লংগদুতে মহিলা জামায়াতের বার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত”
বাংলাদেশ সীমান্তে হঠাৎ বিএসএফের ‘অপস অ্যালার্ট জারি
বাংলাদেশ সীমান্তে ‘অপস অ্যালার্ট’ জারি করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে বিএসএফের পক্ষ থেকে। এতে ভারতের উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার সীমান্তে মহড়া চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সীমান্তের অরক্ষিত এলাকায় বাড়তি নজরদারি এবং সতর্কতার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। মূলত ভারতের আসন্ন প্রজাতন্ত্র দিবসকে সামনে রেখে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে এই ‘অপস অ্যালার্ট’ জারি করেছে বিএসএফ।
২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসং এএনআই। বার্তাসংস্থা বলছে, ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আগে উচ্চতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ১০ দিনের ‘অপস অ্যালার্ট’ মহড়া শুরু করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনা করে ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি রাজ্য এবং পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সীমান্তের দায়িত্বে থাকা সবগুলো বর্ডার আউট পোস্টগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি থেকে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএসএফকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। এই নির্দেশনাকে বিএসএফের পরিভাষায় নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপস অ্যালার্ট’ (OPS ALERT)।
বৃহস্পতিবার জারি করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তে বারবার মহড়া চালাতে হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিদ্র করতে হবে। প্রয়োজনে রাতে অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। বিএসএফের আশঙ্কা, প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে সীমান্তে পরিস্থিতি খারাপ করার জন্য ওপার থেকে উস্কানি আসতে পারে। আর বিএসএফের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের ভালো করে বোঝাতে হবে। সেই দায়িত্ব নিতে হবে বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের।
ইতোমধ্যেই বিএসএফের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের স্পেশাল ডিজি রবি গান্ধী একাধিক বর্ডার আউট পোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এদিনের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সীমান্তের একাধিক অংশ রয়েছে যেখানে কাঁটাতার নেই। সবচেয়ে বেশি নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে অরক্ষিত এলাকায়। আগামী সাতদিন এই এলাকাগুলোতে সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর উচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপস অ্যালার্ট শুরু হয়েছে এবং সীমান্ত ফাঁড়িগুলোকে শক্তিশালী করা হয়েছে। এই মহড়ার সময় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে টহল এবং অন্যান্য দায়িত্ব আরও জোরালো করা হবে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অপস অ্যালার্ট’ মহড়ার সময় সেনারা সীমান্তে বিভিন্ন নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করবে। এছাড়াও সীমান্তে যেকোনও ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন অপারেশনাল পদ্ধতি অনুশীলনের পাশাপাশি সীমান্ত অঞ্চলের জনসংখ্যার সাথে পুনর্মিলন কর্মসূচিও পরিচালিত হবে।
প্রসঙ্গত, বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে উত্তেজনা দেখা গেছে বিএসএফ এবং বাংলাদেশ সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবির মধ্যে। আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে সীমান্তের একাধিক জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছে বিএসএফ। এর জেরে সীমান্তের বহু জায়গায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা।
তবে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় বাংলাদেশিদের কঠোর অবস্থানের কারণে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ। আর এমন অবস্থার মধ্যেই বাংলাদেশ সীমান্তে ‘অপস অ্যালার্ট’ জারি করল বিএসএফ।
আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জানুয়ারি-২৫/মওম
রাজনীতিবিদরা কোন বিষয়ে কথা বলবেন তা কি সরকারের উপদেষ্টা শেখাবেন: রিজভী
নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর অন্যতম সমন্বয়ক, তথ্য এবং সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রাজনীতিবিদরা কোন বিষয়ে কথা বলবেন, কোনটাকে সমর্থন করবেন আর কোনটাকে নয়, এটা কি উপদেষ্টারা শেখাবেন?
২৪ জানুয়ারি শুক্রবার বনানী করবস্থানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দশম মৃত্যুবার্ষিকীতে করব জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মূলত আরেকটা এক-এগারো সরকার গঠনের ইঙ্গিত বহন করে। এর জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা সব ঘটনা অতিক্রম করে বুক চিতিয়ে বছরের পর বছর রাজপথে থেকেছি। কোনটাকে সমর্থন করতে হবে আর কোনটাকে নয়, আর কোন বিষয়ে কথা বলতে হবে এটা কি উপদেষ্টারা এসে বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের শেখাবেন?
বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কেজিপ্রতি ২ টাকা থেকে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যবৃদ্ধিতে সরকারের দৃষ্টিহীনতা নিয়ে কি সমালোচনা করা যাবে না? সরকারের প্রশাসন যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করে তার জন্য কি সমালোচনা করা যাবে না? তাহলে কীসের ভয় দেখান, যে ১/১১ এর পুনরাবৃত্তি হবে।
সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, জিয়া পরিবার থেকে শুরু করে দেশের আপামর জনতার এতো ত্যাগ, আত্মদান এতো রক্ত ঝরেছে শুধু একটু মুক্ত নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য। তার ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট বাংলাদেশ কাঁপানো, পৃথিবী কাঁপানো একটি বিজয় দেখেছি। এই আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়েছে। সব গণতন্ত্রকামী দল এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের এতো গড়িমসি কেন, মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা এই সরকার নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কিন্তু যখন শুনি আগে সংস্কার পরে নির্বাচন, এ যেন মনে হয় শেখ হাসিনার সেই প্রতিধ্বনি- আগে উন্নয়ন পরে গণতন্ত্র। কোনো উপদেষ্টার কাছে এটা শোভা পায় না।
ড. ইউনূসের প্রতি ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, আমাদের সব আস্থা আপনার উপর দেওয়া হয়েছে। তাহলে এতো গড়িমসি কেন। কেন শেখ হাসিনার কথার পুনরাবৃত্তি হবে, আগে সংস্কার পরে নির্বাচন। আমরা এই কথা শুনতে চাই না। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যুগের পর যুগ ধরে সংস্কার হতে পারে। এ জন্য গণতন্ত্রের যে প্রক্রিয়া, গণতন্ত্রের প্রবাহমান নির্বাচনকে আটকে রাখবেন কেন?
আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সারা বাংলাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছিলো বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মায়ের কোলে মৃত সন্তানের মাথা দেখে এ দেশের কোটি কোটি মানুষ কেঁদেছে। শেখ হাসিনার বর্বরতা এবং নিষ্ঠুরতায় একজন সন্তানের সৎকারের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
করব জিয়ারতের সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হকসহ নেতাকর্মীরা।
আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জানুয়ারি-২৫/মওম
বাংলাদেশের সংস্কারে সমর্থন ও ইউনূসের‘থ্রি জিরো’র প্রশংসায় আল গোর
আলোকিত ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর কার্বন নিঃসরণ, সম্পদের কেন্দ্রীকরণ, দারিদ্র্য এবং বেকারত্ব দূরীকরণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগে চালু হওয়া বিশ্বব্যাপী ‘থ্রি জিরো’ আন্দোলনের প্রশংসা করেছেন।২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি শহর দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে আল গোর অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সময় তিনি ‘থ্রি জিরো’ আন্দোলনের প্রশংসা করেন।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জলবায়ু কর্মী হিসেবে পরিচিত আল গোর। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার কর্মসূচিকে সমর্থন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য জানান।
সাক্ষাৎকালে উভয় নেতা জুলাই বিপ্লব, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার কর্মসূচি এবং নির্বাচন এবং ভূরাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচি এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে সমর্থন করার কথা জানান।অধ্যাপক ইউনূস তাকে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আঁকা গ্রাফিতি ও দেয়ালচিত্রের ওপর ভিত্তি করে রচিত শিল্পকর্ম সংকলন ‘দ্য আর্ট অফ ট্রায়াম্ফ’ বইটি উপহার দেন।আল গোর শিল্পকর্ম সংকলনের বই এবং বাংলাদেশের তরুণদের বিপ্লবী চেতনাকে ‘অসাধারণ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমি বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠা মনোযোগ দিয়ে দেখেছি।’
সূত্র: বাসস।
আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জানুয়ারি-২৫/মওম
মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা গ্রেপ্তা*র
শিবালয়ে ফিল্মি কায়দায় অটোরিক্সা ছিনতাই আট*ক-৩
সরকারি অবকাঠামো সুবিধা ব্যবহারে যত্নের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে
নোয়াখালীতে টিসিবির ৭৫কেজি চাল একাই নিলেন ইউপি সচিব
মানিকগঞ্জে যুবলীগ নেতার হুমকি: আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা
মিজানুর রহমান খান কুদরত :মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজাকে গতকাল (বুধবার) রাতে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) তাকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত চত্বরে এ সময় উপস্থিত ছিলেন শত শত সাধারণ মানুষ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। তারা “রাজার ফাঁসি চাই” স্লোগানে আদালত প্রাঙ্গণ মুখরিত করেন।
আদালতের রায় শেষে যখন রাজাকে প্রিজনার ভ্যানে তোলা হচ্ছিল, তখন ভ্যানের ভেতর থেকে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. আশরাফুল ইসলাম রাজু, রমজান মাহমুদ, মেহরাব খান ও হাসনা হেনাসহ বেশ কয়েকজনকে প্রকাশ্যে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রিজনার ভ্যান আটকে প্রতিবাদ জানায়। পরে পুলিশ তাদের আসামির শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য ও ১৮ জুলাই হামলার শিকার হাসনা হেনা বলেন, “আমরা আদালত চত্বরে রাজাকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিলাম। এ সময় রাজার একজন সহযোগী আমার ছবি তুলে রাখে। পরে প্রিজনার ভ্যান থেকে রাজা আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মানিকগঞ্জ শাখার সমন্বয়ক মো. আশরাফুল ইসলাম রাজু বলেন, “১৮ জুলাই হাসনা হেনাকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় রাজা সরাসরি জড়িত। আজ আদালত প্রাঙ্গণেই সে আমাদের হুমকি দিয়েছে। আমরা তার জামিন বাতিল এবং সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।”
এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষ এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা রাজার বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি যারা চায় তাদের গ্রেফতার করার দাবি
আলোকিত ডেস্ক:
আদিবাসী শব্দটিকে ‘সংবিধান বিরোধী’ এবং ‘দেশবিরোধী’ শব্দ উল্লেখ করে যে বা যারা ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি চাচ্ছে ও এই দাবির পক্ষে কাজ করছে, প্রচার করছে তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা নামে একটি সংগঠন।
২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার ব্যানারে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির কর্মসূচিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি এবং লাল সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মুহম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, যারা নিজেদেরকে আদিবাসী দাবি করছেন, তারা মূলত বিভিন্ন দেশ থেকে এই দেশে এসেছে। আমরা তাদের থাকতে দিয়েছি। তারা উপজাতি, তারা আদিবাসী না। এই দেশে কখনও আদিবাসী ছিলও না ভবিষ্যতেও থাকবে না।
সমাবেশে অন্য বক্তারা বলেন, সম্প্রতি এনসিটিবির পরিমার্জন কমিটিতে নিয়োগ করা বহিরাগত লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদরা পাঠ্যবইতে রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন বিরোধী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী পরিভাষা ‘আদিবাসী’ যুক্ত গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করে। এটাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি, তাদের পৃষ্ঠপোষক এবং দোসরদের আদিবাসী দাবির অন্তরালে পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুপ্ত পরিকল্পনা দেশবাসীর কাছে ফাঁস করে দেয় দেশ রক্ষায় নিবেদিত ছাত্রদের প্লাটফর্ম ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’। এই কারণে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি, তাদের পৃষ্ঠপোষক ও দোসর বামপন্থি লাল সন্ত্রাসীরা একজোট হয়ে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রপাগান্ডা এবং অপপ্রচারে মাঠে নেমেছে, মিথ্যা মামলা করেছে, দুজন শুভাকাঙ্ক্ষীকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে, হয়রানি করা হচ্ছে সংগঠনটির সদস্যদের, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।
বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে ৩ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। তাদের দাবিগুলো হলো—
১. স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা তুলে নিতে হবে এবং তার সকল বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
২. মতিঝিলে সহিংস ঘটনা তৈরির অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও হোতা লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা, অলিক মৃ ও আরমানুল হক গংদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সাথে তাদের পক্ষে যারা সাফাই গাইছে বিশেষ করে দেশবিরোধী সংবাদমাধ্যম দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
৩. ‘আদিবাসী’ শব্দটি সংবিধানবিরোধী এবং দেশবিরোধী শব্দ। যে বা যারা ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি চাচ্ছে ও এই দাবির পক্ষে কাজ করছে, প্রচার করছে তারা প্রত্যেকেই বিচ্ছিন্নতাবাদী ও তাদের দোসর। রাষ্ট্রকে স্বপ্রণোদিত হয়ে এই রাষ্ট্রদ্রোহীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
এ সময় বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার সহ-মুখপাত্র মুহম্মদ রাসেল, মুহম্মদ সাইদুর রহমান প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি-২৫/মওম

