আজ , ।   
Home Blog Page 624

শিবালয়ে নলকূপের পানিতে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে মালপত্র লুটে নেয়ার সময় আটক ১

আঞ্চলিক প্রতিনিধি (মানিকগঞ্জ) শিবালয় উপজেলার কয়েড়া গ্রামে অভিনব কায়দায় মালপত্র লুটে নেয়া চক্রের এক সদস্য জনতার হাতে আটক। ঘটনাস্থল থেকে জনতা চোরকে আটক করে পুলিশে দেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) আটক চোর মতিউর রহমান (২৭)কে পুলিশ কোর্টে চালান দিয়েছে। মতিউর দৌলতপুর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে আক্কাস উদ্দিনের ছেলে। সে ঢাকা সাভার ব্যাংক কলোনি এলাকায় বাসা ভাড়া থাকে।

জানা গেছে, অত্র উপজেলার উলাইল ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামের মোঃ আলমগীর হোসেনের বাড়ির নলকূপের পানিতে মঙ্গলবার বিকেলে কে বা কারা চেতনানাশক ঔষুধ দিয়ে রাখে। আলমগীর খাবার খাওয়ার পর বাড়ির পাশে জমিতে কাজের সময় চোখে ঘুম-ঘুম ভাব আসে। বিষয়টি তার সন্দেহ হলে পরিবারকে জানালে তাকে দ্রুত টক জাতীয় খাবার খাওয়ায়। ঘটনাটি প্রতিবেশীদেরকে জানালে তারা রাতের বেলায় সজাগ থাকার সিদ্ধান্ত নেন। বুধবার রাত আনুমানিক ১টায় তার ঘরের কেচি গেটের তালা ভেঙ্গে চোর ঘরে প্রবেশ করে। আলমারিতে রাখা নগদ টাকা চুরি করার এক পর্যায়ে আলমগীর চোর-চোর বলে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে মতিউরকে আটক করলে চোর চক্রের বাকি দুই জন পালিয়ে যায়।

এসময় বাড়ির পাশের ফেলা রাখা ব্যাগে চুরির কাজে ব্যবহৃত স্ক্রু-ড্রাইভার, টিন কাটার, লোহা তোলার জামটিয়া, শেলাইরেঞ্জ ও তিন জোড়া জুতা পাওয়া যায়। শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এআরএম আল-মামুন জানান, কয়েরা গ্রামের আলমগীরের বাড়ির নলকূপের পানিতে চেতনানাশক ঔষধ সেবন করিয়ে তার ঘরে ঢুকে মুল্যবান জিনিসপত্র লুটে নেয়ার সময় চোর চক্রের এক সদস্যকে জনতা আটক করে পুলিশে খবর দেয়। বিভিন্ন এলাকায় নলকুপের পানিতে বা খাদ্যের সাথে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে মালপত্র লুটে নেয়ার সাথে জড়িত মতিউরকে জনতা আটক করে। তার দেয়া তথ্য মতে আরও দুজনের জড়িত থাকার কথা জানা গেছে। এদের আটকের চেষ্টা চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ সভাপতি, ডা. অপূর্ব ধর সাধারণ সম্পাদক

বিজয়’৭১ এর ২০২৫—২০২৬ কমিটি গঠিত
মুহাম্মদ জুবাইর, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানের প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন বিজয়’৭১। গতকাল সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদকে সভাপতি ও ডা. অপূর্ব ধরকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়।
উক্ত কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক লায়ন ডা. আর কে রুবেল ও স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সজল কান্তি চৌধুরী। উক্ত কমিটিতে সিনিয়র সহ—সভাপতি মনোনীত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে নীলরতন দাশগুপ্ত, মাদল চন্দ্র বড়–য়া, রাখাল চন্দ্র ঘোষ, প্রকৌ. মুজিবুর রহমান, এস এম লিয়াকত হোসেন, ডা. মুজিবুল হক চৌধুরী। মোঃ আব্দুল নুর, শিক্ষিকা নীলা বোস, পরিমল দত্ত, মমতাজ উদ্দীন, লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য বলাই, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন উদয়ন, ডা. এস কে পাল সুজন, লায়ন সন্তোষ কুমার নন্দী, ডা. মনির আজাদ, ডা. এস এম কামরুজ্জামান, সহ—সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম, রোপি দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হোসেন, শ্যামল বৈদ্য, ইন্দ্রজিৎ হিরো, রোজী চৌধুরী, মোঃ হাসান সাজ্জিদ, মোঃ ইব্রাহিম মিন্টু, প্রচার সম্পাদক মোঃ জুবায়ের, অর্থ সম্পাদক লায়ন পূরবী বড়–য়া, দপ্তর সম্পাদক উত্তম দে, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক মৌসুমী চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খালেদা আক্তার চৌধুরী, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক চম্পা চৌধুরী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. শান্তা দাশ, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. শ্যামল সেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সমীরন পাল, সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক দিলীপ সেনগুপ্ত, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল মিত্র, সহ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বাদশা মিয়া, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক কেশব অগ্নি, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শিক্ষিকা রিংকু ভট্টাচার্য্য, সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জনি পাল, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক লিপি তালুকদার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রমজান মালাকার, যুব বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত রহমান কচি, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. অজয় বোস, পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক অনন্ত শর্মা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এম. সোলাইমান কাসেমী, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেলী বড়–য়া, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ডা. প্রণব দাশ, গণ সংযোগ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তিতাস, নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ভানুরঞ্জন চক্রবত্তীর্, দেবুপ্রসাদ দাশ, আক্তার হোসেন, ডা. কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

লংগদু জামায়াতের বার্ষিক পরিকল্পনা ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

তাজ মাহমুদ, লংগদু (রাঙ্গামাটি) রাঙ্গামাটির লংগদুতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে উপজেলা শুরা-কর্ম পরিষদ সদস্য ও ইউনিয়ন দায়িত্বশীলদের নিয়ে বার্ষিক পরিকল্পনা ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৯ জানুয়ারী, ২০২৫ ইং বৃহস্পতিবার বেলা ৩ঃ০০ টায় উপজেলার স্থানীয় এক মিলনায়তনে এ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।
লংগদু উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোঃ নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ নুরুল করিমের সঞ্চালনায়  উক্ত ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙ্গামটি জেলা আমীর অধ্যাপক মোঃ আব্দুল আলীম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা এএলএম সিরাজুল ইসলাম, জেলা শুরা সদস্য খ ম মতিউর রহমান, এসিঃ সেক্রেটারি তাজ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জব্বার, শ্রমিক কল্যান বিভাগের উপজেলা সভাপতি মোঃ মঞ্জুরুল হক, বায়তুলমাল সম্পাদক ওছমান গনিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল আলীম বলেন, সঠিক পরিকল্পনাই কাজের অর্ধেক। একটি ভালো ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা সংগঠনকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যায়। সেবার মাধ্যমে জনগণের কাছে ইসলামের সুমহান আদর্শের দাওয়াত পৌছে দিতে হবে। পরিকল্পনা অনুসারে কাজ করে আগামী দিনে ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্খার কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীলদের তৃণমুল পর্যায়ে নিবিড় তত্বাবধান ও পরিচর্যার মাধ্যমে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা আমীর মাওলানা নাছির উদ্দীন বলেন, আমরা নিজেদের সকল মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে লংগদু উপজেলার প্রত্যকটি পরিবারে ইসলামের সুমহান আদর্শ, ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিতে একযোগে কাজ করবো। ইনশাআল্লাহ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মির্জাপুরে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হলো ছাড়পত্রবিহীন ৭টি ইটভাটা

মো: সাইদুর রহমান, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ছাড়পত্র বিহীন অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
৯ জানুয়ারি, রোজ বৃহস্পতিবার, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ সকাল আটটা হতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন, টাঙ্গাইল এর যৌথ উদ্যোগে পরিবেশ অধিদপ্তর, সদর দপ্তরের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন, বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রকিবুল ইসলাম, মির্জাপুর উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার জনাব মাসুদুর রহমান এর নেতৃত্বে মির্জাপুর উপজেলায় পরিবেশগত ছাড়পত্র বিহীন ০৭টি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
পরিচালনাকালে ভাটার চিমনী ভেঙে দেওয়া হয় এবং ভাটার কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন অত্র কার্যালয়ের উপপরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক, সহকারী পরিচালক জনাব সজিব কুমার ঘোষ, পরিদর্শক জনাব বিপ্লব কুমার সূত্রধর ও পরিদর্শক জনাব মোঃ মোতালেব হোসেন। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব ১৪, আনসার বাহিনী ও গ্রাম পুলিশ এর টিম উপস্থিত থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
ভেঙে ফেলা ইটভাটা গুলো হল:
মেসার্স হক ব্রিকস, বহুরিয়া, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল। নিউ সরকার ব্রিকস, বহুরিয়া, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
মেসার্স বাটা ব্রিকস বহুরিয়া, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
মেসার্স নিউ রমিজ ব্রিকস এন্ড কোং, বহুরিয়া, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
মেসার্স সনি ব্রিকস, মীর দেওহাটা, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
মেসার্স বি এন্ড বি ব্রিকস, বাইমাইল, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
মেসার্স রান ব্রিকস, মীর দেওহাটা, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, থানায় সাধারণ ডায়েরি 

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবু ও সাংবাদিক একেএম ফারুক হোসেনকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে একটি ভিডিও পোস্ট করার অভিযোগে থানায় জিডি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার  (৯ জানুয়ারি) দুপুরে  সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবু বাদী হয়ে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানায় এই জিডি করেন।সাধারণ ডায়েরি নম্বর ৬০৫।
 সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবু নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের একজন সদস্য, তিনি দ্য ডেইলি পোস্ট পত্রিকায় নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এবং সাংবাদিক এ কে এম ফারুক হোসেন তিনিও নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের একজন সদস্য ও দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকায় নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় Bakhtiar Shikdar নামে একটি ফেক আইডি থেকে এই ভিডিয়ো পোস্ট করা হলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক বখতিয়ার শিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম( ফেসবুক) ব্যবহার করি না। আমার নাম ও ছবি দিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ফেক আইডি খুলে আমার এবং আমার সহকর্মীদের নামে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। এই ভুয়া আইডির বিরুদ্ধে আমি গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে থানায় একটি জিডি করেছি।
ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেক আইডির মিথ্যা অপপ্রচারে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। এই ফেক আইডি থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্ট করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার সম্মানহানি করার জন্য এই আইডি থেকে আমার ছবি দিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। যার কোন ভিত্তি নেই। আমি দীর্ঘদিন থেকে পরিচ্ছন্নভাবে পেশাদারিত্বের সাথে সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করে যাচ্ছি। তাই আমি এমন মানহানিকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আপত্তিকর মন্তব্য করে, ভুল ব্যাখ্যায় আমার ছবি সম্বলিত ভিডিয়ো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এখানে আসল বিষয় হচ্ছে গত কিছুদিন আগে আমার আপন বড় ভাইয়ের বাসায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়। তারপর আমরা চোরকে সনাক্ত করতে সমর্থ হই। পরবর্তীতে চোরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তারা চোরাইকৃত স্বর্ণ কোন দোকানে বিক্রি করেছে সেটা জানতে চাইলে তারা জানায় বিশ্বনাথের ‘শিল্পী স্বর্ণ শিল্পালয়’ নামে একটি স্বর্ণের দোকানে তারা স্বর্ণ বিক্রি করেছে। চোরের দেওয়া তথ্য মতে চোরকে নিয়ে আমি সেই দোকানে যাই। এ সময় আমাদের সাথে আরো ৭ থেকে ৮ জন সাংবাদিক সহকর্মী এসে হাজির হয়। পরবর্তীতে চোরের সম্মুখে সেই স্বর্ণের দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে দোকানদার স্বর্ণ কিনেছেন বলে স্বীকার করেন। এবং স্বর্ণ কিনে তিনি তা বিক্রিও করে ফেলেন বলে জানান। তার জবানবন্দীর পুরো ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। দোকানদার অন্যায় ভাবে স্বর্ণ ক্রয় করার কারণে সে দোষী সাব্যস্ত হওয়াতে তার পার্শ্ববর্তী পরিচিত কিছু সাঙ্গপাঙ্গ দোকানদারকে বাঁচাতে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। এ সময় তাদের সাথে আমাদের বাক-বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা আমার দু’একজন সহকর্মীর সাথে দুর্ব্যবহার করে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। যে কারণে আমার সহকর্মীরা পুলিশে খবর দিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে থানায় অভিযোগ দিলে সেই স্বর্ণ দোকানদারসহ যারা দুর্ব্যবহার করেছে তারা সকলে থানায় গিয়ে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চায় এবং মুচলেখা দিয়ে ক্রয়কৃত স্বর্ণ ফেরত দেয় এবং বিষয়টি নিষ্পত্তি করে। যার পূর্ণ বিবরণ আমার অভিযোগে আমি লিখেছি।
এ বিষয়ে সাংবাদিক একেএম ফারুক হোসেন জানান, আমরা আমাদের সহকর্মীর ভাইয়ের চুরি হওয়া স্বর্ণের বিষয়ে আপোষ নিষ্পত্তির জন্য সেখানে যাই। স্বর্ণ দোকানদারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমরা বিষয়টি নিষ্পত্তির পর্যায়ে চলে আসলে একদল অসাধু চক্র আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। যে কারণে আমরা থানায় অভিযোগ দিলে পরবর্তীতে তারা থানায় মুচলেখা দিয়ে আমাদের কাছে ক্ষমা চায় এবং চোরাইকৃত স্বর্ণ ফেরত দেয়। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের ভিডিও ধারণ করে তা ভুল ব্যাখ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একটি পরাজিত শক্তির দোসরেরা আমাদের সম্মানহানি করার চেষ্টায় লিপ্ত। উক্ত কাণ্ডে জড়িত কুশীলবদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করছি।সম্প্রতি এই প্রতিবেদক পরাজিত শক্তির দোসরদের নিয়ে একাধিক রিপোর্ট দৈনিক আলোকিত প্রতিদিনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্হা গ্রহন করে।এর ফলে সংক্ষুব্ধ ব্যাক্তির সাথে মিডিয়া পাড়ার কিছু দুষ্কৃতকারী এক হয়ে হাতে হাত মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চরিত্র হননের পথ বেছে নেয়।
অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি(ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) কামরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নেত্রকোনায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক অবহিত করণ কর্মশালা 

শহীদুল ইসলাম রুবেল,  নেত্রকোনায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক অবহিত করণ কর্মশালা ও জব ফেয়ারের মাধ্যমে কর্মী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নেত্রকোনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এই অবহিত করণ কর্মশালার আয়োজন করে।
নেত্রকোনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে বোয়েসেলের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছাঃ নাজমুন নাহার এর সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বোয়েসেল এর (প্রশাসন,মানব সম্পদ ও অর্থ) মহাব্যবস্থাপক নূর আহমেদ।কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ লেহাজ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুনমুন লিজা, গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক হাসান আল মামুন ও জর্ডান সিডনি কোম্পানি প্রতিনিধি আফরোজা খাতুন প্রমূখ। কর্মশালায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস বলেন, জনসংখ্যা কোন দেশের বুঝা নয়, তাদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনসম্পদে পরিনত করতে পারলে তারা দেশের সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখতে পারেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঢাকার ধামরাইয়ে পাঁচ অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

জাহিদ হাসানঃ ক্রাইম রিপোর্টার, পরিবেশে অধিদফতরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় একটি ভাটার চিমনি ধ্বংস ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ঢাকা জেলা পরিবেশ অধিদফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেসা আক্তার।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এই অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানে মদীনা ব্রিকসকে ৫ লাখ, সাজেদা ব্রিকসকে ৫ লাখ, নুর ব্রিকসকে ৬ লাখ, রাহাত ব্রিকসকে ২লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স মাস্টার ব্রিকসকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় নুর ব্রিকসের চিমনি ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেসা আক্তার জানান, ধামরাই উপজেলার ৫টি অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশের এবং জেলা প্রশাসনের ছাড়পত্র না থাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ জরিমানাসহ ভাটার যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোছা জেসমিন আক্তার,পরিদর্শক নয়ন কুমার রায়, এসএম মনজুর উল আলমসহ র‍‍্যাব,পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মা-ছেলের আলিঙ্গন, দেখে যা বললেন মিজানুর রহমান আজহারী!

আলোকিত প্রতিবেদক: দীর্ঘ সাত বছর পর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কাছে পেয়েছেন ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বুধবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে মাকে পেয়ে আলিঙ্গন করেন তিনি তার মাকে।

মা-ছেলের এই আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই দৃশ্য দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী।

আজ ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আজহারী লেখেন, ‘পৃথিবীর প্রতিটি মজলুম মায়ের বুক আল্লাহ তাআলা এভাবেই শীতল করে দিক। হৃদয় প্রশান্তকারী এক আবেগঘন দৃশ্য।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কালো রঙের একটি গাড়ি চালাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার পাশের সিটে বসা ডা. জোবাইদা রহমান। আর পেছনের সিটে খালেদা জিয়া। বিমানবন্দর থেকে হাসপাতালে যাওয়ার সময় সড়কজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এর আগে বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে গ্রহণ করেন তার ছেলে তারেক রহমান। দীর্ঘ সাত বছর পর মাকে পেয়ে জড়িয়ে ধরেন ছেলে। এরপর খালেদা জিয়াকে জড়িয়ে ধরেন পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান। এ সময় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়।

যুক্তরাজ্যে পৌঁছার পর সরাসরি খালেদা জিয়াকে লন্ডন ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে কিছু দিন চিকিৎসার পর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় হসপিটালে তার চিকিৎসা নেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে চোখ ও পায়ের ফলোআপ চিকিৎসার জন্য ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই লন্ডনে যান বেগম খালেদা জিয়া। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শ্যামনগর কৈখালীতে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ

এস কে সিরাজ: সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে বিএনপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি নেতা গাজী শাহ আলমের নির্দেশনায় বুধবার
(৮ জানুয়ারি) দুপুরে যাদা বাজার এলাকায় এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে প্রচারের লক্ষ্যে কৈখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লিফলেট বিতরণের সময় কৈখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আজাদ খোকন বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সকলকে এই কর্মসূচি সফল করতে এগিয়ে আসতে হবে।
স্থানীয় জনগণ কর্মসূচিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করে এবং বিএনপির ঘোষিত দফাগুলো সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করে।
উল্লেখ্য, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দুর্নীতি প্রতিরোধ, এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর জোর দেয়। অনুষ্ঠানের শেষে নেতৃবৃন্দ সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নবীনগরে ইউটিউব দেখে কুল চাষে স্বাবলম্বী আব্দুর রাহিম, বছরে আয় হয় ১০ লাখ টাকা 

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
স্বাদ ও পুষ্টিতে মৌসুমি ফল বরই একটি উৎকৃষ্ট মানের ফল,মানব দেহের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন খনিজ দ্রব্য ও ভিটামিনের উৎস হচ্ছে কুল। কুল শুধু ফল হিসেবেই নয় এ থেকে আচার, চাটনি তৈরি করা হয়। সফল কুল চাষিদের মধ্যে একজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নারুই (ব্রাহ্মণহাতা) গ্রামের যুবক আব্দুর রাহিম । বেকারত্ব থেকে মুক্তি পেতে কৃষি ক্ষেত্রে কিছু করা যায় কিনা ভাবতে থাকেন তিনি। ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে নেমে পড়েন কৃষি কাজে। নিজেদের পর্যাপ্ত জমি না থাকায় পাশের গ্রামের নাটঘর ইউনিয়নের নাটঘর সড়কপাড়া পূর্ব পাশে পাঁচবিঘা জমি ইজারা নিয়ে ২০২১ সালের শুরুতে ইন্ডিয়া থেকে সংগ্রহ করেন ৪ প্রজাতির কুল গাছ। সেই গাছ গুলোতে দুলছে থোকায় থোকায় কুল। আকার ও স্বাদে ভালো হওয়ায় বাজারে চাহিদাও তার বেশ। প্রথম বছর ৩২০ টাকা কেজি করে বাজারে বিক্রি শুরু করেন তিনি। এখন খুচরা বিক্রি  করছেন ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। বছরে অন্তত ১০ টন কুল উৎপাদন হয় তার বাগানে, সেই হিসেবে বছরে তিনি আয় করছেন প্রায় ১০ লাখ টাকা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৫০ শতক জায়গায় গড়ে তোলা কুল বাগান পুরোটা নেট দিয়ে ঘেরা। ভেতরে প্রবেশ করে গাছে ঝুলতে দেখা যায় সবুজ-হলুদ ও লালচে বলসুন্দরী কুল। বিক্রির জন্য আব্দুর রহিম সহ কয়েকজন গাছ থেকে বরই তুলে ব্যাগে বা ঝুড়িতে রাখছেন। সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে গাছে ফুল আসে। আর তা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে পাকতে শুরু করে। আকারে বড় ও স্বাদে সুমিষ্ট হওয়ায় বাগানেই বিক্রি হয়ে যায় সব বরই। আব্দুর  রাহিম বলেন, ২০২১ সালে ইউটিউব দেখে কুল চাষে আগ্রহী হই আমি।  নিজেদের জমি না থাকায় নাটঘর গ্রামে ৫ বিঘা জমি প্রতি বছর ১৫ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে কুল চাষ শুরু করি। কুল চাষে প্রথম বছর খরচ হয়েছে বেশি, তারপরও আলহামদুলিল্লাহ লাভ হয়েছে৷ এখন আর বেশি খরচ হয়না, ৪ বছর পূর্বে যে গাছ লাগানো হয়েছে সেই গাছ গুলো থেকে প্রতি বছর ই কুল আসে। বর্তমানে আমার বাগানে ৪ ধরনের কুল রয়েছে—আপেল কুল, কাশ্মীরি কুল, বনসুন্দরী কুল ও বাউকুল । ফলন দেখে আমি খুব খুশি। প্রত্যেক দিন পাইকারি ব্যবসায়ীরা বাগান থেকেই কুল কিনে নিয়ে যান ৮০ টাকা ধরে। আর খুচরা বিক্রি করছি ১২০ টাকা ধরে। এ বছর সিজনের শুরুতেই আমি প্রায় ৫০ হাজার টাকার কুল বিক্রি করেছি। আব্দুর  রাহিম আরও বলেন, প্রথমে ৩ বিঘা জমিতে কুলবাগান শুরু করলেও এ বছর তিনি আরও সাড়ে ২ বিঘা জায়গায় বাগান সম্প্রসারণ করেছেন। এ বাগানে আগামী বছর থেকে তিনি কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকার কুল বিক্রির আশা করছেন, আব্দুর রাহিম তার বাগানে ৪ জন শ্রমিক নিয়ে পরিচর্যাসহ কূল চাষ করেন।  এলাকায় আব্দুর রাহিম নিজে বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ শুরু করার পর তার সাফল্য দেখে কয়েকজনকে কুল চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।কুল চাষি আব্দুর রাহিমের দাবি এখন পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোন আর্থিক সহযোগিতা সে পায়নি৷ উপজেলা কৃষি অফিসে ও ইউনিয়ন কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেও কোন সহযোগিতা মেলেনি। উপজেলা কৃষি অফিসারদের সহযোগিতা পেলে কুল চাষে তিনি আরও এগিয়ে যেতেন বলে জানান। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, নাটঘরের বাগান সম্পর্কে সাংবাদিকদের মাধ্যমে অবগত হয়েছি। আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার ফাস্ট প্রায়োরিটি হচ্ছে সকল কৃষককে পরামর্শ দেওয়া। আর উপযোগী সহযোগিতা হলো প্রকল্প ভিত্তিক, প্রকল্প যদি আর্থীক জোগান থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই পৌছে দিব। যেহেতু আমাদের পূর্বে প্রকল্প ছিলনা, এখন প্রকল্প আছে, তাহলে আমরা তাকে আন্তপরিচর্যার আওতায় আনার সুযোগ আছে এবং আমার সংশ্লিষ্ট যে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আছে তাকে আমি অবগত করে দিব সে যেন অবশ্যই কৃষকের যে চাহিদা সেই চাহিদা মত তাকে পরামর্শ প্রদান করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/৮ জানুয়ারি-২৫/মওম