আজ রবিবার, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 128

সোনারগাঁয়ে আরজেএফ’র অভিষেক, গুণীজন সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত!

মো: সুজন খান নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় সোনারগাঁ উপজেলা রুরাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)-এর নবনির্বাচিত কমিটির উদ্যোগে অভিষেক, গুণীজন সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানটি সোনারগাঁ শপিংমলের কলাপাতা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ওবাইদুল কাদের নদভী কাসেমী, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, মাদরাসাতুশ শরফ আল-ইসলামিয়া ও এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠানসমূহ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আরজেএফ-এর চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব মোঃ আতাউর রহমান (মোগরাপাড়া)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং হাজী মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন পরিষদ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মহিউদ্দিন খান, ইমাম ও খতীব, চৌরাস্তা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক ফাহাদুল ইসলাম, সভাপতি, আরজেএফ সোনারগাঁ শাখা এবং সঞ্চালনায় ছিলেন উজ্জ্বল হোসেন মাসুম, সাধারণ সম্পাদক, আরজেএফ সোনারগাঁ শাখা। অনুষ্ঠানে বক্তারা সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চার আহ্বান জানান এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্ত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আমির শিরালি জনসমর্থনে এগিয়ে আছেন

শহিদুল্লাহ সরকার: আসন্ন ইউপি নির্বাচনে জনসমর্থনে এগিয়ে আছেন। বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমির শিরালি তিনি তার নিজ অর্থায়নে অসহায় দরিদ্র মানুষ কে সহায়তায় বিরল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তিনি। আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আমির শিরালির বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,এলাকার প্রত্যেক ঘর থেকে শুরু করে চায়ের দোকান পর্যন্ত মানুষের মাঝে আমির শিরালি কে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। সবার মুখে একটাই কথা আমির শিরালির মত এই এলাকায় কেও  উন্নয়ন মূলক কাজ করতে পারবে না। চায়ের দোকানে বসে থাকা খাগান এলাকার ভোটার নুর মোহাম্মদ এর সাথে কথা হয় আমাদের , তাকে প্রশ্ন করা হয় এবার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ্য ব্যক্তি কে আসলে ভালো হবে। প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির সভাপতি আমির শিরালি একজন ভালো মানুষ। তার মত কেউ এই এলাকার চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্যতা রাখেনা। আমরা বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আমির শিরালি কে দেখতে চাই।

 

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে জামায়াত-এনসিপির শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাম*লা

এস. এম. জালাল উদদীন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর বাসায় নির্বাচনের পূর্বে হামলার অভিযোগে জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান চুনু বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জুড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, তাঁর ভাই আতিকুল ইসলাম, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, জুড়ী উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল হাই হেলাল, সেক্রেটারি মো. আজিম উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ফয়সল আহমদ, জায়ফরনগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন, এনসিপির মৌলভীবাজার জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও জুলাই যোদ্ধা আফজাল হোসাইন, যুবশক্তির জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম রুমেল এবং ছাত্র শিবিরের জেলা কলেজ সম্পাদক ও জুড়ীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী মো. তারেক মিয়াকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাম উল্লেখ করা ও অজ্ঞাত আসামিরা মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর বাসায় নির্বাচনের পূর্বে হামলার অভিযোগে জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান চুনু বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জুড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ৬০/৭০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার জামায়াত, শিবির ও এনসিপির নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি কয়েকজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিও রয়েছেন। এদিকে দৈনিক সংবাদ সারাবেলার জুড়ী প্রতিনিধি সাংবাদিক খোরশেদ আলমকেও আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাম উল্লেখ করা ও অজ্ঞাত আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ বাদী ও তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের মারধরের উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজার-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর জুড়ী শহরের কলেজ রোডস্থ বাসা ও প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে হামলা চালায়। এতে প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাছুম রেজা, মামলার বাদী ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, নাজমুল ইসলাম, আজমল হোসেন পলাশ, সানসুদ্দোহাসহ কয়েকজন আহত হন এবং প্রার্থীর ব্যক্তিগত গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজিবির টহল দলসহ ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা চলে যায়। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মিনহাজ উদ্দিন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শ্রীমঙ্গল খালে বর্জ্য অপসারণ কাজের উদ্বোধন করেন মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) এমপি

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলাম, চায়ের রাজধানী পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলকে সুন্দর রাখতে ও জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য খাল,কৃষিজমি থেকে পলিথিন, শ্রীমঙ্গল খালে বর্জ্য অপসারণ কাজের উদ্বোধন করেন মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী ( হাজী মুজিব) এমপি শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলাম আল আমিন চায়ের রাজধানী পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলকে সুন্দর রাখতে ও জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য খাল,কৃষিজমি থেকে পলিথিন, প্লাস্টিক পণ্য ও অপচনশীল বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার( ২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শহরতলীর ভূরভুড়িয়া ছড়ায় জমাটবদ্ধ বর্জ্য অপসারণ কাজের উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইসলাম উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহিবুল্লাহ আকন্দ, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইউসুফ হোসেন খান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূরুল আলম সিদ্দিকী,স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরা। পরে মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) এমপি শহরতলীর বিভিন্ন পরিবারের মধ্যে বারবার ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ বিতরণ করেন, যাতে প্লাস্টিক ও পচনশীল বর্জ্য জমা রাখা যায়। পাশাপাশি পলিথিনের ব্যবহার কমানো ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় উনি সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, শপথ গ্রহণের পর থেকে দেশ পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। তার দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন অঞ্চল।তাই এলাকাকে সবসময় পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব, সম্মিলিত সচেতনতার মাধ্যমেই একটি সুন্দর,গোছানো ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্যেই ধারাবাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে, যা চলমান থাকবে।প্লাস্টিক পণ্য ও অপচনশীল বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার( ২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শহরতলীর ভূরভুড়িয়া ছড়ায় জমাটবদ্ধ বর্জ্য অপসারণ কাজের উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইসলাম উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহিবুল্লাহ আকন্দ, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহিরুল ইসলাম মুন্না, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইউসুফ হোসেন খান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূরুল আলম সিদ্দিকী সহ বিএনপি’র বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ,স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরা। পরে মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) এমপি শহরতলীর বিভিন্ন পরিবারের মধ্যে বারবার ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ বিতরণ করেন, যাতে প্লাস্টিক ও পচনশীল বর্জ্য জমা রাখা যায়।

পাশাপাশি পলিথিনের ব্যবহার কমানো ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় উনি সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, শপথ গ্রহণের পর থেকে দেশ পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। তার দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন অঞ্চল।তাই এলাকাকে সবসময় পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব, সম্মিলিত সচেতনতার মাধ্যমেই একটি সুন্দর,গোছানো ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্যেই ধারাবাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে, যা চলমান থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নিত্যপণ্যের বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি ফিরেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রমজান মাস চলছে। সাধারণত এ মাসে দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। তবে এবার অধিকাংশ পণ্যের দাম স্থিতিশীল এবং কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে আবার কিছু কমেছে।

২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাজধানীর পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে। রায়সাহেব বাজারের ব্যবসায়ী জানান, এবার রমজানে কোনও জিনিসের দাম বাড়েনি বরং দেশি পেঁয়াজ, রসুন, আদার দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে; যে কারণে ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেখা গেছে।অন্যদিকে, চাহিদা কমে যাওয়ায় লেবু, বেগুন, কাঁচামরিচসহ রোজা সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামও কমে এসেছে। পাশাপাশি অন্যান্য প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি অন্তত ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

রোজার আগের দিন যে লেবু হালিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। একইভাবে শসা ও বেগুনের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। বর্তমানে শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে এবং বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায় এবং পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম আপাতত স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

Untitled-1-Recoveredএখানে বাজার করতে আসা রহমান নামে এক ক্রেতা জানান, আসলেই দাম কিছুটা কম মনে হচ্ছে, এমন থাকলে ভালো। চাই আরও দাম কমুক। রোজার শুরুতে কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা উঠেছিল। তবে বর্তমানে সেই দাম অনেকটাই কমেছে। বিভিন্ন বাজারে ভালো মানের কাঁচামরিচ খুচরায় বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজি। আর পাড়া-মহল্লার ভ্যানে সাধারণ মানের মরিচ পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়।

অন্যদিকে, রোজাকে কেন্দ্র করে ফুলকপি, মুলা ও শিমের মতো কিছু সবজির চাহিদা কমে গেছে। ফলে এসব পণ্যের দামও নেমে এসেছে। বর্তমানে শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। একই দামে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে মুলা, গাজর, পেঁপে, ফুলকপি ও বাঁধাকপিসহ পাঁচ থেকে ছয় ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদা কম থাকায় বাজারে এসব পণ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে মাছের বাজারে কিছুটা দাম বৃদ্ধি দেখা গেছে। বাজারের মাছ বিক্রেতা জানান। সব মাছেই কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা দাম বেড়েছে। এখন তেলাপিয়া মাছ বিক্রি করছি কেজি ২২০ টাকা, রুই ছোটটা ২৬০ টাকা, বড়টা ৩২০ টাকা, পাঙাশ বড়টা ২২০ টাকা ছোটটা ১৮০ টাকা করে বিক্রি করছি। প্রত্যেকটারই কেজিতে কিছুটা দাম বেড়েছে।

29711055b8e53366f46f477dc194e96e-692985de8482eমাংস ও ডিমের বাজারে স্বস্তি দেখা গেছে। কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে; যা একই বাজারে রোজার আগে ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা করে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংসের দাম। রমজানের আগের কয়েক সপ্তাহ ধরে গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে দেখা গেছে; যা এখনও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি বর্তমানে প্রতি জেকি ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। এছাড়া ফার্মের মুরগির ডিম ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ইরানকে বুঝতে কি ভুল করছে ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোনের গুঞ্জন যখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখন পশ্চিমা দেশগুলো একে কেবল একটি ‘উপদ্রব’ হিসেবে দেখেছিল। কিন্তু সেই সাধারণ ড্রোনই আজ ইরানের সমরকৌশলের এক শক্তিশালী স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়াশিংটন ইরানের এই পরিবর্তনের ভাষা বুঝতে মারাত্মক ভুল করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যকে এক অনিয়ন্ত্রিত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। মার্কিন সাময়িকী ফরেন পলিসি এ খবর জানিয়েছে।

২০২৫ সালের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের পর বর্তমান পরিস্থিতি আবারও সেই উত্তেজনার চরমে পৌঁছেছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে আসার জন্য মাত্র কয়েক দিনের সময় বেঁধে দিচ্ছেন, অন্যদিকে তেহরান প্রস্ততি নিচ্ছে ‘কারবালা’র আদর্শে চরম প্রতিরোধের।

পাশ্চাত্যের ধারণা ছিল সামরিক চাপ দিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে নতিস্বীকার করানো যাবে। কিন্তু ইরানের কৌশল এখন আর কেবল নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের সক্ষমতা অর্জন করেছে। শাহেদ ড্রোনের মতো সস্তা কিন্তু কার্যকর অস্ত্র দিয়ে তারা ইসরায়েলের বহুমুখী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরান এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি কৌশলগত ভাষায় কথা বলছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সামরিক চাপ হলো একটি কূটনৈতিক দর-কষাকষির হাতিয়ার। কিন্তু ইরানের আদর্শিক অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সম্প্রতি ‘কৌশলগত সংযম’ থেকে সরে এসে ‘কারবালার লড়াই’-এর ভাষা ব্যবহার শুরু করেছেন। শিয়া রাজনৈতিক চেতনায় এর অর্থ হলো, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করার চেয়ে মৃত্যুকে বেছে নেওয়া। ওয়াশিংটন যখন একটি ‘সীমিত হামলার’ মাধ্যমে ইরানকে দমানোর পরিকল্পনা করছে, ইরান তখন একে দেখছে তাদের অস্তিত্বের ওপর আঘাত হিসেবে।

যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে ইরানপন্থি হিজবুল্লাহ বা ইরাকি মিলিশিয়াদের দুর্বল করে দেওয়ায় ঝুঁকি কমেছে। কিন্তু সমরবিদদের মতে, দুর্বল হয়ে পড়া পক্ষ যখন অস্তিত্বের সংকটে পড়ে, তখন তারা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠে। পশ্চিমা অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেন, খামেনি-পরবর্তী ইরান হয়তো নরম হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে। তেহরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস ইতোমধ্যে এমন এক উত্তরাধিকার পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছে, যা যুদ্ধের মানসিকতায় আরও কঠোর ও অনমনীয়। যুক্তরাষ্ট্রের একটি সীমিত হামলা বরং ইরানের কট্টরপন্থিদের আরও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে।

বিখ্যাত সমরবিদ ক্লজউইৎস বলেছিলেন, ‘যুদ্ধে সব কিছুই খুব সহজ, কিন্তু সহজ বিষয়গুলোই করা সবচেয়ে কঠিন।’ ওয়াশিংটনের মানচিত্রে যা একটি ‘নিয়ন্ত্রিত হামলা’ মনে হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতায় তা একটি অনিয়ন্ত্রিত এবং দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক যুদ্ধের সূচনা করতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফ্রি ওয়াইফাই চালু করা হবে : ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণস্থানে ফ্রি ওয়াইফাই চালু করা হবে। বিশেষ করে এয়ারপোর্ট, রেলস্টেশন, বাসস্টেশন, দূরপাল্লার বাসে খুব দ্রুতই ফ্রি ওয়াইফাই চালু করা হবে। আইসিটি সেক্টরে সারাদেশে ব্যাপক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেব কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন- সরকারের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সাথে পরামর্শ করে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় আইসিটি পার্ক স্থাপনের কথা আমরা চিন্তা করতে পারি। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, আমাদের বড় বড় তিনটি টেকপার্ক রয়েছে- সেগুলোতে আমাদের ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে হবে। আমরাও চেষ্টা করছি।
মতবিনিময় সভায় তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি নিয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুব হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট(শিক্ষানবীশ) লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীন এবং জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ দপ্তরের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

 

আমার প্রিয় বন্ধুকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি: রাশমিকা

বিনোদন ডেস্ক:
দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন দক্ষিণ ভারতীয় তারকা জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মান্দানা। ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাজস্থানের উদয়পুরে তেলুগু রীতিতে সম্পন্ন হওয়া বিয়ের প্রথম ঝলক ভাগ করে নিয়েছে এই নবদম্পতি। ছবিতে এই ‘বিরোশ’ জুটির চিরাচরিত দক্ষিণী-রাজকীয় সাজ এবং আবেগঘন উপস্থিতি ভক্তদের নজর কেড়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, বিজয় দেবরাকোন্ডা পরেছেন সাদা ধুতি এবং লাল রঙের জমকালো উত্তরীয়, সাথে ছিল ভারী সোনার গয়না। অন্যদিকে রাশমিকা বেছে নিয়েছেন লাল টুকটুকে রঙের কারুকার্যখচিত শাড়ি ও কপালে নজরকাড়া সোনার টায়রা। এছাড়া কুনজর থেকে বাঁচাতে দক্ষিণ ভারতীয় রীতি অনুযায়ী রাশমিকা ও বিজয়- দুজনের গালে আঁকা ছিল একটি কালো তিল।

বিয়ের ছবি শেয়ার করে অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডা তার মনের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। লেখেন, আমি বুঝেছি আমার ওকে দরকার। ও পাশে থাকলে মনে হয় আমি যেন ঘরেই আছি। আমি আমার প্রিয় বন্ধুকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি।
অন্যদিকে রাশমিকাও বিজয়ের উদ্দেশ্যে একটি দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে নিজের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বিজয়কে নিয়ে কথা উঠলে রাশমিকা এড়িয়ে গেলেও বিয়ের দিনে মনের সব কথা উজাড় করে দেন তিনি।

২০১৮ সালে ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমায় অভিনয়ের পর থেকেই বিজয় ও রাশমিকার প্রেম নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।

ভক্তদের কাছে এই জুটি ‘বিরোশ’ নামে ব্যাপক জনপ্রিয়। দুই পরিবারের উপস্থিতিতে তারা তেলুগু রীতির পাশাপাশি কনের ঐতিহ্য মেনে কর্ণাটকের কোডাভা রীতিতেও বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে এই তারকা দম্পতির বিয়ের ছবিগুলো ইন্টারনেটে ভাইরাল।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতার মাহফিলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ইফতার মাহফিলের দাওয়াত গ্রহণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে তার হাতে এই আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। মন্ত্রী সানন্দে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন আখতার হোসেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হতে যাচ্ছে। ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়েই শুরু হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল কর্মসূচি।

আখতার হোসেন আরও জানান, এই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

 

পাকিস্তান আগ্রাসী বাহিনীকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে : শেহবাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যে কোনো আগ্রাসী বাহিনীকে ধ্বংস করার মতো ক্ষমতা পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর আছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি আরও বলেছেন, আফগানিস্তানে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী, তাতে পুরো জাতির সমর্থন আছেন।

আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় শেহবাজ বলেন, “আমাদের সেনাবাহিনী যে কোনো আগ্রাসী বাহিনীর উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে ধ্বংস করার মতো পূর্ণ সক্ষমতা রাখে। আমাদের পুরো জাতি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আছে।”

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাক-আফগান সীমান্তবর্তী ডুরান্ড লাইন এলাকায় পাক সেনাচৌকিগুলো লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালিয়ে অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী। সেই সঙ্গে আরও কয়েকজন সেনাকে ধরে নিয়ে যায় তারা।

হামলা চলাকালে এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “আমাদের সেনারা নাইট ভিশন এবং লেজার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এবার তাদের (পাকিস্তানি সেনাবাহিনী) আমরা নরকে পাঠাব।”

মুজাহিদ আরও জানান, ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে যে বিমান অভিযান চালিয়েছিল পাকিস্তানের বিমানবাহিনী, তার বদলা হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে। পাকিস্তান বাহিনীর সেই অভিযানে নানগারহার এবং পাকতিয়ায় নিহত হয়েছিলেন ৮০ জনেরও বেশি মানুষ।

হামলা শেষে রাত ১২টার দিকে আফগানিস্তান সেনাবাহিনী ফিরে যায়। তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। সেই অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানী কাবুল এবং পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশে ব্যাপক আকারে বিমান হামলা শুরু করে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী (পিএএফ)। এতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩৩ জন এবং আহত হয়েছেন আরও দুই শতাধিক।

আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীর বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংসও করেছে পিএএফ। শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি আজ শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানান, পিএএফের বোমাবর্ষণে ইতোমধ্যে আফগান সেনাবাহিনীর দু’টি সেনা হেডকোয়ার্টার, ৩টি ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দু’টি গোলাবারুদের ডিপো, একটি লজিস্টিক ঘাঁটি, ৩টি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার, ২টি সেক্টর হেডকোয়ার্টার, ৮০টিরও বেশি ট্যাংক এবং বিপুল সংখ্যক আর্টিলারি বন্দুক এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরুর পর এক্সে বার্তা পোস্ট করেন শেহবাজ শরিফ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম