আজ , ।   
Home Blog Page 653

 ভুয়া জন্ম নিবন্ধন দিয়ে ভোটার হওয়ার চেষ্টা, দুই রোহিঙ্গা সহ আ*টক-৩

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নকল পিতা সাজিয়ে এক রোহিঙ্গা নারীর ভোটার হওয়ার চেষ্টায় তিনজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার নির্বাচন অফিস থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, সুমি আক্তার (রোহিঙ্গা), মো. তৈয়ব (রোহিঙ্গা) ও মো. ইসমাঈল।
জানা যায়, দুপুরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নির্বাচন অফিসে আসেন সুমি আক্তার (১৭) নামের এক রোহিঙ্গা নারী। এ সময় উপজেলার জুঁইদণ্ডি ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. ইসমাঈল নামের একজনকে নকল পিতা সাজিয়ে আনা হয়। এ সময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে তাদের নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যান নির্বাচন অফিসের দায়িত্বরত কর্মরতরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে থেকে মেয়েটির পিতা মো. তৈয়ব তার স্ত্রীসহ জুঁইদণ্ডি এলাকায় বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে মেয়েটির জন্মের পর তার মা মারা যান। এরপর থেকে মেয়ে এবং তার পিতা জুঁইদণ্ডি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বসবাস শুরু করেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মেয়েটির প্রকৃত নাম সুমি হলেও সুমাইয়া আক্তার মুন্নী নামে তার অন্য একটা জন্মসনদ দিয়েছেন। সেই জন্মসনদে মো. ইসমাঈলকে পিতা এবং ইসমাঈলের স্ত্রী মোহসেনা খাতুনকে মাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। নির্বাচন অফিসে সেই নারীর ভাই হিসেবে ইসমাঈলের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, মো. ইউনুসের এনআইডি দেওয়া হয়। এছাড়া প্রয়োজনীয় সব ধরনের কাগজপত্র প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে সত্যায়িত করেন ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: ইব্রাহিম।
ইসমাঈল বলেন, ‘মেয়েটি কান্নাকাটি করে বলছে তা-ই আমি মানবিক দৃষ্টিতে নকল পিতা সেজে এসেছি।’
জুঁইদণ্ডি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘মেয়েটিকে আমি চিনি না, ইসমাইলের মেয়ে মনে করে ভুলবশত আমি স্বাক্ষর করেছি।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু জাফর সালেহ বলেন, ‘দুপুরে কাগজপত্র নিয়ে তারা আসে। তাদের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় অফিসের স্টাফরা তাদের আমার কাছে নিয়ে আসে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বিষয়টি স্বীকার করেছে। পরবর্তীতে তাদের আনোয়ারা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে ‘ এ বিষয়ে থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান।
ঘটনার বিষয়ে আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তর লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর খাস জমি দখল করে ইটভাটা, বায়ু দূষণ 

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত : মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ধলেশ্বরী নদীর খাসজমি দখল করে চলছে ইটভাটা। এমএইচবি ও এএসএ নামের দুটি ইটভাটা সরকারি খাসজমি দখল করে চালাচ্ছে ইট তৈরির কার্যক্রম। ইটভাটা মালিকরা বলছেন প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই ইটভাটার কার্যক্রম চলছে। এদিকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইটভাটা দুটির বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

জানাগেছে, উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর এলাকায় এমএইচবি ও এএসএ ইটভাটা দুটি দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর খাসজমি দখল করে ইট তৈরি করছে। এমএইচবি ইটভাটার মালিক ঢাকার হাজী মো. হাবিবুর রহমান ও এএসএ ভাটার মালিক তারই শ্বশুর আনোয়ার হোসেন। ইটভাটা দুটির সামনের অংশে ব্যক্তি মালিকানার জমি থাকলেও অধিকাংশ জায়গায়ই সরকারি খাসজমি। অসাধু কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত এ ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইটভাটা দুটি ধলেশ্বরী নদীর প্রায় শতবিঘা সরকারি খাস জমি দখল করে চলছে এমন অবৈধ কর্মযজ্ঞ। ইটভাটা দুটির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ও সচেতন মহল।

স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকারি খাস জমিতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ইটভাটা দুটি। শুনেছি সাধারণ মানুষের লিজ নেয়া জমি তার নামে নিয়ে এভাবেই দখল করে চলছে কাজ। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ভাটা দুটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরী বলে জানান তিনি।

এমএইচবি ইটভাটার মালিক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ট্রেড লাইসেন্সসহ সরকারি অনুমতি নিয়ে ভাটা পরিচালনা করে আসছি। প্রশাসন কেন অনুমতি দেয়। আপনারা কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলুন। প্রশাসন অনুমতি দিলে আপনারা কি করবেন? আপনারা নিউজ করে যা খুশি করেন। প্রশাসন ম্যানেজ করেই ইটভাটার কার্যক্রম চলছে। সাংবাদিকদের বলেন, আপনাদের কোন কিছু থাকলে বলেন। আইছেনই খুচাখুঁচি করতে।

ধল্লা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আবু তাহের বলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ইটভাটা দুটি পরিদর্শন করেছেন। ধলেশ্বরী নদীর খাস জমি দখল করেই ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। স্যার যেকোনো সময় ইটভাটা দুটির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন।

মানিকগঞ্জের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো. ইউসুফ আলী বলেন, পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা পরিবেশের ছাড়পত্র দেই, জমি দখলের বিষয়টি আমরা দেখি না। তবে যেহেতু এখন খাসজমি দখলের বিষয়টি আসছে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহাগ বলেন, নদীর খাস জমি দখল করে ইটভাটা নির্মাণের সুযোগ নেই। বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান বাবু’র মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক বাতিলের দাবি উঠেছে চট্টগ্রামে

এম. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম:  যে ব্যক্তি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন, ওষখাইন গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: আবু তাহের ও নিজ গ্রাম হাইলধরের আপন চাচাতো ভাই স্বাধীনতা সংগ্রামী জাকারিয়া চৌধুরী জকু হত্যার মদদ দিয়েছিলেন, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্বর্ণ কেলেঙ্কারি, চোরাকারবারি, খুন-খারাবিসহ নিকৃষ্টতর অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে, সেই ব্যক্তিকে কীভাবে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ খেতাব স্বাধীনতা পদকে সম্মানিত করা হয় বা এখনো কীভাবে এই খেতাব বহাল থাকে! স্বাধীনতার ৫৩ বছর পূর্ণ হলো। এই শুভক্ষণে চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দাবি! দাবিটি হচ্ছে, যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া কাপুরুষ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক বাতিল, পদক ফেরত নেয়া হোক।

বিগত ২০২২ সালে মাগুরার শ্রীপুরের আমির হামজার স্বাধীনতা পদক বাতিল এবং ২০২০ সালে এস.এম. রইজ উদ্দিনের স্বাধীনতা পদক যেভাবে ১২ মার্চ বাতিল করা হয়েছিল। চট্টগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশ্ন- শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর চেয়েও কি আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু সম্মানিত বা দেশ ও জাতির জন্য অবদান রেখেছেন ? কে এই আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু? কোথায় ছিল তার খুঁটির জোর? তার পদক আজও কেন বহাল আছে; কেন বাতিল করা হচ্ছে না ? কারণ, এই স্বাধীনতা পদক আমাদের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশ এবং জাতির জন্য চরম অবমাননাকর! যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ার অপরাধে ও স্বর্ণ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাবুকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করেছিলেন।

বাবু বহিষ্কার হওয়ায় ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনোয়ারা-পশ্চিম পটিয়া আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে নির্বাচন করেন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর আপন চাচাতো ভাই এম. ইদ্রিস বিকম। ওই নির্বাচনে এম. ইদ্রিস বিকম বিপুল ভোটে জয়ী হন। ১৯৯১ সালে শিল্পপতি হুমায়ুন জহিরকে হত্যার পর বাবু দেশত্যাগ করলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পান এম. ইদ্রিস বিকম। এছাড়াও আখতারুজ্জামান চৌধুরীর পিতা নুরুজ্জামান চৌধুরী ছিলেন আনোয়ারা থানা শান্তি কমিটির সদস্য, তিনি ছিলেন রাজাকারদের আশ্রয়দাতা। ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নুরুজ্জামানের ঘরটি ছিল রাজাকারদের আশ্রয়স্থল। পটিয়া থানা রাজাকার কমান্ডার (আজিমপুর গ্রাম) কুখ্যাত সোহাগ মিয়াকে মুক্তিবাহিনীর সশস্ত্র সদস্যরা যখন গ্রেফতার করার জন্য সমগ্র পটিয়ায় সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছিলেন, তখন রাজাকার সোহাগ মিয়া গ্রেফতার এড়াতে ও প্রাণ রক্ষার্থে পার্শ্ববর্তী থানা আনোয়ারার হাইলধর গ্রামের কুখ্যাত রাজাকার নুরুজ্জামান চৌধুরীর ঘরে আশ্রয় নেয়।

এ সংবাদ পেয়ে যুদ্ধকালীন সময়ে চন্দনাইশের দুই গ্রুপ কমান্ডার হাবিবুর রহমান চৌধুরী ও শাহাজাহান ইসলামাবাদীর নেতৃত্বে সশস্ত্র মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা হাইলধর গ্রামের নুরুজ্জামান চৌধুরীর বাড়িটি ঘিরে ফেলে। নুরুজ্জামানের ঘরে লুকিয়ে থাকা রাজাকার কমান্ডার সোহাগ মিয়াকে মুক্তিবাহিনীরা আটক করে পীরখাইন-বরকল মধ্যবর্তী চানখালী খালপাড়ে গুলি করে খালে ভাসিয়ে দেয়। পরে মুক্তিবাহিনীর দলটি পুনরায় রাজাকারদের আশ্রয়দাতা নুরুজ্জামান চৌধুরীকে হত্যা করার পরিকল্পনা করলে নুরুজ্জামান মুক্তিবাহিনীর কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে কোনোরকম রক্ষা পায়।

তাছাড়া ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকের প্রধান উদ্যোক্তা নোয়াখালীর শিল্পপতি হুমায়ুন জহির হত্যা, ইউসিবি ব্যাংকে সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাতকানিয়ার জাফর আহমেদ চৌধুরীকে হেনস্তা করে ক্যাশের টাকা লুটপাট, নিজ বাড়ির আপন চাচাতো ভাই জকরিয়া চৌধুরীসহ স্বাধীনতাকামী অসংখ্য নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে আখতারুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে যুদ্ধকালীন সময়ে আনোয়ারা থানার মুক্তিবাহিনীর গ্রুপ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শামশুল আলম মাস্টার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়েছে- ঘটনাটি সত্য।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাবু লন্ডন আমেরিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নামে প্রবাসী বাঙালির কাছ থেকে গণহারে চাঁদাবাজি করেছে। পরৈকোড়া ইউনিয়নের বাথুয়া পাড়ার ৭১-এর শহীদ পরিবারের সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা সুরজিত দাশ শুনু বলেন, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ইন্ধনে তার আপন ভগ্নিপতি কুখ্যাত রাজাকার খায়ের আহমদ চৌধুরী ওরফে খরাতি মিয়ার সশস্ত্র রাজাকার বাহিনী পুর্ব আনোয়ারায় ১৭৬ জন স্বাধীনতাকামী বাঙালি ও অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাদের নির্বিচারে হত্যা করেছে।

তিনি আরও বলেন, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক বাতিল করতে হবে। এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব খান রফিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড শাহ আলমসহ আরও কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু যুদ্ধের শুরু থেকে মাত্র কিছুদিন দেশে ছিল। পরে প্রতিকুল পরিস্থিতিতে তিনি যুদ্ধের ময়দান থেকে অন্যত্র পালিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। তার মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক বাতিল এখন সময়ের দাবি। চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধ গবেষকরা বাবুর কুকীর্তি-অপকর্ম লিখতে গিয়ে মৃত্যুর হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন অসংখ্যবার। এমনকি বাবুর স্বাধীনতা পদক পাওয়া নিয়ে বিস্মিত হয়েছেন চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধ চেতনার সকলেই। তখন অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কী এমন কৃতিত্বপূর্ণ অবদান মূল্যায়ন করে তাকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়েছিল? নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রামের কয়েকজন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক বলেন, যারা বাবুকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল তাদের শাস্তি চাই। গবেষকদের বুকে চেপে বসে গলা টিপে ধরতো বাবু। বাবু মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের বলতেন, তিনি (বাবু) যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাননি। বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করতে ভারত, লন্ডন, আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন বাবু।

জাতির কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশ্ন; বিশ্ব নেতাদের সাথে কথা বলতে গেলে কতটুকু শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন? আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ফেল। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, শেখ হাসিনার সরকার এসব কুলাঙ্গারদের পুরস্কৃত করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনাকে চরমভাবে কলঙ্কিত করেছে। চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক নেতা বলেন, ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ১৯৭১-এ যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া কাপুরুষ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর স্বাধীনতা পদক বাতিল ও পদক ফেরত নিয়ে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করবেন। ৭১-এ যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া কাপুরুষ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বিজয়নগরে ত্রিমুখী সংঘ*র্ষে শিশুসহ নি*হত ৩, আ*হত ৬

মোঃ নিশাদুল ইসলাম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ট্রাক, পিকআপ ও হায়েস গাড়ির ত্রিমুখী সংঘর্ষে শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও ৬ যাত্রী।  (১১ডিসেম্বর)  বুধবার ভোর ০৫ঃ৩০ দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজেলার বারঘড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্যটনায় নিহতরা হলেন,হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রামপুর এলাকার মানিক মিয়ার মেয়ে রাইছা (১১ মাস), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার দাতমন্ডল গ্রামের লুতু মিয়ার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা (৭৫) ও একই উপজেলার হরিপুর গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে পাভেল মিয়া (৩০)।
আহত হয়েছেন, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রামপুর গ্রামের হাজী আব্দুল কাদিরের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (৬০), একই গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে আব্দুল হামিদ মাসুদ (৬০), হাজী আব্দুল সোবানের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (৩০), হাজী আব্দুল কাদিরের ছেলে আবু হানিফ (৪০), মানিক মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার (৩৫) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধুন্তী এলাকার মিজান মিয়ার ছেলে তানভীর (১০)।এ ব্যাপারে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ মারগুব তৌহিদ জানান, ভোর ০৫ঃ৩০ মিনিটের দিকে বিজয়নগর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বারঘড়িয়া এলাকায় ড্রামভর্তি একটি ট্রাকের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি হায়েস গাড়ি ও সিলেটগামী একটি পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এ দুর্যটনা ঘটনা এবং ঘটনাস্হলেই দুইজন যাত্রী মারা যায়।পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আহত হওয়া যাত্রী পাভেল মিয়া মারা যান। তিনি বলেন,দুর্যটনায় তিনটি গাড়িই একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বগুড়া সদর–৬ আসনের সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা এস.এম.ফারুক-এর দ্বিতীয় মৃ*তুবার্ষিকী

মাজেদুল ইসলাম সবুজ: আজ বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও বগুড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা এস.এম.ফারুক-এর দ্বিতীয়  মৃতুবার্ষিকী। তিনি ২০২২ সালে ডিসেম্বর মাসের এই দিনে বগুড়া শহরের কামারগাড়ি তার নিজ বাস ভবনে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ইন্তেকাল করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ৭ নং সেক্টরের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ১৯৭২ সালে তার হাত দিয়ে বগুড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠিত হয় এবং তিনি সংসদের প্রথম কমান্ডার ছিলেন। ১৯৭৮ সালে বিএনপি গঠিত হলে এস এম ফারুক বগুড়া জেলা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক হন।১৯৭৯ সালে ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ২৭ বছর বয়সে বৃহত্তর বগুড়া সদর আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন।সেই সময় বগুড়ার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এস এম ফারুকের অনেক অবদান ছিল।
আজ তার মৃতুবাষির্কী উপলক্ষে তার পরিবার থেকে ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে। তার বিদেহী আত্মার  মাগফেরাত কামনায় পবিত্র কোরআনখানি, কবর জিয়ারত ও গরীব দুঃস্থদের মাঝে খাবার এবং শীত বস্ত্র বিতরণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বিজয় দিবসে বিএনপির কনসার্টে বেবী নাজনীন ও এক ঝাঁক তারকা!

বিনোদন : এবারের বিজয় দিবস উপলক্ষে সার্বজনীনভাবে উদযাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। ভিন্নদেশী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে মুক্তি ও নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করাতে ১৬ ডিসেম্বর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠেয় কনসার্টে বাংলাদেশের গান ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। আজ (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানের উদয় টাওয়ারে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী।

কনসার্টে পারফর্ম করবেন জনপ্রিয় সঙ্গীত তারকা বেবী নাজনীন। এছাড়া জেমস, ডিফারেন্ট টার্চ, আর্ক, রাফা, কনকচাঁপা, ইমরান, মনির খান, প্রীতম, কনা, বাউল শিল্পী ও লালন শিল্পীসহ এই প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পীরাও পারফর্ম করবেন বলে তিনি জানান।

১৬ ডিসেম্বর বিকেল তিনটা থেকে শুরু হয়ে কনসার্ট চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। তরুণ প্রজন্মকে এই কনসার্টে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পুলিশের ওপর হামলা; চিন্ময় ৮ অনুসারদের ৫ দিনের রি*মান্ড

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ : সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নিয়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ, ভাংচুর, সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার ৮ আসামি ফের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
আজ মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপ‌লিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতের বিচারক মোঃ আলমগীর এই আদেশ দেন। তাদের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পুলিশ সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে তাদের ৬দিনের রিমান্ডে নিয়ে ছিল পুলিশ।
গত ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবনে চিন্ময় দাসের জামিন নিয়ে পুলিশের সাথে চিন্ময় সমর্থকদের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে চিন্ময় সমর্থকদের হাতে সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে এক আইনজীবীকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত হত্যা মামলাসহ পুলিশের উপর হামালা, ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে ৬টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে ৩টি।
বিষয়‌টি নি‌শ্চিত করে মহানগর পি‌পি ম‌ফিজুল হক ভূইয়া বলেন, ৮ জন আসামির বিরুদ্ধে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

মানিকগঞ্জে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

মো: মহিদ আহমেদ:
মানিকগঞ্জে ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ উপলক্ষে আওয়ামী শাসনামলে গুমের শিকার সকল নাগরিকের তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জে জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল রহমান খান সজীব বক্তব্য রাখেন। এসময় জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মৃদুল কান্তি মন্ডল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জিহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব খান অয়ন, দপ্তর সম্পাদক শোয়েব হোসেন শান, সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর রহমানসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী শাসনামলে শুধু বিরোধী দলের নেতাকর্মীরাই নন, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ কারোরই কোনো নিরাপত্তা ছিল না। এদের অধিকাংশই গুম, গুপ্ত হত্যা এবং বিচার-বহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে গত ১৬ অথবা ১৭ বছরে চরম কর্তৃত্ববাদী দুঃশাসন কায়েম করেছিল। সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করতে হবে নইলে ছাত্র জনতার যে বিপ্লব তা বিফলে যাবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ডিসেম্বর-২৪/মওম

নেত্রকোণার বারহাট্টায় গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি আটক

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোণা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বারহাট্টার নৈহাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজাসহ আইন উদ্দিন (৬২) নামক এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। নেত্রকোণা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ নাজমুল হক জানান, বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের নৈহাটি গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে আইন উদ্দিন দীর্ঘদিন যাবত আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে,  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর ইনচার্জ মোঃ আল আমিনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক টিম গত সোমবার রাতে মাদক কারবারি আইন উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এক কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করে। তিনি আরও জানান, মাদক কারবারি আইন উদ্দিনের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। আটককৃত আইন উদ্দিনের বিরুদ্ধে উপ – পরিদর্শক (এসআই) মোঃ খসরু আল মামুন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বারহাট্টা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করে।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ডিসেম্বর-২৪/মওম

কাশিয়ানীতে উপজেলা ছাত্রদলের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

মোঃ আশরাফুজ্জামান:
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস ২০২৪ইং উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমের নির্দেশে এবং কাশিয়ানী উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে খুনের শিকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সকল নেতাকর্মী এবং আওয়ামী লীগ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্মম হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের শিকার ছাত্রদল এবং বিএনপি নেতাকর্মী নিপীড়ন ও নির্যাতনের ঘটনায় যথাযথ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ আজ দুপুর ১২ টার  সময় কাশিয়ানী এম এ খালেক  কলেজ প্রাঙ্গণ অনুষ্ঠিত হয়। কাশিয়ানী উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম সোহেলের সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন এবং প্রতিবাদ সমাবেশে আর ও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি চয়ন মন্ডল, সহসভাপতি তাইজুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা, সহসাধারণ সম্পাদক রোমান  খন্দকার, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক সাওন ধর্ম বিষায়ক সম্পাদক ,ও সদস্য লিয়ন সহ এম এ খালেক কলেজ ছাত্রদল ও জয়নগর ইয়ার আলী খান ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সকল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।এ সময় কাশিয়ানী উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম সোহেল বলেন, বিগত আওয়ামী আমলে গুম খুনের শিকার ছাত্রদল এবং বিএনপি’র গুম খুনের শিকার নেতাকর্মীর এবং সাধারণ মানুষের গুম  খুনের বিচারের দাবি জানাই এবং কোন খুনের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ডিসেম্বর-২৪/মওম