প্রেমিকার কথা রাখতে তুরস্ক থেকে এসে বিয়ে করলেন বাংলাদেশি তরুণীকে
মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রংপুর থেকে গ্রেপ্তার
মো: মহিদ:
মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউর রহমান কম্পনকে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। ৬ নভেম্বর বুধবার দুপুরে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম আমানুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি অফিস পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম আমানুল্লাহ বলেন, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউর রহমান কম্পনকে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ এলাকা থেকে গতকাল গ্রেপ্তার হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছাদের পাইপ বেয়ে পালিয়ে নামার সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এতে করে তিনি আহত হলে রংপুর জেলা হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসা শেষে তাকে মানিকগঞ্জ আনা হবে হবে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল পৌর শাখার আহবায়ক এবং মানিকগঞ্জ জজকোর্টের আইনজীবী মো. মুরাদ হোসেন গত ২৫ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জ সদর থানায় ৯১জনের নাম উল্লেখ এবং ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল ও কাজী এনায়েত হোসেন টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব কুমার সাহা ও আমিরুল ইসলাম মট্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক তুষার, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা, সদস্য-সচিব মাহাবুবুর রহমান জনি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিফাত কৌরাইশী সুমন, সাধারণ সম্পাদক রাজিদুল ইসলাম, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি বাবুল সরকার, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইস্রাফিল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফছার উদ্দিন সরকার, মানিকগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আরশেদ আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক হাসেম আলী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী রানা, কাজী রাজু আহমেদ বুলবুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক খান খালিদ, এনামুল হক রুবেলসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
আলোকিত প্রতিদিন/০৬ নভেমাবর-২৪/মওম
বগুড়ায় বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠছে পুন্ড্র ইকোনোমিক জোন
কিশোরগঞ্জে আগাম আলু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক
জয়ন্ত রায় ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম আলুক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।বর্তমানে আবহাওয়া অনুকুল ভালো থাকায় মাস খানেক পরে নতুন আলু উত্তোলন শুরু হবে বলে কৃষকেরা জানান।
উপজেলা কৃষি বিভাগের সূত্র মতে, এ বছর উপজেলায় আগাম জাতের আলুর আবাদ এর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ৬ হাজার ৭৮০ হেক্টর। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মাঠের পর মাঠ জুড়ে এখন আলু গাছের সবুজ পাতার রঙে মুখরিত ফসলের মাঠ। প্রতিটি মাঠে এখন শুধু সবুজ রঙের চোখ ধাঁধাঁলো বর্ণীল সমারোহ। কৃষাণ-কৃষাণীর ব্যস্ততা এখন ক্ষেত পরিচর্যায়।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা কেউ কেউ আগাছা পরিষ্কার, সার প্রয়োগ, সেচ, ছত্রাক রোগ-বালাইয়ের হাত থেকে ফসল বাঁচাতে কীটনাশক স্প্রে সহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুরাকুটি এলাকার আগাম আলু চাষি একরামুল হক জানান,আগাম আলুর বাজার ধরার আশায় আগাম আলু রোপণে মাঠে কোমর বেঁধে নেমে পড়েন।আবহাওয়া অনুকূল ভালো থাকায় আলুর বাম্পার ফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে বাজার দর ঠিক থাকলে খরচ পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে জানান তারা।
কৃষক আবু হানিফা বলেন, এ বছর আগাম আলু চাষ করতে গিয়ে বিড়ম্বনার পড়তে হয়েছে।বীজ আলু ও সারের দাম এবার বেশি হওয়ায় প্রতি বিঘা জমিতে ব্যয় হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। আশা করছি ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে নতুন আলু বাজারে তোলা যাবে। সঠিক বাজার মূল্য না পেলে এবার কৃষকরা লোকশানের মুখে পড়ব বলে জানান তারা।
উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূল ভালো থাকায় আলুর ভালো ফলনের আশাবাদী কৃষক। বাজারে ভালো দাম পেলে ভালো লাভবান হতে পারবে কৃষকরা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন : ফখরুল
আলোকিত প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মতো ১৯৭১ সালে তার বাবা শেখ মুজিবুর রহমান পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিপ্লব এবং সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করে মহিলা দল।
৭ নভেম্বর বিপ্লবের নায়ক সাধারণ সিপাহী এবং জনতা মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ৭ নভেম্বর বিপ্লব নতুন করে বাংলাদেশকে বিনির্মাণের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। সেদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সামনে না এলে বাংলাদেশ কী হতো? এ কথা বলা যায় না। হয়ত এ দেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতো। জিয়াউর রহমান নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটা আশার আলো তৈরি করেছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। গণমাধ্যমকে মুক্ত করে দেন। গার্মেন্টস শিল্প এবং বিদেশে কর্মী পাঠিয়ে রেমিট্যান্স আনার যে প্রবণতা এ সূচনা করেছিলেন তিনি। খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব এনেছিলেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছর ধরে জনগণের ওপর নির্মম নির্যাতন করেছিল। এরা দেশের অর্থনীতিকে ফোকলা করে দিয়েছে। আমাদের ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। ইলিয়াস আলীসহ ৬০০-এর বেশি নেতাকর্মী গুমকে করেছে। জুলাই-আগস্টে আমাদের ছাত্রজনতা এবং শিশুদের গুলি করে হত্যা করেছে। অবশেষে ছাত্রজনতার দৃঢ়তার আন্দোলনের মধ্যদিয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে সরাতে পেরেছি, তার জন্য আল্লাহুর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।
তিনি বলেন, হাসিনা পালিয়ে গেছে এটা একটি সত্য কথা। শেখ মুজিবও পালিয়ে গিয়েছিলেন ১৯৭১ সালে। তিনি দেশে থাকেন নাই। পাকিস্তান চলে গিয়েছিলেন। গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনি ঘরে বসেছিলেন গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য। এটা আমার কথা না। তাজউদ্দীন আহমেদের মেয়ের বইয়ের মধ্যে লেখা আছে।
নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, বুকে চেপে থাকা দানব সরে গেছে। কিন্তু আমাদের সজাগ এবং সচেতন হতে হবে। বহু চেষ্টা করে কেউ বিএনপিকে ভাঙতে পারেনি। বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে নারীরা।
মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহাম্মেদ।
আলোকিত প্রতিদিন/০৬ নভেমাবর-২৪/মওম
চাঁদাবাজি কঠোর হস্তে দমন করা হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, দেশে চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। এটাকে কঠোর হাতে দমন করা হবে। চাঁদাবাজি বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। ৬ নভেম্বর বুধবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, অপরাধী যেই হোক, ছাড় পাবে না। ঢাকার বাইরে থেকে যেসব পুলিশ এসেছেন, তাদের অলিগলি চিনতে সময় লাগবে। তাদেরকে একটু সময় দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো হয়েছে, তবে আরও ভালো করতে হবে। রাস্তার সব দোকানপাট সরানো হবে শুধু ফুটপাতের দোকানগুলো থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৬ নভেমাবর-২৪/মওম
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্প ২৪৮ ও কমলা ২১৪, জয়ের পথে ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে গণনায় এখন পর্যন্ত ২৪৮টি ইলেক্টোরাল কলেজে এগিয়ে রয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ২১৪টিতে এগিয়ে রয়েছেন। মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
এপির ভোটগণনা অনুযায়ী, কেন্টাকি, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, ইন্ডিয়ানা, আলাবামা, ফ্লোরিডা, মিজৌরি, ওকলাহোমা ও টেনেসি অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প জয় পাচ্ছেন বলে পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। ইন্ডিয়ানায় ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা ১১। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় ৪টি। কেন্টাকিতে ৮, আলাবামায় ৯, ফ্লোরিডায় ৩০, মিজৌরিতে ১০, ওকলাহোমায় ৭ ও টেনেসিতে ১১টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।
অন্যদিকে, ভারমন্ট, ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া, মেরিল্যান্ড এবং ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে জয় পাচ্ছেন হ্যারিস। ভারমন্ট ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ায় ৩টি করে, মেরিল্যান্ডে ১০ ও ম্যাসাচুসেটসে ১১টি ইলেক্টোরাল ভোট রয়েছে।
নির্বাচনের জয়–পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে দোদুল্যমান ৭টি অঙ্গরাজ্য। সেগুলো কোনও দলের সুনির্দিষ্ট ঘাঁটি নয়। এসব অঙ্গরাজ্য হলো—নর্থ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া, পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, উইসকনসিন, অ্যারিজোনা এবং নেভাদা। সেখানে হ্যারিস ও ট্রাম্পের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার আভাস রয়েছে।
এখন পর্যন্ত নর্থ ক্যারোলাইনার ৯৮ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে ৫১ শতাংশ পেয়ে এগিয়ে আছেন ট্রাম্প। আর কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট। ফলে, এপি’র গণনা অনুযায়ী, নর্থ ক্যারোলাইনার ১৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে যাচ্ছেন ট্রাম্প।
এছাড়া জর্জিয়াতে ৯৪ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ট্রাম্পের ঝুলিতে গেছে ৫০ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট। আর হ্যারিসের দিকে আছে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ। ফলে এপি’র গণনা অনুযায়ী, এই রাজ্যের ১৬টি ইলেক্টোরাল ভোটও ট্রাম্প পেতে যাচ্ছেন।
পেনসিলভানিয়াতে ৯৫ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। সেখানে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প পেয়েছেন ৫১ শতাংশ আর হ্যারিস ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ ভোট। এখানে ইলেক্টোরাল ভোট আছে ১৯টি।
মিশিগানে ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত ট্রাম্প পেয়েছেন ৫২ দশমিক ৩ শতাংশ আর হ্যারিস ৪৬ শতাংশ। মিশিগানের ইলেক্টোরাল ভোট ১৫টি।
উইসকনসিনে ৮৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ট্রাম্প পাচ্ছেন ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ আর হ্যারিস ৪৭ দশমিক ১ শতাংশ। এই রাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট ১০টি।
অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে এখন পর্যন্ত ভোট গণনা হয়েছে ৫১ শতাংশ। এরমধ্যে ট্রাম্প ৫০ দশমিক ১ শতাংশ আর হ্যারিস ৪৯ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বলে এপি’র পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
নেভাদাতে ইলেক্টোরাল ভোট আছে ৬টি। এপি জানিয়েছে, সেখানে এখন পর্যন্ত ৭৮ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। তার মধ্যে ট্রাম্প ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ ও হ্যারিস ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল জানা যাবে কখন:
কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে জাতীয় এবং দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যে দুই প্রার্থীর এখন পর্যন্ত ভোটের ব্যবধান খুব সামান্যই। ফলে অনেক স্থানে অল্প ভোটের ব্যবধানেই জয় নির্ধারিত হতে পারে। তখন আবার ভোট পুনর্গণনার প্রয়োজন দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২০২০ নির্বাচনের পর থেকে প্রতিটি অঙ্গরাজ্য তাদের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় কী পরিবর্তন এনেছে, তার ভিত্তিতে কিছু রাজ্যের ভোট গণনায় কিছুটা বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
অন্যদিকে, মিশিগানের মতো কিছু রাজ্যে দ্রুতগতিতে চলছে ভোটগণনা। এ ছাড়া, এবার ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সংখ্যাও কমতে পারে।
ফলে, ৪৭ তম প্রেসিডেন্টের নাম যেমন নির্বাচনের রাতেও (অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতে) জানা যেতে পারে। আবার ঘোষণা আসতে কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহও প্রয়োজন হতে পারে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৬ নভেমাবর-২৪/মওম
আসামি হয়েও পাসপোর্টের ভিআইপি সেবা নিলেন সাবেক স্পিকার!
আলোকিত প্রতিবেদক
হত্যা মামলার আসামি হয়ে রয়েছেন আত্মগোপনে শিরিন শারমিন। তবুও ভিআইপি প্রটোকলে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এবং তার স্বামীর পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করেছে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে। বাসায় গিয়ে তাদের ছবি ও বায়োমেট্রিক গ্রহণ করেছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, লাল পাসপোর্ট বাতিল হওয়ায় সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন শিরিন শারমিন চৌধুরী।
সাধারণত বিকেল ৪টার পর পরই আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে সব ধরনের সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এই সময়েও পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা গ্রহীতার ভিড় কমে না। সেবাগ্রহীতাদের অনেকে এই সময়ে পাসপোর্ট অফিস সংশ্লিষ্টদের দ্বারা দুর্ব্যবহারের শিকারও হন তারা।
অথচ কাউকে কাউকে নির্ধারিত সময়ের পরেও বাসায় গিয়ে দেওয়া হয় ভিআইপি সার্ভিস। তাও আবার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পতন হওয়া আওয়ামী লীগ সরকারের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর মত কাউকে। যিনি কি না হত্যা মামলার আসামি।
গণমাধ্যমের অনুসন্ধান বলছে, গত ৮ অক্টোবর বাসায় গিয়ে শিরিন শারমিন চৌধুরী এবং তার স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসেনের পাসপোর্টের জন্য ছবি, চোখের আইরিশ এবং ১০ আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করে পাসপোর্ট অফিসের মোবাইল টিম।
সার্ভারের তথ্য বলছে, অফিস সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে তাদের আবেদন গ্রহণ করা হয়। আবেদনের দু’দিন পরেই অর্থাৎ ১০ অক্টোবর পাসপোর্ট দু’টি জরুরিভাবে ইস্যু করার কথা।
একজন হত্যা মামলার আসামি কীভাবে এত ভিআইপি পাসপোর্ট সেবা পেলো? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিচালকের দ্বারস্থ হয় গণমাধ্যম।
বিষয়টি নিয়ে উপপরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘মোবাইল টিমের যে অথরিটি তারা জানতো বিষয়টা। তারা বায়োমেট্রিক্স নেয়ার পর ফর্মগুলো আমাদের অফিসে দেয়। তখন এখান থেকে এগুলো স্ক্যান করা হয়। এটা স্বাভাবিক আবেদনের মতো দেখছি না।
যৌক্তিক কোনো জবাব নেই। তবে তিনি সার্ভার ঘেটে দেখাচ্ছেন শিরিন শারমিন চৌধুরীর পাসপোর্টের আবেদনে আবু জাফর মো. আব্দুল্লাহ নামের আরেক কর্মকর্তার স্বাক্ষর। পাসপোর্ট অফিসের সূত্র বলছে, আবু জাফর মো. আব্দুল্লাহকে দিয়ে এই কাজ করিয়ে তাকে দ্রুত ঢাকার বাইরে বদলি করে দেওয়া হয়েছে।
ইসমাইল হোসেন আরও বলেন, ‘এই বিষয়টা আপনাদের কাছে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আমাদের কাছেও। এই তথ্য জানার অধিকার বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের আছে। এই ইস্যুর জন্য আমাদের অফিস নির্দিষ্ট অফিসার অ্যাসাইন করেছেন।’
এই উপপরিচালক বলেন, ‘মোবাইল টিম কার অনুমতি নিয়ে শিরিন শারমিন চৌধুরীর বাসায় গিয়ে তাকে ভিআইপি প্রটোকল দিয়েছেন সেটি তিনি জানেন না।’
দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কর্মকর্তারাও তাৎক্ষণিকভাবে গণমাধ্যমের কাছে কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পর সাবেক সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এরপর দায়িত্ব নেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পরে শেখ হাসিনাসহ সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের (এমপি) লাল পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

