আজ , ।   
Home Blog Page 686

নেত্রকোনার বারহাট্টায় তিনটি ফার্মেসীকে জরিমানা 

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার হাসপাতাল গেইট এলাকায় ঔষধের অনিয়ম প্রতিরোধে ১২নভেম্বর মঙ্গলবার ঔষধ প্রশাসন, নেত্রকোণা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে বারহাট্টা  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি কর্তৃক তিনটি ফার্মেসীকে “ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন-২০২৩” এর ৪০(খ) ও ৪০(গ) ধারা ভঙ্গের দায়ে সর্বমোট ছয় হাজার টাকা সতর্কতামূলক জরিমানা করা হয়। এছাড়াও অভিযানকালে ফার্মেসীসমূহে নকল-ভেজাল এবং আনরেজিস্টার্ড ঔষধ বিক্রি না করা, প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ বিক্রি না করা, অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ বিক্রির রেজিস্টার সংরক্ষণ নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা এবং লাইসেন্স এ বর্ণিত শর্ত মেনে ফার্মেসী পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ঔষধ  ড্রাগ সুপার খন্দকার হাফসা নাজনীন এবং বারহাট্টা  থানা পুলিশের সহযোগিতায় এ আদালত পরিচালনা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ নভেম্বর-২৪/মওম

ট্রাম্প প্রশাসনে ইলন মাস্ক যে পদ পাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপকভাবে সক্রিয় ছিলেন শীর্ষ ধনকুবের এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মালিক ইলন মাস্ক।

আশা করা হচ্ছিল ট্রাম্প জেতায় হয়তো আসন্ন রিপাবলিকান প্রশাসনে স্থান পাবেন তিনি। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি হলো। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইলন মাস্ককে নতুন একটি দপ্তরের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি। দপ্তরটির নাম হবে “ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি”। অবশ্য মাস্কের সঙ্গে কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্বপালন করবেন সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীও। ১৩ নভেম্বর বুধবার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং বিবিসি।

গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও বিজয়ী হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এর মাধ্যমে দেশটির প্রায় আড়াইশো বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এক মেয়াদের বিরতিতে দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউসে ফিরতে চলেছেন সাবেক এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।

অবশ্য নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জিতলেও ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি। তবে এর আগেই নিজের প্রশাসন সাজাবেন তিনি।

মূলত নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন করে প্রায় চার হাজার পদে নিয়োগ দিতে হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে। সেই তালিকায় মন্ত্রিসভার সদস্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা পর্যন্ত নির্ধারণ করেন তিনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর একে একে তার প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যারা থাকবেন তাদের নাম ঘোষণা করছেন।ইতোমধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে ফক্স নিউজের হোস্ট পিট হেগসেথ ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) জন্য ক্রিস্টি নোয়েমের নাম জানিয়েছেন তিনি। নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মার্কো রুবিওকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস।

এছাড়া গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে সুসি উইলসের নাম ঘোষণা করেন ট্রাম্প। ৬৭ বছর বয়সী সুসি হবেন হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ। তিনি ছিলেন ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচার শিবিরের দুই ম্যানেজারের একজন।

বিবিসি বলছে, ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপকভাবে সক্রিয় ছিলেন শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। অনুদানও দিয়েছেন প্রায় ২০ কোটি ডলার। অবশ্য ট্রাম্প জেতার পরে মাস্কের সম্পদ বাড়ছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। বিজয়ী ভাষণেও বিশেষভাবে মাস্কের কথা উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। তাই প্রশাসনে মাস্ককে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে দেখা যেতে পারে এমন আভাসও পাওয়া যাচ্ছিল। অবশেষে মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্প জানালেন, ইলন মাস্ক এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীকে নতুন একটি দপ্তরের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি। দপ্তরটির নাম হবে “ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি”।

আগে থেকেই আলোচনায় ছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইলন মাস্ক সরকারি কর্মকাণ্ডে দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে মনোনিবেশ করছেন। ট্রাম্প তার বিবৃতিতে লিখেছেন, “এই দু’জন অসাধারণ আমেরিকান মিলে সরকারি আমলাতন্ত্রের অবসান ঘটানোর পথ তৈরি করবেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের বাড়াবাড়ি ও অর্থের অপচয় রোধ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠনে কাজ করবেন তারা। যা, ‘সেইভ আমেরিকা’ উদ্যোগের জন্য অপরিহার্য।”

এদিকে মাস্কের সঙ্গে একই দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়া অপর রিপাবলিকান বিবেক রামাস্বামী এর আগে রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন। পরবর্তীতে অবশ্য ট্রাম্পের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ নভেম্বর-২৪/মওম

সাবেক সাংসদ রোজি কবির মারা গেছেন

আলোকিত প্রতিবেদক:

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং সাবেক সংসদ সদস্য বেগম রোজী কবির মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

১৩ নভেম্বর বুধবার ভোর ৫ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লিভারজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি ২ ছেলে, ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, আত্মীয় স্বজন এবং রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে গেছেন।

ঢাকা থেকে মরদেহ চট্টগ্রাম আনার পর বেগম রোজি কবিরের জানাজার নামাজ বুধবার বাদ আসর চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদে  অনুষ্ঠিত হবে।

বনার্ঢ্য রাজনৈতিক জীবনে রোজী কবির তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপির জন্মলগ্ন থেকে দলটির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অসামান্য ভূমিকা পালন করেন খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত এই সহযোদ্ধা।

তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চট্টগ্রাম নগর কমিটির সভাপতি, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি, বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ নভেম্বর-২৪/মওম

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ফ্রান্স: ক্রিশ্চিয়ান লেচারভি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ফ্রান্সের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান লেচারভি বলেছেন,রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ফ্রান্স। পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিনের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।  ১৩ নভেম্বর বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

বৈঠকে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এবং মিয়ানমারের ক্রমবর্ধমান সংঘাতময় পরিস্থিতি তাদের আলোচনায় স্থান পায়। পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (এফডিএমএন) নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় বাংলাদেশের হতাশা প্রকাশ করে সংকটের দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন।

বিশেষ দূত লেচারভি রোহিঙ্গা জনগণের প্রতি বাংলাদেশের চলমান মানবিক সহায়তার জন্য ফ্রান্সের প্রশংসা ব্যক্ত করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন করার জন্য ফ্রান্সের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি সীমান্তজুড়ে, বিশেষ করে রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত মোকাবিলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন, মিয়ানমারে রাজনৈতিক সংলাপ এবং এই ধরনের সংলাপে রোহিঙ্গা ইস্যুকে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে কথা বলেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ রোহিঙ্গা সংকটের জটিলতা, মিয়ানমারে সশস্ত্র সংঘাত, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ভূমিকা এবং রোহিঙ্গা জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তার  বিষয় ব্যক্ত করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৩ নভেম্বর-২৪/মওম

ঘিওরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত , মানিকগঞ্জ 
মানিকগঞ্জের ঘিওরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশে ঘিওর উপজেলার বাঁশ-বেত শিল্পে সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠীর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ঘিওর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে শ্রীবাড়ি (ঋষি পাড়ায়) উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মনোয়ার হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন- ঘিওর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দাদের হাতে ১০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

রাকিবুল হাসান (বিশেষ প্রতিবেদক): সিরাজগঞ্জের ১০ কেজি গাঁজাসহ দৃই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ডিএনসি’র রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যলয়ের চৌকস দল।
মঙ্গলবার ( ১২ নভেম্বর) সন্ধা পৌনে ৬টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন রানীরহাট মান্নাননগর গামী পাকা রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে রাস্তার উপরে অভিযান পরিচালনা করে গাঁজাসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ডিএনসির সদস্যরা।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন বালাপুকুর এলাকার হানিফ মোল্লার ছেলে রাজিব মোল্লা (২৪) ও রংপুর জেলার কাউনিয়া থানাধীন বালাপাড়া নিচপাড়া এলাকার মৃত ফজল হকের ছেলে নয়ন মিয়া (৩৫)।
ডিএনসি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধা পৌনে ৬টার দিকে রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ পরিচালক জিললুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই মোসাদ্দেক হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন দোবিলা রানীরহাট মান্নাননগর গামী পাকা রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে রাস্তার উপরে একটি মুদি দোকানের সামনে রেজিস্ট্রেশন বিহীন একটি পুরাতন হাঙ্ক মোটর সাইকেল গতিরোধ করে। এসময় মোটর সাইকেলটির তল্লাশী শুরু করলে তল্লাশী কালে সিটের ভিতরে ও তেলের ট্যাংকির নীচে বিশেষ কায়দায় পলিথিনে ও কালো পাতলা কাপড়ের ব্যাগে দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে ডিএনসির চৌকস দল।
এ তথ্য নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের উপপরিচালক জিললুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে ডিএনসি রাজশাহী গোয়েন্দার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান ডিএনসির উপপরিচালক।
আলোকিত/১২/১১/২০২৪/আকাশ

সিরাজগঞ্জে জমি বিক্রির নামে প্রতারণা করে ১২ লক্ষ্য টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

আতিকুর রহমান:
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা ভূমি অফিস কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে জমি বিক্রির নামে প্রতারণা করে আমিনুল ইসলাম এর নিকট থেকে জমি রেজিষ্ট্রি না দিয়ে ১২ লক্ষ্য টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এখন সে জমিও দিচ্ছে না টাকাও ফেরত দিচ্ছে না, করছে নানা রকম তালবাহানা, সেই সাথে জমি রেজিস্ট্রির জন্য জামতৈল সোনালী ব্যাংকে বাংলাদেশ সরকার বরাবর ৪টা পেমেন্ট অর্ডারের মাধ্যমে আরও ৯০,০৪০ (নব্বই হাজার চল্লিশ) টাকা জমা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম ১২ লক্ষ্য টাকা ও ব্যাংকে ৯০,০৪০ টাকা উদ্ধারের জন্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ মোকাম- কামারখন্দ থানা আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার নান্দিনা কামালিয়া গ্রামের মৃত জুড়ান আলীর ছেলে,
টাকা আত্মসাৎকারী আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী সিরাজগঞ্জ সদর থানার জুবলী বাগান গ্রামের মৃত আবু বক্কার সিদ্দিকীর ছেলে।
আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী বেলকুচি উপজেলা ভূমি অফিস কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে বলে জানা যায়।
ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম জানান, প্রতারক আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী তার ভায়রার নিকট থেকে একটি জমি কিনে নিছে, সেই জমি বিক্রি করবে বলে আমাকে জানায়, তখন আমি বড় কুড়া গ্রামের দলিল লেখক আব্দুল মান্নান, নান্দিনা কামালিয়া গ্রামের হায়দার আলী, বৈদ্য জামতৈল গ্রামের মোঃ আরিফুর রহমান, নান্দিনা কামালিয়া গ্রামের মোঃ বেল্লাল খানকে সাথে নিয়ে জমির কাগজপত্র দেখে আলোচনা সাপেক্ষে জমির মূল্য ১২ লক্ষ্য টাকা নির্ধারণ করা হয়, উক্ত জমির জে এল নং-২৩ খতিয়ান নং- আর এস ৮৯৪- হিসাব নং- ১৪২৩ খারিজ খতিয়ান নং- ১৪২২ দাগ নং- আর এস-১০৮৩ রকম ফসলী.২৯০০ একর এর কাতে পশ্চিম ছাহাম হইতে. ১১০০ একর, পরে আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী ৪ খানা ১০০ টাকার স্ট্যাম্প ২ খানা ৫০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্প ও ৪ খানা ২৫ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর প্রদান করে, তখন তাদের উপস্থিততে আমি আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকীকে ১২ লক্ষ্য টাকা দেই, তখন মুহুরি  ৯০,০৪০ টাকার ব্যাংক পেমেন্ট ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করা কাগজপত্র দেখে দলিল লেখে কমপ্লিট করে আবু হেনা মোস্তফা কামাল কে সাথে নিয়ে সাব- রেজিষ্ট্রি অফিসে যাই, অফিসে যাইয়া আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী বলে আপনারা বসেন আমি একটু বাজার হইতে ঘুরে আসি এই বলে সে চলে যায়, দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর তার ফোন নাম্বারে একাধিক বার যোগাযোগ করলেও আসি আসছি বলে নানা রকম তালবাহানা করে ফোন কেটে দেয়, পরে অফিস বন্ধ হয়ে গেলে আমরা বাড়িতে চলে যাই, এখন পর্যন্ত সে জমিও রেজিষ্ট্রি দেয়নি আমার ১২ লক্ষ্য টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। আমি এই জমি কেনার জন্য কিস্তি থেকে টাকা তুলেছি বাড়ির গরু বাছুর বিক্রি করেছি এমনকি আত্মীয় স্বজনদের নিকট থেকে ঋণ করে আমি তাকে টাকা দিয়েছি, তার প্রতারণায় আমি এখন নিঃস্ব  হয়ে গেছি। এজন্য  আমার টাকা উদ্ধারের জন্য সিরাজগঞ্জ মোকাম- কামারখন্দ থানা আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেছি। যেন আমাকে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়, না হয় আমার টাকা ফেরত দেয় সেই সাথে আমাদের হয়রানি, ব্যাংকে জমা দেওয়া ৯০,০৪০ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারণা করার দায়ে আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে নান্দিনা কামালিয়া গ্রামের মোঃ হায়দার আলী জানান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী তার একটি জমি বিক্রি করবে বলে আমিনুল ইসলাম আমাকে ডেকে নেয়, জমির দরদাম শেষে ১২ লক্ষ্য টাকা বেচবে বলে সিদ্ধান্ত জানান আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী, পরে আমিনুল ইসলাম ১২ লক্ষ্য টাকা দিয়ে জমি নিবে বলে রাজি হয়, আবু হেনা মোস্তফা কামাল অনেক গুলো স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করার পরে আমিনুল ইসলাম আমার সামনেই আবু হেনা মোস্তফা কামাল কে ১২ লক্ষ্য টাকা বুঝিয়ে দেয়, এমনকি সোনালী ব্যাংকে গিয়ে ৯০,০৪০ টাকা জমা দিয়ে সেই কাগজ মহুরির কাছে জমা দিলে তখন দলিল লেখে কমপ্লিট করে। যখন রেজিস্ট্রারের নিকট কাগজ জমা দিবে তখন সে বলে আমি একটু বাজারে যাবো, এই বলে সে পালিয়ে যায়।
১২ লক্ষ্য টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ ও সিরাজগঞ্জ মোকাম- কামারখন্দ থানা আমলী আদালতে আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকের ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি হয়নি, তবে মৌখিকভাবে ১২ লক্ষ্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা ভূমি কমিশনার প্রতিক মন্ডল এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে মৌখিকভাবে জানতে পেরেছি, তবে এর আগে মামলার কাগজ দেখেনি, তিনি বেলকুচি ভূমি অফিস কর্মকর্তা আর তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেটা কামারখন্দের ঘটনা, তাই এটা আমার আয়েত্মে নেই, তারপরও যেহেতু মামলা হয়েছে মামলার তদন্ত সাপেক্ষে সে যদি অপরাধী হয়ে থাকে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১২ নভেম্বর-২৪/মওম

ফারুকী ও বশীরউদ্দিনকে সরাতে প্রধান উপদেষ্টাকে আইনি নোটিশ!

আলোকিত প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে সদ্য নিয়োগ পাওয়া চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও ব্যবসায়ী সেখ বশির উদ্দিনের পদত্যাগ চেয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূকের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী মো. সফিকুল ইসলাম সবুজ খান এ নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি….

ওই নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে তাদের পদত্যাগ কার্যকর করতে অনুরোধ করে নিজেকে উপদেষ্টামণ্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ওই আইনজীবী। অন্যথায় এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়, ‘চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও ব্যবসায়ী সেখ বশির উদ্দিন গত ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারা। বিগত ১৬ বছর পর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফ্যাসিস্ট ও গণহত্যার নায়ক খুনি শেখ হাসিনার পতনের পর সাধারণ ছাত্র-জনতা ও দেশবাসী একটি সুন্দর সরকার চেয়েছিল, সকল বিতর্কের উর্ধ্বে উঠে একটি ক্লিন ইমেজ, সজ্জন ও সার্বজনীন গ্রহনযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করবেন।

কিন্তু আমরা দেখছি ফ্যাসিস্ট সরকারের উপাদান বিদ্যমান এমন ব্যক্তিদের উপদেষ্টা মন্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা দুঃখজনক, অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত। বিতর্কিত ও খুনি হাসিনার সহানুভূতিশীল ব্যক্তিদের উপদেষ্টা করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি নোবেলজয়ী ব্যক্তির উপদেষ্টামণ্ডলীকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।

আরও বলা হয়, ‘মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী তিশা বিগত স্বৈরাচার সরকারের আশির্বাদপুষ্ট হয়ে অনেক সুবিধার ভাগিদার হয়ে আজকে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিজয়ের ভাগিদারও নিতে চায়। অন্য উপদেষ্টা বশির উদ্দিন খুনি শেখ হাসিনার নির্দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার ৪৯ নং এফআইআরভুক্ত অন্যতম আসামি এবং আওয়ামী সরকারের এমপির ভাই। বিতর্কিত ও বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সুবিধাভোগী মুজিববাদ আদর্শের অনুসারীদের উপদেষ্টামণ্ডলী থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানাই।

নোটিশে বলা হয়, ‘জুলাইয়ের বিপ্লবের নিহত ও আহত শহীদ ছাত্র-জনতার তাজা রক্তের প্রতি শ্রদ্ধাপোষণ করে অবিলম্বে লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার সুবিধাভোগী বিতর্কিত ও ছাত্র হত্যার আসামিদের উপদেষ্টামণ্ডলীতে দেখতে চায় না তারা।

নোটিশদাতা আইনজীবী দাবি করেন, স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার পতনের আন্দোলনে মৃত্যুর মুখে দাড়িয়ে তিনি গত ১৭টি বছর নানা নির্যাতন হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছেন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ২৬ দিন গুলির মুখে দাড়িয়ে আন্দোলন করে ফ্যাসিবাদ বিদায় করার গর্বিত অংশীদার হিসাবে তাকে উপদেষ্টামণ্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নিজের মাকে হ*ত্যা করে ডিপ ফ্রিজে রাখে: ছেলে

অনলাইন :

বগুড়া-: জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় গৃহবধূ উম্মে সালমা খাতুন (৫০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে র‌্যাব। মা’র সঙ্গে হাত খরচের টাকা নিয়ে বিরোধে নিজের ছেলেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বাড়ির ডিপ ফ্রিজে রেখে ডাকাতির নাটক সাজানোর চেস্টা করেছিলো সে।

র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্প হত্যাকারী হিসাবে ছেলে মাদরাসা ছাত্র সাদ বিন আজিজুর রহমানকে (১৯) পাশের কাহালু উপজেলার পাঁচপীর আড়োবাড়ি এলাকায় তার দাদার বাড়ি থেকে সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদ সে মা’কে হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছে বলে র‌্যাব জানায় র‌্যাব।

 

র‌্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানী কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান জানান, এ ঘটনা জানার পর থেকেই র‌্যাব ছায়া তদন্তে শুরু করে। বাড়ির দরজার গেট কোন আঘাত না পেয়ে তাদের সন্দেহ জাগে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকারী চিহ্নিত করা হয়।

যে ভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনানো হয়..

র‌্যাব-১২ বগুড়া জানায়, হাত খরচের টাকা নিয়ে সাদ বিন আজিজুরের সঙ্গে মা উম্মে সালমার প্রায় ঝগড়া হতো। এছাড়া বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ থেকে ৫০০ টাকা হারাতো প্রতিদিন। এ নিয়েও ঝগড়া হতো। ঘটনার দিন হাত খরচের টাকা নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। রাগ করে নাস্তা না খেয়ে আজিজুর বাসা থেকে মাদরাসায় চলে যায় সে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে বাড়িতে চলে এসে দেখতে পায় মা রান্নার জন্য মিষ্টি কুমড়া কাটছিলেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী পিছন থেকে মা’র নাক মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। এসময় আজিজুরের আঙ্গুল সামান্য কেটেও যায়। মা’কে হত্যার পর সে ওড়না দিয়ে দু’হাত বেঁধে ডিপ ফ্রিজে রাখে।

একপর্যায়ে সে আবার নিজ হাতেই ফ্রীজ খুলে মায়ের লাশ উদ্ধার করে। র‌্যাব জানায়, সোমবার রাতে তারা তদন্তে নিশ্চিত হয়ে সাদ বিন আজিজুর রহমানকে হত্যাকারী সন্দেহে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের মাকে হত্যার কথা স্বীকার করে। র‌্যাব এক প্রেস ব্রিফিং এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন ও হত্যাকারী গ্রেফতারের বিষয়টি তুলে ধরেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নোয়াখালীতে দালালদের দৌরাত্ম্যে পাসপোর্ট সেবাপ্রাপ্তির ভোগান্তি চরমে

স্টাফ রিপোর্টারঃ
নোয়াখালীতে পাসপোর্ট করতে পদে পদে হয়রানি শিকার হতে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের।হয়রানির বহুমাত্রিক দিকগুলোর মধ্যে অন্যতম দালালদের দৌরাত্ম্য। ৫ আগস্টের পর মাসখানেক বন্ধ থাকলেও ফের সক্রিয় উঠছে দালাল চক্র। হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ১০ দালাল। দালাল জহির,হেদায়েত, খোকন,বাবু,আমিন,মুহিন,সিরাজ,হারেছ,বাবু ও রাব্বি অন্যতম। অভিযোগ আছে এইসব দালালদের রয়েছে আলাদা আলাদা সাংকেতিক চিহ্ন।অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে ঐসব দালালরা সেবাগ্রহীতাদের নানাবিধ সেবা দিয়ে থাকেন যারা তাদের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে।ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা  যায়,প্রতিদিন পাসপোর্ট অফিসে আবেদিত অসংখ্য আবেদন বিভিন্ন অজুহাতে ফেরত দেয় অথবা বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট চেয়ে থাকেন।যেটা তাৎক্ষণিকভাবে সেবাগ্রহীতার পক্ষে সরবরাহ করা সম্ভব নয়। দালাল ছাড়া আবেদন করতে গেলে
কর্মকর্তাদের এমন চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভড়কে যান সেবাগ্রহীতারা।আর এমন আবেদনকারীদেরই টার্গেট বানায় উল্লেখিত দালালরা।বিষয়টি স্বীকার করে সহকারী পরিচালক নাহিদ নেওয়াজ জানান,”এমন হয়রানি প্রতিরোধে আমার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে”।হয়রানির বিষয়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন ,”হজ্বে যাওয়ার উদ্দেশ্যে স্বামী ও স্ত্রী আবেদন করেন।নিয়মানুযায়ী তাদের জাতীয় পরিচয় পত্র দেখে আবেদন গ্রহন করার কথা।কিন্তু এমন দম্পতিদের বিয়ের কাবিননামা তলব করার ঘটনাটি তার নজরে এলে তিনি সেই কর্মকর্তাকে  সতর্ক করে দেন”।পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, এখন প্রতিদিন প্রায় ৫০০ পাসপোর্টের আবেদন জমা হয়।যেটা আগে ৪০০ ছিলো।একটি বুথ থেকে এতো বিপুল সংখ্যক আবেদনকারীদের পাসপোর্টের সেবা দিতে হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ষাটোর্ধ রমজান আলী।তিনি হজ্জ্বে যাবেন। তিনি জানান,সকালে ১ ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন। এখন আরো ২ ঘন্টা ধরে অপেক্ষায় আছেন আঙুলের ছাপ দেওয়ার জন্য। কখন শেষ করবেন তা তিনি বলতে পারেননি।এসময় সেখানে উপস্থিত একাধিক সেবাগ্রহীতারা এমন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ চেয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এবিষয়ে জেলার সাংবাদিক নূর রহমান বলেন,নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সরকার এখানে একাধিক বুথ স্হাপন করলে দীর্ঘ লাইনের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।আর দালালদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার কোনো বিকল্প নেই বলে জানান।
একাধিক বুথ এবং দালালদের দৌরাত্ম্যের বিষয়ে নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নাহিদ নেওয়াজ বলেন,দালালদের চিহ্নিত করার কার্যক্রম চলছে। অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।বহিরাগত দালালদের সাথে অফিসের কারো সম্পৃক্ততা পেলে তাকে রেহাই দেওয়া হবে না।এছাড়া আরো একটি বুথের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে এর আগে আমরা সদর দপ্তরকে জানিয়েছি।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১২ নভেম্বর-২৪/মওম