মার্চ যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে, সেখানে হবে— এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অবশ্যই।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যেসব স্থানীয় সরকারগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেই নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে হওয়ার সম্ভাবনা আছে দুটোতে। আর কয়েকটা আছে যে, যাদের মেয়াদ মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরটা আগে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করে কতদিনের ভেতর শেষ করার পরিকল্পনা- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা এভাবে, এখনই বলা যাবে না। এটা আমরা যখন দেখবো একেক করে বাই ফেজ, এটা চলমান প্রক্রিয়া। লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনও কিন্তু একটা চলমান প্রক্রিয়া। কারও মেয়াদ শেষ হয় আবার নির্বাচন হয়। ইউনিয়ন পরিষদেও তাই হয়, উপজেলাতেও তাই হয়। সুতরাং ইট ইজ অ্যা কন্টিনিউয়াস প্রসেস। আগে এলজিআরডি মন্ত্রীর কাছে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা যোগদানপত্র জমা দেন।

মশা নিধন, যানজট, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ এড়াতে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন নতুন নিয়োগ পাওয়া ৬ প্রশাসক।

তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার। দ্রুত কাজ করার জন্য ৬০ দিনের কর্মসূচি নেবেন নতুন প্রশাসকরা।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হলেন শওকত হোসেন সরকার

জাহিদুর রহমান বকুল:

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (গাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার।
২২ ফেব্রুয়ারি রবিবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। একই চিঠিতে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, খুলনা, সিলেট ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১)-এর অনুবৃত্তিক্রমে করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান করবেন। জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং নাগরিক সেবা কার্যক্রম গতিশীল করতে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে শওকত হোসেন সরকার বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করা হবে। তিনি নগরের পরিচ্ছন্নতা, মশা নিধন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

মতামত ছাড়াই হয় পুলিশের পোশাক পরিবর্তন, পুনর্বিবেচনার আহ্বান!

বিশেষ প্রতিনিধি: পুলিশ বাহিনী সংস্কারের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত বছরের নভেম্বরে বাহিনীটির ইউনিফরম (পোশাক) পরিবর্তন করে। পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে লৌহ রঙের নতুন পোশাক প্রবর্তন করে পুলিশ বাহিনীতে। কিন্তু নতুন এ পোশাক নিয়ে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তা ছাড়া নতুন এই পোশাকের সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পোশাকের অনেকটাই মিল রয়েছে। অনেক বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের রক্ষীদের পোশাকের সঙ্গেও পুলিশ বাহিনীর নতুন পোশাকের সাদৃশ্য রয়েছে। এসব বিষয় ইতোমধ্যে সরকারের দায়িত্বশীলদের নজরে এসেছে। তারাও নতুন ইউনিফরম পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দমন-পীড়নের অভিযোগ ওঠার পর থেকে তীব্র সমালোচনার মুখে পুলিশ বাহিনীর সংস্কার ও ইউনিফরম পরিবর্তনের দাবি ওঠে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পোশাক বাছাই করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে। পরে সেই কমিটির বাছাই করা রঙের ইউনিফরম সরকার অনুমোদন করে। এরই অংশ হিসেবে গত বছরের ১৪ নভেম্বর থেকে সব মহানগর পুলিশ লৌহ রঙের নতুন ইউনিফরম পরে দায়িত্ব পালন শুরু করে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে জেলা পুলিশও নতুন ইউনিফরম পরা শুরু করে। তবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও স্পেশাল প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের (এসপিবিএন) আগের ইউনিফরম বহাল রাখা হয়। ১১ নভেম্বর পোশাকের সঙ্গে সঙ্গে সবারই মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছিলেন, পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়ে গেছেÑ পুলিশের জন্য, র‌্যাবের জন্য এবং আনসারের জন্য। তিনটা সিলেক্ট করা হয়েছে। এটা ইমপ্লিমেন্ট হবে আস্তে আস্তে। একসঙ্গে সব করা যাবে না।

পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের পর বিশেষজ্ঞরা বলেন, পুলিশ সদস্যের নিজেদের কার্যকলাপ যদি পরিবর্তন না করা যায়, তবে পোশাক পরিবর্তন করে খুব বেশি কাজে আসবে না। শুধু সরকারের অর্থ ব্যয় হবে। কারণ আগেও অনেকবার পোশাক পরিবর্তন হয়েছে পুলিশের। কিন্তু পুলিশের কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত বছর ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে এই পুলিশই গুলি চালায়। যে কারণে পোশাক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের মনোভাবেরও পরিবর্তন জরুরি।

জানতে চাইলে সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদাও আমাদের সময়কে বলেছিলেন, শুধু পোশাকের রঙ বদলালে হবে না। পুলিশের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তবে জুলাই আন্দোলনে পুলিশকে যেভাবে মানুষের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছিল, তাতে ইউনিফরম পরিবর্তনটা জরুরি হয়ে পড়ে। এতে অন্তত জুলাই আন্দোলন কেন্দ্র করে মানুষের সঙ্গে পুলিশের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তা কিছুটা হলেও কমে আসবে।

ঢাকার রাস্তায় দায়িত্ব পালন করা একাধিক পুলিশ সার্জেন্ট আমাদের সময়কে বলেন, পুলিশের নতুন পোশাকে রাতে ডিউটি করলে দূর থেকে এই ইউনিফরম চোখে পড়ে না। এই ইউনিফরমের ওপর আলো পড়লে ভিন্ন এক রঙ তৈরি হয়। কিন্তু আগের পোশাক অনেক দূর থেকেই দেখা যেত। দৃশ্যমান ছিল।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

দুই ম্যা*চ জিতলেও সেমি অনিশ্চিত সূর্যকুমারদের!

ক্রীড়া ডেস্ক: ভারত শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ম্যাচই হারেনি, ৭৬ রানের বড় হারে রানরেটেও হোঁচট খেয়েছে তারা। ১৮৭ রান তাড়ায় ১১১ রানে অলআউট হওয়ায় ভারতের রানরেট এখন -৩.৮। যা সূর্যকুমার যাদবদের সেমিফাইনালে ওঠার পথকে কঠিন করে তুলেছে। এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ৪ দল নিয়ে গড়া প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে। গ্রুপ ওয়ানে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে।

১. চার দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া দুই দল সেমিফাইনালে খেলবে এবার।

২. যদি একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, সে ক্ষেত্রে যে দল বেশি ম্যাচ জিতেছে, তারা ওপরে থাকবে।
৩. পয়েন্ট ও জয় উভয়ই সমান হলে নেট রানরেটের মাধ্যমে অবস্থান নির্ধারণ হবে।
৪. নেট রানরেটও সমান হলে দলগুলোর মধ্যে মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফল বিবেচনা করা হবে।

ভারত সর্বোচ্চ কত পয়েন্ট পেতে পারবে, সেটি এখন পরিষ্কার। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে যাওয়ার পর দলটি এখন বাকি দুই ম্যাচ জিতে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট জোগাড় করতে পারবে। কাগজে-কলমে কাজটি সহজ: ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়েকে আর ১ মার্চ ইডেন গার্ডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে হবে। এর একটিতেও হেরে গেলে ভারতের সেমিফাইনাল একরকম অসম্ভবই হয়ে পড়বে। যেটুকু সম্ভাবনা থাকবে, সেটিও অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফল এবং নেট রানরেটের ওপর নির্ভর করবে। তবে ভারত বাকি দুটি ম্যাচ জিতলেই যে সেমিফাইনালে উঠে যাবে, তা নয়। জয়ের পাশাপাশি নেট রানরেটের ক্ষতিও কাটিয়ে উঠতে হবে। কারণ, গ্রুপের তিনটি দলের পয়েন্ট ৪ হওয়া খুবই সম্ভব, আবার একটি দলের ছয় ও তিনটি দলের দুই পয়েন্ট করে হওয়াও সম্ভব। তাই ভারতের কাজ শুধু জেতাই নয়, ভালোভাবে জেতাও। যার অর্থ হচ্ছে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করলে দ্রুত রান তাড়া করা, আর আগে ব্যাটিং করলে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করা।

ভারতের জন্য সবচেয়ে ভালো হয় যদি দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের পরের দুই ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারায়। এতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনালে তো উঠবেই, পাশাপাশি জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানরেট কম থাকবে। সে ক্ষেত্রে আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ-জিম্বাবুয়ের ম্যাচে যে দলই জিতুক, কারও মোট পয়েন্ট চারের বেশি হবে না। আর ভারতও এ দুটি দলকে হারিয়ে দিলে ৪ পয়েন্ট পেয়ে যাবে। তখন রানরেট হয়ে উঠবে মুখ্য। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা জিম্বাবুয়ের কেউ যদি দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দেয়, তাহলে ভারতের জন্য পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে ভারতের করণীয় এখন পরিষ্কার: জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতেই হবে, অন্তত একটি জয় হতে হবে বড় ব্যবধানের, যাতে রানরেটে পিছিয়ে থাকতে না হয় ভারতের।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জুড়ীতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত!

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আধুনিক ও নানন্দিক পৌরসভা গঠনে ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজার পৌরসভায় আধুনিক ও নান্দনিক পৌরসভা গঠনে ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার কক্সবাজার পৌরসভায় বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় এবং এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রিজিলিয়েন্ট আরবান এন্ড টেরিটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (RUTDP) এর আওতায় ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা (সিডিপি), ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান (সিআইপি) এবং ক্লাইমেট অ্যাকশনপ্ল্যান (ক্রাপ) শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসক মোঃ শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ নুরুল আমিন কারিগরি বিশেষজ্ঞ ( রুটডিপি) প্রকল্প এলজিইডি।
কারিগরি সহযোগিতা এবং সঞ্চালনায় ছিলেন কক্ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রোমেল বড়ুয়া ও সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা শামীমা আকতার।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পৌরসভাগুলোকে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের পৌরসভার সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্প্রসারণ, গ্রামীণ ও নগর এলাকায় মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পটি ৮১টি পৌরসভা এবং ৬টি সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়িত হবে, যা বাংলাদেশের ৩৬টি জেলাকে অন্তর্ভূক্ত করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ২.১ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন, যার অর্ধেকই নারী।
কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ফুটপাত, সড়ক বাতী উন্নয়ন, ড্রেননির্মাণ, পাবলিক টয়লেট, বাজার ও বাসটার্মিনাল উন্নয়ন, ডাম্পি স্টেশন, সুপারমার্কেট, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, পৌর ভবন নির্মাণসহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন দিক উন্নয়ন করা হবে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প সামাজিক ও পরিবেশগত দিক বিবেচনা এবং নারীর অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে।
এলজিইডি ঢাকা থেকে আগত পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. কাজী আলমগীর কবীর, ডিআরএম এন্ড ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ বিশেষজ্ঞ মোঃ মাকছুদুল আমিন, নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার সানিম আরেফিন, সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মোঃ জাহিদুল ইসলাম সহ টাউন লেভেল কো-অডিনেশন কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম