আজ , ।   
Home Blog Page 571

নূরুল হক টাওয়ার চশমা ব্যবসায়ী মার্কেট কমিটির ইফতার ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়

মাইনুল হাসান রুবেল:  গত ১৪ মার্চ শুক্রবার ১৩ রমজান ১৪৪৬ হিজরী, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩১, ঢাকায় নূরুল হক টাওয়ার চশমা ব্যবসায়ী মার্কেট কমিটি কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়ার মাহফিল সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের পাশে উইডিং ক্লাব এন্ড কনভেনশন সেন্টার, ৪৫/১ সুভাষ বোস এভিনিউ লক্ষী বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।

 

মো: কামরুজ্জামান সবুজ এর উপস্থিতিতে ও হাওলাদার অপটিক্সের সত্ত্বাধিকারী মো: দেলোয়ার হোসেনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ফতেহ গাজী অপটিকসের ওনার হাফেজ কারী মো: রাইসুল ইসলামের সুমধুর কন্ঠে কুরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে ছেলে নাজমুল হক স্বপন, শামসুল হক লিটন ও নাতি ইঞ্জামামুল হক ( মন্ত্রী ) মরহুম নুরুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা ও জান্নাতের উচ্চ স্থান কামনা করে দোয়া করা হয়।

 

সুন্দর সাজানো গোছানো পারিবারিক পরিপাটি পরিবেশে আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্য সম্প্রীতির সাথে বৃহত্তর নূরুল হক টাওয়ার চশমা ব্যবসায়ী মার্কেটের ইফতার পার্টি সুসম্পন্ন হয়েছে। আগামী দিনের সুষ্ঠ পরিচালনার মধ্যদিয়ে এগিয়ে চলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন – মো: শামসুল হক লিটন। উক্ত ইফতার পার্টিতে আরো উপস্থিতিত ছিলেন পূর্বের ও বর্তমান সহ কেন্দ্রীয় কমিটির উল্লেখযোগ্য নেত্রীবৃন্দ এবং অত্র প্রতিবেদক সাংবাদিক মাইনুল হাসান রুবেল।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

হাতিয়াতে বিএনপি নেতা শামীমকে প্রত্যাখানের ঘোষণা, কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

নোয়াখালী প্রতিনিধি, নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা ও পৌরসভা যুবদলের বজুয়া অবৈধ ও বাণিজ্যিক ও পকেট কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দলটির একাংশের নেতাকর্মিরা। একই সাথে কমিটি গঠনে ক্ষুব্ধ অংশের নেতাকর্মিরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমকে হাতিয়াতে প্রত্যাখানের ঘোষণা দেয়।
শনিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ওছখালী শহরে তারা এ কর্মসূচি পালন করে।এতে দলটির নেতাকর্মিরা হাতিয়া উপজেলা যুবদলের নব ঘোষিত পকেট কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি ঘোষণার দাবি জানান।
বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন, হাতিয়া উপজেলা যুবদলের সদ্য বিদায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শাহীন, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম শামীম, আব্দুর রব রাশেদ, হাতিয়া পৌরসভা যুবদলের বিদায়ী সদস্যসচিব মো. মোছলেহ উদ্দিন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, চোরা গোপ্তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম এ পকেট কমিটি ঘোষণা করেন। এ কমিটি গঠন নিয়ে কারো সাথে কোন আলাপ আলোচনা করা হয়নি। যাদের দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে তারা গত ১৭ বছর দলীয় কোন কর্মকান্ডে ছিলনা। এমন লোকদের দিয়ে কমিটি দেয়া হয়েছে তারা কমিটিতে পদ প্রত্যাশীও ছিলেন না। সমাবেশে অবিলম্বে এই পকেট কমিটি বাতিল করে দলের ত্যাগী ও যোগ্য নেতৃত্বকে মূল্যায়ন ও নতুন কমিটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় তারা বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক দেবেন বলে হুশিয়ারি দেন। যুবদলের একাংশের নেতাকর্মিরা অভিযোগ করে আরও বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমকে স্বৈরাচারের দোসর ও বহিরাগত উল্লেখ করে হাতিয়াতে প্রত্যাখান ও রাজনৈতিক ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।
যোগাযোগ করা হলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের মুঠোফোনে কল করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি লাইন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার কল করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে জানতে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর মুঠোফোনে কল করা হলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মধ্যরাতে ঘুষের ৩৭ লাখ টাকাসহ নির্বাহী প্রকৌশলী আটক

রানা ইস্কান্দার রহমান, গাইবান্ধার (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলামকে ঘুসের ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকাসহ চলনবিল এলাকায় চেকপোস্টে আটক করেছে পুলিশ।
উত্তর জনপদের জেলা গাইবান্ধা যেখানে উন্নয়নের নামে লুটপাট করা সহজ এখানকার বিগত সময়ের জনপ্রতিনিধিরা নিজেরাও যেমন লুটপাট করতে তেমনি কিছু কর্মকর্তা আনতে যারা লুটপাটে সহযোগীতা করতে পারেন। তেমনি একজন কর্মকর্তা  এলজিডির গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলাম।যিনি সাবেক প্রয়াত ডিপুটি স্পিকার ও হুইপের পছন্দের ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন হলো গাইবান্ধার বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজে অনিয়ম দুর্নীতি অভিযোগ রয়েছে। একাধিক সংবাদ প্রকাশের পরেও নেওয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামকে ঘুসের ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকাসহ আটক করা হয়েছে। গত ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের চলনবিল গেট এলাকায় চেকপোস্টে টাকা ও গাড়িসহ এই প্রকৌশলীকে আটক করে পুলিশ। এসময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গাইবান্ধা জেলা এলজিইডির সিনিয়র প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করছেন।
পুলিশ জানায়, গভীর রাতে মহাসড়কের চলনবিল গেট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালায় পুলিশ সদস্যরা। এসময় গাইবান্ধা থেকে রাজশাহীগামী একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেটকারকে থামার সিগন্যাল দেওয়া হয়। গাড়িটি থামলে তল্লাশি করলে গাড়িতে ব্যাগ ভর্তি টাকা পাওয়া যায়।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসমাউল হক বলেন, চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে কালো ব্যাগ ভর্তি টাকা দেখতে পায় পুলিশ। এসময় গাড়ির আরোহীর পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে গাইবান্ধার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বলে পরিচয় দেন। এতে সন্দেহ হলে প্রাইভেটকার, টাকাসহ আরোহী ছাবিউল ও চালককে আটকে রেখে বিষয়টি পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. একরামুল হক, সিংড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাজাহারুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (সিংড়া) সার্কেল সঞ্জয় কুমার সরকার, এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম ঘটনাস্থলে যায়। তারা গিয়ে গাড়িতে থাকা ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গাইবান্ধা এলজিইডির এক কর্মচারী বলেন, ‘স্যার বৃহস্পতিবার হলেই সাদা গাড়ি নিয়ে তার বাড়ি যান। পাঁচদিন অফিস করে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশন নেন। সেগুলো গাড়িতে করে বাড়ি নিয়ে যান। আমরা ছোট চাকরি করি চোখের সামনে কোটি টাকার খেলা হয়। কিছুই বলার নাই। অফিসের বাইরেও রিয়াজ নামে এক ছেলেকে তার নিজ অর্থায়নে সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ছাবিউল ইসলামের সহকারী রিয়াজকে প্রশ্ন করলে তিনি অবাক হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, স্যার কি এই বৃহস্পতিবারও বাড়িতে টাকা নিয়ে গেছেন?
এসময় তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার এলেই স্যার কিছু না কিছু টাকা নিয়ে যান। আর এ টাকাগুলো তো স্যার একাই খান না। রাজশাহীতে নেতা ও ঢাকা অফিসে কিছু পাঠাতে হয় স্যারকে। আমি এইটুকু জানি।
উল্লেখ্য, ছাবিউল ইসলাম প্রায় ২১ বছর ধরে গাইবান্ধায় কর্মরত রয়েছেন। প্রয়াত ডেপুটি সিপকার ফজলে রাব্বী মিয়ার পালক ছেলে হিসেবেই তিনি আওয়ামী লীগের সবার কাছে পরিচিত। এছাড়াও সাবেক হুইপ মাহবুব আরা গিনি’র আর্শিবাদপুষ্ট ফলে অনিয়ম-দুর্নীতি করলেও এতদিন তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায়নি কেউ। তবে তার বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করে গণমাধ্যমকর্মীরা এরপরে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি সংশ্লিষ্টরা। এঘটনার পর পরিস্কার হলো এসব অনিয়ম দুর্নীতির টাকার ভাগ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভাগীয় ও মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের পকেটে যেতো যার কারণে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত ২১ বছরে কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্টরা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

তারাগঞ্জে পাটের গোডাউনে আগুন ক্ষতি প্রায় ৩ কোটি টাকা

শফিউল মন্ডল , তারাগঞ্জ-রংপুর  প্রতিনিধি:রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ইস্কন মন্দিরের কাছে পাটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিন কোটি  টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পাট গুদাম মালিক।
আজ শনিবার (১৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট।
এ ঘটনায় পাট গুদামের ম্যানেজার প্রদীপ রায় বলেন, “শনিবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে গোডাউনের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।হঠাৎ আগুন লাগলে নাইট গার্ডের চিল্লাচিল্লিতে শ্রমিকসহ আশপাশের লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে গুদামে রাখা বেশিরভাগ পাট পুড়ে যায়।”
ক্ষতিগ্রস্ত পাট গুদামের মালিক হাজী সোনাউল্লাহ বলেন “বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছি। আগুনে গুদামে রাখা প্রায় ৩ কোটি টাকার পাটের বেশিরভাগই পুড়ে গেছে।এই আগুনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেলো।আল্লাহ আমার কপালে যা লিখেছিল তাই হয়েছে।
তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শরিফ আহমেদ বলেন,ফায়ার সার্ভিস রাতে ফোন কলের মাধ্যমে আগুনের ঘটনা জানতে পারে।পড়ে ফায়ার সার্ভিসের তিন টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদন্তের পর জানানো যাবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ধর্ষণের দ্রুত বিচার দাবিতে টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যাওয়া শিশু আছিয়ার নির্যাতনকারীদের অতিদ্রুত বিচার এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগের দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করা হয়েছে।
১৪ মার্চ শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে নারী ও শিশু যৌন নিপীড়নবিরোধী মঞ্চ ও সাধারণ ছাত্র-জনতার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলটি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিরালা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বিক্ষোভকারীরা বক্তব্য রাখেন।
এতে বক্তব্য দেন- টাঙ্গাইল জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি, দপ্তর সম্পাদক প্রেমা সরকার, জাতীয় নাগরিক কমিটির জেলা শাখার কো-অর্ডিনেটর মাসুদুর রহমান রাসেল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আছিয়ার মৃত্যুর পরে ৭ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম শুরু করতে বলা হয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর আগে কেনো এমন কার্যক্রম নেওয়া হল না। এছাড়া সারাদেশেই প্রতিনিয়তই ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। এর দায়ভার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এড়াতে পারেন না। তার দ্রুত পদত্যাগ দাবি করছি।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫মার্চ-২৫/মওম

নবীনগরে ন্যায্য মূল্য ইফতার বাজার

প্রতিনিধি,নবীনগর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার শিবপুর হাইস্কুল মাঠে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নূরনগর ব্লাড ব্যাংক সংগঠনের উদ্যোগে ‘ন্যায্য মূল্যের ইফতার বাজার’ ব্যানারে বিক্রি হচ্ছে ইফতার সামগ্রী।
১৫ মার্চ শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় উপজেলার শিবপুর হাইস্কুল মাঠে অস্থায়ী ন্যায্য মূল্যের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
তাঁদের ন্যায্য মূল্যের ইফতার বাজারে, ছোলা ৮০ টাকা কেজি, মুড়ি ৫৫ টাকা কেজি, চিড়া ৪০ টাকা কেজি, চিনি ১০০ টাকা কেজি, খেজুর ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
সংগঠনের সদস্য আব্দুল্লাহ বলেন, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বাজারে অসহনীয় দামে পণ্য বিক্রি করছে কিছু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী, যা নিম্ন আয়ের মানুষগুলো বেশি দামে কিনতে কষ্ট হচ্ছে। তাই আমরা নূরনগর ব্লাড ব্যাংক এর পক্ষ থেকে ন্যায্য মূল্যের ইফতার বাজারের আয়োজন করেছি। যা বাজারের দাম থেকে অনেকটা কম দামে আমরা বিক্রি করছি। এতে করে নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। আমরা ভালো সাড়া পেলে আমরা চেষ্টা করবো প্রতিদিন ন্যায্য মূল্যের ইফতার সামগ্রী বাজার চালু রাখতে, ইনশাআল্লাহ।
ক্রেতারা বলেন, এখানে বাজারের তুলনায় অনেকটা কম দামে কিনতে পেরে ভালো লেগেছে। তাঁদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তারা দাবি জানান, বাজারের সিন্ডিকেট দমন করতে এ ধরনের কর্মসূচি আরও বেশ কিছুদিন চালিয়ে যেতে হবে।
নূরনগর ব্লাড ব্যাংক এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ আশরাফুল, মোঃ পায়েল আহমেদ, মোঃ সায়িম, মোঃ নাঈম, মোঃ ইমামুল, মোঃ নাঈমুল ইসলাম, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ রিফাদ, মোঃ রাফি, মোঃ রায়হান,মোঃ তুষার, মোঃ সুজন, মোঃ তুষার,মোঃ সাব্বির প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫মার্চ-২৫/মওম

আত্মসমর্পণ করলে প্রাণভিক্ষা পাবে ইউক্রেনীয় সেনারা: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

কুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে থাকা ইউক্রেনীয় সেনারা আত্মসমর্পণ করলে তাদের হত্যা করা হবে না বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৪ মার্চ শুক্রবার এ কথা বলেছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেছিলেন, কুরস্কে পুরোপুরি ঘেরাও হওয়া ইউক্রেনীয় সেনারা একদম অসহায় অবস্থায় পড়েছে। এই অবস্থায় তাদের প্রাণভিক্ষা দেওয়ার জন্য পুতিনের কাছে আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি। নইলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভয়াবহতম গণহত্যার একটি সেখানে সংঘটিত হতে পারে।

এদিকে, নিজ সেনাদের বন্দি হওয়ার খবরকে রাশিয়ার ছড়ানো গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেন। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এটুকু স্বীকার করেছেন যে, কুরস্কে থাকা ইউক্রেনের সেনারা মারাত্মক জটিলতার মধ্যে আছে।শুক্রবার অনুষ্ঠিত রুশ নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনায় পুতিন বলেছেন, ট্রাম্পের আহ্বান তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, কুরস্কে ইউক্রেনীয় সেনারা বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে যে অন্যায় চালিয়েছে, তা সন্ত্রাসবাদের কাতারে পড়ে। তবে মানবতার খাতিরে তিনি ট্রাম্পের আহ্বান অবশ্যই বিবেচনা করবেন।

তিনি বলেছেন, ইউক্রেনীয় সেনারা যদি অস্ত্র ত্যাগ করে আত্মসমর্পণ করে, তবে তাদেরকে প্রাণভিক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক ও রাশিয়ার আইন অনুযায়ী তাদের সঙ্গে আচরণবিধি বজায় রাখা হবে।

পুতিন আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের আহ্বানে সাড়া দেওয়া তখনই সম্ভব হবে, যখন ইউক্রেনের রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতৃত্ব তার সেনাদের অস্ত্র ত্যাগ করে আত্মসমর্পণ করার আনুষ্ঠানিক আদেশ দেবে।

এদিকে, ইউক্রেনকে সতর্ক করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রুশ নিরাপত্তা পরিষদের উপ সভাপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, তারা যদি আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে ইউক্রেনীয় সেনাদের পদ্ধতিগত ও নির্মম পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫মার্চ-২৫/মওম

পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল এলো

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন আতপ চাল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। ১৫ মার্চ শনিবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ৩১ জানুয়ারি সম্পাদিত জি টু জি চুক্তির আওতায় পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন আতপ চাল নিয়ে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

জাহাজে রাখা চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫মার্চ-২৫/মওম

মুরাদনগর বাঙ্গরায় শ্রীদাম ভবনের আয়োজনে ৭১তম মহোৎসব পালন

নাজমুল হাসান: 
কুমিল্লার মুরাদনগর বাঙ্গরাবাজার কোরবানপুর গ্রামে বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনায় ১৬ প্রহর ব্যাপী ৭১ তম বার্ষিক মহোৎসব আয়োজন করছে শ্রীদাম ভবন স্বর্গীয় সনাতন সাধু ও রাধাচরণ দেবনাথ বাড়ী।
গত বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ৪নং পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নে  ২নং ওয়ার্ডে  ৪ দিন ব্যাপী ৭১ তম বার্ষিক মহোৎসব আয়োজন করেন কোরবানপুর বাঙ্গরা বাজার শ্রীদাম ভবন কতৃপক্ষ। মহোৎসব কে কেন্দ্র করে ধর্মীয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শুভ অধিবাস ও মঙ্গলঘট স্থাপন সহ মহাপ্রসাদ বিতরণ এর আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রক্তপ্রবাহ শ্রী নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ ( অবঃ প্রাপ্ত  অতিরিক্ত সচিব, শিল্প মন্ত্রণাল),  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ আব্দুর রহমান, ও জনাব সাকিব হাছান খাঁন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদনগর। অনুষ্ঠান টি উদ্বোধন করেন বেনহাম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এর চেয়ারম্যান শ্রী বিশ্বজিৎ সরকার। মহোৎসব  উৎসবের অন্যতম উদ্যোক্তা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শুকলাল দেবনাথ বলেন, “আমাদের এ মহোৎসব আয়োজনে ৭১ বছরে পদার্পণ করেছে। আমার দাদা স্বর্গীয় শ্রীদাম দেবনাথ এই মহোৎসব করে গেছেন বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনায়। তারপর থেকে আমার বাবা স্বর্গীয় রাধাচরণ দেবনাথ আমার দাদা দেখানো পথ অনুসর করে প্রতিবছর তিনিও করেছেন। এখন আমি চেষ্টা করি বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনায় সুন্দরভাবে পালন করতে। এটি শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সম্প্রীতির প্রতীক। আমরা চাই সবাই মিলেমিশে আনন্দ করি। তাই অন্যের ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতাকেই আমার কাছে শ্রেয় মনে হয়েছে, মনে হয়েছে মানুষ, মানবতা, মানবিকতার প্রতি আস্থাই পরম ‘ধর্ম’৷ ধর্মের আসল অর্থ আমার কাছে জীবনদর্শন৷ আর সেটা যদি হয়, তাহলে আমার জীবনবোধের মাধ্যমে সম্প্রতির বন্ধন। সারাবিশ্বে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার যে ঊর্ধ্বগতি, তা থেকে অবশ্যই আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও জানান, মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে’- এই মানবীয় চেতনা ও মূল্যবোধের মধ্যেই প্রকৃত মনুষ্যত্ব নিহিত। যারা মানুষের জন্য অকাতরে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, যারা মানুষের কল্যাণে ব্রতী হয়েছেন, যারা মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সদা সর্বদা শান্তির পথেই আমাদের হাঁটতে হবে। আমি যতদিন বেচে আছি  ও সবার সহযোগিতা পেলে আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এ মহোৎসব আয়োজন করব।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫মার্চ-২৫/মওম

পাথরঘাটায়  ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ!  প্রতিপক্ষের প্রভাব বিস্তার

পাথরঘাটা (বরগুনা ) প্রতিনিধি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের ৩৮ নং ছোনবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার রনজিৎ মিস্ত্রিসহ দুই সদস্যের কমিটির মাধ্যমে তদন্ত হয়।তদন্ত কার্যক্রমে অভিযুক্ত শিক্ষকের প্রভাব বিস্তার ও তদন্ত কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধের অভিযোগ উঠছে।
তদন্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মানসুরার মা আরজু বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি২০২৫ ইং জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর শ্লীলতাহানির অভিযোগ করার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ ও তার বাবা মন্নান মাস্টার সহ আরো এক সাংবাদিক আমাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। আমি যাতে অভিযোগ তুলে নি। তদন্তের একদিন আগে রাত বারোটার দিকে আমার বাড়িতে মাসুম বিল্লাহ ও তার  বাবা মন্নান মাস্টারসহ   এক সাংবাদিক এসে আমার উপর চাপ সৃষ্টি করে।
 একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর নেয় যা আমাকে পড়তে দেয়নি। এবং আমার মেয়ে মানসুরাকে যেন তদন্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করাই। এবং আমাকে বিভিন্ন রকম হুমকি দমকি দেয়। আমার স্বামী একজন প্রবাসী আমার বাড়িতে পুরুষ না থাকায় শুরু থেকেই আমার উপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে। আমি বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাকে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয়।
তাই আমি বাধ্য হয়ে কাগজের স্বাক্ষর করি।
গত ১২ মার্চ রোজ বুধবার ৩৮ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তদন্তের কার্যক্রমে আমি অংশগ্রহণ করলেও আমার মেয়ে মানসুরা কে উপস্থিত করতে পারেনি। কারণ আসার পথে প্রতিপক্ষ গতিরোধ করে মেয়েকে আসতে বাধা দেয়। পরে আমি স্কুলে গেলে প্রতিপক্ষ সহ প্রায় ৫০ থেকে ৭০ জন লোকের উপস্থিতি পাই। সেখানে আমাকে বিভিন্ন রকম ভয়-ভীতি দেখায় এবং জোরপূর্বক আমার বিরুদ্ধে জবানবন্দি নেয়। অভিযোগের বিপরীতে বক্তব্য দিতে বাধ্য করে। প্রতিপক্ষের নিয়োগ কৃত সাংবাদিক রাকিব কাজীসহ ১২ জন সাংবাদিক জোরপূর্ব  আমার বক্তব্য আদায় করে।
মানসুরার মা আরজু বেগম আরো বলেন, নিঃস্বার্থে আমার পাশে যেসব সাংবাদিক এসে দাঁড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে রাকিব কাজী নামে এক সাংবাদিক,  প্রতিপক্ষ এমন ভাবে চাপ সৃষ্টি করছে যাতে  আমি কোথাও যেতে না পারি, কোথাও বক্তব্য দিতে না পারি। আমার স্বামী প্রবাসী হওয়ায় আমার সাহস হচ্ছে না প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কোন মামলায় যেতে।
এদিকে তদন্ত কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার মিস্ত্রির তদন্ত কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ উঠেছে । তিনি একটি শ্লীলতাহানির মতো ঘটনার তদন্তে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তকে একই জায়গায় ঢেকে তদন্ত কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা রনজিত মিস্ত্রির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত কার্যক্রমে এত মানুষ উপস্থিতি হবে তা আমি ভাবতে পারিনি, আর দুই পক্ষকে এক জায়গায় করে তদন্ত করলে তাতে কোন অসুবিধার কিছু দেখছি না।
এদিকে ওই সাংবাদিক রাকিব কাজীর সাথে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে শ্লীলতাহানির ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে
রাকিব কাজী নামে ওই সাংবাদিক পাথরঘাটা মডেল প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পাথরঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি মো.  জিয়াউল ইসলামকে জড়িয়ে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট নিউজ করেছে । মূল ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে অপরাধীদের আড়ালে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত ওই সাংবাদিক।
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম এর বাবা মান্নান মাস্টার ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান ,পাথরঘাটা মডেল প্রেসক্লাব এ স্ব-শরীরে হাজির হয়ে ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে নিউজ থেকে বিরত রাখতে  “এক লক্ষ” টাকা ঘুষ প্রদান করতে চাইলে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে কথিত সাংবাদিক রাকিব কাজী কে দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট  মনগড়া একটি নিউজ প্রকাশ করে।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকির হোসেন খান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম এর বাবা মন্নান মাস্টার ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক  শ্লীলতাহানির ঘটনায় নিউজ থেকে বিরত রাখতে ক্লাবে এসে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ প্রদান করতে চাইলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ,নিউজ ধারাবাহিকতা থাকবে ও  ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকবে পাথরঘাটা মডেল প্রেসক্লাব এমনটি বলেন।
তিনি আরো বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা কৌশলগতভাবে তদন্ত ঢিলে করে শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ কে সুযোগ করে দিয়েছে। এতে মাসুম বিল্লাহ প্রভাবিত করে ওই শিক্ষার্থীকে তদন্ত স্থলে উপস্থিত হতে দেয়নি।
উল্লেখ্য,গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ইং অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্রী মানসুরা আক্তার(৯) ৩য় শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় অফিস কক্ষে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ মাসুম বিল্লাহ তাকে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি  করে এই মর্মে  বরগুনা জেলা শিক্ষা অফিসারের বরাবর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মানসুরার মা আরজু বেগম ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি