আজ , ।   
Home Blog Page 691

শপথ নিলেন আরও ৩ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন তিন উপদেষ্টা শপথ নিয়েছেন। এ নিয়ে উপদেষ্টার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে। নতুন শপথ নেওয়া উপদেষ্টারা কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন তা এখনো জানা যায়নি।

শপথ নেওয়া নতুন উপদেষ্টারা হলেন– ব্যবসায়ী সেখ বশির উদ্দিন, চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম।

১০ নভেম্বর রবিবার  সন্ধ্যা ৭টা ৩৭ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।

এর পূর্বে চার দফায় শপথ গ্রহণ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের ২১ উপদেষ্টা। এর মধ্যে ৮ আগস্ট শপথ নেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ উপদেষ্টা। ঢাকা এবং দেশের বাইরে থাকায় তিন উপদেষ্টা সেদিন শপথ নেননি। পরে ১১ আগস্ট শপথ নেন উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান রঞ্জন রায়। আর ১৩ আগস্ট শপথ নেন আরেক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। পরে ১৬ আগস্ট আরও চার উপদেষ্টা শপথ নেন। এ নিয়ে উপদেষ্টার সংখ্যা দাঁড়ায় ২১ জনে।

 গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এরপর বিলুপ্ত করা হয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ। গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ নভেম্বর-২৪/মওম

 ফেনীতে ছাত্র হত্যা মামলায় ১’দিনে ১৫ আসামী গ্রে*প্তার

মোঃ আতিকুর রহমান রোজেন, ফেনী 
৪’ঠা আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে ফেনীর মহিপালে আন্দোলনরত ১২ শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা মামলার ঘটনায় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এজাহারভুক্ত ১৫ আসামী’কে আটক করে জেলা পুলিশের বিভিন্ন টিম।
১০’ই নভেম্বর (রবিবার) বিকালে ফেনী মডেল থানা থেকে আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়।
পুলিশের তথ্য মতে, আটককৃত আসামিরা হলেন, শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আব্দুল সাত্তারের সন্তান ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুল করিম (৬৫), ফাজিলপুর ইউনিয়নের মৃত রুহুল আমিনের সন্তান দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব পাটোয়ারী (৪৫), মোটবী ইউনিয়ের আলী আকবরের সন্তান আঃ করিম (৫২), পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মৃত মোখলেছুর রহমানের সন্তান  খায়েজ আহাম্মদ (৪৫), ফেনী পৌরসভা ১৩ নং ওয়ার্ডের দেলোয়ার হোসেনের সন্তান জোবায়ের হোসেন মাহিম (২৫), ফাজিলপুর ইউনিয়নের মৃত জান মিয়ার সন্তান আবুল খায়ের (৬৭), লেমুয়া ইউপি’র মৃত সফিউল্লার সন্তান আইয়ুব আহাম্মেদ আনসারী (৫২), ফেনী পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের মৃত আঃ ছাত্তারের সন্তান হাজী আব্দুল করিম (৬৫), ফরহাদনগর ইউনিয়নের মৃত খুরশিদ আলমের সন্তান মোঃ আবুল কালাম (৫০), পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মৃত কাজী আমান উল্লার সন্তান কাজী শরীয়ত উল্যাহ জুয়েল (৩৫),
পরশুরাম চিথলিয়া ইউপি’র শামছুল হক প্রঃ হোনা মিয়ার সন্তান মোঃ আব্দুল মোতালেব প্রঃ সাকিব (২০), পরশুরাম পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের নুর নবী পাটোয়ারীর সন্তান মাহাদী হাসান (২০), পরশুরামের বাসিন্দা মাক্কু মিয়ার সন্তান আবুল কালাম প্রঃ কালা মিয়া (৪৮),
ফাজিলপুর ইউনিয়নের আব্দুর রউফের সন্তান জসিম উদ্দিন (৩৯), ধলিয়া ইউনিয়নের মৃৃত আঃ রশিদ মেম্বারের সন্তান মোঃ ইদ্রিস মুন্সি (৩৫)।
আসামীদের আদালতে প্রেরণের বিষয় নিশ্চিত করে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বলেন, উক্ত আসামিরা ছাত্র হত্যার এজাহার নামীয় ও অনেকেই সন্দিগ্ধ হওয়ায় তাদেরকে জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরর্বতী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নেত্রকোনায় জেলা ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি 

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
বিগত ১৫ বছর যাবৎ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনকারী ও ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং বিচারের দাবীতে নেত্রকোনায় প্রতিবাদ মিছিল করেছে জেলা ছাত্রদল।
নেত্রকোনার ছোট বাজারস্থ বিএনপির জেলা কার্যালয় থেকে নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত)  সারোয়ার আলম এলিন ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক অনিক মাহবুব চৌধুরীর নেতৃত্বে রবিবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১২টায় মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার একই স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।  নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) সারোয়ার আলম এলিন ও সাধারণ সম্পাদক অনিক মাহবুব চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোলাইমান হাসান রুবেল,জেলা জাসাসের আহবায়ক সাদমান চৌধুরী পাপ্পু,সদস্য সচিব গজনবী চয়ন, জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি তৌফিক খান মিল্কি,সাখাওয়াত হোসেন হাইয়ুল,সামছুল হুদা শামীম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রহমান সাঈদ,মাজহারুল ইসলাম জীপু,সাঈদ ইমরান প্রমূখ।
অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা বলেন,বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের আমলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত সকল মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনার দাবীতে এই প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ নভেম্বর-২৪/মওম

টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি

সাইফুল ইসলাম সবুজ: 

বিগত ১৫ বছর শিক্ষার্থীদের নির্যাতনকারী এবং ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
১০ নভেম্বর রবিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ করেছে জেলা ছাত্রদল এ কর্মসূচির আয়োজন করে। জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন প্রমুখ।
এ সময় জেলা বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ নভেম্বর-২৪/মওম

আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে বদলে যাচ্ছে চরবাসীর জীবনমান

জি এম রাশেদুল ইসলাম:
ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তাসহ ছোট বড় ১৬টি নদ-নদী বেষ্টিত কুড়িগ্রাম জেলা। আর এসব নদীর বুকে জুড়ে রয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক চর। প্রতিবছর বন্যা এবং নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে অসংখ্য পরিবার গৃহহীন হয়। বিনষ্ট হয় চরের মানুষের কৃষি ফসল। ফলে কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো পড়ে যায় চরম সংকটে।
এমন পরিস্থিতিতে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের শিকার ৪২০টি পরিবারের পাশে দঁাড়িয়েছে সরকার এবং একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ, বাংলাদেশ। তারা দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তার পাশাপাশি পারিবারিকভাবে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে এগিয়ে এসেছে। আর তাদের সহযোগিতায় এসব পরিবার ঘুরে দঁাড়াতে সক্ষম হয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে তাদের জীবনমান।
সংস্থাটি এ বছর জেলার চিলমারী, রৌমারী এবং সদর উপজেলায় ১৪টি চরের ৪২০টি দরিদ্র পরিবারকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দিয়ে উন্নয়নমুখী হতে সহযোগিতা করছে। প্রশিক্ষণসহ পরিবারগুলোকে শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমে শাকসব্জির বীজ দেওয়া ছাড়াও ভেড়া বিতরন করা হয়েছে। এছাড়াও পাশে দঁাড়ান তারা বিভিন্ন দুর্যোগে। বন্যাকালীন সময়েও যাতে সবজি উৎপাদন অব্যাহত থাকে সেজন্য কমিউনিটি ভিত্তিক সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করেছে সংস্থাটি। বস্তায় আদা চাষে উৎসাহিত করায় গ্রামের প্রত্যেক বাড়িতে বস্তায় আদা চাষ হচ্ছে। সবজি উৎপাদনে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদন এবং ব্যবহারে সহায়তা প্রদান করছে।  পরিবারগুলোর বন্ধন অটুট রাখার জন্য পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ ও আইনগত বিষয় নিয়ে পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হয়।
গতকাল কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদীর অববাহিকায় চর ভগবতিপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই গ্রামের ৩০টি বন্যা কবলিত পরিবার পারিবারিক আয়বৃদ্ধিমুলক কর্মকান্ড ছাড়াও সামাজিক উন্নয়নমুলক কাজে যুক্ত হয়েছেন।
এই গ্রামের বাসিন্দা জরিনা বেগম জানান, ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশনাল ফান্ড প্রকল্প থেকে আমাকে ৪ হাজার ১০০ টাকা দিয়ে একটি ভেড়া দিয়েছে এবং সেটি থেকে ২টি বাচ্চা হয়েছে। এখন তার ৩টি ভেড়া; যার বাজারমূল্য ২৭,০০০/-। একই গ্রামের ফেরদৌসি বেগম বলেন,  আধুনিক পদ্ধতিতে শাক-সবজি উৎপাদনের প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর আমার বসতবাড়ীতে সবজি উৎপাদন করে এ বছর ২২০০০/- টাকার সবজি বিক্রি  করেছি; যা আমার সাংসারিক ব্যয়ভার বহন করে কিছু টাকা সঞ্চয় করতে পারছি। স্বামীর একার আয়ের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে না।
চর ভগবতিপুর গ্রামের সাজিরন বেগম বলেন, প্রকল্প থেকে কেঁচো সার তৈরীর প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর আমার বসতবাড়ীতে কেঁচোসার উৎপাদন করছি এবং প্রতিমাসে ২ হাজার টাকার কেঁচো সার বিক্রি করছি। সাদেকুল ইসলাম এর সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি ফ্রেন্ডশিপের সহায়তায় ৩৫টি বস্তায় আদার চাষ করেছেন এবং প্রতি বস্তায় ১ থেকে দেড় কেজি আধা পাবেন বলে তিনি আশাবাদী। এ গ্রামের আরো অনেকেই বস্তায় আদা চাষ, সবজি ও ভার্মিকম্পোষ্ট উৎপাদন এবং ভেড়া পালন করে পরিবারের আয়বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে।
এই গ্রামের এরশাদুল জানান, আমাদেরকে সুশাসন সম্পর্কে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে। আমরা পারিবারিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, তালাকপ্রাপ্ত, বহুবিবাহ, পারিবারিক দ্বন্দ, সংবিধান, সংসদ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। এখন কোনো আইনি পরামর্শ প্রযোজন হলে আমরা ফ্রেন্ডশিপের সহায়তা নিই এবং তারা আমাদেরকে বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ  প্রদান করেন।
একই গ্রামের শাজাহান আলী, হানিফ মন্ডল ও ফারুক আহমেদ বলেন, আগে হাট থেকে রাসায়নিক সার কিনে আনতাম, এখন আমরা জৈব সার তৈরি করে ব্যবহার করি, ফেরোমন ফঁাদ দিয়ে পোকা মারছি, সরকারি সুযোগ সুবিধা পেতে বিভিন্ন অফিসে যোগাযোগ করছি।
“ফ্রেন্ডশিপ” এর ট্রান্সজিশনাল ফান্ড (এএসডি) প্রজেক্টের রিজিওনাল ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল ইসলাম মল্লিক জানান, ফ্রেন্ডশিপ লুক্সেমবার্গ এর সহায়তায় সদস্যদের আয় রোজগার নিয়মিতকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্ন্য়ন, সুশাসন এবং স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী এবং রৌমারী উপজেলার মোট ১৪টি চরে এ বছর ৪২০ জন সদস্যকে উক্ত প্রকল্প সহায়তা প্রদান করেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উক্ত প্রকল্পের পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক উপকারভোগীদের পূর্বের ন্যায় প্রশিক্ষণ প্রদানসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে সর্বাত্নক সহযোগিতা করবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. হাবিবুর রহমান জানান, কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী এবং রৌমারী উপজেলায় ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশনাল ফান্ড প্রকল্পের মাধ্যমে এ বছর ৪২০টি পরিবারকে ভেড়া প্রদান করেছে এবং প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে; ফলে পরিবারগুলোর ভেড়া পালনের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে অধিক আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেকটি ভেড়াকে টিকা এবং কৃমিনাশক বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। চর এলাকা ভেড়া পালনের জন্য উপযুক্ত তাই ভেড়া পালনের মাধ্যমে চরাঞ্চলের মানুষ স্বাবলম্বী হবে বলে তিনি আশাবাদী।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ নভেম্বর-২৪/মওম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আড়াইসিধা যুবলীগরে সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রে*ফতার 

শওকত আলী
“ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার আসামী গ্রেফতার”
 অদ্য ১০/১১/২০২৪খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমান ৪: ঘটিকার সময় আশুগঞ্জ থানায় কর্মরত এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম, এএসআই মোঃ মহিউদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহার নামীয় আসামী মনির মিয়া(৪০) (আড়াইসিধা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সদস্য ও আড়াইসিধা ইউনিয়ন যুবলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক) কে আশুগঞ্জ থানাধীন আড়াইসিধা  তাহার নিজ বাড়ি হইতে গ্রেফতার করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঘিওর গরুহাটা সড়কের নিচের মাটি ধ্বসে যাচ্ছে নদীতে, কুস্তা নদীর উপর ডাইভারশন রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগ 

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত, মানিকগঞ্জ:
ভাঙনের থাবায় হারিয়ে যাচ্ছে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ঘিওর হাট ও যাতায়াতের একমাত্র সড়কটিও। ঘিওর গরুহাটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়া সহ হাটের যাতায়াতের একমাত্র পাকা সড়কের নিচের অংশের মাটি ধ্বসে যাচ্ছে নদীতে। যেকোনো মুহূর্তে চলাচলের সড়কটি নদীতে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে সড়কটিতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট যানবাহন-মানুষজন। গরু হাটা ও সড়কটি দ্রুত ভাঙ্গন রোধে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়া হলে বাকি অবশিষ্ট স্থাপনা ও বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
অপরদিকে ঘিওর-কুস্তা ইছামতি নদীর উপর পুরাতন ব্রিজ ভেঙে ফেলার পর সেখানে এ পর্যন্ত চলাচলের জন্য কোন ডাইভারশন রাস্তা নির্মাণ না করায় দুর্ভোগে পড়েছে ৩০ গ্রামের মানুষজন। গরুহাট সড়ক রক্ষা ও কুস্তা নদীর উপর ডাইভারশন (রাস্তা) নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার গরুর হাট ইছামতি নদীর ভাঙ্গনে  বিলীন হওয়ার পর এবছর হাটের সড়কটিও বিলীন হওয়ার পথে। অন্যদিকে ঘিওর কুস্তা ইছামতি নদীর উপর পুরাতন ব্রিজ ভেঙে ফেলার পর সেখানে যাতায়াতের ডাইভারশন রাস্তা না করায় চরম দুর্ভোগ পড়েছে এলাকার দিশেহারা মানুষজন।
গরুহাট সংলগ্ন কুস্তা দক্ষিণপাড়া নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বাসিন্দা ষাটউর্ধ রাবিয়া বেওয়া বলেন, তিন বছর আগে নদীতে সব চলে গেছে তার। এখন অবশিষ্ট থাকা একটু মাটির উপর সরকারি টিনের ঘরে বসবাস করছি। বিয়ে হয়ে যাওয়া দুই মেয়ে আমাকে ভাত-কাপড় দিয়ে চালাচ্ছে।
ঘিওর হাটে আসা রসুলপুর গ্রামের ইকবাল মোল্লা বলেন, বাপ-দাদা আমলের গরুহাটি নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। এখন চলাচলের সড়কটির তলার মাটি ধ্বসে বিলিনের পথে। এ রাস্তাটি দিয়ে বেপারি পাড়া, বড়টিয়া, মোহালি, ফুলহারা, হিজুলিয়া, নেকের কান্দী, রসুলপুর, ঠাকুরকান্দী, গোলাপ নগর ও কুস্তা সহ প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষজন চলাফেরা করে থাকেন।
স্থানীয় গাড়ি চালক হৃদয় মিয়া জানান, দফায় দফায় নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে এই গরুহাটটি। এখন বাকী চলাচলে রাস্তাটির নিচের মাটি নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে। রাস্তাটি ভেঙে নদীতে চলে গেলে গ্রামের মানুষজনের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাবে।
ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বাসিন্দা কেরামত আলী জানান, গত কয়েক বছরের নদীর ভাঙ্গনে গরুর হাট বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে চলাচলের একমাত্র সড়ক টিও নদীতে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঘিওর হাটে ধান বিক্রি করতে আসা তেরশ্রী গ্রামের মনোয়ার হোসেন জানান,  কুস্তা নদীর উপর ব্রিজ হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি ডাইভারশন রাস্তা জরুরী হয়ে পড়েছে। আপাতত  ডাইভারশন রাস্তাটি নির্মাণ হলে যাতায়াতকারী মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা কমবে।
নদী ভাঙ্গনের শিকার কুস্তা গ্রামের বাসিন্দা নাহিদা বেগম বলেন, নদীর ভাঙ্গনে আমরা দিশাহারা হয়ে পড়েছি। ভাঙ্গন রোধে আরো বেশি জিও ব্যাক ফেলা সহ কার্যকারী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

উ. কোরিয়ার সাথে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করলো পুতিন, আইনে পরিণত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার সাথে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হলো। এটিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষায় সহযোগিতার বিধান রয়েছে। এর পূর্বে রুশ পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ চুক্তিটি অনুমোদন করে। রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ংয়ে শীর্ষ বৈঠকের পর গত জুন মাসে পুতিন এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে সশস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রয়টার্স বলছে, চলতি সপ্তাহে রুশ পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ চুক্তিটি অনুমোদন করে। আর পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ গত মাসেই তা অনুমোদন করেছিল। এই অনুমোদনের বিষয়টিকে পুতিন আইন হিসেবে স্বাক্ষর করেন যা আইনি প্রক্রিয়ার রূপরেখাসহ শনিবার দেশটির সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

টানা আড়াই বছর ধরে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালাচ্ছে রাশিয়া। আর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সহায়তায় রশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা করছে কিয়েভ। বিপরীতে মস্কোও তার মিত্রদের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য রা  শিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রনে পুরোদমে তার আক্রমণ শুরুর পর এই চুক্তির ফলে মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলো।

দক্ষিণ কোরিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে অস্ত্রশস্ত্র দিয়েছে। ইউক্রেনের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তারা রাশিয়ার আক্রমণের ক্ষেত্রগুলোতে অস্ত্রের সন্ধান পেয়েছেন। জেলেনস্কি গত বৃহস্পতিবার বলেন, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ায় ১১ হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে এবং তাদের কেউ কেউ রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা কুরস্কে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ লড়াইয়ে হতাহত হয়েছে।

রাশিয়া অবশ্য রুশ ভূখণ্ডে উত্তর কোরিয়ার সৈন্যদের উপস্থিতির কথা নিশ্চিত করেনি।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ নভেম্বর-২৪/মওম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আলোকিত প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।  ১০ নভেম্বর রবিবার সকালে তেজগাঁও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ নভেম্বর-২৪/মওম

জিরো পয়েন্টে আসছে বিভিন্ন ছোট-বড় মিছিল, আ.লীগের দেখা নেই

আলোকিত ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সমাবেশ করার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সরগরম রাজধানী। সম্প্রতি ফেসবুক পেজে জিরো পয়েন্ট এলাকায় সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। তবে সকাল থেকে এখন পর্যন্ত পল্টন, জিরো পয়েন্ট ও গুলিস্থান এলাকায় তাদের নেতাকর্মীদের কোনো অবস্থান দেখা যায়নি। উল্টো সমাবেশ প্রতিহত করার জন্য কিছু সময় পরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে এখানে আসছেন। তারা মিছিলে বিভিন্ন স্লোগানে জানান দিচ্ছেন নিজেদের অবস্থান।

১০ নভেম্বর রবিবার বেলা ১২টার দিকে পল্টন মোড় থেকে শুরু করে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বিগত দিনগুলোর মতোই রয়েছে যানজটও। মানুষের উপস্থিতিও স্বাভাবিক। তবে পুরো এলাকাজুড়ে সতর্ক অবস্থায় দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। জিরো পয়েন্ট এলাকায় একটি জলকামান এবং এপিসি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীদের এখানে দেখা যায়নি। জুলাইয়ের কাফেলা নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে মিছিল নিয়ে আসা একজন বলেন, স্বৈরাচারের দোসররা বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছে। তারা এখনো দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। বিগত দিনের গণহত্যার ব্যাপারে অনুতপ্ত হওয়ার বদলে উল্টো দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি ঘৃণ্য দল। এদের লজ্জা শরম নেই। তাদের ঘোষিত কর্মসূচি প্রতিহত করা হবে।

অপরদিকে এখনও আজকের সমাবেশকে সফল করতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। যেখানে সমাবেশ সফল করার জন্য নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিতেও দেখা গেছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর মাঠে নামতে পারেনি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা দলটির নেতাকর্মীরা। গত ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ছাত্র-জনতার রোষানলে পড়তে হয় দলটির নেতাকর্মীদের। আবার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এরই মধ্যে।  এ অবস্থার মধ্যেই নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকার জিরো পয়েন্টে শহীদ নূর হোসেন চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। ওই পোস্টে বলা হয়, আগামী ১০ নভেম্বর রবিবার বিকেল ৩টায় শহীদ নূর হোসেন চত্বরে অগণতান্ত্রিক শক্তির অপসারণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

মিছিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশব্যাপী সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়। তবে ওই একইস্থানে পাল্টা গণজমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ নভেম্বর-২৪/মওম