আজ , ।   
Home Blog Page 676

সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ৮ দিনের রি*মান্ডে

আলোকিত প্রতিবেদক

রাজধানীর নিউমার্কেট থানা এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিপ তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই বিকেল ৫টায় নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেটের সামনে গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়।

তিনি ২০০৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ থেকে তিনি খাদ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এখন শোরুম

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত: মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাড়া হয়ে গেছে। সেখানে বর্তমানে গড়ে উঠছে একটি মোবাইলের শোরুম। শহরের শহীদ রফিক সড়কে টিনশেড ঘরটি ভেঙে সাড়ে ৮০০ ফুটের একটি দোকান নির্মাণ করেছেন মালিকরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সংস্কারের পর দোকানে পাশে ঝুলছে একটি সাইনবোর্ড। সেখানে লেখা আছে, ‘অফিস-গোডাউন শোরুম ভাড়া দেওয়া হবে’। দোকানটিতে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করছেন দুজন শ্রমিক। এটা মোবাইলের শোরুম হবে তারা জানান।
জায়গার মালিক দাবি করে শাহ্ আব্দুল রাজ্জাক টিপু বলেন, জায়গাটি আমার দাদা কলিমউদ্দিন আহমেদের। ১৯৭৬ সালে আমাদের কাছে থেকে মাসে ৬০ টাকার বিনিময়ে ভাড়া নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের এক নেতা। প্রথম দুই-চার মাস ভাড়া দিয়েছেন তিনি। তারপর আর ভাড়া দেননি। তিন বছর আগে আমি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর একটা দরখাস্ত দিয়েছিলাম। এটা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ছালামও জানতেন। পরে ঢাকা থেকে একটা বার্তা আসে অন্য জায়গা দেখে সেখানে অফিস করার। তখন মহিউদ্দিন ভাই বলছিলেন, আমাদের একটু সময় দিলে ব্যবস্থা করবো। সরকার পতনের পর ছাত্ররা আওয়ামী লীগ কার্যালয়টা ভেঙে দিলে আমরা বাপ-দাদার সম্পত্তি ফিরে পাই।
শহরের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বিজয় বলেন, এখানে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ছিল। এ অফিসে নানা অনুষ্ঠানের কারণে সড়কে সবসময় যানজট লেগে থাকতো। এখন দেখছি এখানে একটি দোকান হচ্ছে।
মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এ জিন্নাহ্ কবীর বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি ব্যক্তি মালিকানা ছিল। জোরপূর্বক দীর্ঘদিন দখল করে ভোগ করেছেন তারা। তাদের পতনের পর জায়গার প্রকৃত মালিকরা ফিরে পেয়েছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে পাবনায় ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক আটক

রাকিবুল হাসান (বিশেষ প্রতিবেদক): পাবনায় গাঁজা পাচারকালে এক যুবককে আটক করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ডিএনসি’র রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যলয়ের সদস্যরা।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধা সাড়ে ৬ টার দিকে জেলার চাটমোহর থানাধীন বাঘলবাড়ী চৌরাস্তা মান্নাননগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে ৮ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়।
আটককৃত যুবক কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি থানাধীন শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের চরযতিন্দ্র নারায়ন (সুপারি বাগান ঘাট) এলাকার বদিউজ্জামানের ছেলে লাল মিয়া (২২)।
জানা গেছে,মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে পরিদর্শক পারভীন আক্তার এসআই হুমায়ুন কবিরসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে জেলার চাটমোহর থানাধীন মান্নাননগর চাটমোহর গামী পাকা রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে রাস্তার উপরে একটি মৎস্য খাবারের দোকানের সামনে একটি ১২৫ সিসির মোটরসাইকেল গতিরোধ করে ঘেরাও করে।
এ সময় ডিএনসি’র সদস্যরা তল্লাশি শুরু করলে মোটর সাইকেলটির সিটের ভিতরে ও তেলের ট্যাংকির নীচে অভিনব কায়দায় লুকানো একটি কালো পাতলা কাপড়ের ব্যাগে মধ্যে থেকে ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে ডিএনসির চৌকস দল।
মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের জানতে পারা যায় আটককৃত যুবক মোটরসাইকেল যোগে গাঁজা পাচার করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত যুবকের বিরুদ্ধে চাটমোহর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান ডিএনসির উপপরিচালক।
আলোকিত/১৯/১১/২০২৪/আকাশ

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য আগামীতে আর হয়রানির শিকার হতে হবে না: আমিনুল হক

ইমরান হোসেন : বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ,১৮ নভেম্বর রোজ সোমবার ২০২৪ ইং।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নবগঠিত কমিটি রাজধানীর ফারস হোটেলে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে এক  মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। স্বাগত বক্তব্যে নবগঠিত কমিটির আহবায়ক আমিনুল হক বলেন আগামীতে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য সাংবাদিকদের আর হামলা মামলা,জুলুম নির্যাতনের শিকার হতে হবে না। গত ৪ নভেম্বর মহানগর উত্তর বিএনপির ছয় সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আমিনুল হক বলেন, বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আমরা স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছি, দেশ নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই- গণমাধ্যম স্বাধীন। আপনারা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরবেন। এর জন্য ভবিষ্যতে আর কখনোই হামলা-মামলা, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হবে না আপনাদের।
তিনি বলেন, আমরা আর অপরাজনীতি দেখতে চাই না। গত ১৭ বছর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে শুধু রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষই রাজপথে ছিলেন না, সাংবাদিকরাও এই লড়াইয়ে ছিলেন। সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করেছেন, একইভাবে আগামী দিনেও থাকবেন।
আমিনুল হক আরো বলেন, ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হাসিনা সরকার নানা কায়দায় গণমাধ্যমের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছিল। তারা বলে দিতো কোন নিউজ করা যাবে আর কোন নিউজ করা যাবে না। ফ্যাসিবাদ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে মসজিদের ইমামকেও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল- তিনি কী পড়বেন, কী পড়বেন না।
আওয়ামী লীগ যা করেছে, আমরা তা করব না। নতুন করে আবার কেউ ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠুক কিংবা ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসুক- এটাও আমরা চাই না।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী প্রমুখ।
এ সময় মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এসএম জাহাঙ্গীর, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, এ বি এম এ রাজ্জাক, মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফউদ্দীন জুয়েল, সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ, উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শেখ মো: ফরিদ,শ্রমিক দলের আহবায়ক রাজা, ছাত্রদল পশ্চিমের আহ্বায়ক নাসির,উত্তর মহিলা দলের সদস্য সচিব রুনা সহ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সাবেক নেতৃবৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

উখিয়ার মুক্ত আকাশে ডানা মেললো ৩ প্রজাতির ৫৮টি পাখি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজারের উখিয়ায় নতুন করে জীবন পেল ৩ প্রজাতির ৫৮টি পাখি। রবিবার(১৭ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বালুখালী ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অভিযান চালিয়ে শিকারিদের কবল থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করেন। একইদিন বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) যারিন তাসনিম তাসিনের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা বকপাখিগুলো মুক্ত আকাশে অবমুক্ত করা হয়।
এসময় উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম, থাইংখালী বিট কর্মকর্তা বিকাশ দাশ সহ বনবিভাগের স্টাফবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী বন সংরক্ষকের তত্বাবধানে বালুখালী ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে ফাঁদ পেতে শিকার করে বাজারে বিক্রি করার সময় ৪৮টি বকপাখি, ৬টি শালিক এবং ৪টি পানকৌড়ি উদ্ধার করা হয়।
উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম বলেন,”বনের পাখি বনেই সুন্দর। পরিবেশ রক্ষায় বন্যপ্রাণী অনন্য ভূমিকা রাখে। রবিবার দুপুরে বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাজারে বিক্রি করার সময় তিন প্রজাতির ৫৮টি পাখি উদ্ধার করা হয়। থাইংখালী বিট কর্মকর্তা ও স্টাফদের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।”
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৮ নভেম্বর-২৪/মওম

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি

মোঃ আবদুল ওয়াদুদ, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগী বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন আক্রান্তরা। এরমধ্যে বেশিরভাগ রোগীই শিশু। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় এই রোগে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরই ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩৯ জন রোগী। ডেঙ্গুতে  মৃত্যু হওয়া দুই জন হলেন- ওমর ফারুক (২০) এবং শাবানা (৩০)। এর মধ্যে ওমর ফারুক বান্দরবানের লামা এলাকার ও শাবানা সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা। দুই জনই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চট্টগ্রামে অনেকদিন যাবত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সিটিকর্পোরেশনের কোন পদক্ষেপ নেই বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। নগরীতে মশার ওষুধও ছিটানো হচ্ছেনা।
তাছাড়া শহরের নালা-খালাগুলো ময়লার স্তুপ এবং রাস্তা-ঘাটে ধুলা-বালির কারণেও মশার তান্ডব বেড়ে যাওয়ায় এই রোগে আক্রান্তের হার বেড়েই চলেছে বলে একাধিক বাসিন্দারা জানিয়েছেন। গতকাল সোমবারের সিভিল কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন। এর মধ্যে ২৫ জন ভর্তি হয়েছেন চমেক হাসপাতালে। বাকি ১০ জনের মধ্যে ৪ জনই বিভিন্ন উপজেলা হাসপাতালে ও ৬ জন বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৪ জন। এর মধ্যে চলতি নভেম্বরে ভর্তি হয় ৭০৯ জন।
অপরদিকে চলতি বছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে নভেম্বর মাসে। মোট ৩৭ জনের মৃত্যুর বিপরীতে ১২ জনই মারা গেছেন এ মাসে। এর মধ্যে চলতি নভেম্বরের ১৭ তারিখ পর্যন্ত মারা গেছেন ১২ জন। এছাড়া এ বছর ১১ জনের মৃত্যু হয় গত সেপ্টেম্বরে। অক্টোবরে মারা গেছেন ৯ জন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২ জন, মার্চ, জুলাই ও আগস্টে মারা গেছেন একজন করে। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, চলতি মাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দুটোই বেড়েছে। সচেতনতা বাড়াতে আমরা লিফলেট বিতরণসহ মাইকিং শুরু করেছি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

উদ্বোধনের অপেক্ষায় বহুল আলোচিত টাঙ্গাইলের বেড়াডোমা ব্রীজ

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

নভেম্বরেই চালু হচ্ছে বহুল আলোচিত বেড়াডোমা ব্রীজ বলে দাবি করেছেন নির্মাণকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। নির্মাণে চার বছর কেটে গেলেও ব্রীজ উদ্বোধনের সংবাদে সীমাহীন উৎসাহে রয়েছেন এর সুবিধাভোগীরা। নির্মাণের মাঝে দেবে যাওয়ার মত দূর্ঘটনার পরও কাঙ্খিত ব্রীজ নির্মাণের সমাপ্তিতে স্বপ্নের দিন গুণছেন জেলার পশ্চিমাঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

ব্রীজটি নির্মাণের ফলে এ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন সহজ হবে, তেমননি খুলবে ব্যবসায়িক দ্বার। এর সুফল ভোগ করবে জেলার পশ্চিমাঞ্চলের চার ইউনিয়নের পাঁচ লক্ষাধিক মানুষসহ  পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জনসাধারণ। জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (টিপিআইআইপি) আওতায় এলজিইডির অর্থায়নে টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ৪১.৭০ মিটার দীর্ঘ এই আর্চ সেতুটি নির্মাণ কাজের জন্য ব্রিকস্ অ্যান্ড ব্রিজেস লিমিটেড এন্ড দি নির্মিতি (জেভি) নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীর চুক্তিপত্র হয়।

৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার ৮৪১ টাকা ব্যয়ে এই সেতুর কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর। বর্ধিত সময় অনুযায়ী কাজ সমাপ্তির তারিখ ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর চারটি বিলের মাধ্যমে ঠিকাদারকে দুই কোটি ৮০ লাখ ৫৩ হাজার ৪৭৬ টাকা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৬ জুন রাত সাড়ে ১০টায় দেবে যায় নির্মাণাধীন সেতুটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেন্টারিং খোলাসহ ঘষা মাজা আর সাজসজ্জার অপেক্ষায় রয়েছে বেড়াডোমা ব্রীজ।বাসাখানপুর গ্রামের গৃহিনী রোজী জানান, ব্রীজ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছি আমরা। শহরে বাচ্চার স্কুলে যাতায়াতসহ মার্কেট ও বাজারে যাতায়াতের খরচ দ্বিগুণ গুনতে হচ্ছে। বেশি সময় ব্যয় হওয়াসহ চলাচলে রয়েছে নানা ধরণের সমস্যা। ব্রীজ নির্মাণের কাজটি শেষ হওয়ায় স্বস্তি পাচ্ছি। দ্রুত উদ্বোধন হলেই আমাদের দূর্ভোগ কাটবে।

সিএনজি চালক মোস্তফা জানান, প্রায় চার বছর যাবৎ চরম কষ্টভোগ করছি আমরা। ব্রীজটি চালু হলে আমাদের সেই কষ্ট দূর হবে। স্থানীয় হেদায়েত আলী খানসুর শোভা জানান, পশ্চিম টাঙ্গাইলবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল বেড়াডোমা ব্রীজ। ব্রীজে দ্রুত চলাচল শুরু হলে পশ্চিমের কাকুয়া, হুগড়া, বাঘিল ও দাইন্যা ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের দূর্ভোগ কাটবে। শহরতলীতে দ্রুত যাতায়াতের সুবিধার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের কৃষিপণ্য শহরের বাজারগুলোতে এনে বিক্রির সুযোগ পাবেন কৃষকরা। এতে ওই সকল কৃষক লাভবান হওয়াসহ শহরবাসীর সবজির চাহিদাপূরণ হবে। সবজিসহ কৃষিপণ্যের দাম কমবে বলেও মনে করেন তিনি।

ঠিকাদার প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম খান জামিল জানান, ব্রীজের কাঠামোগত নির্মাণ শেষ। সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যে সেন্টারিং খোলাসহ ঘষা মাজা আর সাজসজ্জার কাজও শেষ হবে। আশা করছি, নভেম্বর মাসেই ব্রীজে চলাচল শুরু করা যাবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ব্রীজের সাটার খোলা, ওয়ারিংসহ কিছু সাজ-সজ্জার কাজ বাকি রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, নভেম্বর মাসেই ব্রীজটি চালু করতে। সম্ভব না হলে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চালু করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৮ নভেম্বর-২৪/মওম

কলাপাড়ায় কৃষক সমিতির মানববন্ধন ও সমাবেশ

মোঃ সোহাগ (বিশেষ প্রতিনিধি): পটুুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা কৃষক সমিতির উদ্যেগে এক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার তেগাছিয়া বাজারে কৃষকদের ন্যায্য দাবী তুলে ধরে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়।
দাবী গুলোর মধ্যে ছিল, ধানের মন ৪৬ কেজির পরিবর্তে ৪০ কেজিতে পরিমাপ করা, সকল প্রকার স্লুইস, খাল,বিল,নদী নালা,জলাশয় অবমুক্ত করা, কৃষকদের কাছ থেকে লাভ জনক মূল্যে ধান ক্রয় করা,পল্লী রেশনিং চালু, সকল প্রকার খালের লীজ বাতিল সহ বিভিন্ন দাবীতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন,স্থানীয় কৃষক .শাহআলম হাওলাদার। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি জি,এম মাহবুবুর রহমান, সহ সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সম্পাদক আতাজুল ইসলাম, সদস্য কমরেড তালুকদার, প্রচার সম্পাদক নয়নাভিরাম গাঈন সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, এক শ্রনীর মহাজন ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে ৪৬ কেজিতে ধানের মন কিনে নিজেরা ৪০ কেজিতে মন বিক্রি করছে। যাতে কৃষকের ধান মনে ৪ কেজি করে লোপাট করছে। এছাড়া কৃষকের স্বার্থে কোন খাল লিজ দেয়া যাবে না। তারা আরো বলেন’ কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।
আলোকিত/১৮/১১/২০২৪/আকাশ

আলু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে শরীয়তপুরে সিসিএসের মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি:
ভোক্তাদের জিম্মি করে আলুর দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং আলু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে শরীয়তপুরে মানববন্ধন করেছে কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)। ১৮ নভেম্বর সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সিসিএস জেলা শাখার সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান সিপন, সাইদ মাহমুদ, মো. রোমান আকন্দ,
আব্দুল মোতালেব সুমন, সুলতানা আক্তার প্রমূখ।
মানববন্ধনে অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান বলেন, কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা ও ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট তৈরি করে অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিকভাবে আলুর মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা ভোক্তা সাধারণকে জিম্মি করে বেশি দরে বিক্রয় করছে। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ভোক্তাদের হাতে ন্যায্যমূল্যে আলু তুলে দেয়া হোক।
এছাড়াও মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তারা বলেন, দেশে বার্ষিক আলুর চাহিদা প্রায় ৯০ লাখ টন। এবছর আলু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি টনের বেশি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোল্ড স্টোরেজে ৪০ লাখ টনের বেশি আলু মজুদ রয়েছে। যা বছরের বাকি সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত। কিন্তু মজুদদারেরা সরবরাহ হ্রাস করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে হিমাগার থেকে বেশি মূল্যে আলু বিক্রয় করছে এবং ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত পাকা রশিদ সংরক্ষণ ও সরবরাহ করছে না। অসাধু ব্যবসায়ীরা কোল্ড স্টোরেজকেন্দ্রীক কূটকৌশলের মাধ্যমে আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ভোক্তন সাধারণকে জিম্মি করে ফেলেছে।
পরে মানববন্ধন শেষে দ্রুত আলুর দাম কমিয়ে ও আলু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কোল্ড স্টোরেজ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সিসিএস জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৮ নভেম্বর-২৪/মওম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ৫ কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেফতার 

প্রতিনিধি,কসবা:
অদ্য সকাল সকাল ০৯.০০ ঘটিকার সময় কসবা থাননর অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশনা  কর্মরত এসআই, মোহাম্মদ সোহেল সিকদার সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে কসবা থানাধীন বিনাউটি ইউপিস্থ ব্রাহ্মনগ্রাম দানিসপাড়া এলাকায় চন্ডীদ্বার টু মজলিশপুর গামী রোডে জনৈক আব্দুল করিম এর দোকেনের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে ৫ পাঁচ কেজি গাঁজা সহ ১ জন গ্রেফতার । গাঁজা জব্দ করা হয়। নাম, মোঃ রুবেল মিয়া(৩৯) পিতা- মৃত ফিরোজ মিয়া মাতা- হাসেনা বেগম সাং-আলমপুর দক্ষিণপাড়া, ওয়ার্ড নং-০৪ থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মনবাড়িয়া। মামলা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আছে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৮ নভেম্বর-২৪/মওম