আজ শুক্রবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৬ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 103

সালমান আলি আঘা পেলেন শাস্তি

ক্রীড়া ডেস্ক:

বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে রানআউটের পর মেজাজ হারান পাকিস্তানি ব্যাটার সালমান আলি আঘা। আউট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় গ্লাভস হেলমেট ছুড়ে মারেন।

আবার প্রতিপক্ষের ক্রিকেটারদের সঙ্গে তর্কেও জড়ান তিনি। যার জেরে ধারণা করা হচ্ছিল শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন সালমান। বিসিবির একজন অফিসিয়াল নিশ্চিত করেছেন, সালমানকে তিরস্কারের সঙ্গে এক ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। আইসিসি দ্রুতই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে জানাবে।

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ, প্রতিপক্ষ ফিল্ডারদের গালাগালি; মাঠের ভেতরে এবং বাইরে গ্লাভস-হেলমেট ছুড়ে মারা! এই তিন অপরাধের জন্য ম্যাচ শেষে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তান ইনিংসের ৩৯তম ওভারের। মিরাজ তার দশম ওভারের প্রথম তিন বলে দেন মাত্র এক রান। চতুর্থ বলটি করলে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। বলটি আসছিল সোজা মিরাজের দিকেই। তবে রান নিতে এগিয়ে যাওয়া সালমান চেয়েছিলেন বলটি মিরাজকে এগিয়ে দিতে।

কিন্তু তাকে সেই সুযোগ দেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। দ্রুত বলটি কুড়িয়ে স্টাম্প ভাঙেন তিনি। এভাবে রান আউট হওয়াটা যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না সালমানের। শেষ পর্যন্ত থার্ড আম্পায়ার তাকে আউট ঘোষণা করলে মেজাজ হারিয়ে মাঠ ছাড়েন সফরকারী অধিনায়ক।

রান আউট ইস্যুতে পরে সালমান আলি আঘা বলছিলেন, ‘আমি মনে করি স্পোর্টসম্যান স্পিরিট থাকা উচিত। সে (মিরাজ) যা করেছে, তা নিয়মের মধ্যেই আছে। আমি মনে করি সে যদি এটাকে সঠিক মনে করে, তবে এটা সঠিক। কিন্তু আপনি যদি আমার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চান, আমি অন্যভাবে করতাম।’

আলোকিত প্রতিদিন / ১৪মার্চ ২০২৬ /মওম

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: তারেক রহমান

আলোকিত ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আল্লাহর রহমতে ও জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়নের কাজ শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এর জন্য আমি আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া জানাচ্ছি।

শনিবার (১৪ মার্চ) ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন ও অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন রয়েছেন। একইসঙ্গে রয়েছেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ধর্মের ধর্মীয় নেতৃত্ব। পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ। যে উদ্দেশ্যে আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, ইতোমধ্যেই আপনারা সেটি জেনেছেন। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে ভালো থাকব। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।

তারেক রহমান বলেন, যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাঁবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতোমধ্যেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারাদেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি। খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আজ থেকে চালু হলো আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি।

তারেক রহমান বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনুল কারিমে রয়েছে। ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষা-দীক্ষা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও বেশি করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন, সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি… আমি আশা করি, দ্রুততম সময়ে আমরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব, ইনশাআল্লাহ।

অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া… এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি। রাষ্ট্র-সমাজ এবং পরিবেশ-প্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।

পবিত্র হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই।’ ‘প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা’মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব সমাজ গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরনের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করেছিলেন।

১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া সরকারের সময় দেশে ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা’ কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরও কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

তিনি আরও বলেন, খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানিত ভাতা দেওয়ার যে কর্মসূচি সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় মোট ৪৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা কেউ মসজিদে কিংবা যার যার ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক-সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশীদার করতে চাইলে, সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য আসছে কৃষক কার্ড গোয়ালন্দে মতবিনিময় সভা

 রুহুল আমিন:
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চরাঞ্চলে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে “বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় মাঠ দিবস ও কৃষক কার্ড বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় গোয়ালন্দ উপজেলার চারটি চর এলাকায় কৃষির নিবিড়তা বৃদ্ধি ও শস্যের বহুমুখীকরণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চর অঞ্চলে ১৪টি ফসলের উৎপাদন বাড়াতে প্রদর্শনী স্থাপন, মাঠ দিবস আয়োজন, কৃষক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সম্প্রসারণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে চরাঞ্চলের কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে এবং কৃষকদের মধ্যে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের আগ্রহ বাড়ছে।
এছাড়া কৃষকদের তথ্যভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ড প্রবর্তনের লক্ষ্যে প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপঁচা ব্লকের ( ৭, ৮ ও ৯)নং ওয়ার্ডের  কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।
জানা গেছে, সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে মাত্র ১০টি অনুরূপ ব্লকে পরীক্ষামূলকভাবে কৃষক কার্ড প্রণয়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০টি জেলায় একযোগে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব  সাথী দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কামরুল হাসান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজবাড়ীর উপপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কমকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দারসহ কৃষি  বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ও কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম তিনি বলেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চরাঞ্চলের কৃষিকে আরও উন্নত করা সম্ভব। কৃষক কার্ড চালু হলে কৃষকদের তথ্যভিত্তিক সেবা প্রদান সহজ হবে এবং সরকারি সহায়তা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
আলোকিত প্রতিদিন / ১৪মার্চ ২০২৬ /মওম

আমিরাতে মার্কিন আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব গোপন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার হুমকি দিয়েছে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার আমিরাতকে সতর্ক করে দিয়ে আইআরজিসি বলেছে, দ্বীপে হামলার পর আমিরাতে গোপনীয় সব মার্কিন আস্তানা এখন আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

আইআরজিসি বলেছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং ভূখণ্ড রক্ষার বৈধ অধিকার হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন শত্রু, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের উৎসস্থল, ব্যবহার করা বন্দর ও ডক এবং মার্কিন সৈন্যদের আস্তানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে আইআরজিসি।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদেরও সতর্ক করে দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। একই সঙ্গে আমিরাতের জনবহুল সব এলাকায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বন্দর, ডক এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার জন্য বাসিন্দাদের আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি। বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দরগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করছে তেহরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে আমিরাতের স্থানীয় বাসিন্দাদের ওইসব এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বেসামরিক নাগরিকদের অতি দ্রুত আমিরাতের বন্দর এলাকাগুলো খালি করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে আইআরজিসি।

সূত্র: এএফপি।

আলোকিত প্রতিদিন / ১৪মার্চ ২০২৬ /মওম

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গাইবান্ধায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

রানা ইস্কান্দার রহমান:

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গাইবান্ধায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা। এ উপলক্ষ্যে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালির অগ্রভাগে ডেঙ্গু মশা নিধন এবং চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতীকী চিত্র ও বার্তা সংবলিত একটি বিশাল সচেতনতামূলক ব্যানার প্রদর্শন করা হয়।

র‍্যালিতে সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য, বিএনসিসি, স্কাউটস, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আগে থেকেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

র‍্যালি শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে নিজ নিজ বসতবাড়ির আঙিনা, ফুলের টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার এবং ছাদে জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত ফেলে দিতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকের ব্যক্তিগত সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

জেলা প্রশাসনের এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে গাইবান্ধার সচেতন নাগরিক সমাজ। সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এই অভিযান ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন তারা।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সাভারের বিরুলিয়া বিএনপি সভাপতির পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ!

শহিদুল্লাহ সরকার: সাভারের বিরুলিয়া বিএনপি সভাপতি আমির শিরালির পক্ষ থেকে অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন, উপহার হিসেবে জনপতি ১কেজি চিনি, সেমাই ২ প্যাকেট, ১কেজি পোলাও চাউল, ৫০০ গ্রাম গুরো দুধ, ২কেজি পিয়াজ, ২কেজি আলু, এই ঈদ উপহার ১২ শ অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নবীনগরে স্বপ্নের নবীনগর ফেসবুকের উদ্যোগে ঈদ উপহার পেল ২৫০ পরিবার

মোঃ আনোয়ার হোসেন:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সামাজিক সংগঠন স্বপ্নের নবীনগর মানবতার কল্যাণে ফেসবুক গ্রুপের ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ মার্চ শনিবার সকালে নবীনগর মহিলা ডিগ্রি কলেজ অডিটোরিয়ামে সমাজের ২৫০ জন দুঃস্থ অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা আলম এবং গ্রুপ সভাপতি মেহেদী হাসান শাহীন এর দিক নির্দেশনায় গ্রুপের সিনিয়র সহ সভাপতি মাহবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ হোসেন শান্তি।

সিনিয়র গ্রুপ পরিচালক কাইয়ুম খানের পরিচালনায় ও নির্বাহী গ্রুপ পরিচালক রফিকুল ইসলাম রফিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও গ্রুপের অন‍্যান‍্য সদস‍্যবৃন্দের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি বলেন, “স্বপ্নের নবীনগর মানবতার কল্যাণে ফেসবুক গ্রুপের এ ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।”

গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা আলম বলেন, “স্বপ্নের নবীনগর মানবতার কল্যাণে ফেসবুক গ্রুপ সবসময় সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

আলোকিত প্রতিদিন / ১৪মার্চ ২০২৬ /মওম

নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: তারেক রহমান

আলোকিত প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকের ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানে আপনারা এমন কিছু মানুষ একত্রিত হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই মানুষ যাদের সম্মান করে, জীবনের অনেক কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছে দুটো ভালো উপদেশের আশা করে।

১৪ মার্চ শনিবার ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন রয়েছের। একইসঙ্গে রয়েছেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ধর্মের ধর্মীয় নেতৃত্ব। পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ। যে উদ্দেশ্যে আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, ইতোমধ্যেই আপনারা সেটি জেনেছেন।

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোছনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।

তারেক রহমান বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতোমধ্যেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারাদেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি।

তিনি বলেন, যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি…আমি আশা করি, দ্রুততম সময়ের আমরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।

তারেক রহমান বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনুল কারিমে রয়েছে। ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে।

অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া…এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।

পবিত্র হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই।’ ‘প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা’ মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব সমাজের গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরনের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করেছিলেন।

১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া সরকারের সময় দেশে ‘মসজিদভিত্তিক শিশু এবং গণশিক্ষা’ কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরও কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, সরকার সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানিত ভাতা দেওয়ার যে কর্মসূচি আপনাদের সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় মোট ৪৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। সবাইকেই পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের জন্য সরকারের এইসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা কেউ মসজিদে কিংবা যার যার ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক-সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চাইলে, আপনাদের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নেও সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

আলোকিত প্রতিদিন / ১৪মার্চ ২০২৬ /মওম

মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের আইআরজিসি সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ধরিয়ে দিতে এক কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

১৩ মার্চ শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস প্রোগ্রাম’ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রকল্পটি ‘ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস’ পরিচালনা করে।

রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস প্রোগ্রাম থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের বিভিন্ন অংশের নেতৃত্ব দেন এবং পরিচালনা করেন; যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা, সংগঠন এবং বাস্তবায়ন করেন। আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ কয়েকজন নেতার ছবি প্রকাশ করা হয়।

বলা হয়, এই নেতাদের বা আইআরজিসির অন্য গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বিষয়ে তথ্য দিলে তথ্যদানকারী পুনর্বাসনের সুযোগ পাবেন এবং আর্থিক পুরস্কারও পেতে পারেন।

সূত্র: এনডিটিভি

আলোকিত প্রতিদিন / ১৪মার্চ ২০২৬ /মওম

ধামরাইয়ে রিকশা ভাড়ায় নৈরাজ্য, নির্দিষ্ট তালিকা না থাকায় জিম্মি সাধারণ মানুষ

মামুন আহমেদ জয় : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি, ঢাকার ধামরাই উপজেলায় রিকশা ভাড়া দিন দিন লাগামহীন হয়ে পড়েছে। কোনো নির্দিষ্ট ভাড়া তালিকা বা নিয়ম না থাকায় ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে অনেক রিকশাচালকের বিরুদ্ধে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, একই দূরত্বে একেক সময় একেক রিকশাচালক ভিন্ন ভিন্ন ভাড়া দাবি করছেন। ফলে স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতেও যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। বিশেষ করে ধামরাই বাজার, বাসস্ট্যান্ড, হাসপাতাল এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে এ সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনেক সময় ভাড়া নিয়ে যাত্রী ও চালকের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক এমনকি উত্তেজনাকর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হচ্ছে। ধামরাইয়ের বাসিন্দারা জানান, আগে এই এলাকায় রিকশা ভাড়া তুলনামূলকভাবে সহনীয় ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ করেই ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় মানুষের দৈনন্দিন চলাচল ব্যয় বেড়ে গেছে। কোনো নির্দিষ্ট তালিকা না থাকায় কিছু চালক সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। স্থানীয়দের মতে, যাত্রীদের স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে প্রতিটি এলাকার জন্য নির্দিষ্ট রিকশা ভাড়ার তালিকা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। বাজার, বাসস্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সেই ভাড়া তালিকা টানিয়ে দিলে যাত্রী ও চালক উভয়ের জন্যই বিষয়টি পরিষ্কার হবে এবং অযথা তর্ক-বিতর্কও কমে আসবে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্থানীয়রা ধামরাই উপজেলা প্রশাসন ও ধামরাই পৌরসভার প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, প্রশাসন যদি দ্রুত নির্দিষ্ট ভাড়া তালিকা নির্ধারণ করে এবং তা কার্যকরভাবে তদারকি করে, তাহলে রিকশা ভাড়ার এই লাগামহীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই ধামরাইয়ের জনগণ দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি