কালিয়াকৈরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
অসময়ে যমুনা নদীর ভাঙনে ২০ পরিবার নিঃস্ব, আতঙ্কে দেড় শতাধিক পরিবার
ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র ও তার শ্যালকের দুর্নীতি
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর,বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ
আলোকিত প্রতিবেদক:
আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে আধিপত্যবাদী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে সিপাহি-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। সিপাহি-জনতা ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর-উত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করে। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত দিন।
সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ উপলক্ষে বাণী প্রদান করেছেন।
তারেক রহমানের বাণী : জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব অত্যন্ত তাত্পর্যমণ্ডিত। স্বাধীনতাত্তোর রাষ্ট্রীয় অনাচার, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, তৎকালীন ক্ষমতাসীন মহল নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে বিপন্ন ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে দেশকে ঠেলে দেয়। শুধু নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্যই গণতন্ত্রবিনাশী কর্মকাণ্ড শুরু করে। বাকশালি সরকার চরম অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী পন্থায় মানুষের ন্যায়সংগত অধিকারগুলোকে হরণ করে। দেশমাতৃকার এই চরম সংকটকালে ৭৫-এর ৩ নভেম্বর কুচক্রীরা জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে। ৭ নভেম্বর অকুতোভয় সৈনিক এবং জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির সম্মিলন ঘটে এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। এই পটপরিবর্তনে রাষ্ট্রপতি জিয়ার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রভাবমুক্ত হয়ে শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। তাই আমি মনে করি, ৭ নভেম্বরের চেতনায় সব জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের পথচলাকে অবারিত ও জাতীয় স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি।

‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা, শোভযাত্রাসহ ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি।
সারা দেশে জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস পালিত:
বগুড়ায় নানা আয়োজনে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত:
মাজেদুর রহমানঃ
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে কারাগার থেকে মুক্ত করেন সিপাহী জনতা।
৭ই নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আজ বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলতাফুনন্নেছা খেলার মাঠ থেকে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা,শহর ও সদর বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে, বগুড়া প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার আয়োজনে প্রেসক্লাব চত্ত্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র রেজাউল করিম বাদশা এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ মোশাররফ হোসেন, বগুড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ওয়াসিকুর রহমান বেচন, সদস্য সচিব মোঃ লোটাস রাহমান, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি আবু সাইদ, সাধারণ সম্পাদক গণেশ দাস সহ প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সদস্যবৃন্দ।
বনবিভাগের পৃথক পৃথক অভিযানে সরকারি বনভূমি উদ্ধার, আহত ৩ ভিলেজার
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা মামলায় গ্রে*ফতার-১
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট
আলোকিত প্রতিবেদক
সদ্য নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তিনি যোগ করেন, ‘ট্রাম্পের এই বিজয় আমেরিকার শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলোকে প্রদর্শন করবে। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এগিয়ে যেতে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার দৃঢ় করতে আগ্রহী।
প্রসঙ্গত, চার বছর পর আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে ম্যাজিক ফিগার পার করেছেন ট্রাম্প। তিনি এখন পর্যন্ত ইলেক্টোরাল কলেজের ২৭৬টিতে জয় পেয়েছেন। যেখানে নির্বাচনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ২৭০টি কলেজ ভোটের প্রয়োজন ছিল।
এর আগে গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড এমনই এক ইতিহাস গড়েছিলেন। ১৯৮৩ সালে তিনি প্রথম এমন অনন্য সফলতা অর্জন করেছিলেন। এবার ট্রাম্প গড়লেন সেই ইতিহাস।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
গাইবান্ধায় সাঁওতাল হত্যা দিবস পালনে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
রাঙ্গাবালীতে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি, সভাপতি রাফেজা, সম্পাদক শাহীন
প্রয়োজনীয় সংস্কারে প্রস্তুত সরকার, সবার পরামর্শ চাই: প্রধান উপদেষ্টা
আলোকিত প্রতিবেদক:
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিপ্লবের ফসল আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় সব সংস্কার করতে, এর উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির সব প্রয়াস নিতে প্রস্তুত আছে। এই কাজে নিবেদিত সবার কাছ থেকে চাহিদাও পরামর্শ চাই।
৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য’ শীর্ষক শতবর্ষ উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগ এবং বোস সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ ইন ন্যাচারাল সায়েন্সেস যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী আয়োজন করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা সংস্কারের বিষয়ে বলেন, ‘আস্থা থাকলে এটি আমরা পারবো, কেন পারবো না? যেমন-সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আস্থা ছিল বলেই তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত হয়েও আইনস্টাইনকে চিঠি লিখতে পেরেছিলেন। সব সময় আমাদের যেন বিশ্বের কাছে যেতে না হয়, বিশ্ব যেন আমাদের কাছে আসে। আমাদের তরুণদের মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে তারাই বিশ্ব। আজ আমরা সেই আকাঙ্ক্ষারই শতবার্ষিকী পালন করছি।’
পঞ্চাশের দশকের ঢাকার সঙ্গে বসুর ঢাকার কথা উল্লেখ করে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘সেই শান্ত শহরকে, সেই সবুজ রমনাকে আর ফেরত আনা যাবে না। কিন্তু আজকের নতুন বাংলাদেশে সেই গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা অবশ্যই ফেরত আনতে পারি। বোস-আইনস্টাইন তত্ত্বের শতবার্ষিকীতে এ কথা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক সমাজ তাদের চিন্তার স্বাধীনতা, মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে আবার ফিরে পেয়েছেন। এর সঙ্গে এখন বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখার সক্ষমতাকেও যোগ করতে হবে। আকাঙ্ক্ষাকে উচ্চে রেখে দৈনন্দিন পঠন-পাঠন গবেষণার মাধ্যমেই সেটি অর্জিত হয়। ১৯২৪ সালে বসুর আবিষ্কারের পরিবেশ সেভাবে গড়ে উঠেছিল, আজও সেভাবেই গড়ে উঠবে, এর কোনও বিকল্প নেই।’
বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালের বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্সের আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞান ইতিহাসের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘তিনি এটি করেছিলেন, আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নবীন অধ্যাপক হিসেবে কার্জন হলের একটি কামরায় বসে। আজও যেটি পদার্থবিদ্যার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত। আবিষ্কারের গুরুত্বের কারণে পৃথিবীর নানা দেশের পদার্থবিদরা এই শতবার্ষিকী উদযাপন করছেন। কিন্তু আমাদের জন্য এই আবিষ্কারের মর্মটাই আলাদা। পদার্থবিদরা বলেন, বিংশ শতাব্দীর ওই পর্যায়ে পদার্থবিদ্যায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিল কোয়ান্টাম থিওরির মাধ্যমে, এটি ছিল তার মধ্যে একটি বড় সংযোজন। বসু বিশ্ববিজ্ঞানের মানচিত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের ঢাকা নগরীকে উজ্জ্বলভাবে চিহ্নিত করে দিয়েছিলেন।’
ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে নতুনভাবে গড়ার প্রয়াসের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে তার যথাযথ চর্চার জায়গায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছি। তখন পরিবর্তনের নির্দেশিকা হিসেবে উদযাপনের জন্য বসুর আবিষ্কারের এই শতবার্ষিকীর থেকে যথাযথ বিষয় আর কী হতে পারে? আমাদের বিপ্লবের নায়ক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রেরণা হিসেবেও বা এর থেকে বড় গৌরবের স্মরণও আর কী হতে পারে?’
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘যেসব খ্যাতনামা বিজ্ঞানী বোস-আইনস্টাইন তত্ত্বের অগ্রগতির ওপর বিশ্বময় কাজ করছেন, তাদের কয়েকজন আমাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এবং সত্যেন্দ্র নাথ বসুর আবিষ্কার-স্থানটির প্রতি তাদের আগ্রহের পরিচয় দিয়ে এই সম্মেলনে শরিক হয়েছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাই। মনে রাখতে হবে, এ সময় এই আবিষ্কারের উদযাপন দুনিয়ার অন্যত্রও ঘটছে, তারা আমাদের সম্মেলনে এসেছেন। বসুর কীর্তির ঢাকা শহরে, বিপ্লবের পুনর্জাগরণের ঢাকা শহরে, তাদের স্বাগতম।’
বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্স থিউরি শনাক্তের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘বিশ্ববিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত বসু কিন্তু ঢাকা থেকে হারিয়ে যাননি। বাকি সময় এখানে কাটালেন গবেষণায় ও নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা বিভাগের কাণ্ডারি হিসেবে বিভাগের উন্নয়নে। আনলেন বহু সুযোগ্য সহকর্মী, তাত্ত্বিক মানুষ হয়েও নিজের হাতে ল্যাবোরেটরি গড়ার কাজে মন দিলেন। অনেক যন্ত্র নিজেই তৈরি করেছেন।’
বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু সর্বস্তরসহ উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় বাংলা ভাষা প্রচলনের জন্য তর্ক-বিতর্ক করছেন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলায় বই লিখছেন, পত্রিকা বের করছেন, নিজের পাঠদানে বাংলা ব্যবহার করছেন। ’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন– শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, বোস ন্যাশনাল সেন্টার ফর বেসিক সায়েন্সেস (এসএনবিএনসিবিএস) কলকাতার সাবেক অধ্যাপক পার্থ ঘোষ প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/০৭ নভেমাবর-২৪/মওম

