আজ , ।   
Home Blog Page 668

ক্রীড়াঙ্গন হবে দলীয় ও রাজনীতিকরন মুক্ত : আমিনুল হক 

ইমরান হোসেন : বিশেষ প্রতিনিধি : বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক বলেছেন,আমরা এমন একটি ক্রীড়াঙ্গন চাই,যে ক্রীড়াঙ্গনের মাধ্যমে আমরা মাদকমুক্ত একটা বাংলাদেশ গড়ে তুলে- অবৈধ মাদককে ‘না’ বলতে পারবো।
তিনি বলেন,সুন্দর সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা সেই ক্রীড়াঙ্গন দেখতে চাই- যেই ক্রীড়াঙ্গন হবে দলীয় ও রাজনীতিকরণ মুক্ত। বাংলাদেশের প্রত্যাকটি মানুষের জন্য-তৃনমুল সাধারণ মানুষের জন্য হবে সেই ক্রীড়াঙ্গন।
আজ (২৪ নভেম্বর) রবিবার বেলা ১১টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমিনুল হক তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে সুস্থ ও সুন্দর ধারার রাজনীতির পরিবেশ তৈরি হবে
উল্লেখ করে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেন, আমরা বিশ্বাস করি তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিককামী মানুষের যে প্রত্যাশা-যে আকাঙ্খা তা পূরণ হবে, আমরা এটাও বিশ্বাস করি ক্রীড়াঙ্গনে এখন থেকে আর কখনও দলীয়করণ ও রাজনীতিকরণ করা হবে না।
তিনি বলেন, আমরা সারা বছরই ক্রিকেট ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা বিভাগীয় পর্যায় থেকে শুরু করেছি,এরপর আমরা জেলা- উপজেলা পর্যায়ে এবং ইউনিয়ন লেভেল পর্যন্ত আমাদের এই টূর্নামেন্ট ধারাবাহিক ভাবে চালু রাখব।
নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করার লক্ষ্য নিয়েই সারাদেশে আমাদের এ টুর্নামেন্টের আয়োজন উল্লেখ করে  বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন,গত স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের আমলে আমরা অনেক প্রতিকূলতা বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টূর্নামেন্ট শুরু করেছিলাম। তখন তিনটি বিভাগের খেলা আমরা সম্পন্ন করতে পেরেছিলাম। আগামী ১১ই ডিসেম্বরের পর থেকে আবার আমরা আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টূর্নামেন্ট শুরু করবো। পাশাপাশি জিয়া ক্রিকেট টূর্নামেন্ট চলতে থাকবে; এই দুইটি টূর্নামেন্ট শেষে আমাদের প্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে নারী ক্রিকেট কিংবা ফুটবল টূর্নামেন্ট আমরা শুরু করবো।
এ সময় বক্তব্য রাখেন,বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল,তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল,জিয়া ক্রিকেট টূর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব দেবব্রত পাল,খুলনা টূর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু,জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আলম নান্নু,নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সালমা খাতুন প্রমুখ।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট টি-টোয়েন্টি একদিনের এ ম্যাচে লাল ও সবুজ দুটি দলে বিভক্ত হয়ে খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আশুগঞ্জে ইয়াবা ও প্রাইভেটকার সহ তিন মাদক কারবারী গ্রেফতার 

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ২০০০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি প্রাইভেটকারসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ নভেম্বর রবিবার ভোরে এসআই গাজী রবিউল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে আশুগঞ্জ চরচারতলা সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর আশুগঞ্জ টোলপ্লাজার অনুমান ২০ গজ পূর্বপাশে পাকা রাস্তার উপর থেকে ইয়াবা ও ১টি প্রাইভেটকারসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের নাম মো. সোয়াইব মিয়া (২৬) হবিগঞ্জ জেলার সদর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের গোসাইপুর গ্রামের শরাফত আলীর পুত্র, মো. জিহাদ মিয়া (২২) হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার আনোয়ারপুর গ্রামের মো. তোরাব আলীর ছেলে ও মো. শরীফ (৩২) গাজীপুর জেলার টঙ্গী উপজেলার গাজীপুরা গ্রাম ৫০ নং ওয়ার্ডের মোতালিব হোসেনের ছেলে।পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে আশুগঞ্জ থানায় উল্লেখিত বিষয়ে মামালা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৪ নভেম্বর-২৪/মওম

বদরগঞ্জ চাম্পাতলীর হাটে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের অফিস উদ্বোধন

নুরুন্নবী নুরু:

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদুরপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের দলীয় কার্যালয় আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে দামোদুরপুর চম্পাতলীর হাট সংলগ্ন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের দলীয় এই অফিসটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বদরগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক ও জাতীয়তাবাদী আইন জীবি ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট গোলাম রসুল বকুল সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী দল বদরগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক ও জাতীয়তাবাদী আইন জীবি ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট গোলাম রসুল বকুল । বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আশিকুর রহমান রানা ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভাটি সঞ্চালনা করেন সাবেক ছাত্র দলের সভাপতি ও পৌর বি এন পির যুগ্ন আহবায়ক মোঃ সাইদুজ্জামান রিপন।

এ সময় জাতীয়তাবাদী দলের উপজেলা এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশ ও জাতির কল্যাণে বদরগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলকে আরোও সুসংগঠিত  করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৪ নভেম্বর-২৪/মওম

চৌহালীতে জাতীয় বিপ্লব ও যুব সংহতি দিবস উপলক্ষে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

জিয়াউল রহমান:
সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে ২২-১১-২০২৪ইং রোজ শুক্রবার বেলা ৩ঘটিকায় চৌহালী সরকারি কলেজ মাঠে এক বিশাল জন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত জনসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চৌহালী উপজেলা বিএনপি’র সংগ্রামী সভাপতি মোঃ জাহিদ মোল্লা ‌। উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কারী ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন , আমি আপনাদেরকে দেখে আবেগে আপ্লিত হয়ে পড়েছি। আপনারা বিএনপিকে ভালোবাসেন বলেই প্রত্যন্ত গ্রাম ও চর অঞ্চল থেকে অনেক কষ্ট করে বিএনপি ও মনের টানে আপনারা এই সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ একত্র হয়েছেন । আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে অভিনন্দন জানাই । তিনি আরোও বলেন দীর্ঘ ১৬ বছর আমরা নির্যাতিত হয়েছি, আমরা জেল খেটেছি, আমাদের হাতে পায়ে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে নেওয়া হয়েছে । উপর আল্লাহর রহমত এবং আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমরা বেচেঁ আছি । আল্লাহ ছার দেয় কিন্তু ছেড়ে দেয়না। তার বাস্তব উদাহরণ দেখুন?
তিনি অতীত সরকারের সমালোচনা করে, হাজারো জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সৈরাচারী হাসিনার বিচার চান না ? সঙ্গে সঙ্গে হাজারো জনতা সমস্বরে বলেন আমরা খুনি হাসিনার বিচার চাই । তিনি বলেন বর্তমান সরকার আমাদের আন্দোলনের ফসল, তাই এই সরকারকে ব্যার্থ হতে দেওয়া যাবে না । রাষ্ট্রসংস্কারের জন্য সময়ের প্রয়োজন এবং সেই সাথে নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করাও প্রয়োজন । রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করুন আমরা আপনাদের সাথে আছি। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে আরো বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামীতে স্বচ্ছ ভোটের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা পরিবারকে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যাতে করে ওই ফ্যামিলি নিত্যপণ্য দ্রব্য সমূহ কম দামে অথবা বিনামূল্যে পেতে পারেন । আমরা সে ব্যবস্থা করব ইনশাআল্লাহ ‌। তিনি চৌহালীর জনতার উদ্দেশ্যে বলেন আগামী নির্বাচনে এই অঞ্চলে সর্বদলীয় ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থী হবে আমিরুল ইসলাম খান আলীম ‌। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমিরুল ইসলামকে সংসদ সদস্য নির্বাচন করুন, আমার বিশ্বাস আপনাদের আমিরুল ইসলাম খান আলীম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবে ইনশাআল্লাহ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন এনায়েতপুর বেলকুচি ও চৌহালীর গণমানুষের আত্মার প্রতীক মোঃ আমিরুল ইসলাম খান আলীম । তিনি বলেন আল্লাহপাক ক্ষমতায় নিলে আমার প্রথম কাজ হবে, নদী ভাঙ্গন রোধ, ও চৌহালীর উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার তাই করবো ইনশাআল্লাহ । বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য জনাবা রুমানা মাহমুদ । তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন ৫ তারিখের পর আমরা অনেক পিছিয়ে গিয়েছি ।  আপনার দলের ১৯ দফা বাস্তবায়ন না করে  বালু চাউলের ব্যাবসায় জড়িত হয়েছেন, এটি থেকে সাবধান হন । বিএনপি’র ১৯ দফা নিয়ে জনগণের কাছে যান জনগণকে বুঝান, জনগণ আপনাকে কিসের জন্য ভোট দিবে তা বুঝিয়ে বলুন এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা বাস্তবায়ন করুন। আরো বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, তিনি বলেন, আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া আজ দীর্ঘ ১৬ বছর পর চৌহালীর মাটিতে উন্মুক্ত স্থানে কথা বলতে পেরেছি, তার জন্য আবারো আল্লাহর দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া।আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
বক্তব্য রাখেন চৌহালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চৌহালী ডিগ্রী কলেজের সাবেক ভিপি মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা সহ সিরাজগঞ্জ জেলা এবং চৌহালী উপজেলা বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৪ নভেম্বর-২৪/মওম

দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আহ্বান ফারুকের

আলোকিত প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, বাংলাদেশে নির্বাচন বিলম্বিত হলে আবারও সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই আর দেরি নয়। দেরি করলেই ষড়যন্ত্র শুরু হবে। যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।

২৪ নভেম্বর রবিবার প্রেস ক্লাবের সামনে নবীন দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ফারুক বলেন, সরকারের কাছে সবাই দাবি করে। তবে এমন কোনো দাবি করা উচিত নয় যাতে জনগণের মনে অশান্তি সৃষ্টি হয়। জনগণের জন্য যেসব দাবি, সেসব দাবিগুলো নিয়ে কথা বলার অধিকার ৫ আগস্টের পরে এ সরকার দিয়েছে। দুই হাজারের ওপরে ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে আমাদের কথা বলার অধিকার দিয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে এখন কথা বলার সময় নয়।

তিনি বলেন, তিন মাস অতিবাহিত হলে এখনো কেন আমাদের নেতা তারেক রহমান দেশে আসতে পারেনি। এখনো কেন তার নামের  মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হলো না? জনগণের সামনে এ প্রশ্ন জেগে উঠেছে। তাই সরকারের কাছে প্রত্যাশা তারেক রহমানসহ যাদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে সব মামলা প্রত্যাহার করা।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে বিরোধী দলের সাবেক এই চিপ হুইপ বলেন, আমরা তো আপনাদের বিরোধী না। আমরা আপনাদেরকে সহযোগিতা করতে চাই। সরকারের কাছে আমাদের দাবিও রয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের ওপর যে জুলুম নির্যাতন করেছে। হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে রাত কাটিয়েছি। কবরস্থানে ঘুমিয়েছি। সেখানেও পুলিশ আমাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে, জুলুম নির্যাতন করেছে। তাই এ সরকারের দোসররা যারা এখনো বাংলাদেশে আছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে। যে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন। তারা তাদের ভোট দিতে পারবে। তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে বিজয়ী করতে পারবে। তাই আর দেরি নয়। দেরি করলেই ষড়যন্ত্র শুরু হবে। যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনে ব্যবস্থা করুন।

তিনি বলেন, আপনারা সংস্কার করুন। তবে এমন সংস্কার করবেন না যাতে নির্বাচন দেরি হয়ে যায়।

ফারুক বলেন, যে দাবি করেছিল এই দেশ তার বাবার সে কিন্তু বেশি  দূরে না। সে হিন্দুস্তানে আছে। সে আবার ষড়যন্ত্র করার পাঁয়তারা করছে। তার দোসররা এখনো বাংলাদেশে আছে। তাই তাকে দেশে এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আপনার (ড. ইউনূস) ভয় কীসের? এ দেশের লক্ষ জনতা আপনার সাথে আছে। ছাত্র জনতা আন্দোলন করে রক্ত দিয়ে আপনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। তাই ভয় নয় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময়।আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির ব্যাপারীর সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন– বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, গণতান্ত্রিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ সহ প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৪ নভেম্বর-২৪/মওম

প্রেস ক্লাবে হাজারো ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক,ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধে হাইকোর্টের আদেশ প্রত্যাহার করাসহ ১১ দফা দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায় জড়ো হয়েছেন হাজারো ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক। ফলে পল্টন-প্রেস ক্লাব এবং হাইকোর্ট এলাকার সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই পথে বাসে আটকে থাকা যাত্রীরা। ২৪ নভেম্বর রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানারে তারা এখানে আসেন। চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কামরাঙ্গীরচর, সেকশন, হাজারিবাগ ও সেকশন এলাকা থেকে এসেছেন। টিটাগাং রোড এলাকা থেকেও আরও রিকশাচালক আসছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা বিশাল একটি মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট মাজার মোড়  এবং কদম ফোয়ারা হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আসেন। এ সময় তারা ‘ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধে হাইকোর্টের আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে প্রেস ক্লাবের সামনে এসে রাস্তায় বসে পড়েন।

প্রেস ক্লাবের সামনে একটি পিকাপ ভ্যানে লাল ব্যানারে সমাবেশ মঞ্চের আয়োজন করেছে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন। মঞ্চে ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখছেন।

dhakapost

গত ২৩ নভেম্বর শনিবার পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস ১১ দফা দাবি জানান। ইউনিয়নের অন্যান্য দাবিগুলো হচ্ছে— দেশের সড়ক উপযোগী নকশায় আধুনিকায়নসহ ব্যাটারিচালিত যানবাহনের বিআরটিএ লাইসেন্স ও যৌক্তিক রুট পারমিট দিতে হবে; চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করতে হবে; ব্যাটারিচালিত যানবাহন চলাচলে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে; শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সড়ক ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা কমিটি গঠন করতে হবে; সড়কের লেন পদ্ধতি সচল ও সার্ভিস লেন নির্মাণ করতে হবে; আন্দোলনে আটক এবং গ্রেপ্তারকৃতদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে; ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে গণপরিবহন ও শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে; জব্দ করা সব ব্যাটারিচালিত যানবাহন ও ব্যাটারি মালিকের কাছে হস্তান্তর ও নিলামকৃত ব্যাটারির মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে; চার্জিং স্টেশন নির্মাণ করতে হবে; মানবিক বিবেচনায় ব্যাটারিচালিত যানবাহনের পুঁজিকে নিরাপদ করে পর্যায়ক্রমে প্যাডেলচালিত বাহনের শ্রম থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হবে এবং শ্রমিকদের ওপর সব জুলুম-নির্যাতন-চাঁদাবাজি-হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল কুদ্দুস বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে সৃষ্ট যানজটের দায় নগর পরিকল্পনাকারীদের না দিয়ে সব সময় দায় এড়াতে এ দেশের গরিব-মেহনতি মানুষের ঘাড়ে চাপানো হয়। একটি আদর্শ নগরে ২৫ শতাংশ সড়ক থাকতে হয়, কিন্তু ঢাকা মহানগরীতে আছে মাত্র ৮ শতাংশ। যার ৭৫ শতাংশই দখল করে আছে ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ি। ফলে নগরীর যানজটের প্রধান কারণ হচ্ছে অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ব্যক্তিগত গাড়ি। সরকার যানজট নিরসনে পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং ব্যক্তিগত গাড়ি অনুৎসাহিত না করে উপরন্তু গরিবের বাহন বন্ধের মধ্য দিয়ে জনগণের আইওয়াশ করছে, যা সমস্যার সমাধান না করে আরও নতুন নতুন সমস্যার জন্ম দিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে। তারা একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। দেশের সব থেকে নিপীড়িত ও বৈষম্যের শিকার শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের অবসান না ঘটিয়ে দেশকে বৈষম্যমুক্ত করা সম্ভব নয়।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৪ নভেম্বর-২৪/মওম

ঢাকার বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকেরা

আলোকিত প্রতিবেদক : কয়েক দিন ধরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রবিবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছেন তারা। এদিন সকাল ১০টা থেকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, শাহবাগ, প্রেসক্লাব, সায়েন্সল্যাব, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন তারা।

জানা গেছে, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালুসহ ১২ দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চালকরা গণঅবস্থান নেন। এতে পল্টন ও হাইকোর্ট মোড় এলাকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় তখন।

 

অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনের কারণে ঢাকার মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, মিরপুর ও গাবতলী সড়কেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অনেক মানুষ। অফিস ও জরুরি কাজে যারা বের হয়েছেন তাদের অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী ইফতেখার হাসান বলেন, হঠাৎ সকাল সাড়ে ১০টা দিকে মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ চার রাস্তার মোড় ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা সড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে আজ।

এদিকে যাত্রাবাড়ী এলাকায়ও বিক্ষোভ করছে রিকশাচালক ও শ্রমিকেরা। সেখানে রিকশাচালকের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে পুলিশ সদস্যরা। পুলিশ বারবার মাইকিং করে তাদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য জানালেও রিকশাচালকেরা রাস্তা ছাড়ছেন না।

প্রতিটি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রয়েছে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ইজরাইল হাওলাদার বলেছেন, প্রতিটি এলাকায় পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। কোনো ধরনের নাশকতা ও বেআইনি কার্যক্রম করতে দেবে না পুলিশ।

উল্লেখ্য, রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ আটকে বিক্ষোভ করছেন চালকেরা। গত শুক্রবারও জুরাইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হয়েছে তাদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছোড়া হয় টিয়ারশেল। রেললাইন অবরোধের কারণে পদ্মা সেতু হয়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকে চার ঘণ্টা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ভাতিজাকে কুপিয়ে হ*ত্যা, চাচা গ্রে*ফতার

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ: চট্টগ্রাম  পটিয়ার পূর্ব হাইদগাঁও গ্রামে জবাই করে ভাতিজা রাশেদকে খুনের দায়ে চাচা জালাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। গতকাল শুক্রবার রাতে নগরীর চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আজ শনিবার জালালকে আদালতে নেওয়া হলে সেখানে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। চট্টগ্রামের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা ইয়াসমিন তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সিআইডি চট্টগ্রাম জেলা ও মেট্রো ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহনেওয়াজ খালেদ তিনি তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, চাচার হাতে ভাতিজার খুনের ঘটনার পর পরই সিআইডি কাজ শুরু করে। ছায়াতদন্ত করে আসামি জালালকে শনাক্তের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তাকে শনাক্ত করা হয় এবং খাজা রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৬ নভেম্বর পটিয়ার পূর্ব হাইদগাঁও গ্রামে চাচার হাতে ভাতিজা খুনের চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। পাওনা আড়াই হাজার টাকা ভাতিজা রাশেদের কাছে চেয়েছিলেন চাচা জালাল উদ্দিন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও তর্কাতর্কি শুরু হয়।

একপর্যায়ে হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাশেদের গলার দুই পাশে পোচ দিয়ে বসেন চাচা জালাল। এতে মুহুর্তেই ভিকটিম রাশেদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সেখান থেকে স্থানীয় লোকজন রাশেদকে পটিয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ভিকটিম রাশেদের স্ত্রী তাসনিম আক্তার বাদী হয়ে জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদে আগুনে পুড়ল বসতঘর

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ: চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদের বেপারী পাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬টি কাচা-পাকা বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সা‌র্ভিসের ২টি ইউ‌নিটের চেষ্টায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এই তথ্য নি‌শ্চিত করে আগ্রাবাদ ফায়ার সা‌র্ভিস স্টেশন অ‌ফিসার ডলার ত্রিপুরা। তিনি জানান, বিদ্যুতের শর্ট সা‌র্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এই ঘটনায় ৬টি কাচা-পাকা ঘর বসতঘর পুড়ে যায়। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ক্ষ‌তির প‌রিমার ৪ লাখ টাকার মতো। উদ্ধারের প‌রিমাণ ২০ লাখ টাকা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গণতন্ত্রের দুশমন হাসিনার ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই : গোলাম পরওয়ার

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণতন্ত্রের দুশমন শেখ হাসিনা বিদেশে গেলেও ষড়যন্ত্র তার থেমে নেই। ওখানে বসেই তিনি ষড়যন্ত্র শুরু করে দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদের মাস্টারমাইন্ড শেখ হাসিনা আনসারদের নানা দাবি-দাওয়া, জুডিশিয়াল ক্যু করার নির্দেশ দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিদেশে বোঝানোর চেষ্টা করলো ইউনূস সাহেব দেশ চালাতে ব্যর্থ। তাকেই আবার দেশ চালাতে হবে। কিন্তু তার সব ষড়যন্ত্র সেনাবাহিনী ও ছাত্র-জনতা ব্যর্থ করে দিল। একটার পর একটা ষড়যন্ত্র চালিয়েও তিনি সফল হতে পারেনি।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, শেখ হাসিনা যেখানে আছে সেটাতো ষড়যন্ত্রের জায়গা। সেখান থেকেই দেশ ও মুসলিম জাতিসত্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়। শেখ হাসিনা বিদেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে অডিও, ভিডিও বক্তব্য পাঠাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে মোবাইলে মিটিং করে বলেন তোমরা ঠিকঠাক থাক। আমি যেকোনো সময়ে দেশে ঠুকে পড়বো। ষড়যন্ত্র করে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের উসকে দিয়ে এই সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করলো। কিন্তু আমরা লাঠি হাতে মন্দির পাহাড়া দিয়ে প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছি আমরা অসাম্প্রদায়িক। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সবসময় দেশের মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে জামায়েত ইসলামী দেশে ক্ষমতায় আসলে দেশে নারীদের অধিকার ও অমুসলিমদের কোন অধিকার থাকবে না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। মহানবী (সা.) মদিনায় যখন আদর্শ রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন, তখন সেখানে শিশু, নারী, সকল অমুসলিমদের জীবন অনেক নিরাপদ ছিলেন। তাই বলি আমাদের দেশের মা-বোন ও অমুসলিমদের ভীত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের চারদিন আগে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু তারপর চার দিনও টিকতে পারেনি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ। জনরোষে পড়ে দেশ ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্য হলেন শেখ হাসিনা ও তার স্বজনরা। তাদের বিচার জনগণ করবে। তারা নির্বাচনে আসতে পারবে কি না সেটি জন আকাঙ্ক্ষার ওপর নির্ভর করবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ন্যূনতম সংস্কারের পর যৌক্তিক সময়ে জাতীয় নির্বাচন হবে। তবে এই যৌক্তিক সময় কতদিন বা কত বছর তা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল।

নির্বাচন কমিশন, পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাহী বিভাগ সংস্কারের পর সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলেই জাতীয় নির্বাচন হতে পারে।

গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার বিগত ১৫ বছর যাবৎ দেশের নাগরিকদের ভোট দিতে দেয়নি। তারা দেশের গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে। দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়। সর্বাগ্রে নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংস্কার হওয়া প্রয়োজন। সেগুলো সংস্কারের পর যৌক্তিক সময়ে জাতীয় নির্বাচন হবে। তবে এই যৌক্তিক সময় কতদিন বা কত বছর তা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। আমরা আশা করি অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান দেখাবে।

গোলাম পরওয়ার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাস্তবায়ন করতে গেলে ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া বাদ দিতে হবে। আমি চেয়ারম্যান হবো, মেম্বার হবো এমন চাহিদা অন্তরে দখল করে রাখা যাবে না। আজকে যারা কর্মী আছেন আগামীতে তারা নেতা হবেন, আর যারা নেতা আছেন তারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে যাবেন। এভাবেই ইসলামি আন্দোলন এগিয়ে যাবে। আমরা রাষ্ট্রের দায়িত্ব পেলে শাসক হব না, আমরা জনগণের সেবক হয়ে দেশের জন্য কাজ করবো।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা মো. নূরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক (ঢাকা উত্তর অঞ্চল) অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ, ঢাকা উত্তর অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ দেলওয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. জাহিদুর রহমান প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি