আজ রবিবার, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 126

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু*তে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা!

আলোকিত ডেস্ক: ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে ৭ দিনের সরকারি ছুটি ও ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদমাধ্যম। দেশটির তাসনিম ও ফারস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতি বিমান হামলায় নিহত হন।

এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পর ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। বাংলাদেশ সময় রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি বলেছেন, ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত।

উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে তার প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ডিজিটাল অগ্রযাত্রার এক যুগ পেরিয়ে ১৩ বছরে জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব 

সীমান্ত জনপদ থেকে শক্ত ভিত্তির গল্প…
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জুড়ী, সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা জুড়ী উপজেলা। ভৌগোলিক ভাবে দূরবর্তী হলেও তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারে পিছিয়ে থাকেনি এই জনপদ। সময়ের দাবি এবং ডিজিটাল রূপান্তরের ধারায় এখানেই আত্মপ্রকাশ ঘটে এক ব্যতিক্রমী সাংবাদিক সংগঠনের—জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব।

২০১৩ সালের জানুয়ারির প্রথমার্ধে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হলেও একই বছরের মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে গঠিত হয় প্রথম আহ্বায়ক কমিটি। জুড়ী প্রেসক্লাব (১৯৯৮)-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফ্রিল্যান্স ক্রাইম জার্নালিস্ট এস. এম. জালাল উদ্দীনকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি দায়িত্ব নেয়। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন নাজমুন নাহার হোছনা, আব্দুর রহমান শাহীন ও জাকির হোসেন মনির।

প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটঃ দেশজুড়ে যখন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার পাশাপাশি অনলাইন সাংবাদিকতার প্রসার দ্রুত বাড়ছিল, তখন জুড়ীতেও স্থানীয় সংবাদকে দ্রুত, নির্ভুল ও সহজপ্রাপ্যভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়ে ওঠে। তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সংবাদ পরিবেশনা এবং তরুণ সাংবাদিকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্য নিয়েই গড়ে ওঠে জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব। শুরুর দিকে সীমিত সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও সংগঠনটি ধীরে ধীরে সুসংগঠিত কাঠামো পায়। অনলাইনভিত্তিক সংবাদকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা প্রতিষ্ঠা করাই ছিল মূল লক্ষ্য।

এক যুগের পথচলাঃ আহ্বায়ক কমিটি ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করায়। প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ সংবাদকর্মী তৈরি এবং অনলাইন সংবাদ পরিবেশনায় মানোন্নয়নের মাধ্যমে সংগঠনটি জুড়ীর সংবাদ অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। ২০১৭ সালে গঠিত হয় প্রথম পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ২০১৭-২০১৯ মেয়াদে সভাপতি ছিলেন এস. এম. জালাল উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান শাহীন। পরবর্তীতে ২০২০-২০২২ মেয়াদের নির্বাচনে আবারও সভাপতি নির্বাচিত হন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস. এম. জালাল উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক হন হাবিবুর রহমান খান। ২০১৩ সালে শোভাযাত্রার মাধ্যমে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা এখন দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়ে ১৩ বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী একটি উপজেলায় বসে ডিজিটাল সাংবাদিকতার এমন ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য।

লক্ষ্য, আদর্শ ও কার্যক্রমঃ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি বস্তুনিষ্ঠ, তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ এবং স্থানীয় সমস্যা বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরা তাদের অঙ্গীকারের অংশ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা ও নৈতিক সাংবাদিকতা বিষয়ে সদস্যদের সচেতন করতে নিয়মিত সভা, মতবিনিময় ও প্রশিক্ষণমূলক আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় দিবস পালন, আলোচনা সভা, স্মরণানুষ্ঠান, সংবাদ সম্মেলন এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ সংগঠনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। জুড়ীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, সীমান্ত, কৃষি ও পরিবেশসংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ধারাবাহিক ভাবে তুলে ধরেছেন সংগঠনের সদস্যরা। তরুণ সাংবাদিকদের দিকনির্দেশনা ও সমন্বয় সভার মাধ্যমে একটি সহযোগিতামূলক পরিবেশও গড়ে উঠেছে। সামাজিক দায়বদ্ধতাঃ সংবাদ পরিবেশনার পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সংগঠনটি সক্রিয়। দুর্যোগকালীন ত্রাণ সহায়তা, অসুস্থ সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব নিজেকে একটি দায়িত্বশীল সামাজিক সংগঠন হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সামনে যে স্বপ্নঃ বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিত্তিক সংবাদ প্রচার, লাইভ আপডেট ও তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তৈরিতে সংগঠনটির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন এবং আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এক সময়ের ছোট্ট উদ্যোগ আজ এক যুগের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। ঐক্য, নিষ্ঠা ও পেশাদার মনোভাবের সমন্বয়ে জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাব সীমান্ত জনপদে ডিজিটাল সাংবাদিকতার একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলেছে। আগামী দিনে এই অগ্রযাত্রা আরও বিস্তৃত হবে, এমন প্রত্যাশাই জুড়ীর সংবাদকর্মীদের।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

‘সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল!

বিশেষ প্রতিনিধি: ছোটপর্দার পরিচিত মুখ জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আর নেই। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে ‘আত্মহত্যা’র খবর জানানো হলেও, এবার নিজেই সামাজিকমাধ্যমে স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই অভিনেতা। এক আবেগঘন পোস্টে আলভী লিখেছেন, ‘আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি বর্তমানে নেপালে শুটিংরত ছিলাম। খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না, আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করছি, আমাকে একটু সময় দিন। আমি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করছি, ঢাকায় ফিরে সবার সাথে কথা বলব। ততক্ষণ পর্যন্ত এই শোকের মুহূর্তে আমাকে এবং আমার পরিবারকে একটু মানসিক স্বস্তি দিন। আমাদের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে হলেও দয়া করে কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াবেন না। সবাই আমার ইকরার জন্য দোয়া করবেন। উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর পালিয়ে বিয়ে করেন জাহের আলভী ও ইকরা। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শিক্ষার্থীদের আ*ত্ম*হ*ত্যার প্রবণতা উ*দ্বেগজনকভাবে বেড়েছে

আলোকিত ডেস্ক:

উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা। ২০২৫ সালে সারাদেশে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার মোট ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। হতাশা ও অভিমান থেকেই আত্নহত্যার পথ বেছে নেয় শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী। দেশের ১৬৫টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত আত্মহত্যা সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ সমীক্ষা প্রকাশ করা হয়।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক সংগঠন আঁচল ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

জরিপের ফলে দেখা গেছে, ৪০৩ জন আত্মহননকারী শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৯০ জনই স্কুল পর্যায়ের। যা মোট ঘটনার ৪৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। কলেজ পর্যায়ে ৯২ জন (২২.৮ শতাংশ), বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৭ জন (১৯.১০ শতাংশ) এবং মাদ্রাসায় ৪৪ জন (১০.৭২ শতাংশ) শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কৈশোরের সূচনালগ্নে আবেগীয় অস্থিরতা, পরিচয় সংকট এবং একাডেমিক চাপ শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

নারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি:
লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে ২৪৯ জন (৬১.৮ শতাংশ) নারী এবং ১৫৪ জন (৩৮.২ শতাংশ) পুরুষ। স্কুল পর্যায়ে ১৩৯ জন নারী এবং ৫১ জন পুরুষ, কলেজে ৫০ জন নারী এবং ৪২ জন পুরুষ আত্মহত্যা করেছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ৪১ জন পুরুষের বিপরীতে ৩৬ জন নারী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। বিশ্লেষণে বলা হয়, কৈশোরে মেয়েরা পারিবারিক ও সামাজিক চাপ, সম্পর্কগত টানাপড়েন এবং আবেগীয় সংকটে বেশি ভঙ্গুর হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পুরুষ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা ও কর্মসংস্থান সংকট বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

হতাশা ও অভিমান প্রধান কারণ:
কারণভিত্তিক বিশ্লেষণ করে জানা যায়, হতাশা ২৭.৭৯ শতাংশ এবং অভিমান ২৩.৩২ শতাংশ ঘটনার পেছনে দায়ী। হতাশাজনিত আত্মহত্যার ক্ষেত্রে নারী ৬২ জন (৫৫.৩৫ শতাংশ) এবং পুরুষ ৫০ জন (৪৪.৬৫ শতাংশ)। অভিমানে আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে নারী ৫৮ জন (৬১.৭০ শতাংশ) ও পুরুষ ৩৬ জন (৩৮.২৯ শতাংশ)।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বিশ্লেষণ:
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ৭৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ জন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের, ১৭ জন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের, ৬ জন মেডিকেল কলেজের এবং ১০ জন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থী।প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে হতাশার হার বেশি—৪৭.০৫ শতাংশ। এছাড়া অভিমান (১৭.৬৭ শতাংশ), পারিবারিক টানাপড়েন (১১.৭৬ শতাংশ) ও প্রেমঘটিত কারণ (৫.৮৮ শতাংশ) আত্মহত্যার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মহত্যার ক্ষেত্রে হতাশা (৩৬.৩৬ শতাংশ) এবং প্রেমঘটিত কারণ (২৯.৫৪ শতাংশ) উল্লেখযোগ্য। মানসিক অস্থিরতা দায়ী ১৮.১৮ শতাংশ ক্ষেত্রে।

বিভাগভিত্তিক পরিস্থিতি:
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১১৮ জন (২৯.২৪ শতাংশ) শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। চট্টগ্রামে ৬৩ জন (১৫.৬৩ শতাংশ), বরিশালে ৫৭ জন (১৪.৪ শতাংশ) এবং রাজশাহীতে ৫০ জন (১২.৪০ শতাংশ)।সমীক্ষায় বলা হয়, এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের সমস্যা নয়; বরং জাতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত এক সামাজিক সংকট।

বয়সভিত্তিক চিত্র সবচেয়ে উদ্বেগজনক:
১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মহত্যার হার ৬৬.৫০ শতাংশ। এদের মধ্যে ১৯০ জন নারী ও ৭৮ জন পুরুষ। ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার হার ২২.৬ শতাংশ; যেখানে পুরুষ ৫১ জন এবং নারী ৪০ জন। ১ থেকে ১২ বছর বয়সী ৪৪ জন শিশুর আত্মহত্যা সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাঠামোগত পরিবর্তনের আহ্বান:
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পরিবারে খোলামেলা যোগাযোগের অভাব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পেশাদার কাউন্সেলিং ব্যবস্থার ঘাটতি এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সামাজিক অজ্ঞতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ এম আর এম

সংসদ সদস্যের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করে মানববন্ধন

আরিফুর রহমান:

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলমান উত্তেজনা এবং সহিংসতার অভিযোগে অবশেষে রাস্তায় নেমেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার বিকেলে পাকা সড়কে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে তারা নির্যাতন, হামলা ও কথিত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ দাবি করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শতাধিক গ্রামবাসীর অভিযোগ, বহিষ্কৃত এক রাজনৈতিক কর্মী তাজউদ্দিন ও তার অনুসারীদের কর্মকাণ্ডে গ্রামে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, গত কয়েক মাসে একাধিক মারধর, ভাঙচুর, হুমকি এবং মামলা–সংক্রান্ত ঘটনার জেরে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।গ্রামবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি মসজিদের ভেতরে ঢুকে হামলার একটি ঘটনা এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও মানববন্ধনে জানানো হয়। ঘটনাটিকে ঘিরে ক্ষোভ আরও তীব্র হয় এবং শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে সবাই একমত হন।অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় পর্যায়ের কিছু সদস্যের ‘নীরব ভূমিকা’র কারণে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, শুধু আশ্বাস নয় কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ এখন জরুরি।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইজাদ্দুর রহমান, সৈয়দ আলী, সিকন্দর আলী, আবদুল জব্বার, জুনাব আলী, আব্দুর রহিম, আব্দুল বারি, আব্দুর রহমান, আওয়াল শাহ, ওসমান আলী, কামাল মিয়া, আল আমিন, সমুজ আলী, তখদ্দুছ আলী, মুজিবুর রহমান, তৈয়মুছ আলী, মইন উদ্দিন, আলা উদ্দিন, সেলিম আহমদসহ আরও অনেকে।বক্তারা বলেন, আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে। কিন্তু বারবার হামলা ও হয়রানির কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না স্থানীয়রা। তাদের মতে, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।মানববন্ধন থেকে সুনামগঞ্জ–৫ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়। গ্রামবাসীর দাবি, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই গহরপুরে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।গ্রামবাসীর প্রধান দাবিগুলো হলো,সব ধরনের সহিংসতা ও ভয়ভীতি বন্ধ,মসজিদে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার,এলাকায় টহল ও নিরাপত্তা জোরদার, নিরপেক্ষ প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ,শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

আইসিসির জানুয়ারির মাসসেরা বাংলাদেশের মোস্তারি

ক্রীড়া ডেস্ক:

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশের সোবহানা মোস্তারি। জানুয়ারিতে আইসিসির নারী ক্রিকেটার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

মাস সেরার লড়াইয়ে আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক গ্যাবি লুইস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাঁহাতি পেসার তারা নরিসের সঙ্গে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মোস্তারি। গত মাসে অনুষ্ঠিত বাছাইপর্বে প্রথম ছয় ম্যাচে ২২৯ রান করেন তিনি। গড় ছিল ৪৫.৮০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৪৫.৮৫। টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন এই তারকা ব্যাটার।

থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯ রানের জয়ে জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় মূল আসরের টিকিট নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ৫৯ রান করে টুর্নামেন্টে নিজের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন মোস্তারি এবং হন ম্যাচসেরা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও ৪৭ রানের আরেকটি দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট স্থগিত

আলোকিত ডেস্ক:

ইসরায়েলের পর সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও সৌদি আরবে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। উপসাগরীয় এই পাঁচ দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত এসব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে বলে শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।

তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কয়েক দফা আলোচনার পর শনিবার সকালে ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ পাঁচটি শহর লক্ষ্য করে এ হামলা হয়।

অন্যদিকে ইসরায়েলসহ আশপাশের দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোনার দাম আরেক দফা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে । এর ফলে ভরি প্রতি সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে করে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি বেড়ে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় উঠেছে। গত শুক্রবার যা ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বাড়ার কারণে স্থানীয় বাজারে দাম বাড়ানো হয়েছে।

বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।

সোনার দামের সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা।

এদিকে বিশ্ব বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখি রয়েছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ২৭৮ ডলার উঠেছে।যা ৩০ জানুয়ারির আগে ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।

আলোকিত প্রতিদিন/ এম আর এম

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে রপ্তানি করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি উদ্বৃত্ত খাদ্য বিদেশে রপ্তানির উপযোগী করে তুলতে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে খরিপ-১ মৌসুমে পাট ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাট বীজ, সার ও কৃষি সরঞ্জাম বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল সদর।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইল সদরের একটি বৃহৎ অংশ চরাঞ্চল। চর এলাকার উন্নয়নে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। তিনি জানান, চরের অনেক পতিত জমি রয়েছে। এসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনা গেলে প্রান্তিক কৃষকরা উপকৃত হবেন, পাশাপাশি আশেপাশের জেলাগুলোতেও খাদ্য সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি আমরা উদ্বৃত্ত খাদ্য বিদেশে রপ্তানি করতে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ। সেই লক্ষ্যেই আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রথম চরাঞ্চলে সেচযন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পাট বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। কৃষকরা যেন সঠিকভাবে সার পায়, সে জন্য সর্বোচ্চ তদারকি করা হচ্ছে। সার পেতে কারও কোনো অসুবিধা হবে না।

প্রান্তিক কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সরকার ভবিষ্যতেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধনী) এর পরিচালক জিয়াউর রহমান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আশেক পারভেজ, কৃষিবিদ নূরে আলম সিদ্দিকী প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/মওম

না ফেরার দেশে চলে গেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী

বিনোদন ডেস্ক:
না ফেরার দেশে চলে গেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা। জানা যায়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা নিজে। এমন আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকাহত তাদের ভক্তরা ।

বর্তমানে জাহের আলভী নাটকের শুটিংয়ে নেপালে অবস্থান করছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়ে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে একটি বার্তা দিয়েছেন। লিখেছেন, আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি বর্তমানে নেপালে শুটিংয়ের কাজে ব্যস্ত আছি । এমন খবর শুনতে হবে আমি ভাবতেও পারি নাই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।

অভিনেতা আরও লেখেন, আমার শুভাকাঙ্ক্ষী, সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করছি, আমাকে একটু সময় দিন। আমি দ্রুত ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছি, ফিরে সবার সাথে কথা বলব। ততক্ষণ পর্যন্ত এই শোকের মুহূর্তে আমাকে এবং আমার পরিবারকে একটু মানসিক স্বস্তি দিন।

জানা যায়, ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জাহের আলভী ও ইকরা। দীর্ঘ ১৫ বছরের এই দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

অভিনেতার অনুরোধ, আমাদের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে হলেও দয়া করে কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াবেন না। সবাই আমার ইকরার জন্য দোয়া করবেন।

ইকরার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে ভক্ত ও পরিচিতদের ভিড় বাড়ছে। মৃত্যুর মাত্র ৫ ঘণ্টা আগেও তিনি একটি পোস্ট দিয়েছিলেন, যার মন্তব্যঘরে রীতিমতো স্তব্ধ অনুরাগীরা। সেখানে প্রায় সকলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

একজন মন্তব্য করেছেন, অন্তত সন্তানের জন্য হলেও যেন মৃত্যুর এই খবরটি মিথ্যা হয়। আরেকজন লিখেছেন, আলভীর জন্মদিনে মা-ছেলের সুন্দর ভিডিও দেখার পর এমন সংবাদ কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়।

আলোকিত প্রতিদিন/ এম আর এম