গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নাট্য শিল্পী সংস্থার আয়োজনে দুই দিনব্যাপী নাট্য উৎসবের উদ্বোধন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেবরের বিরুদ্ধে ভাবিকে ধর্ষণের অভিযোগ
হামাস যোদ্ধাদের হাতে আধুনিক ইসরায়েলি তাভর রাইফেল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হামাসের হাতে বন্দি থাকা চার ইসরায়েলি নারী সেনা সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর এ নিয়ে দ্বিতীয় দফায় চার বন্দিকে মুক্তি দিলো হামাস।
শনিবার গাজা শহরের প্রাণকেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি চার বন্দিকে নিয়ে আসা হয়। হামাসের সশস্ত্র সদস্যরা সেখানে ছিলেন এবং সেখানেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র এই গোষ্ঠীর এলিট যোদ্ধাদের হাতে অত্যাধুনিক ইসরায়েলি তাভর রাইফেল দেখা যায়।
২৬ জানুয়ারি রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।বার্তাসংস্থাটি বলছে, ক্ষমতার এক নাটকীয় প্রদর্শনীতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাসের অভিজাত যোদ্ধারা গাজা শহরে চারজন নারী ইসরায়েলি সৈন্যকে হস্তান্তরের সময় ইসরায়েলি তাভর রাইফেল নিয়ে হাজির হয়েছিলেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলার সময় গাজার কাছে অবস্থিত ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি এবং বসতিগুলোতে আক্রমণের সময় হামাস এসব রাইফেলগুলো জব্দ করেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে চার সৈন্যকে হস্তান্তর করার জন্য গাজা শহরের প্যালেস্টাইন স্কোয়ারে স্থাপিত মঞ্চে আনা হলে তাদের পাশে থাকা হামাসের যোদ্ধাদের এই অস্ত্রও কার্যত সবার নজরে আসে। মূলত ইসরায়েলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে হামলা করার পর যাদের আটক করে নিয়ে এসেছিল হামাস, তাদের মধ্যে এই চারজনও ছিলেন।
ইসরায়েলি সংবাদওয়েব ওয়ালার সামরিক সংবাদদাতা আমির বোহবোট একটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছেন, “ইসরায়েলের নারী সৈন্যদের হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সময় সেখানে অবস্থানের জন্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিজাত ইউনিটের তাভর রাইফেল বহনকারী অভিজাত ইউনিটের যোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করে হামাস। এই রাইফেলগুলো সম্ভবত ২০২৩ সালের অক্টোবরে জব্দ করা হয়েছিল।”
ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির প্রথম পর্যায়ে শনিবার ভোরে হামাস চার নারী ইসরায়েলি সৈন্যকে মুক্তি দিয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্ত সৈন্যরা নাহাল ওজ ঘাঁটির ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নজরদারি ইউনিটের সদস্য।

ইসরায়েলি সামরিক ইউনিফর্ম পরা চার মুক্তিপ্রাপ্ত সৈন্য স্কোয়ারে স্থাপিত একটি মঞ্চে হাসিমুখে জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন এবং পরে তাদের ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রসের (আইসিআরসি) প্রতিনিধিদের কাছে স্থানান্তর করে হামাস।
ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ বলেছে, “ইসরায়েলি সৈন্যদের মুক্তি দেওয়ার জন্য আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি গাজা শহরের প্যালেস্টাইন স্কোয়ারে খুব সূক্ষ্মভাবে পরিকল্পিত এবং কার্যকর করেছে হামাস। হামাস এই নাটকীয় মুহূর্তটিকে প্রচারের বার্তা দেওয়ার জন্য কাজে লাগিয়েছে।”
ইসরায়েলি চ্যানেল জানিয়েছে, “নিয়ন্ত্রণ ও শ্রেষ্ঠত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে হামাস এই স্কোয়ারের ডিজাইনে উল্লেখযোগ্য সম্পদ বিনিয়োগ করেছে। নারী সৈন্যদের মঞ্চে আনা হয়েছিল, যেখানে তারা একে অপরের হাত ধরেছিলেন, হাসছিলেন এবং জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়ছিলেন।”
এদিকে গাজায় আটক বেসামরিক বন্দি আরবেল ইয়েহুদকে মুক্তি না দেওয়ায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিরতে এখনও অনুমতি না দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
হামাস বলছে, ফিলিস্তিনিদের উত্তরাঞ্চলে ফিরতে না দিতে গুরুত্বপূর্ণ করিডোর বন্ধ রাখার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল নিজেই তার পায়ের নিচে মাটি খুঁড়ছে। সমঝোতা বাস্তবায়নে বাধার জন্য ইসরায়েলই দায়ী থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি-২৫/মওম
পার্লামেন্টারি স্টান্ডিং কমিটির মুখাপেক্ষী হলে ইসির ক্ষমতা খর্ব হবে: সিইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে গেলে অক্টোবরের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন,পার্লামেন্টের স্থায়ী কমিটির হাতে নির্বাচন কমিশনের কোনো কাজ গেলে ইসির স্বাধীনতা খর্ব হবে। স্থায়ী কমিটির কাছে নির্ভরশীল হতে চাই না। এই সংক্রান্ত সুপারিশ বাতিল করতে হবে। পার্লামেন্টারি স্টান্ডিং কমিটির মুখাপেক্ষী হলে ইসির ক্ষমতা খর্ব করা হবে। ভোটার হালনাগাদ এবং সীমানা নির্ধারণের জন্য ইসির বাইরে অন্য কারও হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না।
২৬ জানুয়ারি রবিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ‘আরএফইডি-টক’ অনুষ্ঠানে সিইসি এসব কথা বলেন। নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন আরএফইডি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
চলমান সংস্কারে সীমানা পুনর্নির্ধারণ, নতুন দল নিবন্ধনসহ নানা বিষয় তুলে ধরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ডিসেম্বরে ভোট করতে গেলে অক্টোবরে তফসিল করতে হবে। অক্টোবরের মধ্যে আইন কানুন বিধি বিধান সংস্কার শেষ করতে হবে।নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাজের সমালোচনা করে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, সুপারিশ অনেক কিছু দেওয়া যায়। বাস্তবায়ন করা কঠিন। সীমানা নির্ধারণে ইসির হস্তক্ষেপ না রাখার সুপারিশকে দ্বিমত প্রকাশ করে বলেছেন, এটা ইসির এখতিয়ার।
বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে এসে আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে ধারণা দিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেছিলেন, ভোট কবে হবে তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে কতটা সংস্কার করে নির্বাচনে যাওয়া হবে, তার ওপর। মোটাদাগে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে হতে পারে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন।
এর মধ্যে গত ১৪ জানুয়ারি বিএনপির তরফে বলা হয়, আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে সংসদ নির্বাচন চান তারা।
সবশেষ ২৩ জানুয়ারি ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ পটুয়াখালীতে বলেছেন, এখানে আসার উদ্দেশ্য হলো, এই যে ভোটার কার্যক্রম- এটাকে কীভাবে আরও গতিশীল করা যায়, কীভাবে নির্ভুল করা যায়, কীভাবে আরও সুষ্ঠু করা যায়- প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় কর্তৃক ঘোষিত সময়ে অর্থাৎ ২০২৫ সনের ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ সনের পয়লা মাসে যদি নির্বাচন হয়, নিশ্চয়ই আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ সুন্দর হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি-২৫/মওম
পরীমণির ও জুনায়েদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
বিনোদন ডেস্ক:
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়ের করা মারধর, ভাঙচুর এবং ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
২৬ জানুয়ারি রবিবার ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো.জুনাইদের আদালত সময় আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। একই মামলায় পরীমণির কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধেও চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আগামী ২০ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এদিন মামলাটি চার্জ শুনানির জন্য তারিখ ধার্য ছিল। অসুস্থ থাকায় পরীমণি আদালতে হাজির হতে পারেননি। অপর আসামি জিমির পক্ষেও সময় আবেদন করা হয়। আদালত সময় আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আদেশ দেন। গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেন।’
২০২২ সালের ৬ জুলাই আদালতে মামলাটি করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণি এবং তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ১৮ এপ্রিল ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত দুই আসামিকে ২৫ জুন আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। ওই দিন আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তারা।
মামলার এজাহারে বলা হয়, পরীমণি এবং তার সহযোগীরা অ্যালকোহলসেবী। সুযোগ বুঝে তারা বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ না করে চলে যান। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে । তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। বাদী ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত সোয়া ১টার দিকে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন তখন পরীমণি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদী নাসির উদ্দিনকে ডাক দেন এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমণি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসির উদ্দিনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য বাদীকে চাপ দেন। বাদী এতে রাজি না হওয়ায় পরীমণি তাকে গালি দেন। বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমণি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছুড়ে মারেন। এতে নাসির উদ্দিন মাথায় এবং বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরীমণি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও ভাঙচুর করেছেন।
এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমণি সাভার থানায় বাদীসহ দুই জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ জানুয়ারি-২৫/মওম
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বিদ্যুৎস্পর্শে কিশোরের মৃত্যু
আমার মাধ্যমে অনুরাগীদের স্বপ্নপূরণ হচ্ছে: শন ব্যানার্জি
বিনোদন ডেস্ক:
ওপার বাংলার ছোট পর্দার অভিনেতা শন ব্যানার্জি। নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমাতে এবার প্রথম নায়ক হিসেবে দেখা যাবে ‘যদি এমন হতো’ ছবিতে। এর আগে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন শন।
তবে সেই ছবিটি এখনও মুক্তি পায়নি। তাই ‘যদি এমন হতো’ নিয়ে অনেকটাই আশাবাদী অভিনেতা। বছর দুয়েক আগে লন্ডনে এই ছবির শুটিং করেছিলেন শন।ছবিতে তার সঙ্গে রয়েছেন দিতিপ্রিয়া রায় এবং ঋষভ বসু। ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি সব সময়ই মনের মধ্যে আলাদা জায়গা করে নেয়। আমার খুব ভাল লাগছে।’
তার কথায়, ‘আমি বিশ্বাস করি, সব কিছুর জন্য একটা সঠিক সময় থাকে। এমন অনেক ছবি রয়েছে, যেগুলো শুটিংয়ের অনেক বছর পরেও দর্শকের মন জয় করেছে। আমার মনে হয়, এই প্রজন্মের দর্শক এই ছবিতে আমাকে পছন্দ করবেন।’
শেষে তিনি বলেন, ‘অনুরাগীরা সব সময় জানতে চাইতেন যে আমাকে কবে নায়ক হিসেবে বড় পর্দায় দেখা যাবে। এবার যখন সেই সুযোগ উপস্থিত, মনে হয় তারা সেটা হাতছাড়া করবেন না। আমার তো মনে হয়, আমার মাধ্যমে তাদেরও স্বপ্নপূরণ হচ্ছে।’
আলোকিত প্রতিদিন/২৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

