আজ , ।   
Home Blog Page 696

কালিয়াকৈরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

শাহআলম সিকদার, কালিয়াকৈর প্রতিনিধিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বৃহস্পতিবার সকালে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কালিয়াকৈর পৌরসভার সাবেক মেয়র মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী বের করা হয়।
র‌্যালিটি উপজেলার কালিয়াকৈর ট্রাক স্টেশন এলাকা থেকে বের হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলার লতিফপুর এলাকায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, গাজীপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুল আলম সরকার, উপজেলা বিএনপির সহ-সম্পাদক মিজানুর রহমান শেলীসহ আরো অনেকে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- এসময় গাজীপুর জেলা, কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌরসভার বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
র‌্যালী শেষে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কালিয়াকৈর পৌরসভার সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে ২৬শে মার্চ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তার দৃশ্যপট ঘটে। সে সময় দেশে সরকার ছিল না।
জিয়াউর রহমান যখন বন্ধী ছিলেন, তখন সিপাহি জনতা একত্রি হয়ে জিয়াউর রহমানকে বন্ধী দশা থেকে বের করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অধিষ্ঠিত করে। এটা পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোথাও নেই। তাকে কোনো ব্যক্তি মুক্তি দেয়নি, জনগণ তাকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসিয়েছিল।
তাই আজকে সেই ৭ই নভেম্বর তাকে সারা দেশ স্মরণ করছে। সেই ধারাবাহিকতায় কালিয়াকৈরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এই র‌্যালীতে অংশগ্রহণ করেছেন। জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন। সেই ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অনতি বিলম্বে এই দেশে যে নিবার্চন হবে। সে নির্বাচনে জনগনের রায় যদি বিএনপি পায়, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গিয়ে সেই ৩১ দফা বাস্তবায়িত হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

অসময়ে যমুনা নদীর ভাঙনে ২০ পরিবার নিঃস্ব, আতঙ্কে দেড় শতাধিক পরিবার

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
অসময়ে আগ্রাসী যমুনা রুদ্রমূর্তি ধারণ করায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরপৌলী গ্রামের দশখাদা এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল থেকে ভাঙনের কবলে পড়ে ইতোমধ্যে ২০ টি পরিবারের ঘর-বাড়ি নদীর পেটে চলে গেছে। আতঙ্কে রয়েছে দেড় শতাধিক পরিবার।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রতিনিয়ত শ’ শ’ বালুবাহী বাল্কহেড নদীর তীর ঘেষে চলাচল করায় যমুনা রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে ২০টি পরিবারের ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ফলে ওই পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। নদীতীর ঘেষা দেড় শতাধিক পরিবার ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, শুষ্ক মৌসুমেও যমুনা রুদ্রমূর্তি ধারণ করায় নদী তীরবর্তী চরপৌলী গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। হঠাৎ করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে যমুনার দশখাদা এলাকায় তীব্র ভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ১৫টি ঘর-বাড়ি যমুনার পেটে চলে যায়। পাউবো দ্রুত ভাঙনরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আগামি কয়েকদিনের মধ্যে জেলার সবচেয়ে বড় চরপৌলী গ্রামের দেড় শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি যমুনাগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ইতোমধ্যে ভাঙন আতঙ্কে অনেকে ঘর-বাড়ি অন্যত্র সড়িয়ে নিচ্ছে। তারা অতিদ্রুত শুষ্ক মৌসুমের ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
মঙ্গলবারের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত সাইফুল ইসলাম ও আব্দুল খালেক জানান, তারা দিনমজরী করে দিনাতিপাত করেন। এক সময় জমি-জমা, অর্থ-সম্পদ সবই ছিল। রাক্ষুসী যমুনা সব কেড়ে নিয়েছে। তারা দুজনেই চারবার যমুনার ভাঙনের শিকার হয়েছেন। এবারের ভাঙনে তারা পথে বসে পড়েছেন। সরকারি সহযোগিতা না পেলে তারা আরও বিপাকে পড়বেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম খা, সাইফুল ইসলাম সবুজ জানান, ইতোপূর্বে কয়েক দফায় তাদের ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অল্পকিছুদিন আগে তাদের এলাকার আড়াই সহস্রাধিক ঘর-বাড়ি যমুনা কেড়ে নিয়েছে। মঙ্গলবারও ২০টি পরিবারের ঘর-বাড়ি বিলীন হয়েছে। নদীতীর রক্ষায় নিম্ন মানের জিওব্যাগ ফেলায় অসময়ে যমুনার পানিতে তীর ভেঙে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ঠিকাদারের শাস্তির পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি করেন তারা।
কাকুয়া ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে হঠাৎই যমুনাতীরে ভাঙন শুরু হয়। এতে এ পর্যন্ত ২০ পরিবার ঘর-বাড়ি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা না করা হলে তাদের খোলা আকাশের নিচে অথবা অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিতে হবে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান জানান, যমুনা নদী সব সময়ই আগ্রাসী- এটা যে কোন সময় রুদ্রমূর্তি ধারণ করতে পারে। ভাঙনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানা হয়েছে। অসময়ে যমুনার ভাঙনরোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/০৭ নভেমাবর-২৪/মওম

ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র ও তার শ্যালকের দুর্নীতি

স্টাফ রিপোর্টার
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নামে-বেনামে ঝিনাইদহ পৌরসভার উন্নয়নমূলক কাজ পেয়েছিলেন মোস্তফিজুর রহমান নাঈম। তিনি সাবেক মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলের শ্যালক হওয়ায় ঠিকাদার না হয়েও এই সুযোগ পেয়েছিলেন বলে দাবি স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঝিনাইদহ জেলার একাধীক ঠিকাদার জানান, নাঈমের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলায় গবড়া গ্রামে। এছাড়া তিনি ঠিকাদারও না। তার নামে কোন ঠিকাদারি লাইসেন্সও নেই। কিন্তু তার দুলাভাই হিজল ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তখন।
নামে-বেনামে বাগিয়ে নেন কোটি কোটি টাকার কাজ। কখনো প্রকাশ্যে আবার কখনো বা গোপন টেন্ডারে এসব কাজ নেন তিনি। এখনো নাঈমের এসব কাজ চলমান আছে।
জানা গেছে নাঈম ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া্ চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলার বড় বড় লাইসেন্সে কাজ নিতেন। আর দুলাভাই মেয়রের বদান্যতায় অনেক সময় টেন্ডার ছাড়াই কাজ পেতেন তিনি। শুধু পৌরসভা নয়। হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরেও তার প্রভাব ছিলো অনেক বেশি। তার ঐসব কাজে নানা অনিয়মও রয়েছে বলে জানা গেছে।
এসব অভিযোগ ছাড়াও নাঈমের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগও রয়েছে। তবে প্রভাবশালী হওয়ায় তার এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না কেউ।
এসব বিষয়ে জানতে তার মোবাইলে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তার উন্নয়ন কাজের অনিয়ম এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী করেছেন জনসাধারন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর,বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আলোকিত প্রতিবেদক:

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে আধিপত্যবাদী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে সিপাহি-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। সিপাহি-জনতা ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর-উত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করে। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত দিন।

সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ উপলক্ষে বাণী প্রদান করেছেন।

তারেক রহমানের বাণী : জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব অত্যন্ত তাত্পর্যমণ্ডিত। স্বাধীনতাত্তোর রাষ্ট্রীয় অনাচার, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, তৎকালীন ক্ষমতাসীন মহল নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে বিপন্ন ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে দেশকে ঠেলে দেয়। শুধু নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্যই গণতন্ত্রবিনাশী কর্মকাণ্ড শুরু করে। বাকশালি সরকার চরম অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী পন্থায় মানুষের ন্যায়সংগত অধিকারগুলোকে হরণ করে। দেশমাতৃকার এই চরম সংকটকালে ৭৫-এর ৩ নভেম্বর কুচক্রীরা জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে। ৭ নভেম্বর অকুতোভয় সৈনিক এবং জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির সম্মিলন ঘটে এবং জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। এই পটপরিবর্তনে রাষ্ট্রপতি জিয়ার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রভাবমুক্ত হয়ে শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। তাই আমি মনে করি, ৭ নভেম্বরের চেতনায় সব জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের পথচলাকে অবারিত ও জাতীয় স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি।

‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা, শোভযাত্রাসহ ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি।

সারা দেশে জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস পালিত:

বগুড়ায় নানা আয়োজনে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত:

মাজেদুর রহমানঃ

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে কারাগার থেকে মুক্ত করেন সিপাহী জনতা।

৭ই নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আজ বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলতাফুনন্নেছা খেলার মাঠ থেকে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‍্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা,শহর ও সদর বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অপরদিকে,  বগুড়া প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার আয়োজনে প্রেসক্লাব চত্ত্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র রেজাউল করিম বাদশা এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ মোশাররফ হোসেন,  বগুড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ওয়াসিকুর রহমান বেচন, সদস্য সচিব মোঃ লোটাস রাহমান, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি আবু সাইদ, সাধারণ সম্পাদক গণেশ দাস সহ প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সদস্যবৃন্দ।

৭ নভেম্বরের চেতনা ও ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লব একসূত্রে গাঁথা- সজীব 
ফয়সাল আহমেদ: 
নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীব বলেছেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা ও ছাত্র-জনতার ৫ আগস্টের বিপ্লব একসূত্রে গাঁথা।
তিনি বলেন, এবারের ৭ নভেম্বর আমরা এমন একটা পরিস্থিতিতে, এমন একটা সময়ে উদযাপন করছি যখন আধিপত্যবাদবিরোধী ছাত্র-জনতা একটি গণবিপ্লব সংগঠিত করেছে।
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁ  উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সৈনিক ও জনতার এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার দৃশ্যপটে আসেন জিয়াউর রহমান। দিনটিকে ‌‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে বিএনপি। সরকার-পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নতুন পরিস্থিতিতে এ বছর আড়ম্বরে দিবসটিকে উদযাপন করেছে বিএনপি। দিবসটিকে উদ্দেশ্য করে ইতিমধ্যে ঘোষিত হয়েছে ১০ দিনের কর্মসূচিও।
 সারা দেশে জিয়াউর রহমানের কর্মকাণ্ডের পরিচিতিমূলক প্রচারণাকে প্রাধান্য দিয়ে এই উদযাপন করছে বিএনপি।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কাশিয়ানীতে র‌্যালি ও আলোচনা সভা 
মোঃ আশরাফুজজামান:
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে  দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা বদলে গিয়েছিল। দেশ ও জাতি পেয়েছিল নতুন দিশা।
এরই ধারাবাহিকতায় দিবসটি পালন উপলক্ষে কাশিয়ানী উপজেলা  জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে   ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে আজ ০৭/১১/২০২৪ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার সময় কাশিয়ানী উপজেলা শহীদ মিনার চত্বরে   আলোচনা সভা ও  র‍্যালির আয়োজন করে। এ দিবস পালন উপলক্ষে  কাশিয়ানী উপজেলা শহীদ মিনার চত্বরে  আলোচনা সভা শেষে একটি রালী উপজেলার প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।কাশিয়ানী উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি র নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম।তিনি তার বক্তব্যে বলেন গত ১৬ টি বছর ভিন্নমত ও ভিন্ন দলের মানুষ ভয়ে কথা বলতে পারেনি।ক্ষমতাসালীরা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ভীতসন্ত্রস্ত করে রেখে ছিল। আজ মানুষ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারছে,ঘরছাড়া মানুষ আজ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে।জাতীয়তা বাদী দল আগেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, ভবিষ্যতে ও পাশে থাকবে। এ সময় আর ও উপস্থিত ছিলেন  সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ সেলিম, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মতিউর রহমান রনি
 কাশিয়ানী  উপজেলা ছাত্র দলের সভাপতি  আমিরুল ইসলাম সোহেল
কাশিয়ানী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক  শিমুল মুন্সি, সদস্য সচিব আরিফুর রহমান পাবেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ফোরকান শরীফ টিটু,সহ সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিতি ছিলেন।
বীপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ
মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরে পৃথক স্থান থেকে দুই পক্ষ এ সমাবেশের আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় পৌর মুক্ত মঞ্চে আয়োজিত সমাবেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এড. এম.এ মান্নানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তকদির হোসেন মোঃ জসিম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম, সদস্য নূরে আলম সিদ্দিকীসহ জেলা যুবদল, ছাত্রদলসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। এসময় বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন আমরা আজ এই স্বাধীনতা ভোগ করতে পারতাম না। সমাবেশ শেষে একটি র‍্যালী বের হয়। র‍্যালীটি পৌর মুক্ত মঞ্চ থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদের সামনে এসে শেষ হয়।
অন্য দিকে সকাল ১১টার দিকে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সদস্য ও সাবেক জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জহিরুল হক খোকনের নেতৃত্বে একটি র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে লোকনাথ দীঘির পাড়ে দিয়ে সমাবেশ করে।
শরীয়তপুরে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত 
বিশেষ প্রতিনিধি :
 ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুর পৌরসভা অডিটোরিয়ামে   পালিত হয়েছে।
১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সিপাহী -জনতার বিপ্লব ঘটেছিল।
যা তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে দিয়ে দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছিল। আওয়ামী শাসনামে দিবসটি পালন করতে পারেনি বিএনপি।(গত ৫ আগস্টে ২০২৪) ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে দলটি। এ উপলক্ষে বিএনপির পক্ষথেকে ১০ দিনের কর্মসূচী ও ঘোষণা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুর জেলা  বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে উক্ত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) শরীয়তপুর সদর পৌরসভা অডিটোরিয়াম এ বিপ্লব ও সংহতি দিবস অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব  সফিকুর রহমান কিরণ  এর সভাপতিত্বে এবং শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী এ্যাড মৃর্ধা নজরুল ইসলাম  কাজী  এর সঞ্চালনায়ে সকাল ১১ টায় পৌরসভা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর জেলা কারাগার (পাকার মাথা)  সামনে থেকে একটি র‍্যালী বের হয়ে কোর্ট চত্বর পদক্ষিন করে পৌরসভা অডিটোরিয়াম এসে সমাপ্ত হয়। এসময় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- জেলা  বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সরদার নাছির উদ্দিন কালু, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, সালাম শাহ্,জেলা যুবদলের সভাপতি আরিফুজ্জামান মোল্লা, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, মাহাবুব মোর্শেদ টুপু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক, ইশমত জাহান ইলোরা হাওলাদার। আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের জেলা সভাপতি, এ্যাড লোকমান হোসাইন। এছাড়াও বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০৭ নভেমাবর-২৪/মওম

বনবিভাগের পৃথক পৃথক অভিযানে সরকারি বনভূমি উদ্ধার, আহত ৩ ভিলেজার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন ঈদগাঁও রেঞ্জের অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ৩০ শতক বনভূমি জবরদখল মুক্ত করে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসময় দখলদারদের হামলায় বনবিভাগের পক্ষে ৩ জন ভিলেজারকে গুরুতর আহত করা হয়।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৬ নভেম্বর বুধবার ঈদগাঁও রেঞ্জের ভোমরিয়াঘোনা বিটের রক্ষিত বনভূমির আরএস দাগ নং ১০০১ এর ফকিরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে পূর্বে নির্মিত পিলারের উপর ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি কালে সেন্টারিং ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে বিট অফিস হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। আনুমানিক ১৫ শতক রক্ষিত বনভূমি জবরদখল মুক্ত করা হয়।
একই দিন আরেক অভিযানে ভোমরিয়াঘোনা বিট অধিক্ষেত্রে ঈদগাঁও মৌজাস্থ রক্ষিত বনভুমির R S দাগ নং ১০০১ এ ফকিরা বাজার সংলগ্ন   এলাকায়  সকাল ৯ টায় রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশনায়  সঙ্গীয় স্টাফ ও ভিলেজারদের সহযোগিতায়  অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ১০ শতক রক্ষিত বনভূমি উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে বনকর্মী স্টাফসহ ভিলেজারগণ অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানের বিষয়গুলো নিশ্চিত করে ঈদগাঁও রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁন বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পৃথক পৃথক অভিযানে  ভোমরিয়াঘোনা বিট অধিক্ষেত্রে ঈদগাঁও মৌজাস্থ উত্তর শিয়াপাড়া নামক  এলাকায়  দুপুর ১২ টায় বনবিভাগের পক্ষ থেকে সঙ্গীয় স্টাফ ও ভিলেজারদের  সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনার মধ্যবর্তী সময় পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ঘটনাস্থলে বসবাসকারী আনুমানিক  ১০০ থেকে ১২০ জন মানুষ অতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষে ৩ জন ভিলেজার আহত হয় এবং ১ জনের অবস্থা গুরুতর  হওয়ায়  জরুরী ভিত্তিতে রামু উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করা হয়। এসময় ৫ শতক বনভূমি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো বলেন,সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার করতে গিয়ে দখলদারদের হামলার ঘটনা ন্যাক্কারজনক। মাঠ লেভেলের বনকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে।   উক্ত ঘটনার বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।
জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/০৭ নভেমাবর-২৪/মওম

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা মামলায় গ্রে*ফতার-১

শওকত আলী
অদ্য ০৭/১১/২০২৪ খ্রি. ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) জাহেদুল কাদের গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র ও জনতার উপর হামলাসহ নাশকতা মামলার এজাহারনামীয় আসামী মোঃ কামরুল ইসলাম (৩৮), পিতা- সাহাব উদ্দিন, সাং- পশ্চিম পাইকপাড়া, থানা ও জেলা-ব্রাহ্মনবাড়িয়াকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের নাম ও ঠিকানা:
১। মোঃ কামরুল ইসলাম (৩৮),
পিতা- সাহাব উদ্দিন, সাং- পশ্চিম পাইকপাড়া,
থানা ও জেলা-ব্রাহ্মনবাড়িয়া
গৃহিত ব্যবস্থা (মামলা/জিডি):
১। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ,এফআইআর নং-৩, তারিখ- ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪; জি আর নং-৪৪৫, তারিখ- ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪; সময়- ইং ১.০৫ ঘটিকা ধারা- 143/148/149/447/448/341/ 335/427/323/324/326/307/34
 Penal Code, 1860; তৎসহ 3/4/6
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট

আলোকিত প্রতিবেদক

সদ্য নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। আমরা আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক এবং সহযোগিতার ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছি।

তিনি যোগ করেন, ‘ট্রাম্পের এই বিজয় আমেরিকার শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলোকে প্রদর্শন করবে। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এগিয়ে যেতে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার দৃঢ় করতে আগ্রহী।

প্রসঙ্গত, চার বছর পর আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে ম্যাজিক ফিগার পার করেছেন ট্রাম্প। তিনি এখন পর্যন্ত ইলেক্টোরাল কলেজের ২৭৬টিতে জয় পেয়েছেন। যেখানে নির্বাচনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ২৭০টি কলেজ ভোটের প্রয়োজন ছিল।

এর আগে গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড এমনই এক ইতিহাস গড়েছিলেন। ১৯৮৩ সালে তিনি প্রথম এমন অনন্য সফলতা অর্জন করেছিলেন। এবার ট্রাম্প গড়লেন সেই ইতিহাস।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গাইবান্ধায় সাঁওতাল হত্যা দিবস পালনে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রানা ইস্কান্দার রহমান:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল পল্লীতে হামলা-অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং তিন সাঁওতাল হত্যার ৮ম বার্ষিকীর কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। গত ৬ নভেম্বর বুধবার গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (গানাসাস) মুক্ত মঞ্চে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদ, সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, এএলআরডি ও নাগরিক সংগঠন জন উদ্যোগ, গাইবান্ধা যৌথভাবে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশের শুরুতেই  সাঁওতাল ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে সাঁওতাল-বাঙালি নারী-পুরুষেরা তাদের অধিকার এবং দাবী সংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে বর্ণাঢ্য মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সাঁওতাল নারী-পুরুষেরা তাঁদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী পোশাক, বাদ্যযন্ত্র ও তির, ধনুকসহ অংশগ্রহণ করে।
সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এএলআরডি নির্বাহী পরিচালক ও ভূমি অধিকার কর্মী শামসুল হুদা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. মিনহাজুল হক চৌধুরী, পরিবেশ আন্দোলন গাইবান্ধার সভাপতি ওয়াজিউর রহমান রাফেল, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদ আহ্বায়ক ঋ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, জন উদ্যোগের সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তী, বাসদ নওগাঁ জেলার সমন্বয়ক জয়নাল আবেদীন মুকুল, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদ সদর উপজেলা আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসা, আদিবাসী নেত্রী প্রিসিলা মুর্মু, রংপুর বিভাগীয় খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাথিয়াস মার্ডি, সাঁওতাল হত্যা মামলার বাদী থমাস হেমব্রম এবং সুচিত্রা মুর্মু তৃষ্ণা প্রমুখ।
বক্তারা সাঁওতাল হত্যার বিচার, আসামীদের গ্রেফতার, গুলিতে আহত সাঁওতাল, বাড়িঘরে লুটপাট, অগ্নিসংযোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাঁওতালদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। চাষাবাদরত সাঁওতাল-বাঙালিদেও সেচ সুবিধার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান, সমতলের আদিবাসীদের ভূমি সংকট নিরসনে পৃথক ও স্বাধীন ভূমি কমিশন গঠনসহ সাত দফা বাস্তবায়নের দাবী করেন।
অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বর্তমান আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন যে, যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি দাঁড়িয়ে যাও তাহলে তোমার বাংলাদেশ। যে আন্দোলনে রক্ত যায় সে আন্দোলন বৃথা যেতে পারে না। ৫০টিরও বেশী জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আছে, বাংলাদেশ সকল ধর্ম, সকল জাতিগোষ্ঠীর দেশ। সকল জাতিস্বত্তা, সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হবে। এ ছাড়াও ক্ষুদ্র্র নৃগোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি; সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশন গঠনেরও দাবী জানানো হয়। সারা দেশে সাঁওতালসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানবাধিকার, জীবনমানের দিক দিয়ে আজও নানাভাবে বঞ্চিত। সমতলের আদিবাসীরা বিলুপ্ত হওয়ার পথে। শুধু আদিবাসীরাই বিলুপ্ত হচ্ছে না, তাঁদের সংস্কৃতি, ভাষাও বিলুপ্ত হচ্ছে। পরিণত হচ্ছে দেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীতে।
গাইবান্ধায় সাঁওতাল হত্যা ও লুটপাটকারীদের বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ। অধিকাংশই ভূমিহীন, তাঁদের কাছে তুমি নেই। উন্নয়ন প্রকল্পের নামে ক্রমাগত সাঁওতালসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সাঁওতালরা তাদের অধিকার এবং মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত।
আলোকিত প্রতিদিন/০৭ নভেমাবর-২৪/মওম

রাঙ্গাবালীতে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি, সভাপতি রাফেজা, সম্পাদক শাহীন

মোঃ কাওছার আহম্মেদ, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার রাতে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবুল কাসেম ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীনের যৌথ স্বাক্ষরে কমিটি অনুমোদন করা হয়।
অনুমোদিত এ কমিটিতে মোসাম্মৎ রাফেজা পারভীনকে সভাপতি এবং মো. শাহীন ফরাজীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কমিটিতে নির্বাহী সভাপতি হয়েছেন গাজী মোহাম্মদ শফিউদ্দিন ও নির্বাহী সম্পাদক হয়েছেন এইচ এম হাসান।
এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম, ওবায়দুল ইসলাম, মমতাজ বেগম, সহ-সভাপতি আবদুল বারেক, নুর হোসেন, খলিলুর রহমান, মুহাম্মদ ছোলায়মান হোসাইন, তাহমিদা সুলতানা, হোসেলা পারভীন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লাভলী ইয়াসমিন, রেশমা, যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল, অলিউল্লাহ, লিমন আনসারী, সাইফুল ইসলাম, সরোয়ার, অনুরা বেগম, সহ-সম্পাদক রুহুল আমিন, মিজানুর রহমান, সোহাগ মিয়া, ফারজানা রহমান তন্নী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হুসাইন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম হোসেন, মহিলা সম্পাদক নাদিয়া আক্তার, সহ-মহিলা সম্পাদক নাজমুন নাহার, অর্থ সম্পাদক মাহবুব আলম, সহ-অর্থ সম্পাদক নুরুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক রাজিব মিয়া, শিক্ষা সম্পাদক আবু ইউসুফ টিপুসহ ৬১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

প্রয়োজনীয় সংস্কারে প্রস্তুত সরকার, সবার পরামর্শ চাই: প্রধান উপদেষ্টা

আলোকিত প্রতিবেদক:

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিপ্লবের ফসল আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় সব সংস্কার করতে, এর উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির সব প্রয়াস নিতে প্রস্তুত আছে। এই কাজে নিবেদিত সবার কাছ থেকে চাহিদাও পরামর্শ চাই।

৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য’ শীর্ষক শতবর্ষ উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগ এবং বোস সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ ইন ন্যাচারাল সায়েন্সেস যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী আয়োজন করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা সংস্কারের বিষয়ে বলেন, ‘আস্থা থাকলে এটি আমরা পারবো, কেন পারবো না? যেমন-সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আস্থা ছিল বলেই তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত হয়েও আইনস্টাইনকে চিঠি লিখতে পেরেছিলেন। সব সময় আমাদের যেন বিশ্বের কাছে যেতে না হয়, বিশ্ব যেন আমাদের কাছে আসে। আমাদের তরুণদের মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে তারাই বিশ্ব। আজ আমরা সেই আকাঙ্ক্ষারই শতবার্ষিকী পালন করছি।’

পঞ্চাশের দশকের ঢাকার সঙ্গে বসুর ঢাকার কথা উল্লেখ করে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘সেই শান্ত শহরকে, সেই সবুজ রমনাকে আর ফেরত আনা যাবে না। কিন্তু আজকের নতুন বাংলাদেশে সেই গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা অবশ্যই ফেরত আনতে পারি। বোস-আইনস্টাইন তত্ত্বের শতবার্ষিকীতে এ কথা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক সমাজ তাদের চিন্তার স্বাধীনতা, মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে আবার ফিরে পেয়েছেন। এর সঙ্গে এখন বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখার সক্ষমতাকেও যোগ করতে হবে। আকাঙ্ক্ষাকে উচ্চে রেখে দৈনন্দিন পঠন-পাঠন গবেষণার মাধ্যমেই সেটি অর্জিত হয়। ১৯২৪ সালে বসুর আবিষ্কারের পরিবেশ সেভাবে গড়ে উঠেছিল, আজও সেভাবেই গড়ে উঠবে, এর কোনও বিকল্প নেই।’

বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালের বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্সের আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞান ইতিহাসের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘তিনি এটি করেছিলেন, আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নবীন অধ্যাপক হিসেবে কার্জন হলের একটি কামরায় বসে। আজও যেটি পদার্থবিদ্যার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত। আবিষ্কারের গুরুত্বের কারণে পৃথিবীর নানা দেশের পদার্থবিদরা এই শতবার্ষিকী উদযাপন করছেন। কিন্তু আমাদের জন্য এই আবিষ্কারের মর্মটাই আলাদা। পদার্থবিদরা বলেন, বিংশ শতাব্দীর ওই পর্যায়ে পদার্থবিদ্যায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিল কোয়ান্টাম থিওরির মাধ্যমে, এটি ছিল তার মধ্যে একটি বড় সংযোজন। বসু বিশ্ববিজ্ঞানের মানচিত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের ঢাকা নগরীকে উজ্জ্বলভাবে চিহ্নিত করে দিয়েছিলেন।’

ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে নতুনভাবে গড়ার প্রয়াসের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে তার যথাযথ চর্চার জায়গায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছি। তখন পরিবর্তনের নির্দেশিকা হিসেবে উদযাপনের জন্য বসুর আবিষ্কারের এই শতবার্ষিকীর থেকে যথাযথ বিষয় আর কী হতে পারে? আমাদের বিপ্লবের নায়ক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রেরণা হিসেবেও বা এর থেকে বড় গৌরবের স্মরণও আর কী হতে পারে?’

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘যেসব খ্যাতনামা বিজ্ঞানী বোস-আইনস্টাইন তত্ত্বের অগ্রগতির ওপর বিশ্বময় কাজ করছেন, তাদের কয়েকজন আমাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এবং সত্যেন্দ্র নাথ বসুর আবিষ্কার-স্থানটির প্রতি তাদের আগ্রহের পরিচয় দিয়ে এই সম্মেলনে শরিক হয়েছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাই। মনে রাখতে হবে, এ সময় এই আবিষ্কারের উদযাপন দুনিয়ার অন্যত্রও ঘটছে, তারা আমাদের সম্মেলনে এসেছেন। বসুর কীর্তির ঢাকা শহরে, বিপ্লবের পুনর্জাগরণের ঢাকা শহরে, তাদের স্বাগতম।’

বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্স থিউরি শনাক্তের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘বিশ্ববিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত বসু কিন্তু ঢাকা থেকে হারিয়ে যাননি। বাকি সময় এখানে কাটালেন গবেষণায় ও নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা বিভাগের কাণ্ডারি হিসেবে বিভাগের উন্নয়নে। আনলেন বহু সুযোগ্য সহকর্মী, তাত্ত্বিক মানুষ হয়েও নিজের হাতে ল্যাবোরেটরি গড়ার কাজে মন দিলেন। অনেক যন্ত্র নিজেই তৈরি করেছেন।’

বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু সর্বস্তরসহ উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় বাংলা ভাষা প্রচলনের জন্য তর্ক-বিতর্ক করছেন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলায় বই লিখছেন, পত্রিকা বের করছেন, নিজের পাঠদানে বাংলা ব্যবহার করছেন। ’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন– শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, বোস ন্যাশনাল সেন্টার ফর বেসিক সায়েন্সেস (এসএনবিএনসিবিএস) কলকাতার সাবেক অধ্যাপক পার্থ ঘোষ প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ নভেমাবর-২৪/মওম