আজ , ।   
Home Blog Page 568

আমি সব ছাড়তে পারি, কিন্তু ঝিনাইদহ ছাড়বো না!

`উদ্ভট উঠের পিঠে ঝিনাইদহ পৌরসভা’

স্টাফ রিপোর্টার: পৌরসভায় নারী কেলেঙ্কারি, অনিয়ম ও দূর্নীতিবাজদের একক সাম্রাজ্য এটা অনেক পুরাতন কথা,তবে ঝিনাইদহ পৌরসভাকে এখন দূর্নীতিবাজদের স্বর্গরাজ্য বলা যেতে পারে, যে কারণে এরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বদলী আদেশও বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে আইনকেও নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে স্বপদে ঝিনাইদহ পৌরসভায় বহাল থাকে।

এদের অবস্থা দাঁড়িয়েছে এমন যে, “আমি সব কিছু ছাড়তে পারি তোমায় ছাড়তে পারবো না।” অর্থাৎ কোনোক্রমেই ঝিনাইদহ ছাড়বে না। কিছু দিন আগের একটি বদলীর আদেশের মধ্য থেকে কিনা পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ কয়েকজন হাইকোর্টের থেকে একটা আদেশ এনে পুরো বদলি প্রক্রিয়াকেই ঠেকিয়ে দেয়। যদিও নিয়োগকালীন শর্ত বদলী যোগ্য। পরবর্তীতে আবার মহামান্য হাইকোর্ট উক্ত বদলীভাদেশ অনুযায়ী ঝিনাইদহ পৌরসভায় বদলী হয়ে আসা পাঁচ জনকে আবার ঝিনাইদহ পৌরসভাতে যোগদানের আদেশ প্রদান করেছে।

 

ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার হিজল দুলা ভাই হওয়ার সুবাদে টেন্ডার সিন্ডিকেটের মধ্যে চাকুরী না করেও কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলা গবরা গ্রামের মোঃ মিজানুর রহমান ছোকু মাষ্টারের ছেলে মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান নাঈম জড়িয়ে পড়েন। ঝিনাইদহ স্থানীয় একজন ঠিকাদার বলেন,” নাঈমসহ এই সিন্ডিকেট ঝিনাইদহ পৌরসভার টেন্ডার এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন।

তিনি আরও বলেন, ” নাঈম পৌরসভা ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন দপ্তরও নিয়ন্ত্রণ করতেন। ” এছাড়া নাঈমের নারী কেলেঙ্কারির বিষয়টা ঝিনাইদহ শহরে ওপেন সিক্রেট মত একটা বিষয়। ঝিনাইদহ শহরে জবেদা খাতুন একাডেমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্ত জেনমীন আক্তার নামে এক শিক্ষিকার সাথে নাঈমের অনৈতিক কর্মকান্ড সম্পর্কে নাঈমের ঘনিষ্ঠ একজন বলেন, ” শিক্ষিকার সাথে নাঈমের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক।

তিনি একসময় বিয়ের জন্য প্রচন্ড চাপ দেওয়ার কারনে নাঈম শিক্ষিকার সামনেই শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে শিক্ষিকা তড়িঘড়ি করে জবেদা খাতুন একাডেমির সামনে মেডিপ্লাস প্যাথলজিতে চিকিৎসা করাতে নিয়ে আসেন। নাঈম শিক্ষিকার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলেও বিভিন্ন চাপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারছেন না।

শিক্ষিকার কথিত ভাই মিন্টুর রহমান শিক্ষিকাকে নাঈমের পিছনে লেলিয়ে দিয়ে টাকা আয়ের পথ তৈরি করেছে।” মিন্টুর সাথে যোগাযোগ করতে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মহিলা অভিভাবক বলেন ,” আমি আমার শ্বাশুড়িকে মেডিপ্লাস প্যাথলজিতে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে দেখি জবেদা খাতুন একাডেমির ম্যাম একজন ভদ্রলোককে ডাক্তার দেখানোর জন্য ছুটাছুটি করছেন। আমি একজনকে জিজ্ঞেস করলাম উনি কে, “তিনি বললেন, উনি পৌর মেয়র হিজল সাহের শালা। ” তখন একজন ম্যামকে জিজ্ঞেস করলেন, ” উনি কি আপনার বাড়িওয়ালা?” জবাবে, “উনি বলেন, না।

আমার পরিচিত। ” গত ১৬অক্টোবর২৪ তারিখে দুপুর ১২/৩০ মিনিটে ধরা পড়লে, “নাঈমের কাছে জানতে চাওয়া হয় একজন মানুষের একাধিক স্ত্রী থাকতেই পারে তাহলে আপনি কেন তাকে বিয়ে করছেন না?” জবাবে নাঈম বলেন, ” আমার স্ত্রী সন্তান থাকার কারনে বিয়ে করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ” তখন নাঈম আর কখনও শিক্ষিকার সাথে যোগাযোগ বা দেখা করবেন না শর্তে এবং বড় অংকের টাকার বিনিময়ে মীমাংসা বিষয়টি হয়।” ” উনাদের একে অপরের সাথে এখনো যোগাযোগ আছে” এমন মন্তব্য করেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মচারী। তিনি আরো বলেন, “ম্যাম সরাসরি নাঈম ভয়ের সাথে দেখা করতে যান না।

তিনি প্রথম শহরের কোনো না কোনো একটা বাসায় গিয়ে বেশ সময় কাটিয়ে গায়ের পোষাক পরিবর্তন করে হেজাব ও মুখে মাস্ক পড়ে (যাতে কেউ চিনতে না পারে) লেবাস পরিবর্তন করে নাঈম ভায়ের কাছে যান। তিনি আরো বলেন, হিজল স্যারের শালার সাথে সম্পর্ক থাকার কারনে ম্যাম দাপটের সাথে চাকুরী করেন। ” আগামী পর্বে নাঈমের সাক্ষাৎকারসহ ভিডিও আসছে সাথে থাকুন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে  ঘর বাড়িতে হামলা- ভাংচুর-লুটপাট

মোঃ শওকত আলী:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া,সরাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘর বাড়িতে হামলা- ভাংচুর-লুটপাট, আতঙ্কে গ্রাম ছাড়া তিনটি পরিবার।
পূর্ব বিরোধের জেরে ঘর বাড়িতে হামলা-ভাংচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় আতঙ্কে গ্রাম ছেড়েছে তিন পরিবারের প্রায় ২৫/৩০ জন সদস্য। ১৭ মার্চ সোমবার দুপুরে এই ঘটনার কথা  নিশ্চিত করেন গ্রাম ছাড়া পরিবারের সদস্যরা। গত বুধবার সকালে উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের কালিশিমুল এই ঘটনা ঘটে। 
গত ৩ মার্চ সোমবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ আনছর আলীর স্ত্রী মোছা: আকলিমা বাদি হয়ে মোঃ সিরিছলামকে প্রধান আসামী করে  ৬,জন এ-র বিরুদ্ধে মামলা করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২কে আসামী করে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (দ্রুত বিচার) আলাদতে একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে মৃত নাদির মিয়ার ছেলে মোঃ আনছর আলী তাদের ঘর বাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় একই এলাকার মৃত মলাই মিয়ার ছেলে সিরিছলাম ও আলী ইসলামের বিরুদ্ধে সরাইল থানায় একটি মামলা করেন। এরপর থেকে তাদের মধ্যে শত্রুতা শুরু হয়।
দীর্ঘদিন দিনের ক্ষোভে, খাদিজা নামের একটি শিশুর স্বাভাবিক মৃত্যুকে পুজি করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে সিরিছলাম, তাজুল ইসলাম, আলী ইসলাম ও দু:খু মিয়াসহ ৩০-৪০ লোক আনছর আলী, মনসুর আলী, পারভেজ মিয়া, দরবেশ মিয়া, মোহাম্মদ আলীর ঘর বাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট করে।
এই সময় তারা আলমারিতে থাকা নগদ ৫ লক্ষ  টাকা, আরো একই স্থানে রাখা ৫ লক্ষ টাকার স্বর্নালংকার সহ চারটি গরু এবং ঘরে রক্ষিত ৪৫ মন চাল লুট করে নিয়ে যায়, এবং তাদেরকে হত্যা হুমকি দিলে জীবন বাঁচাতে তিনটি পরিবার বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯মার্চ-২৫/মওম

ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ নবীনগর কল্যাণ সমিতির দোয়া মাহফিল ও ইফতার অনুষ্ঠিত

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ নবীনগর কল্যাণ সমিতির দোয়া মাহফিল ও ইফতার মঙ্গলবার সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি এড. মিন্টু ভৌমিকের সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন খাঁন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এ. জেড. এম আরিফ হোসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের অবঃপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ ড. মো. ইব্রাহিম, জেলা জাসদের সভাপতি এড. আক্তার হোসেন সাঈদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাবেক সভাপতি মো. আরজু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. আনিছুর রহমান মঞ্জু,  সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মাসুদুল ইসলাম মাসুদ, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আলি আজম, ডক্টর এ্যাসোসিয়েশন অব (ড্যাব) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. হিমেল খাঁন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হোমিওপ্যাথিক হেলথ এন্ড মেডিকেল সোসাইটির সভাপতি ডা. মোকলেছুর রহমান, ডা. হানিফ প্রমুখ।
দোয়া ও ইফতার মাহফিল পরিচালনা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ নবীনগর কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জহির রায়হান ও মো. আবু কাউছার।
ইফতার মাহফিলে দেশ ও জনগণের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন মুফতি এরশাদুল ইসলাম।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯মার্চ-২৫/মওম

নোয়াখালীতে অভিনব কায়দায় শিশুকে যৌন নিপীড়ন, গ্রেপ্তার-১

 প্রতিনিধি,নোয়াখালী:
নোয়াখালীর কবিরহাটে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ইমাম হোসেন (৫৫) চাঁদপুরের শাহরাস্তি থানার সূচিপাড়া ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের শৌরশাক গ্রামের মৃত আব্দর জব্বারের ছেলে।
১৯ মার্চ বুধবার সকালে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভিকটিম তার মায়ের সাথে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। অভিযুক্ত ইমাম হোসেন ফেনী জেলার হাজারী রোডে একটি বাসায় থেকে গ্রামগঞ্জে পায়ে হেঁটে শিলপাটা মেরামতের কাজ করে। দুপুর সোয়া ১টার দিকে ইমাম ঘঠনাস্থলে গেলে ভিকটিমের মা তাকে একটি পাটা খোটানোর জন্য ডাকে। পাটা খোটানো শেষ হলে শিশুটির মা তাকে রেখে বাসা থেকে টাকা আনতে যায়। ওই সুযোগে ইমাম হোসেন ভিকটিমকে যৌন নিপীড়ন করে। পরে ভিকটিমের মা শিশুর চিৎকারে শুনে এসে ঘটনাটি দেখতে পায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো,শাহীন মিয়া বলেন, এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতনের ১০ ধারায় মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯মার্চ-২৫/মওম

সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা

নাজমুল হাসান:
পরিবেশ-পরিস্থিতি, পারিবারিক অস্বচ্ছতা ও রাষ্ট্রের দায়িত্বহীনতার কারণে ক্রমশ পথশিশুদের এবং সুবিধা বঞ্চিত শিশুর পরিসংখ্যান দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। একদিক থেকে মানবতা এবং মনুষ্যত্ব হ্রাস পাচ্ছে। যদিও তারা এতিম অথবা বিভিন্ন সংস্থার আশ্রয় কেন্দ্রে বেড়ে উঠে,  রাস্তায় জীবন-যাপন করার কারণে পরিচিত হয় পথশিশু বা সুবিধা বঞ্চিত শিশু নামে। কুমিল্লার দেবিদ্বারে দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ির উদ্যোগে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) গ্লোবাল টেলিভিশন, কুমিল্লার সার্বিক সহযোগিতায় এবং দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ি এর প্রতিষ্ঠাতা রোটাঃ মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী উদ্যোগে এবং শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায় বরুন চক্রবর্তী দের সভাপতিত্বে দেবিদ্বার সরকারি শিশু পরিবারে সাথে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুল হাসনাত খাঁন সহ দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হানুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুদ্দিন ইলিয়াস, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ, দৈনিক কালের কন্ঠের প্রতিনিধি প্রবীন সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
সহকারী শিক্ষক আবুল হাসেম এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ এনামুল হক,ফখরুল ইসলাম সাগর, শাহিন আলম, ফারুক হোসেন জনি, আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক মাহফুজ,  নাজমুল হাসান, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন সরকার, দলিল লেখক হাফিজুর রহমান, বীমাকর্মী নওশাদ চৌধুরী, ক্যামেরা পারসন সাইফুল ইসলাম সজিব, ব্যবসায়ী রাসেল আহম্মেদসহ আরো অনেকে।
দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা রোটাঃ মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী বলেন, সুবিধা বঞ্চিত এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে সমাজের দানশীল ও মানবীক মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে আজকের এই দোয়া ও ইফতার মাহফিল। এই অনুষ্ঠান দেখে একজনও যদি তার আশে পাশের এতিমদের সহযোগিতায় এগিয়ে তবেই এই অনুষ্ঠান স্বার্থক। এছাড়াও দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন প্রতি বছর বিশেষ বিশেষ দিনে এই শিশুদের জন্য উন্নত মানের খাবার বিতরণ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, পিঠা, বসন্ত, ফল উৎসবসহ নানান আয়োজন করে থাকে। ভবিষ্যতে এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯মার্চ-২৫/মওম

গাজায় ইসরায়েলি ভয়াবহ হামলার নিন্দা জামায়াত আমিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং ধিক্কার জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১৯ মার্চ বুধবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে ইসরায়েলের হামলার নিন্দা ও ধিক্কার জানান জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সব রীতিনীতি, আইন-কানুন ন্যূনতম মনুষ্যত্ব বিসর্জন দিয়ে গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যেও এই পবিত্র রমজান মাসেও গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।’ ইসরায়েলি হামলার নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘হে আল্লাহ, আপনি আপনার একান্ত মেহেরবানীতে গাজাবাসীকে, ফিলিস্তিনকে রক্ষা করুন, সাহায্য করুন ও জালিমদের পরাজিত করুন।’

‘আমাদেরকে আমাদের দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন। আমীন।’ বলেন জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা।

গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে ১৮ মার্চ মঙ্গলবার গাজাজুড়ে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এর মধ্যে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস, রাফাহ, উত্তরে গাজা সিটি এবং দেইর এল-বালাহর মতো কেন্দ্রীয় এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই হামলায় চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫৬২ জন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯মার্চ-২৫/মওম

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রয়োজন,একমত ট্রাম্প-পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একমত হয়েছেন যে, ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে স্থায়ী শান্তি চুক্তি প্রয়োজন।  ১৮ মার্চ মঙ্গলবার দুই নেতার মধ্যে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টেলিফোন আলোচনা হয়। এ সময় তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন। হোয়াইট হাউজ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউজের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেন এবং রাশিয়া উভয়েই এই যুদ্ধে বিপুল রক্ত ও সম্পদ হারিয়েছে। এই সম্পদ তাদের জনগণের প্রয়োজনে ব্যয় করা উচিত ছিল। এই সংঘাত কখনোই শুরু করা উচিত হয়নি এবং আন্তরিক ও সদিচ্ছাপূর্ণ শান্তি প্রচেষ্টার মাধ্যমে দীর্ঘদিন আগেই এর অবসান হওয়া উচিত ছিল।

রাশিয়ার ক্রেমলিন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন ট্রাম্পের একটি প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, রাশিয়া এবং ইউক্রেন পরস্পরের শক্তি অবকাঠামোতে আঘাত হানবে না এবং এই বিষয়ে ৩০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। পুতিন এ সংক্রান্ত আদেশ রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে দিয়েছেন বলেও ক্রেমলিনের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্রেমলিন আরও জানায়, টেলিফোন আলোচনায় দুই নেতা ইউক্রেন সংকট নিয়ে বিস্তারিত ও খোলামেলা মতবিনিময় করেছেন। পুতিন এ সময় বলেছেন, সংঘাতের সমাধান সমন্বিত, টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি হতে হবে। এক্ষেত্রে রাশিয়ার নিরাপত্তা স্বার্থ ও যুদ্ধের মূল কারণগুলো বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। 

যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করেছেন। গত সপ্তাহে ইউক্রেন এই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছিল। তবে ক্রেমলিন বলেছে, পুতিন এই যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ এবং ইউক্রেনের পক্ষ থেকে এ সময় সেনা সংগ্রহ এবং পুনরায় সশস্ত্র হওয়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উত্থাপন করেছেন।

ক্রেমলিনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সংঘাতের উত্তেজনা কমাতে এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে এর সমাধান খুঁজতে বিদেশি সামরিক সহায়তা এবং কিয়েভকে গোয়েন্দা তথ্য প্রদান সম্পূর্ণ বন্ধ করা জরুরি।

এই আলোচনাকে ইউক্রেন সংকটের সমাধানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা কতটা কার্যকর হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান খুঁজতে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯মার্চ-২৫/মওম

কমলাপুর স্টেশনে কন্টেইনারবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত

আলোকিত প্রতিবেদক:

দেশের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন কমলাপুরে প্রবেশের সময় একটি কন্টেইনারবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। ফলে আপ এবং ডাউন দুই লাইনে প্রায় দেড় ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। বর্তমানে আপ লাইনে ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করছে কর্তৃপক্ষ।১৯ মার্চ বুধবার দুপুরে  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে একটি কন্টেইনারবাহী ট্রেন স্টেশনে ঢোকার সময় ডাউন লাইনে পেছন থেকে ২টি ক্যারেজ পড়ে যায়। এ ঘটনার পর স্টেশনের সব ট্রেনের মুভমেন্ট বন্ধ রাখা হয়। এখন কিছুক্ষণের মধ্যে সিঙ্গেল লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে, দেড় ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় আজ অন্য ট্রেনগুলো চলাচলে বিলম্ব হতে পারে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাইন ক্লিয়ারের কাজ চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯মার্চ-২৫/মওম

দীর্ঘ ৯ বছরেও অগ্রগতি নেই, সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার

বিশেষ প্রতিনিধি : সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের ৯ বছর পূর্ণ হবে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ)। এ ৯ বছরেও তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্তদের চিহ্নিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে গত চার বছর ধরে মামলার বাদীপক্ষ তনুর পরিবারের সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার কোনো যোগাযোগ নেই বলে পরিবারের অভিযোগ। তনু হত্যার বিচারের আশা ছেড়ে দিলেও পরিবর্তিত সরকার ব্যবস্থার কারণে আবারও বিচার পাওয়ার আশা করছেন তনুর মা-বাবা।

বিচার না পাওয়া নিয়ে মামলার বাদী তনুর বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহকারী ইয়ার হোসেন বলেন, এতদিন আওয়ামী লীগ সরকার ছিল, তারা চায়নি এ মামলার বিচার হোক। এখন আমরা ড. ইউনূস সরকারের কাছে বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে রহস্য বের হতো, তাদেরই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। পরিবারের প্রতিটি সদস্য ও আত্মীয়স্বজন এমনকি শিক্ষকরাও সাক্ষ্য দিয়েছেন, আর কি বাকি রইল? বিচার চেয়ে কী লাভ? গরিবের ওপর জুলুমের বিচার হয় না।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তনুকে অনেক কষ্ট করে বড় করেছি। কী বেদনা নিয়ে বেঁচে আছি, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। ৯ বছর যারা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন তাদেরও আইনের আওতায় আনা হোক। তারা মামলা নষ্ট করে দিয়েছে। ওদেরও বিচার করতে হবে। পিবিআই আমার মেয়ে হত্যায় জড়িত কাউকে ধরতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, ঢাকায় বসে আমাদের ডেকে পাঠিয়ে উল্টো হয়রানি করেছে। আমরা গরিব বলে মেয়ে হত্যার বিচার পাব না। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি দুনিয়ায় না হয়, আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে রাখলাম। আল্লাহর বিচার বড় বিচার।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, আমি ঈদের আগে কুমিল্লায় যাব। এ মামলার তদন্ত তড়িঘড়ি করে করা যাবে না। কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঘটনাস্থলে যেতে হয়। আমরা কাজ করছি। সময় হলে মামলার বাদীপক্ষসহ সবার সঙ্গেই দেখা করব। আমরা আসামিদের শনাক্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় টিউশনি করতে গিয়ে বাসায় ফেরেননি তনু। পরে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে রাতে বাসার অদূরে একটি জঙ্গলে তনুর মরদেহ পায়। পরেরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। থানা পুলিশ ও ডিবির পর ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। ২০১৭ সালের মে মাসে সিআইডি তনুর জামাকাপড় থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠবারের মতো মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদল করা হয়। এবার তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইয়ের ঢাকার আরেক পরিদর্শক তরিকুল ইসলামকে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখা হয় জঙ্গলে। বৃহস্পতিবার তনুর নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মসজিদে দোয়া ও এতিম শিশুদের ইফতার করানো হবে জানায় তনুর পরিবার।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চকরিয়া প্রেস ক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

সাদ্দাম হোসাইন, চকরিয়া প্রতিনিধি কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ঐতিহ্যেবাহী প্রেসক্লাবের
আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ মার্চ) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সুগন্ধা হল রুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়

ইফতার পরবর্তী প্রেসক্লাবে বিভিন্ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি এ এম ওমর আলীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খোকন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর রানার সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. এরফান উদ্দিন, প্রধান বক্তা উপজেলা কক্সবাজার জেলা বিএনপি সহসভাপতি চকরিয়া উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক আলহাজ্ব এনামুল হক, বিশেষ আলোচক, উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফখরুদ্দিন ফরায়েজী, গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক আব্দুল কাদের প্রাইম,

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, চকরিয়া প্রেসক্লাবে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজবাহ উদ্দীন, চকরিয়া উপজেলা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন, উপজেলা সহকারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল আল- আমিন বিশ্বাস, চকরিয়া থানার অপারেশন কর্মকর্তা উপ- পরিদর্শক খায়রুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ভুট্টো, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুর মুহাম্মদ মানিক, চিরিংগা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আহমদ মেম্বার, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকরিয়া, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন লাল্টুসহ প্রমূখ।
গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি, অনিয়ম-দুর্নীতি, দুর্ভোগের চিত্র যেমন ফুটে ওঠে তেমনি তাদের লেখনিতে মানুষের সাফল্য, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার কথা উঠে আসে।
তিনি আরও বলেন, প্রেসক্লাবের এই ইফতার মাহফিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির একটি মাধ্যম। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, আলোচনা শেষে দোয়া মোনাজাত ও ইফতারের মাধ্যমে শেষ হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি