আজ বৃহস্পতিবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 96

গানের কথায় চরম অশ্লীলতা, ক্ষোভ প্রকাশ নেটিজেনদের

বিনোদন ডেস্ক:

দক্ষিণ ভারতীয় বড় বাজেটের অ্যাকশন ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানের কথায় চরম অশ্লীলতা থাকায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টরা। ‘সারকে চুনার তেরি সারকে’ শিরোনামের গানটিতে অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত এবং নোরা ফাতেহি । গানটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর পরই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা।

সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া এই গানটিতে ‘পহেলে উঠালে, আন্দার ভো ডালে’- এর মতো চরম আপত্তিকর কথা ব্যবহার করা হয়েছে। গানটি প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের বড় অংশ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন । পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সামাজিক মাধ্যমে গানটি নিষিদ্ধ করারও দাবি তুলেছেন কেউ কেউ।

যদিও ভিডিওতে নোরার নাচের দক্ষতার প্রশংসা করেছেন তার ভক্তরা, তবে মূলধারার সংগীতে এমন ‘অশ্লীলতা’ মেনে নিতে পারছেন না অধিকাংশ নেটিজেন। তাদের মতে, বিনোদনের নামে এমন কুরুচিপূর্ণ বিষয়বস্তু সুস্থ সংস্কৃতির পরিপন্থী।

এই বিতর্কে যোগ দিয়ে হতবাক সংগীতশিল্পী আরমান মালিক লিখেছেন, আমি সত্যিই ভাষা হারিয়ে ফেলছি। আমি কি ঠিক শুনছি! নিশ্চিত হওয়ার জন্য গানটি আরও একবার শুনতে বাধ্য হয়েছিলাম। আরমানের এই প্রতিক্রিয়া গানটির বিরুদ্ধে চলা জনমতকে কঠোর করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আলাল উদ্দিন আলাল

শহিদুল্লাহ সরকার:
সাভার আশুলিয়ার ভাই-বোনদের পবিত্র ঈদুল ফিতরের  শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলাল উদ্দিন আলাল। বিরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের  পক্ষ থেকে সকল মুসলিম ভাই-বোনদের পবিত্র ঈদুল ফিতরের  শুভেচ্ছা জানান, আলাল উদ্দিন আলাল ঈদ এমন একটি নির্মল আনন্দের আয়োজন যেখানে মানুষ আত্নশুদ্ধির জন্য পরস্পরের মিলন বন্ধনের ঐক্যবদ্ধ হওয়া এবং খুশী সমভাগাভাগি করে নেওয়া। নিজেদের অতীত জীবনের সব পাপ-কুলুশতা থেকে মুক্ত হয়ে পবিত্র অনুভুতি ধারন করেই পুর্নতা লাভ করে পবিত্র ঈদের খুশী।
ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির কোনও স্থান নেই। মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহাবস্থান, পরমতসহিষ্ণুতা ও সাম্যসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ইসলাম ধারণ করে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মূলবন্ধন পরিব্যক্তি লাভ করুক—এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।
সকলের জীবনে বয়ে আনুক ঈদের খুশী, দূর হউক সকল কুলশতা ও জটিলতা। আল্লাহ সবাইকে মাফ করুন, হেফাজত★ ঈদ মোবারক ।
আলোকিত প্রতিদিন /১৭ মার্চ ২০২৬ /মওম

পুরুষের জন্য নারীর যে কাজ কখনোই করা উচিত নয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

আমরা অনেকেই এই অভিজ্ঞতার সাথে পরিচিত! সম্পর্কের সেই শুরুর দিকটা, যখন তার বলা প্রতিটি কথাই খুব মজার লাগে এবং প্রতিটি টেক্সট নোটিফিকেশন পেটের ভেতরটা কেমন যেন করে দেয়। কিন্তু কারো সঙ্গে জীবন গড়ার তাড়াহুড়োতে নিজের জীবনটাকে অজান্তেই ভেঙে ফেলাটা খুব সহজ। সত্যিকারের ভালোবাসা আপনার জীবনের জন্য একটি আপগ্রেডের মতো হওয়া উচিত কিন্তু কোনো আগ্রাসী দখলের মতো নয়।

সুস্থ সম্পর্ক দুটি সম্পূর্ণ মানুষের ওপর গড়ে ওঠে, দুটি অর্ধেক মিলে একটি সম্পূর্ণ সত্তা তৈরির চেষ্টার ওপর নয়। যদি আপনি দেখেন যে সবকিছু সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার জন্য আপনার ভেঙে পড়ার উপক্রম হচ্ছে, তবে আপনার সম্পর্কটি নিয়ে একটু থেমে ভাবার সময় এসেছে। আপনার প্রিয় পুরুষটি তো বটে, কারও জন্যই যা করা উচিত নয়-

পরিচয় হারানো

এর শুরুটা হয় ছোটখাটো বিষয় দিয়ে। আপনি আপনার প্রিয় শখের কাজটি বাদ দেন কারণ সে খেলা দেখতে চায়। আপনি আপনার প্রায় সব বান্ধবীদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন কারণ তারা তার পছন্দের নয়। হঠাৎ কয়েক বছর পর আপনার ঘুম ভাঙে আর আপনি ভাবতে থাকেন আপনার শখগুলো কোথায় হারিয়ে গেল। সত্যিটা হলো, একজন সঙ্গী আপনার জগতের একটি অংশ হওয়া উচিত, কেন্দ্রবিন্দু নয়। যখন আপনি তার জীবনে খাপ খাইয়ে নিতে নিজেকে ছোট করে ফেলেন, তখন সম্পর্কটি আসলে তার আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে।

মনোযোগের জন্য অনুনয় করা

যদি আপনার মনে হয় যে আপনি তার দৈনন্দিন রুটিনে একটি জায়গা পাওয়ার জন্য অডিশন দিচ্ছেন, তবে কিছু একটা ভুল হচ্ছে। একটি টেক্সট মেসেজের উত্তরের জন্য একজন পুরুষের পেছনে ছোটা বা ডেট নাইটের জন্য অনুনয় করা মানসিকভাবে ক্লান্তিকর। আসল কথা হলো সংযোগ একটি দ্বিমুখী পথ হওয়া উচিত। যদি আপনার সম্পর্কে কেবল আপনিই প্রচেষ্টা চালিয়ে যান, তবে এটি স্বাস্থ্যকর নয়। সুস্থ পুরুষেরা শান্ত আত্মবিশ্বাসে সাড়া দেয়, মরিয়া ভাবের প্রতি নয়। যদি সে আপনার সঙ্গে তাল না মেলায়, তবে সম্পর্ক থেকে সরে আসুন।

বিপদ সংকেত উপেক্ষা করাআমরা অনেকেই নিজেদেরকে এই মিথ্যাটা বলি, ‘ও মানসিক চাপে আছে,’ অথবা ‘বিয়ে হয়ে গেলে ও এসব করা বন্ধ করে দেবে।’ আসল কথা হলো সে তা করবে না। ক্রমাগত মিথ্যা বলা, নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ বা মেজাজের ঘনঘন পরিবর্তন- এইসব বিপদ সংকেত ব্যক্তিত্বের কোনো অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য বা আপনার সমাধান করার মতো কোনো সমস্যা নয়। মনে রাখবেন, সম্পর্কে আপনি যা দেখেন, তাই পান। তাই, বিচক্ষণতার সঙ্গে আপনার সঙ্গী বেছে নিন।

অসম্মানকে ভালোবাসা বলে মেনে নেওয়া

প্রকৃত ভালোবাসা শান্ত, নিরাপদ এবং দয়ালু হয়। যদি আপনার সম্পর্কে প্রচুর চিৎকার, ছোট করে দেখানোর মজা বা আবেগের শীতল লড়াই থাকে, তবে তা তীব্র আবেগ নয়, বিষাক্ততা। অসম্মান সহ্য করা তাকে শেখায় যে আপনাকে ‍গুরুত্ব না দিলেও চলে! তাই নিজেকে সবার আগে সম্মান দিতে শিখুন।

আর্থিক স্বাধীনতা ত্যাগ করা

অর্থের জন্য শুধুমাত্র সঙ্গীর উপর নির্ভর করা ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, যা থেকে বিরক্তি বা আরও খারাপ পরিস্থিতিতে আটকা পড়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আপনার কর্মজীবন, আপনার বাড়তি আয়ের উৎস অথবা অন্ততপক্ষে আপনার নিজের সঞ্চয়ী হিসাব বজায় রাখুন। যে পুরুষ আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে, সে আপনার উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করবে।

আলোকিত প্রতিদিন /১৭ মার্চ ২০২৬ /মওম

গাইবান্ধায় অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

রানা ইস্কান্দার রহমান:
গাইবান্ধা জেলা শহরের ফকির পাড়ায় ২০০ জন অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। আজ (১৭ মার্চ) মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে কান্ডারী মহিলা উন্নয়ন সংস্থা ও নারী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে এবং বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগীয় নিজস্ব কার্যালয়ে এই ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন যুব নারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মাজেদা খাতুন কল্পনা, প্রচার সম্পাদক আঞ্জুয়ারা, সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদা বেগম, নির্বাহী সদস্য নার্গিস বানু,সুলতানা রাফিফা, কান্ডারী মহিলা উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি নাজমা বেগম, সাধারণ সম্পাদক সেলিনা আক্তার সোমা, সমাজসেবী নাহিদ আক্তার, শিরিন আক্তার সহ অন্যরা। ঈদ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে সেমাই চিনি দুধ।
এ সময় সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতি বছর ঈদে গরীব অসহায় দুঃস্থ মানুষের জন্য ঈদ সামগ্রী বিতরনের আয়োজন করে। অসহায় গরীবদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্যই তাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। তাদের এই আয়োজন আগামীতেও চলমান থাকবে।
এদিকে ঈদ সামগ্রী পেয়ে সংস্থাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা।
আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লো ৩ শতাংশের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম একদিনে বাড়ল ৩ শতাংশের বেশি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বার্তসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দুই ব্র্যান্ড ব্রেন্ট ক্রুড ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-উভয়েরই দাম বেড়েছে।

আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হচ্ছে ১০৩ দশমিক ২৮ ডলারে ও ডব্লিউটিআই প্রতি ব্যারেল বিক্রি হচ্ছে ৯৬ দশমিক ৮৫ ডলারে। গত সোমবারের তুলনায় আজ মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম (ব্যারেলপ্রতি) ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই এর দাম (ব্যারেলপ্রতি) ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষক বিভিন্ন সংস্থা জানিয়েছে, বাজারের এই চড়াভাবের প্রধান কারণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ। এই অবরোধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে সামনের দিনগুলোতে বাজারে বড় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা রয়েছে।

বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার পর্যবেক্ষক সংস্থা ফিলিপ নোভার জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক প্রিয়াঙ্কা সাচদেব বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের পরিস্থিতি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছে।’

প্রসঙ্গত, আরব সাগর এবং পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট। প্রতিদিন বিশ্বে যত তেল ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে, সেসবের ২০ শতাংশই এই রুট ব্যবহার করে।

গত ২৮ তারিখ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে ইরান। বিভিন্ন দেশের পতাকাবাহী ট্যাংকার জাহাজে হামলাও চালানো হয়েছে। ১৫ দিন ধরে হরমুজ প্রণালি চলাচলের সময় ইরানি হামলার শিকার হয়েছে বিভিন্ন দেশের পতাকাবাহী ১২টিরও বেশি ট্যাংকার জাহাজ।

কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল অনিয়মিত হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারে। হরমুজ প্রণালিকে ‘জ্বালানির বৈশ্বিক দরজা’ বলা হয়, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এই পথ ব্যবহার করেই তাদের তেল রপ্তানি করে। মধ্যপ্রাচ্যের তেল সহজেই পশ্চিমা বিশ্বে সরবরাহ করা হয় এই পথ ব্যবহার করে।

সূত্র : রয়টার্স

আলেকিত প্রতিদিন / এম আর এম

বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের পাশাপাশি এ খাতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রকৌশলীদের কাজে লাগানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আরও তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

১৭ মার্চ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মহানগর (ঢাকা) নিয়ে খুবই সিরিয়াস। তিনি সব সময় ওনার নলেজে রাখতে চান যে আমরা কী কাজ করছি, কোথায় কী কাজ বাকি আছে এবং কোথায় কী কাজ করতে হবে। ইতোমধ্যে আমাদের দুইজনকে মহানগরের দায়িত্ব দেওয়ার পর আগে যে শহরের অবস্থা ছিল, তার চেয়ে কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত কর্মীদের বোনাস পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দিনরাত যারা কাজ করে, প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য ঈদের উপহার দিয়েছেন, বোনাস দিয়েছেন। সেটা আমরা আজকে দিয়েছি।’

তবে প্রধানমন্ত্রী এই অগ্রগতিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘উনি (প্রধানমন্ত্রী) বললেন, এতে আমি খুশি না, যতটুকু হয়েছে আরও আরও কাজ করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খাল-নর্দমা যা আছে এগুলোকে কীভাবে আরও আধুনিকীকরণ করা যায়, এ সমস্ত বিষয়ে উনি দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে ইনশা আল্লাহ এ সমস্ত বিষয়ে আরও কাজ হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চান, বিদেশ থেকে আমরা কেন আমদানিনির্ভর হবো? আমাদের এখানে লোকাল যারা স্টুডেন্ট আছে, ইঞ্জিনিয়াররা আছে, মহানগরকে ক্লিন করার জন্য যে সমস্ত ভেহিক্যালস (যানবাহন) বা ডাম্পিং ট্রাক দরকার, সেগুলোর ব্যাপারে উনারা কতটুকু সাহায্য করতে পারবে, লোকালি বানিয়ে দিতে পারবে কি না– এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুবই সিরিয়াস। আমরা আমদানিনির্ভর না হয়ে আমাদের দেশের ওপর নির্ভর হতে চাই, এটাই ওনার ইচ্ছা।’

ঈদকেন্দ্রিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ঈদকেন্দ্রিক নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিয়েছেন। এটা নিয়ে আমরা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সাথে সাথে দুই-তিনটা মিটিং করে ফেলেছি। ঈদের সময় যারা শহর ছেড়ে যাবে, তারা যাতে নির্বিঘ্নে যেতে পারে, সে জন্য বিভিন্ন বাস টার্মিনালগুলো যেখানে আছে, সেখানকার রাস্তাঘাটগুলো কিছুটা সংস্কার করে দিয়েছি।’

তিনি জানান, প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী প্রতি সপ্তাহেই তাদের কাছে জানতে চান এবং সেই ধারাবাহিকতায় আজ তাদের এখানে আসা।

মশার উপদ্রবে সৃষ্ট অস্বস্তিকর পরিবেশ এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মশা নিয়ে কাজ করতে গেলে একটু সময় লাগে। আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে তা সবাই বলছে। আমরা প্রতিনিয়ত মনিটরিং করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অলরেডি উত্তর সিটি করপোরেশনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কি না, এটি তদারকির জন্য একটা কমিটি করে দিয়েছি। আমাদের যে সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছে, তা দিয়ে কাজ করা খুবই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

মশা নিধনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মশা শুধু ওষুধ দিয়ে নিধন করা যায় না। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার ফলে যে সমস্ত খাল, নর্দমা এবং ড্রেন রয়েছে– ওষুধের পাশাপাশি সেগুলো পরিষ্কার করার ক্রাশ প্রোগ্রাম আমরা হাতে নিয়েছি। ইতোমধ্যে অনেকগুলো খাল ও নর্দমা পরিষ্কার করেছি এবং এটা অব্যাহতভাবে চলমান থাকবে। পরিকল্পনামতো দ্রুতই আগামী বর্ষার আগেই যাতে আমরা মোটামুটিভাবে শতভাগ না হলেও তার কাছাকাছি যেতে পারি। ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব, এটা আমাদের করতেই হবে।’

নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন এবং ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সচিবালয়ে বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এহসান সাংবাদিকদের জানান, বর্জ্য অপসারণে স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে পৌরসভা এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বুয়েট উদ্ভাবিত ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার বাস্তবায়ন এবং দেশেই প্রয়োজন অনুযায়ী যন্ত্রপাতি উন্নয়নের বিষয়েও কাজ চলছে। তবে এখনো এর কোনো সময়সীমা নির্ধারণ হয়নি।

আলোকিত প্রতিদিন /১৭ মার্চ ২০২৬ /মওম

ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য সব ইউনিটকে বলে দিয়েছি: আইজিপি

আলোকিত ডেস্ক:

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে রাজধানীর প্রধান প্রবেশদ্বার গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের সব ইউনিটকে বলে দিয়েছি, এবারের ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য। সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। বাংলাদেশ পুলিশ তৎপর। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিংবা কোনো প্রকার অন্যায়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোষ নেই।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাস-মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আইজিপি বলেন, প্রতিবছর ঈদ যাত্রায় ঘরমুখো মানুষের অনেক সমস্যা হয়। বিশেষ করে সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, ঈদের আগের দিন রওনা দিয়েও ঠিক সময়ে বাড়িতে পৌঁছাতে পারে না। এজন্য ঈদ যাত্রাকে এই বছর অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যাত্রী হয়রানি, টিকিটের মূল্য বেশি নেওয়া এবং যানজট যাতে না হয় ইত্যাদি বিষয় নিশ্চিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকেও কোর্ডিনেশন মিটিং করা হয়েছে।

আইজিপি আরও বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করা যায় আমরা সেই বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছি। এছাড়া বড় বড় বাজার মোড়গুলাতে যেখানে সারাবছর যানজট লেগে থাকে সেখানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সুধী লোকজনকে নিয়ে যানজট নিরসনে কাজ করা হচ্ছে।

আলী হোসেন বলেন, অনেক চালক-হেলপার ট্রাফিক আইন জানে না বা মেনে চলে না। তারা সড়কের মাঝখানে একটা গাড়ি রেখে চলে যাচ্ছে। কিন্তু তারা চিন্তা করে না আমার পেছনে গাড়িগুলো যানজট লাগছে। একটু কমনসেন্সটা যদি তারা এপ্লাই করে তাহলে যানজট থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি।

বাস টার্মিনাল ঘিরে এতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা এটাকে নেগেটিভভাবে নিচ্ছেন কেন? পজিটিভ চিন্তা করেন। এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জড়িত। টার্মিনাল কেন্দ্রিক মাদকসেবী, ছিনতাইকারীরা আছে, সব ধরনের লোকই এখানে আছে। এজন্য আমি এবার বাংলাদেশের সব ইউনিটকে বলে দিয়েছি এই ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। বাংলাদেশ পুলিশ তৎপর। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা কোনো অন্যায়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নেই।

‎রাজধানীতে নানা স্থানে অবৈধ বাস কাউন্টারের বিষয়ে তিনি বলেন, আইজিপি হিসেবে যোগদানের পরই বলেছি ঢাকা শহরের ভেতরে দূরপাল্লার কোনো বাস কাউন্টার থাকতে পারবে না। এটা দূর করার জন্য আমাদের সবার প্রচেষ্টা দরকার। আইনের মাধ্যমে আমরা এসব দূর করবো।

‎টিকিটের মূল্য বেশি নেওয়ার পরও অভিযোগ না করার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা আমাদের সমস্যা। আইন না জানাই একটা অপরাধ। জানার দায়িত্ব নিজের। প্রচলিত দেশের আইন জানা একজন নাগরিক হিসেবে নাগরিক দায়িত্ব। প্রধান দায়িত্ব আপনাকে আইন জানতে হবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সৌদিসহ আরব দেশগুলোতে যেদিন হতে পারে ঈদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোতে এ বছর কবে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে সেটির সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছেন আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান।

তিনি বলেছেন, “এ বছর আরব বিশ্বে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে। শাওয়াল মাসের প্রথমদিন হতে পারে ২০ মার্চ।”

অর্থাৎ আগামী ২০ মার্চ শুক্রবার সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতারসহ ওই অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশে ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২৯তম রমজানে চাঁদ দেখার সম্ভাবনার ব্যাপারে ইব্রাহিম আল জারওয়ান বলেছেন, “আগামী বুধবার ২৯তম রমজানে, আরব দেশগুলোর আকাশে কোনো অর্ধচন্দ্র থাকবে না।”

সূত্র: দ্য ন্যাশনাল

আলোকিত প্রতিদিন /১৭ মার্চ ২০২৬ /মওম

মুসলিম বিশ্বের উদ্দেশে আলী লারিজানির খোলা চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সাথে ইরানের সরাসরি সংঘাত শুধু সামরিক লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও আদর্শিক লড়াইয়েও পরিণত হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর উদ্দেশে খোলা চিঠি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান। অনেকেই এই চিঠিকে আঞ্চলিক সমর্থন আদায়ের কৌশল হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকেই এটিকে এক ধরনের রাজনৈতিক বার্তা বলেও মনে করছেন।

আরবি ভাষায় লেখা সেই খোলা চিঠিতে নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানি বলেছেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত শুরু হয়েছে, তার একদিকে আছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল এবং অপরদিকে আছে প্রতিরোধী শক্তি। আপনারা সবাই জানেন যে যুক্তরাষ্ট্র কারো প্রতি বিশ্বস্ত নয় এবং ইসরায়েল আপনাদের শত্রু। এক মুহূর্তের জন্য থামুন এবং এই অঞ্চলের ভবিষ্যতের ব্যাপারটি চিন্তা করুন। ইরান সবসময়েই আপনাদের প্রতি আন্তরিক এবং কখনও আপনাদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না।”

ইরান বর্তমানে ‘মার্কিন-জায়নবাদী আগ্রাসনের’ শিকার উল্লেখ করে লারিজানি বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে এই আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করেছে এবং এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে ইরানের এমন কঠিন সময়ে মুসলিম দেশগুলো খুবই সীমিতমাত্রায় সমর্থন দিচ্ছে।” “তবে এই যুদ্ধ আগ্রাসী শক্তিকে ভোগাবে। কারণ, ইরানের সাহসী জনগণ এত সহজে ছাড় দেবে না। তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে।”

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইসরায়েলও একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান।

সূত্র : সিএনএন

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

মস্কোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোজতবা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আহত ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বর্তমানে মস্কোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ব্যক্তিগত আমন্ত্রণে তাকে মস্কো পাঠানো হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে কুয়েতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জারিদা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার মোজতবা খামেনির সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় ভ্লাদিমির পুতিনের। তারপর ওই দিনই রাশিয়ার একটি সামরিক বিমানে চেপে মস্কো যান মোজতবা।

এ ব্যাপারে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনে যোগাযোগ করেছিল আল-জারিদা। কিন্তু কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। রুশ সংবাদমাধ্যম তাসও এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ক্রেমলিনে যোগাযোগ করেছিল। তাসকে প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রেস সেক্রেটারি বলেছেন, “আমরা এ ধরনের প্রতিবেদনে কখনও কোনো মন্তব্য করতে পারি না।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন মোজতবা খামেনির বাবা এবং ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সেই হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি, এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন, এবং মোজতবা নিজে আহত হন ।

আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার পর মোজতবাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে হিসেবে বেছে নেয় ইরান। মার্কিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে একাধিক ইরানি সূত্রে জানা গেছে, মোজতবা পায়ে আঘাত পেয়েছেন এবং সেই আঘাত প্রাণঘাতী নয়।

উল্লেখ্য, ইরানের ঘণিষ্ঠ মিত্র রাশিয়া। ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সূত্র : এএফপি

আলোকিত প্রতিদিন /১৭ মার্চ ২০২৬ /মওম