আজ , ।   
Home Blog Page 693

রাঙ্গাবালীতে ১৬ বছর পর বিএনপির সমাবেশ, উল্লসিত নেতাকর্মীরা

মোঃ কাওছার আহম্মেদ, রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী 
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে প্রায় ১৬ বছর পর সমাবেশ করেছে উপজেলা বিএনপি। আজ শনিবার বিকেলে উপজেলার রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশের আগে দুপুর থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন হাজারো মানুষ। সমাবেশে  বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ বলেন, শেখ হাসিনার বিচার বাংলার মাটিতেই হবে’  আমরা নই, শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ২০০ মামলা করেছে নিহতদের পরিবার। আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে উল্লেখ করে মোশাররফ হোসেন বলেন, শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এমপি হতে ভোট লাগেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচন রাতেই  করে ফেলা হয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচন নিজেরা নিজেরাই করেছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রসঙ্গে মোশাররফ হোসেন বলেন, ড. ইউনুসের নেতৃত্বের সরকারকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। কারণ আমরা আগামী দিনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য অবাধ-সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আমরা এককভাবে সরকার গঠন করবো না। আন্দোলনরত সব দলগুলো নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবো। রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজীর সভাপতিত্বে, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুন হাওলাদারের সঞ্চালনায়, সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্নেহাশু সরকার কুট্টি, রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম হাওলাদার,উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কবির হোসেন তালুকদার,  উপজেলা যুবদলের আহাব্বায়ক অরুন মির,  উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাহারিয়ার সজিব মল্লিক, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সোহাগ মাহমুদ সহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দিচ্ছে: বাফুফে

ক্রীড়া ডেস্ক….

সাফজয়ী মেয়েদের জন্য দেড় কোটি টাকা অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু।

বাফুফের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আজ। সভা শেষে আমিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী দলকে বাফুফের পক্ষ থেকে দেড় কোটি টাকা প্রদান করা হবে।

 

এর আগে বাংলাদেশকে টানা দ্বিতীয়বার মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফি এনে দেওয়ায় মেয়েদের পুরস্কার ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়েরে এক কোটি টাকার বিপরীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে ২০ লাখ টাকা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গোদাগাড়ীতে ২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

রাকিবুল হাসান: রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ীতে ২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ডিএনসি’র রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যলয়ের সদস্যরা।
শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে গোদাগাড়ী থানাধীন সাড়ইল গ্রামের রাজশাহী- গোদাগাড়ী মহাসড়কের রাস্তার দক্ষিণ মহাসড়ক থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বড় বঙ্গেশ্বরপুর গ্রামের মৃত আশরাফুল মুলুক ওরফে টুণ্ড এনাহার অদ্যের ছেলে আসাদুজ্জামান ওরফে বিপ্লব (৫৩)। জানা গেছে, শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমানের তত্ত্বাবধানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিদর্শক পারভীন আক্তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোদাগাড়ী থানাধীন সাড়ইল গ্রামের রাজশাহী গোদাগাড়ী ‘মহাসড়কের রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বে চট্টগ্রাম থেকে রহনপুর গামী নিউ ভাই ভাই স্পেশাল নামের একটি বাসকে গতিরোধ করে ঘেরাও করে। পরে ডিএনসির সদস্যরা তল্লাশী বাসটি ভিতরে থাকা মাদক ব্যবসায়ীর দেহ তল্লাশীকালে তার দুই পায়ের মাঝখানে একটি প্লাষ্টিক বস্তার মধ্যে পলিথিন স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোদাগাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে ২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান ডিএনসির উপপরিচালক।
আলোকিত/০৯/১১/২০২৪/আকাশ

আওয়ামী লীগ শিক্ষা নীতিমালার নামে জাতিকে ধ্বংসের নীতিমালা তৈরি করেছে : মাসুদ

আলোকিত ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ আধুনিকতার নামে দেশকে জাহিলিয়াতের যুগে নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ শিক্ষা নীতিমালার নামে জাতিকে ধ্বংসের নীতিমালা তৈরি করেছে। তাদের শিক্ষানীতির শিক্ষা হচ্ছে ধর্ষণের সেঞ্চুরি করে দেশের সেরা বিদ্যাপীঠে মিষ্টি বিতরণ করা। কোনো সভ্য যুগে, সভ্য দেশে এমন নিকৃষ্ট ঘৃণিত কাজ আর হতে পারে না।

৯ নভেম্বর শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে শাহেদ মতিউর রহমান রচিত আওয়ামী লীগের ‘বিতর্কিত কারিকুলাম’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন জামায়াতের এ নেতা। ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো সংস্কৃতিতে সুন্দর এবং অত্যাধুনিক সংস্কৃতি নেই উল্লেখ করে মাসুদ বলেন, ইসলামী আদর্শে সমাজ গঠন করতে পারলে সমাজে কোনো বৈষম্য, হানাহানি, মারামারি, রক্তপাত, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি থাকবে না। জামায়াতে ইসলামী এমন একটি সমাজ গঠনে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে কাজ করছে।

dhakapost

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দাবি করত জামায়াতে ইসলামীসহ ইসলামী দলগুলো নারীদের নেতৃত্বের আসন দেয় না। অথচ আওয়ামী লীগের এক নারী নেতৃত্ব মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে দলের নারী কর্মীরা নিজেদেরকে বিলিয়ে না দিলে কোনো পদ-পদবি দেওয়া হয় না। এই বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শ বলার অপেক্ষা রাখে না। যেই দলের কাছে দলের নারী নেত্রীরাই অসহায়, নিরাপদ নয়, সেই দলের কাছে জাতি নিরাপদ থাকতে পারে না। আওয়ামী লীগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যা চালিয়ে সেই প্রমাণ দিয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের এ নেতা বলেন, শিক্ষার সংস্কার ব্যতীত কোনো সংস্কারই জাতির জন্য কল্যাণকর হবে না। তাই শিক্ষার সংস্কার করে ইসলামী আদর্শের শিক্ষানীতি তৈরি করতে হবে। ইসলামী আদর্শের শিক্ষানীতি ব্যতীত সোনার মানুষ তৈরি করা যাবে না।

দৈনিক নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহি উদ্দীনের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের ‘বিতর্কিত কারিকুলাম’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ও মানারত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এম কোরবান আলী। অনুষ্ঠানে লেখক, প্রকাশক, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ নভেম্বর-২৪/মওম

অষ্টগ্রামে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রে*ফতার

অষ্টগ্রাম, (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) ভোর রাতে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশ ও সেনা বাহিনীর যৌথ অভিযানে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকা থেকে সঞ্জব আলী (৪০) ও সাইফুল হক শাহিন (৪০) নামে দু’জনকে ৫০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সঞ্জব আলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের দেওয়ানদীঘির পারের বাসিন্দা সুরত আলীর পুত্র ও অষ্টগ্রাম বড় বাজারের একজন ব্যবসায়ী এবং সাইফুল হক শাহিন একই ইউনিয়নের আড়ারপাড়ের বাসিন্দা আমিনুল হকের পুত্র। তিনি পেশায় একজন শিক্ষাণবীশ আইনজীবি। তাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

স্বপ্ন ভেঙে গেলে খুব কান্না পায় : শ্রীলেখা

বিনোদন ডেস্ক:

অত্যন্ত স্পষ্টবাদী অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। অন্যায় দেখলেই তিনি প্রতিবাদ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার টাইমলাইনে একদিকে যেমন দেখা যায় প্রতিবাদী পোস্ট, অন্যদিকে মনের যন্ত্রণাও। বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর তাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখার মুহূর্ত ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে ভাগ করলেন শ্রীলেখা। বাবা-মা মারা যাবার পরে অনেকটাই একা হয়ে গেছেন শ্রীলেখা।

রাতে ঘুমানোর সময় মাঝে-মধ্যেই হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় তার। এই মুহূর্তে তার মনে হয়েছিল ছুঁয়ে দেখলেন মা-বাবাকে। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই পুরোনো বাড়ি, পুরোনো আসবাবপত্র। স্বপ্নটা যখন ভেঙে যায়, খুব কষ্ট হয়।’

এরপর বলেন, ‘স্বপ্নের মধ্যেও মনে হয় এই তো বাবা-মা পাশেই ছিল। পেয়ে গিয়েছি আবার সবাইকে। কোথাও একটা স্বপ্ন আর বাস্তব মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। হয়ত আমি একটু বেশি ইমোশনাল বলেই এটা বারবার মনে হয়। যখন মন খারাপ লাগে, একাই ওদের সঙ্গে কথা বলি।’ এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে উল্লেখ করেছেন যে, ‘খুব ঘনঘন মা বাবার স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন ভেঙে গেলে খুব কান্না পায়। খুব কাঁদি, কাঁদলে বালিশ ভিজে যায়। ভিজে গেলে খুব কষ্ট হয়। কষ্ট হলে খুব রাগ হয়, রাগ হলে কার কী এসে যায়।’

বাবাকে সবসময় ভীষণ ভাবে অনুভব করেন শ্রীলেখা। তাই স্বপ্ন দেখলেও তার মনে হয়, ওই সময়টুকুই তার বাবা-মা বেঁচে আছেন, ছুঁয়ে দেখতে পাচ্ছেন।

সেই স্বপ্নটা ভেঙে গেলে কষ্ট হয় তার। তাই একরাশ মন খারাপ নিয়ে শ্রীলেখা লিখেছেন, ‘কিছু হলে ছুটে যাওয়ার জায়গা ছিল। গাছের মতো, ছাতার মতো। আজ আর কোথায় পাব সেই শান্তির নীড়।’

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ নভেম্বর-২৪/মওম

নাগরপুরে নরসুন্দর আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে 

প্রতিনিধি,নাগরপুর (টাঙ্গাইল):

 আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন নরসুন্দর বা নাপিত পেশা আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে শহর-বন্দর এবং গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে রয়েছে এসি ও নন-এসি সেলুন। এতে চুল ও দাড়ি কাটার জন্য রয়েছে আধুনিক সাজসরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি। এই আধুনিকতায় হারিয়ে যেতে বসেছে ভ্রাম্যমাণ নরসুন্দরদের চুল ও দাড়ি কাটার চিত্র। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নরসুন্দরদের এই পেশা প্রায় বিলুপ্তির পথে। মাঝে মধ্যে গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারে চোখে পড়ে ভ্রাম্যমাণ নরসুন্দরের কর্মযজ্ঞ। হাটবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে আসা ক্রেতারাই নরসুন্দরদের ‘সেবা গ্রহীতা’। ৬ নভেম্বর বুধবার হাটের ব্যস্ততম দিনে নাগরপুর সরকারি যদুনাথ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চোখে পড়ে ভ্রাম্যমান নরসুন্দরের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাস্টমারদের পিঁড়ি বা টুলে বসিয়ে চুল ও দাড়ি কাটছেন।

নরসুন্দর সুরেশ চন্দ্র শীল বলেন, এই হাটে সপ্তাহে বুধবার বসে এই কাজ করি। ৩০-৩৫ বছর আগে চুল-দাড়ি কাটা ৫-১০ টাকা ছিল। সে সময় যা আয় হতো তা দিয়ে ভা‌ল ভা‌বেই সংসার চলতো। কিন্তু, বর্তমানে চুল কাটতে ৩৫-৪০ টাকা এবং দাড়ি কাট‌তে ১৫-২০ টাকা নেই। ত‌বে এত কমদামে চুল দা‌ড়ি কাটার মানুষ পাওয়া যায় কম। সারাদিনে ৩৫০-৪০০ টাকা উপার্জন হয় তা দিয়ে সংসার চালানো ক‌ঠিন হ‌য়ে প‌ড়ে‌ছে। চুল কাটতে আসা ছানোয়ার মিয়া জানায়, ছোট বেলায় বাবার সঙ্গে হাটে এসে এই ভ্রাম্যমাণ নরসুন্দরদের কাছে চুল কাটাতেন। এখন তিনি নিজেই ও তার সন্তানের নাতিদের এনে চুল কাটাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি মধ্যবিত্ত মানুষ। সেলুনে চুলদাড়ি কাটাতে গেলে ৫০ থেকে ১০০ টাকা লাগে। আর এদের কাছে মাত্র ৩০ থেকে ৫০ টাকায় চুল ও দাড়ি কাটানো যায়। সেলুন আর এদের কাজের মান প্রায় সমান।
দুয়াজানী কলেজ পাড়ার আহাম্মদ হোসেন বলেন, এখন সবাই চুল কাটায় আধুনিক সেলুন গুলোতে। একটা সময় আসবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে নিছকই গল্প মনে হবে টুল-পিঁড়িতে বসে চুল দাড়ি কাটা। উল্লেখ্য, দৈনন্দিন গ্রামীণ জীবনযাত্রায় দীর্ঘকাল ধরে নিয়োজিত নরসুন্দর বা নাপিত জনসাধারণদের বর্তমানে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আগেকার দিনে তাদের আয় দিয়ে সংসার ভালোভাবে চললেও এখন তারা আর্থিক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারছে না। তাই দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম নরসুন্দর বা নাপিত পেশা।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ নভেম্বর-২৪/মওম

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

মমিন (দূর্গাপুর প্রতিনিধি): জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভাপতি মুহম্মদ আলতাফ হোসেন এর রুহের মাগফিরাত কামনায় ৮ নভেম্বর ২০২৪ শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতিত্ব করেন সংস্থার নির্বাহী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমিনুর রশিদ শাইন, মহাসচিব কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্থার প্রতিষ্ঠিতা সদস্য আতিকুর রহমান, উপদেষ্টা লায়ন গণী মিয়া বাবুল, ড. এসএম নূরুজ্জান।
সাংবাদিকদের কল্যাণে ২১ দফা দাবির বাস্তবায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখেন সংস্থা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুহম্মদ আলতাফ হোসেন এর ছেলে ডাক্তার মো: মনির হোসেন ও মুনজুর হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মিজুর রহমান প্রীন্স, জামাল হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল মজিদ, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মাহামুদুল হাসান, সহকারী মহাসচিব হাসান সরদার জুয়েল, আতিকুর রহমান আজাদ, সাংগঠনিক সচিব মো: রাসেল সরকার, অর্থ সচিব আবেদ আলী, দপ্তর সম্পাদক রাব্বি মোল্লা, ঢাকা জেলার সভাপতি মহসিন, ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমেদ আলী, কক্সবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি, রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম মিলন, চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি কামাল হোসেন ও বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ আবু মুসা সহ আরও সংস্থার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
স্মরণসভায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অতঃপর দোআ ও মাহফিলের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।
আলোকিত/০৯/১১/২০২৪/আকাশ

রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা নিয়ে সেমিনার আয়োজন করবে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আগে ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে প্রণীত ৩১ দফাকে আরও গুরুত্ব দিয়ে সামনে আনছে বিএনপি। বিগত কিছুদিন এই ৩১ দফাকে লিফটেল আকারে বিলির পাশাপাশি ভার্চুয়ালি ভিডিও কনটেন্ট আকারে প্রচার চালিয়ে আসছে। এবার তা নিয়ে বিশিষ্টজনদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সেমিনার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

বিএনপি সূত্র বলছেন, আগামী ২৩ নভেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে এই সেমিনারটি আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন বাইরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন করা রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এছাড়া সেমিনারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্যরাসহ বিশিষ্টজনরা অংশগ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘৩১ দফা নিয়ে সেমিনার করার কথা শুনেছি। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি।’

২০২২ সালের ১৯ নভেম্বর রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ২৭ দফা ঘোষণা করে বিএনপি। পরে যুগপৎ আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ২৭ দফাকে কিছুটা সংযোগ-বিয়োজন করে গত বছরের ১৩ জুলাই ‘সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে ‘রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফা’ ঘোষণা করে বিএনপি। গণতন্ত্র মঞ্চসহ অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে যুগপৎভাবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী শক্তিগুলোর প্রতি বিএনপির প্রতিশ্রুতি ছিল এই ৩১ দফা। ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে খালেদা জিয়া ‘ভিশন-২০৩০’ উপস্থাপন করেন। খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন ২০৩০ এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ঘোষিত ১৯ দফার সঙ্গে সমন্বয় রেখেই বিএনপির এই ৩১ দফা।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে খালেদা জিয়া জানান, ক্ষমতায় এলে তার দল জাতীয় সংসদকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা নিরসনকল্পে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা হবে।  তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বিএনপি।’ বিএনপির বর্তমান রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় এই সংস্কারগুলোর কথা উল্লেখযোগ্য রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ নভেম্বর-২৪/মওম

ডেমোক্র্যাটদের পরাজয়ের জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনকেই দায়ী করলেন পেলোসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সাবেক স্পিকার ও প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতা ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যদি আরও আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতেন তাহলে তার দল গত মঙ্গলবারের ভোটে আরও ভালো করতে পারতো। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আরও আগে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলে হয়তো অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনের দৌড়ে আসতো। খবর নিউইয়র্ক টাইমস।

উন্মুক্ত প্রাইমারিতে কয়েক মাস ধরে প্রচারণা এবং বিতর্কে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করার সুযোগ পায় ডেমোক্র্যাট। সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করলে দল প্রাইমারির আয়োজন করে না এবং সে কারণে জো বাইডেন যখন দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচন করার ঘোষণা দেন তখন তার দল আর অন্য কাউকে বিবেচনায় আনেনি।

নির্বাচনের চার মাস আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বিতর্ক বিপর্যয়ের পর বাইডেন যখন সরে দাঁড়ান তখন দল দ্রুত ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে প্রার্থী করতে একমত হয়। সে সময় কমলা হ্যারিসকে প্রার্থী হিসেবে সমর্থন করেছিলেন জো বাইডেন। ন্যান্সি পেলোসি তারও সমালোচনা করেছেন। যদিও একই সঙ্গে বলেছেন, তখন আর প্রাইমারি আয়োজন করা সহজ ছিল না।

পেলোসি অবশ্য বলেছেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন কমলা হ্যারিস প্রাইমারিতে ভালো করতেন এবং শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে বের হয়ে আসতেন। তিনি এও মনে করেন এর মধ্য দিয়ে অন্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীও পাওয়া যেত যারা ভালো নমিনি হতে পারতেন। কয়েক মাসের ব্যস্ত প্রচারণার পর গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যেমন জিতেছেন, তেমনি রিপাবলিকান পার্টিও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে।

প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ কারা নিতে যাচ্ছে তা এখনো পরিষ্কার হয়নি। যদিও মনে হচ্ছে সামান্য ব্যবধানে রিপাবলিকানরাই এগিয়ে থাকতে পারে। এমনটা হলে ফেডারেল সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গার নিয়ন্ত্রণ পাবে  তারা।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ নভেম্বর-২৪/মওম