আজ , ।   
Home Blog Page 615

পুনাকের উদ্যোগে বাগেরহাটে দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন

মাহমুদ কাজী: বাগেরহাট সদরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)। শনিবার (১৮ জানুয়ারী) সকালে পুনাকের আয়োজনে সদর উপজেলার ফতেপুর শিমুলতলা জামিয়া মাদানিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরন করা হয়। মানবতা বোধ, জাগ্রত হোক, বিবেকের তাড়নায় এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে পুনাক দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম  করে আসছে । ব্যতিক্রম হয়নি এবারো। পুনাকের আয়োজন ছিল একই কিন্তু বদলেছে গ্রাহক। অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার তৌহিদুল আরিফ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পুনাক এর সভানেত্রী মিসেস শোভা আরিফ, প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক তরফদার রবিউল ইসলাম, মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ জবেদ আলীসহ পুনাকের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার তৌহিদুল আরিফ বলেন, পুনাক সারা বছর বিভিন্ন সময়ে গরীব, অসহায় ও দুঃস্থ মানুষকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। এবারই প্রথম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পুনাকের  সহায়তা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পরে প্রধান অতিথি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, দুঃস্থ ও  শীতার্থদের হাতে শীতবস্ত্র ও কম্বল তুলে দেন। অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক  কম্বল প্রদান করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গাজীপুরে কভার্ড-ভ্যান চাপায় সাংবাদিকসহ দুইজন নিহ*ত

কামাল হোসেন : গাজীপুরে কভার্ডভ্যান চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী সাংবাদিকসহ দুইজন নিহত হয়েছে।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার সময় সদর উপজেলার হোতাপাড়া এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমান ঘাঁটি ইউটার্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মিনহাজুল কবির মাসুদ (৪০) জেলার শ্রীপুর উপজেলার বাউনি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে, সে দৈনিক একুশের বাণী পত্রিকায় শ্রীপুর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিল। অপর জন সম্রাট (৩৫), তার বাড়িও শ্রীপুরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বিকেলে ঢাকার দিকে থেকে একটি কভার্ড ভ্যান উল্টো পথে হোতাপাড়ার দিকে আসছিল। কভার্ডভ্যানটি বিমান ঘাঁটির সামনে ইউটার্ন নেয়ার সময় মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষ হলে মোটরসাইকেলে থাকা চালক ও আরোহী মহাসড়কে পরে যায়। এসময় কভার্ডভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুইজনই ঘটনাস্থলে মারা যান।
সালনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছালেহ্ আহমেদ বলেন, রোববার বিকেলে হোতপাড়ায় বিমান ঘাঁটির সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ইউটার্ন এলাকায় কভার্ড চাপায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী দুইজন নিহত হয়েছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। কভার্ড ভ্যানসহ চালককে আটক করা হয়েছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চৌমুহনীতে পাওনা টাকার দ্বন্ধে কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

এ কে এম ফারুক হোসেন:
নোয়াখালীর চৌমুহনীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় সৃষ্ট বিরোধে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক হত্যাকান্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি। নিহত মো.আব্দুর রহমান হৃদয় (২৪) চৌমুহনী পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপুর এলাকার সওদাগর বাড়ির মো.সেলিমের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফার্নিচার মিস্ত্রি ছিলেন।
১৮ জানুয়ারি শনিবার রাত ১২টার উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী পৌর ভূমি অফিসের সামনে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের ছোট ভাই মো.রিফাত বলেন, আমার বড় ভাই হৃদয়ের বন্ধু আশিকের থেকে কিছু দিন আগে ৫হাজার টাকা হাওলাত নেয় চৌমুহনী পৌরসভার গোলাবাড়ি এলাকার মুরি বাড়ির শাহ আলমের ছেলে বাবু (৩৫)। এরপর টাকা ফেরত চাইলে বাবু তালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে বিষয়টি আশিক বাবুর বড় ভাই রনিকে জানায়। এতে বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে  শনিবার রাতে আশিকের বন্ধু হোসেন ও সাগরকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে মারধর করে। রাত সোয়া ১১টার দিকে বিষয়টি জানতে পারে আমার বড় ভাই হৃদয়। খবর পেয়ে তিনি আমাদের বাড়ির তার সমবয়সী কাকা রাসেলকে নিয়ে হোসেন ও সাগরকে উদ্ধার করতে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। যাত্রা পথে তারা চৌমুহনী পৌর ভূমি অফিসের সামনে পৌঁছলে বাবুর সাথে তাদের দেখা হয়ে যায়। তখন কিছু বুঝে উঠার আগেই বাবু হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করে। একই সময়ে রাসেলকেও ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চৌমুহনী লাইফ কেয়ার হসপিটালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করে। এই বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি লিটন দেওয়ান জানান,  ঘটনার পর পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আমরা হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা করছি। নিহতের পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২৫/মওম

কসবায় ১২০ কেজি গাঁজাসহ পাঁচ মাদক কারবারী গ্রেফতা*র

মোঃ নিশাদুল ইসলাম : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী এক অভিযান চালিয়ে ১২০ কেজি গাঁজাসহ পাঁচ মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামীরা হলেন, মোঃ রাজ মিয়া (২৭),সোহরাব মিয়া (২২),মোঃ শফিকুল ইসলাম (২৯), মোঃ একরাম হোসেন জনি প্রকাশ বাবু (৩১) ও হানিফ মিয়া (৩০)।
পুলিশের মিডিয়া উইংসের তথ্যমতে,কসবা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম (১৯ জানুয়ারী )রবিবার বিকেল ০৪:৪৫ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করে কসবা পৌরসভার শাহপুর বড় কবরস্থানের পূর্ব পাশে শাহপুর পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের উত্তর পাশে পাকা রাস্তার উপর থেকে আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১২০ কেজি গাঁজা  উদ্ধার করে ও জব্দ করে।
এ ব্যপারে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মাদক আইনে মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী আজ,দেশব্যাপী দলীয় কর্মসূচি পালন

আলোকিত ডেস্ক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী আজ।

১৯৩৬ সালের এদিনে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জিয়াউর রহমানের ডাকনাম ‘কমল’। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একদিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে দলটি।

জিয়াউর রহমানের বাবা মনসুর রহমান পেশায় ছিলেন একজন রসায়নবিদ। বগুড়া এবং কলকাতায় শৈশব-কৈশোর অতিবাহিত করার পর জিয়াউর রহমান বাবার কর্মস্থল করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গণমানুষের কাছে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সমাদৃত। একজন সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও জিয়াউর রহমানের জীবনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দেশের সংকটে তিনি বারবার ত্রাণকর্তা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন এবং দেশকে সে সংকট থেকে মুক্ত করেছেন। তিনি অস্ত্রহাতে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছেন। যুদ্ধ শেষে আবার পেশাদার সৈনিক জীবনে ফিরে গেছেন। জিয়াউর রহমান সময়ের প্রয়োজনেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তার গড়া সেই রাজনৈতিক দল তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজ দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত।

অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসিকতা, সততা-নিষ্ঠা ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের প্রতীক জিয়াউর রহমানের অবদান অসামান্য। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি যুদ্ধ করেন। আবার বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের একটি সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। বিশ্ব মানচিত্রে তিনি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশিদের ব্যাপকভাবে পরিচিত করিয়েছেন স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যে। জাতির মর্যাদাকেও বিশ্বব্যাপী সমুন্নত করেছেন তার শাসনামলে।জিয়াউর রহমানের সৈনিক এবং রাজনৈতিক জীবনের সততা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম দেশের মানুষ শ্রদ্ধাভরে এখনো স্মরণ করে। একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক হিসেবেও তার পরিচিতি সর্বজনবিদিত। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও দিকনির্দেশনা। তার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি দেশের স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর তারই সহকর্মী খন্দকার মোশতাক আহমদ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। পরবর্তীতে নানা রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ অভ্যুত্থান ঘটে। দেশের সেই চরম ক্রান্তিকালে সিপাহী-জনতার মিলিত প্রয়াসে জিয়াউর রহমান নেতৃত্বের হাল ধরেন।

রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমৃত্যু চেষ্টা চালিয়েছেন। জাতির মধ্যে একটি নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করে তাদের জাগিয়ে তুলতে তিনি সফল হয়েছিলেন। তার স্বল্পকালীন শাসনকার্য পরিচালনায় তিনি যে গভীর দেশপ্রেম, সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছিলেন- তা আজও কেউ অতিক্রম করতে পারেনি বলে অভিমত অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের। এমনকি জিয়ার রাজনৈতিক বিরোধীরাও মৃত্যুর পর তার সততা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারেনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ কারণেই এ দেশের জনগণের অন্তরে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শাহাদতবরণ করেন দেশপ্রেমিক এই রাষ্ট্রনায়ক। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তাকে সমাহিত করা হয়।

মির্জা ফখরুল ইসলামের বাণী:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, শহীদ জিয়ার বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনেই আমাদের জাতিসত্তার সঠিক স্বরূপটি ফুটে ওঠে, যা আমাদের ভৌগোলিক জাতিসত্তার সুনির্দিষ্ট পরিচয় দান করে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ আমাদের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখারও অবিনাশী দর্শন। তিনি জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা; গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক সাম্য, ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনা এবং মানুষের হারানো মৌলিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

কর্মসূচি:

জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রবিবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এরপর বেলা ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ  এবং ফাতেহা পাঠ করবেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। দুপুর ২টায় রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে পোস্টার প্রকাশ ও পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর উদ্যোগে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও বিভিন্ন ইউনিটে নিজ নিজ সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২৫/মওম

রূপালী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির ডিএমডি হলেন, হাসান খান রিপন

এম এইচ চৌধুরী : কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের নাম জীবন বীমা শিল্প, এই শিল্পের নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হলে সর্বোচ্চ কৌশল ও ধৈয্যের সাথে কাজ করে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। হাসান খান রিপন বীমা জগতের কঠোর পরিশ্রমী একজন আইডল। রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে বায়রা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির লিমিটেড এর ডিএমডি হিসেবেও কর্মরত ছিলেন তিনি।
বর্তমান সময়ের শীর্ষ আইটি বীমা প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির লিমিটেড এর শুরু থেকেই সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যুক্ত আছিলেন হাসান খান রিপন। কঠোর পরিশ্রমী এই বীমা ব্যক্তিত্ব ছাত্রাবস্থায় থেকেই একজন এজেন্ট হিসেবে বীমা শিল্পে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। কোম্পানীর শুরু থেকেই তিনি তার ব্যবসার টার্গেট অর্জনের সফলতা অর্জন করেন।
২০১৪ সালে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির লিমিটেড এর বার্ষিক  প্রিমিয়াম অর্জনে সর্বশ্রেষ্ঠ কর্মকর্তার পুরস্কার লাভ করেন হাসান খান রিপন।
তিনি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলাধীন বুগীর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, মা গৃহিণী,দুজনেই সদালাপী মানুষ ছিলেন। বর্তমানে তিনি ২ পুত্র সন্তানের জনক।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

খালেদা জিয়া : রাজনীতির লাইমলাইটে বেগমের প্রত্যাবর্তন; দ্য হিন্দুর নিবন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে বঙ্গোপসাগর থেকে উড়ে আসা মেঘ যেন আছড়ে পড়েছিল চট্টগ্রামে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় এই শহরের সার্কিট হাউসের ছাদে প্রচণ্ড বৃষ্টি আছড়ে পড়ার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গোলাগুলির শব্দ শুনতে পান।

১৯৬৫ সালের পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে একজন পাকিস্তানি সৈনিক হিসেবে এবং পরবর্তী সময়ে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারী জাতীয়তাবাদী অফিসার হিসেবে ইতোমধ্যেই নিজের সাহসিকতার জন্য পরিচিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। গোলাগুলির শব্দে লুকিয়ে পড়ার মতো কোনও মানুষ তিনি ছিলেন না। আর তাই নিজের নাইট স্যুট পরেই জিয়াউর রহমান বন্দুকের গুলির কারণ জানতে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঠিক তখনই গুলির শিলাবৃষ্টি তাকে আক্ষরিক অর্থে ঝাঁঝরা করে দেয়।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করলেও খুনিরা ক্ষমতা দখলের চক্রান্তে ব্যর্থ হয় এবং অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুস সাত্তার তৎকালীন সেনাপ্রধান হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের সমর্থনে দ্রুত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এই নাটকীয় পরিস্থিতিতেই জিয়াউর রহমানের বিধবা স্ত্রী খালেদা জিয়া রাজনৈতিক অঙ্গণে প্রবেশ করেন। স্বামী জিয়াউর রহমানকে হত্যার খবর শুনে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিল, কিন্তু আড়াই বছর পর আবদুস সাত্তারের কাছ থেকে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালের ১৩ জানুয়ারি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

অবশ্য জিয়াউর রহমানের মৃত্যুও হয়েছিল দেশের জন্য এক সংকটময় সময়ে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে ১৭ মে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন।

মূলত খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনা দুজন ভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে উঠে এসেছেন। খালেদা জিয়া ছিলেন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর একজন বাঙালি অফিসারের স্ত্রী এবং আর হাসিনা ছিলেন একজন রাজনৈতিক নেতার কন্যা। কিন্তু ১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রপতি এরশাদের বিরোধিতাকারী দুটি রাজনৈতিক জোটের নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন তারা দুজন।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সাত দলীয় জোট এবং হাসিনা এরশাদের বিরুদ্ধে ১৫ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দেন। ১৯৮৬ সালে এরশাদ জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন করেন। জাল ভোটে ক্ষুব্ধ হয়ে দুই জোট একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল এবং অবশেষে ১৯৯০ সালে তারা এরশাদকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হন।

এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে এবং বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। কিন্তু বেগম জিয়া যখন দেশের সমস্যাগুলো কেবল বুঝতে শুরু করছেন, তখনই একটি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৫ লাখ মানুষ নিহত হয়। শেখ হাসিনা সুযোগ বুঝে সেসময় বিএনপি সরকারকে অযোগ্য বলে অভিহিত করেন। বিএনপি ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছিল কিন্তু আওয়ামী লীগ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলার পর ক্ষমতা ছেড়ে দেয় দলটি। এরপর শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেগম জিয়া তার প্রতিদ্বন্দ্বী হাসিনার সাথে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। তিনি চলতি শতাব্দীর শুরুতে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সমর্থনে ক্ষমতায় ফিরে আসেন এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

নির্বাচন বয়কট:

যদিও পরবর্তী ১৫ বছরে খালেদা জিয়াকে ক্ষমতার বাইরে রেখেছিলেন হাসিনা কিন্তু তারপরও রাজনৈতিক ময়দানে বিএনপি ছিল শক্তিশালী। শেখ হাসিনার আমলে খালেদা জিয়া যখন পিছিয়ে পড়েছিলেন, তখন দলের দৈনন্দিন বিষয়গুলো দেখভাল করতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মতো নেতা, তারা একাধিকবার নির্বাচন বর্জন করে দলের লড়াইয়ের মনোভাব বজায় রেখেছিলেন।

তবে ছাত্র-জনতার ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গত বছরের আগস্টের শুরুতে শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। হাসিনা সরকারের পতনের পর বন্দিদশা থেকে মুক্ত হওয়ার পর বেগম জিয়া জানান, তিনি হাসিনার প্রতি কোনও বিরাগ বা অসৎ ইচ্ছা পোষণ করেন না।

যদিও বিএনপি অতীতে নির্বাচন বর্জন করেছিল, কিন্তু হাসিনার সরকার ২০২১ সালে খালেদা জিয়ার জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স হাসপাতালের ডাক্তারদের ঢাকায় আসতে বাধা দেয়নি। কিন্তু বারবার আবেদন সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বেগম জিয়াকে বিদেশে যেতে দেয়নি হাসিনার স্বৈরাচারী সরকার।রাজনৈতিক পটপরিবর্তন তথা গণবিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে হাসিনা এখন বাংলাদেশের বাইরে এবং বহু বছর পর আবারও ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনায় বিএনপি উচ্ছ্বসিত। আর এমন পরিস্থিতিতে ৭৯ বছর বয়সী বেগম জিয়া আবারও চলে এসেছেন লাইমলাইটে, কিন্তু এবার তিনি অনেক বেশি সতর্ক। এই মাসের শুরুর দিকে কাতার থেকে আসা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বিশেষ চিকিৎসা সেবার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। সেখানে দীর্ঘ সময় পর তিনি তার বড় ছেলে তারেক রহমানের সাথে পুনরায় মিলিত হন। এছাড়া গত সপ্তাহে একটি দুর্নীতির মামলা থেকেও খালাস পেয়েছেন খালেদা জিয়া। আদালত তার ১০ বছরের সাজাও বাতিল করেছেন।

বাংলাদেশের ভগ্নদশাপূর্ণ রাজনীতিতে বহু ঝড়ঝঞ্ঝা মোকাবিলা করেই টিকে আছেন খালেদা জিয়া। এবং যখন অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী নির্বাচনের ঘোষণা দেবে তখন নিশ্চিতভাবেই আবারও রাজনৈতিক পরীক্ষা দেবেন এই নেত্রী।

নিবন্ধ,দ্য হিন্দুর 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২৫/মওম

সরকারের নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন

আলোকিত প্রতিবেদক:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ নিচ্ছে না এবং সংবিধানের আওতাতেই কাজ করছে। সরকারের নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ইসি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

১৯ জানুয়ারি রবিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ, স্ক্যানারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম হস্তান্তর করে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। ওই অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই রাজনীতিতে জড়াতে চায় না। দেশের জনগণ আমাদের কাছ থেকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করে। আমরা সেই প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। মানুষের যে সন্দেহ রয়েছে, তা দূর করতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।’

সিইসি বলেন, ‘ভোটার তালিকা কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য আমরা ইউএনডিপির কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। আমরা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তাদের সহযোগিতা চাই। আমাদের মতো তারাও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে আগ্রহী।’

ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফেন লিলার জানান, রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, তা নির্ধারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য নির্বাচন কমিশনের হাতে ১৭৫টি ল্যাপটপ, ২০০টি স্ক্যানার এবং বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহে ব্যবহারের জন্য ৪ হাজার ৩০০টি ব্যাগ তুলে দেওয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২৫/মওম

সাকিবের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চেক প্রতারণার মামলায় ক্রিকেটার এবং মাগুরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

১৯ জানুয়ারি রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হকের আদালতে আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে শাহিবুর রহমান বাদী হয়ে সাকিবসহ ৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওইদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন, সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের এমডি গাজী শাহাগীর হোসাইন, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ইমদাদুল হক ও মালাইকা বেগম। এর মধ্যে আসামি ইমদাদুল হক ও মালাইকা বেগম আদালতে হাজিরা দেন। অপর আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি সাকিবের মালিকানাধীন অ্যাগ্রো ফার্ম ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় আইএফআইসি ব্যাংকের বনানী শাখা থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তার বিপরীতে দুটি চেক ইস্যু করে সাকিবের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি। এরপর চেক উত্তোলন করতে গেলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। দুই চেকে টাকার পরিমাণ প্রায় চার কোটি পনেরো লাখ টাকা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জানুয়ারি-২৫/মওম

মির্জাপুরে নির্মাণ শ্রমিকদের ১২ দফা দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ সাইদুর রহমান, ১৮ই জানুয়ারি নির্মাণ শ্রমিকদের দাবি দিবস উপলক্ষে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ ইনসাব (মির্জাপুর, টাঙ্গাইল) এর উদ্যোগে নির্মাণ শ্রমিকদের ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোজ শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় র‍্যালিটি মির্জাপুর বাওয়ার কুমারজানি নির্মাণ শ্রমিকদের কার্যালয় হতে শুরু হয়ে মির্জাপুর বাজারের অলিগলি পদক্ষিণ করে মির্জাপুর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
র‍্যালি শেষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ শাহিন (সভাপতি ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ মির্জাপুর উপজেলা শাখা), রনি আহমেদ রানা (কার্যকরী সভাপতি), মিলন খান (সাধারণ সম্পাদক উপজেলা শাখা), মোল্লা আব্দুর রহমান (সভাপতি গড়াই ইউনিয়ন শাখা), আব্দুল্লাহ আল মামুন (উপদেষ্টা গোড়াই ইউনিয়ন ইনসাব)। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি,সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
মানববন্ধন পরবর্তী ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন মির্জাপুর উপজেলা কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-৭ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শ্রমিকদের ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং শ্রমিকরা ঘাম শুকানোর আগে যেন পারিশ্রমিক পাই সেই লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে বলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি