আজ , ।   
Home Blog Page 630

টাঙ্গাইলে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসকের কম্বল বিতরণ

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ত্রাণ তহবিল থেকে টাঙ্গাইলে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। ২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে শহরের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল প্রাঙ্গনে ৩২০ জনের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মো. আব্দুল্ল্যাহ-আল-মামুন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)নাহিদা আক্তার, জেলা ত্রাণ এবং পুনর্বাসন কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ডেপুটি নেজারত কালেক্টর মো. আল আমিন কবির প্রমুখ।

এ প্রসঙ্গে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান বলেন,প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল হতে ১০ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছিলাম। ইতিমধ্যে ১২ উপজেলায় ৫০০ করে ৬ হাজার বিতরণ করা হয়েছে। বাকি চার হাজার হতে হাসপাতালে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ৩২০টি বিতরণ করা হয়েছে।তিনি আরো বলেন,এছাড়াও শীতবস্ত্র কেনার জন্য সরকারিভাবে ১২ উপজেলায় তিন লাখ টাকা করে মোট ৩৬ লাখ এবং পরবর্তীতে আরো ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া ১১টি পৌরসভার মধ্যে প্রথম শ্রেণির জন্য দুই লাখ করে, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য দেড় লাখ করে ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৩জানুয়ারি-২৫/মওম

ভারতের স্বার্থরক্ষায় কাজ করতো আওয়ামী লীগ সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতিটি কার্যক্রম ভারত সরকারের স্বার্থকে ঘিরে করা হতো। তাদেরকে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে খুব একটা দেখা যায়নি।

৩ জানুয়ারি শুক্রবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২৪ -এর গণঅভ্যুত্থানে রেশ এখনো কাটেনি, এমন অবস্থাতেও দেখতে পাচ্ছি অন্তর্বর্তী সরকার অগোছালোভাবে দেশ পরিচালনার কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে। আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের সহযোগিতা করা এবং পরামর্শ দেওয়া।

রেজাউল করীম বলেন,বারবার এই দেশটাকে বিশ্বের কাছে চোরের দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করা হয়েছে। ফ্যাসিস্টদের এসব কর্মকাণ্ড বাংলার মাটিতে আর মেনে নেওয়া হবে না। সেই লক্ষ্যে বলতে চাই, সবাই একত্রিত হয়ে সুন্দর দেশ গড়ে তুলি, যার ভিত্তি হবে ইসলাম। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পক্ষে একটি অবস্থান তৈরি করার যে ক্ষেত্র হয়েছে, যা আগে কখনো হয় নি। সেদিন এক প্রবাসীর সঙ্গে কথা বলছিলাম তিনি কথায় কথায় বললেন যে বিদেশে এতো সুশৃঙ্খল শাসন ব্যবস্থা এবং নিয়মনীতি থাকলেও বাংলাদেশে কেবলই অরাজকতার রাজত্ব । এর কারণ হিসেবে আমি বলতে চাই, বিগত দিনে যারা দেশ শাসন করেছে, তারা কেউ নিজেদের জনদরদি হিসেবে প্রমাণ করতে পারেনি।

আলোকিত প্রতিদিন/৩জানুয়ারি-২৫/মওম

হাছান মাহমুদের, দুর্নীতি অনুসন্ধানে মাঠে দুদক!

আলোকিত প্রতিবেদক: হাসিনা সরকারের তিনবারের মন্ত্রী ও আলোচিত-সমালোচিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ড. হাছান মাহমুদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বিগত সরকারের মন্ত্রী হাছান মাহমুদের ‘অকল্পনীয় অবৈধ সম্পদ অর্জন’ এর অভিযোগ অনুসন্ধানে ৩১ ডিসেম্বর এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি যাদের বিরুদ্ধে তথ্য চেয়েছে সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে- সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, তার স্ত্রী নুরান ফাতেমা, মেয়ে নাফিসা জুনাইনা মাহমুদ, ভাই এরশাদ মাহমুদ, খালেদ মাহমুদ, মোরশেদ মাহমুদ, রাসেল মাহমুদ, ড. হাছান মাহমুদের তিন ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) এমরুল করিম রাশেদ, মো. কায়সার ও গিয়াস উদ্দিন স্বপন, ড. হাছান মাহমুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ মেরিন সার্ভিস লিমিটেড, একাডেমি অব মেরিন এডুকেশন অ্যান্ড টেকনোলজি লি. বিসমিল্লাহ মেরিন সার্ভিস জে.এ.এস লিমিটেড, মেসার্স বিসমিল্লাহ মেরিন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড হোল্ডিংস, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ সোলার পাওয়ার লিমিটেড ও সুখী বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন।

এর বাইরে ড. হাছান মাহমুদের আত্মীয়স্বজন ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারেও অনুসন্ধানের জন্য তথ্য চাওয়া হয়েছে আজ। দুদক সূত্র জানায়, এসব তথ্য জানার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশের সম্ভাব্য এলাকার সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চেয়ে দুদক থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে অনুসন্ধান দলের নেতা ও দুদকের উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে সংক্ষুব্ধ যে কেউই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন এবং তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন। জানা গেছে, এর মধ্যেই দুদক দলের সদস্যরা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও হাছান মাহমুদের নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান করেছেন তারা।

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারেও খোঁজ নেওয়া হয়েছে। নগরীর দেওয়ান বাজার এলাকায় ১৮ তলা ভবন ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থের সন্ধান পেয়েছেন তারা। তবে দুদক অনুসন্ধান দলের সদস্যদের ধারণা, বেশিরভাগ টাকাই বিদেশে পাচার করা হয়েছিল। ড. হাছান মাহমুদের ছোট ভাই মোরশেদ মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে আছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনিই হাছান মাহমুদের সব সম্পদ দেখভাল করছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশেও নিজ নামে সম্পদ না গড়ে বেশিরভাগই খালেদ মাহমুদ ও এরশাদ মাহমুদের নামে করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প,কেন্দ্রস্থল মিয়ানমারে

আলোকিত প্রতিবেদক:

রাজধানী ঢাকা এবং সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ৩ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টার পর এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার। তিনি জানান, সকাল ১০টা ৩২ মিনিটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫।

‘ঢাকা থেকে ৪৮২ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারের একটি স্থানে এ ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। এর প্রভাবে ঢাকাসহ বেশ কিছু স্থানে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে’- জানান আবহাওয়াবিদ ।

আলোকিত প্রতিদিন/৩জানুয়ারি-২৫/মওম

শামসুদ্দিন জব্বার যুক্তরাষ্ট্রে কেন এত বড় হামলা চালালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সে নতুন বছরের উদযাপনে পিকআপ ট্রাক দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালান শামসুদ্দিন জব্বার। এতে ১৫ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দেশটির সেনাবাহিনীর সাবেক এ সেনা, যিনি আফগানিস্তানেও মোতায়েন ছিলেন, তাকে তার বাল্যবন্ধু ত্রিস পোসন ‘চুপচাপ ও স্মার্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে তিনি কেন দেশটিতে হামলা চালালেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, জব্বার হামলার আগে পাঁচটি ভিডিও ধারণ করেন এবং ফেসবুকে প্রকাশ করেন।  তারমধ্যে একটিতে নিজের বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, তার ইচ্ছা ছিল কোনো একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে পরিবারের সদস্যদের ডেকে তাদের হত্যা করবেন। এছাড়া তার স্বপ্ন ছিল সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসআইএসে যোগ দেওয়া।

কিন্তু তিনি তার পরিকল্পনা পরিবর্তন করেন। কারণ তিনি চাইছিলেন তার এ হামলা যেন ‘বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের’ মধ্যে যুদ্ধ এমন হিসেবে প্রকাশ পায়। এ জন্য নতুন বছরের অনুষ্ঠানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন। জব্বার ভিডিওতে জানান গত গ্রীষ্মের আগে তিনি আইএসআইএসে যোগ দেন।

ভয়াবহ হামলার পর পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে জব্বার নিহত হন। তিনি হামলায় যে ট্রাক ব্যবহার করেন, সেটিতে আইএসের একটি পতাকা পাওয়া গেছে। শামসুদ্দিন জব্বারের ভাই আব্দুর জব্বার এবং বাবা রহিম জব্বার জানিয়েছেন, তিনি টেক্সাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। এরপর ২০০৭ সালে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। সৈন্য হিসেবে ২০২০ সাল পর্যন্ত কাজ করেন। আব্দুর জব্বার বলেছেন, শামসুদ্দিন ছিল খুবই ঠান্ডা মেজাজের মানুষ, সহজে রাগত না। তার মতো মানুষ যে এমন কিছু করতে পারে এটি আমাদের বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। তাছাড়া আইএসআইএসে যোগ দেওয়ার কোনো লক্ষণ তার মধ্যে তিনি কখনো দেখেননি।

সূত্র: সিএনএন

আলোকিত প্রতিদিন/৩জানুয়ারি-২৫/মওম

মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের পাথরের আঘাতে প্রাণ গেল মায়ের

মো. আলী রহমান: কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে মাসনিক ভারসাম্যহীন ছেলে হেলাল মিয়ার (২৫) পাথরের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন মা নূরজাহান বেগম (৬৫)। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় উপজেলার বাঙালপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নূরজাহান বেগম উপজেলার বাঙালপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হাজী আরাস্তুল মিয়ার স্ত্রী ও মাসনিক ভারসাম্যহীন হেলাল মিয়া, নূরজাহান বেগম ও হাজী আরাস্তুল মিয়া দম্পতির ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সাল থেকে হেলাল মিয়া মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে চুপচাপ নিরিবিলি সময় কাটাতো। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় হঠাৎ ক্ষেপে গিয়ে তিনি তার মাকে তাড়া করে পাথর দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মা প্রাণ হারান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন এ প্রতিনিধিকে জানান, হেলাল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ!

আলোকিত প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সস্ত্রীক দেখা করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনে তিনি সাক্ষাৎ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার বাসভবনে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সস্ত্রীক দেখা করেছেন ওয়াকার-উজ-জামান। সেখানে সেনা প্রধান ৪০ মিনিট তারা অবস্থান করেন। এ সময় সেনাপ্রধান বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন সে দোয়া করেন তিনি।

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, আর্থ্রাইটিস, কিডনি, ডায়াবেটিস, চোখের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছেন। অনেক আগেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি লন্ডন যাচ্ছেন। কাতার এয়ারওয়েজের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে লন্ডন নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুদকের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যান বিএনপি চেয়ারপারসন। পরে ২০২০ সালের মার্চে তৎকালীন আওয়ামী সরকার নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে বেগম জিয়াকে সাময়িক মুক্তি দেয়। প্রতি ছয় মাস পরপর তার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। চলতি বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন (৬ আগস্ট) বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির আদেশ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বাগেরহাট কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ৬৪ ভারতীয় জেলে

মাহমুদ কাজী : বাগেরহাট জেলা কারাগার থেকে ৬৪ জন ভারতীয় জেলে মুক্তি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে তাদের ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় কারাগার কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি উপস্থিতিত ছিলেন। পরে কোস্টগার্ডের সদস্যরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভারতীয় জেলেদের মোংলায় নিয়ে যায়।

বাগেরহাট জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে মাছ আহরণের অপরাধে গত বছরের ১৮ অক্টোবর ৪৮ জন এবং ২২ নভেম্বর ১৬ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী। আটকদের বিরুদ্ধে ১৮৯৩ সালের সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ আইনের ২২ ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক আদালতে প্রেরণ করে মোংলা থানা। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের বাগেরহাট জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কামরুল আজাদ তাদেরকে মুক্তির আদেশ দেন।

বাগেরহাট জেলা কারাগারের সুপার শংকর কুমার মজুমদার বলেন, আদালতের জামিন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে ভারতীয় ৬৪ জন বন্দিকে সকলের উপস্থিতিতে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্টগার্ড মোংলা জোনের এক কর্মকর্তা জানান, কারা কর্তৃপক্ষ ভারতীয় জেলেদের আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। পরবর্তী নির্দেশনা পেলে তাদেরকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

অবৈ*ধ সমিল উচ্ছেদ, ২০০ ঘনফুট কাঠ জ*ব্দ 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন ঈদগাঁও মৌজাস্থ ফকিরাবাজার এবং বাঁশ কাটা  নামক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে স্থাপিত১টি টি সমিল উচ্ছেদ এবং আরেকটি সমিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
৩১ ডিসেম্বর ( মঙ্গলবার) বিকেল ৩ টার দিকে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঈদগাঁও বিমল চাকমার  নেতৃত্বে ফুলছড়ি রেঞ্জ ও সঙ্গীয় স্টাফদের সহযোগিতায় ঈদগাঁও বাজারাস্থ বাঁশ কাটা  এবং ফকিরাবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে  ১টি অবৈধ সমিল উচ্ছেদ  এবং আরেকটি সমিলকে জরিমানা করা হয়। এসময় ২০০ ঘনফুট গোলকাঠ, ১ টি মেশিন এবং যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয় ও  ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: মমিনুর রহমান বলেন,  নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে সমিল উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধভাবে মজুদ করা ২০০ ঘনফুট কাঠ জব্দের পাশাপাশি মেশিন ও যন্ত্রাংশ ভোমরিয়াঘোনা বিট অফিস হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে।জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

লামার সরই ইউপি চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা (বান্দরবান) পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলা সরই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ ইদ্রিস কোম্পানি’কে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় উনিয়নের ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ২রা জানুয়ারি সকাল ১১ টায় সরই ইউনিয়নের কেয়াজুপাড়া গোলচত্বরে অনুষ্ঠিত দুর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে সর্বস্তরের জনসাধারণ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের দোসর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইদ্রিস কোম্পানি এমন কোন অপরাধ নেই যা সে করেনি।
এতো অনিয়ম ও দূর্নীতি করে কিভাবে বহাল তবিয়ে আছে তা আমাদের বোধগম্য নয় অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে, সাধারণ জনসাধারণের পক্ষে মানববন্ধন কালে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন মোহাম্মদ নুরুল আলম, মোহাম্মদ রহিম, নাসির উদ্দিন, আলী হোসাইন, সেলিম, করিম, নুরুল আফসার, আউয়াল, আশাবুর রহমান, সহ উপস্থিত অনেকে। আন্দোলনকারীরা আরো বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে পাশ্ববর্তী লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের দিয়ে হাসনাভিটা, কেয়াজুপাড়া, জোড়মনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বেশকিছু কেন্দ্র দখল করে একচেটিয়া ভোট নেন।
ইদ্রিস কোম্পানি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অবৈধ উপায়ে সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ভোট ডাকাতির একাধিক প্রমাণ থাকলেও বিগত সরকার বা প্রশাসন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেন। নির্বাচিত হয়ে সরই ইউনিয়নে তার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী’কে সকল নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে কোনঠাসা করে রাখেন। আন্দোলনকারীরা বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও লামা উপজেলা প্রশাসন সহ বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইদ্রিস কোম্পানিকে অপসারণের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করে সরই  ইউনিয়নকে আওয়ামী স্বৈরাচার মুক্ত করবেন বলে মন্তব্য করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি